খুঁজুন
                               
, ,
           

কবি ও ছড়াকার মানসুর মুজাম্মিল আর নেই

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: রবিবার, ১২ এপ্রিল, ২০২৬, ৯:১৯ অপরাহ্ণ
কবি ও ছড়াকার মানসুর মুজাম্মিল আর নেই

জনপ্রিয় কবি ও ছড়াকার মানসুর মুজাম্মিল ইন্তেকাল করেছেন। (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজেউন)।

রোববার (১২ এপ্রিল) ভোর সাড়ে ৪টায় রাজধানীর হলি ফ্যামিলি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। তার বয়স হয়েছিল ৬০ বছর।

মৃত্যুকালে তিনি স্ত্রী, এক ছেলে, এক মেয়েসহ অসংখ্য গুণগ্রাহী রেখে গেছেন।

সকাল সাড়ে ৯টায় রাজধানীর গোড়ান ছাপড়া মসজিদে তার প্রথম জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। গ্রামের বাড়ি চাঁদপুরের শাহরাস্তীর দশনাপাড়ায় বেলা ২টায় দ্বিতীয় জানাজা শেষে তাকে সমাহিত করা হবে।

জনপ্রিয় ছড়াকার মানসুর মুজাম্মিলের মৃত্যুতে গভীর শোক জানিয়েছেন লেখক, কবি, সাহিত্যিক ও তার দীর্ঘদিনের সহকর্মীরা। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে অনেকে তাকে নিয়ে স্মৃতিচারণ করছেন।

মানসুর মুজাম্মিলের প্রকাশিত উল্লেখযোগ্য গ্রন্থের মধ্যে রয়েছে— তাওয়ায় জ্বলা রুটি, সোনার বরণ মেয়ে, চাঁদের হাসি, তাজা খুন, এক ব্যাগ অফিসার, হারিয়ে যাবার দিন, সবার সাথে আছি, পা চালিয়ে যাও, দশ আকাশ এবং সুগন্ধি গাছের কাছে। তার ছড়া ও কবিতায় সমাজবাস্তবতা, মানবজীবনের সংগ্রাম এবং সময়ের প্রতিচ্ছবি গভীরভাবে ফুটে উঠেছে।

কালের আলো/এম/এএইচ

হামলার শিকার হতে পারে পুলিশের যানবাহন, সতর্কতা জারি করল সদর দপ্তর

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: রবিবার, ২ আগস্ট, ২০২৬, ২:১৭ পূর্বাহ্ণ
হামলার শিকার হতে পারে পুলিশের যানবাহন, সতর্কতা জারি করল সদর দপ্তর

উগ্রবাদী সংগঠনের সদস্য বা দূস্কৃতিকারীদের দ্বারা পুলিশের ব্যবহৃত যানবাহন হামলার লক্ষ্যবস্তু হতে পারে উল্লেখ করে দেশব্যাপী সতর্কতা জারি করেছে পুলিশ সদর দপ্তর।

তাৎক্ষণিকভাবে মাঠপর্যায়ের সব ইউনিটকে নিরাপত্তাব্যবস্থা জোরদার করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

শনিবার (১ আগস্ট) পুলিশ সদর দপ্তরের অপারেশন্স নিয়ন্ত্রণকক্ষ থেকে পাঠানো এক জরুরি বার্তায় এ নির্দেশনা দেওয়া হয়।

মাঠপর্যায়ের সব ইউনিটকে অতীব গুরুত্বপূর্ণ উল্লেখ বার্তায় পুলিশ সদর দপ্তর জানিয়েছে, উগ্রবাদী সংগঠনের সদস্য/দূস্কৃতিকারী কতৃক পুলিশের ব্যাবহৃত যানবাহন জীপ, পিক-আপ, বাস ইত্যাদি আক্রান্ত হতে পারে। এরকম ঘটনা প্রতিরোধে ডিউটিরত কোন যানবাহন সাময়িক বিরতিতে রাখলে অবশ্যই যথাসম্ভব নিরাপদ স্থানে পার্ক করতে হবে এবং পুলিশের নজরদারির মধ্যে রাখতে হবে।

এছাড়া ডিউটি শেষে থানা, অফিস কম্পাউন্ড, পুলিশ লাইন্সে পার্ক করা গাড়ীসমূহের নিরাপত্তাও একইভাবে জোরদার করতে হবে।

এসব স্থানে নিয়মিত টহল, প্রয়োজনীয় নজরদারি এবং সন্দেহজনক ব্যক্তি বা বস্তু শনাক্তে বিশেষভাবে সতর্ক থাকতে বলা হয়েছে। পাশাপাশি যেকোনো সন্দেহজনক কার্যক্রম তাৎক্ষণিকভাবে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানাতে বলা হয়েছে।

যদিও এব্যাপারে পুলিশ সদর দপ্তরের আনুষ্ঠানিক বক্তব্য পাওয়া যায়নি। তবে পুলিশ সদর দপ্তরের এআইজি(মিডিয়া) এ এইচ এম শাহাদাত হোসাইন গণমাধ্যমকে জানিয়েছেন, পুলিশ মাঝেমধ্যেই নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে বিভিন্ন নির্দেশনা দেয়। এই বার্তা সেই কাজেরই অংশ। পুলিশকে সক্রিয় রাখতে ও সতর্ক করতে এই নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। এসব নির্দেশনায় আতঙ্কিত হওয়ার কিছু নেই।

যদিও আতঙ্কত ছড়ানোর মতো ঘটনা গেলো এক সপ্তাহে ঘটেছে খোদ রাজধানীতে। গত ২৪ জুলাই মতিঝিল মেট্রোরেল স্টেশনের নিচ থেকে একটি ছাতার ভেতরে রাখা বোমা উদ্ধার করা হয়।

পরে পুলিশ জানায়, সেই বোমাটি (আইইডি) ছিল খুবই শক্তিশালী। যা পুলিশ নিষ্ক্রিয় করেছে, বোমাটি সেখানে রাখা হয়েছিল সনাতন ধর্মাবলম্বীদের উল্টোরথ যাত্রার পথে। রথযাত্রার শোভাযাত্রাটি যখন সেই বোমা রাখা স্থান অতিক্রম করছিল তখন পুলিশ সেটি ঘিরে রেখেছিল। আর শোভাযাত্রায় অংশ নেওয়া মানুষদের উদ্দেশ্যে পুলিশের ভাষ্য ছিল, এখানে শর্ট সার্কিট হয়েছে।

একই ঘটনার পরদিন বাংলাদেশ ব্যাংকের সামনে থেকে ছাতা বের হয়ে থাকা একটি বস্তা পড়ে থাকা নিয়ে আতঙ্ক ছড়ায়। বোমা উদ্ধারের ঘটনায় মতিঝিল থানার এসআই মো. মুক্তা বাদী হয়ে বিস্ফোরক দ্রব্য আইনে অজ্ঞাত ব্যক্তিদের আসামি করে একটি মামলা করেছেন।

এসবের মধ্যে গতকাল দুপুরে মিরপুর-১০ মেট্রো স্টেশনের দ্বিতীয় তলায় সন্দেহজনক ব্যাগ এবং একই সময়ে ফার্মগেট মেট্রো স্টেশনের নিচতলায় একটি পিলারের পাশে আরেকটি সন্দেহজনক বস্তা পড়ে থাকতে দেখা যায়। ব্যাগ ও বস্তায় বোমা থাকতে পারে সন্দেহে পুলিশে খবর দেওয়া হয়। যদিও ডিএমপি বোমা উদ্ধার ও নিষ্ক্রিয়কারী দল ঘটনাস্থল গিয়ে পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে জানায়, এগুলোতে কোনো বিস্ফোরক দ্রব্য নেই।

এসব ঘটনা নিয়ে মানুষের মধ্যে আতঙ্ক সৃষ্টি হয়েছে। পুলিশ সদর দপ্তর সূত্র জানিয়েছে, এসব ঘটনা বিবেচনায় নিয়ে এই সতর্কতা জারি করা হয়েছে।

কালের আলো/এএইচ/এমএসআইপি

ক্ষমতার দাম্ভিকতায় জনগণের বিপক্ষে গেলে আ.লীগের মতোই পরিণতি হবে: মোবারক হোসেন

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: শনিবার, ১ আগস্ট, ২০২৬, ১০:২৯ অপরাহ্ণ
ক্ষমতার দাম্ভিকতায় জনগণের বিপক্ষে গেলে আ.লীগের মতোই পরিণতি হবে: মোবারক হোসেন

ক্ষমতার দাম্ভিকতায় জনগণের বিপক্ষে অবস্থান নিলে বর্তমান সরকারেরও আওয়ামী লীগের মতো পরিণতি হতে পারে বলে মন্তব্য করেছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদ সদস্য মোবারক হোসেন।

তিনি বলেন, জনগণের রায় উপেক্ষা করে কেউ দীর্ঘদিন ক্ষমতায় টিকে থাকতে পারে না। তাই গণভোটের রায় মেনে জুলাই সনদ বাস্তবায়নের মাধ্যমে জনগণের প্রত্যাশা পূরণের আহ্বান জানান তিনি।

শনিবার (১ আগস্ট) বিকেলে রাজধানীর বায়তুল মোকাররম উত্তর গেটে জুলাই গণঅভ্যুত্থানের দ্বিতীয় বার্ষিকী উপলক্ষে জামায়াতের ঢাকা মহানগরী দক্ষিণ আয়োজিত সমাবেশে বিশেষ অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। পরে সেখান থেকে একটি গণমিছিল বের করা হয়।

মোবারক হোসেন বলেন, ‘জুলাইকে যারা মুছে দিতে চায়, তাদেরকেই মুছে দিতে হবে। জুলাইয়ের চেতনা তরুণ প্রজন্ম ভুলবে না এবং মুছতে দেবে না। জুলাইয়ের কারণেই অনেকে দেশে ফিরে আসতে পেরেছেন। তাই জুলাইয়ের আকাঙ্ক্ষা বাস্তবায়নের মাধ্যমে কৃতজ্ঞতার পরিচয় দেওয়া উচিত।’

তিনি বলেন, ‘জনগণের বিপক্ষে গিয়ে কেউ ক্ষমতায় টিকে থাকতে পারে না। শেখ হাসিনা ২০৪১ সাল পর্যন্ত ক্ষমতায় থাকার লক্ষ্য নির্ধারণ করেছিলেন। কিন্তু জনগণের বিপক্ষে যাওয়ায় সেই লক্ষ্য ধুলোয় মিশে গেছে। জনগণ শুধু ক্ষমতা থেকেই নামায়নি, দেশ ছাড়তেও বাধ্য করেছে। আজও যারা ক্ষমতার দাম্ভিকতায় জনগণের বিপক্ষে অবস্থান নিয়েছে, তাদের পরিণতিও আওয়ামী লীগের মতো হতে পারে।’

আওয়ামী লীগের পরিণতি ভোগ করার আগেই গণভোটের রায় মেনে জুলাই সনদ বাস্তবায়নের জন্য তিনি সরকারের প্রতি আহ্বান জানান।

সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে জামায়াতের নায়েবে আমির অধ্যাপক মুজিবুর রহমান এমপি বলেন, গণভোটে ৭০ শতাংশ জনগণের রায় উপেক্ষা করার পর বিএনপিকে গণতান্ত্রিক দল বলা যায় না। তার ভাষ্য, জনগণের মতামতকে সম্মান করাই গণতন্ত্রের মূল ভিত্তি। কিন্তু বিএনপি জনগণের মতামত উপেক্ষা করে অগণতান্ত্রিক দলে পরিণত হয়েছে।

তিনি বলেন, গণভোটের রায় বাস্তবায়নের দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত আন্দোলন চলবে। সরকার যদি গণভোটের রায় মেনে জুলাই সনদ বাস্তবায়ন না করে, তাহলে সংসদের লড়াই রাজপথে চলে আসবে। জনগণের রায় অগ্রাহ্য করলে জনগণই সরকারকে প্রত্যাখ্যান করবে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

ঢাকা মহানগরী দক্ষিণের আমির মো. নূরুল ইসলাম বুলবুল এমপির সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সমাবেশে তিনি বলেন, ২০২৪ সালের ১ আগস্ট আওয়ামী লীগ সরকার জামায়াতে ইসলামী ও ইসলামী ছাত্রশিবিরকে নিষিদ্ধ করেছিল। উদ্দেশ্য ছিল জুলাই আন্দোলনকে ভিন্ন খাতে প্রবাহিত করা। তবে রাজনৈতিক দূরদর্শিতার মাধ্যমে সেই ষড়যন্ত্র ব্যর্থ করে দিয়ে ছাত্র-জনতার আন্দোলনের বিজয় নিশ্চিত করতে ভূমিকা রেখেছে জামায়াত।

বুলবুল বলেন, জুলাই বিপ্লবের সবচেয়ে বড় সুবিধাভোগী বিএনপি হলেও পরবর্তীতে দলটি জনগণের সঙ্গে বিশ্বাসঘাতকতা করেছে। সংবিধান সংশোধন কমিটি গঠনকে তিনি জনগণকে বিভ্রান্ত করার আরেকটি উদ্যোগ বলে মন্তব্য করেন। তার দাবি, জনগণ সংবিধান সংশোধন নয়, সংবিধান সংস্কার চায় এবং গণভোটে ৭০ শতাংশ মানুষ সেই সংস্কারের পক্ষেই মত দিয়েছে।

সমাবেশে আরও বক্তব্য দেন ঢাকা মহানগরী দক্ষিণের সেক্রেটারি ড. শফিকুল ইসলাম মাসুদ এমপি, কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য অ্যাডভোকেট ড. হেলাল উদ্দিন, দেলাওয়ার হোসেন, আব্দুল মান্নান, মুহাম্মদ শামছুর রহমান, সৈয়দ জয়নুল আবেদীন এমপি, হাফেজ রাশেদুল ইসলাম এমপিসহ কেন্দ্রীয় ও মহানগর নেতারা।

সমাবেশ শেষে গণভোটের রায় মেনে জুলাই সনদ বাস্তবায়নের দাবিতে বায়তুল মোকাররম উত্তর গেট থেকে একটি গণমিছিল বের হয়। মিছিলটি পল্টন, জাতীয় প্রেসক্লাব ও হাইকোর্ট চত্বর হয়ে মৎস্য ভবনের সামনে গিয়ে শেষ হয়।

সেখানে সংক্ষিপ্ত পথসভায় ডাকসু ভিপি মোহাম্মদ আবু সাদিক কায়েম বলেন, জুলাই শহীদদের আকাঙ্ক্ষার নতুন বাংলাদেশ গড়ার দাবি থেকে তারা পিছিয়ে যাবেন না। তিনি দাবি করেন, সুযোগ পেলে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনকে দুর্নীতি ও অনিয়মমুক্ত করার উদ্যোগ নেওয়া হবে।

কালের আলো/আরডি/এমডিএইচ

সরকার-ব্যবসায়ীদের প্রচেষ্টায় অর্থনীতিতে ইতিবাচক পরিবর্তন সম্ভব: প্রধানমন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: শনিবার, ১ আগস্ট, ২০২৬, ৯:০৫ অপরাহ্ণ
সরকার-ব্যবসায়ীদের প্রচেষ্টায় অর্থনীতিতে ইতিবাচক পরিবর্তন সম্ভব: প্রধানমন্ত্রী

সরকার ও ব্যবসায়ীরা একসঙ্গে কাজ করলে আগামী চার থেকে পাঁচ বছরের মধ্যে দেশের অর্থনীতিতে ইতিবাচক পরিবর্তন আনা সম্ভব বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

শনিবার (১ আগস্ট) প্রধানমন্ত্রীর তেজগাঁও কার্যালয়ে বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (বিডা) আয়োজনে বেসরকারি উদ্যোক্তাদের সঙ্গে চার ঘণ্টাব্যাপী মতবিনিময় সভায় এ কথা বলেন তিনি।

প্রধানমন্ত্রীর উপ-প্রেস সচিব হাসান শিপলু এ তথ্য জানান।

তিনি জানান, মতবিনিময় সভায় প্রধানমন্ত্রী বলেন, দেশ ও মানুষের জন্য কাজ করাই আমাদের লক্ষ্য। কিছু ক্ষেত্রে সমস্যা রয়েছে। তবে আমরা একসঙ্গে কাজ করলে সেগুলো কাটিয়ে ওঠা সম্ভব।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, দেশের অর্থনীতির বিদ্যমান সমস্যাগুলো সরকার যেমন উপলব্ধি করছে, তেমনি ব্যবসায়ীরাও তা অনুধাবন করছেন। এসব সমস্যা সমাধানে সরকার আন্তরিকভাবে কাজ করছে। এ বিষয়ে সরকার ও ব্যবসায়ীদের মধ্যে আলোচনা অব্যাহত থাকবে।

তিনি বলেন, আমরা সবাই স্বীকার করছি যে, অনেক সমস্যা আছে। সরকার নিশ্চয়ই এতটুকু প্রমাণ করতে পেরেছে যে, আমরা চেষ্টা করছি। সরকারের বয়স এখনো ছয় মাস হয়নি। এর মধ্যেই আমরা কয়েক দফা বৈঠক করেছি। প্রথমে আপনাদের সঙ্গে বসেছি, পরে ফোরামের সঙ্গেও আলোচনা করেছি। সেক্টরভিত্তিক সমস্যাগুলো নিয়েও আমরা কাজ করছি।

আগের বৈঠকের প্রসঙ্গ তুলে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ব্যবসায়ীরা যেসব সমস্যার কথা তুলে ধরেছিলেন, সেগুলোর অনেকগুলোরই সমাধান হয়েছে। আজকের বৈঠকেও নতুন কিছু সমস্যার কথা উঠে এসেছে। সেগুলো নিয়েও সরকার কাজ করবে।

তিনি জানান, আগামী দুই থেকে তিন মাসের মধ্যে আবারও ব্যবসায়ীদের সঙ্গে বৈঠক করবে সরকার।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, আলোচনার মাধ্যমেই সমস্যার সমাধান বেরিয়ে আসে। দীর্ঘ সময় ধরে খোলামেলা আলোচনা হলে কার্যকর সমাধান পাওয়া যায়। এ ধরনের সংলাপ অব্যাহত থাকলে আগামী চার থেকে পাঁচ বছরের মধ্যে দেশের অর্থনীতিতে ইতিবাচক পরিবর্তন আনা সম্ভব হবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

বৈঠকে ব্যবসা সম্প্রসারণ, বিদেশি বিনিয়োগ বৃদ্ধি এবং নতুন শিল্পায়নের পরিবেশ নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়। উদ্যোক্তারা সহজ শর্তে ঋণ, নীতিগত সহায়তা এবং ব্যবসাবান্ধব পরিবেশ নিশ্চিত করার দাবি জানান।

সরকারের বিভিন্ন উদ্যোগের প্রশংসা করে তারা চলমান কার্যক্রমের অগ্রগতিতেও সন্তোষ প্রকাশ করেন। সভায় জানানো হয়, আগের বৈঠকে আলোচিত ২৮টি সমস্যার মধ্যে ২১টির বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। বাকি সাতটি বিষয় প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

এ সময় ২০৩০ সালের মধ্যে দেশের রপ্তানি আয় ১০০ বিলিয়ন ডলারে উন্নীত করার রূপরেখাও তুলে ধরেন ব্যবসায়ীরা। রপ্তানি বাড়াতে কূটনৈতিক পর্যায়ে প্রয়োজনীয় সহযোগিতা দেওয়ার আশ্বাস দেয় সরকার।

বৈঠকে অর্থ ও পরিকল্পনামন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ, বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদমন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু, বাণিজ্য, শিল্প, বস্ত্র ও পাটমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির, সড়ক, সেতু, রেলপথ ও নৌপরিবহনমন্ত্রী শেখ রবিউল আলম, প্রধানমন্ত্রীর অর্থ ও পরিকল্পনা উপদেষ্টা রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর, বিডার নির্বাহী চেয়ারম্যান আশিক চৌধুরী, বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর মোস্তাকুর রহমানসহ সরকারের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা এবং বিভিন্ন শিল্পগোষ্ঠীর প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।

কালের আলো/এসএকে