খুঁজুন
                               
, ,
           

মওদুদীর মুক্তির দাবিতে উপমহাদেশের আলেমরা ঐক্যবদ্ধ হয়েছিলেন: মামুনুল হক

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: শুক্রবার, ৯ অক্টোবর, ২০২৬, ৬:১৭ অপরাহ্ণ
মওদুদীর মুক্তির দাবিতে উপমহাদেশের আলেমরা ঐক্যবদ্ধ হয়েছিলেন: মামুনুল হক

কাদিয়ানিদের অমুসলিম ঘোষণার দাবিতে আন্দোলনের সময় মাওলানা মওদুদীর মুক্তির দাবিতে উপমহাদেশের দেওবন্দি আলেমরা ঐক্যবদ্ধভাবে মাঠে নেমেছিলেন বলে মন্তব্য করেছেন বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের আমির আল্লামা মামুনুল হক।

সম্প্রতি জামিয়াতুত তারবিয়াহ আল ইসলামিয়ায় আয়োজিত এক সমাবেশে বক্তব্য দিতে গিয়ে তিনি এ কথা বলেন।

মামুনুল হক বলেন, ‘কাদিয়ানিদের অমুসলিম ঘোষণার মাসআলায় মাওলানা মওদুদী সাহেবের ভূমিকা অবশ্যই প্রশংসনীয় ছিল। তখন কেবল তাঁকে সঙ্গে নিয়েই আন্দোলন করা হয়নি, বরং তাঁর মুক্তির দাবিতে ভারত, পাকিস্তান ও বাংলাদেশসহ গোটা উপমহাদেশের দেওবন্দের সব ওলামায়ে কেরাম ঐক্যবদ্ধ হয়ে মাঠে নেমে আন্দোলন করেছেন।’

জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের প্রসঙ্গ তুলে বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের আমির বলেন, ছাত্র-জনতার রক্তের বিনিময়ে অর্জিত জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের মধ্য দিয়ে দেশের মানুষ দীর্ঘদিনের বৈষম্য ও দুঃশাসন থেকে মুক্তির স্বপ্ন দেখেছে। এ অর্জন বাস্তবায়নে কওমি মাদরাসার শিক্ষার্থীরা সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে মহাসমাবেশসহ রাজপথের আন্দোলনে অগ্রণী ভূমিকা পালন করেছেন।

তিনি আরও বলেন, বিভিন্ন অজুহাত ও বাহানা তৈরি করে কেউ যদি জুলাইয়ের অর্জনকে নস্যাৎ করা কিংবা বিভক্ত করার চেষ্টা করে, তবে তা হবে আত্মঘাতী। দেশ ও জাতির ভবিষ্যৎ সুরক্ষায় যেকোনো ষড়যন্ত্রের বিরুদ্ধে আলেম সমাজ ঐক্যবদ্ধভাবে লড়াই চালিয়ে যাবে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

কালের আলো/ডিএইচ/এমএসআইপি 

যোগ্য প্রার্থীরাই পাবেন প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শিক্ষকতার সুযোগ: ববি হাজ্জাজ

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: শুক্রবার, ৯ অক্টোবর, ২০২৬, ৬:৫৬ অপরাহ্ণ
যোগ্য প্রার্থীরাই পাবেন প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শিক্ষকতার সুযোগ: ববি হাজ্জাজ

সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শিক্ষক নিয়োগের ক্ষেত্রে যোগ্যতা, দক্ষতা ও পেশাগত দায়িত্ববোধকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে বলে জানিয়েছেন প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ। তিনি বলেছেন, যারা ভবিষ্যতে শ্রেণিকক্ষে আরও দক্ষতার সঙ্গে পাঠদান ও শিক্ষকের দায়িত্ব পালন করতে পারবেন, তাদেরই নিয়োগ দেওয়ার লক্ষ্য নিয়ে কাজ করছে সরকার।

শুক্রবার (৯ অক্টোবর) দুপুরে ঢাকার সাভারের নয়ারহাট এলাকায় ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব টেক্সটাইল ইঞ্জিনিয়ারিং অ্যান্ড রিসার্চের (নিটার) আয়োজনে ‘টেক্সটাইল ফেস্ট বাংলাদেশ’-এর দ্বিতীয় ও সমাপনী দিনের অনুষ্ঠানে অংশ নিয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন।

শিক্ষক নিয়োগের প্রক্রিয়া সম্পর্কে প্রতিমন্ত্রী বলেন, এবার শিক্ষক বাছাইয়ের ক্ষেত্রে সুনির্দিষ্ট নীতি অনুসরণ করা হয়েছে। এমন নীতিমালা রাখা হয়েছে, যাতে যোগ্য ও দক্ষ প্রার্থীরা শ্রেণিকক্ষে পাঠদানের সুযোগ পান। নিয়োগ প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছ নিয়ম অনুসরণ করা হয়েছে বলেও জানান তিনি। বিশেষ করে প্রার্থীদের পুলিশ ক্লিয়ারেন্সের বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করা হয়েছে।

সাম্প্রতিক গণ-অভ্যুত্থানের পর প্রশাসনের বিভিন্ন ক্ষেত্রে সাময়িক দুর্বলতা তৈরি হয়ে থাকতে পারে উল্লেখ করে ববি হাজ্জাজ বলেন, কিছু ভুলত্রুটিও থাকতে পারে। তবে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর এসব ত্রুটি চিহ্নিত করে সংশোধন এবং ঘাটতি পূরণে গুরুত্বের সঙ্গে কাজ করছে।

তিনি আশা প্রকাশ করে বলেন, পুরো নিয়োগ প্রক্রিয়া যথাযথভাবে ও সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন হবে।

প্রাথমিক শিক্ষার সার্বিক মানোন্নয়নে সরকার সমন্বিতভাবে কাজ করছে জানিয়ে প্রতিমন্ত্রী বলেন, শিক্ষকদের কাজের পরিবেশ ও মর্যাদা উন্নয়ন এবং পাঠদান পর্যবেক্ষণব্যবস্থা আরও জোরদার করা হয়েছে। প্রাথমিক শিক্ষাব্যবস্থাকে নতুন করে সাজাতে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলোকে প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে এবং দায়িত্ব পালনের সুযোগ তৈরি করা হয়েছে।

অনুষ্ঠানে স্থানীয় সংসদ সদস্য ডা. দেওয়ান মোহাম্মদ সালাউদ্দিন বাবু, নিটারের শিক্ষক-শিক্ষার্থী, আয়োজক কমিটির সদস্য ও স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন।

কালের আলো/ডিএইচ/এমএসআইপি 

ট্রাম্পই এখন রিপাবলিকানদের বোঝা?

কন্ট্রিবিউটিং এডিটর, কালের আলো
প্রকাশিত: শুক্রবার, ৯ অক্টোবর, ২০২৬, ৬:৩৩ অপরাহ্ণ
ট্রাম্পই এখন রিপাবলিকানদের বোঝা?

যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যবর্তী নির্বাচনের আগে অস্বস্তিকর এক বাস্তবতার মুখোমুখি রিপাবলিকান পার্টি। যাঁর নেতৃত্বে গত এক দশকে দলটির রাজনৈতিক চেহারা বদলে গেছে, সেই ডোনাল্ড ট্রাম্পকেই এখন নির্বাচনী মাঠে এড়িয়ে চলছেন দলের একের পর এক প্রার্থী। কংগ্রেসের হাড্ডাহাড্ডি আসনগুলোতে নিজেদের টিকিয়ে রাখতে ট্রাম্পের নীতি থেকে দূরত্ব তৈরি করছেন তাঁরা; কেউ প্রকাশ্যে ভিন্নমত জানাচ্ছেন, কেউ প্রচারণা থেকে তাঁর নাম-ছবি সরিয়ে ফেলছেন। আগামী ৩ নভেম্বরের মধ্যবর্তী নির্বাচন তাই শুধু কংগ্রেসের নিয়ন্ত্রণের লড়াই নয়; এটি ট্রাম্পের রাজনৈতিক প্রভাবেরও বড় পরীক্ষা।

  • নির্বাচনী মাঠে প্রেসিডেন্টের নীতি থেকে সরে যাচ্ছেন প্রার্থীরা
  • প্রচারণা থেকে মুছে ফেলছেন নাম-ছবি
  • ডেমোক্র্যাটদের জনসমর্থনে এগিয়ে থাকার ইঙ্গিত

৪১ আসনে ট্রাম্পের সঙ্গে ভিন্ন সুর
রয়টার্সের বিশ্লেষণে উঠে এসেছে, প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ ৬২টি আসনের মধ্যে ৪১টির রিপাবলিকান প্রার্থী কোনো না কোনো ইস্যুতে ট্রাম্পের অবস্থান থেকে সরে এসেছেন। তবে তাঁরা সরাসরি ট্রাম্পের বিরোধিতায় যাচ্ছেন না। বরং নির্দিষ্ট নীতিগত প্রশ্নে নিজেদের আলাদা অবস্থান তুলে ধরে স্বতন্ত্র ভোটারদের আকৃষ্ট করার চেষ্টা করছেন। ২৩টি নির্বাচনী লড়াইয়ে নীতিগত মতপার্থক্যই ছিল দূরত্ব তৈরির প্রধান কারণ। এর মধ্যে ১২টি আসনে ইরান-সংক্রান্ত নীতি বড় বিষয় হয়ে উঠেছে। কয়েকজন প্রার্থী ট্রাম্পের যুদ্ধক্ষমতা সীমিত করার পক্ষে ভোট দিয়েছেন কিংবা সংঘাতের অবসানের আহ্বান জানিয়েছেন। জ্বালানি মূল্য ও জীবনযাত্রার ব্যয় নিয়ে ভোটারদের উদ্বেগই এর পেছনে বড় ভূমিকা রাখছে।

প্রচারণা থেকে মুছে যাচ্ছে ট্রাম্প
দূরত্ব তৈরির সবচেয়ে স্পষ্ট চিত্র দেখা যাচ্ছে নির্বাচনী প্রচারণায়। অন্তত এক ডজন রিপাবলিকান প্রার্থী তাঁদের ওয়েবসাইট থেকে ট্রাম্পের নাম, ছবি কিংবা তাঁর দেওয়া সমর্থনের তথ্য সরিয়ে দিয়েছেন। কেউ ট্রাম্পের অনুষ্ঠানে যাচ্ছেন না, কেউ আবার তিনি তাঁদের হয়ে প্রচারণা চালাবেন কি না—সে প্রশ্নও এড়িয়ে যাচ্ছেন। এমন কৌশল রিপাবলিকানদের জন্য বড় রাজনৈতিক পরিবর্তনের ইঙ্গিত। কারণ গত এক দশকে ট্রাম্প শুধু দলের নেতা হননি; দলটির রাজনৈতিক অবস্থান, নির্বাচনী ভাষা এবং ভোটব্যাংকের ওপরও তাঁর গভীর প্রভাব তৈরি হয়েছে।

জনমতই বদলে দিচ্ছে হিসাব
ট্রাম্পের সঙ্গে দূরত্ব তৈরির পেছনে সবচেয়ে বড় কারণ তাঁর জনসমর্থনের দুর্বলতা। রয়টার্স/ইপসোসের নতুন জরিপে তাঁর অনুমোদন হার মাত্র ৩২ শতাংশ—রাজনৈতিক জীবনের অন্যতম নিম্ন পর্যায়। মধ্যবর্তী নির্বাচনের আগে নিবন্ধিত ভোটারদের মধ্যে ডেমোক্র্যাটদের সমর্থন ৪৪ শতাংশ, যেখানে রিপাবলিকানদের ৩৭ শতাংশ। স্বতন্ত্র ভোটারদের মধ্যেও ডেমোক্র্যাটরা ৩৭ শতাংশ সমর্থন নিয়ে এগিয়ে; রিপাবলিকানদের সমর্থন মাত্র ২১ শতাংশ। এই ব্যবধানই হয়তো রিপাবলিকান প্রার্থীদের বার্তা দিচ্ছে—ট্রাম্পের সঙ্গে সম্পর্ক পুরোপুরি ছিন্ন না করেও তাঁর অজনপ্রিয়তা থেকে নিজেদের আলাদা রাখতে হবে।

কংগ্রেস হারালে চাপ বাড়বে ট্রাম্পের ওপর
মধ্যবর্তী নির্বাচনের ফল নির্ধারণ করবে সিনেট ও প্রতিনিধি পরিষদের নিয়ন্ত্রণ। দুই কক্ষের যেকোনো একটি হারালেই ট্রাম্পের আইন প্রণয়ন ও রাজনৈতিক কর্মসূচি বাস্তবায়নে বাধা বাড়তে পারে। আর উভয় কক্ষ হাতছাড়া হলে তাঁর প্রশাসনের ওপর কংগ্রেসের নজরদারি ও রাজনৈতিক চাপ আরও তীব্র হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। হোয়াইট হাউস অবশ্য ট্রাম্পের নেতৃত্ব নিয়ে কোনো সংকটের কথা মানছে না। মুখপাত্র ডেভিস ইংগল তাঁকে দলের ‘অসংবাদিত নেতা’ হিসেবে তুলে ধরেছেন।

কিন্তু নির্বাচনী মাঠের চিত্র বলছে অন্য কথা। ভোটারদের মনোভাব বুঝে রিপাবলিকান প্রার্থীরা নিজেদের প্রচারণায় ট্রাম্পের ছায়া ছোট করছেন। ফলে ৩ নভেম্বরের ভোট শুধু কে কংগ্রেস নিয়ন্ত্রণ করবে—তার উত্তর দেবে না; একই সঙ্গে এটাও দেখাবে, ট্রাম্প ছাড়া রিপাবলিকান প্রার্থীরা কতটা স্বতন্ত্র রাজনৈতিক ভিত্তি তৈরি করতে পেরেছেন।

কালের আলো/এসএ/এমকে

ডিপি ওয়ার্ল্ডের সঙ্গে চুক্তিতে বন্দরের দক্ষতা বাড়বে: বাণিজ্যমন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: শুক্রবার, ৯ অক্টোবর, ২০২৬, ৬:২৫ অপরাহ্ণ
ডিপি ওয়ার্ল্ডের সঙ্গে চুক্তিতে বন্দরের দক্ষতা বাড়বে: বাণিজ্যমন্ত্রী

চুক্তির ফলে বন্দরে কর্মরত শ্রমিক-কর্মচারীদের চাকরি হারানোর আশঙ্কা নেই বলেও জানান তিনি। মন্ত্রীর ভাষ্য, কর্মীদের কর্মচ্যুতি হবে না—এ বিষয়ে সরকার নিশ্চিত হয়েছে। বরং বন্দরের দক্ষতা বাড়লে কর্মীদের সুযোগ-সুবিধা ও পারিশ্রমিক বৃদ্ধির সম্ভাবনা তৈরি হবে।

এর আগে সিলেট সিটি করপোরেশনের সভাকক্ষে শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষে আয়োজিত মতবিনিময় সভা ও অনুদান বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্য দেন বাণিজ্যমন্ত্রী। তিনি বলেন, বাংলাদেশ ধর্মীয় সম্প্রীতির এক অনন্য উদাহরণ। সব ধর্মের মানুষের পারস্পরিক শ্রদ্ধা ও সহাবস্থানের এই ঐতিহ্য অক্ষুণ্ন রাখতে হবে।

অনুষ্ঠানে সিলেট সিটি করপোরেশনের প্রশাসক আবদুল কাইয়ুম চৌধুরী, সিলেট মহানগর পুলিশ কমিশনার সারোয়ার মুর্শেদ শামীম, জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ আব্দুল্লাহ আল মামুনসহ বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তা ও সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন।

অনুষ্ঠানে সিলেট নগরীর ৮৫টি দুর্গাপূজা মণ্ডপের প্রতিনিধিদের হাতে ৪০ হাজার টাকা করে মোট ৩৪ লাখ টাকা অনুদান তুলে দেন বাণিজ্যমন্ত্রী।

কালের আলো/ডিএইচ/এমএসআইপি