খুঁজুন
                               
, ,
           

নেইমারের বিশ্বকাপে খেলার সুযোগ দেখছেন আনচেলত্তির ছেলে

স্পোর্টস ডেস্ক
প্রকাশিত: সোমবার, ১৩ এপ্রিল, ২০২৬, ৩:০৭ অপরাহ্ণ
নেইমারের বিশ্বকাপে খেলার সুযোগ দেখছেন আনচেলত্তির ছেলে

বিশ্বকাপ শুরু হতে আর ৫৯ দিন বাকি। চূড়ান্ত হয়েছে ৪৮ দল। আপাতত সবার কৌতূহল নেইমারকে নিয়ে। ব্রাজিলের শীর্ষ গোলদাতা কি পারবেন কার্লো আনচেলত্তির স্কোয়াডে জায়গা করে নিতে?

২০২৩ সালের অক্টোবর থেকে ব্রাজিলের জার্সি পরেননি নেইমার। ফ্রান্স ও ক্রোয়েশিয়ার বিপক্ষে মার্চের প্রীতি ম্যাচেও ছিলেন না। আনচেলত্তি কঠিন শর্ত দিয়েছেন— শতভাগ ফিট থাকলেই ব্রাজিলের স্কোয়াডে রাখা হবে তাকে। তবে সাম্প্রতিক এক সাক্ষাৎকারে সান্তোস ফরোয়ার্ডকে আশার আলো দেখালেন।

ফরাসি সংবাদপত্র লে’কিপ-কে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে আনচেলত্তি বলেন, ‘সে একজন দুর্দান্ত প্রতিভাবান খেলোয়াড়, আর এটা খুবই স্বাভাবিক যে মানুষ মনে করছে, সে আমাদের আগামী বিশ্বকাপ জিততে সাহায্য করতে পারে।’

তিনি নেইমারকে পর্যবেক্ষণ করছেন, ‘বর্তমানে সিবিএফ (ব্রাজিলিয়ান ফুটবল কনফেডারেশন) এবং আমি তাকে পর্যবেক্ষণ করছি। আগামী বিশ্বকাপে খেলার মতো যোগ্যতা তার আছে কি না, তা প্রমাণ করার জন্য তার হাতে আরও দুই মাস সময় আছে।’

৭৯ গোল করে ব্রাজিলের শীর্ষ গোলদাতা আসনে থাকা ফরোয়ার্ডকে নিয়ে আশাবাদী আনচেলত্তি, ‘হাঁটুর চোট কাটিয়ে ফেরার পর নেইমার বেশ ভালোভাবেই ঘুরে দাঁড়িয়েছে। সে গোলও পাচ্ছে। তাকে এই ধারাবাহিকতা বজায় রাখতে হবে এবং নিজের ফিটনেসের আরও উন্নতি ঘটাতে হবে। সে সঠিক পথেই আছে।’

বাবার মতো আশাবাদী ডেভিড। আনচেলত্তির ছেলেও আশাবাদী নেইমারকে নিয়ে। ব্রিটিশ ব্রডকাস্টার বিবিসি-কে তিনি বলেন, ‘এটা কোচের সিদ্ধান্ত। সিদ্ধান্ত নেওয়ার জন্য তার হাতে সময় আছে।’ নেইমারের চতুর্থ বিশ্বকাপে খেলার সুযোগ দেখছেন ডেভিড, ‘১৮ মে চূড়ান্ত স্কোয়াড দেওয়া হবে। সে সর্বকালের শীর্ষ গোলদাতা। তার সুযোগ আছে। সেরা ফর্মে ফিরে দলে জায়গা করে নেওয়ার সময় তার হাতে আছে।’

কালের আলো/এসএকে

মুক্তিযুদ্ধ স্মৃতি স্টেডিয়াম পরিদর্শনে যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব

রাজশাহী প্রতিবেদক
প্রকাশিত: বুধবার, ২৯ জুলাই, ২০২৬, ৯:৫৮ অপরাহ্ণ
মুক্তিযুদ্ধ স্মৃতি স্টেডিয়াম পরিদর্শনে যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব

বাংলাদেশ যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের ক্রীড়া অনুবিভাগ-১ এর অতিরিক্ত সচিব আমেনা বেগম রাজশাহী মুক্তিযুদ্ধ স্মৃতি স্টেডিয়াম, সুইমিংপুল , জিমনেসিয়ামসহ অন্যান্য স্থাপনা পরিদর্শন করেছেন।

বুধবার (২৯ জুলাই) বিকেলে রাজশাহী মুক্তিযুদ্ধ স্মৃতি স্টেডিয়াম পরিদর্শনকালে তিনি বলেন, সমস্ত স্থপনা সংস্কার করা খুব জরুরী। সরকার স্থাপনা নির্মাণ করবে কিন্ত তার দেখভাল করার জন্য কমিটিকে সক্রিয় ভুমিকা পালন করতে হবে।

তিনি আরও বলেন, রাজশাহী জেলা ক্রীড়া সংস্থার যেসব দোকান আছে তাদের নিকট  চিঠি দিয়ে ভাড়া আদাযের পদক্ষেপ নিতে হবে।

এর ব্যত্যয় ঘটলে আইনী পন্থায় দোকানদারদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ করাসহ দোকানের বরাদ্দ বাতিল করতে হবে।

কারণ আপনাদের নিজস্ব আয়ের মাধ্যমে স্টেডিয়াম পরিচালনা করতে হবে। এ সময় তিনি জেলা ক্রীড়া অফিসারগনকে দিক নির্দেশনা দেন।এ সময় অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) মোহাঃ সবুর আলী, রাজশাহী জেলা ক্রীড়া সংস্থার সদস্য সচিব মোঃ মোজাম্মেল হক।

জেলা ক্রীড়া অফিসার মোঃ জাহাঙ্গীর হোসেন, চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা ক্রীড়া অফিসার আবু জাফর মাহামুদুজ্জামান, নাটোর জেলা ক্রীড়া অফিসার রাকিবুল হাসানসহ অন্যান্য কর্মকর্তাবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

কালের আলো/এএইচ/এমএসআইপি 

ভূমিকম্প মোকাবিলায় প্রস্তুত করা হচ্ছে ১ লাখ স্বেচ্ছাসেবী

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: বুধবার, ২৯ জুলাই, ২০২৬, ৯:২০ অপরাহ্ণ
ভূমিকম্প মোকাবিলায় প্রস্তুত করা হচ্ছে ১ লাখ স্বেচ্ছাসেবী

ভূমিকম্প-পরবর্তী জরুরি সাড়া কার্যক্রম জোরদারে ঢাকা ও আশপাশের এলাকার জন্য ১ লাখ স্বেচ্ছাসেবী প্রস্তুত করছে সরকার। এ লক্ষ্যে তাদের প্রশিক্ষণ ও প্রয়োজনীয় সরঞ্জাম সরবরাহের পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে।

বুধবার (২৯ জুলাই) বিকেল ৪টায় বাংলাদেশ সচিবালয়ে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত ভূমিকম্প প্রস্তুতি বিষয়ক সভায় এ বিষয়ে আলোচনা হয়।

সভায় জানানো হয়, ভূমিকম্প-পরবর্তী জরুরি সেবা নিশ্চিত করতে জাতীয় টাস্কফোর্স গঠন এবং ১ লাখ স্বেচ্ছাসেবী প্রস্তুতের পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে।

ইতোমধ্যে ৭০ হাজার স্বেচ্ছাসেবকের ডাটাবেজ প্রস্তুত করা হয়েছে। দ্রুত বাকি ৩০ হাজার স্বেচ্ছাসেবীকেও এ কর্মসূচির আওতায় আনা হবে।

বৈঠকে ভূমিকম্প মোকাবিলায় জনসচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে বিভিন্ন কর্মসূচি গ্রহণের বিষয়েও মতবিনিময় হয়। পাশাপাশি প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে ভূমিকম্প প্রস্তুতি বিষয়ক একটি বিশেষ সেল গঠনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

এ ছাড়া সম্ভাব্য দুর্যোগের সময় সরকারি ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের মধ্যে কার্যকর সমন্বয় নিশ্চিত করার উপায় এবং ঢাকা শহরে হিউম্যানিটারিয়ান স্টেজিং এরিয়া (এইচএসএ) স্থাপনের বিষয়েও আলোচনা হয়।

সভায় দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণমন্ত্রী আসাদুল হাবিব দুলু, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ প্রতিমন্ত্রী এম. ইকবাল হোসেইন, স্বাস্থ্য ও পরিবারকল্যাণ প্রতিমন্ত্রী অধ্যাপক ডা. এম. এ. মুহিত, প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব এবিএম আবদুস সাত্তার, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ সচিব মো. সাইদুর রহমান খানসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

কালের আলো/এএইচ/এমএসআইপি 

তিন মামলায় উচ্চ আদালতে ব্যারিস্টার সুমনের জামিন

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: বুধবার, ২৯ জুলাই, ২০২৬, ৮:৪১ অপরাহ্ণ
তিন মামলায় উচ্চ আদালতে ব্যারিস্টার সুমনের জামিন

রাজধানীর মুগদা ও খিলগাঁও থানার পৃথক দুই মামলায় হাইকোর্ট থেকে জামিন পেয়েছেন সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী ও সাবেক সংসদ সদস্য ব্যারিস্টার সৈয়দ সায়েদুল হক সুমন।

একইসঙ্গে চুনারুঘাট থানার একটি হত্যাচেষ্টা মামলায় হাইকোর্টের দেওয়া জামিন বহাল রেখেছেন চেম্বার আদালত।

বুধবার (২৯ জুলাই) মুগদা থানার হত্যাচেষ্টা ও খিলগাঁও থানার একটি হত্যা মামলায় আগে জারি করা রুল নিষ্পত্তি করে ব্যারিস্টার সুমনকে জামিন দেন বিচারপতি শেখ মো. জাকির হোসেন ও বিচারপতি মো. জাকির হোসেনের হাইকোর্ট বেঞ্চ।

সুমনের জামিনের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন তার আইনজীবী এম লিটন আহমেদ। তবে তার বিরুদ্ধে আরও মামলা থাকায় এখনই তিনি কারাগার থেকে মুক্তি পাচ্ছেন না।

আদালতে আবেদনের পক্ষে শুনানি করেন আইনজীবী এম লিটন আহমেদ। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল মো. ইছা।

আইনজীবী লিটন আহমেদ জানান, ‘খিলগাঁও থানার হত্যা মামলা এবং মুগদা থানার হত্যাচেষ্টা মামলায় আগে রুল জারি করা হয়েছিল। আজ সেই রুল অ্যাবসুলেট (চূড়ান্ত) করে ব্যারিস্টার সৈয়দ সায়েদুল হক সুমনকে জামিন দিয়েছেন হাইকোর্ট।’

এদিকে হবিগঞ্জের চুনারুঘাট থানার একটি হত্যাচেষ্টা মামলায় গত ২২ জুলাই হাইকোর্টের দেওয়া জামিন বহাল রেখেছেন চেম্বার আদালত। রাষ্ট্রপক্ষ ওই জামিন স্থগিত চেয়ে আবেদন করলে বিচারপতি রেজাউল হকের চেম্বার আদালত আজ কোনো স্থগিতাদেশ না দিয়ে জামিন বহাল রাখার আদেশ দেন।

সাবেক এই সংসদ সদস্যের কারামুক্তির বিষয়ে জানতে চাইলে আইনজীবী লিটন আহমেদ বলেন, ‘ব্যারিস্টার সুমনের বিরুদ্ধে মোট সাতটি মামলা রয়েছে। এর মধ্যে মিরপুর ও চুনারুঘাট  থানার মামলাসহ দুটিতে তার জামিন প্রক্রিয়া প্রায় চূড়ান্ত। তবে বাকি আরও পাঁচটি মামলায় হাইকোর্টে রুল শুনানির অপেক্ষায় রয়েছে। ফলে এই মামলাগুলোতে জামিন না পাওয়া পর্যন্ত তিনি এখনই মুক্তি পাচ্ছেন না।’

আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর ২০২৪ সালের ২১ অক্টোবর রাত দেড়টায় রাজধানীর মিরপুর-৬ এলাকা থেকে গ্রেফতার করা হয় হবিগঞ্জ-৪ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য ব্যারিস্টার সুমনকে। প্রথমে তাকে মিরপুর মডেল থানার একটি হত্যাচেষ্টা মামলায় গ্রেফতার দেখানো হয়েছিল।

পরবর্তীতে গত বছরের ২১ মে থেকে বিভিন্ন সময়ে রাজধানীর খিলগাঁও, আদাবর এবং নিজ এলাকা চুনারুঘাট থানায় দায়ের হওয়া হত্যা ও হত্যাচেষ্টাসহ মোট সাতটি মামলায় তাকে গ্রেফতার দেখানো হয়

গত ৭ এপ্রিল চুনারুঘাট থানার মামলায় সুমনের জামিন আবেদন নাকচ করেছিলেন হবিগঞ্জের মুখ্য বিচারিক হাকিম আদালত, যার প্রেক্ষিতে তিনি উচ্চ আদালতে আবেদন করেন।

কালের আলো/আরডি/এমডিএইচ