খুঁজুন
                               
মঙ্গলবার, ২৬ মে, ২০২৬, ১২ জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩
           

দেশে গণতন্ত্র চর্চার প্রকৃত পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে: তথ্যমন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১৪ এপ্রিল, ২০২৬, ২:০১ অপরাহ্ণ
দেশে গণতন্ত্র চর্চার প্রকৃত পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে: তথ্যমন্ত্রী

তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন বলেছেন, সারাদেশব্যাপী পহেলা বৈশাখ উদযাপনের উৎসবমুখর পরিবেশ প্রমাণ করে দেশে একটি মুক্ত পরিবেশ তৈরি হয়েছে। এতে গণতন্ত্র চর্চার একটি প্রকৃত পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়েছে।

মঙ্গলবার (১৪ এপ্রিল) বাংলা নববর্ষ উপলক্ষে ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটি (ডিআরইউ) আয়োজিত শোভাযাত্রাসহ দিনব্যাপী অনুষ্ঠানমালার উদ্বোধনকালে তিনি এসব কথা বলেন।

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন প্রধানমন্ত্রীর স্পিচ রাইটার এসএএম মাহফুজুর রহমান। আরও উপস্থিত ছিলেন উপ-প্রেস সচিব হাসান শিপলু ও মো. সুজাউদ্দৌল্লা সুজন মাহমুদ।

ডিআরইউ সভাপতি আবু সালেহ আকনের সভাপতিত্বে এবং সাধারণ সম্পাদক মাইনুল হাসান সোহেলের সঞ্চালনায় শোভাযাত্রা উদ্বোধনকালে তথ্যমন্ত্রী বলেন, সাংবাদিকদের পক্ষ থেকে এবং সারাদেশে পহেলা বৈশাখ উদযাপনের মধ্য দিয়ে যে উৎসবমুখর পরিবেশ তৈরি হয়েছে, তা প্রমাণ করে দেশে একটি মুক্ত পরিবেশ বিরাজ করছে।

আমি সবাইকে নববর্ষের শুভেচ্ছা জানাই এবং দোয়া ও সহযোগিতা চাই। নতুন বছরে আমরা এই সাংস্কৃতিক পরিবেশ যেন অব্যাহত রাখতে পারি দেশের সমৃদ্ধির স্বার্থে।

তিনি বলেন, জনগণের ভোটে নির্বাচিত সরকার নববর্ষের এই দিনে কৃষক কার্ড বিতরণের শুভ সূচনা করেছে। প্রধানমন্ত্রী আজ টাঙ্গাইলে কৃষক কার্ড বিতরণ কার্যক্রমের উদ্বোধন করছেন।

মন্ত্রী আরও বলেন, বাংলা নববর্ষ আমাদের এই অঞ্চলের অনন্য সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের প্রতিফলন। মুঘল আমল থেকেই কৃষকদের ফসল উৎপাদন ও ন্যায্য পাওনা নিশ্চিত করার মাধ্যমে এ ঐতিহ্যের সূচনা হয়েছে। আমরা আমাদের সংস্কৃতিকে ধারণ করে বলছি-সবার আগে বাংলাদেশ। কৃষি অর্থনীতিই আমাদের মূল ভিত্তি। তাই কৃষি অর্থনীতিকে শক্তিশালী করতেই সরকার কৃষক কার্ড কার্যক্রম চালু করেছে।

সকাল থেকে ডিআরইউ প্রাঙ্গণে উৎসবমুখর পরিবেশে বাংলা নববর্ষ উদযাপন করা হচ্ছে। ‘ছন্দে আনন্দে বৈশাখী উৎসব ১৪৩৩’ শীর্ষক এই আয়োজন সকাল ১০টায় শুরু হয়ে দিনব্যাপী চলবে। সন্ধ্যা পর্যন্ত বাউল সংগীত, পুতুল নাচ, গাজীর পটগানসহ নানা সাংস্কৃতিক পরিবেশনা অনুষ্ঠিত হবে।

ডিআরইউ সদস্য ও তাদের পরিবারের সদস্যরা নববর্ষের নানা আয়োজন উপভোগ করছেন।

কালের আলো/এম/এএইচ

পদ্মা সেতুতে ২৪ ঘণ্টায় ৫ কোটি টাকা টোল আদায়

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২৬ মে, ২০২৬, ৬:২১ অপরাহ্ণ
পদ্মা সেতুতে ২৪ ঘণ্টায় ৫ কোটি টাকা টোল আদায়

ঈদুল আজহা উপলক্ষে পদ্মা সেতু দিয়ে গত ২৪ ঘণ্টায় ৪৩ হাজারের বেশি  যানবাহন পারাপার হয়েছে। এ সময়ে টোল আদায় হয় প্রায় ৫ কোটি টাকা। এতে ঈদযাত্রার চাপের মধ্যেও দক্ষিণাঞ্চলমুখী যোগাযোগে পদ্মা সেতুর গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা আরও স্পষ্ট হয়েছে।

বাংলাদেশ সেতু কর্তৃপক্ষ সূত্রে জানা যায়, গত ২৪ ঘণ্টায় মোট ৪৩ হাজার ৩৫১টি যানবাহন পদ্মা সেতু অতিক্রম করেছে। এর বিপরীতে টোল আদায় হয়েছে ৪ কোটি ৮০ লাখ ১৫ হাজার ৩৫০ টাকা।

মঙ্গলবার (২৬ মে) সকালে বিষয়টি নিশ্চিত করেন পদ্মা সেতুর নির্বাহী প্রকৌশলী আবু সাঈদ।

তথ্য অনুযায়ী, মাওয়া প্রান্ত দিয়ে ২৮ হাজার ৬৭টি যানবাহন পারাপার হয়েছে। এই প্রান্ত থেকে টোল আদায় হয় ২ কোটি ৬৪ লাখ ২১ হাজার টাকা। অন্যদিকে জাজিরা প্রান্ত দিয়ে ১৫ হাজার ২৮৪টি যানবাহন সেতু পার হয়, যেখানে টোল আদায় হয়েছে ২ কোটি ১৫ লাখ ৯৪ হাজার ৩৫০ টাকা।

সেতু কর্তৃপক্ষ বলছে, ঈদুল ফিতরের তুলনায় ঈদুল আজহায় যানবাহন চলাচল তুলনামূলক বেশি থাকে। বিশেষ করে মানুষ গ্রামে যাওয়ার কারণে ব্যক্তিগত গাড়ি, বাস ও ট্রাকের চাপ বাড়ে। এর সঙ্গে কোরবানির পশুবাহী যানবাহনও যুক্ত হওয়ায় সেতু দিয়ে পারাপারের সংখ্যা বৃদ্ধি পায়। অনেক যানবাহন পশু নিয়ে যাওয়ার পাশাপাশি খালি অবস্থায় ফিরেও আসে, যা মোট ট্রাফিক প্রবাহকে আরও বাড়িয়ে দেয়।

এর আগে চলতি বছরের ১৮ মার্চ ঈদুল ফিতরের আগে এক দিনে সর্বোচ্চ ৪১ হাজার ৮৮৫টি যানবাহন পদ্মা সেতু পার হয়েছিল। ওই দিন টোল আদায় হয়েছিল ৪ কোটি ৫৪ লাখ ৫ হাজার ২৫৪ টাকা। সে তুলনায় এবার এক দিনে যানবাহন ও টোল আদায় উভয়ই কিছুটা বেশি হয়েছে।

পদ্মা সেতু কর্তৃপক্ষের তথ্য অনুযায়ী, অতীতেও কয়েকটি ঈদ মৌসুমে সেতুতে উচ্চমাত্রার টোল আদায় হয়েছে। এর মধ্যে ২০২৫ সালের ৬ জুন কোরবানির ঈদ সামনে রেখে এক দিনে সর্বোচ্চ ৫২ হাজার ৪৮৭টি যানবাহন পারাপার হয় এবং টোল আদায় হয় ৫ কোটি ৪৩ লাখ টাকার বেশি, যা এখন পর্যন্ত সর্বোচ্চ রেকর্ড।

সব ধরনের যানবাহনের জন্য পদ্মা সেতুতে নির্ধারিত টোল হার অনুযায়ী অর্থ আদায় করা হয়। মোটরসাইকেল, ব্যক্তিগত গাড়ি, বাস ও ট্রাকসহ বিভিন্ন যানবাহনের জন্য পৃথক টোল নির্ধারিত রয়েছে। ইলেকট্রনিক টোল কালেকশন বা ইটিসি ব্যবস্থার মাধ্যমে স্বয়ংক্রিয়ভাবে টোল আদায় হওয়ায় পারাপার প্রক্রিয়া তুলনামূলক দ্রুত হচ্ছে।

মাওয়া ও জাজিরা টোল প্লাজায় দায়িত্ব পালনকারীরা জানান, ঈদের সময় যানবাহনের চাপ বাড়লেও বর্তমানে কোনো বড় ধরনের যানজট নেই। স্বয়ংক্রিয় টোল ব্যবস্থা ও ব্যবস্থাপনার কারণে যান চলাচল স্বাভাবিক রয়েছে।

কালের আলো/আরডি/এমডিএইচ

অন্তর্বর্তী সরকারের কিচেন কেবিনেটের সদস্য ছিলাম না : আসিফ মাহমুদ

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২৬ মে, ২০২৬, ৬:১২ অপরাহ্ণ
অন্তর্বর্তী সরকারের কিচেন কেবিনেটের সদস্য ছিলাম না : আসিফ মাহমুদ

সাবেক অন্তর্বর্তী সরকারের ‘কিচেন কেবিনেট’ সদস্য ছিলেন না বলে মন্তব্য করেছেন সাবেক উপদেষ্টা ও এনসিপির মুখ্যপাত্র আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া।

মঙ্গলবার (২৬ মে) এনসিপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে জরুরি সংবাদ সম্মেলনে দলটির মুখপাত্র আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া বলেন, কিচেন কেবিনেটের সদস্য ছিলাম না।

সাবেক উপদেষ্টা তৌহিদ হোসেনের একটি সাক্ষাৎকারে ‘কিচেন কেবিনেট’ বিষয়টি আলোচনা আসে। সংবাদ সম্মেলনে আমেরিকার সঙ্গে বাণিজ্য চুক্তির বিষয়ে নিজের সংশ্লিষ্টতা অস্বীকার করেছেন আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া।

তিনি বলেন, চুক্তির বিষয়ে এনসিপির সঙ্গেও কোনো আলোচনা হয়নি। বর্তমান পররাষ্ট্রমন্ত্রী (তৎকালীন জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা) খলিলুর রহমান বিএনপির পরামর্শে অন্তবর্তীকালীন সরকারের ওপর দায় চাপাতে নির্বাচনের তিন দিন আগে চুক্তিটি করা হয়। এই চুক্তি বিএনপি করিয়েছেন। এই চুক্তি তারেক রহমান করিয়েছেন। চুক্তির কোনো কিছু সংশোধন করতে চাইলে বিএনপি করুক বা বাতিলও করতে পারে, যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে অনেক দেশই চুক্তি বাতিল করেছে।

তিনি আরও বলেন, এবারের বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) নির্বাচনে কেউ নিজের যোগ্যতায় কাউন্সিলর হয়নি, সবাই এসেছে বাবার পরিচয়ে। ক্রীড়াকে পরিবারকরণ করেছে বিএনপি। অন্তবর্তীকালীন সরকারের সময় যোগ্য ব্যক্তিদের কাউন্সিলর করা হয়েছিল

কালের আলো/এসকে/এমএসআইপি 

পবিত্র হজের খুতবা শুর

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২৬ মে, ২০২৬, ৬:০০ অপরাহ্ণ
পবিত্র হজের খুতবা শুর

আরাফার ময়দানে শুরু হয়েছে পবিত্র হজের খুতবা।

মঙ্গলবার (২৬ মে) বাংলাদেশ সময় বিকেল ৩টা ২০ মিনিটের দিকে খুতবা পাঠ শুরু করেন শায়খ আলী বিন আবদুর রহমান আল-হুদাইফি।

আরবি বর্ষপঞ্জি অনুসারে সৌদিতে আজ ৯ জিলহজ। এটি পবিত্র ‘আরাফা দিবস’ হিসেবেও পরিচিত। ঐতিহাসিক এই ময়দানে দিনব্যাপী ইবাদত বন্দেগি আর দোয়া মোনাজাতে মশগুল হাজিরা। এদিন সকাল থেকে তাদের কণ্ঠে উচ্চারিত হচ্ছে, লাব্বাইক আল্লাহুম্মা লাব্বাইক, লাব্বাইক লা শারিকা লাকা লাব্বাইক, ইন্নাল হাম্দা, ওয়ান্নি মাতা লাকা ওয়াল্মুল্ক্, লা শারিকা লাকা।

সাদা দুই টুকরা কাপড়ে শরীর ঢেকে হজযাত্রীরা মঙ্গলবার মিনায় ফজরের নামাজ আদায়ের পর থেকেই পবিত্র আরাফার ময়দানের উদ্দেশে রওনা করেন। এই ময়দানেই মহানবী হজরত মুহাম্মদ (সা.) তার বিদায় হজের ভাষণ দিয়েছিলেন। সেই স্মৃতি বুকে ধারণ করে মুসলিমরা এই পবিত্র প্রান্তরে সমবেত হয়েছেন।

চলতি বছরও বাংলাসহ ৫০টি ভাষায় পবিত্র হজের খুতবার অনুবাদ সম্প্রচার করা হচ্ছে। এ নিয়ে টানা সপ্তম বারের মতো বাংলা ভাষায় হজের খুতবার অনুবাদ সম্প্রচার হচ্ছে।

এ বছর খুতবার বাংলা অনুবাদ কার্যক্রমে রয়েছেন ড. মুহাম্মদ খলীলুর রহমান, ড. আ ফ ম ওয়াহিদুর রহমান, মুবিনুর রহমান ফারুক ও নাজমুস সাকিব। তারা সবাই মক্কার উম্মুল কুরা ইউনিভার্সিটিতে বিভিন্ন সময়ে পড়াশোনা করেছেন।

কালের আলো/এসএকে