খুঁজুন
                               
, ,
           

নেপালে হিমবাহধসের ১০ দিন পর সুড়ঙ্গ থেকে চীনা নাগরিক জীবিত উদ্ধার

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
প্রকাশিত: শনিবার, ৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৫:৪৬ অপরাহ্ণ
নেপালে হিমবাহধসের ১০ দিন পর সুড়ঙ্গ থেকে চীনা নাগরিক জীবিত উদ্ধার

নেপালে ভয়াবহ হিমবাহ ও পাথরধসের পর সৃষ্ট ঢলের ১০ দিন পর একটি জলবিদ্যুৎ প্রকল্পের সুড়ঙ্গ থেকে এক চীনা নাগরিককে জীবিত উদ্ধার করা হয়েছে। শনিবার ত্রিশূলী–১ জলবিদ্যুৎ প্রকল্পের একটি সুড়ঙ্গ থেকে তাঁকে উদ্ধার করে নেপালের সেনাবাহিনী।

নেপাল সেনাবাহিনীর মুখপাত্র রাজা রাম বাসনেত বার্তা সংস্থা এএফপিকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, আপার ত্রিশূলী–১ জলবিদ্যুৎ প্রকল্পের একটি সুড়ঙ্গ থেকে ওই চীনা নাগরিককে উদ্ধার করা হয়েছে।

এর আগে শুক্রবার সকালে ত্রিশূলী–৩–এ জলবিদ্যুৎ প্রকল্পের একটি সুড়ঙ্গ থেকে দুই নেপালি নাগরিককে জীবিত উদ্ধার করা হয়। উদ্ধার হওয়া দুজন হলেন সঞ্জয় শাহ ও কবির মহারাজন।

উদ্ধারের পর তাঁদের প্রয়োজনীয় অক্সিজেন দেওয়া হয়। তবে সুড়ঙ্গের ভেতরে আরও মানুষ আটকে থাকতে পারেন বলে আশঙ্কা করছে কর্তৃপক্ষ। তাঁদের সন্ধানে উদ্ধার অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

নেপালের প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় জানিয়েছে, উদ্ধার হওয়া কবির মহারাজনের শারীরিক অবস্থা আশঙ্কাজনক। তাঁকে কাঠমান্ডুর আর্মি হাসপাতালের নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে (আইসিইউ) চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে। অন্যদিকে সঞ্জয় শাহকেও একই হাসপাতালে স্বাস্থ্য পরীক্ষা করানোর কথা রয়েছে।

নেপালের জ্বালানিমন্ত্রী বিরাজ ভক্ত শ্রেষ্ঠ বলেছেন, ক্ষতিগ্রস্ত সব সুড়ঙ্গেই উদ্ধার তৎপরতা চালানো হচ্ছে। তাঁর ভাষায়, যতক্ষণ শ্বাস আছে, ততক্ষণ আশা রয়েছে।

গত ২৬ আগস্ট চীন-নেপাল সীমান্তসংলগ্ন পাহাড়ি এলাকায় ব্যাপক হিমবাহ ও পাথরধসের ঘটনা ঘটে। এরপর কাদা, পাথর ও ধ্বংসাবশেষের বিশাল স্রোত ওই অঞ্চলে নেমে আসে। এতে বেশ কয়েকটি জলবিদ্যুৎ প্রকল্প ক্ষতিগ্রস্ত হয় এবং বহু কর্মী নিখোঁজ হন।

দুর্যোগের পর থেকে উদ্ধার অভিযান চালিয়ে যাচ্ছে নেপালের বিভিন্ন সংস্থা। একের পর এক জীবিত উদ্ধারের ঘটনায় উদ্ধারকাজে নতুন করে আশার সঞ্চার হয়েছে।

নেপালের জাতীয় দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কর্তৃপক্ষের তথ্য অনুযায়ী, এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত অন্তত ১ হাজার ৩৪৪ জনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। নিখোঁজ রয়েছেন ৫ হাজার ৮৩ জনের বেশি মানুষ।

অন্যদিকে চীনের রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম জানিয়েছে, তিব্বত অংশে এই দুর্যোগে ৩১ জনের মৃত্যু হয়েছে এবং ৫৩১ জন এখনো নিখোঁজ। দুই দেশের হিসাব মিলিয়ে মৃতের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে অন্তত ১ হাজার ৩৭৫ জনে। নিখোঁজের সংখ্যা পাঁচ হাজার পাঁচশরও বেশি।

ধ্বংসস্তূপের নিচে আরও কেউ জীবিত আছেন কি না, তা জানতে ক্ষতিগ্রস্ত সুড়ঙ্গগুলোতে উদ্ধার অভিযান চালিয়ে যাচ্ছে নেপাল সেনাবাহিনী ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।

কালের আলো/এসএ

অজান্তেই ক্যানসারের ঝুঁকি বাড়াচ্ছে যে ৭ অভ্যাস

লাইফস্টাইল ডেস্ক
প্রকাশিত: শনিবার, ৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৬:৩৬ অপরাহ্ণ
অজান্তেই ক্যানসারের ঝুঁকি বাড়াচ্ছে যে ৭ অভ্যাস

প্রতিদিনের ব্যস্ত জীবনে এমন কিছু অভ্যাস আমরা নিয়মিতই করি, যেগুলোকে খুব একটা ক্ষতিকর মনে হয় না। কিন্তু দীর্ঘদিন ধরে এসব অভ্যাস চালিয়ে গেলে ক্যানসারের ঝুঁকি বাড়তে পারে। ধূমপান থেকে শুরু করে শারীরিক নিষ্ক্রিয়তা, অস্বাস্থ্যকর খাবার কিংবা অতিরিক্ত রোদে থাকা—বিভিন্ন পরিচিত ঝুঁকির সঙ্গে ক্যানসারের সম্পর্ক রয়েছে।

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার (WHO) তথ্য অনুযায়ী, ক্যানসারের উল্লেখযোগ্য একটি অংশ প্রতিরোধযোগ্য ঝুঁকির সঙ্গে সম্পর্কিত। তাই জীবনযাপনে কিছু পরিবর্তন এনে ঝুঁকি কমানো সম্ভব।

১. ধূমপান ও তামাক ব্যবহার

ক্যানসারের অন্যতম প্রধান প্রতিরোধযোগ্য ঝুঁকি তামাক। সিগারেট, বিড়ি বা অন্যান্য তামাকজাত পণ্য ব্যবহারের সঙ্গে ফুসফুসসহ বিভিন্ন ধরনের ক্যানসারের সম্পর্ক রয়েছে। শুধু ধূমপায়ী নন, পরোক্ষ ধূমপানের সংস্পর্শে থাকা ব্যক্তিরাও ঝুঁকিতে পড়তে পারেন।

২. নিয়মিত শরীরচর্চা না করা

সারাদিন বসে থাকা, হাঁটাচলা কম করা এবং নিয়মিত ব্যায়াম না করার অভ্যাস স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর। শারীরিক নিষ্ক্রিয়তা অতিরিক্ত ওজনসহ বিভিন্ন সমস্যার ঝুঁকি বাড়াতে পারে, যা পরোক্ষভাবে কিছু ক্যানসারের ঝুঁকির সঙ্গেও যুক্ত।

৩. অতিরিক্ত ওজন

অতিরিক্ত ওজন ও স্থূলতার সঙ্গে কয়েক ধরনের ক্যানসারের সম্পর্ক রয়েছে। তাই স্বাস্থ্যকর ওজন ধরে রাখা কেবল হৃদ্‌যন্ত্র বা ডায়াবেটিসের ঝুঁকি কমানোর জন্য নয়, ক্যানসার প্রতিরোধের ক্ষেত্রেও গুরুত্বপূর্ণ।

৪. অস্বাস্থ্যকর খাবার খাওয়া

প্রতিদিনের খাদ্যতালিকায় ফল, শাকসবজি ও আঁশযুক্ত খাবারের পরিবর্তে অতিরিক্ত প্রক্রিয়াজাত ও অস্বাস্থ্যকর খাবার রাখা দীর্ঘমেয়াদে স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর হতে পারে। বিশেষ করে প্রক্রিয়াজাত মাংস বেশি খাওয়ার বিষয়ে সতর্ক থাকার পরামর্শ দেন বিশেষজ্ঞরা।

৫. অ্যালকোহল পান

অ্যালকোহল সেবনের সঙ্গে মুখ, গলা, খাদ্যনালি, লিভার, বৃহদান্ত্র ও স্তনসহ বিভিন্ন ক্যানসারের সম্পর্ক রয়েছে। পরিমাণ যত বাড়ে, ঝুঁকিও তত বাড়তে পারে।

৬. অতিরিক্ত রোদে থাকা

সূর্যের অতিবেগুনি বা UV রশ্মির দীর্ঘসময় সংস্পর্শ ত্বকের ক্যানসারের ঝুঁকি বাড়াতে পারে। বিশেষ করে তীব্র রোদে দীর্ঘসময় অবস্থান করলে ত্বককে সুরক্ষিত রাখা জরুরি।

৭. বায়ুদূষণের মধ্যে দীর্ঘসময় থাকা

বায়ুদূষণও ক্যানসারের একটি পরিচিত ঝুঁকি। বিশেষ করে দীর্ঘদিন দূষিত বায়ুর সংস্পর্শে থাকলে ফুসফুসের ক্যানসারের ঝুঁকি বাড়তে পারে।

তবে এসব অভ্যাস থাকলেই কারও ক্যানসার হবে—এমন নয়। ক্যানসার একটি জটিল রোগ, যার পেছনে বয়স, বংশগত কারণ, সংক্রমণ, পরিবেশসহ একাধিক বিষয় কাজ করতে পারে।

তাই ঝুঁকি কমাতে ধূমপান ও তামাক বর্জন, নিয়মিত শরীরচর্চা, স্বাস্থ্যকর খাবার গ্রহণ, স্বাস্থ্যকর ওজন বজায় রাখা এবং অতিরিক্ত রোদ ও দূষণ থেকে নিজেকে সুরক্ষিত রাখা গুরুত্বপূর্ণ। শরীরে কোনো অস্বাভাবিক পরিবর্তন দীর্ঘদিন থাকলে নিজে থেকে সিদ্ধান্ত না নিয়ে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়াই সবচেয়ে নিরাপদ।

কালের আলো/এসএ

নিউইয়র্ক সফরে ট্রাম্পের সঙ্গে তারেক রহমানের বৈঠকের সম্ভাবনা

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: শনিবার, ৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৬:২৯ অপরাহ্ণ
নিউইয়র্ক সফরে ট্রাম্পের সঙ্গে তারেক রহমানের বৈঠকের সম্ভাবনা

নিউইয়র্কে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের অধিবেশনে যোগ দিতে প্রধানমন্ত্রীর সফরকালে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গে তারেক রহমানের বৈঠক হতে পারে বলে জানিয়েছেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবির।

শনিবার (৫ সেপ্টেম্বর) সিলেট নগরের একটি হোটেলে সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে তিনি এ কথা জানান।

পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী বলেন, নতুন বাংলাদেশের অগ্রযাত্রার বার্তা নিয়ে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের অধিবেশনে যোগ দেবেন। সফরকালে মার্কিন প্রেসিডেন্টের সঙ্গে বৈঠকের সম্ভাবনা রয়েছে।

ভারতের সঙ্গে সম্পর্ক প্রসঙ্গে তিনি বলেন, প্রতিবেশী দেশ হিসেবে ভারতের সঙ্গে বাংলাদেশের সুসম্পর্ক থাকা প্রয়োজন। দুই দেশের মধ্যে নানা সমস্যা থাকলেও আলোচনার পথ বন্ধ হয়নি। তবে ভারত সফরের দিন-তারিখ এখনো চূড়ান্ত হয়নি।

জ্বালানি সংকট প্রসঙ্গে হুমায়ুন কবির বলেন, সরকার জ্বালানি খাতকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে সংকট সমাধানে কাজ করছে। এ খাতে অতীতে দুর্নীতির চিত্রও তুলে ধরেন তিনি।

যুক্তরাষ্ট্র থেকে বোয়িং বিমান কেনার বিষয়ে তিনি বলেন, বাংলাদেশকে বোয়িং কিনতেই হবে—এমন কোনো চাপ নেই। দেশের প্রয়োজন ও চাহিদার কারণেই যুক্তরাষ্ট্র থেকে বিমান কেনার বিষয়টি বিবেচনা করা হচ্ছে।

এ ছাড়া মালয়েশিয়ায় বাংলাদেশি শ্রমিক পাঠানোর ক্ষেত্রে আগের সরকারের সময়কার সিন্ডিকেটের কারণে নেতিবাচক প্রভাব পড়েছিল বলে মন্তব্য করেন তিনি। বর্তমান সরকার সেই সিন্ডিকেট ভেঙে দিয়ে ধাপে ধাপে শ্রমশক্তি রপ্তানির উদ্যোগ নিয়েছে বলেও জানান পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী।

কলকাতায় বাংলাদেশি নাগরিকদের হোটেলে থাকার সুযোগ না পাওয়া বা রাস্তায় রাত কাটানোর বিষয়ে সুনির্দিষ্ট অভিযোগ পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের নজরে এলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও জানান তিনি।

কালের আলো/ডিএইচ/এমএসআইপি

স্থানীয় নির্বাচনের প্রচারে নতুন বিধিনিষেধ, নিষিদ্ধ মিছিল-পোস্টার

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: শনিবার, ৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৬:২৪ অপরাহ্ণ
স্থানীয় নির্বাচনের প্রচারে নতুন বিধিনিষেধ, নিষিদ্ধ মিছিল-পোস্টার

স্থানীয় সরকার নির্বাচনে প্রচারের ধরন ও পরিধিতে নতুন বিধিনিষেধ আরোপ করেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। নতুন আচরণবিধি অনুযায়ী নির্বাচনী প্রচারে মিছিল ও পোস্টার নিষিদ্ধ করার পাশাপাশি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) ব্যবহার করে তৈরি বিভ্রান্তিকর কনটেন্ট প্রচারেও নিষেধাজ্ঞা দেওয়া হয়েছে।

নতুন বিধিমালায় প্রার্থীদের প্রচারে সরকারি সুবিধা ব্যবহার, মাইক, বিলবোর্ড ও নির্বাচনী ক্যাম্প স্থাপনসহ বিভিন্ন বিষয়ে কঠোর বিধিনিষেধ রাখা হয়েছে। আচরণবিধি লঙ্ঘনের অভিযোগ প্রমাণিত হলে প্রার্থিতা বাতিলের ক্ষমতাও ইসিকে দেওয়া হয়েছে।

ইসি কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, সিটি করপোরেশন, জেলা পরিষদ, উপজেলা পরিষদ, পৌরসভা ও ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন নির্দলীয়ভাবে অনুষ্ঠিত হবে। এ কারণে ২০১৬ সালের বিধিমালা বাতিল করে নতুন আচরণবিধি প্রণয়ন করা হচ্ছে।

নতুন বিধিমালা অনুযায়ী, নির্বাচনী এলাকায় কোনো ধরনের পোস্টার ব্যবহার করা যাবে না। ভবন, দেয়াল, গাছ, বিদ্যুতের খুঁটি, সেতু, ফ্লাইওভারসহ বিভিন্ন স্থানে প্রচারসামগ্রী লাগানোর ওপরও নিষেধাজ্ঞা রয়েছে। তফসিল ঘোষণার পর থেকে ফলাফল গেজেট প্রকাশ পর্যন্ত প্রকাশ্য মিছিলও করা যাবে না।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও ডিজিটাল মাধ্যমে প্রচারের ক্ষেত্রেও রাখা হয়েছে কঠোর বিধান। ব্যক্তিগত কুৎসা, অপমানজনক বক্তব্য, মিথ্যা বা বিভ্রান্তিকর তথ্য এবং বিদ্বেষমূলক বক্তব্য প্রচার নিষিদ্ধ। এআই ব্যবহার করে এমন বিভ্রান্তিকর কনটেন্ট তৈরি বা প্রচারও করা যাবে না।

নির্বাচনী প্রচারে মাইক ব্যবহারের সময়ও নির্ধারণ করে দিয়েছে ইসি। দুপুর ১২টার আগে এবং সূর্যাস্তের পর মাইক ব্যবহার করা যাবে না। শব্দের মাত্রা সর্বোচ্চ ৬০ ডেসিবেলের মধ্যে রাখতে হবে এবং একটি ওয়ার্ডে একটির বেশি মাইক ব্যবহার করা যাবে না।

এ ছাড়া সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারী ও অতিগুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিদের নির্বাচনী প্রচারে অংশ নেওয়া নিষিদ্ধ করা হয়েছে। প্রার্থীর পক্ষে সরকারি যানবাহন বা সরকারি কোনো সুবিধা ব্যবহার করা যাবে না।

বিলবোর্ড ব্যবহারের ক্ষেত্রেও সীমা নির্ধারণ করা হয়েছে। একটি বিলবোর্ডের সর্বোচ্চ আয়তন ১৬ ফুট বাই ৮ ফুট হতে পারবে এবং প্রতি ওয়ার্ডে একজন প্রার্থী একটির বেশি বিলবোর্ড ব্যবহার করতে পারবেন না।

নির্বাচনী প্রচারে হেলিকপ্টার বা অন্য কোনো আকাশযান ব্যবহার করা যাবে না। ট্রাক, বাস, মোটরসাইকেল, নৌযান বা ট্রেন ব্যবহার করে মিছিল কিংবা শোভাযাত্রাও নিষিদ্ধ করা হয়েছে। ভোটের দিন ভোটার আনা-নেওয়ার জন্য যানবাহন ভাড়া বা ব্যবহার করা যাবে না।

আচরণবিধি লঙ্ঘন করলে সর্বোচ্চ ছয় মাস কারাদণ্ড অথবা ৫০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড, অথবা উভয় দণ্ডের বিধান রাখা হয়েছে। অভিযোগ প্রমাণিত হলে সংশ্লিষ্ট প্রার্থীর প্রার্থিতা বাতিল করতে পারবে ইসি।

আগামী নভেম্বরের শেষার্ধ থেকে স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠানগুলোর নির্বাচন শুরু করার প্রস্তুতি নিচ্ছে নির্বাচন কমিশন। প্রাথমিকভাবে ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন দিয়ে এ কার্যক্রম শুরু হতে পারে।

কালের আলো/এএইচ/এমএসআইপি