খুঁজুন
                               
, ,
           

যোগ্য প্রার্থীরাই পাবেন প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শিক্ষকতার সুযোগ: ববি হাজ্জাজ

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: শুক্রবার, ৯ অক্টোবর, ২০২৬, ৬:৫৬ অপরাহ্ণ
যোগ্য প্রার্থীরাই পাবেন প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শিক্ষকতার সুযোগ: ববি হাজ্জাজ

সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শিক্ষক নিয়োগের ক্ষেত্রে যোগ্যতা, দক্ষতা ও পেশাগত দায়িত্ববোধকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে বলে জানিয়েছেন প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ। তিনি বলেছেন, যারা ভবিষ্যতে শ্রেণিকক্ষে আরও দক্ষতার সঙ্গে পাঠদান ও শিক্ষকের দায়িত্ব পালন করতে পারবেন, তাদেরই নিয়োগ দেওয়ার লক্ষ্য নিয়ে কাজ করছে সরকার।

শুক্রবার (৯ অক্টোবর) দুপুরে ঢাকার সাভারের নয়ারহাট এলাকায় ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব টেক্সটাইল ইঞ্জিনিয়ারিং অ্যান্ড রিসার্চের (নিটার) আয়োজনে ‘টেক্সটাইল ফেস্ট বাংলাদেশ’-এর দ্বিতীয় ও সমাপনী দিনের অনুষ্ঠানে অংশ নিয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন।

শিক্ষক নিয়োগের প্রক্রিয়া সম্পর্কে প্রতিমন্ত্রী বলেন, এবার শিক্ষক বাছাইয়ের ক্ষেত্রে সুনির্দিষ্ট নীতি অনুসরণ করা হয়েছে। এমন নীতিমালা রাখা হয়েছে, যাতে যোগ্য ও দক্ষ প্রার্থীরা শ্রেণিকক্ষে পাঠদানের সুযোগ পান। নিয়োগ প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছ নিয়ম অনুসরণ করা হয়েছে বলেও জানান তিনি। বিশেষ করে প্রার্থীদের পুলিশ ক্লিয়ারেন্সের বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করা হয়েছে।

সাম্প্রতিক গণ-অভ্যুত্থানের পর প্রশাসনের বিভিন্ন ক্ষেত্রে সাময়িক দুর্বলতা তৈরি হয়ে থাকতে পারে উল্লেখ করে ববি হাজ্জাজ বলেন, কিছু ভুলত্রুটিও থাকতে পারে। তবে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর এসব ত্রুটি চিহ্নিত করে সংশোধন এবং ঘাটতি পূরণে গুরুত্বের সঙ্গে কাজ করছে।

তিনি আশা প্রকাশ করে বলেন, পুরো নিয়োগ প্রক্রিয়া যথাযথভাবে ও সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন হবে।

প্রাথমিক শিক্ষার সার্বিক মানোন্নয়নে সরকার সমন্বিতভাবে কাজ করছে জানিয়ে প্রতিমন্ত্রী বলেন, শিক্ষকদের কাজের পরিবেশ ও মর্যাদা উন্নয়ন এবং পাঠদান পর্যবেক্ষণব্যবস্থা আরও জোরদার করা হয়েছে। প্রাথমিক শিক্ষাব্যবস্থাকে নতুন করে সাজাতে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলোকে প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে এবং দায়িত্ব পালনের সুযোগ তৈরি করা হয়েছে।

অনুষ্ঠানে স্থানীয় সংসদ সদস্য ডা. দেওয়ান মোহাম্মদ সালাউদ্দিন বাবু, নিটারের শিক্ষক-শিক্ষার্থী, আয়োজক কমিটির সদস্য ও স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন।

কালের আলো/ডিএইচ/এমএসআইপি 

স্বাস্থ্য খাতের উন্নয়নে বাজেট বরাদ্দ বাড়িয়েছে সরকার: চিফ হুইপ

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: শুক্রবার, ৯ অক্টোবর, ২০২৬, ৭:৪৫ অপরাহ্ণ
স্বাস্থ্য খাতের উন্নয়নে বাজেট বরাদ্দ বাড়িয়েছে সরকার: চিফ হুইপ

স্বাস্থ্য খাতের উন্নয়ন ও জনগণের চিকিৎসাসেবা নিশ্চিত করতে বর্তমান সরকার বাজেট বরাদ্দ বাড়িয়েছে বলে জানিয়েছেন জাতীয় সংসদের চিফ হুইপ নূরুল ইসলাম মনি। তিনি বলেন, স্বাস্থ্য খাতকে ঢেলে সাজানোর লক্ষ্যে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ও ডা. জুবাইদা রহমানের উদ্যোগে এ খাতে বরাদ্দ প্রায় দ্বিগুণ করা হয়েছে।

শুক্রবার (৯ অক্টোবর) রাজধানীর প্যান প্যাসিফিক সোনারগাঁও হোটেলে বাংলাদেশ থাইরয়েড সোসাইটির (বিটিএস) অষ্টম জাতীয় সম্মেলন ও বার্ষিক সাধারণ সভা-২০২৬-এর উদ্বোধনী অধিবেশনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

চিফ হুইপ বলেন, দেশে গত দুই বছর হামের টিকাদানে ঘাটতি থাকায় এর নেতিবাচক প্রভাব পড়েছে। আগের সময়ে তৈরি হওয়া পরিস্থিতির চাপ বর্তমান সরকারকে সামাল দিতে হচ্ছে। তবে স্বাস্থ্য খাতের বিদ্যমান সমস্যা সমাধান এবং জনগণের চিকিৎসাসেবা নিশ্চিত করতে সরকার কাজ করছে।

তিনি বলেন, স্বাস্থ্য খাতের পাশাপাশি বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাতের উন্নয়নেও সরকার গুরুত্ব দিচ্ছে।

থাইরয়েড রোগ সম্পর্কে জনসচেতনতা বৃদ্ধি ও গবেষণার ওপর গুরুত্বারোপ করে নূরুল ইসলাম মনি বলেন, মানবদেহের বৃদ্ধি, বুদ্ধিবৃত্তিক বিকাশ এবং শরীরের বিভিন্ন কার্যক্রম নিয়ন্ত্রণে থাইরয়েড গ্রন্থির গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে। এ রোগ প্রতিরোধ, দ্রুত শনাক্তকরণ ও উন্নত চিকিৎসা নিশ্চিত করতে চিকিৎসকদের পাশাপাশি সংশ্লিষ্ট সবাইকে এগিয়ে আসতে হবে।

তিনি আরও বলেন, থাইরয়েড রোগ নিয়ে সচেতনতা তৈরি ও গবেষণায় সহযোগিতার জন্য তিনি ব্যক্তিগতভাবে উদ্যোগ নেবেন। সংসদে প্রয়োজনীয় উদ্যোগ নেওয়ার সুযোগ থাকলে তা বাস্তবায়নেরও চেষ্টা করবেন। শিক্ষা, উদ্ভাবন ও কার্যকর উদ্যোগের সমন্বয়ে থাইরয়েড রোগে আক্রান্ত ব্যক্তিদের জীবনমান উন্নত করা সম্ভব বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন বাংলাদেশ থাইরয়েড সোসাইটির সভাপতি ও ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব নিউক্লিয়ার মেডিসিন অ্যান্ড অ্যালায়েড সায়েন্সেসের (নিনমাস) পরিচালক অধ্যাপক ডা. এ কে এম ফজলুল বারী।

বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ডক্টরস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের সভাপতি অধ্যাপক ডা. হারুন আল রশীদ, বাংলাদেশ থাইরয়েড সোসাইটির প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ডা. এম এ করিম এবং ডায়াবেটিক অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের সভাপতি অধ্যাপক ডা. এ কে আজাদ খান। স্বাগত বক্তব্য দেন সোসাইটির মহাসচিব অধ্যাপক ডা. নাসরীন সুলতানা। এ ছাড়া সোসাইটির প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি অধ্যাপক ফৌজিয়া মোসলেম উপস্থিত ছিলেন।

দিনব্যাপী সম্মেলনে থাইরয়েড রোগ নির্ণয় ও চিকিৎসার আধুনিক পদ্ধতি, থাইরয়েড ক্যানসার, গর্ভাবস্থায় থাইরয়েডের সমস্যা, আয়োডিনের ঘাটতিজনিত রোগ এবং থাইরয়েড রোগের সঙ্গে হৃদযন্ত্রের সম্পর্ক নিয়ে বৈজ্ঞানিক আলোচনা হয়। সম্মেলনে ১২টি মৌখিক গবেষণাপত্র ও ১০টি পোস্টার উপস্থাপন করা হয়।

কালের আলো/এএইচ/এমএসআইপি 

পাঠাওয়ের তথ্যভান্ডারে সাইবার হামলা, ঝুঁকিতে কোটি গ্রাহকের ব্যক্তিগত তথ্য

নিজস্ব প্রতিবেদক, কালের আলো
প্রকাশিত: শুক্রবার, ৯ অক্টোবর, ২০২৬, ৭:৩৬ অপরাহ্ণ
পাঠাওয়ের তথ্যভান্ডারে সাইবার হামলা, ঝুঁকিতে কোটি গ্রাহকের ব্যক্তিগত তথ্য

ডিজিটাল সেবাপ্রতিষ্ঠান পাঠাওয়ের প্রায় ১ কোটি ৯০ লাখ ব্যবহারকারীর তথ্য হাতিয়ে নেওয়ার দাবি করেছে একটি সাইবার অপরাধী চক্র। এসব তথ্য প্রকাশ না করার বিনিময়ে প্রতিষ্ঠানটির কাছে চার লাখ মার্কিন ডলার দাবি করা হয়েছে। চক্রটির দাবি, ব্যবহারকারীদের ব্যক্তিগত তথ্যের পাশাপাশি প্রতিষ্ঠানের কর্মী, ব্যবসায়ী ও চালকদের সংবেদনশীল তথ্যও তাদের হাতে রয়েছে। তবে তথ্য চুরির পরিমাণ ও চক্রটির সব দাবির সত্যতা স্বাধীনভাবে যাচাই করা সম্ভব হয়নি।

ব্যক্তিগত তথ্যের বিশাল ভান্ডার থাকার দাবি
সাইবার নিরাপত্তাবিষয়ক প্ল্যাটফর্ম ডেইলি ডার্ক ওয়েব গত বুধবার (৭ অক্টোবর) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে (সাবেক টুইটার) এ-সংক্রান্ত একটি পোস্ট প্রকাশ করে। সেখানে দাবি করা হয়, চক্রটির কাছে পাঠাওয়ের প্রায় ১৩৩ গিগাবাইট তথ্য রয়েছে। এতে প্রায় ২৫ কোটি রেকর্ড ও ৫৯১টি তথ্যভান্ডার রয়েছে বলে উল্লেখ করা হয়। সবচেয়ে বড় তথ্যভান্ডারে ১ কোটি ৯০ লাখ ৬৩ হাজার ৯১৮টি হিসাবের তথ্য থাকার দাবি করেছে চক্রটি।

  • এনআইডি, ড্রাইভিং লাইসেন্স, ব্যাংক হিসাব ও বাসার ঠিকানা ফাঁসের হুমকি
  • কিছু ব্যক্তিগত তথ্য হাতিয়ে নেওয়ার কথা স্বীকার করেছে প্রতিষ্ঠান, চলছে তদন্ত

তাদের দাবি অনুযায়ী, এসব তথ্যের মধ্যে রয়েছে ব্যবহারকারীদের মুঠোফোন নম্বর, ই-মেইল ঠিকানা, জাতীয় পরিচয়পত্রের (এনআইডি) নম্বর, ড্রাইভিং লাইসেন্স, ছবি, অবস্থান, ফেসবুক পরিচিতি ও বাসার ঠিকানা। প্রায় ৫৭ লাখ বাসার ঠিকানাও তাদের কাছে রয়েছে বলে দাবি করা হয়েছে।

ব্যবহারকারীর বাইরেও ঝুঁকিতে ব্যবসায়িক তথ্য
ব্যবহারকারীদের ব্যক্তিগত তথ্যের পাশাপাশি পাঠাওয়ের অভ্যন্তরীণ ও ব্যবসায়িক তথ্য হাতিয়ে নেওয়ার দাবি করেছে চক্রটি। এর মধ্যে কর্মীদের তথ্য, প্রশাসনিক প্রবেশাধিকারের নথি, ব্যবসায়ীদের ব্যাংক হিসাব ও ব্যাংকের শাখা শনাক্তকরণ নম্বর, অর্থ লেনদেনের তথ্য, পণ্য সরবরাহের অবস্থান এবং চালকদের যাত্রার নথি রয়েছে বলে উল্লেখ করা হয়েছে।

চক্রটি হুমকি দিয়েছে, চার লাখ ডলার পরিশোধ না করলে এনআইডি, ব্যাংক, কর্মী ও প্রশাসনিক তথ্য প্রকাশ করা হবে। এসব দাবি সত্য হলে পরিচয় চুরি, আর্থিক প্রতারণা ও ব্যক্তিগত গোপনীয়তা লঙ্ঘনের ঝুঁকি তৈরি হতে পারে। তবে তথ্যগুলোর অপব্যবহার ইতিমধ্যে ঘটেছে কি না, তা নিশ্চিত নয়।

সাইবার হামলার পর গুরুত্বপূর্ণ সিস্টেম বন্ধ রাখে পাঠাও
পাঠাও জানিয়েছে, গত রোববার (৪ অক্টোবর) সাইবার নিরাপত্তাসংক্রান্ত একটি ঘটনা শনাক্ত হওয়ার পর সতর্কতামূলক ব্যবস্থা হিসেবে গুরুত্বপূর্ণ কিছু সিস্টেম সাময়িকভাবে অফলাইনে নেওয়া হয়। এতে বিভিন্ন সেবা বিঘ্নিত হলেও অল্প সময়ের মধ্যে সেগুলো চালু করা হয়।

বৃহস্পতিবার (৮ অক্টোবর) দিবাগত রাত ১২টার পর দেওয়া এক লিখিত বিবৃতিতে প্রতিষ্ঠানটি জানায়, দুর্বৃত্তরা ব্যবহারকারীদের নাম, ই-মেইল ঠিকানা ও ফোন নম্বরসহ কিছু ব্যক্তিগত তথ্য অ্যাকসেস করেছে বলে তারা জানতে পেরেছে। ঘটনাটি শনাক্ত হওয়ার পরপরই তা নিয়ন্ত্রণে আনা হয়। সিস্টেমের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে বাইরের সাইবার নিরাপত্তা বিশেষজ্ঞদের যুক্ত করা হয়েছে।

প্রতিষ্ঠানটি আরও জানায়, ঘটনার সার্বিক বিষয় নিশ্চিত করতে তদন্ত চলছে। তদন্তের ফলাফলের ভিত্তিতে নিয়ম অনুযায়ী সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে হালনাগাদ তথ্য জানানো হবে। সিস্টেম পুরোপুরি স্থিতিশীল করার কাজ চলায় ব্যবহারকারীরা সাময়িক কারিগরি সমস্যার মুখোমুখি হতে পারেন।

স্বাধীন তদন্ত ও তথ্য সুরক্ষার ওপর গুরুত্ব
সাইবার নিরাপত্তা বিশেষজ্ঞ তানভীর হাসান জোহা বলেন, অবিলম্বে স্বাধীন ডিজিটাল ফরেনসিক তদন্তের ব্যবস্থা করা, সার্ভার ও অ্যাকসেস লগসহ সব ডিজিটাল আলামত সংরক্ষণ এবং প্রযোজ্য আইন অনুযায়ী সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে অবহিত করা জরুরি। তাঁর মতে, ব্যক্তিগত তথ্যের নিরাপত্তা, ডিজিটাল আলামত সংরক্ষণ ও প্রমাণভিত্তিক আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিতে হবে।

ঘটনাটি ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে বিপুল ব্যক্তিগত তথ্য সংরক্ষণের নিরাপত্তা নিয়ে নতুন প্রশ্ন তুলেছে। এখন গুরুত্বপূর্ণ হলো, কতটুকু তথ্য আক্রান্ত হয়েছে, কীভাবে অনুপ্রবেশ ঘটেছে এবং ভবিষ্যতে এমন ঘটনা ঠেকাতে কী ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে, তা স্বচ্ছ তদন্তের মাধ্যমে নিশ্চিত করা।

কালের আলো/জেএন/এমকে

মা ইলিশ রক্ষা হলে বাড়বে ইলিশের উৎপাদন: মৎস্য সচিব

বরিশাল সংবাদদাতা
প্রকাশিত: শুক্রবার, ৯ অক্টোবর, ২০২৬, ৭:২৯ অপরাহ্ণ
মা ইলিশ রক্ষা হলে বাড়বে ইলিশের উৎপাদন: মৎস্য সচিব

দেশে ইলিশের উৎপাদন বৃদ্ধি, প্রজনন সুরক্ষা ও রপ্তানির সম্ভাবনা সম্প্রসারণে মা ইলিশ সংরক্ষণ অভিযান সফল করা জরুরি বলে মন্তব্য করেছেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. দেলোয়ার হোসেন। তিনি বলেছেন, ইলিশ দেশের মৎস্যসম্পদের অন্যতম মূল্যবান সম্পদ। এর উৎপাদন বাড়াতে মা ইলিশকে নির্বিঘ্নে প্রজননের সুযোগ দিতে হবে এবং নিষেধাজ্ঞার যথাযথ বাস্তবায়ন নিশ্চিত করতে হবে।

শুক্রবার (৯ অক্টোবর) বরিশালের কীর্তনখোলা নদীতে মা ইলিশ সংরক্ষণ অভিযান শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এসব কথা বলেন।

মো. দেলোয়ার হোসেন বলেন, দীর্ঘদিন পর দেশে একটি গণতান্ত্রিক সরকার এসেছে। দেশের মাছের উৎপাদন ও রপ্তানি বাড়াতে হলে মৎস্য খাতের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ সম্পদ ইলিশের উৎপাদন বাড়ানো প্রয়োজন। বরিশাল অঞ্চলে ইলিশের প্রাচুর্য থাকায় মা ইলিশ সংরক্ষণে ২২ দিনের নিষেধাজ্ঞা কার্যকর করা হয়েছে।

তিনি বলেন, মা ইলিশ সংরক্ষণে জনসচেতনতা সৃষ্টি এবং নিষেধাজ্ঞা কার্যকরভাবে বাস্তবায়নের লক্ষ্যে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের নিয়ে কাজ করা হচ্ছে। জেলে, মৎস্য ব্যবসায়ীসহ এ খাতের সঙ্গে সম্পৃক্ত সবাইকে সরকারি নির্দেশনা মেনে চলতে হবে।

মৎস্য সচিব আরও বলেন, সম্মিলিত উদ্যোগে মা ইলিশের নিরাপদ প্রজনন নিশ্চিত করা গেলে ভবিষ্যতে ইলিশের উৎপাদন বাড়বে। এর ফলে দেশের অর্থনীতি ও মৎস্য খাত আরও সমৃদ্ধ হবে।

এদিকে মা ইলিশ সংরক্ষণে কঠোর অবস্থানের কথা জানিয়েছেন বরিশালের জেলা প্রশাসক মো. মামুন খন্দকার। তিনি নিষেধাজ্ঞার ২২ দিন নদীতে মাছ ধরা থেকে বিরত থাকতে জেলেদের প্রতি আহ্বান জানান। একই সঙ্গে নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে মাছ ধরলে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে আইন অনুযায়ী কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে সতর্ক করেন তিনি।

সংশ্লিষ্টরা জানান, মা ইলিশ রক্ষায় প্রশাসনের নজরদারি ও অভিযান অব্যাহত থাকবে। এ কার্যক্রম সফল করতে জেলে, মৎস্য ব্যবসায়ী ও সংশ্লিষ্ট সবার সহযোগিতা কামনা করা হয়েছে।

এ সময় মৎস্য অধিদপ্তর ও প্রশাসনের বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

কালের আলো/ডিএইচ/এমএসআইপি