খুঁজুন
                               
, ,
           

সবজি পর্যাপ্ত, তবু বেগুনের কেজি ১২০ টাকা

নিজস্ব প্রতিবেদক, কালের আলো
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর, ২০২৬, ২:৪২ অপরাহ্ণ
সবজি পর্যাপ্ত, তবু বেগুনের কেজি ১২০ টাকা

শীতকালীন সবজি বাজারে আসতে শুরু করেছে, সরবরাহেও বড় কোনো ঘাটতি চোখে পড়ছে না। তারপরও রাজধানীর বাজারগুলোতে সবজির দাম সাধারণ ক্রেতাদের নাগালের বাইরে রয়ে গেছে। অধিকাংশ সবজি কেজিপ্রতি ৬০ থেকে ৮০ টাকার মধ্যে বা তার বেশি দামে বিক্রি হচ্ছে। বেগুন ও টমেটোর মতো কিছু সবজির দাম কেজিতে ১০০ টাকা ছাড়িয়েছে। গত কয়েক দিনের তুলনায় দু-একটি সবজির দাম কিছুটা কমলেও সামগ্রিক বাজারে স্বস্তি ফেরেনি।

বৃহস্পতিবার (২৯ অক্টোবর) সকালে রাজধানীর রামপুরা, খিলগাঁও ও বনশ্রী এলাকার বাজার ঘুরে এমন চিত্র দেখা গেছে। সবজির পাশাপাশি মাছ ও মাংসের দামও আগের মতোই রয়েছে বলে জানিয়েছেন বিক্রেতা ও ক্রেতারা। তাঁদের ভাষ্য, নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের উচ্চমূল্যের কারণে সংসারের খরচ সামলাতে হিমশিম খেতে হচ্ছে।

কোন সবজি কত দামে বিক্রি হচ্ছে
বাজার ঘুরে দেখা যায়, প্রতি কেজি আলু ৩০ টাকা, পটল ৫০ টাকা, শিম ৮০ টাকা, করলা ৮০ টাকা, ঝিঙা ৬০ টাকা, চিচিঙ্গা ৬০ টাকা, ঢ্যাঁড়স ৫০ টাকা, পেঁপে ২৫ টাকা এবং কাঁকরোল ৭০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। বেগুনের দাম প্রকার ও মানভেদে কেজিপ্রতি ৮০ থেকে ১২০ টাকা। টমেটো বিক্রি হচ্ছে ১২০ টাকা কেজি দরে। রসুনের দাম কেজিপ্রতি ১২০ থেকে ২০০ টাকা। এ ছাড়া ফুলকপি ও বাঁধাকপি প্রতিটি ৮০ টাকা এবং আকারভেদে লাউ ৫০ থেকে ৮০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। দু-একটি সবজির দাম কিছুটা কমলেও অনেক পণ্যের দাম আগের অবস্থায় রয়েছে। ফলে বাজারে শীতকালীন সবজির সরবরাহ বাড়লেও ক্রেতারা প্রত্যাশিত স্বস্তি পাচ্ছেন না।

পরিবহন খরচকে দায়ী করছেন বিক্রেতারা
মেরাদিয়া বাজারের সবজি বিক্রেতা আব্দুস সালাম বলেন, আগের তুলনায় কিছু সবজির দাম কমেছে। তবে সামনে আরও দাম কমবে কি না, তা নিয়ে তিনি আশাবাদী নন। তাঁর মতে, শীতকালীন সবজি বাজারে এলেও পরিবহনসহ অন্যান্য খরচ বেড়ে যাওয়ায় দাম খুব বেশি কমার সম্ভাবনা নেই। তিনি বলেন, পাইকারি বাজার থেকে বেশি দামে পণ্য কিনতে হলে খুচরা বাজারে কম দামে বিক্রি করা কঠিন। বিক্রেতারা কম দামে কিনতে পারলে ক্রেতাদের কাছেও কম দামে বিক্রি করা সম্ভব হবে। আব্দুস সালামের ভাষ্য, বাজারে কিছুটা দরপতন হলেও কয়েকটি সবজির দাম আগের মতোই রয়েছে। তাই আপাতত বাজারদরে বড় ধরনের পরিবর্তন হবে বলে তিনি মনে করছেন না।

মাছ-মাংসের দামেও স্বস্তি নেই
সবজির পাশাপাশি মাছ ও মাংসের বাজারেও উচ্চমূল্য অব্যাহত রয়েছে। বাজারে দেশি মুরগি কেজিপ্রতি ৬৬০ টাকা, ব্রয়লার মুরগি ১৯০ টাকা এবং কক মুরগি ৩৩০ টাকায় বিক্রি হতে দেখা গেছে। গরুর মাংসের দাম কেজিতে ৮২০ টাকা এবং খাসির মাংস ১ হাজার ২০০ টাকা। মাছের বাজারে আকার ও মানভেদে রুই মাছের দাম কেজিপ্রতি ৩৫০ থেকে ৪২০ টাকা। বড় আকারের তেলাপিয়া ও পাঙাশ বিক্রি হচ্ছে কেজিতে ৩০০ টাকা দরে। চিংড়ির দাম ৭৫০ টাকা এবং মলা মাছের দাম ৫০০ টাকা কেজি। ক্রেতাদের অভিযোগ, সবজি, মাছ ও মাংস—কোনো পণ্যের দামই তাঁদের প্রত্যাশা অনুযায়ী কমছে না। ফলে সীমিত আয়ের পরিবারগুলোর জন্য প্রতিদিনের বাজার খরচ মেটানো কঠিন হয়ে উঠছে।

গত বছরের তুলনায় পটলের দাম বেশি
বাজার করতে আসা ক্রেতা মশিউর রহমান বলেন, গত বছর একই সময়ে প্রতি কেজি পটল ৩০ থেকে ৪০ টাকায় কেনা যেত। অথচ এবার তা প্রায় দ্বিগুণ দামে কিনতে হচ্ছে। মাসের শুরুর দিকে পটলের দাম কেজিপ্রতি ১২০ টাকা পর্যন্ত উঠেছিল বলেও জানান তিনি।

মশিউর রহমান বলেন, সবজি, মাছ ও মাংসের দাম বেশি থাকায় বাজার করতে গিয়ে কোনো স্বস্তি পাওয়া যাচ্ছে না। পণ্যের দাম যেভাবে বাড়ছে, সেভাবে পরিবারের আয় বাড়ছে না। ফলে বাড়তি খরচ সামলানো কঠিন হয়ে পড়েছে। তাঁর মতো অনেক ক্রেতার অভিযোগ, বাজারে পণ্যের সরবরাহ থাকলেও দাম কমছে না। বিশেষ করে বেগুন ও পটলের মতো পরিচিত সবজি কিনতেও এখন আগের চেয়ে অনেক বেশি টাকা খরচ করতে হচ্ছে।

নিত্যপণ্যের দামে সংসার চালানো কঠিন
আরেক ক্রেতা মনির হোসেন বলেন, সবজি, মাছ-মাংস থেকে শুরু করে মুদি পণ্য—কোনো বাজারেই স্বস্তি নেই। নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম বাড়তে থাকায় সাধারণ পরিবারের দৈনন্দিন ব্যয় সামলানো কঠিন হয়ে যাচ্ছে। তিনি বলেন, এভাবে দাম বাড়তে থাকলে তাঁর মতো সীমিত আয়ের পরিবারের পক্ষে সংসার চালানো আরও কঠিন হবে। সাধারণ মানুষের ক্রয়ক্ষমতার বিষয়টি বিবেচনায় নিয়ে বাজার পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে কার্যকর উদ্যোগ নেওয়া প্রয়োজন।

বাজার তদারকি জোরদারের দাবি ক্রেতাদের
ক্রেতাদের মতে, বাজারে পণ্যের সরবরাহ ও দাম নিয়মিত পর্যবেক্ষণ করা জরুরি। উৎপাদন ও সরবরাহে ঘাটতি না থাকলেও কেন অনেক সবজির দাম বেশি থাকছে, তা খতিয়ে দেখা প্রয়োজন বলে মনে করেন তাঁরা। মনির হোসেনের দাবি, সাধারণ মানুষের ক্রয়ক্ষমতার মধ্যে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য রাখার জন্য বাজারে কঠোর নজরদারি বাড়াতে হবে। একই সঙ্গে পণ্যের দাম নির্ধারণ ও বিক্রির ক্ষেত্রে স্বচ্ছতা নিশ্চিত করা প্রয়োজন। শীতকালীন সবজির সরবরাহ বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে দামও কমবে—এমন প্রত্যাশা ক্রেতাদের। তবে পরিবহন ও অন্যান্য ব্যয়ের প্রভাব, পাইকারি ও খুচরা বাজারের দামের ব্যবধান এবং বাজার তদারকির কার্যকারিতা—সব মিলিয়ে পরিস্থিতির উন্নতি কবে হবে, তা নিয়ে অনিশ্চয়তা রয়ে গেছে।

কালের আলো/এএইচ/এমএসআইপি

মেট্রোরেলে সংরক্ষিত আসনে বসা নিশ্চিত করল ভ্রাম্যমাণ আদালত

নিজস্ব প্রতিবেদক, কালের আলো
প্রকাশিত: শুক্রবার, ৩০ অক্টোবর, ২০২৬, ১২:৫১ পূর্বাহ্ণ
মেট্রোরেলে সংরক্ষিত আসনে বসা নিশ্চিত করল ভ্রাম্যমাণ আদালত

রাজধানীর মেট্রোরেলে প্রবীণ ও বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন যাত্রীদের জন্য নির্ধারিত সংরক্ষিত আসনে তাদের বসা নিশ্চিত করতে তদারকি চালিয়েছে ঢাকা মাস ট্রানজিট কোম্পানি লিমিটেডের (ডিএমটিসিএল) ভ্রাম্যমাণ আদালত। একই সঙ্গে আগারগাঁও ও শাহবাগ মেট্রোরেল স্টেশনসংলগ্ন এলাকায় যাত্রীদের চলাচলে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টিকারী অবৈধ দোকানপাট ও স্থাপনা উচ্ছেদ করা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (২৯ অক্টোবর) বিকেলে আগারগাঁও মেট্রোরেল স্টেশন এলাকায় এ অভিযান পরিচালনা করা হয়। ডিএমটিসিএলের এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট মো. বিল্লাল হোসেনের নেতৃত্বে বিকেল ৩টা থেকে সাড়ে ৪টা পর্যন্ত ভ্রাম্যমাণ আদালত চলে।

সংরক্ষিত আসনে বসার ব্যবস্থা নিশ্চিত
অভিযানের অংশ হিসেবে মেট্রোরেলের কোচে প্রবীণ ও বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন যাত্রীদের জন্য নির্ধারিত ‘অগ্রাধিকার আসন’ বা প্রায়োরিটি সিট তদারকি করা হয়। এসব আসনে নির্ধারিত যাত্রীদের বসার ব্যবস্থা নিশ্চিত করেন এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট।

ডিএমটিসিএল সূত্রে জানা গেছে, ঢাকা মেট্রোরেলের প্রতিটি কোচে শুরু থেকেই প্রবীণ ও বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন ব্যক্তিদের সুবিধার্থে অগ্রাধিকার আসন সংরক্ষিত রয়েছে। এ বিষয়ে যাত্রীদের সচেতন করতে প্রতিটি স্টেশনে নিয়মিত ঘোষণা প্রচার করা হয়।

আগারগাঁওয়ে অবৈধ দোকানপাট উচ্ছেদ
আগারগাঁও মেট্রোরেল স্টেশনসংলগ্ন এলাকায় ফুটপাত ও আশপাশের জায়গা দখল করে গড়ে ওঠা ভাসমান দোকানপাট এবং বিভিন্ন অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ করা হয়। এসব স্থাপনার কারণে যাত্রীদের চলাচলে প্রতিবন্ধকতা তৈরি হচ্ছিল বলে জানানো হয়েছে।

অভিযানের মাধ্যমে স্টেশন এলাকায় যাত্রীদের নির্বিঘ্নে চলাচলের উপযোগী পরিবেশ নিশ্চিত করার উদ্যোগ নেওয়া হয়।

শাহবাগেও ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযান
এদিকে শাহবাগ মেট্রোরেল স্টেশনসংলগ্ন এলাকায়ও পৃথক ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করা হয়। ডিএমটিসিএলের এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট মোহাম্মদ সাইফুল কবিরের নেতৃত্বে পরিচালিত এ অভিযানে যাত্রীদের চলাচলে বাধা সৃষ্টি করা ভাসমান দোকানপাট ও অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ করা হয়। এ সময় একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে বলে জানানো হয়।

অভিযান অব্যাহত রাখার ঘোষণা
মেট্রোরেল স্টেশন ও আশপাশের এলাকায় যাত্রীদের নিরাপদ ও নির্বিঘ্ন চলাচল নিশ্চিত করা এবং সংরক্ষিত আসন ব্যবহারে সচেতনতা বাড়ানোর লক্ষ্যে এ ধরনের অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে। জনস্বার্থে ডিএমটিসিএলের ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযান অব্যাহত থাকবে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে।

কালের আলো/এএইচ/এমএসআইপি

জামায়াতকে হারিয়ে ঠাকুরগাঁও-১ আসনে বিজয়ী ফয়সল

ঠাকুরগাঁও,সংবাদদাতা,কালের আলো
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর, ২০২৬, ১০:০০ অপরাহ্ণ
জামায়াতকে হারিয়ে ঠাকুরগাঁও-১ আসনে বিজয়ী ফয়সল

ঠাকুরগাঁও-১ আসনের উপনির্বাচনে বেসরকারি ফলাফলে বিপুল ভোটে বিজয়ী হয়েছেন বিএনপির প্রার্থী মির্জা ফয়সল আমীন। ১৮৫টি ভোটকেন্দ্রের ফলাফলে ধানের শীষ প্রতীকে তিনি পেয়েছেন ২ লাখ ২৭ হাজার ৭৮৯ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী দেলাওয়ার হোসেন পেয়েছেন ৯৬ হাজার ৪৫ ভোট।

বৃহস্পতিবার (২৯ অক্টোবর) অনুষ্ঠিত এ নির্বাচনে ভোট গণনা শেষে বেসরকারিভাবে বিজয়ী হন মির্জা ফয়সল আমীন।

নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বীর চেয়ে ১ লাখ ৩১ হাজারের বেশি ভোটে এগিয়ে
প্রাপ্ত ফলাফল অনুযায়ী, মির্জা ফয়সল আমীন তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী দেলাওয়ার হোসেনের চেয়ে ১ লাখ ৩১ হাজার ৭৪৪ ভোট বেশি পেয়েছেন। দুই প্রার্থীর ভোটের ব্যবধানই নির্বাচনে বিএনপির প্রার্থীর বড় ব্যবধানে এগিয়ে থাকার চিত্র তুলে ধরেছে। জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী দেলাওয়ার হোসেন দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে ৯৬ হাজার ৪৫ ভোট পেয়ে দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছেন।

সকাল ৮টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত ভোটগ্রহণ
বৃহস্পতিবার সকাল ৮টা থেকে ঠাকুরগাঁও-১ আসনের ১৮৫টি ভোটকেন্দ্রে একযোগে ভোটগ্রহণ শুরু হয়। বিরতিহীনভাবে বিকেল ৪টা পর্যন্ত ভোটগ্রহণ চলে। আসনটিতে মোট ভোটার ছিলেন ৫ লাখ ১৬ হাজার ১৪০ জন। ভোটগ্রহণ শেষে কেন্দ্রভিত্তিক ফলাফল গণনা করা হয়। পরে ১৮৫টি কেন্দ্রের বেসরকারি ফলাফলে বিএনপির প্রার্থীকে বিজয়ী ঘোষণা করা হয়।

নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন পাঁচ প্রার্থী
ঠাকুরগাঁও-১ আসনের উপনির্বাচনে মোট পাঁচজন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন। বিএনপির মির্জা ফয়সল আমীন ও জামায়াতে ইসলামীর দেলাওয়ার হোসেন ছাড়াও নির্বাচনে ছিলেন বাংলাদেশ খেলাফত আন্দোলনের প্রার্থী মো. আব্দুল আলীম নিজামী, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের প্রার্থী মো. খাদেমুল ইসলাম এবং বাংলাদেশ কংগ্রেসের প্রার্থী হুসাইন মুহাম্মদ ওমর ফারুক। প্রার্থীদের প্রতীক ছিল যথাক্রমে বটগাছ, হাতপাখা ও ডাব। ১৮৫টি কেন্দ্রের বেসরকারি ফলাফলে বড় ব্যবধানে এগিয়ে থেকে জয় পেয়েছেন বিএনপির প্রার্থী মির্জা ফয়সল আমীন। তবে এটি বেসরকারি ফলাফল; চূড়ান্ত সরকারি ফলাফল নির্বাচন কমিশনের ঘোষণার ওপর নির্ভরশীল।

কালের আলো/এসকে/এমএসআইপি

খাদ্যগুদাম নির্মাণে দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনার নির্দেশ খাদ্যমন্ত্রীর

নিজস্ব প্রতিবেদক, কালের আলো
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর, ২০২৬, ৯:৪২ অপরাহ্ণ
খাদ্যগুদাম নির্মাণে দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনার নির্দেশ খাদ্যমন্ত্রীর

খাদ্যশস্য সংরক্ষণের অবকাঠামো নির্মাণে আগামী ১০ থেকে ১৫ বছরের চাহিদা বিবেচনায় নিয়ে টেকসই পরিকল্পনা প্রণয়নের নির্দেশ দিয়েছেন খাদ্যমন্ত্রী আফরোজা খানম। খাদ্যনিরাপত্তা নিশ্চিত করতে মজুত সক্ষমতা বাড়ানোর পাশাপাশি গুদামের অবকাঠামোগত উন্নয়ন ও দীর্ঘমেয়াদি সংরক্ষণব্যবস্থা গড়ে তোলার ওপর গুরুত্ব দিয়েছেন তিনি।

বৃহস্পতিবার (২৯ অক্টোবর) ঢাকায় খাদ্য অধিদপ্তর ও গণপূর্ত অধিদপ্তরের মধ্যে সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে এসব কথা বলেন খাদ্যমন্ত্রী।

দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনায় গুরুত্ব

খাদ্যমন্ত্রী বলেন, খাদ্যশস্য সংরক্ষণের সক্ষমতা বাড়াতে ভবিষ্যতের চাহিদা বিবেচনায় নিয়ে পরিকল্পনা করতে হবে। এ ক্ষেত্রে গুদামের অবকাঠামোগত উন্নয়ন এবং খাদ্যশস্য দীর্ঘ সময় নিরাপদে সংরক্ষণের উপযোগী ব্যবস্থা নিশ্চিত করা জরুরি।

তিনি আরও বলেন, যেসব এলাকায় খাদ্যশস্যের উৎপাদন বেশি হয়, সেসব এলাকায় গুদাম নির্মাণে অগ্রাধিকার দিতে হবে। পাশাপাশি বিদ্যমান পুরোনো গুদামগুলোর সংস্কার ও উন্নয়নেও গুরুত্ব দিতে হবে।

খাদ্যনিরাপত্তা নিশ্চিতে সমন্বিত উদ্যোগ

অনুষ্ঠানে খাদ্য ও জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী মো. আব্দুল বারী এবং গৃহায়ণ ও গণপূর্ত প্রতিমন্ত্রী আহম্মেদ সোহেল মনজুর বক্তব্য দেন। তাঁরা খাদ্যশস্যের পর্যাপ্ত মজুত নিশ্চিত করা, গুদামের মান উন্নয়ন এবং নির্ধারিত সময়ের মধ্যে প্রকল্প বাস্তবায়নের ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

অনুষ্ঠানে খাদ্যসচিব আবু তাহের মো. মাসুদ রানাসহ খাদ্য অধিদপ্তর, গণপূর্ত অধিদপ্তর ও সংশ্লিষ্ট দপ্তরের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

খাদ্যশস্য সংরক্ষণের সক্ষমতা বৃদ্ধি, গুদামের আধুনিকায়ন এবং দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা বাস্তবায়নের মাধ্যমে দেশের খাদ্যনিরাপত্তা ব্যবস্থাকে আরও শক্তিশালী করার বিষয়টি অনুষ্ঠানে গুরুত্ব পায়।

কালের আলো/এএইচ/এমএসআইপি