খুঁজুন
                               
রবিবার, ১২ এপ্রিল, ২০২৬, ২৯ চৈত্র, ১৪৩২
           

অল্প পোশাকেই নিত্যনতুন স্টাইল: ক্যাপসুল ওয়ার্ডরোবের ম্যাজিক

লাইফস্টাইল ডেস্ক
প্রকাশিত: রবিবার, ৫ এপ্রিল, ২০২৬, ৭:৪৩ অপরাহ্ণ
অল্প পোশাকেই নিত্যনতুন স্টাইল: ক্যাপসুল ওয়ার্ডরোবের ম্যাজিক

আলমারি ভর্তি পোশাক, অথচ প্রতিদিন সকালে পরার মতো মানানসই কিছু খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না- এই অতি পরিচিত সমস্যার নাম ‘ডিসিশন ফ্যাটিগ’। অধিকাংশ মানুষই প্রয়োজনের চেয়ে বেশি পোশাক কেনেন, কিন্তু শেষ পর্যন্ত পছন্দের ৩-৪টি পোশাকই বারবার ঘুরিয়ে-ফিরিয়ে পরেন।

এই সমস্যার এক আধুনিক ও জাদুকরী সমাধান হলো ‘ক্যাপসুল ওয়ার্ডরোব’ (Capsule Wardrobe)। বর্তমানে এটি বিশ্বজুড়ে স্মার্ট ও মিতব্যয়ী ফ্যাশনের এক অনন্য ট্রেন্ড হিসেবে জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে, যার মূল দর্শন হলো- ‘কোয়ালিটি ওভার কোয়ান্টিটি’। অর্থাৎ অনেক সস্তা পোশাকের বদলে অল্প কিছু মানসম্মত ও টেকসই পোশাক রাখা।

কীভাবে সাজাবেন নিজের ক্যাপসুল ওয়ার্ডরোব?
একটি আদর্শ ক্যাপসুল ওয়ার্ডরোবে সাধারণত ২০ থেকে ৩০টি আইটেম থাকে। নিজের সংগ্রহ সাজানোর ৪টি কার্যকর কৌশল-

ভার্সেটাইল ও বেসিক পোশাক: প্রথমেই আলমারি থেকে সেই পোশাকগুলো আলাদা করুন যেগুলো সবচেয়ে আরামদায়ক। অন্তত দুটি ভালো মানের ডেনিম প্যান্ট, সাদা ও কালো শার্ট এবং একটি ব্লেজার বা জ্যাকেট তালিকায় রাখুন। এমন পোশাক বেছে নিন যা Mix and Match করে অফিস এবং বিকালের আউটিং উভয় জায়গায় পরা যায়।

ফেব্রিক বা কাপড়ের গুণমান: ক্যাপসুল ওয়ার্ডরোবের মূল ভিত্তি হলো স্থায়িত্ব। তাই সুতি বা লিনেনের মতো আরামদায়ক এবং টেকসই কাপড় বেছে নিন। বিশেষ করে যারা কর্মব্যস্ত জীবন যাপন করেন, তারা এমন ফেব্রিক বেছে নিন যা বারবার ধোয়ার পরও নষ্ট হয় না এবং দ্রুত ঘাম শুষে নেয়।

টোনাল ড্রেসিং (Tonal Dressing): আপনার আলমারিতে একই রঙের বিভিন্ন শেড (যেমন গাঢ় নীল প্যান্টের সাথে হালকা নীল শার্ট) রাখুন। এই কৌশলটি আপনাকে অল্প পোশাকেও অত্যন্ত আভিজাত্যপূর্ণ ও স্টাইলিশ দেখাবে। সাদা, কালো বা ধূসর রঙের মতো নিউট্রাল কালারকে এক্ষেত্রে বেশি গুরুত্ব দিন।

লেয়ারিং (Layering): আবহাওয়া বা পরিবেশ অনুযায়ী পোশাকের ওপর আরেকটি স্তর (যেমন টিশার্টের ওপর একটি হালকা জ্যাকেট বা শ্রাগ) যোগ করে নতুন স্টাইল তৈরি করুন। লেয়ারিংয়ের মাধ্যমে একটি সাধারণ পোশাককেও মুহূর্তেই ফ্যাশনেবল করে তোলা সম্ভব।

ক্যাপসুল ওয়ার্ডরোবের উপকারিতা
১. সময় বাঁচায়: প্রতিদিন সকালে কী পরবেন তা নিয়ে দীর্ঘক্ষণ ভাবতে হয় না।
২. টাকা সাশ্রয়: অপ্রয়োজনীয় কেনাকাটা কমে যায়, ফলে দীর্ঘমেয়াদে অনেক টাকা বাঁচে।
৩. পরিবেশবান্ধব: এটি ‘স্লো ফ্যাশন’ (Slow Fashion)-কে উৎসাহিত করে, যা পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষায় সহায়ক।
৪. আত্মবিশ্বাস বাড়ায়: প্রতিটি পোশাক আপনার ব্যক্তিত্বের সঙ্গে মানানসই হওয়ায় আপনি যেকোনো জায়গায় আত্মবিশ্বাসের সঙ্গে উপস্থিত হতে পারেন।

স্মার্ট টিপস
মিনিমালিস্ট ফ্যাশন মানেই বোরিং পোশাক নয়। সানগ্লাস, ঘড়ি, বেল্ট বা আরামদায়ক স্নিকার্সের মাধ্যমে আপনি লুকে ভিন্নতা আনতে পারেন। মনে রাখবেন, ফ্যাশন মানে কেবল দামী কাপড় নয়; বরং অল্প পোশাকে নিজেকে স্মার্টভাবে উপস্থাপন করাই আসল আভিজাত্য।

অপ্রয়োজনীয় কেনাকাটা বন্ধ করে আজই শুরু করুন আপনার ক্যাপসুল ওয়ার্ডরোব জার্নি। অল্প পোশাকেই হয়ে উঠুন প্রতিদিনের সেরা স্টাইলিশ।

৪৩ দিনে ৪১ হাজার কোটি টাকা ঋণ নিয়েছে সরকার

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: রবিবার, ১২ এপ্রিল, ২০২৬, ১০:০১ পূর্বাহ্ণ
৪৩ দিনে ৪১ হাজার কোটি টাকা ঋণ নিয়েছে সরকার

বাংলাদেশ ব্যাংক

বেসরকারি খাতে ঋণ প্রবৃদ্ধি যখন দীর্ঘদিন ধরে নিম্নমুখী, ঠিক সেই সময়ে ব্যাংক ব্যবস্থা থেকে বিপুল অঙ্কের ঋণ নিচ্ছে সরকার। সদ্য দায়িত্ব নেওয়া বিএনপি সরকারের মাত্র দেড় মাসেই ব্যাংক খাত থেকে ঋণ নেওয়া হয়েছে ৪০ হাজার ৭৫৬ কোটি টাকা, যা অর্থনীতিতে নতুন করে চাপের ইঙ্গিত দিচ্ছে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

বাংলাদেশ ব্যাংকের সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, ১৬ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত ব্যাংক খাত থেকে সরকারের মোট ঋণের পরিমাণ ছিল ৬৮ হাজার ২৩০ কোটি টাকা। তবে ৩১ মার্চ শেষে তা বেড়ে দাঁড়িয়েছে এক লাখ ৮ হাজার ৯৮৫ কোটি টাকায়। অর্থাৎ স্বল্প সময়ের ব্যবধানে বিপুল অঙ্কের নতুন ঋণ যুক্ত হয়েছে। এর মধ্যে ৭৮ হাজার ৪৯ কোটি টাকা এসেছে বাণিজ্যিক ব্যাংক থেকে এবং ৩০ হাজার ৯৩৬ কোটি টাকা নেওয়া হয়েছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক থেকে।

অর্থনীতিবিদ ও ব্যবসায়ীরা বলছেন, সরকারের এই বাড়তি ঋণগ্রহণ বেসরকারি খাতে অর্থপ্রবাহে চাপ তৈরি করতে পারে। যদিও বর্তমান ব্যবসা পরিস্থিতি দুর্বল থাকায় তাৎক্ষণিক প্রভাব কম হতে পারে, তবে দীর্ঘমেয়াদে এর নেতিবাচক প্রভাব পড়ার আশঙ্কা রয়েছে।

বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য বলছে বলছে, চলতি অর্থবছরের নয় মাসেই ব্যাংক ঋণের পরিমাণ পুরো বছরের লক্ষ্যমাত্রাকে ছাড়িয়ে গেছে। যেখানে পুরো বছরের লক্ষ্যমাত্রা ছিল এক লাখ চার হাজার কোটি টাকা, সেখানে মার্চের শেষেই ঋণের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে এক লাখ ছয় হাজার ৫১ কোটি টাকায়। পরবর্তীতে বিশেষ নিলামের মাধ্যমে আরও ১০ হাজার কোটি টাকা সংগ্রহ করা হয়েছে।

অন্যদিকে বেসরকারি খাতে ঋণ প্রবৃদ্ধি নেমে এসেছে ৬.০৩ শতাংশে, যা সাম্প্রতিক সময়ে সর্বনিম্ন পর্যায়ের কাছাকাছি। দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক অনিশ্চয়তা, উচ্চ সুদহার, খেলাপি ঋণের চাপ এবং বিনিয়োগ স্থবিরতার কারণে এই খাতে গতি ফিরছে না।

এ বিষয়ে বাংলাদেশ নিটওয়্যার ম্যানুফ্যাকচারার্স অ্যান্ড এক্সপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশনের (বিকেএমইএ) সভাপতি মোহাম্মদ হাতেম বলেন, ‘বর্তমানে ব্যবসা-বাণিজ্যের অবস্থা ভালো নয়। তাই এখনই বড় চাপ নাও পড়তে পারে। তবে সরকার যদি ধারাবাহিকভাবে ব্যাংক থেকে বেশি ঋণ নেয়, তাহলে ভবিষ্যতে তা অর্থনীতির জন্য ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে উঠবে।

ঢাকা চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির (ডিসিসিআই) সভাপতি তাসকীন আহমেদ বলেন, ‘ব্যাংক খাতে তারল্য সংকট রয়েছে। খেলাপি ঋণসংক্রান্ত কঠোর নীতির কারণে অনেক ব্যবসায়ী ঋণ পাচ্ছেন না। পাশাপাশি প্রায় অর্ধেক ব্যাংক মূলধন ঘাটতিতে থাকায় তারা নতুন বিনিয়োগে যেতে পারছে না।’

এদিকে মধ্যপ্রাচ্যের চলমান উত্তেজনা ও বিশ্ববাজারে জ্বালানি ও খাদ্যের মূল্যবৃদ্ধি দেশের অর্থনীতিতে নতুন চাপ তৈরি করেছে। বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাতে আগামী জুন পর্যন্ত সরকারের অতিরিক্ত ব্যয় হতে পারে প্রায় ৩৯ হাজার কোটি টাকা। এর সঙ্গে যোগ হয়েছে রাজস্ব আয়ের বড় ঘাটতি। চলতি অর্থবছরের প্রথম আট মাসেই এই ঘাটতির পরিমাণ দাঁড়িয়েছে প্রায় ৭১ হাজার ৪৭২ কোটি টাকা।

এ বিষয়ে সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগ (সিপিডি)-এর ড. মুস্তাফিজুর রহমান বলেন, আমাদের প্রধান লক্ষ্য হওয়া উচিত ঋণ ফাঁদ এড়ানো। বর্তমান পরিস্থিতিতে ঋণ নেওয়া অনিবার্য হলেও রাজস্ব আহরণ বাড়ানো ছাড়া টেকসই সমাধান সম্ভব নয়।

অন্যদিকে প্রতিনিয়তই লাগামহীন বাড়ছে দেশের বিদেশি ঋণের পরিমাণ। ২০০৭ সালে তত্ত্বাবধায়ক সরকারের আমলে রেখে যাওয়া ২০.৬৫ বিলিয়ন ডলারের ঋণ হু-হু করে বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১১৩ বিলিয়ন ডলারে। ২০২৫ সালের ডিসেম্বর শেষে বাংলাদেশের মোট বৈদেশিক ঋণের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে১১৩ দশমিক ৫১ বিলিয়ন ডলার (১১ হাজার ৩৫১ কোটি ডলার), যা বাংলাদেশি মুদ্রায় প্রায় ১৩ লাখ ৯৬ হাজার ১৭৩ কোটি টাকা। সে হিসেবে মাথাপিছু বিদেশি ঋণ দাঁড়িয়েছে ৭৯,৪৬৩ টাকা। যা বর্তমানে দেশের মোট রিজার্ভের তিন গুনেরও বেশি। বিদেশি ঋণের এই অর্থ বাংলাদেশের প্রায় দুইটি বাজেটের সমান।

বর্তমানে সরকারের মোট ঋণের পরিমাণ প্রায় ২৩ লাখ কোটি টাকা। এর মধ্যে বৈদেশিক ঋণ রয়েছে ৯ হাজার ৩৪৬ কোটি ডলার, যা টাকায় প্রায় সাড়ে ১১ লাখ কোটি টাকা। এছাড়া সঞ্চয়পত্রে রয়েছে ৩ লাখ ৪২ হাজার কোটি টাকা এবং ব্যাংকসহ অন্যান্য দেশীয় উৎস থেকে নেওয়া ঋণের পরিমাণ প্রায় ৮ লাখ কোটি টাকা। এই বিপুল ঋণের বিপরীতে সুদ পরিশোধেই সরকারের ব্যয়ের বড় একটি অংশ চলে যাচ্ছে।

কালের আলো/এসাআর/ এএএন 

যুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্র যা পায়নি, আলোচনায় তা চেয়েছে : ইরান

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
প্রকাশিত: রবিবার, ১২ এপ্রিল, ২০২৬, ৯:৩৬ পূর্বাহ্ণ
যুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্র যা পায়নি, আলোচনায় তা চেয়েছে : ইরান

ইসলামাবাদে ২১ ঘণ্টা ধরে আলোচনার পরও ব্যর্থ হয়েছে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানি প্রতিনিধিদের বৈঠক। কোনো শান্তি বা সমঝোতা চুক্তি ছড়াই ফিরে যাচ্ছেন দুই দেশের প্রতিনিধিরা।

বৈঠকের ব্যর্থতা নিয়ে ইরানের প্রতিনিধি দল এখনও আনুষ্ঠানিক কোনো সংবাদ সম্মেলন করেনি। তবে ইরানি প্রতিনিধি দলের সূত্রের বরাত দিয়ে দেশটির সংবাদামাধ্যম ফার্স নিউজ জানিয়েছে—হরমুজ প্রণালি, পরমাণু প্রকল্পসহ বিভিন্ন ইস্যুতে দুই দেশের প্রতিনিধিদের মত পার্থক্যের কারণেই ব্যর্থ হয়েছে বৈঠক।

হরমুজ প্রণালি, ইরানের শান্তিপূর্ণ প্রকল্পসহ বিভিন্ন ইস্যুতে যুক্তরাষ্ট্রের উচ্চাকাঙ্ক্ষী শর্ত এ বৈঠকের ব্যর্থতার প্রধান কারন। যুদ্ধে তারা যা যা অর্জন করতে পারেনি, আলোচনার মাধ্যমে সেসব তারা দখল করতে চেয়েছিল, ফার্স নিউজকে বলেছে ইরানি প্রতিনিধি দলের সূত্র।

উল্লেখ্য,ইরানের পরমাণু প্রকল্প এবং ক্ষেপণাস্ত্র কর্মসূচি গত দু’যুগ ধরে দেশটির সঙ্গে দ্বন্দ্ব চলছে যুক্তরাষ্ট্রের। এ দুই ইস্যুতে গত ৬ ফেব্রুয়ারি থেকে ২৭ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত ২১ দিন ধরে সংলাপ চলে তেহরান এবং ওয়াশিংটনের মধ্যে। ২৭ ফেব্রুয়ারি কোনো প্রকার সমঝোতা চুক্তি ছাড়াই শেষ হয় সেই সংলাপ।

তার পরের দিন ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরানে ‘অপারেশন এপিক ফিউরি’ শুরু করে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক বাহিনী। ওয়াশিংটনের সঙ্গে তাল মিলিয়ে একই সময়ে ইরানে সামরিক অভিযান ‘অপারেশন রোয়ারিং লায়ন’ শুরু করে ইসরায়েলও।

সংলাপ ও কূটনৈতিক পন্থায় উত্তেজনা প্রশমনের জন্য গত ৭ এপ্রিল যুদ্ধবিরতি ঘোষণা করে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান। তারই ধারাবাহিকতায় গতকাল ১১ এপ্রিল সংলাপে বসেছিলেন দুই দেশের সরকারি প্রতিনিধিরা, যা কোনো চুক্তি ছাড়াই শেষ হয়েছে।

সূত্র : আলজাজিরা

কালের আলো/আরডি/এমডিএইচ

শান্তি আলোচনা ব্যর্থ হওয়ার পর পাকিস্তান ছাড়লেন ভ্যান্স

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
প্রকাশিত: রবিবার, ১২ এপ্রিল, ২০২৬, ৯:২৮ পূর্বাহ্ণ
শান্তি আলোচনা ব্যর্থ হওয়ার পর পাকিস্তান ছাড়লেন ভ্যান্স

ইরানের সঙ্গে আলোচনায় সমঝোতায় পৌঁছাতে ব্যর্থ হওয়ার কথা জানানোর পরপরই পাকিস্তান ত্যাগ করেছেন মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট জে ডি ভ্যান্স। এয়ার ফোর্স টু বিমানে করে পাকিস্তানের ইসলামাবাদ থেকে যুক্তরাষ্ট্রের ওয়াশিংটনের উদ্দেশে রওনা হয়েছেন ভ্যান্স ও যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিনিধি দলের সদস্যরা। বিমানটি উড্ডয়নের আগে তিনি সিঁড়ির উপর থেকে হাত নাড়েন।

শনিবার (১১ এপ্রিল) বিকেলে পাকিস্তানের মধ্যস্থতায় অনুষ্ঠিত ত্রিপক্ষীয় ‘ইসলামাবাদ আলোচনা’ শুরু হওয়ার প্রায় ২১ ঘণ্টা পর রোববার (১২ এপ্রিল) সকালে শেষ হয়। পরে সেখানে একটি সংবাদ সম্মেলন করেন মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট। এর পরেই মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট পাকিস্তান ত্যাগ করেন।

সংবাদ সম্মেলনে ভ্যান্স বলেন, আমরা ২১ ঘণ্টা ধরে আলোচনা করেছি এবং বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ আলোচনাও করেছি, এটাই ভালো খবর। তবে ‘খারাপ খবর হলো, আমরা কোনো চুক্তিতে পৌঁছাতে পারিনি,’ যোগ করেন তিনি।

যুক্তরাষ্ট্র ‘সৎ উদ্দেশ্য নিয়েই এসেছিল’ উল্লেখ করে ভ্যান্স বলেন, যুক্তরাষ্ট্র নমনীয় মনোভাব এবং ‘সৎ উদ্দেশ্য নিয়েই’ আলোচনায় এসেছিল, কিন্তু দুই পক্ষ সমঝোতায় পৌঁছাতে না পারায় বিষয়টি দুর্ভাগ্যজনক।

সূত্র : বিবিসি, ডন

কালের আলো/আরডি/এমডিএইচ