খুঁজুন
                               
, ,
           

ভালোবাসা, শক্তি ও শুভ সূচনার প্রতীক—লাল বেনারসির পেছনে যে কারণ

লাইফস্টাইল ডেস্ক
প্রকাশিত: শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৮:৪৭ অপরাহ্ণ
ভালোবাসা, শক্তি ও শুভ সূচনার প্রতীক—লাল বেনারসির পেছনে যে কারণ

বিয়ে শুধু দুজন মানুষের একসঙ্গে জীবন শুরু করার আনুষ্ঠানিকতা নয়, এর সঙ্গে জড়িয়ে থাকে শতাব্দীপ্রাচীন নানা সামাজিক ও সাংস্কৃতিক রীতি। সময়ের সঙ্গে বিয়ের আয়োজন, পোশাক ও সাজসজ্জায় অনেক পরিবর্তন এলেও কনের পোশাকে লাল রঙের আধিপত্য এখনো বেশ শক্তিশালী।

বিশেষ করে বাঙালি বিয়ের কথা বললে লাল বেনারসির কথা যেন অবধারিতভাবেই চলে আসে। টুকটুকে লাল শাড়ি, সোনালি জরির কাজ, গয়না ও ঐতিহ্যবাহী সাজে নববধূর উপস্থিতি বিয়ের অনুষ্ঠানে আলাদা আবহ তৈরি করে। যদিও এখন অনেক কনে লালের বদলে প্যাস্টেল, গোলাপি, মেরুন, সবুজ কিংবা অন্য নানা রঙের পোশাক বেছে নিচ্ছেন, তবু বিয়ের পোশাক হিসেবে লালের জনপ্রিয়তা এখনো কমেনি।

কিন্তু প্রশ্ন হলো, বিয়েতে কনের পোশাকের ক্ষেত্রে লাল রঙই এত বেশি প্রচলিত হলো কেন?

লালের সাংস্কৃতিক তাৎপর্য

দক্ষিণ এশিয়ার বিভিন্ন সংস্কৃতিতে লাল রঙের সঙ্গে শক্তি, প্রাণশক্তি, সৌভাগ্য ও শুভ সূচনার ধারণা জড়িয়ে আছে। তাই বিয়ের মতো জীবনের গুরুত্বপূর্ণ একটি নতুন অধ্যায়ের শুরুতে লাল রঙকে বিশেষ তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করা হয়।

বিয়ের প্রেক্ষাপটে লালকে অনেক সময় ভালোবাসা, আবেগ, উর্বরতা, সমৃদ্ধি ও দাম্পত্য সুখের প্রতীক হিসেবেও দেখা হয়। ফলে নববধূর পোশাকে এই রঙের ব্যবহার শুধু সৌন্দর্যের বিষয় নয়; এর সঙ্গে সাংস্কৃতিক বিশ্বাসও জড়িয়ে রয়েছে।

পারিবারিক ও সামাজিক ঐতিহ্য

বিয়েতে লাল পোশাক জনপ্রিয় হওয়ার অন্যতম কারণ দীর্ঘদিনের পারিবারিক ঐতিহ্য। অনেক পরিবারে প্রজন্মের পর প্রজন্ম ধরে কনেকে লাল শাড়িতে দেখার একটি প্রত্যাশা তৈরি হয়েছে।

বিশেষ করে পরিবারের বয়োজ্যেষ্ঠদের কাছে লাল বেনারসি এখনো বিয়ের ঐতিহ্যবাহী পোশাকের প্রতীক। ফলে কনের নিজের পছন্দের পাশাপাশি পরিবার ও সামাজিক রীতির বিষয়টিও পোশাক নির্বাচনে প্রভাব ফেলে।

ধর্মীয় ও আঞ্চলিক প্রভাব

হিন্দু বিয়েতে লাল রঙের পোশাকের ব্যবহার দীর্ঘদিনের পরিচিত রীতি। বাঙালি হিন্দু কনের সাজে লাল বেনারসির উপস্থিতি তাই খুবই স্বাভাবিক। অন্যদিকে মুসলিম বিয়েতেও দক্ষিণ এশিয়ার সাংস্কৃতিক প্রভাবে লাল পোশাকের জনপ্রিয়তা রয়েছে।

অবশ্য বিয়ের পোশাকের রীতি অঞ্চল, পরিবার, ধর্মীয় সংস্কৃতি ও ব্যক্তিগত পছন্দের ওপর নির্ভর করে বদলে যায়। তাই সব বিয়েতেই কনের পোশাক লাল হবে—এমন কোনো বাধ্যতামূলক নিয়ম নেই।

লাল কেন এত আকর্ষণীয়?

লাল একটি উজ্জ্বল ও দৃষ্টিনন্দন রং। বিয়ের অনুষ্ঠানের আলো, সাজসজ্জা ও গয়নার সঙ্গে লাল শাড়ি বা লেহেঙ্গার সমন্বয় সহজেই নজর কাড়ে। সোনালি জরির কাজ কিংবা গয়নার সঙ্গে লালের বৈপরীত্য কনের সাজকে আরও জমকালো করে তোলে।

এ কারণেই প্রজন্মের পর প্রজন্ম ধরে লাল বেনারসি বাঙালি বিয়ের অন্যতম পরিচিত প্রতীক হয়ে আছে।

বদলাচ্ছে কনের পছন্দ

সময়ের সঙ্গে মানুষের রুচি ও ফ্যাশনে পরিবর্তন এসেছে। এখন অনেক কনে ঐতিহ্যবাহী লালের বদলে হালকা বা প্যাস্টেল রঙের শাড়ি, লেহেঙ্গা কিংবা গাউন বেছে নিচ্ছেন। কেউ কেউ আবার মেরুন, গোলাপি, কমলা, সবুজ কিংবা অফ-হোয়াইটের মতো রঙও পছন্দ করছেন।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম, ফ্যাশন ট্রেন্ড ও আন্তর্জাতিক বিয়ের সাজের প্রভাবেও এই পরিবর্তন দেখা যাচ্ছে। তবু লাল এখনো বিয়ের পোশাকের ক্ষেত্রে সবচেয়ে পরিচিত ও ঐতিহ্যবাহী রঙগুলোর একটি।

নতুন জীবনের প্রতীক

বিয়ে অনেকের কাছে জীবনের নতুন অধ্যায়ের সূচনা। আর লাল রঙকে যেহেতু ভালোবাসা, আবেগ ও প্রাণশক্তির সঙ্গে যুক্ত করা হয়, তাই নতুন জীবনের শুরুতে এই রঙ বেছে নেওয়ার মধ্যে একটি প্রতীকী অর্থও খুঁজে পাওয়া যায়।

সুতরাং বিয়ের কনের লাল পোশাক শুধু একটি ফ্যাশন বা সাজের বিষয় নয়। এর সঙ্গে জড়িয়ে আছে সংস্কৃতি, পারিবারিক ঐতিহ্য, সামাজিক রীতি, ভালোবাসা এবং নতুন জীবনের প্রত্যাশা। সময়ের সঙ্গে কনের পোশাকে নতুন নতুন রং যোগ হলেও লাল বেনারসির সেই চিরচেনা আবেদন এখনো বাঙালি বিয়ের অন্যতম পরিচিত অনুষঙ্গ।

সূত্র: এই সময়

কালের আলো/এসএ

জামায়াত নিয়ে বিএনপিকে সতর্ক করলেন ফজলুর রহমান

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: সোমবার, ২৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১২:০০ পূর্বাহ্ণ
জামায়াত নিয়ে বিএনপিকে সতর্ক করলেন ফজলুর রহমান

জামায়াতে ইসলামীকে বিশ্বাস করলে বিএনপি ভুল করবে বলে মন্তব্য করেছেন কিশোরগঞ্জ-৪ আসনের সংসদ সদস্য ও বীর মুক্তিযোদ্ধা অ্যাডভোকেট ফজলুর রহমান। একই সঙ্গে জামায়াতের বিষয়ে বিএনপির নেতাকর্মীদের সতর্ক থাকার আহ্বান জানিয়েছেন তিনি।

রোববার (২৭ সেপ্টেম্বর) বিকেলে নারায়ণগঞ্জের চাষাঢ়া কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার প্রাঙ্গণে মহানগর বিএনপি আয়োজিত সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

ফজলুর রহমান বলেন, ‘আপনার গলায় আপনি সাপ পেঁচিয়ে রাখছেন, বিএনপি। যারা মুক্তিযুদ্ধের বিরোধিতা করেছিল, যারা আমাদের মা-বোনের ইজ্জত নিয়েছিল এবং সোনার বাংলাকে জ্বালিয়ে-পুড়িয়ে ছারখার করে দিয়েছিল, যারা বুদ্ধিজীবীদের হত্যা করেছিল—আপনারা যদি আবার সেই জামায়াতে ইসলামকে বিশ্বাস করেন, তবে ভুল করবেন।’

জামায়াতের রাজনৈতিক ভূমিকার সমালোচনা করে তিনি বলেন, তারা যখন সংসদে যায়, তখন এক ধরনের অবস্থান নেয়; আবার সংসদ থেকে বের হয়ে ভিন্ন ধরনের বক্তব্য দেয়। এমনকি এক দফার মাধ্যমে বিএনপিকে দেশ থেকে তাড়িয়ে দেওয়ার কথাও তারা বলে বলে মন্তব্য করেন তিনি। এ কারণে বিষয়টি নিয়ে বিএনপিকে অত্যন্ত সতর্ক থাকতে হবে বলে জানান ফজলুর রহমান।

আওয়ামী লীগ সরকারের শাসনামল প্রসঙ্গে তিনি বলেন, শেখ হাসিনার ১৬ বছরের শাসনামলে দেশের মানুষের গণতান্ত্রিক অধিকার সবচেয়ে বেশি খর্ব করা হয়েছে। ছাত্রদের নেতৃত্বে দেশের মানুষ রাজপথে নেমে আসার পর শেখ হাসিনাসহ তার সহযোগীদের দেশ ছাড়তে হয়েছে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের নেতৃত্বের প্রশংসা করে ফজলুর রহমান বলেন, অর্থনৈতিক, রাজনৈতিক ও আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রে তারেক রহমানের নেতৃত্বে বিএনপি যে দিকনির্দেশনা নিয়ে এগোচ্ছে, তাতে সহজে বিএনপিকে ধাক্কা দিয়ে ফেলে দেওয়া সম্ভব নয়।

নারায়ণগঞ্জ মহানগর বিএনপির আহ্বায়ক অ্যাডভোকেট সাখাওয়াত হোসেন খানের সভাপতিত্বে সমাবেশে নারায়ণগঞ্জ-৫ আসনের সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট আবুল কালাম, নারায়ণগঞ্জ-২ আসনের সংসদ সদস্য ও বিএনপির বিভাগীয় সহসাংগঠনিক সম্পাদক নজরুল ইসলাম আজাদ, মহানগর বিএনপির সদস্য সচিব অ্যাডভোকেট আবু আল ইউসুফ খান টিপু, যুবদলের আহ্বায়ক মনিরুল ইসলাম সজলসহ জেলা ও মহানগর বিএনপির বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

কালের আলো/এসকে/এমএসআইপি 

শান্তি চাই, তবে নিরাপত্তায় আপস নয়: রাজনাথ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
প্রকাশিত: রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১১:০০ অপরাহ্ণ
শান্তি চাই, তবে নিরাপত্তায় আপস নয়: রাজনাথ

ভারত যুদ্ধ চায় না, শান্তিতে বিশ্বাস করে। তবে শান্তির আকাঙ্ক্ষাকে দুর্বলতা হিসেবে দেখার সুযোগ নেই বলে মন্তব্য করেছেন দেশটির প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিং।

রোববার (২৭ সেপ্টেম্বর) এনডিটিভি ডিফেন্স সামিট ২০২৬-এ দেওয়া বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। সম্মেলনে ভারতের প্রতিরক্ষা সক্ষমতা নিয়ে দেশটির সামরিক কর্মকর্তা ও শিল্প খাতের প্রতিনিধিরা অংশ নেন।

রাজনাথ সিং বলেন, ভারত শান্তি চায়, তবে জাতীয় নিরাপত্তার প্রশ্নে কোনো আপস করবে না। কোনো প্রতিবেশী দেশ সন্ত্রাসবাদে মদদ দিয়ে গেলে সন্ত্রাসীদের বিরুদ্ধে যেকোনো অভিযান চালাতে ভারত প্রস্তুত থাকবে।

ভারতের প্রতিরক্ষামন্ত্রী আরও বলেন, ভারত সংলাপে বিশ্বাসী। তবে কোনো দেশ সন্ত্রাসবাদে মদদ দিলে সেই সংলাপ সেখানেই শেষ হবে। ভারত সহযোগিতা চায়, কিন্তু জাতীয় স্বার্থের বিনিময়ে নয়।

এনডিটিভির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, রাজনাথ সিং ‘প্রতিবেশী দেশ’ বলতে পাকিস্তানকে ইঙ্গিত করেছেন।

যুদ্ধের ধরন বদলাচ্ছে

সম্মেলনে ভারতের সেনাপ্রধান জেনারেল ধীরাজ শেঠ আধুনিক যুদ্ধক্ষেত্রে প্রযুক্তি ও তথ্যযুদ্ধের প্রভাব নিয়ে কথা বলেন। তিনি বলেন, প্রযুক্তি সরাসরি লড়াইয়ের সময় কমিয়ে আনলেও পুরো যুদ্ধের মেয়াদ কমছে না।

তার মতে, যুদ্ধ জয়ের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ মানদণ্ড হলো ভূখণ্ডের নিয়ন্ত্রণ। ভূখণ্ড দখলে রাখা, সুরক্ষিত করা ও প্রতিরক্ষা নিশ্চিত করার ক্ষেত্রে সেনাবাহিনীর ভূমিকা অপরিহার্য।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে যুদ্ধ নিয়ে নানা তথ্য ও বিশ্লেষণ ছড়িয়ে পড়ায় প্রকৃত পরিস্থিতি অনেক সময় আড়ালে পড়ে যাচ্ছে বলেও মন্তব্য করেন জেনারেল ধীরাজ। তার ভাষায়, বর্তমান সময়ের যুদ্ধকে অনেক ক্ষেত্রে ‘বিরতি দিয়ে চলা যুদ্ধ’ হিসেবে দেখা যায়। সংঘাতের বিরতিও সামরিক কৌশলের অংশ হয়ে উঠছে।

তিনি আরও বলেন, বর্তমান বিশ্বের দীর্ঘস্থায়ী সংকটে আত্মনির্ভরতা গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে। কোনো সংঘাত দীর্ঘায়িত হলে সামরিক সক্ষমতার পাশাপাশি নিজস্ব সক্ষমতা ও সম্পদের ওপর নির্ভরতা পার্থক্য গড়ে দিতে পারে।

কালের আলো/এএইচ/এমএসআইপি 

নদী রক্ষায় সমন্বিত উদ্যোগ জরুরি: পানিসম্পদমন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১০:৪১ অপরাহ্ণ
নদী রক্ষায় সমন্বিত উদ্যোগ জরুরি: পানিসম্পদমন্ত্রী

নদী রক্ষা ও সংরক্ষণে সরকার, জনগণ, গবেষক ও পরিবেশবিদদের সমন্বিতভাবে কাজ করার আহ্বান জানিয়েছেন পানিসম্পদমন্ত্রী মো. শহীদউদ্দীন চৌধুরী এ্যানি।

রোববার (২৭ সেপ্টেম্বর) রাজধানীর পান্থপথে পানি ভবন মিলনায়তনে বিশ্ব নদী দিবস ও মার্ক এ্যাঞ্জেলো রিভার অ্যাওয়ার্ড-২০২৬ উপলক্ষে আয়োজিত আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ আহ্বান জানান। প্রকৃতি ও জীবন ফাউন্ডেশন এবং বাংলাদেশ রিভার ফাউন্ডেশন যৌথভাবে এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করে।

পানিসম্পদমন্ত্রী বলেন, নদী দখল ও দূষণ রোধের পাশাপাশি নদীর স্বাভাবিক প্রবাহ এবং জীববৈচিত্র্য রক্ষা করতে হবে। নদীকে শুধু পানি প্রবাহের মাধ্যম হিসেবে দেখলে হবে না; দেশের পরিবেশ, অর্থনীতি এবং মানুষের জীবন-জীবিকার গুরুত্বপূর্ণ অংশ হিসেবেও নদীকে বিবেচনা করতে হবে।

তিনি বলেন, জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব মোকাবিলায় নদী ও জলাভূমি সংরক্ষণের কোনো বিকল্প নেই। নদীকে কেন্দ্র করে টেকসই ও জলবায়ু-সহনশীল উন্নয়ন পরিকল্পনা গ্রহণ করতে হবে। বর্তমান ও ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য নদীকে নিরাপদ ও জীবন্ত রাখতে সরকার প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিচ্ছে বলেও জানান তিনি।

নদী সংরক্ষণে ব্যক্তিগত ও প্রাতিষ্ঠানিক উদ্যোগের গুরুত্ব

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্যে পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন আজাদ বলেন, মার্ক এ্যাঞ্জেলো রিভার অ্যাওয়ার্ড নদী ও জলসম্পদ সংরক্ষণে দীর্ঘদিন ধরে অবদান রাখা ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানকে স্বীকৃতি দিচ্ছে। এ ধরনের সম্মাননা অন্যদেরও নদী রক্ষায় উৎসাহিত করবে।

নদীর প্রতি দায়বদ্ধতা এবং পরিবেশ সংরক্ষণে ব্যক্তিগত ও প্রাতিষ্ঠানিক উদ্যোগকে আরও উৎসাহিত করা প্রয়োজন বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

পাঁচ ব্যক্তি-প্রতিষ্ঠান পেল রিভার অ্যাওয়ার্ড

নদী রক্ষা ও সংরক্ষণে গুরুত্বপূর্ণ অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে অনুষ্ঠানে পাঁচ ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানকে মার্ক এ্যাঞ্জেলো রিভার অ্যাওয়ার্ড-২০২৬ দেওয়া হয়।

লেখক ক্যাটাগরিতে পুরস্কার পেয়েছেন সেভ দ্য রিভার মুভমেন্টের ভাইস প্রেসিডেন্ট মাহবুবুল কবির সিদ্দিকী। গবেষণা ক্যাটাগরিতে পুরস্কার পেয়েছেন নদী গবেষক ও রিভারাইন পিপলের মহাসচিব শেখ রোকন।

সাংবাদিকতা ক্যাটাগরিতে পুরস্কার পেয়েছেন যমুনা টেলিভিশনের বিশেষ প্রতিনিধি সাজ্জাদ পারভেজ এবং দৈনিক বণিক বার্তার নিজস্ব প্রতিবেদক মো. আল ফাতাহ। সংগঠন ক্যাটাগরিতে পুরস্কার পেয়েছে নোঙর ট্রাস্ট। প্রতিষ্ঠানটির চেয়ারম্যান সুমন শামস পুরস্কার গ্রহণ করেন।

প্রকৃতি ও জীবন ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান মুকিত মজুমদার বাবুর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন বিজিসি ট্রাস্ট ইউনিভার্সিটির ভাইস চ্যান্সেলর অধ্যাপক ড. মঞ্জুরুল কিবরিয়া, পরিবেশ অধিদপ্তরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক সোলায়মান হায়দার এবং বাংলাদেশ রিভার ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান মনির হোসেন।

কালের আলো/ডিএইচ/এমএসআইপি