খুঁজুন
                               
, ,
           

মধ্যবিত্তের নাগালে অ্যাপলের নতুন ল্যাাপটপ ‘ম্যাকবুক’

তথ্যপ্রযুক্তি ডেস্ক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১০ মার্চ, ২০২৬, ২:৪৮ অপরাহ্ণ
মধ্যবিত্তের নাগালে অ্যাপলের নতুন ল্যাাপটপ ‘ম্যাকবুক’

সাশ্রয়ী মূল্যের গ্যাজেট—এই শব্দবন্ধটি সাধারণত অ্যাপল পণ্যের ক্ষেত্রে শোনা যায় না। তবে দীর্ঘদিনের জল্পনা কাটিয়ে ল্যাপটপের বাজারে বড় চমক দেখাল টেক জায়ান্ট অ্যাপল। তথাকথিত ‘বাজেট ম্যাকবুক’ হিসেবে বাজারে অবমুক্ত করা হয়েছে নতুন ‘ম্যাকবুক নিও’ (MacBook Neo)। নিউ ইয়র্কের একটি ইভেন্টে লঞ্চ হওয়া এই ডিভাইসটি মূলত যারা সাশ্রয়ী মূল্যে ম্যাক ব্যবহারের অভিজ্ঞতা নিতে চান, তাদের লক্ষ্য করেই তৈরি করা হয়েছে।

নজরকাড়া ডিজাইন ও ডিসপ্লে
অ্যাপল নতুন এই ম্যাকবুক তৈরিতে ব্যবহার করেছে পুনর্ব্যবহৃত অ্যালুমিনিয়াম। উজ্জ্বল ও বৈচিত্র্যময় রঙে পাওয়া যাবে এই ল্যাপটপটি। মাত্র ১.২৩ কেজি ওজনের এই ডিভাইসে রয়েছে ১৩ ইঞ্চির এলইডি লিকুইড রেটিনা ডিসপ্লে। তবে দাম কমাতে এর ডিসপ্লের মান কিছুটা সীমিত রাখা হয়েছে (৫০০ নিটস ব্রাইটনেস)। ম্যাকবুক এয়ার বা প্রো সিরিজের মতো এতে কোনো ‘নচ’ নেই, তবে স্ক্রিনের চারপাশে বেজেলের আকার কিছুটা মোটা।

হার্ডওয়্যার ও পারফরম্যান্স

ম্যাকবুক নিও-র সবচেয়ে বড় চমক হলো এর চিপসেট। এতে আইফোন ১৬ প্রো সিরিজের শক্তিশালী A18 Pro চিপ ব্যবহার করা হয়েছে। এটি ৮ জিবি র‍্যাম এবং ২৫৬ জিবি ও ৫১২ জিবি স্টোরেজ অপশনে পাওয়া যাবে। তবে মনে রাখতে হবে, এর র‍্যাম আপগ্রেড করার কোনো সুযোগ নেই। ল্যাপটপটি অ্যাপলের সর্বশেষ macOS 26 সংস্করণে চলবে এবং এতে অ্যাপল এআই (Apple AI) ফিচারগুলোর সাপোর্ট মিলবে।

কী আছে আর কী নেই?

বাজেট ল্যাপটপ হওয়ায় কিছু প্রিমিয়াম ফিচার এখানে বাদ দেওয়া হয়েছে-

টাচ আইডি: টাচ আইডি ফিচারটি কেবল ৫১২ জিবি ভ্যারিয়েন্টের জন্য রাখা হয়েছে।

কিবোর্ড: এতে কোনো ব্যাকলিট কিবোর্ড (Backlit Keyboard) নেই।

চার্জিং: ম্যাগসেফ (MagSafe) চার্জিং নেই, তবে ২০ ওয়াটের ফাস্ট চার্জিং সাপোর্ট করবে।

পোর্ট: এতে একটি ইউএসবি সি ৩.০ এবং একটি ইউএসবি সি ২.০ পোর্ট ছাড়াও রয়েছে হেডফোন জ্যাক।

অন্যান্য: ট্র্যাাকপ্যাডে ফোর্স টাচ সাপোর্ট নেই এবং ভিডিও কলের জন্য রয়েছে ১০৮০পি (1080p) ওয়েবক্যাম।

দাম ও প্রাপ্যতা

আন্তর্জাতিক বাজারে ম্যাকবুক নিও-র দাম শুরু হয়েছে ৫৯৯ ডলার থেকে। আগামী ১১ মার্চ থেকে বাজারজাতকরণ শুরু হবে।

কালের আলো/এসএম/এএএন

পদ্মার ভয়াবহ ভাঙনে বিলীন হচ্ছে ঘরবাড়ি-রাস্তা-ফসলি জমি

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: বুধবার, ৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১০:১৯ পূর্বাহ্ণ
পদ্মার ভয়াবহ ভাঙনে বিলীন হচ্ছে ঘরবাড়ি-রাস্তা-ফসলি জমি

কুষ্টিয়ার দৌলতপুর উপজেলার সীমান্তঘেঁষা পদ্মা নদীর তীরবর্তী কয়েকটি এলাকায় ভয়াবহ নদীভাঙন দেখা দিয়েছে। প্রবল স্রোতে বসতবাড়ি, ফসলি জমি, চলাচলের রাস্তা ও বৈদ্যুতিক খুঁটি নদীগর্ভে বিলীন হয়ে যাওয়ায় আতঙ্কে দিন কাটাচ্ছেন নদীপাড়ের বাসিন্দারা।

উপজেলার চিলমারী ইউনিয়নের উদয়নগর, আতারপাড়া ও ডিগ্রীরচর এলাকায় প্রায় এক কিলোমিটার এলাকাজুড়ে গত কয়েক দিন ধরে ভাঙন তীব্র আকার ধারণ করেছে। স্থানীয়দের দাবি, গত দুই-তিন দিনে নদীর স্রোত অস্বাভাবিকভাবে বেড়ে যাওয়ায় ভাঙনের মাত্রাও দ্রুত বেড়েছে।

বাসিন্দারা জানান, প্রায় ১০ থেকে ১৫ দিন আগে পদ্মায় নতুন করে পানি প্রবেশের পর ভাঙন শুরু হয়। তবে সাম্প্রতিক সময়ে স্রোতের চাপ বেড়ে যাওয়ায় পরিস্থিতি ভয়াবহ হয়ে উঠেছে। এরই মধ্যে বেশ কিছু বসতভিটা, কৃষিজমি, রাস্তা ও বৈদ্যুতিক খুঁটি নদীতে চলে গেছে।

স্থানীয়দের অভিযোগ, রাজশাহীর বাঘা উপজেলার আলাইপুর এলাকায় বেড়িবাঁধ নির্মাণের ফলে পদ্মার স্রোতের চাপ তাদের এলাকায় বেশি পড়ছে। এতে ভাঙনের তীব্রতা আরও বেড়েছে বলে দাবি তাদের।

স্থানীয় বাসিন্দা রাসেল সরকার বলেন, প্রায় এক সপ্তাহ ধরে ভাঙন চলছে। তবে সাম্প্রতিক সময়ে এর তীব্রতা অনেক বেড়েছে। নদীর স্রোত একের পর এক বসতভিটা, রাস্তা ও ফসলি জমি ভেঙে নিয়ে যাচ্ছে। ভাঙন অব্যাহত থাকলে কয়েক দিনের মধ্যেই আতারপাড়া, উদয়নগর ও ডিগ্রীরচর গ্রাম অস্তিত্ব হারানোর আশঙ্কা রয়েছে।

চিলমারী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আব্দুল মান্নান বলেন, পদ্মায় নতুন করে পানি প্রবেশ করায় প্রবল স্রোতের সৃষ্টি হয়েছে। এতে ওই তিন এলাকার বাড়িঘর, ফসলি জমি ও বৈদ্যুতিক খুঁটি নদীগর্ভে বিলীন হয়েছে। বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়েছে।

দৌলতপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) অনিন্দ্য গুহ জানান, ভাঙনকবলিত এলাকায় পানি উন্নয়ন বোর্ড, ফায়ার সার্ভিসসহ সংশ্লিষ্টদের নিয়ে বৈঠক করা হয়েছে। দুর্গম সীমান্তবর্তী চরাঞ্চল হওয়ায় সেখানে দ্রুত কাজ করা কিছুটা কঠিন।

তিনি বলেন, ভাঙনকবলিত মানুষের জন্য শুকনা খাবার, বিশুদ্ধ পানি ও চিকিৎসাসেবার ব্যবস্থা করা হয়েছে। পানি উন্নয়ন বোর্ডের সঙ্গে আলোচনা করে জরুরি ভিত্তিতে জিও ব্যাগ ফেলে ভাঙন নিয়ন্ত্রণের উদ্যোগ নেওয়া হবে।

এদিকে স্থানীয়দের দাবি, দ্রুত কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া না হলে পদ্মার ভাঙনে আরও বিস্তীর্ণ এলাকা নদীগর্ভে চলে যেতে পারে। এতে বহু পরিবার বসতভিটা ও জীবিকার প্রধান অবলম্বন হারানোর আশঙ্কায় রয়েছে।

কালের আলো/এএইচ/এমএসআইপি 

খলিলুর রহমানের সভাপতিত্বে জাতিসংঘের ৮১তম অধিবেশন শুরু

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: বুধবার, ৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১:৫২ পূর্বাহ্ণ
খলিলুর রহমানের সভাপতিত্বে জাতিসংঘের ৮১তম অধিবেশন শুরু

পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমানের সভাপতিত্বে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশন শুরু হয়েছে। মঙ্গলবার (৮ সেপ্টেম্বর) বাংলাদেশ সময় দিবাগত রাত ১টায় নিউইয়র্কে জাতিসংঘ সদর দপ্তরে অধিবেশনের প্রথম প্লেনারি সভা অনুষ্ঠিত হয়।

এর আগে বাংলাদেশ সময় রাত ৯টায় জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৮০তম অধিবেশনের সমাপনী পর্ব অনুষ্ঠিত হয়। পরে ৮১তম অধিবেশনের নবনির্বাচিত সভাপতি হিসেবে ড. খলিলুর রহমান আনুষ্ঠানিকভাবে শপথ নেন। আগামী এক বছর তিনি জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের সভাপতির দায়িত্ব পালন করবেন।

শপথ গ্রহণের পর সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে খলিলুর রহমান জাতিসংঘ সংস্কারের প্রয়োজনীয়তার ওপর গুরুত্বারোপ করেন। তিনি বলেন, বর্তমান সময়ে সংস্থাটির প্রতি আস্থার ঘাটতি রয়েছে। ভবিষ্যতের জন্য জাতিসংঘকে আরও কার্যকর ও উপযোগী করে তুলতে গভীর সংস্কার প্রয়োজন।

মঙ্গলবার প্রথম প্লেনারি সভা শুরু হলেও আগামী ২২ সেপ্টেম্বর রাষ্ট্র ও সরকারপ্রধানদের ভাষণের মধ্য দিয়ে উচ্চপর্যায়ের সাধারণ বিতর্ক শুরু হবে। এতে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান অংশ নেওয়ার কথা রয়েছে।

কালের আলো/ডিএইচ/এমএসআইপি 

জ্বালানি বিলেই নাজেহাল মার্কিনিরা, ইরান যুদ্ধে বাড়তি খরচ ১০০ বিলিয়ন ডলার

কালের আলো রিপোর্ট:
প্রকাশিত: বুধবার, ৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১:২৭ পূর্বাহ্ণ
জ্বালানি বিলেই নাজেহাল মার্কিনিরা, ইরান যুদ্ধে বাড়তি খরচ ১০০ বিলিয়ন ডলার

ইরান যুদ্ধের ছয় মাসেই জ্বালানি কিনতে গিয়ে মার্কিন ভোক্তাদের পকেট থেকে বেরিয়ে গেছে অতিরিক্ত প্রায় ১০০ বিলিয়ন ডলার। যুদ্ধ দীর্ঘায়িত হওয়ায় পেট্রোল ও ডিজেলের দাম বেড়ে সাধারণ পরিবারের বাজেটে তৈরি হয়েছে বড় চাপ। দেশটির প্রায় ১৩ কোটি ১০ লাখ পরিবারের হিসাবে গড়ে প্রতিটি পরিবারের বাড়তি জ্বালানি ব্যয় দাঁড়িয়েছে প্রায় ৭৬৩ ডলার।

ব্রাউন ইউনিভার্সিটির ওয়াটসন ইনস্টিটিউট ফর ইন্টারন্যাশনাল অ্যান্ড পাবলিক অ্যাফেয়ার্সের তথ্যের বরাতে এই হিসাব সামনে এসেছে। এতে স্পষ্ট, ইরান যুদ্ধের অর্থনৈতিক অভিঘাত শুধু মধ্যপ্রাচ্য বা আন্তর্জাতিক তেলবাজারে সীমাবদ্ধ নেই; সরাসরি মার্কিন পরিবারের দৈনন্দিন খরচেও এর প্রভাব পড়ছে।

সবচেয়ে বড় ধাক্কা পেট্রোলের দামে
মার্কিনিদের জন্য সবচেয়ে বড় ধাক্কা এসেছে পেট্রোলের দামে। ছয় মাসের ব্যবধানে প্রতি গ্যালন পেট্রোলের দাম ২ দশমিক ৯৮ ডলার থেকে বেড়ে ৪ দশমিক ১৫ ডলারে উঠেছে। অর্থাৎ দাম বেড়েছে প্রায় ৩৯ শতাংশ। ডিজেলের ক্ষেত্রে পরিস্থিতি আরও কঠিন। প্রতি গ্যালনের দাম ৩ দশমিক ৬৭ ডলার থেকে বেড়ে হয়েছে ৫ দশমিক ৯০ ডলার—বৃদ্ধি ৬০ শতাংশেরও বেশি। যুক্তরাষ্ট্রে ব্যক্তিগত গাড়ি ব্যবহারের প্রবণতা বেশি হওয়ায় পেট্রোলের এই মূল্যবৃদ্ধি সরাসরি পরিবারের ব্যয়ে প্রভাব ফেলছে। অন্যদিকে ডিজেলের দাম বৃদ্ধির প্রভাব পড়ছে পরিবহন ও পণ্য সরবরাহের খরচে। ফলে একদিকে গাড়ি চালানোর খরচ বাড়ছে, অন্যদিকে দোকানে পৌঁছানোর আগেই পণ্যের দাম বাড়ছে।

যুদ্ধ চলছে ছয় মাস
ইরানকে ঘিরে সামরিক সংঘাত শুরুর সময় মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প যুদ্ধটি চার থেকে পাঁচ সপ্তাহের মধ্যে শেষ হওয়ার প্রত্যাশা জানিয়েছিলেন। বাস্তবে সেই সময়সীমা অনেক আগেই পেরিয়ে গেছে। সংঘাত এখন ষষ্ঠ মাসে প্রবেশ করেছে এবং দ্রুত কূটনৈতিক সমাধানের সম্ভাবনাও স্পষ্ট নয়। যুদ্ধ যত দীর্ঘ হচ্ছে, ততই জ্বালানি সরবরাহ নিয়ে অনিশ্চয়তা বাড়ছে। বিশেষ করে উপসাগরীয় অঞ্চলের নিরাপত্তা ও হরমুজ প্রণালি ঘিরে উত্তেজনা আন্তর্জাতিক তেলবাজারে বাড়তি ঝুঁকি তৈরি করছে।

ট্রাম্পের সঙ্গে মার্কিনিদের দ্বিমত
জ্বালানির মূল্যবৃদ্ধি এখন যুক্তরাষ্ট্রের অভ্যন্তরীণ রাজনৈতিক বিতর্কেরও অংশ। যুদ্ধের প্রতি জনসমর্থন না থাকায় অনেক মার্কিনি তেলের দাম বেড়ে যাওয়ার জন্য ট্রাম্প প্রশাসনকে দায়ী করছেন।তবে ট্রাম্প এই অভিযোগ প্রত্যাখ্যান করেছেন। রয়টার্সকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি তেলের দাম বাড়ার বিষয়টিকে খুব বেশি গুরুত্ব না দিয়ে বরং তেল কোম্পানিগুলোর ওপর দায় চাপিয়েছেন। ফলে যুদ্ধের রাজনৈতিক সিদ্ধান্তের খরচ শেষ পর্যন্ত কে বহন করছে—সরকার, তেল কোম্পানি নাকি সাধারণ মানুষ—এই প্রশ্ন আরও জোরালো হচ্ছে।

খাদ্যনিরাপত্তাতেও চাপ
জ্বালানির মূল্যবৃদ্ধির সবচেয়ে বড় সমস্যা হলো এর প্রভাব শুধু গাড়ির জ্বালানিতে আটকে থাকে না। কৃষিতে ট্রাক্টর চালানো, খাদ্য পরিবহন, পণ্য সংরক্ষণ, শীতলীকরণ থেকে শুরু করে প্লাস্টিকের প্যাকেজিং—প্রায় প্রতিটি ধাপেই তেল ও গ্যাসের ব্যবহার রয়েছে।ফলে জ্বালানির দাম বাড়লে উৎপাদন ও পরিবহন ব্যয়ও বাড়ে। এর প্রভাব শেষ পর্যন্ত গিয়ে পড়ে ভোক্তার বাজারে। মার্কিন পরিবার একদিকে গাড়ির ট্যাংক ভরতে বেশি টাকা দিচ্ছে, অন্যদিকে একই জ্বালানি মূল্যবৃদ্ধির কারণে খাবার ও অন্যান্য পণ্য কিনতেও বাড়তি অর্থ খরচ করতে হচ্ছে। বিশ্বের নিম্ন আয়ের দেশগুলোর জন্য ঝুঁকি আরও বড়। তেল ও সার আমদানির ব্যয় বেড়ে গেলে কৃষি উৎপাদনের খরচ বাড়তে পারে। দীর্ঘস্থায়ী হলে খাদ্য সরবরাহ ও খাদ্যনিরাপত্তাতেও চাপ তৈরি হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।

সামনে আরও চাপের শঙ্কা
জ্বালানি বাজারের এই চাপের মধ্যেই ইরান উপসাগরীয় অঞ্চলে নতুন ‘নিয়ন্ত্রিত জোন’ তৈরির ঘোষণা দিয়েছে। তেহরান জানিয়েছে, এ এলাকার জন্য নতুন মানচিত্র দেওয়া হবে এবং হরমুজ প্রণালি দিয়ে তেল পরিবহনে সেটি অনুসরণ করতে হবে। ইরানের সর্বোচ্চ জাতীয় নিরাপত্তা পরিষদের সচিব মোহসেন রেজায়ি বলেছেন, মার্কিন অবরোধ ও হামলা বন্ধ না হওয়া পর্যন্ত হরমুজ প্রণালি পুরোপুরি খুলে দেওয়ার নিশ্চয়তা দেবে না ইরান। নতুন নিয়ন্ত্রিত এলাকায় অনুমতি ছাড়া কোনো জাহাজ প্রবেশ করলে ব্যবস্থা নেওয়ার কথাও জানিয়েছে দেশটি। এমন পরিস্থিতিতে যুদ্ধ দীর্ঘায়িত হলে মার্কিনিদের জন্য জ্বালানি বিলের চাপ আরও বাড়তে পারে। আর হরমুজ প্রণালি ঘিরে অনিশ্চয়তা বাড়লে তার প্রভাব যুক্তরাষ্ট্রের গণ্ডি পেরিয়ে বিশ্ববাজারেও পড়বে। ফলে ইরান যুদ্ধ এখন শুধু ভূরাজনৈতিক সংঘাত নয়—সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রার ব্যয় বাড়িয়ে দেওয়া এক বড় অর্থনৈতিক সংকটেও রূপ নিচ্ছে।

কালের আলো/এম/এএইচ