খুঁজুন
                               
, ,
           

মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধের উত্তাপ, তেলের বাজারে বড় ধাক্কা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
প্রকাশিত: শুক্রবার, ৯ অক্টোবর, ২০২৬, ১১:৫২ পূর্বাহ্ণ
মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধের উত্তাপ, তেলের বাজারে বড় ধাক্কা

মধ্যপ্রাচ্যে সংঘাতের বিস্তার, তেলবাহী জাহাজে একের পর এক হামলা এবং গুরুত্বপূর্ণ নৌপথে নিরাপত্তাঝুঁকি বৃদ্ধিতে অস্থির হয়ে উঠেছে বিশ্ব জ্বালানি বাজার। এর প্রভাব পড়েছে আন্তর্জাতিক শেয়ারবাজারেও। যুক্তরাষ্ট্র, ইউরোপ ও এশিয়ার বিভিন্ন বাজারে দরপতনের পাশাপাশি বিশ্ব অর্থনীতিতে নতুন করে তৈরি হয়েছে উদ্বেগ। বিশেষ করে হরমুজ প্রণালি ও লোহিত সাগরে জ্বালানি পরিবহণ বাধাগ্রস্ত হওয়ার আশঙ্কা পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলেছে।

বৃহস্পতিবার (৮ অক্টোবর) আন্তর্জাতিক বাজারে অপরিশোধিত তেলের মানদণ্ড ব্রেন্ট ক্রুডের দাম প্রায় ৪ শতাংশ বেড়ে ব্যারেলপ্রতি ১০৫ ডলার ছাড়িয়ে যায়। তবে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে মধ্যবর্তী নির্বাচনের আগে ইরানে হামলা না চালানোর ঘোষণা দেওয়ার পর তেলের দাম কিছুটা কমে আসে।

এদিকে, বৃহস্পতিবার লেনদেন শেষে যুক্তরাষ্ট্রের প্রধান শেয়ারবাজার সূচক এসঅ্যান্ডপি ৫০০ প্রায় ০.৫ শতাংশ কমেছে। একই দিনে ইউরোপ ও এশিয়ার শেয়ারবাজারেও দরপতন দেখা যায়। জ্বালানি সরবরাহ নিয়ে অনিশ্চয়তা এবং মধ্যপ্রাচ্যে সংঘাত আরও ছড়িয়ে পড়ার আশঙ্কা বিনিয়োগকারীদের মধ্যে উদ্বেগ বাড়িয়েছে।

এ পরিস্থিতির মধ্যে ইয়েমেনের ইরান-সমর্থিত হুথি বিদ্রোহী গোষ্ঠী ও সৌদি আরবের নেতৃত্বাধীন সামরিক জোটের মধ্যে সংঘাত তীব্র হয়েছে। বৃহস্পতিবার সকালে হুথিদের এক সামরিক মুখপাত্র দাবি করেন, ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র দিয়ে সৌদি আরবের রাজধানী রিয়াদের বিমানবন্দরে হামলা চালানো হয়েছে। এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে সৌদি আরবে নতুন করে নিরাপত্তা উদ্বেগ দেখা দিয়েছে।

বিশ্বের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ জ্বালানি পরিবহণপথ হরমুজ প্রণালি ঘিরেও বাড়ছে অনিশ্চয়তা। গত কয়েক মাস ধরে ইরানের অবরোধের কারণে এই নৌপথে জাহাজ চলাচল ব্যাহত হয়েছিল। তবে মার্কিন বাহিনীর দিকনির্দেশনা ও নিরাপত্তা সহায়তায় কিছু জাহাজ পরিচালনাকারী প্রতিষ্ঠান আবারও এই পথে চলাচলের ঝুঁকি নিচ্ছে। গত এক সপ্তাহে হরমুজ প্রণালি ও এর আশপাশে তেলবাহী জাহাজে হামলার ঘটনা বেড়ে যাওয়ায় সেই উদ্যোগও নতুন ঝুঁকির মুখে পড়েছে।

অন্যদিকে, হরমুজ প্রণালি এড়িয়ে সৌদি আরবের তেল রপ্তানির বিকল্প পথ হিসেবে গুরুত্বপূর্ণ লোহিত সাগরেও নিরাপত্তা পরিস্থিতির অবনতি ঘটছে। হুথি বিদ্রোহীদের সঙ্গে সৌদি আরবের সংঘাত বাড়তে থাকায় এই পথে জ্বালানি পরিবহণ ও রপ্তানি ব্যাহত হওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। ফলে একই সময়ে দুটি গুরুত্বপূর্ণ নৌপথে ঝুঁকি বাড়ায় আন্তর্জাতিক জ্বালানি সরবরাহ নিয়ে উদ্বেগ আরও গভীর হচ্ছে।

জ্বালানি বাজারবিষয়ক পরামর্শক প্রতিষ্ঠান রিস্ট্যাড এনার্জির জ্যেষ্ঠ ভাইস প্রেসিডেন্ট হোর্হে লিওনের মতে, বর্তমান পরিস্থিতিতে তেলের দাম কিছুটা কমার প্রত্যাশা থাকলেও বাস্তবে তা হয়নি। লোহিত সাগর অঞ্চলের পরিস্থিতি দ্রুত অবনতি হওয়ায় বাজারে চাপ অব্যাহত রয়েছে।

লিওন আরও বলেন, ইরানকে ঘিরে ট্রাম্পের হুমকি তেলের বাজারে নতুন করে অস্থিরতা তৈরি করেছে। চলতি সপ্তাহে যুদ্ধের পরবর্তী পদক্ষেপ নিয়ে বিভিন্ন বিকল্প বিবেচনার কথা জানিয়েছিলেন ট্রাম্প। তবে বৃহস্পতিবারের বক্তব্যে মধ্যবর্তী নির্বাচনের আগে যুক্তরাষ্ট্র ইরানে হামলা চালাবে না বলে ইঙ্গিত পাওয়া যায়, যা তেলের দামে সাময়িক প্রভাব ফেলে।

সব মিলিয়ে, মধ্যপ্রাচ্যে সংঘাতের বিস্তার এবং জ্বালানি পরিবহণের গুরুত্বপূর্ণ রুটগুলোতে নিরাপত্তাঝুঁকি বিশ্ববাজারকে অনিশ্চয়তার মধ্যে ফেলেছে। পরিস্থিতির আরও অবনতি হলে তেলের দাম ও শেয়ারবাজারে অস্থিরতা বাড়ার পাশাপাশি বিশ্ব অর্থনীতি, বাণিজ্য ও জ্বালানি সরবরাহের ওপরও এর প্রভাব পড়তে পারে।

তথ্যসূত্র: দ্য নিউইয়র্ক টাইমস

কালের আলো/জেএন

মওদুদীর মুক্তির দাবিতে উপমহাদেশের আলেমরা ঐক্যবদ্ধ হয়েছিলেন: মামুনুল হক

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: শুক্রবার, ৯ অক্টোবর, ২০২৬, ৬:১৭ অপরাহ্ণ
মওদুদীর মুক্তির দাবিতে উপমহাদেশের আলেমরা ঐক্যবদ্ধ হয়েছিলেন: মামুনুল হক

কাদিয়ানিদের অমুসলিম ঘোষণার দাবিতে আন্দোলনের সময় মাওলানা মওদুদীর মুক্তির দাবিতে উপমহাদেশের দেওবন্দি আলেমরা ঐক্যবদ্ধভাবে মাঠে নেমেছিলেন বলে মন্তব্য করেছেন বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের আমির আল্লামা মামুনুল হক।

সম্প্রতি জামিয়াতুত তারবিয়াহ আল ইসলামিয়ায় আয়োজিত এক সমাবেশে বক্তব্য দিতে গিয়ে তিনি এ কথা বলেন।

মামুনুল হক বলেন, ‘কাদিয়ানিদের অমুসলিম ঘোষণার মাসআলায় মাওলানা মওদুদী সাহেবের ভূমিকা অবশ্যই প্রশংসনীয় ছিল। তখন কেবল তাঁকে সঙ্গে নিয়েই আন্দোলন করা হয়নি, বরং তাঁর মুক্তির দাবিতে ভারত, পাকিস্তান ও বাংলাদেশসহ গোটা উপমহাদেশের দেওবন্দের সব ওলামায়ে কেরাম ঐক্যবদ্ধ হয়ে মাঠে নেমে আন্দোলন করেছেন।’

জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের প্রসঙ্গ তুলে বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের আমির বলেন, ছাত্র-জনতার রক্তের বিনিময়ে অর্জিত জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের মধ্য দিয়ে দেশের মানুষ দীর্ঘদিনের বৈষম্য ও দুঃশাসন থেকে মুক্তির স্বপ্ন দেখেছে। এ অর্জন বাস্তবায়নে কওমি মাদরাসার শিক্ষার্থীরা সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে মহাসমাবেশসহ রাজপথের আন্দোলনে অগ্রণী ভূমিকা পালন করেছেন।

তিনি আরও বলেন, বিভিন্ন অজুহাত ও বাহানা তৈরি করে কেউ যদি জুলাইয়ের অর্জনকে নস্যাৎ করা কিংবা বিভক্ত করার চেষ্টা করে, তবে তা হবে আত্মঘাতী। দেশ ও জাতির ভবিষ্যৎ সুরক্ষায় যেকোনো ষড়যন্ত্রের বিরুদ্ধে আলেম সমাজ ঐক্যবদ্ধভাবে লড়াই চালিয়ে যাবে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

কালের আলো/ডিএইচ/এমএসআইপি 

শান্তিতে নোবেল পেলেন নাভেনথাম নাভি পিলাই

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
প্রকাশিত: শুক্রবার, ৯ অক্টোবর, ২০২৬, ৬:০৫ অপরাহ্ণ
শান্তিতে নোবেল পেলেন নাভেনথাম নাভি পিলাই

চলতি বছর নোবেল শান্তি পুরস্কার পেয়েছেন দক্ষিণ আফ্রিকার মানবাধিকারকর্মী ও সাবেক বিচারক নাভেনথাম নাভি পিলাই। শুক্রবার (৯ অক্টোবর) বাংলাদেশ সময় দুপুর ৩টার দিকে তাঁর নাম ঘোষণা করা হয়।

নোবেল কমিটি জানায়, শান্তি ও আন্তর্জাতিক আইন প্রতিষ্ঠায় অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে তাঁকে এ পুরস্কার দেওয়া হয়েছে। যুদ্ধাপরাধ, মানবতাবিরোধী অপরাধ ও গণহত্যার সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিদের বিচারের আওতায় আনার ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছেন তিনি।

দক্ষিণ আফ্রিকায় বর্ণবৈষম্যের সময় ডারবানে ভারতীয় বংশোদ্ভূত তামিল পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন নাভি পিলাই। পেশাগত জীবনে তিনি আইনজীবী ও বিচারক হিসেবে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে পরিচিতি অর্জন করেন। জীবনের শুরুর দিকে দক্ষিণ আফ্রিকায় বর্ণবৈষম্যের বিরুদ্ধে আইনি লড়াইয়ে অংশ নেন এবং নেলসন ম্যান্ডেলাসহ অন্যদের পক্ষে কাজ করেন।

পরবর্তী সময়ে তিনি দক্ষিণ আফ্রিকার হাইকোর্টের বিচারক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। পাশাপাশি রুয়ান্ডার আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল এবং আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালতের বিচারিক কার্যক্রমের সঙ্গেও যুক্ত ছিলেন।

সম্প্রতি ফিলিস্তিনের অধিকৃত ভূখণ্ডে ইসরায়েলের অপরাধ তদন্তে গঠিত জাতিসংঘের স্বাধীন তদন্ত কমিশনে কাজ করেন তিনি। বর্তমানে গণহত্যার অভিযোগে মিয়ানমারের বিরুদ্ধে চলমান মামলার সঙ্গে আন্তর্জাতিক বিচার আদালতে যুক্ত রয়েছেন।

নোবেল কমিটি জানিয়েছে, নাভি পিলাইকে পুরস্কৃত করার মাধ্যমে জাতীয় ও আন্তর্জাতিক আইনের গুরুত্ব তুলে ধরা হয়েছে। এসব আইন শান্তিপূর্ণভাবে সংঘাতের সমাধান এবং বিশ্বে শান্তি প্রতিষ্ঠার কাঠামো হিসেবে কাজ করে।

এর আগে ২০২৫ সালে ভেনেজুয়েলার বিরোধী নেত্রী মারিয়া কোরিনা মাচাদো নোবেল শান্তি পুরস্কার পান। দেশটিতে গণতান্ত্রিক অধিকার প্রতিষ্ঠা এবং শান্তিপূর্ণ রাজনৈতিক পরিবর্তনের আন্দোলনে ভূমিকার জন্য তাঁকে এ সম্মান দেওয়া হয়েছিল।

উল্লেখ্য, ২০১৪ সালে পাকিস্তানের মালালা ইউসুফজাই মাত্র ১৭ বছর বয়সে নোবেল শান্তি পুরস্কার পান। অন্যদিকে, ১৯৯৫ সালে ৮৬ বছর বয়সে নোবেল পুরস্কার পেয়েছিলেন জোসেফ রোটব্লাট।

কালের আলো/ডিএইচ/এমএসআইপি 

প্রযুক্তিনির্ভর ডাকসেবা সম্প্রসারণে জোর

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: শুক্রবার, ৯ অক্টোবর, ২০২৬, ৫:৩৭ অপরাহ্ণ
প্রযুক্তিনির্ভর ডাকসেবা সম্প্রসারণে জোর

সমন্বিত ডাক নেটওয়ার্ক, সীমাহীন সম্ভাবনা’ প্রতিপাদ্যে বাংলাদেশে বিশ্ব ডাক দিবস ২০২৬ উদযাপন করা হয়েছে। প্রযুক্তির বিকাশ ও ই-কমার্সের প্রসারের সঙ্গে তাল মিলিয়ে ডাক বিভাগকে আধুনিক, প্রযুক্তিনির্ভর ও সমন্বিত সেবাব্যবস্থায় রূপান্তরের তাগিদ দিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।

শুক্রবার (৯ অক্টোবর) রাজধানীর আগারগাঁওয়ে ডাক ভবনে ডাক অধিদপ্তরের উদ্যোগে আয়োজিত আলোচনা সভায় বক্তারা এ তাগিদ দেন।

সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন ডাক ও টেলিযোগাযোগ বিভাগের সচিব বিলকিস জাহান রিমি। ডাক অধিদপ্তরের সাবেক মহাপরিচালক মো. সিরাজ উদ্দিন মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন। এতে সভাপতিত্ব করেন ডাক অধিদপ্তরের মহাপরিচালক কাজী আসাদুল ইসলাম।

আলোচনা সভায় বক্তারা বলেন, বিদ্যমান ডাক নেটওয়ার্ক কাজে লাগিয়ে ই-কমার্স লজিস্টিকস, পার্সেল পরিবহন, ডিজিটাল আর্থিক সেবা এবং প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর জন্য সহজলভ্য সেবা সম্প্রসারণের সুযোগ রয়েছে। এ জন্য ডাক বিভাগের সেবাব্যবস্থাকে সময়োপযোগী করে গড়ে তুলতে হবে।

তাঁরা আরও বলেন, ডাক বিভাগের আধুনিকায়নে তথ্যনির্ভর ব্যবস্থাপনা, কর্মকর্তা-কর্মচারীদের দক্ষতা বৃদ্ধি, তথ্যের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং পরিবেশবান্ধব প্রযুক্তির ব্যবহার গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।

সভায় ডাক বিভাগের ভবিষ্যৎ উন্নয়নে ছয়টি অগ্রাধিকার তুলে ধরা হয়। এগুলো হলো—ডিজিটাল ডাকঘর প্রতিষ্ঠা, সমন্বিত ডাক তথ্যভান্ডার গড়ে তোলা, ই-কমার্স লজিস্টিকস হাব তৈরি, ডিজিটাল আর্থিক সেবার সম্প্রসারণ, তথ্যনির্ভর আধুনিক ব্যবস্থাপনা এবং পরিবেশবান্ধব ডাকব্যবস্থা গড়ে তোলা।

বিশ্ব ডাক দিবস উপলক্ষে ৯ থেকে ১৫ অক্টোবর পর্যন্ত দেশব্যাপী ‘ডাকসেবা সপ্তাহ’ পালন করা হবে। এ উপলক্ষে বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ে চিঠি উৎসব, ফিলাটেলিক প্রদর্শনী ও ডাকসেবাবিষয়ক মেলার আয়োজন করা হয়েছে।

এ ছাড়া ৯ ও ১০ অক্টোবর সঞ্চয় ব্যাংকের কার্যক্রম ছাড়া ডাক বিভাগের সব পর্যায়ের কার্যালয়ে ডাকসেবা উন্মুক্ত রাখা হয়েছে।

বক্তারা আশা প্রকাশ করেন, সমন্বিত ও আধুনিক ডাক নেটওয়ার্ক দেশের ডিজিটাল অর্থনীতি, ই-কমার্স, আর্থিক অন্তর্ভুক্তি এবং জাতীয় উন্নয়নে আরও কার্যকর ভূমিকা রাখবে।

কালের আলো/এএইচ/এমএসআইপি