খুঁজুন
                               
, ,
           

‘কেউ জিজ্ঞেস করলে বলো আমি অন্তঃসত্ত্বা’, কেন বলেছিলেন নীনা?

বিনোদন ডেস্ক
প্রকাশিত: শনিবার, ১২ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১১:৫৫ পূর্বাহ্ণ
‘কেউ জিজ্ঞেস করলে বলো আমি অন্তঃসত্ত্বা’, কেন বলেছিলেন নীনা?

স্পষ্টবাদী স্বভাবের জন্য পরিচিত বলিউডের জনপ্রিয় অভিনেত্রী নীনা গুপ্তা। ব্যক্তিগত জীবন হোক বা সমাজের বিভিন্ন অসংগতি, কখনওই নিজের মতামত প্রকাশ করতে পিছপা হন না তিনি।

সম্প্রতি বডি শেমিং এবং বিভিন্ন অপ্রাসঙ্গিক প্রশ্নের মুখে প্রতিক্রিয়া জানান বর্ষীয়ান এই অভিনেত্রী। একটি সাক্ষাৎকারে নীনা জানান, কেউ যখন তাকে বা অন্য কাউকে উদ্দেশ্য করে ওজন বাড়া নিয়ে মন্তব্য করেন বা অযথা কটূক্তি করেন, তখন তিনি অত্যন্ত মজার ছলেই তার জবাব দেন।

একবার শাড়ি পরে একটি ছবি পোস্ট করায় অনেকে মন্তব্য করেছিলেন যে তার ওজন বেড়েছে, কিংবা এই বয়সে এসে তিনি গর্ভবতী কি না। এই ধরনের কুরুচিকর কথার প্রতিবাদ করে তিনি এক সাক্ষাৎকারে বলেন, আমি কী আপনার বাবার পয়সায় খাই?

তিনি তার টিমকে এমন পরিস্থিতিতে লোকজনকে বলে দিতে বলেন, তিনি সত্যিই অন্তঃসত্ত্বা! বডি শেমিংয়ের শিকার হলে সাধারণ মানুষকেও তিনি ঠিক এই উপায়েই ট্রোলারদের মুখ বন্ধ করার পরামর্শ দিয়েছেন।

এর পাশাপাশি, বিয়ে কবে করছ? এই জাতীয় বিরক্তিকর ও ব্যক্তিগত কৌতূহলের মুখোমুখি হলে তিনি যেভাবে কড়া ভাষায় জবাব দেন, তা নিয়েও আলোচনা করেন। তার স্পষ্ট কথা, কারও ব্যক্তিগত জীবনে নাক গলানোর কোনও অধিকার নেই। এর আগে এক সাক্ষাৎকারে নীনা বলেছিলেন, আত্মনির্ভরশীল মহিলারা পুরুষদের কাছে বিয়ের জন্য উপযুক্ত নন। অন্তত ৯৫ শতাংশ পুরুষের ক্ষেত্রেই এই কথাটা সত্যি।

তার দাবি, পুরুষরা সাধারণত এমন নারী পছন্দ করেন যারা কিছুটা অসহায় বা তাদের ওপর নির্ভরশীল থাকবে। কর্মঠ, স্বাধীনচেতা এবং নিজের ক্যারিয়ার নিয়ে সচেতন নারীদের অনেক পুরুষই সহ্য করতে পারেন না। কারণ, তারা নারীর ওপর কর্তৃত্ব ফলাতে চান।

নীনা স্পষ্ট জানান, এটা কোনও বিতর্ক তৈরির জন্য নয় বরং নিজের জীবন এবং চারপাশের সমাজকে দেখে তার এই উপলব্ধি হয়েছে।

কালের আলো/এমআর

স্থানীয় সরকার নির্বাচনে শিক্ষাগত যোগ্যতার বাধ্যবাধকতা নেই: প্রতিমন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: রবিবার, ১৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১:৩৭ অপরাহ্ণ
স্থানীয় সরকার নির্বাচনে শিক্ষাগত যোগ্যতার বাধ্যবাধকতা নেই: প্রতিমন্ত্রী

স্থানীয় সরকার নির্বাচনে প্রার্থী হওয়ার ক্ষেত্রে কোনো শিক্ষাগত যোগ্যতার বাধ্যবাধকতা নেই বলে জানিয়েছেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম।

তিনি বলেছেন, ইউনিয়ন পরিষদের সদস্য ও চেয়ারম্যান থেকে শুরু করে উপজেলা চেয়ারম্যান, ভাইস চেয়ারম্যান, জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান, পৌরসভার মেয়র ও কাউন্সিলর এবং সিটি করপোরেশনের মেয়র ও কাউন্সিলর পদে প্রার্থী হতে শিক্ষাগত যোগ্যতার কোনো শর্ত নেই।

রোববার (১৩ সেপ্টেম্বর) সচিবালয়ে স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রীর কক্ষে ঢাকায় নিযুক্ত সুইজারল্যান্ডের রাষ্ট্রদূতের সঙ্গে বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন প্রতিমন্ত্রী।

মীর শাহে আলম বলেন, স্থানীয় সরকারের পাঁচটি আইনের কোথাও নির্বাচনে অংশগ্রহণের ক্ষেত্রে শিক্ষাগত যোগ্যতার বাধ্যবাধকতা রাখা হয়নি। তাই যারা আগামী স্থানীয় সরকার নির্বাচনে অংশ নিতে চান, তাদের বিভ্রান্ত না হওয়ার আহ্বান জানান তিনি।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, একজন সমাজসেবক প্রাতিষ্ঠানিকভাবে লেখাপড়া না করেও স্বশিক্ষিত হতে পারেন। তার মধ্যে মেধা ও জ্ঞান থাকতে পারে এবং তিনি জনপ্রতিনিধি হওয়ার যোগ্যতা রাখেন। শিক্ষাগত যোগ্যতার শর্ত আরোপ করলে তা মানবাধিকার লঙ্ঘনের বিষয় হয়ে দাঁড়াতে পারে।

তিনি আরও বলেন, সংসদ সদস্য হওয়ার ক্ষেত্রেও শিক্ষাগত যোগ্যতার বাধ্যবাধকতা নেই। একই ধারাবাহিকতায় স্থানীয় সরকার নির্বাচনের ক্ষেত্রেও এ ধরনের শর্ত রাখা হয়নি।

তবে প্রার্থী হওয়ার ক্ষেত্রে বয়সের শর্ত থাকবে বলে জানান প্রতিমন্ত্রী। তিনি বলেন, একজন ভোটার হলে স্থানীয় সরকার নির্বাচনে প্রার্থী হওয়ার সুযোগ থাকবে।

কালের আলো/এসকে/এমএসআইপি 

আ.লীগের কার্যক্রম নিষিদ্ধের বৈধতা নিয়ে রিট খারিজ

আদালত প্রতিবেদক
প্রকাশিত: রবিবার, ১৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১:৩১ অপরাহ্ণ
আ.লীগের কার্যক্রম নিষিদ্ধের বৈধতা নিয়ে রিট খারিজ

আওয়ামী লীগসহ দলটির সব অঙ্গ, সহযোগী ও ভ্রাতৃপ্রতিম সংগঠনের কার্যক্রম নিষিদ্ধের প্রজ্ঞাপনের বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে করা রিট আবেদন খারিজ করে দিয়েছেন হাইকোর্ট।

রোববার (১৩ সেপ্টেম্বর) বিচারপতি জে বি এম হাসান ও বিচারপতি আজিজ আহমদ ভূঞার হাইকোর্ট বেঞ্চ এ আদেশ দেন।

আদালতে উপস্থিত আইনজীবীরা জানান, রিটটি যথাযথভাবে আবেদন করা হয়নি (নট ইনফর্ম) বলে উত্থাপিত হয়নি মর্মে খারিজ করা হয়েছে।

এর আগে গত ৭ সেপ্টেম্বর ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল নূর মোহাম্মদ আজমী রিটের বিষয়টি জানিয়েছিলেন।

রিট আবেদনে ২০২৫ সালের ১২ মে জারি করা প্রজ্ঞাপনকে কেন আইনগত কর্তৃত্ববহির্ভূত ঘোষণা করা হবে না, সে বিষয়ে রুল জারির আবেদন করা হয়। একই সঙ্গে রুল বিচারাধীন থাকা অবস্থায় ওই প্রজ্ঞাপনের কার্যক্রম স্থগিত চাওয়া হয়েছিল।

গত বছরের ১২ মে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জননিরাপত্তা বিভাগ থেকে এ-সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়। এতে আওয়ামী লীগসহ দলটির সব অঙ্গ, সহযোগী ও ভ্রাতৃপ্রতিম সংগঠনের নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে বিচারকার্য শেষ না হওয়া পর্যন্ত প্রকাশনা, গণমাধ্যম, অনলাইন ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রচারণা, মিছিল, সভা-সমাবেশ, সম্মেলন আয়োজনসহ সব ধরনের কার্যক্রম নিষিদ্ধ ঘোষণা করা হয়।

প্রজ্ঞাপনের বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে মুন্সিগঞ্জের শ্রীনগরের বাসিন্দা মো. আল আমিন হাইকোর্টে রিট আবেদনটি করেন।

কালের আলো/এএইচ/এমএসআইপি 

নিখোঁজ জাহাজের ১০২ যাত্রী জীবিত, তল্লাশি অব্যাহত

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
প্রকাশিত: রবিবার, ১৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১:০২ অপরাহ্ণ
নিখোঁজ জাহাজের ১০২ যাত্রী জীবিত, তল্লাশি অব্যাহত

জাভা সাগরে নিখোঁজ হওয়া ইন্দোনেশিয়ার একটি যাত্রীবাহী জাহাজ থেকে ১০২ জনকে জীবিত উদ্ধার করা হয়েছে। এ ঘটনায় একজনের মরদেহও উদ্ধার করা হয়েছে। তবে জাহাজটিতে থাকা আরও যাত্রীদের সন্ধানে উদ্ধার অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

ইন্দোনেশিয়ার সার্চ অ্যান্ড রেসকিউ এজেন্সি জানিয়েছে, ‘ভার্গো ট্রান্সপোর্ট ৮’ নামের জাহাজটি খারাপ আবহাওয়ার কবলে পড়ার পর এর সঙ্গে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়। এরপরই জাহাজটির সন্ধানে ব্যাপক উদ্ধার অভিযান শুরু করা হয়।

জাহাজটিতে মোট ২৪৩ জন যাত্রী ছিলেন। উদ্ধারকারী দল এখন পর্যন্ত ১০২ জনকে জীবিত উদ্ধার করেছে। পাশাপাশি একজনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। বাকি যাত্রীদের সন্ধানে জাভা সাগরের ওই এলাকায় তল্লাশি চালানো হচ্ছে।

জানা গেছে, জাহাজটি ইন্দোনেশিয়ার সুরাবায়া থেকে দক্ষিণ কালিমন্তানের বানজারমাসিন শহরের দিকে যাচ্ছিল। স্থানীয় সময় শনিবার রাত ২টার দিকে বানজারমাসিনের প্রায় ১৫০ কিলোমিটার দক্ষিণে জাহাজটির সর্বশেষ অবস্থান শনাক্ত করা হয়েছিল।

উদ্ধার অভিযানে একটি উদ্ধারকারী জাহাজ ও হেলিকপ্টার পাঠানো হয়েছে। একই সঙ্গে জাভা সাগরের ওই অঞ্চলে চলাচলরত অন্য জাহাজগুলোকে নিখোঁজ যাত্রীদের কোনো সন্ধান পেলে দ্রুত কর্তৃপক্ষকে জানানোর জন্য সতর্ক করা হয়েছে।

এর আগে গত মাসে মাদুরা দ্বীপের কাছে ইন্দোনেশিয়ার আরেকটি ফেরিতে আগুন লাগার ঘটনায় পাঁচজনের মৃত্যু হয়েছিল।

১৭ হাজারের বেশি দ্বীপ নিয়ে গঠিত ইন্দোনেশিয়ায় দ্বীপগুলোর মধ্যে যোগাযোগের অন্যতম প্রধান মাধ্যম নৌযান। ফলে দেশটিতে প্রায়ই নৌযান দুর্ঘটনা ও নিখোঁজের ঘটনা ঘটে।

সূত্র: বিবিসি

কালের আলো/এমএসআইপি