খুঁজুন
                               
, ,
           

রাজনীতির ইতিহাসে গুরুত্বপূর্ণ বাঁকবদলের নেপথ্যে তারেক রহমান

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: রবিবার, ১৫ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ৯:১৬ অপরাহ্ণ
রাজনীতির ইতিহাসে গুরুত্বপূর্ণ বাঁকবদলের নেপথ্যে তারেক রহমান

কালের আলো রিপোর্ট:

দলীয় চেয়ারম্যান তারেক রহমানের সরাসরি তদারকি ও কৌশলী নেতৃত্বে জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ‘প্রত্যাশিত’ ভূমিধস বিজয় পেয়ে পঞ্চমবারের মতো সরকার গঠন করতে যাচ্ছে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)। সরকার পরিচালনায় অভিজ্ঞ এই রাজনৈতিক দলটির নিরঙ্কুশ বিজয় দেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে এক গুরুত্বপূর্ণ বাঁকবদল হিসেবে দেখছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা। এই নির্বাচনে ২৯৯টি আসনের মধ্যে দুই-তৃতীয়াংশ আসনে বিপুল ভোটে নির্বাচিত হয়েছে বিএনপির প্রার্থীরা। এককভাবে ২০৯টি আসনে জয়লাভ করার পেছনে দলীয় কাণ্ডারি তারেক রহমানের দূরদর্শী পদক্ষেপ, তার সহনশীল আচরণ এবং নমনীয় ও সময়োপযোগী বক্তব্য ভোটারদের মন কাড়তে সক্ষম হওয়ার বিষয়টিকে মোটা দাগে প্রাসঙ্গিক করেছে। দীর্ঘ দেড় যুগ পর দেশে ফিরে তারেক রহমানের ভিন্নধর্মী গণসংযোগ সাড়া ফেলে সাধারণ মানুষের মধ্যে।

বিশ্লেষকরা মনে করেন, নতুন সরকারের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে তারেক রহমান গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার, দুর্নীতিমুক্ত ও সুশাসন প্রতিষ্ঠা এবং সাধারণ মানুষের আশা-আকাঙ্ক্ষার বাস্তবায়ন ঘটাতে সক্ষম হবেন। রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, এটি শুধু বিএনপির একক নির্বাচনী ফল নয়; বরং দীর্ঘ আন্দোলন-সংগ্রাম, দলের চেয়ারম্যান তারেক রহমানের ক্যারিশম্যাটিক নেতৃত্ব, সাংগঠনিক পুনর্গঠন ও রাজনৈতিক কৌশলের বড় জয়।

তাদের ভাষ্য হচ্ছে- গত ১৭ বছরে দলের অনেক যোগ্য ও ত্যাগী নেতার সীমাহীন আত্মত্যাগ এবং কারাবরণ সাধারণ মানুষের মধ্যে দলটির প্রতি এক গভীর সহমর্মিতা তৈরি করেছে। সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপির চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে সৃষ্ট দেশব্যাপী আবেগের এক বিশাল ঢেউ ব্যালট বিপ্লবে প্রভাবকের ভূমিকা পালন করেছে।

এছাড়াও সাধারণ ভোটারদের সামনে মূলধারার দল হিসেবে ভোটে বিএনপিই ছিল একমাত্র বিকল্প। সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের ভোট ব্যাংকের গতিপথ পরিবর্তনও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছে। কেউ কেউ বলছেন, বিগত কয়েক বছরে সংখ্যালঘুদের ওপর হওয়া বিভিন্ন হামলায় আওয়ামী লীগ সরকারের সময়োচিত পদক্ষেপ নিতে পারেনি। এ নিয়ে সম্প্রদায়টির মাঝে ব্যাপক ক্ষোভ ছিল। চব্বিশের জুলাই গণঅভ্যুত্থান-পরবর্তী সময়ে এবং ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনের আগে বিএনপির শীর্ষ নেতৃত্ব বার বার সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের মানুষের সঙ্গে মতবিনিময় করে তাদের নিরাপত্তার আশ্বাস ও নিশ্চয়তা দেয়। এতে করে এই সম্প্রদায়টি বিএনপির প্রতি আশ্বস্ত হয়ে ভোট দিয়েছে।

তারেক রহমানের দেশে প্রত্যাবর্তনকে
সময়োচিত উল্লেখ করে রাজনৈতিক পর্যবেক্ষক মহল মনে করেন, তিনি তৃণমূলের নেতাকর্মীদের সঙ্গে সরাসরি সংযোগ স্থাপন করার ফলে দলটির সাংগঠনিক শক্তি বহুগুণ বৃদ্ধি পেয়েছে। নির্বাচনে প্রার্থী বাছাইয়ের ক্ষেত্রে তিনি যেভাবে বিদ্রোহী প্রার্থীদের সামলেছেন এবং যোগ্যদের মূল্যায়ন করেছেন, তা দলের ভেতরকার দীর্ঘদিনের কোন্দল নিরসনে জাদুর মতো কাজ করেছে। তারেক রহমানের এই পরিপক্ক ও নমনীয় নেতৃত্বই মূলত বিএনপিকে একটি আধুনিক ও জনমুখী দল হিসেবে মানুষের সামনে তুলে ধরতে সক্ষম হয়েছে। নিজের প্রতিটি বক্তব্যে তারেক রহমানের পরিমিত শব্দচয়ন ও প্রতিপক্ষের প্রতি সহনশীল আচরণ সাধারণ ভোটারদের মনে বিএনপির পুরনো ভাবমূর্তি বদলে দিয়েছে। এসবের প্রতিফলন ঘটেছে গত ১২ ফেব্রুয়ারির ভোটে। ঢাকা, চট্টগ্রাম, বরিশাল, ময়মনসিংহ ও সিলেট বিভাগে একচেটিয়া জয় পেয়েছে।

বিএনপির এবারের বিজয়ে দলের চেয়ারম্যান তারেক রহমানের ভূমিকাকে বড় করে দেখছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা। তারা বলছেন, ‘তারেক রহমানের বৈচিত্র্যময় নির্বাচনী প্রচার, তরুণ জনগোষ্ঠী এবং তৃণমূলকে বিবেচনায় নেওয়াসহ সময়োপযোগী নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি, যেমন—ফ্যামিলি কার্ড বা ফার্মার্স কার্ড, অথবা কৃষিঋণ মওকুফ করা ইত্যাদি মানুষকে বিএনপির ব্যাপারে আগ্রহী করে তুলেছে। তারেক রহমানের পরিমিত শব্দচয়ন ও প্রতিপক্ষের প্রতি সহনশীল আচরণ ভোটারদের বিএনপির প্রতি সহানুভূতিশীল করেছে। নিরঙ্কুশ জয়ে উল্লসিত দলের সর্বস্তরের নেতাকর্মীরা। সবমিলিয়ে বিএনপিতে এখন স্বস্তির সুবাতাস। এখন অপেক্ষা শুধু সরকার গঠন ও শপথ গ্রহণের। অপেক্ষা নতুন মন্ত্রিসভার।

কালের আলো/এম/এএইচ

বেজার বিদ্যুৎ নেটওয়ার্ক স্থাপনে ২১১ কোটি টাকার ব্যয় অনুমোদন

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৩০ জুলাই, ২০২৬, ১২:৫৪ অপরাহ্ণ
বেজার বিদ্যুৎ নেটওয়ার্ক স্থাপনে ২১১ কোটি টাকার ব্যয় অনুমোদন

জাতীয় বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চল উন্নয়ন (প্রথম সংশোধিত) প্রকল্পের আওতায় বিদ্যুৎ সরবরাহ নিশ্চিত করতে বিদ্যুৎ নেটওয়ার্ক স্থাপন কাজের ক্রয় প্রস্তাব অনুমোদন দিয়েছে সরকারি ক্রয় সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটি। এ কাজে ব্যয় হবে ২১১ কোটি ৭৮ লাখ ৬৭ হাজার ৩২৫ টাকা।

বুধবার (২৯ জুলাই) সচিবালয়ে অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সরকারি ক্রয় সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটির বৈঠকে এ সংক্রান্ত প্রস্তাব অনুমোদন দেওয়া হয়েছে।

প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের প্রস্তাবনায় বাংলাদেশ অর্থনৈতিক অঞ্চল কর্তৃপক্ষ (বেজা) বাস্তবায়নাধীন জাতীয় বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চল উন্নয়ন (প্রথম সংশোধিত) প্রকল্পের জোন-২এ এবং জোন-২বি এলাকায় নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহ নিশ্চিত করার লক্ষ্যে এ বিদ্যুৎ নেটওয়ার্ক স্থাপনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। প্রকল্পটির অর্থায়ন করা হচ্ছে সরকারি অর্থ (জিওবি) এবং বিশ্বব্যাংকের সহায়তায়।

জানা গেছে, আন্তর্জাতিক উন্মুক্ত দরপত্র পদ্ধতিতে বিদ্যুৎ নেটওয়ার্ক স্থাপন কাজের জন্য দরপত্র আহ্বান করা হলে মোট পাঁচটি প্রতিষ্ঠান দরপত্র জমা দেয়। যাচাই-বাছাই শেষে তিনটি দরপত্রকে কারিগরি ও আর্থিকভাবে গ্রহণযোগ্য হিসেবে বিবেচনা করা হয়।

দরপত্র মূল্যায়ন কমিটির (টিইসি) সুপারিশ অনুযায়ী, রেসপনসিভ সর্বনিম্ন দরদাতা প্রতিষ্ঠান রেভেরি পাওয়ার অ্যান্ড অটোমেশন ইঞ্জিনিয়ারিং লিমিটেড, ঢাকা-কে ভ্যাট ও করসহ মোট ২১১ কোটি ৭৮ লাখ ৬৭ হাজার ৩২৫ টাকায় কাজটি দেওয়ার প্রস্তাব করা হয়।

চুক্তির আওতায় অর্থনৈতিক অঞ্চলে ৩৩ কেভি সুইচিং স্টেশন, দুটি ২০/২৮ এমভিএ ক্ষমতাসম্পন্ন পাওয়ার ট্রান্সফরমার এবং ৯ দশমিক ২৫ কিলোমিটার দীর্ঘ ৩৩ কেভি ভূগর্ভস্থ বৈদ্যুতিক কেবল লাইন স্থাপন করা হবে।

জাতীয় বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চল উন্নয়ন (প্রথম সংশোধিত) প্রকল্পটি পরিকল্পনা কমিশন থেকে চলতি বছরের ২৯ জানুয়ারি অনুমোদন পায়। প্রকল্পের মেয়াদ ২০২১ সালের ১ জানুয়ারি থেকে ২০২৮ সালের ৩০ জুন পর্যন্ত নির্ধারণ করা হয়েছে।

কালের আলো/এম/এএইচ

শেখ হাসিনা দেশে ফিরলে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে: আইনমন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৩০ জুলাই, ২০২৬, ১২:১৩ অপরাহ্ণ
শেখ হাসিনা দেশে ফিরলে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে: আইনমন্ত্রী

Oplus_131072

জুলাই অভ্যুত্থানে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় ফাঁসির দণ্ডপ্রাপ্ত আসামি সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দেশে ফিরলে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন আইন বিচার ও সংসদবিষয়ক মন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান।

বৃহস্পতিবার (৩০ জুলাই) সচিবালয়ে আইনগত সহায়তা নিয়ে ব্র্যাক ও ব্লাস্টের সঙ্গে সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে এ কথা জানান তিনি।

শেখ হাসিনা আবারও আগামী ডিসেম্বরে আসার কথা জানিয়েছেন একটি ইন্টারভিউতে, এ বিষয়ে সরকারের পদক্ষেপ কী হবে- জানতে চাইলে আইনমন্ত্রী বলেন, প্রথম কথা হলো স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় তার প্রত্যর্পণের চেষ্টা করছে কি করছে না, সেটা আপনি কীভাবে জানেন? অবশ্যই চেষ্টা করছে, আমি বলছি। দ্বিতীয়ত হলো- একজন ফাঁসির আসামি হলেও সে যদি বাংলাদেশের নাগরিক হয়, বাংলাদেশের আইনের প্রতি শ্রদ্ধা দেখিয়ে বাংলাদেশে এসে সারেন্ডার করতে চায়, সেখানে হয়তো তার সারেন্ডারের আগেই অ্যারেস্ট হবে। কিন্তু, তার সেই তো অধিকার তো আছে।

তিনি বলেন, শেখ হাসিনা এলে আসবেন, আইন তার নিজস্ব গতিতে চলবে। সেখানে আইনের ব্যত্যয় করে আমরা কিছু করবো না। আইন যেভাবে আমাদের অথরিটি দিয়েছে, আমরা সে অথরিটি এক্সারসাইজ করব।

শেখ হাসিনার কাছে পাসপোর্ট নেই, এ অবস্থায় তিনি এলে কীভাবে আসবেন? এমন প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী বলেন, তিনি কীভাবে আসবেন, এটা তার সমস্যা। এটা আমার সমস্যা না। আমার চৌহদ্দির মধ্যে যখন ঢুকবেন, আইন আমাকে যে ক্ষমতা দিয়েছে, আমি তার প্রয়োগটা করবো। দ্যাটস সিম্পল এজ ইট ইজ।

এরপর মো. আসাদুজ্জামানকে প্রশ্ন করা হয়, আপনি বলেছিলেন যে, সেপ্টেম্বরে জাতীয় সংসদের আইডিয়া পরবর্তী অধিবেশনে রাষ্ট্রপতি নির্বাচন। তো এখন কি সে পর্যায়ে আছে? নাকি স্পেশাল অধিবেশন ডাকতে হবে?

এ বিষয়ে তিনি বলেন, এটা এখন পর্যন্ত আমাদের কোনো আলোচনায় আসেনি। আমি বলেছি সাংবিধানিক ব্যাখ্যা। আমার সংবিধানে আছে, ১২৩-এর ২ অনুচ্ছেদে, রাষ্ট্রপতি যেদিন পদত্যাগ করবেন, তার থেকে ৯০ দিনের মধ্যে পরবর্তী নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচন করতে হবে।

মন্ত্রী আরও বলেন, প্রশ্ন এসেছিল যে, আমরা বিশেষ অধিবেশন ডাকবো কি না। তো ৯০ দিন যেহেতু সময় আছে, আর আমার নেক্সট অধিবেশন ৬০ দিনের মধ্যে ডাকতে হবে, গত অধিবেশন শেষ হওয়া থেকে আগামী অধিবেশন পর্যন্ত ৬০ দিনের মধ্যে আমার ডাকতে হবে। সুতরাং এই দুইটা টাইম যেহেতু ম্যাচ করছে, আমি সে কারণে বলছি বিশেষ অধিবেশনের আপাতত প্রয়োজনীয়তা দেখছি না। যদি সরকার মনে করে, নিশ্চয়ই ডাকতে পারেন।

কালের আলো/এসএকে

নতুন সিনেমায় আইনজীবীর চরিত্রে বাঁধন

বিনোদন ডেস্ক
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৩০ জুলাই, ২০২৬, ১২:১১ অপরাহ্ণ
নতুন সিনেমায় আইনজীবীর চরিত্রে বাঁধন

ভেনিস আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসবের অরিজোন্তি বিভাগে জায়গা পাওয়া ‘দ্য ডিফিকাল্ট ব্রাইড’-এর সুখবরের মধ্যেই নতুন সিনেমার ঘোষণা দিলেন অভিনেত্রী আজমেরী হক বাঁধন। তিনি অভিনয় করতে যাচ্ছেন পরিচালক মোহাম্মদ ইকবালের নতুন সিনেমা ‘গুলশানের চামেলি-তে। ছবিতে একজন আইনজীবীর চরিত্রে দেখা যাবে তাকে।

বুধবার বাঁধন জানান, নির্মাতার সঙ্গে তার প্রাথমিক আলোচনা সম্পন্ন হয়েছে এবং গল্প পছন্দ হওয়ায় তিনি ছবিটিতে কাজ করতে সম্মতি দিয়েছেন। তবে এখনো আনুষ্ঠানিক চুক্তি স্বাক্ষর হয়নি। আগামী আগস্টের প্রথম সপ্তাহে চুক্তি সম্পন্ন হওয়ার কথা রয়েছে।

নতুন সিনেমা প্রসঙ্গে বাঁধন বলেন, “আমাকে যেভাবে প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে, সেটি আমার খুব ভালো লেগেছে। পরিচালক বলেছেন, ‘ম্যাডাম, আপনিই আমাদের সিনেমার হিরো।’ একজন শিল্পীকে সম্মান ও যথাযথ মূল্যায়ন করার বিষয়টিই আমাকে কাজটি করতে আগ্রহী করেছে।”

পরিচালক মোহাম্মদ ইকবাল এর আগে ‘কিল হিম’, ‘ডেড বডি’ ও ‘রিভেঞ্জ’ নির্মাণ করেছেন। তার নতুন সিনেমা ‘গুলশানের চামেলি’ আবর্তিত হয়েছে রাজনীতি, ক্ষমতার অপব্যবহার এবং অভিজাত সমাজের আড়ালে লুকিয়ে থাকা অন্ধকার বাস্তবতাকে ঘিরে। গল্পের কেন্দ্রীয় চরিত্র একজন যৌনকর্মী, যিনি অন্যায়ভাবে ক্ষমতার শিকার হন। নির্মাতার ভাষ্য অনুযায়ী, এটি একটি পূর্ণাঙ্গ নারীকেন্দ্রিক সিনেমা এবং এতে প্রচলিত অর্থে কোনো নায়ক থাকছে না।

ছবির কেন্দ্রীয় চরিত্রে অভিনয় করবেন কলকাতার অভিনেত্রী মধুমিতা সরকার। এছাড়া অভিনয় করবেন রোজিনা, আমিন খান, আশীষ খন্দকার এবং আজমেরী হক বাঁধন।

নতুন সিনেমা নিয়ে বাঁধন বলেন, “সব সময় ‘রেহানা মরিয়ম নূর’ বা ‘দ্য ডিফিকাল্ট ব্রাইড’-এর মতো গল্প পাওয়া সম্ভব নয়। অভিনয় আমার পেশা। তাই আমি বিভিন্ন ধরনের গল্প ও চরিত্রে কাজ করতে চাই। একজন অভিনেত্রী হিসেবে নিজের বহুমাত্রিক সক্ষমতাও তুলে ধরতে চাই।”

সবকিছু পরিকল্পনা অনুযায়ী এগোলে আগামী ডিসেম্বর থেকে ‘গুলশানের চামেলি’ সিনেমার শুটিং শুরু হবে।

কালের আলো/এসএ