খুঁজুন
                               
, ,
           

অল্প পোশাকেই নিত্যনতুন স্টাইল: ক্যাপসুল ওয়ার্ডরোবের ম্যাজিক

লাইফস্টাইল ডেস্ক
প্রকাশিত: রবিবার, ৫ এপ্রিল, ২০২৬, ৭:৪৩ অপরাহ্ণ
অল্প পোশাকেই নিত্যনতুন স্টাইল: ক্যাপসুল ওয়ার্ডরোবের ম্যাজিক

আলমারি ভর্তি পোশাক, অথচ প্রতিদিন সকালে পরার মতো মানানসই কিছু খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না- এই অতি পরিচিত সমস্যার নাম ‘ডিসিশন ফ্যাটিগ’। অধিকাংশ মানুষই প্রয়োজনের চেয়ে বেশি পোশাক কেনেন, কিন্তু শেষ পর্যন্ত পছন্দের ৩-৪টি পোশাকই বারবার ঘুরিয়ে-ফিরিয়ে পরেন।

এই সমস্যার এক আধুনিক ও জাদুকরী সমাধান হলো ‘ক্যাপসুল ওয়ার্ডরোব’ (Capsule Wardrobe)। বর্তমানে এটি বিশ্বজুড়ে স্মার্ট ও মিতব্যয়ী ফ্যাশনের এক অনন্য ট্রেন্ড হিসেবে জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে, যার মূল দর্শন হলো- ‘কোয়ালিটি ওভার কোয়ান্টিটি’। অর্থাৎ অনেক সস্তা পোশাকের বদলে অল্প কিছু মানসম্মত ও টেকসই পোশাক রাখা।

কীভাবে সাজাবেন নিজের ক্যাপসুল ওয়ার্ডরোব?
একটি আদর্শ ক্যাপসুল ওয়ার্ডরোবে সাধারণত ২০ থেকে ৩০টি আইটেম থাকে। নিজের সংগ্রহ সাজানোর ৪টি কার্যকর কৌশল-

ভার্সেটাইল ও বেসিক পোশাক: প্রথমেই আলমারি থেকে সেই পোশাকগুলো আলাদা করুন যেগুলো সবচেয়ে আরামদায়ক। অন্তত দুটি ভালো মানের ডেনিম প্যান্ট, সাদা ও কালো শার্ট এবং একটি ব্লেজার বা জ্যাকেট তালিকায় রাখুন। এমন পোশাক বেছে নিন যা Mix and Match করে অফিস এবং বিকালের আউটিং উভয় জায়গায় পরা যায়।

ফেব্রিক বা কাপড়ের গুণমান: ক্যাপসুল ওয়ার্ডরোবের মূল ভিত্তি হলো স্থায়িত্ব। তাই সুতি বা লিনেনের মতো আরামদায়ক এবং টেকসই কাপড় বেছে নিন। বিশেষ করে যারা কর্মব্যস্ত জীবন যাপন করেন, তারা এমন ফেব্রিক বেছে নিন যা বারবার ধোয়ার পরও নষ্ট হয় না এবং দ্রুত ঘাম শুষে নেয়।

টোনাল ড্রেসিং (Tonal Dressing): আপনার আলমারিতে একই রঙের বিভিন্ন শেড (যেমন গাঢ় নীল প্যান্টের সাথে হালকা নীল শার্ট) রাখুন। এই কৌশলটি আপনাকে অল্প পোশাকেও অত্যন্ত আভিজাত্যপূর্ণ ও স্টাইলিশ দেখাবে। সাদা, কালো বা ধূসর রঙের মতো নিউট্রাল কালারকে এক্ষেত্রে বেশি গুরুত্ব দিন।

লেয়ারিং (Layering): আবহাওয়া বা পরিবেশ অনুযায়ী পোশাকের ওপর আরেকটি স্তর (যেমন টিশার্টের ওপর একটি হালকা জ্যাকেট বা শ্রাগ) যোগ করে নতুন স্টাইল তৈরি করুন। লেয়ারিংয়ের মাধ্যমে একটি সাধারণ পোশাককেও মুহূর্তেই ফ্যাশনেবল করে তোলা সম্ভব।

ক্যাপসুল ওয়ার্ডরোবের উপকারিতা
১. সময় বাঁচায়: প্রতিদিন সকালে কী পরবেন তা নিয়ে দীর্ঘক্ষণ ভাবতে হয় না।
২. টাকা সাশ্রয়: অপ্রয়োজনীয় কেনাকাটা কমে যায়, ফলে দীর্ঘমেয়াদে অনেক টাকা বাঁচে।
৩. পরিবেশবান্ধব: এটি ‘স্লো ফ্যাশন’ (Slow Fashion)-কে উৎসাহিত করে, যা পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষায় সহায়ক।
৪. আত্মবিশ্বাস বাড়ায়: প্রতিটি পোশাক আপনার ব্যক্তিত্বের সঙ্গে মানানসই হওয়ায় আপনি যেকোনো জায়গায় আত্মবিশ্বাসের সঙ্গে উপস্থিত হতে পারেন।

স্মার্ট টিপস
মিনিমালিস্ট ফ্যাশন মানেই বোরিং পোশাক নয়। সানগ্লাস, ঘড়ি, বেল্ট বা আরামদায়ক স্নিকার্সের মাধ্যমে আপনি লুকে ভিন্নতা আনতে পারেন। মনে রাখবেন, ফ্যাশন মানে কেবল দামী কাপড় নয়; বরং অল্প পোশাকে নিজেকে স্মার্টভাবে উপস্থাপন করাই আসল আভিজাত্য।

অপ্রয়োজনীয় কেনাকাটা বন্ধ করে আজই শুরু করুন আপনার ক্যাপসুল ওয়ার্ডরোব জার্নি। অল্প পোশাকেই হয়ে উঠুন প্রতিদিনের সেরা স্টাইলিশ।

পরিবেশ মন্ত্রণালয়ের ভারপ্রাপ্ত সচিব হলেন ড. ফাহমিদা খানম

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৭ জুলাই, ২০২৬, ২:০২ পূর্বাহ্ণ
পরিবেশ মন্ত্রণালয়ের ভারপ্রাপ্ত সচিব হলেন ড. ফাহমিদা খানম

পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব ড. ফাহমিদা খানমকে মন্ত্রণালয়টির ভারপ্রাপ্ত সচিব হিসেবে দায়িত্ব দিয়েছে সরকার।

একইসঙ্গে বর্তমান সচিব মোহা. রায়হান কাওছারকে ওই পদ থেকে প্রত্যাহার করে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ে সংযুক্ত করা হয়েছে।

সোমবার(৬ জুলাই)  এ সংক্রান্ত পৃথক দুটি প্রজ্ঞাপন জারি করেছে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়।

ড. ফাহমিদা খানম বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিস (প্রশাসন) ক্যাডারের একজন জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা। কর্মজীবনে তিনি পরিবেশ, বন, জলবায়ু পরিবর্তন, টেকসই উন্নয়ন এবং প্রাকৃতিক সম্পদ ব্যবস্থাপনা–সংক্রান্ত বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব সফলভাবে পালন করেছেন।

এর আগে তিনি জাতীয় পরিবেশ ও জলবায়ু পরিবর্তন ইনস্টিটিউটের (ন্যাকসিআই) নির্বাহী পরিচালক (অতিরিক্ত সচিব) হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। পাশাপাশি বাংলাদেশ বনশিল্প উন্নয়ন করপোরেশনের চেয়ারম্যান হিসেবেও দায়িত্বে ছিলেন তিনি।

কালের আলো/জেএন/এমএসআইপি 

বান্দরবানের সব পর্যটনকেন্দ্র ভ্রমণে নিষেধাজ্ঞা

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৭ জুলাই, ২০২৬, ১:৫৬ পূর্বাহ্ণ
বান্দরবানের সব পর্যটনকেন্দ্র ভ্রমণে নিষেধাজ্ঞা

অব্যাহত ভারী বৃষ্টিপাত এবং সম্ভাব্য প্রাকৃতিক দুর্যোগের আশঙ্কায় আগামী ১০ জুলাই পর্যন্ত বান্দরবান জেলার সব পর্যটনকেন্দ্র বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছে জেলা প্রশাসন। একই সময়ের জন্য জেলার সব ঝরনা, পাহাড়ি ট্রেইল, নদীপথ, দুর্গম ও ঝুঁকিপূর্ণ এলাকায় পর্যটক, ট্যুর অপারেটর এবং সাধারণ মানুষের প্রবেশ ও ভ্রমণও নিষিদ্ধ করা হয়েছে।

সোমবার (৬ জুলাই) রাত ১০টার দিকে জেলা প্রশাসনের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে প্রকাশিত জেলা প্রশাসক মো. সানিউল ফেরদৌস স্বাক্ষরিত এক গণবিজ্ঞপ্তিতে এ সিদ্ধান্তের কথা জানানো হয়।

গণবিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, টানা ভারী বর্ষণের কারণে জেলার বিভিন্ন এলাকার যোগাযোগব্যবস্থা ঝুঁকির মুখে পড়েছে। বিদ্যমান আবহাওয়া পরিস্থিতি এবং সম্ভাব্য দুর্ঘটনার বিষয়টি বিবেচনায় নিয়ে পর্যটক ও সাধারণ মানুষের জানমালের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে আগামী ১০ জুলাই (শুক্রবার) পর্যন্ত জেলার সব পর্যটনকেন্দ্র বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

বিজ্ঞপ্তিতে আরও উল্লেখ করা হয়, এ সময় জেলার সব পর্যটনকেন্দ্রের পাশাপাশি ঝরনা, পাহাড়ি ট্রেইল, নদীপথ, দুর্গম এলাকা ও অন্যান্য ঝুঁকিপূর্ণ স্থানে পর্যটক, ট্যুর অপারেটর এবং সর্বসাধারণের ভ্রমণ সম্পূর্ণভাবে নিষিদ্ধ থাকবে।

জেলা প্রশাসন সংশ্লিষ্ট সবাইকে এ নির্দেশনা কঠোরভাবে মেনে চলার পাশাপাশি প্রয়োজনীয় সতর্কতা অবলম্বনের আহ্বান জানিয়েছে।

কালের আলো/এএইচ/এমএসআইপি

বরগুনায় বিদ্যুৎকেন্দ্রে আগুন বন্ধ থাকতে পারে বিদ্যুৎ সরবরাহ

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৭ জুলাই, ২০২৬, ১:৪৪ পূর্বাহ্ণ
বরগুনায় বিদ্যুৎকেন্দ্রে আগুন বন্ধ থাকতে পারে বিদ্যুৎ সরবরাহ

সোমবার (৬ জুলাই) রাত সাড়ে ১০ টার দিকে বরগুনা সদর উপজেলার ২ নম্বর গৌরীচন্না ইউনিয়নের খেজুরতালা নামক এলকার গ্রিড সবস্টেশনে এ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে।

পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির বরগুনা জোনাল অফিস ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গৌরীচন্না ইউনিয়নের খেজুরতলা এলাকার গ্রিড সাবস্টেশনটির মাধ্যমে বরগুনা সদর উপজেলায় পল্লী বিদ্যুত সঞ্চালন ও বিতরণের নিয়ন্ত্রণ করা হয়।

রাতে হঠাৎ করে ওই সাবস্টেশনটির ভেতরে একটি বিকট শব্দ হয়। এর পরপরই স্টেশনটির ৬ নম্বর ফিডারে আগুন লেগে যায়। আগুনের স্থায়িত্ব মাত্র ১ থেকে ২ মিনিট হলেও স্টেশনের ভিতরে থাকা অন্য ফিডার, বিভিন্ন তারের সংযোগ পুড়ে যাওয়াসহ কিছু যন্ত্রাংশ ক্ষতিগ্রস্ত হয়। তবে এ ঘটনায় বড় কোনো দুর্ঘটনা না ঘটলেও বরগুনা সদর উপজেলার ১০টি ইউনিয়নের ৬৭ হাজার গ্রাহক এখন বিদ্যুৎ বিচ্ছিন্ন অবস্থায় রয়েছেন।

এ বিষয়ে পটুয়াখালী পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির বরগুনা জোনাল অফিসের ডিজিএম মোহাম্মদ নাজমুল হাসান বলেন, রাতে অফিসেই ছিলাম। হঠাৎ করে বিকট একটা শব্দ হয়ে বিদ্যুৎ বন্ধ হয়ে যায়। পরে ঘটনাস্থলে এসে দেখি ১১ কেভি এসিআর বিস্ফোরণ হয়ে বিদ্যুৎ সঞ্চালন বন্ধ হয়ে গেছে। এ ছাড়াও অনেক তার ও যন্ত্রাংশ পুড়ে গেছে।

আমরা কাজ শুরু করেছি এবং সকল যন্ত্রাংশ পরীক্ষা করছি। তবে যে যন্ত্রাংশটি পুড়েগেছে তা পটুয়াখালী থেকে নিয়ে আসতে হবে। আমাদের চেষ্টা  অব্যাহত রয়েছে। রাতের মধ্যে বিদ্যুৎ সঞ্চালন চালু করতে না পারলেও আগামীকাল সকালের মধ্যে চালু করার সর্বোচ্চ চেষ্টা করব।

কী কারণে এ ঘটনা ঘটেছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, অভ্যান্তরীন ত্রুটির কারণে এ ঘটনা ঘটতে পারে। তবে এখন পর্যন্ত নিশ্চিতভাবে বোঝা যাচ্ছে না কেনো এ ঘটনা ঘটেছে৷

কালের আলো/এএইচ/এমএসআইপি