খুঁজুন
                               
, ,
           

ট্রাইব্যুনালে আনা হলো সাবেক এমপি ফজলে করিমকে

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: সোমবার, ১৬ মার্চ, ২০২৬, ১১:৩৯ পূর্বাহ্ণ
ট্রাইব্যুনালে আনা হলো সাবেক এমপি ফজলে করিমকে

জুলাই গণঅভ্যুত্থান চলাকালীন সংঘটিত হত্যাযজ্ঞের ঘটনায় মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় চট্টগ্রাম-৬ আসনের সাবেক এমপি এবিএম ফজলে করিম চৌধুরীকে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে হাজির করা হয়েছে।

সোমবার (১৬ মার্চ) সকালে কারাগার থেকে প্রিজনভ্যানে করে তাকে আনা হয়। এদিন এ মামলার তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের দিন ধার্য রয়েছে।

চাঞ্চল্যকর এ মামলা ঘিরে এরই মধ্যে বিতর্কের জন্ম দিয়েছেন সম্প্রতি পদত্যাগ করা প্রসিকিউটর সাইমুম রেজা তালুকদার। জামিনের বিনিময়ে ফজলে করিমের পরিবারের কাছে এক কোটি টাকা ঘুষ দাবি করেছেন বলে অভিযোগ ওঠে তার বিরুদ্ধে। সরাসরি ঘুষ চাওয়ার তার কথপোকথনের একাধিক ফোনালাপ ভাইরাল হয়েছে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে। এমন অভিযোগ নজরে আসতেই গত ১০ মার্চ পাঁচ সদস্যের ফ্যাক্টস ফাইন্ডিং কমিটি গঠন করেন চিফ প্রসিকিউটর আমিনুল ইসলাম।

এর আগে, ১২ জানুয়ারি ফজলে করিমকে ট্রাইব্যুনালে আনা হয়। ওই দিন মামলার তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের জন্য আট সপ্তাহ সময় চান প্রসিকিউটর গাজী এমএইচ তামিম। আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে আজকের দিন ধার্য করেন ট্রাইব্যুনাল।

একই দিন ফজলে করিমের হয়ে শুনানি করেন আইনজীবী রিজওয়ানা ইউসুফ। ওই দিন নিজের সঙ্গে সাবেক চিফ প্রসিকিউটর মোহাম্মদ তাজুল ইসলামকে জড়িয়ে সাইবার বুলিংয়ের অভিযোগ আনেন তিনি।

এ মামলায় ফজলে করিমসহ পাঁচজন গ্রেপ্তার রয়েছেন। অন্যরা হলেন- চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশের (সিএমপি) সাবেক কমিশনার সাইফুল ইসলাম, যুবলীগ নেতা আজিজুর রহমান, তৌহিদুল ইসলাম ও মো. ফিরোজ। তাদেরও আজ আনা হয়েছে।

২০২৫ সালের ৮ এপ্রিল ফজলে করিমের জামিন আবেদন করেন আইনজীবী এম আবদুল কাইয়ুম। তবে তার জামিন মেলেনি। ফজলে করিমকে এ মামলায় গ্রেপ্তার দেখিয়ে একই বছরের ১৬ ফেব্রুয়ারি কারাগারে পাঠান আদালত।

উল্লেখ্য, ২০২৪ সালের ১৬ জুলাই চট্টগ্রামে কোটা সংস্কার আন্দোলনে প্রাণ হারান কলেজছাত্র ওয়াসিম আকরাম। একই বছরের ১৮ আগস্ট চট্টগ্রামের পাঁচলাইশ থানায় একটি হত্যা মামলা করেন তার মা জোছনা বেগম। এর মধ্যে সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, সাবেক সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদেরসহ ২৫০ জনকে আসামি করা হয়। তবে জুলাই-আগস্ট আন্দোলন ঘিরে চট্টগ্রামে ওয়াসিমসহ ১১ জন হত্যার ঘটনায় মানবতাবিরোধী অপরাধের অভিযোগে ট্রাইব্যুনালে একটি মামলা হয়। এতে ফজলে করিমসহ বেশ কয়েকজন আসামি হিসেবে রয়েছেন।

কালের আলো/এসএকে

বিগত ছয় মাসে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির দৃশ্যমান উন্নতি হয়েছে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: সোমবার, ১৭ আগস্ট, ২০২৬, ৪:৪৩ অপরাহ্ণ
বিগত ছয় মাসে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির দৃশ্যমান উন্নতি হয়েছে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

বিগত ছয় মাস বা ১৮০ দিনে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির দৃশ্যমান উন্নতি হয়েছে বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ। সোমবার (১৭ আগস্ট) দুপুরে বাংলাদেশ সচিবালয়ে অর্থ মন্ত্রণালয়ে ‘বাংলাদেশ জুডিশিয়াল সার্ভিস পে-কমিশন, ২০২৫’-এর প্রতিবেদন সংক্রান্ত সুপারিশ প্রণয়ন কমিটির সভা শেষে সাংবাদিকদের ব্রিফিংকালে এ কথা জানান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী।

মন্ত্রী বলেন, আইনশৃঙ্খলা নিয়ে সন্তুষ্টির বিষয়টি দেশের জনগণই মূল্যায়ন করবে। তবে সরকারের পক্ষ থেকে নিশ্চিতভাবে বলা যায়, বিগত ছয় মাসে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির দৃশ্যমান উন্নতি হয়েছে। জনগণের প্রত্যাশা অনুযায়ী এটিকে আরও সুসংহত করতে কিছুটা সময় প্রয়োজন।

তিনি বলেন, আমাদের এখন মাত্র ৬ মাস পার হলো। এর মধ্যে আমরা অনেক সংস্কার কাজ করেছি এবং আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর বিভিন্ন প্রশংসনীয় উদ্যোগ আপনারা দেখেছেন। বিগত ১৮০ দিনে সরকারের নেওয়া ও বাস্তবায়িত বিভিন্ন উদ্যোগ ও কর্মসূচি জনগণের কাছে প্রশংসিত হয়েছে।

মন্ত্রী বলেন, প্রধানমন্ত্রী ঘোষিত রূপরেখার আলোকেই প্রথম ১৮০ দিনে একাধিক প্রশংসনীয় উদ্যোগ ও জনকল্যাণমুখী কর্মসূচি নেওয়া হয়েছে। দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকে সরকার একের পর এক বৈশ্বিক ও অভ্যন্তরীণ সংকটের মুখোমুখি হলেও তা অত্যন্ত দক্ষতা ও সফলতার সঙ্গে মোকাবিলা করেছে।

তিনি আরো বলেন, যুক্তরাষ্ট্র-ইরান যুদ্ধের কারণে সৃষ্ট বৈশ্বিক জ্বালানি ও গ্যাস সংকটের ধাক্কা বিশ্বব্যাপী অনুভূত হলেও সরকার তাৎক্ষণিকভাবে দেশে জ্বালানি তেলের দাম বাড়ায়নি। বোরো মৌসুমে কৃষকদের স্বার্থ সুরক্ষা নিশ্চিত করতে সরকার প্রায় এক মাস পর্যন্ত মূল্য বৃদ্ধি স্থগিত রাখে এবং পরে সহনীয় মাত্রায় সমন্বয়ের সিদ্ধান্ত নেয়। অথচ ওই সময়ে বিশ্ববাজারসহ প্রতিবেশী দেশগুলোতে জ্বালানির দাম প্রায় দ্বিগুণ বৃদ্ধি পেয়েছিল।

বিগত সরকারের রেখে যাওয়া দীর্ঘদিনের গ্যাস ও জ্বালানি সংকট রাতারাতি সমাধান করা সম্ভব নয় উল্লেখ করে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, বর্তমান সরকার টেকসই ও সুদূরপ্রসারী পরিকল্পনার মাধ্যমে এ সংকট উত্তরণে কাজ করছে। বৈশ্বিক বিনিয়োগকারীদের বাংলাদেশে আকৃষ্ট করা, ব্যবসা-বাণিজ্যের প্রসার ও উৎপাদন অব্যাহত রাখতে প্রাথমিক জ্বালানি সরবরাহ নিশ্চিত করা আবশ্যক। এ লক্ষ্যে প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে মাতারবাড়ী গভীর সমুদ্রবন্দর পরিদর্শন শেষে সেখানে একটি পূর্ণাঙ্গ স্থলভিত্তিক এলএনজি টার্মিনাল স্থাপনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি, বিদ্যমান সামিট এবং এক্সিলারেট এনার্জির ভাসমান টার্মিনালে প্রায়শই যান্ত্রিক ত্রুটি দেখা দেওয়ায় গ্যাস সরবরাহ বিঘ্নিত হওয়ার সমস্যা নিরসনে একাধিক এফএসআরইউ স্থাপনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে, যার স্থান নির্বাচনে বর্তমানে জরিপ কাজ চলমান রয়েছে।

তিনি বলেন, আমদানি নির্ভরতা হ্রাস করতে দেশের অভ্যন্তরে এবং অফশোর ও অনশোরে নতুন গ্যাস অনুসন্ধান কার্যক্রম শুরু হয়েছে, যার ফলে আগামী কয়েক বছরের মধ্যে এ সমস্যার টেকসই সমাধান অর্জিত হবে।

সামাজিক নিরাপত্তা ও জনকল্যাণমূলক পদক্ষেপের বিবরণ দিয়ে মন্ত্রী জানান, প্রথম মন্ত্রিসভার বৈঠকেই ১০ হাজার টাকা পর্যন্ত কৃষি ঋণ মওকুফের ঐতিহাসিক সিদ্ধান্ত অনুমোদিত ও বাস্তবায়িত হয়েছে। এর পাশাপাশি সরকারের পক্ষ থেকে ফ্যামিলি কার্ড ও কৃষক কার্ড প্রদান করা হচ্ছে।

তিনি বলেন, বিভিন্ন ধর্মের ধর্মীয় কর্মকর্তা এবং ইমাম-মুয়াজ্জিনদের মাসিক সম্মানী দেওয়া হচ্ছে। এছাড়াও দেশের ক্রীড়াবিদ ও সংস্কৃতিবিদদের সামাজিক ও রাষ্ট্রীয় মর্যাদা প্রদানসহ একাধিক কল্যাণমুখী পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়েছে।

খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করা সংক্রান্ত জাতীয় প্রকিউরমেন্ট কমিটির প্রধান হিসেবে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী জানান, সরকারের সঠিক নীতি ও সময়োপযোগী সিদ্ধান্তের ফলে দেশে খাদ্যের একটি মজবুত ও নিরাপদ মজুত গড়ে তোলা সম্ভব হয়েছে। এছাড়া সরকারের ১৮০ দিনে বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের অর্জিত সামগ্রিক অগ্রগতির সমন্বিত বিবরণী শিগগিরই প্রধানমন্ত্রীর প্রেস উইং অথবা সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়/দপ্তর থেকে গণমাধ্যমের কাছে আনুষ্ঠানিকভাবে প্রকাশ করা হবে।

কালের আলো/এম/এএইচ

প্রধানমন্ত্রীর প্রতিরক্ষা উপদেষ্টার সাথে কানাডার হাইকমিশনারের সৌজন্য সাক্ষাৎ

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: সোমবার, ১৭ আগস্ট, ২০২৬, ৪:৩৬ অপরাহ্ণ
প্রধানমন্ত্রীর প্রতিরক্ষা উপদেষ্টার সাথে কানাডার হাইকমিশনারের সৌজন্য সাক্ষাৎ

প্রধানমন্ত্রীর প্রতিরক্ষা উপদেষ্টা ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব:) ড. এ কে এম শামছুল ইসলাম সাথে বাংলাদেশে নিযুক্ত কানাডার হাইকমিশনার অজিত সিং এর সৌজন্য সাক্ষাৎ অনুষ্ঠিত হয়েছে।

সোমবার (১৭ আগস্ট ) ঢাকা সেনানিবাসস্থ সশস্ত্র বাহিনী বিভাগে প্রতিরক্ষা উপদেষ্টার কার্যালয়ে এই বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। আইএসপিআর এক বার্তা বিষয়টি গণমাধ্যমকে অবগত করার জন্য

​সাক্ষাৎকালে প্রতিরক্ষা উপদেষ্টা এবং কানাডার হাইকমিশনার পারস্পরিক কুশলাদি বিনিময় করেন এবং বাংলাদেশ ও কানাডার মধ্যকার বিদ্যমান দীর্ঘদিনের সৌহার্দ্যপূর্ণ ও চমৎকার দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কের কথা স্মরণ করেন। সৌহার্দ্যপূর্ণ এই আলোচনায় বাংলাদেশ সশস্ত্র বাহিনীর সার্বিক আধুনিকায়ন ও সক্ষমতা বৃদ্ধিতে কানাডার সম্ভাব্য সহযোগিতার ক্ষেত্রসমূহ নিয়ে বিস্তারিত মতবিনিময় হয়।

​আলোচনায় সামরিক প্রযুক্তি আদান-প্রদান, কৌশলগত প্রতিরক্ষা সহযোগিতা, যৌথ প্রশিক্ষণ, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও শান্তিরক্ষা কার্যক্রমে সহযোগিতা জোরদারের বিষয়ে উভয় পক্ষ ইতিবাচক মনোভাব ব্যক্ত করেন। এছাড়া, দুই দেশের মধ্যে বিদ্যমান প্রতিরক্ষা ও কূটনৈতিক সম্পর্ককে নতুন উচ্চতায় উন্নীত করার বিষয়ে আলোচনা হয়।

বৈঠকে উভয়ে আশা প্রকাশ করেন দ্বিপক্ষীয় উদ্যোগের মাধ্যমে আগামী দিনগুলোতে বাংলাদেশ ও কানাডার মধ্যকার বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক এবং প্রতিরক্ষা সহযোগিতা আরও জোরদার ও সুসংহত হবে।

কালের আলো/এম/এএইচ

মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় ৭ আসামির রায় অপেক্ষমাণ

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: সোমবার, ১৭ আগস্ট, ২০২৬, ৪:০৪ অপরাহ্ণ
মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় ৭ আসামির রায় অপেক্ষমাণ

জুলাই গণঅভ্যুত্থানের সময় সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় ক্ষমতাচ্যুত আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও তৎকালীন সড়ক পরিবহনমন্ত্রী ওবায়দুল কাদেরসহ সাত আসামির পক্ষে-বিপক্ষে যুক্তিতর্ক উপস্থাপন শেষ হয়েছে। শুনানি শেষে মামলাটির রায় অপেক্ষমাণ রেখেছেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২। ফলে যেকোনো দিন এ মামলার রায় ঘোষণা হতে পারে।

সোমবার (১৭ আগস্ট) মামলার শুনানি শেষে ট্রাইব্যুনাল এ সিদ্ধান্ত দেন। মামলায় রাষ্ট্রনিযুক্ত আসামিপক্ষের আইনজীবী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন এম হাসান ইমাম ও ইশরাত জাহান। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন প্রসিকিউটর মিজানুল ইসলাম ও গাজী এম এইচ তামিম।

এর আগে গত বুধবার রাষ্ট্রপক্ষ তাদের যুক্তিতর্ক উপস্থাপন শেষ করে। শুনানিতে প্রসিকিউশন আসামিদের সর্বোচ্চ শাস্তির দাবি জানায়। পাশাপাশি আসামিদের সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করার আদেশও চাওয়া হয়।

মামলার সাত আসামির মধ্যে রয়েছেন—ওবায়দুল কাদের, আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আ ফ ম বাহাউদ্দিন নাছিম, সাবেক তথ্য প্রতিমন্ত্রী মোহাম্মদ আলী আরাফাত, যুবলীগের সভাপতি শেখ ফজলে শামস পরশ, সাধারণ সম্পাদক মাইনুল হোসেন খান নিখিল, নিষিদ্ধ ঘোষিত ছাত্রলীগের সভাপতি সাদ্দাম হোসেন এবং সাধারণ সম্পাদক শেখ ওয়ালী আসিফ ইনান।

রাষ্ট্রপক্ষের অভিযোগ ও আসামিপক্ষের বক্তব্যসহ মামলার বিভিন্ন দিক পর্যালোচনা শেষে এখন ট্রাইব্যুনালের রায়ের অপেক্ষা। রায় ঘোষণার দিন নির্ধারণ না হওয়ায় যেকোনো দিন তা প্রকাশ হতে পারে।

কালের আলো/এএইচ/এমএসআইপি