খুঁজুন
                               
, ,
           

৩০ রোজা পূর্ণ করে দেশে ঈদুল ফিতর উদযাপনের সম্ভাবনা

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: শনিবার, ১৪ মার্চ, ২০২৬, ১২:১৪ অপরাহ্ণ
৩০ রোজা পূর্ণ করে দেশে ঈদুল ফিতর উদযাপনের সম্ভাবনা

এবারের (১৪৪৭ হিজরি সন) পবিত্র ঈদুল ফিতর বাংলাদেশে ৩০ রোজা পূর্ণ করে আগামী ২১ মার্চ (শনিবার) উদযাপিত হতে পারে। জ্যোতির্বৈজ্ঞানিক হিসাব অনুযায়ী, শাওয়াল মাসের নবচন্দ্রের জন্ম হবে ১৯ মার্চ (বৃহস্পতিবার) গ্রিনিচ মান সময় রাত ১টা ২৩ মিনিটে, যা বাংলাদেশ সময় সকাল ৭টা ২৩ মিনিট।

বিশিষ্ট ইসলামী চিন্তাবিদ ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আরবি বিভাগের অধ্যাপক ড. যুবাইর মুহাম্মদ এহসানুল হক এ বিষয়ে বিশ্লেষণ প্রদান করে বলেন, ওইদিন ঢাকায় সূর্যাস্তের সময় আকাশে নতুন চাঁদ অবস্থান করলেও এর বয়স হবে মাত্র ১০ ঘণ্টা ৪৬ মিনিট। ঢাকার আকাশে চাঁদ অস্ত যাবে সন্ধ্যা ৬টা ৩১ মিনিটে, অর্থাৎ সূর্যাস্তের প্রায় ২২ মিনিট পর। তবে এত কম বয়সের নবচন্দ্র খালি চোখে দেখা যাওয়ার সম্ভাবনা কম বলে ধারণা করা হচ্ছে।

এ কারণে বলা যায়, সেদিন বাংলাদেশে চাঁদ দেখা না যাওয়ার ঘোষণা আসতে পারে এবং ৩০ রোজা পূর্ণ করে ২১ মার্চ দেশে ঈদুল ফিতর উদযাপিত হবে। সে ক্ষেত্রে চলতি রমজান মাসে বাংলাদেশে পাঁচটি শুক্রবার পড়বে।

এদিকে সৌদি আরব ও উপসাগরীয় অঞ্চলে ১৯ মার্চ সূর্যাস্তের সময় মক্কার আকাশে নবচন্দ্রের বয়স হবে প্রায় ১৪ ঘণ্টা ৮ মিনিট। সেখানে চাঁদ সূর্যাস্তের প্রায় আধা ঘণ্টা পর অস্ত যাবে। ফলে সৌদি আরবে ২০ মার্চ শুক্রবার ঈদুল ফিতর উদযাপিত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

চাঁদপুরসহ দেশের কিছু এলাকায় সৌদি আরবের সঙ্গে মিল রেখে ২০ মার্চ ঈদের নামাজ অনুষ্ঠিত হবে। তারা সাধারণত সৌদি আরবের চাঁদ দেখার ঘোষণাকে অনুসরণ করে থাকেন।

অন্যদিকে তুরস্কে বাংলাদেশের সঙ্গে একই দিনে রোজা শুরু হলেও দেশটিতে ঈদ একদিন আগে উদযাপিত হতে পারে। সে ক্ষেত্রে তুরস্কে ২৯টি রোজা হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

আগামী ২০ মার্চ ঈদুল ফিতর উদযাপনের ঘোষণা দিয়েছে অস্ট্রেলিয়ান ন্যাশনাল ইমামস কাউন্সিল। কাউন্সিলের এক বিবৃতিতে জানানো হয়, অস্ট্রেলিয়ান ফতোয়া কাউন্সিল জ্যোতির্বৈজ্ঞানিক পর্যবেক্ষণ কেন্দ্র এবং চাঁদ দেখার দায়িত্বপ্রাপ্ত বিশেষায়িত বৈজ্ঞানিক সংস্থাগুলোর তথ্য পর্যালোচনা করার পর এই সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়েছে।

এসব সংস্থা অস্ট্রেলিয়া ও বিশ্বের বিভিন্ন স্থানে নতুন বাঁকা চাঁদ (হিলাল) পর্যবেক্ষণ নিয়ে কাজ করে। ঘোষণা অনুযায়ী, ২০২৬ সালের বৃহস্পতিবার (১৯ মার্চ) পবিত্র রমজান মাসের শেষ দিন হবে।

কাউন্সিল আরও জানায়, সূর্যাস্তের আগে সুনির্দিষ্ট জ্যোতির্বৈজ্ঞানিক গণনার ভিত্তিতে চাঁদের জন্ম হওয়া, সূর্যাস্তের পর তার দৃশ্যমান থাকার সময়কাল এবং অস্ট্রেলিয়া ও আশপাশের অঞ্চলে সেটি দেখা যাওয়ার সম্ভাবনার ওপর ভিত্তি করে ঈদের ব্যাপারে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

এই প্রক্রিয়া অনুসরণ করে রমজানের শুরু ও শেষ, শাওয়াল মাসের সূচনা এবং ঈদুল ফিতরের দিন নির্ধারণ করে অস্ট্রেলিয়ার গ্র্যান্ড মুফতি এবং অস্ট্রেলিয়ান ফতোয়া কাউন্সিল।

বিবৃতিতে উল্লেখ করা হয়, এই মানদণ্ড বিশ্বের বিভিন্ন স্বীকৃত বৈজ্ঞানিক ও ফিকহভিত্তিক পরিষদ এবং ইসলামি সংস্থাও অনুসরণ করে থাকে।

‘ঈদের চাঁদ’ নিয়ে সিদ্ধান্ত জানাবে চাঁদ দেখা কমিটি

বাংলাদেশে ঈদের চাঁদ নিয়ে চাঁদ দেখা কমিটি আনুষ্ঠানিক সিদ্ধান্ত জানাবে। তবে সাধারণত মধ্যপ্রাচ্যের একদিন পর বাংলাদেশে ঈদ উদযাপিত হয়। সবকিছু নির্ভর করছে শাওয়াল মাসের চাঁদ দেখার ওপর।

বিশ্বজুড়ে মুসলমানরা গভীর ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্যের সঙ্গে ঈদুল ফিতর উদযাপন করেন। এক মাস রোজা রাখার মাধ্যমে ধৈর্য, আত্মনিয়ন্ত্রণ ও উদারতার চর্চা শেষে এই উৎসব পালন করা হয়। চলতি বছর রমজানের প্রথম রোজা শুরু হয়েছিল গত ১৯ ফেব্রুয়ারি। ইসলামি মাস সাধারণত ২৯ বা ৩০ দিনের হয় এবং এর শুরু ও শেষ নির্ধারিত হয় চাঁদ দেখার ওপর। তাই রমজান প্রতি বছর গ্রেগরিয়ান ক্যালেন্ডারের একই তারিখে পড়ে না।

চাঁদের গতির ওপর ভিত্তি করে নির্ধারিত ইসলামি ক্যালেন্ডারের ১২ মাসের মধ্যে রমজান নবম মাস। এই চন্দ্রবর্ষ গ্রেগরিয়ান বছরের তুলনায় প্রায় ১০ দিন ছোট হওয়ায় রমজানের সময় প্রতিবছর কিছুটা এগিয়ে আসে।

কালের আলো/এসআর/এএএন

মৎস্য উৎপাদন বাড়াতে আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহার বাড়াতে হবে: প্রতিমন্ত্রী

টাঙ্গাইল প্রতিবেদক
প্রকাশিত: শুক্রবার, ১১ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৭:৪৮ অপরাহ্ণ
মৎস্য উৎপাদন বাড়াতে আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহার বাড়াতে হবে: প্রতিমন্ত্রী

দেশে মৎস্য উৎপাদন বৃদ্ধির পাশাপাশি মাছের গুণগত মান নিশ্চিত করতে সরকারি মৎস্য খামারগুলোর উন্নয়ন ও আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহার বাড়ানোর ওপর গুরুত্বারোপ করেছেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন টুকু।

শুক্রবার (১১ সেপ্টেম্বর) দুপুর ১২টার দিকে টাঙ্গাইল সদর উপজেলার আটপুকুর পাড় এলাকায় অবস্থিত সরকারি মৎস্যবীজ উৎপাদন খামার পরিদর্শনকালে তিনি একথা বলেন।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘দেশের মৎস্য খাতকে আরও সমৃদ্ধ করতে সরকারি মৎস্য খামারগুলোর উৎপাদন সক্ষমতা বাড়াতে হবে। উন্নত ব্যবস্থাপনা, আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহার এবং বিদ্যমান অবকাঠামোর যথাযথ রক্ষণাবেক্ষণের মাধ্যমে মৎস্যবীজ উৎপাদন বাড়ানো সম্ভব। এ জন্য সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের সমন্বিতভাবে কাজ করতে হবে।’

তিনি আরও বলেন, ‘মাছের উৎপাদন বৃদ্ধির পাশাপাশি পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা ও বিদ্যুৎ সাশ্রয়ের বিষয়টিও গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করতে হবে। সরকারি খামারগুলোতে সৌরবিদ্যুতের মতো পরিবেশবান্ধব প্রযুক্তির ব্যবহার বাড়ানো হলে উৎপাদন কার্যক্রম আরও টেকসই হবে।’

টাঙ্গাইলে সরকারি মৎস্যবীজ উৎপাদন খামার পরিদর্শন করেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন টুকু

পরিদর্শনকালে প্রতিমন্ত্রী খামারে ২০ কিলোওয়াট ক্ষমতাসম্পন্ন সৌরবিদ্যুৎ সিস্টেম উদ্বোধন ও খামারের ব্রুড মাছের পুকুরে মাছ পর্যবেক্ষণ এবং খামার প্রাঙ্গণে বৃক্ষরোপণ করেন।

এ সময় মৎস্য অধিদপ্তর ঢাকা বিভাগের পরিচালক মো. আহসান হাসিব খান, বিদ্যমান সরকারি মৎস্য খামারসমূহের মৎস্য উৎপাদন বৃদ্ধির লক্ষ্যে অবকাঠামো উন্নয়ন প্রকল্পের প্রকল্প পরিচালক মো. মশিউর রহমান, টাঙ্গাইলের জেলা মৎস্য কর্মকর্তা মোহাম্মদ শাহজাহান কবীর, টাঙ্গাইল সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) শাহীন মিয়া, সদর উপজেলা বিএনপির সভাপতি আজগর আলী, সিনিয়র যুগ্ম সম্পাদক আজিম উদ্দিন বিপ্লবসহ মৎস্য অধিদপ্তরের বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তাবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

কালের আলো/আরডি/এমডিএইচ

পদ্মা ব্যারেজ হলে ২৪ জেলার অর্থনৈতিক রূপান্তর ঘটবে: পানিসম্পদমন্ত্রী

রাজবাড়ী সংবাদদাতা
প্রকাশিত: শুক্রবার, ১১ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৭:৪৪ অপরাহ্ণ
পদ্মা ব্যারেজ হলে ২৪ জেলার অর্থনৈতিক রূপান্তর ঘটবে: পানিসম্পদমন্ত্রী

পদ্মা ব্যারেজ প্রকল্প বাস্তবায়ন হলে দেশের দক্ষিণ, পশ্চিম ও উত্তরাঞ্চলের ২৪টি জেলার অর্থনীতিতে অভূতপূর্ব পরিবর্তন আসবে বলে মন্তব্য করেছেন পানিসম্পদমন্ত্রী মো. শহীদউদ্দীন চৌধুরী এ্যানি।

শুক্রবার (১১ সেপ্টেম্বর) দুপুর ১২টার দিকে রাজবাড়ীর পাংশা উপজেলার হাবাসপুরে পদ্মা ব্যারেজ প্রকল্পের প্রস্তাবিত এলাকা পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের তিনি এ কথা বলেন।

পানিসম্পদমন্ত্রী বলেন, পদ্মা ব্যারেজ নির্মাণ হলে বিদ্যুৎ উৎপাদনের পাশাপাশি মাছের উৎপাদন বাড়বে। একই সঙ্গে কৃষি খাতেও ব্যাপক পরিবর্তন আসবে। এর ফলে সংশ্লিষ্ট অঞ্চলের অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড বাড়ার পাশাপাশি দেশের সামগ্রিক অর্থনীতি আরও সমৃদ্ধ হবে।

তিনি জানান, আগামী বছরের জানুয়ারি, ফেব্রুয়ারি অথবা মার্চ মাসে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান রাজবাড়ীতে এসে পদ্মা ব্যারেজ নির্মাণকাজের উদ্বোধন করবেন।

মন্ত্রী বলেন, সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়া ২০০৪ সালে পদ্মা ব্যারেজ প্রকল্পের সমীক্ষা করেছিলেন। দীর্ঘ সময় পর ২০২৬ সালে প্রকল্পটি জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটির (একনেক) অনুমোদন পেয়েছে। এখন প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে প্রকল্পটি বাস্তবায়নের পথে এগিয়ে যাচ্ছে।

পানিসম্পদমন্ত্রী আরও বলেন, সাবেক রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের খাল খনন কর্মসূচির ধারাবাহিকতায় বর্তমান সরকার সারা দেশে খাল পুনঃখননের উদ্যোগ নিয়েছে। নির্বাচনী ইশতেহার অনুযায়ী ইতোমধ্যে প্রায় ২০ হাজার কিলোমিটার খাল পুনঃখনন করা হয়েছে।

এ সময় প্রধানমন্ত্রীর অর্থ ও পরিকল্পনা উপদেষ্টা ড. রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর, পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন আজাদ, সংস্কৃতিবিষয়ক প্রতিমন্ত্রী আলী নেওয়াজ মাহমুদ খৈয়াম, রাজবাড়ী-২ আসনের সংসদ সদস্য মো. হারুন-অর-রশিদসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

এর আগে গত ১৩ মে অনুষ্ঠিত একনেক সভায় পদ্মা ব্যারেজ (প্রথম পর্যায়) নির্মাণ প্রকল্প অনুমোদন দেওয়া হয়। প্রকল্পটির সম্ভাব্য ব্যয় ধরা হয়েছে ৩৪ হাজার ৪৯৭ কোটি টাকা।

কালের আলো/এএইচ/এমএসআইপি 

নিজ আসনে ধর্মীয় ও সামাজিক প্রতিষ্ঠানে অনুদান দিলেন প্রধানমন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: শুক্রবার, ১১ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৭:২২ অপরাহ্ণ
নিজ আসনে ধর্মীয় ও সামাজিক প্রতিষ্ঠানে অনুদান দিলেন প্রধানমন্ত্রী

ঢাকা-১৭ আসনের বিভিন্ন মসজিদ, মাদরাসা, এতিমখানা ও মন্দিরে আর্থিক অনুদান প্রদান করেছেন প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান।

শুক্রবার (১১ সেপ্টেম্বর) বিকেলে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে প্রতিষ্ঠানগুলোর প্রতিনিধিদের হাতে অনুদান তুলে দেওয়া হয়।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব ও প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক উপদেষ্টা অ্যাডভোকেট রুহুল কবির রিজভী।

রাজধানীর গুলশান, বনানী ছাড়াও নিকেতন, মহাখালী, কড়াইল বস্তি, বারিধারা, শাহজাদপুর, কালাচাঁদপুর, ভাষানটেক, মাটিকাটা ও ঢাকা সেনানিবাসের একাংশ নিয়ে ঢাকা-১৭ আসন গঠিত।

গত ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে এই আসন থেকে বিজয়ী হন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

কালের আলো/আরডি/এমডিএইচ