খুঁজুন
                               
বৃহস্পতিবার, ২৫ জুন, ২০২৬, ১১ আষাঢ়, ১৪৩৩
           

নেইমারকে নিয়ে ভবিষ্যদ্বাণী, বিশ্বকাপ খেলার সম্ভাবনা ক্রমান্বয়ে বাড়ছে!

স্পোর্টস ডেস্ক
প্রকাশিত: রবিবার, ১২ এপ্রিল, ২০২৬, ১২:৫৭ অপরাহ্ণ
নেইমারকে নিয়ে ভবিষ্যদ্বাণী, বিশ্বকাপ খেলার সম্ভাবনা ক্রমান্বয়ে বাড়ছে!

আসন্ন ফুটবল বিশ্বকাপের অন্যতম ফেভারিট ব্রাজিলের প্রসঙ্গ এলেই আলোচনায় ওঠে নেইমার জুনিয়রের নাম। আগামী ১৮ মে কার্লো আনচেলত্তির ব্রাজিলের বিশ্বকাপ স্কোয়াড ঘোষণা করবেন। সেখানে এই তারকা ফরোয়ার্ড থাকবেন কি না সেই প্রশ্ন অনেক দিনের। মাঠের পারফরম্যান্স, শারীরিক ফিটনেস, সাম্প্রতিক এক বিতর্কিত মন্তব্য এবং বাজির বাজার মিলিয়ে নেইমারের বিশ্বকাপে থাকা নিয়ে নানা আলাপ ঘুরপাক খাচ্ছে।

বাজিকররাও (বুকমেকার) ইতোমধ্যে এই অনিশ্চয়তাকে কেন্দ্র করে বাজির দর নির্ধারণ শুরু করেছে। ব্রাজিলিয়ান সংবাদমাধ্যম ‘ও গ্লোবো’র প্রতিবেদনে বলা হয়, পূর্বাভাসবিষয়ক বিশ্বের জনপ্রিয় পূর্বাভাসভিত্তিক প্ল্যাটফর্ম ‘পলিমার্কেট’-এ ২০২৬ বিশ্বকাপে নেইমারের অংশগ্রহণের সম্ভাবনা দেখানো হচ্ছে মাত্র ৩৭ শতাংশ। যা তার ফিটনেস ও মাঠের বাইরের পরিস্থিতি নিয়ে সংশয়ের প্রতিফলন। যদিও এই প্রতিবেদন প্রকাশের সময় সেই সম্ভাবনা বেড়ে ৫৭ শতাংশ ছাড়িয়েছে।

এক্ষেত্রে অবশ্য আনচেলত্তির সাম্প্রতিক মন্তব্য ভূমিকা রাখতে পারে। তিনি নেইমারের সাম্প্রতিক পারফরম্যান্স সঠিক পথে আছে জানিয়ে দুই মাসে আরও উন্নতির প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন। ব্রাজিলের চূড়ান্ত স্কোয়াড ঘোষণার আগে নেইমারের হাতে রয়েছে প্রায় ১১টি ম্যাচ, যেখানে পারফরম্যান্স দেখিয়ে তাকে আনচেলত্তি নেতৃত্বাধীন কোচিং প্যানেলকে সন্তুষ্ট করতে হবে। বারবার ইনজুরি ও বিশৃঙ্খল জীবনযাপন নিয়ে নেইমারের সমালোচনা আগে থেকেই ছিল, এর ভেতর গত সপ্তাহে একটি ঘটনায় পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে যায়।

ব্রাজিলিয়ান চ্যাম্পিয়নশিপে রেমোর বিপক্ষে ম্যাচের পর এক সাক্ষাৎকারে নেইমার রেফারির সমালোচনা করতে গিয়ে বিতর্কিত মন্তব্য করে বসেন। তিনি বলেন, ‘রেফারির আচরণ রীতিমতো অশ্রদ্ধার পর্যায়ে চলে যাচ্ছে। সে ম্যাচের তারকা হতে চায়। খেলোয়াড়দের প্রতি তার আচরণ মোটেও সম্মানজনক নয়। কারও কথা শুনতে চায় না। সবখানে আধিপত্য বজায় রাখতে চায়। সাম্পাইও এমন–ই, মনে হচ্ছে তার পিরিয়ড চলছে।’

নারী-সংশ্লিষ্ট সেই মন্তব্য ব্যাপক সমালোচনার জন্ম দেয় এবং আন্তর্জাতিক পর্যায়েও নেতিবাচক প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি করে। পরবর্তীতে নিজের ইউটিউব চ্যানেলে একটি ভিডিও প্রকাশ করে বিষয়টি নিয়ে কথা বলেন ব্রাজিল তারকা। সেখানে তার বন্ধু বিয়াঙ্কা কইম্ব্রার সঙ্গে আলোচনায় আসে বিষয়টি। নেইমারের সমর্থনে ব্যাখ্যা দিতে গিয়ে বিয়াঙ্কা বলেন, ‘ঐতিহাসিকভাবে নারীদের পিরিয়ড চলাকালীন আচরণ ভুলভাবে উপস্থাপন করা হয়। ওই সময়ের সঙ্গে ভুল সিদ্ধান্তকে যুক্ত করলে অবমূল্যায়ন করা হয় নারীদের সিদ্ধান্ত গ্রহণ প্রক্রিয়াকে।’

এদিকে, নারী-বিদ্বেষী বা লিঙ্গগত তুচ্ছ-প্রতিপন্ন মন্তব্য ও আচরণের জন্য নেইমার শাস্তি পেতে পারেন বলেও শঙ্কার কথা জানায় ব্রাজিলিয়ান গণমাধ্যমগুলো। যদিও সান্তোসের এই ব্রাজিলিয়ান ফরোয়ার্ডের মনোযোগ বিশ্বকাপের স্কোয়াডে জায়গা পাওয়ার দিকে। ক্লাবটি বিশ্বকাপের আগে যত বেশি সম্ভব নেইমারকে ম্যাচ খেলাতে চায়। সে কারণে সম্প্রতি ফিফার মার্চ উইন্ডোর সময় তার হাঁটুতে ‘প্লাটিলেট রিচ প্লাজমা’ পদ্ধতিতে চিকিৎসা করা হয়েছে। এরপর থেকে তিনি শক্তি, গতি ও সহনশীলতা বাড়ানোর জন্য বিশেষ অনুশীলন করছেন।

গতকাল সান্তোসের জার্সিতে মাঠে নেমেছিলেন নেইমার। যেখানে পয়েন্ট টেবিলে এগিয়ে থাকা অ্যাতলেটিক মিনেইরোকে ১-০ ব্যবধানে হারায় তার ক্লাব। এই তারকা ফরোয়ার্ডও ম্যাচটিতে পুরো ৯০ মিনিট খেলেছেন। এর আগে ইকুয়েডরের ২৫০০ মিটার উচ্চতায় অনুষ্ঠিত ডিপোর্তিভো কুয়েঙ্কার বিপক্ষে ম্যাচে নেইমার খেলেননি। এখনও তিনি পুরোপুরি ফিট নন বলেই ধারণা করা হচ্ছে। ক্লাবটির জার্সিতে শেষবার তিনি আন্তর্জাতিক ক্লাব টুর্নামেন্টে খেলেছিলেন ২০১২ সালের লিবার্তাদোরেসে, যেখানে সেমিফাইনালে করিন্থিয়ান্সের কাছে হেরে বিদায় নিয়েছিল সান্তোস।

দক্ষিণ আমেরিকার প্রতিযোগিতায় শুরুতেই না খেলতে পারায় আন্তর্জাতিক পর্যায়ে তার প্রত্যাবর্তন আরও বিলম্বিত হয়েছে। তবে শারীরিক অবস্থার উন্নতি হলে সামনে আর্জেন্টিনা ও প্যারাগুয়েতে অনুষ্ঠিত ম্যাচগুলোতে তিনি অংশ নিতে পারেন। সবমিলিয়ে নেইমারের বিশ্বকাপ খেলার বিষয়টি এখনও অনিশ্চয়তায়। ফিটনেস, আসন্ন ম্যাচে পারফরম্যান্স, মাঠের বাইরের বিতর্ক এবং বাজির বাজার মিলিয়ে সেই জল্পনা আরও বাড়িয়েছে।

কালের আলো/এসএকে

গুণীদের সম্মান জানালে গর্বিত জাতি হবে বাংলাদেশ: ড. মঈন খান

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২৫ জুন, ২০২৬, ১২:৩২ অপরাহ্ণ
গুণীদের সম্মান জানালে গর্বিত জাতি হবে বাংলাদেশ: ড. মঈন খান

বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ও সংসদ সদস্য ড. আব্দুল মঈন খান বলেছেন, গুণী মানুষদের সম্মান জানাতে পারলে শুধু নিজেরা নয়, বাংলাদেশ একটি গর্বিত জাতি হিসেবে উপনীত হবে। আগামী দিনে বাংলাদেশে গুণী মানুষদের যথাযথ সম্মান দেওয়ারও আহ্বান জানান তিনি।

বুধবার (২৫ জুন) জাতীয় প্রেসক্লাবে দৈনিক ইত্তেফাক ও দিনকালের সাবেক সম্পাদক আখতার উল আলমের স্মরণসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। অনুষ্ঠানের আয়োজন করে বাংলাদেশ জাতীয় সাংবাদিক সমিতি।

আখতার উল আলমের স্মৃতিচারণ করে মঈন খান বলেন, এমন একটি সময় ছিল যখন সত্য কথা লিখতে সাংবাদিকদের জন্য নিজ নামে লেখা ঝুঁকিপূর্ণ ছিল। সে কারণে আখতার উল আলম ‘লুব্ধক’ ছদ্মনামে লিখতেন। ‘লুব্ধক’ শুধু একটি ছদ্মনাম নয়, এটি ছিল অন্যায়ের বিরুদ্ধে প্রতিবাদের একটি কৌশল। তিনি সামাজিক ও রাজনৈতিক বাস্তবতা নিয়ে লিখতেন। তার লেখায় উদারচেতা বাস্তবতার প্রতিফলন ছিল। পাশাপাশি আন্তর্জাতিক সম্পর্ক, ভূরাজনীতি, কূটনীতি ও বৈদেশিক অর্থনীতি নিয়েও তিনি নিয়মিত লিখতেন।

১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধের সময় তার ভূমিকার কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, ১৯৭১ সালে পাকিস্তানি বাহিনীর দমন-পীড়নের বিরুদ্ধে অবস্থান নেওয়ায় তাকে ক্যান্টনমেন্টে বন্দিও হতে হয়েছিল। তিনি ছিলেন স্বাধীনতার পক্ষে একজন দৃঢ় অবস্থানের মানুষ। সেই সময়ে অনেকে প্রতিবাদের সাহস দেখাতে পারেনি।

সাংবাদিকতার বাইরেও ১৯৯২ থেকে ১৯৯৬ সাল পর্যন্ত আখতার উল আলমকে বাহরাইনে বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত করে স্বীকৃতি দেওয়া হয়েছিল বলে উল্লেখ করে মঈন খান বলেন, তিনি সফলতার সঙ্গে ওই দায়িত্ব পালন করেন। রংপুরের মিঠাপুকুরে ১৯৩৯ সালে জন্ম নেওয়া আক্তারুল আলম পরবর্তী সময়ে সাংবাদিকতা, সাহিত্য ও কূটনীতির জগতে নিজস্ব অবস্থান তৈরি করেছিলেন বলেও জানান তিনি।

দেশ ও দেশের মানুষের জন্য যারা অবদান রেখেছেন, সেসব বরেণ্য অনেক মানুষকে স্মরণ করা হয় না বলে মন্তব্য করেন অধ্যাপক মাহবুব উল্লাহ।

তিনি বলেন, তাদেরকে মর্যাদা দিয়ে স্মরণ করা উচিত। জাতীয় পর্যায়ের গুরুত্বপূর্ণ নেতাদের স্মরণ করি না। শেরে বাংলা একে ফজলুল হক, হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দীর জন্য কি রাষ্ট্রীয়ভাবে কোনো অনুষ্ঠান হয়? শুধু টেলিভিশন-সংবাদ পত্রে বিবৃতি দেওয়া হয়। যে জাতি তার বীর ও পথপ্রদশর্কদের স্মরণ করতে পারে না সেই জাতি সুষ্ঠু ও সঠিকভাবে আগামীর পথে এগোতে পারে না।

সরকার ও রাষ্ট্রের কাছে আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, আমাদের দেশের মহৎ পুরুষ, অগ্রগামী মানুষ তাদের ইতিহাস, তাদের কাজ-সংগ্রাম যেন ভবিষ্যত প্রজন্মের কাছে তুলে ধরতে পারি সেই পরিবেশ নিশ্চিত করতে হবে। বরেণ্য মানুষদের স্মরণ করার জন্য একটা সংগঠন করার দাবিও জানান তিনি।

জাতীয় পর্যায়ে একটি তথ্যভাণ্ডার গঠনের প্রস্তাব দাবি জানিয়ে বিএনপি চেয়ারম্যানের উপদেষ্টা সৈয়দ মোয়াজ্জেম হোসেন আলাল বলেন, তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়, সাংবাদিক সমাজ ও সংশ্লিষ্ট বিদগ্ধ ব্যক্তিদের সমন্বয়ে এমন একটি উদ্যোগ নেওয়া যেতে পারে। এতে দেশের কৃতি ও জাতীয় গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিদের তথ্য সংরক্ষিত থাকবে এবং ভবিষ্যৎ প্রজন্ম উপকৃত হবে।

স্মরণ সভায় সভাপতিত্ব করেন আয়োজক সংগঠনের চেয়ারম্যান ও সাবেক ভিসি প্রফেসর ড. আব্দুল লতিফ মাসুম।

কালের আলো/এসআর/এএএন

তারেক-লিউ বৈঠকে বাংলাদেশ-চীন সম্পর্ক আরও এগিয়ে নিতে গুরুত্বারোপ

কালের আলো ডেস্ক
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২৫ জুন, ২০২৬, ১১:৩৯ পূর্বাহ্ণ
তারেক-লিউ বৈঠকে বাংলাদেশ-চীন সম্পর্ক আরও এগিয়ে নিতে গুরুত্বারোপ

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন চীনের কমিউনিস্ট পার্টির আন্তর্জাতিক বিভাগের মন্ত্রী লিউ হাইশিং।

বৃহস্পতিবার (২৫ জুন) চীনের স্থানীয় সময় সকাল ৯টা ১৫ মিনিটে বেইজিংয়ের রাষ্ট্রীয় দিয়াওইউতাই অতিথি ভবনে তাদের সাক্ষাৎ হয়।

বৈঠকের শুরুতে লিউ হাইশিং বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করায় তারেক রহমানকে অভিনন্দন জানান। পাশাপাশি তিনি সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার নয় বার চীন সফরের কথাও উল্লেখ করেন।

লিউ হাইশিং জানান, ২০০১ সালে বেগম খালেদা জিয়ার চীন সফরের ছবি তার সম্মানে চীনের কমিউনিস্ট পার্টির জাদুঘরে সংরক্ষিত রয়েছে।

লিউ হাইশিং বিএনপি ও চীনের কমিউনিস্ট পার্টির মধ্যে স্বাক্ষরিত সমঝোতা স্মারকের (এমওইউ) কথা উল্লেখ করে দুই দলের মধ্যে যোগাযোগ ও সহযোগিতা আরও জোরদার করতে আগ্রহ প্রকাশ করেন। বিশেষ করে গণমাধ্যম, থিংক ট্যাংক, জনগণের মধ্যে যোগাযোগ এবং জীবনমান উন্নয়নের ক্ষেত্রে ভবিষ্যতে সহযোগিতার নতুন ক্ষেত্র তৈরি হবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

চীনের কমিউনিস্ট পার্টির আন্তর্জাতিক বিভাগের মন্ত্রী বলেন, চীন বাংলাদেশের সার্বভৌমত্ব, নিরাপত্তা ও উন্নয়নের দৃঢ় সমর্থক। পারস্পরিক সম্মান ও সহযোগিতার ভিত্তিতে দুই দেশের সম্পর্ক এগিয়ে নেওয়ার ওপরও জোর দেন তিনি।

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বাংলাদেশের বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্প এবং চীন-বাংলাদেশ মৈত্রী হাসপাতাল নির্মাণে চীনের সহযোগিতা প্রত্যাশা করেন। তিনি দুই দেশের দীর্ঘদিনের বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্কের ঐতিহ্য (লিগ্যাসি) ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

তারেক রহমানের বক্তব্যের সঙ্গে একমত পোষণ করে লিউ হাইশিং বলেন, তারেক রহমানের নেতৃত্বে বাংলাদেশের জনগণ আরও উন্নত জীবন লাভ করবে বলে তিনি আশাবাদী।

বৈঠকে তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন, পানিসম্পদমন্ত্রী শহীদউদ্দীন চৌধুরী এ্যানি, প্রধানমন্ত্রীর পররাষ্ট্রবিষয়ক উপদেষ্টা হুমায়ুন কবির, বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন প্রতিমন্ত্রী এম. রশিদুজ্জামান মিল্লাত, বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজসম্পদ প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত, প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা ও মুখপাত্র মাহদি আমিন এবং অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমন উপস্থিত ছিলেন।

অন্যদিকে, চীনের কমিউনিস্ট পার্টির আন্তর্জাতিক বিভাগের ভাইস মিনিস্টার সান হাইয়ান, ঢাকায় নিযুক্ত চীনের রাষ্ট্রদূত এবং সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। সূত্র: বাসস।

কালের আলো/আরডি/এমডিএইচ

প্রতিদিন ঘি-চা খেলে কী হয় জানেন?

লাইফস্টাইল ডেস্ক
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২৫ জুন, ২০২৬, ১১:০৫ পূর্বাহ্ণ
প্রতিদিন ঘি-চা খেলে কী হয় জানেন?

অনেকেই সকালে ঘুম থেকে উঠে দীর্ঘক্ষণ ধরে কোষ্ঠকাঠিন্যের সমস্যায় ভোগেন। পেট ঠিকমতো পরিষ্কার না হওয়া, পেট ফাঁপা বা অস্বস্তি-এসব সমস্যা দৈনন্দিন জীবনকে বেশ কষ্টকর করে তোলে। মূলত অন্ত্রের স্বাভাবিক নড়াচড়া কমে গেলে মলত্যাগ কঠিন হয়ে যায়, আর তখনই কোষ্ঠকাঠিন্যের সমস্যা দেখা দেয়।

এই সমস্যার একটি ঘরোয়া সমাধান হিসেবে অনেকেই বিশেষ এক ধরনের পানীয়ের কথা বলেন, এক কাপ লাল চায়ের সঙ্গে এক চামচ ঘি মিশিয়ে খাওয়া। পুষ্টিবিদ ও ম্যাক্রোবায়োটিক প্রশিক্ষক শিল্পা অরোরা সামাজিক মাধ্যমে এই পদ্ধতির কথা উল্লেখ করেছেন, যা অনেকের কাছে একটি প্রচলিত আয়ুর্বেদিক ঘরোয়া উপায় হিসেবে পরিচিত।

কোষ্ঠকাঠিন্য সাধারণত বিভিন্ন কারণে হতে পারে। যেমন: ডায়াবেটিস, উচ্চ রক্তচাপ, পিসিওডি, অনিয়মিত ঘুম, কম পানি পান করা, আঁশযুক্ত খাবারের অভাব, ব্যায়ামের ঘাটতি বা অতিরিক্ত লাল মাংস খাওয়ার অভ্যাস ইত্যাদি। এসব কারণ অন্ত্রের স্বাভাবিক কাজকর্মে বাধা সৃষ্টি করতে পারে।

এর ফলে শুধু পেটের অস্বস্তিই নয়, পেট ফাঁপা, মাথাব্যথা, ব্যথা এবং কখনও কখনও মুখে দুর্গন্ধের মতো সমস্যাও দেখা দিতে পারে। তাই বিশেষজ্ঞরা সাধারণত সুষম খাদ্যাভ্যাস ও নিয়মিত জীবনযাপন বজায় রাখার পরামর্শ দেন।

ঘি সম্পর্কে বলা হয়, এতে বুটিরিক অ্যাসিড থাকে, যা অন্ত্রের কার্যকারিতা উন্নত করতে সাহায্য করতে পারে এবং মল চলাচল সহজ করতে ভূমিকা রাখে। পাশাপাশি এটি অন্ত্রকে কিছুটা লুব্রিকেট করতে সাহায্য করে বলে ধারণা করা হয়, যা হজম প্রক্রিয়াকে আরামদায়ক করতে পারে।

অন্যদিকে, লাল চা নিয়েও বলা হয় যে এতে থাকা ক্যাফেইন ও অন্যান্য উপাদান শরীরের স্নায়ু-সংকেত সক্রিয় করতে সাহায্য করতে পারে, যা হজম প্রক্রিয়া ও অন্ত্রের গতিবিধিকে কিছুটা উদ্দীপিত করতে ভূমিকা রাখে।

সব মিলিয়ে, ঘি ও লাল চা একসঙ্গে একটি ঘরোয়া উপায় হিসেবে কোষ্ঠকাঠিন্য কমাতে সহায়ক হতে পারে বলে অনেকেই মনে করেন।

কালের আলো/এএইচ/এমএসআইপি