খুঁজুন
                               
, ,
           

স্কুলঘর নিলামে বিক্রি, ছাপড়ায় চলছে শতাধিক শিক্ষার্থীর ক্লাস

শাহজাদপুর (সিরাজগঞ্জ) সংবাদদাতা
প্রকাশিত: শুক্রবার, ১১ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১১:৩৯ পূর্বাহ্ণ
স্কুলঘর নিলামে বিক্রি, ছাপড়ায় চলছে শতাধিক শিক্ষার্থীর ক্লাস

পাকা ভবনের আশায় বিদ্যালয়ের পুরোনো ঘর নিলামে বিক্রি করে এখন চরম বিপাকে পড়েছেন সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুর উপজেলার জালালপুর ইউনিয়নের লোচনাপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা। বর্তমানে বিদ্যালয়টির নিজস্ব কোনো অবকাঠামো নেই। পাশের কবরস্থান থেকে আনা একটি ছাপড়া ঘরে কোনো রকমে চলছে পাঠদান। বেড়া না থাকায় গরমে দুর্ভোগের পাশাপাশি ঝড়-বৃষ্টি হলে বন্ধ রাখতে হয় ক্লাস।

বিদ্যালয় সূত্রে জানা গেছে, ১৯৪১ সালে প্রতিষ্ঠিত বিদ্যালয়টিতে বর্তমানে শতাধিক শিক্ষার্থী পড়াশোনা করছে। লেখাপড়ার মান ভালো হলেও পর্যাপ্ত অবকাঠামো না থাকায় শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের মধ্যে অনাগ্রহ তৈরি হয়েছে।

বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক আব্দুল লতিফ জানান, একটি ছোট পরিত্যক্ত ঘরে শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা একসঙ্গে বসেন। পাশের কবরস্থান থেকে ছাপড়া এনে বেড়া ছাড়াই সেখানে ক্লাস নেওয়া হচ্ছে। টিনের ছাপড়া ঘরে প্রচণ্ড গরমে শিক্ষার্থীদের কষ্ট হয়। ঝড়-বৃষ্টি হলে পাঠদান বন্ধ রাখতে হয়।

তিনি জানান, ২০২৪ সালে বিদ্যালয়ের জন্য একটি দ্বিতল পাকা ভবন নির্মাণে বরাদ্দ দেওয়া হয়েছিল। তবে যোগাযোগব্যবস্থা খারাপসহ নানা কারণে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান কাজ শুরু না করেই চলে যায়। এরপর থেকে ভবন নির্মাণের বিষয়টি ঝুলে আছে।

এলজিইডির উপজেলা প্রকৌশলী রাহাত ইসলাম জানান, ২০২৪ সালে বিদ্যালয় ভবন নির্মাণের জন্য প্রায় ১ কোটি ১২ লাখ টাকার টেন্ডার আহ্বান করা হয়েছিল। তবে সময়মতো কাজ শেষ করা সম্ভব হবে না, জায়গার স্বল্পতা, বিদ্যালয়ের পাশে বড় খাল এবং যমুনা নদীর ভাঙনের ঝুঁকিসহ কয়েকটি কারণ দেখিয়ে প্রায় ছয় মাস পর টেন্ডারটি বাতিল করা হয়। বরাদ্দের অর্থও ফেরত চলে যায়।

তিনি আরও জানান, বিদ্যালয়টি যমুনা নদীতীরবর্তী হওয়ায় সেখানে বহুতল পাকা ভবন নির্মাণের সুযোগ নেই। তাই চরাঞ্চলের উপযোগী স্টিলের ফ্রেমের সেমিপাকা ভবন নির্মাণের পরিকল্পনা করা হচ্ছে।

তবে প্রধান শিক্ষক আব্দুল লতিফের দাবি, ভবন নির্মাণের আগে জায়গার নকশাসহ প্রয়োজনীয় জরিপ সম্পন্ন করে টেন্ডার আহ্বান করা হয়েছিল। তাঁর মতে, দুর্গম যোগাযোগব্যবস্থার কারণে নির্মাণসামগ্রী পরিবহনে ব্যয় বেশি হওয়ায় ঠিকাদার কাজ শুরু করেননি।

বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা জানায়, টিনের ছাপড়ায় প্রচণ্ড গরমে ক্লাস করতে হয়। ঝড়-বৃষ্টি হলে স্কুল বন্ধ থাকে। অভিভাবক মুক্তি খাতুন ও রিতু খাতুন বলেন, পর্যাপ্ত অবকাঠামো ও ঘরের বেড়া না থাকায় গরমে শিশুদের অসুস্থ বোধ হয়। এতে অনেক শিক্ষার্থী বিদ্যালয়ে আসতে চায় না।

উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মুরাদ হোসেন বলেন, তিনি এ উপজেলায় যোগদানের আগে ভবন নির্মাণের টেন্ডার বাতিল হয়েছে। বিষয়টি তাঁর বিস্তারিত জানা নেই। তবে বিদ্যালয়ের ভবনের জন্য দ্রুত বরাদ্দ পাওয়া যায় কি না, সে বিষয়ে চেষ্টা করা হচ্ছে।

স্থানীয়দের দাবি, যোগাযোগব্যবস্থা দুর্গম হওয়ায় নির্মাণসামগ্রী পরিবহনে ব্যয় বেশি হতে পারে। তবে শতাধিক শিক্ষার্থীর পাঠদানের পরিবেশ নিশ্চিত করতে দ্রুত স্থায়ী শ্রেণিকক্ষ নির্মাণ জরুরি।

কালের আলো/এএইচ/এমএসআইপি 

বিভেদ-হানাহানি উন্নয়ন বাধাগ্রস্ত করে: সমাজকল্যাণমন্ত্রী

দিনাজপুর সংবাদদাতা
প্রকাশিত: শনিবার, ১২ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৭:৪২ অপরাহ্ণ
বিভেদ-হানাহানি উন্নয়ন বাধাগ্রস্ত করে: সমাজকল্যাণমন্ত্রী

সমাজকল্যাণ এবং মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী ডা. জাহিদ হোসেন বলেছেন, নিজেদের পরিবেশ সুন্দর ও শান্তিপূর্ণ রাখতে পারলে উন্নয়ন কার্যক্রম বাস্তবায়ন সহজ হয়। অন্যদিকে বিভেদ, মারামারি ও হানাহানি উন্নয়নের পথে বাধা সৃষ্টি করে।

শনিবার (১২ সেপ্টেম্বর) দুপুরে দিনাজপুরের নবাবগঞ্জ উপজেলার জয়পুর ইউনিয়নে বিএনপির নেতা-কর্মীদের সঙ্গে আয়োজিত মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

মন্ত্রী বলেন, নিজেদের মধ্যে সৌহার্দ্যপূর্ণ পরিবেশ বজায় রাখতে হবে। শান্তিপূর্ণ পরিবেশ থাকলেই এলাকার উন্নয়ন কার্যক্রম সুষ্ঠুভাবে এগিয়ে নেওয়া সম্ভব। এ সময় সভায় বিপুলসংখ্যক মানুষের শান্তিপূর্ণ উপস্থিতির প্রশংসা করেন তিনি।

ডা. জাহিদ হোসেন বলেন, এলাকার ছেলে-মেয়েদের সুশিক্ষিত ও যোগ্য নাগরিক হিসেবে গড়ে তুলতে সবাইকে সম্মিলিতভাবে কাজ করতে হবে। শিক্ষার অনুকূল পরিবেশ নিশ্চিত করার পাশাপাশি তরুণ প্রজন্মকে সঠিক পথে পরিচালিত করতে সামাজিক সচেতনতা বাড়ানো জরুরি।

তিনি আরও বলেন, কোনো ব্যক্তি বা পরিবার অর্থনৈতিক সংকটে পড়লে তাদের পাশে দাঁড়ানো সমাজের দায়িত্ব। এ ধরনের অসহায় মানুষের খোঁজখবর নিয়ে সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দিতে বিএনপির নেতা-কর্মীদের প্রতি আহ্বান জানান তিনি।

এলাকার বিভিন্ন উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ড বাস্তবায়নে স্থানীয় নেতা-কর্মী ও সাধারণ মানুষের সহযোগিতা কামনা করে মন্ত্রী বলেন, সঠিক তথ্য ও প্রয়োজনীয় পরামর্শ পাওয়া গেলে উন্নয়ন কার্যক্রম আরও দ্রুত ও কার্যকরভাবে বাস্তবায়ন করা সম্ভব।

মতবিনিময় সভায় জেলা বিএনপির সিনিয়র সহ-সভাপতি আতিকুর রহমান রাজা, উপজেলা বিএনপির সভাপতি তারিকুল ইসলাম, সাধারণ সম্পাদক ইকবাল হোসেনসহ স্থানীয় বিএনপি নেতা-কর্মী, জনপ্রতিনিধি ও বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ উপস্থিত ছিলেন।

কালের আলো/ডিএইচ/এমএসআইপি 

বায়তুল মোকাররমে মাসব্যাপী ইসলামি বইমেলা

ধর্ম ডেস্ক
প্রকাশিত: শনিবার, ১২ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৭:২২ অপরাহ্ণ
বায়তুল মোকাররমে মাসব্যাপী ইসলামি বইমেলা

পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) ১৪৪৮ হিজরি উপলক্ষে রাজধানীর বায়তুল মোকাররম জাতীয় মসজিদ প্রাঙ্গণে  শনিবার (১২ সেপ্টেম্বর) থেকে শুরু হচ্ছে মাসব্যাপী ইসলামি বইমেলা। ইসলামিক ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে আয়োজিত এ মেলা চলবে এক মাস।

পূর্বনির্ধারিত সূচি অনুযায়ী গতকাল শুক্রবার বইমেলা উদ্বোধনের কথা থাকলেও পরে সময়সূচিতে পরিবর্তন আনা হয়। পরিবর্তিত সূচি অনুযায়ী আজ থেকে মেলার কার্যক্রম শুরু হচ্ছে।

বায়তুল মোকাররম জাতীয় মসজিদের পূর্ব ও দক্ষিণ চত্বরে আয়োজিত এ মেলায় দেশি-বিদেশি বিভিন্ন প্রকাশনা প্রতিষ্ঠানের ইসলামি বই পাওয়া যাবে। এতে স্বনামধন্য প্রকাশনা প্রতিষ্ঠান ও ইসলামি বইয়ের প্রকাশকসহ মোট ২০৬টি প্রতিষ্ঠান অংশ নিচ্ছে।

মেলায় পবিত্র কোরআন, তাফসির, হাদিস, সিরাত, ইসলামি দর্শন, ইসলামের ইতিহাস, গবেষণা ও ধর্মীয় সাহিত্যসহ বিভিন্ন বিষয়ের বই প্রদর্শন ও বিক্রি করা হবে। পাশাপাশি শিশু-কিশোরদের উপযোগী ইসলামি বইয়েরও বিশেষ আয়োজন থাকবে।

এক জায়গায় বিভিন্ন প্রকাশনা প্রতিষ্ঠানের বই দেখার ও পছন্দের বই সংগ্রহের সুযোগ থাকায় ইসলামি সাহিত্যপ্রেমী পাঠকদের মধ্যে মেলাটি সাড়া ফেলবে বলে আশা করছেন আয়োজকরা। বিশেষ করে নতুন প্রকাশিত বইয়ের সঙ্গে পাঠকদের পরিচিত হওয়ার সুযোগ তৈরি হবে।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন জানিয়েছে, মাসব্যাপী এ আয়োজনকে পাঠক, লেখক ও প্রকাশকদের মিলনমেলায় পরিণত করার লক্ষ্য রয়েছে। তাদের প্রত্যাশা, বইমেলার মাধ্যমে সাধারণ মানুষের মধ্যে ইসলামি জ্ঞানচর্চা, বই পড়ার অভ্যাস এবং নৈতিক ও মানবিক মূল্যবোধ আরও জোরদার হবে।

বিশেষ করে নতুন প্রজন্মের কাছে পবিত্র কোরআন, হাদিস এবং মহানবী হজরত মুহাম্মদ (সা.)-এর জীবন ও আদর্শ তুলে ধরতে এ আয়োজন গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

কালের আলো/এসএ

হাইটেক পার্কে অবকাঠামো আছে, নেই প্রত্যাশিত ফল

তথ্যপ্রযুক্তি ডেস্ক
প্রকাশিত: শনিবার, ১২ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৭:১১ অপরাহ্ণ
হাইটেক পার্কে অবকাঠামো আছে, নেই প্রত্যাশিত ফল

দেশে একের পর এক হাইটেক ও সফটওয়্যার টেকনোলজি পার্ক নির্মাণ এবং বরাদ্দ বাড়লেও প্রত্যাশিত ফল মিলছে না। অবকাঠামো নির্মাণে বেশি গুরুত্ব দেওয়া হলেও দক্ষ জনবল, শিল্প-একাডেমিয়া সংযোগ, প্রশিক্ষণ ও উদ্যোক্তা সহায়তার কার্যকর ব্যবস্থা গড়ে না ওঠায় হাইটেক পার্কগুলোর লক্ষ্য ও বাস্তবতার মধ্যে বড় ব্যবধান তৈরি হয়েছে।

শনিবার (১২ সেপ্টেম্বর) পাওয়ার অ্যান্ড পার্টিসিপেশন রিসার্চ সেন্টারের (পিপিআরসি) ‘আজকের অ্যাজেন্ডা’ ভার্চুয়াল সিরিজের ‘হাইটেক পার্কস: মিশন কী? বাস্তবতা কী?’ শীর্ষক আলোচনায় বক্তারা এসব কথা বলেন।

আলোচনায় নর্থ সাউথ ইউনিভার্সিটির অধ্যাপক ড. এম. রকনুজ্জামান জানান, ২০০৯ থেকে ২০২৩ সালের মধ্যে দেশে ৩৯টি হাইটেক ও সফটওয়্যার টেকনোলজি পার্ক গড়ে তোলা হয়েছে। অবকাঠামো তৈরি করলেই প্রযুক্তি খাতে বিনিয়োগ ও বিপ্লব ঘটবে—এমন ধারণা থেকেই এসব উদ্যোগ নেওয়া হলেও প্রয়োজনীয় ইকোসিস্টেম, দক্ষ জনবল ও শিল্প-একাডেমিয়া সংযোগে যথেষ্ট গুরুত্ব দেওয়া হয়নি।

যশোর হাইটেক পার্কের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মোহাম্মদ মহিদুল ইসলাম বলেন, ২০১৭ সালে প্রতিষ্ঠিত পার্কটিতে বর্তমানে ৪০টি কোম্পানি রয়েছে। তবে কার্যকর ইকোসিস্টেম সহায়তা না থাকায় প্রতিষ্ঠানগুলোকে অনেকটা নিজেদের উদ্যোগেই টিকে থাকতে হচ্ছে। প্রশিক্ষিত জনবলের চলে যাওয়া, স্থাপনার দুর্বল রক্ষণাবেক্ষণ এবং বেশি ইউটিলিটি খরচও বড় সমস্যা বলে উল্লেখ করেন তিনি।

রাজশাহী হাইটেক পার্কের অভিজ্ঞতায় কিছুটা আশার চিত্র তুলে ধরেন নেট্রো সিস্টেমস ও টেলজেনের সহ-প্রতিষ্ঠাতা প্রকৌশলী মো. আশাফুদ্দোজা শিশির। তাঁর মতে, রাজশাহীর প্রযুক্তি উদ্যোগগুলো বৈশ্বিক পর্যায়ে পৌঁছালেও হাইটেক পার্কে কোম্পানিগুলোর সুবিধা এখনো মূলত কর অব্যাহতির মধ্যেই সীমিত। স্টার্টআপগুলোর জন্য সরাসরি সহায়তাও খুব কম।

ইউওয়াই সিস্টেমসের চেয়ারপারসন ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা ফারহানা এ. রহমান বলেন, হাইটেক পার্ক নিয়ে দেশে বড় বড় প্রতিশ্রুতির একটি দীর্ঘ চক্র তৈরি হয়েছে। কালিয়াকৈর হাইটেক পার্কে জমি বরাদ্দ পাওয়ার পরও সহায়ক সেবা না থাকায় অনেক প্রতিষ্ঠান তাদের বরাদ্দ ফিরিয়ে দিয়েছে।

ডিএনএস সফটওয়্যারের ব্যবস্থাপনা পরিচালক রফেল কবির বলেন, হাইটেক পার্কগুলোর পরিকল্পনার সঙ্গে সরকারি নীতিরও অসঙ্গতি রয়েছে। শুধু রপ্তানি প্রণোদনার ওপর নির্ভর না করে মাদারবোর্ড ও চিপ ফ্যাব্রিকেশনের মতো মৌলিক প্রযুক্তি উৎপাদনের দিকে নজর দেওয়া প্রয়োজন।

অন্যদিকে, হাইটেক পার্কের অবস্থান নির্বাচনকেও বড় সমস্যা হিসেবে চিহ্নিত করেন সাবেক বিশেষ সহকারী ফয়েজ আহমেদ তাইয়েব। তাঁর মতে, বিদ্যমান ইপিজেড বা বাণিজ্যিক কেন্দ্রের সঙ্গে সমন্বয় না করে অর্থনৈতিকভাবে দুর্বল এলাকায় পার্ক স্থাপন করায় অনেক ক্ষেত্রেই কাঙ্ক্ষিত অর্থনৈতিক কার্যক্রম তৈরি হয়নি।

আলোচনার সমাপনী বক্তব্যে পিপিআরসির নির্বাহী চেয়ারম্যান হোসেন জিল্লুর রহমান বলেন, দীর্ঘমেয়াদি সাফল্যের জন্য শুধু ভৌত অবকাঠামো নয়, সফট ইনফ্রাস্ট্রাকচার, দক্ষ মানবসম্পদ এবং শিল্পচালিত প্রশিক্ষণের ওপরও গুরুত্ব দিতে হবে।

বক্তাদের মতে, হাইটেক পার্কের মডেল পুরোপুরি বাতিল করার প্রয়োজন নেই। বরং উন্নত ইউটিলিটি সুবিধা, জবাবদিহিমূলক প্রশাসন, দক্ষ জনবল এবং কার্যকর ব্যবসায়িক সহায়তা নিশ্চিত করে মডেলটিকে নতুনভাবে সাজাতে হবে। কোম্পানিগুলোকে শুধু ভাড়াটে হিসেবে নয়, অংশীদার হিসেবে বিবেচনা করা গেলে দেশের প্রযুক্তি খাত ও বিনিয়োগে হাইটেক পার্কগুলো আরও কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারে।

কালের আলো/এসএ