খুঁজুন
                               
বৃহস্পতিবার, ১১ জুন, ২০২৬, ২৮ জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩
           

আয়ের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে নির্ধারণ হবে বিদ্যুতের দাম: অর্থ উপদেষ্টা

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: রবিবার, ১৭ মে, ২০২৬, ৯:১৪ অপরাহ্ণ
আয়ের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে নির্ধারণ হবে বিদ্যুতের দাম: অর্থ উপদেষ্টা

গ্রাহকের আয়ের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে ভবিষ্যতে বিদ্যুতের মূল্য নির্ধারণ করা হবে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর অর্থ উপদেষ্টা অধ্যাপক রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর। তিনি বলেন, এ লক্ষ্যে নতুন মূল্য কাঠামো তৈরিতে কাজ করবে বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন (বিইআরসি)।

রোববার (১৭ মে) রাজধানীতে সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগ (সিপিডি) আয়োজিত প্রাক্-বাজেট আলোচনায় তিনি এসব কথা বলেন।

অর্থ উপদেষ্টা বলেন, আয়ের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে আমাদের মূল্য কাঠামো তৈরি করা হবে। তবে এখানে একটি নিয়ন্ত্রক সংস্থা রয়েছে এবং এ ক্ষেত্রে বিইআরসির গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা থাকবে।

তিনি জানান, আগামী জাতীয় বাজেটে নবায়নযোগ্য জ্বালানি ব্যবহারের বিষয়ে সরকারের পাঁচটি পরিকল্পনা তুলে ধরা হবে। জ্বালানি খাতে দীর্ঘমেয়াদি সংস্কার এবং বিকল্প জ্বালানির ব্যবহার বাড়ানোর দিকেও গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে বলে জানান তিনি।

রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর বলেন, দেশে গ্যাস অনুসন্ধানের ক্ষেত্রে শুধু বিদেশি কোম্পানির ওপর নির্ভর করা হবে না। বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম এক্সপ্লোরেশন অ্যান্ড প্রোডাকশন কোম্পানি লিমিটেডকে (বাপেক্স) আরও শক্তিশালী করার উদ্যোগ নেওয়া হবে।

তিনি আরও বলেন, পতিত সরকারের সময়ে বিদ্যুৎ খাতে কিছু গোষ্ঠীকে বিশেষ সুবিধা দেওয়া হয়েছে। এর ফলে এখন সরকারকে বড় অঙ্কের ভর্তুকি বহন করতে হচ্ছে। ২০ থেকে ২৫ বছর মেয়াদি বিভিন্ন চুক্তির কারণে বর্তমান সরকারকে আর্থিক চাপ সামলাতে হচ্ছে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

অর্থ উপদেষ্টা আরও বলেন, দীর্ঘদিন ধরে জীবাশ্ম জ্বালানির ওপর নির্ভরতা কমানোর কার্যকর কোনো পরিকল্পনা নেওয়া হয়নি। একই সঙ্গে ভবিষ্যতে বিদ্যুতের সম্ভাব্য চাহিদার কথা বলে ভাড়াভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্রগুলোকে ক্যাপাসিটি চার্জের নামে বিপুল অর্থ পরিশোধ করা হয়েছে, যা জনগণের অর্থের অপচয় বলে উল্লেখ করেন তিনি।

কালের আলো/আরডি/এমডিএইচ

প্রধানমন্ত্রীর সফর শেষে তুলে নেওয়া হলো সেই সড়কের ইট 

বগুড়া প্রতিবেদক
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১১ জুন, ২০২৬, ২:০১ পূর্বাহ্ণ
প্রধানমন্ত্রীর সফর শেষে তুলে নেওয়া হলো সেই সড়কের ইট 

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সফর ঘিরে নির্মাণ করা সড়ক থেকে তুলে নেওয়া হয়েছে ইট

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বগুড়ার গাবতলী উপজেলার বাগবাড়ী সফরের সময় একটি আধা কিলোমিটার কাঁচা রাস্তায় ইট-বালু ফেলে রাতারাতি নির্মাণ করেছিল স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদফতর (এলজিইডি)। এ রাস্তা দিয়েই প্রধানমন্ত্রী তার পৈতৃক ভিটায় পৌঁছান। প্রধানমন্ত্রীর সফর শেষে সেই সড়কের ইট তুলে নেওয়া হয়েছে। এখন বৃষ্টিতে এ সড়কে চলাচল করতে গিয়ে দুর্ভোগ পোহাচ্ছেন এলাকার বাসিন্দারা।

স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ, গাবতলী উপজেলার নশিপুর ইউনিয়ন পরিষদ থেকে চৌকির খাল হয়ে প্রধানমন্ত্রীর পৈতৃক বাড়ি পর্যন্ত ৫০০ মিটার এ কাঁচা সড়ক পাকাকরণের জন্য গত অর্থবছর এলজিইডি থেকে ৮৪ লাখ টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। কার্যাদেশ পাওয়ার পরও ঠিকাদার সঠিক সময়ে কাজ শুরু করেননি। এ কারণে প্রধানমন্ত্রী সফরের সময় এ কাঁচা সড়কে অস্থায়ীভাবে ইট বিছানো হয়। আনুষঙ্গিক কিছু কাজসহ এতে ব্যয় দেখানো হয়েছে প্রায় ১০ লাখ টাকা। প্রধানমন্ত্রী ফিরে যাওয়ার সপ্তাহখানেকের মধ্যে সড়কের ৫০০ মিটার অংশে বিছানো ইট পুরোটায় তুলে নেওয়া হয়।

এ বিষয়ে এলজিইডির বগুড়ার নির্বাহী প্রকৌশলী মো. মাসুদুজ্জামান বলেন, ‘নিয়মনীতি মেনেই অস্থায়ীভাবে সড়কে ইট বিছানো হয়েছিল। ওই সড়ক পাকা করতে ৮৪ লাখ টাকা আগেই বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে।

এ কারণে সেখানে অস্থায়ীভাবে বিছানো ইট ঠিকাদারকে তুলে নিতে বলা হয়েছে। কারণ অস্থায়ীভাবে সোলিং করার জন্য ইট ভাড়া নেওয়া হয়েছিল। ইট কিনতে গেলে ব্যয় অনেক বেড়ে যেতো।’

এলজিইডি সূত্রে জানা গেছে, বাগবাড়ি-সোনাহাটা সড়ক থেকে জিয়াবাড়ি পর্যন্ত সংযোগ সড়কটি কার্পেটিং করার জন্য গত অর্থবছরে এলজিইডি থেকে ৮৪ লাখ টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়। দরপত্র আহ্বানের পর গত বছরের আগস্ট মাসে মেসার্স হক ট্রেডার্স নামে একটি ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানকে কার্যাদেশ দেওয়া হয়।

কার্যাদেশ অনুযায়ী, এ বছরের আগস্টের মধ্যে কাজ শেষ করার কথা রয়েছে। কিন্তু ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানটি এখন পর্যন্ত সড়ক পাকাকরণের কাজ শুরুই করেনি। এর মধ্যে গত ২০ এপ্রিল প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বগুড়া সফরে আসেন। এদিন তিনি বাগবাড়ী শহীদ জিয়া ডিগ্রি কলেজ মাঠে ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ কার্যক্রমের উদ্বোধন, চৌকিরদহ খাল খননকাজের উদ্বোধন শেষে প্রধানমন্ত্রী পৈতৃক ভিটা জিয়াবাড়ি পরিদর্শন করেন।

প্রধানমন্ত্রীর সফর ঘিরে ৫০০ মিটার এই কাঁচা রাস্তায় রাতারাতি ইট বিছানোর তোড়জোড় শুরু করে এলজিইডি। শাজাহানপুর উপজেলার মাদলা ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক সভাপতি আতিকুর রহমানকে এ কাজের দায়িত্ব দেওয়া হয়। প্রধানমন্ত্রীর সফরের আগমুহূর্তে তড়িঘড়ি করে ইট বিছানোর কাজ শেষ হয়।

স্থানীয় বাসিন্দা মিনহাজুল ইসলাম বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রীর আগমনে কাঁচা সড়কে ইট বসায় এলাকাবাসী খুশি হয়েছিলেন। দীর্ঘদিনের দুর্ভোগ লাঘব হয়েছিল। এখন সড়কের ইট তুলে নেওয়ায় এ রাস্তা দিয়ে চলাচল দায় হয়ে পড়েছে। চলাচলে চরম দুর্ভোগ পোহাতে হয়।’

এ বিষয়ে মাদলা ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক সভাপতি আতিকুর রহমান বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রীর সফরকে কেন্দ্র করে এলজিইডি থেকে ওই কাঁচা সড়কে অস্থায়ীভাবে ইট সোলিং করার দায়িত্ব দেওয়া হয়েছিল। সেই অনুযায়ী, ভাটা থেকে ইট নিয়ে গিয়ে শ্রমিক দিয়ে সড়কে ইট বিছিয়ে দিয়েছেন।

প্রধানমন্ত্রীর সফর শেষে সড়কের ইট তুলে ভাটায় নিয়ে এসেছেন। এলজিইডি থেকে শুধু পরিবহন ও শ্রমিক খরচ দেওয়া হয়েছে। তবে সেই কাজের জন্য ঠিক কত টাকা দেওয়া হয়েছিল, সেটা এই মুহূর্তে মনে নেই।’

কালের আলো/এএইচ/এমএসআইপি 

শেষ’ বিশ্বকাপে কি হচ্ছে মেসি-রোনালদো দ্বৈরথ?

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১১ জুন, ২০২৬, ১:৫০ পূর্বাহ্ণ
শেষ’ বিশ্বকাপে কি হচ্ছে মেসি-রোনালদো দ্বৈরথ?

রেকর্ড ষষ্ঠ বিশ্বকাপে খেলতে যাচ্ছেন লিওনেল মেসি ও ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদো। বয়স বিবেচনায় সম্ভবত এটাই তাদের শেষ বিশ্বকাপ, মানে ফুটবলের সবচেয়ে বড় মঞ্চে বর্তমান প্রজন্মের দুই সেরা তারকার মুখোমুখি হওয়ার শেষ সুযোগ।

২০২৬ বিশ্বকাপে নিজ নিজ দেশের হয়ে মেসি-রোনালদোর মুখোমুখি হওয়ার সুযোগ আছে। কিন্তু দুই তারকার দ্বৈরথ কখন হতে পারে?

মেসির আর্জেন্টিনা আলজেরিয়া, অস্ট্রিয়া ও জর্ডান ‘জে’ গ্রুপে খেলবে। তারা যদি গ্রুপটির শীর্ষে থাকে, তাহলে স্পেন, উরুগুয়ে, কেপ ভার্দে ও সৌদি আরবকে নিয়ে গড়া ‘এইচ’ গ্রুপের দ্বিতীয় দলের মুখোমুখি হবে শেষ ৩২ এ।

রোনালদোর পর্তুগাল ‘কে’ গ্রুপে খেলবে ডিআর কঙ্গো, উজবেকিস্তান ও কলম্বিয়ার বিপক্ষে। আর্জেন্টিনার মতো তারাও গ্রুপের শীর্ষে থাকবে বলেই ধারণা করা হচ্ছে। তারা যদি গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন হয় তাহলে ব্র্যাকেট অনুযায়ী তারা ডি, ই, আই, জে কিংবা এল গ্রুপের তৃতীয় দলের মুখোমুখি হবে ৪ জুলাই।

তিনটি পথে মেসি ও রোনালদো মুখোমুখি হতে পারেন। গ্রুপের শীর্ষে থাকতে হবে এবং শেষ ৩২ ও শেষ ষোলোর ম্যাচ জিততে হবে। তাহলে কোয়ার্টার ফাইনালে হবে আর্জেন্টিনা বনাম পর্তুগাল ম্যাচ।

ব্র্যাকেটের গঠন অনুযায়ী এই পথেই তাদের মুখোমুখি হওয়ার সম্ভাবনা বেশি। এই সময়ে কাগজেকলমে আর্জেন্টিনার সামনে শেষ ৩২-এ কঠিন প্রতিপক্ষ হতে পারে উরুগুয়ে। আর কোয়ার্টার ফাইনালে আগে তেমন বড় কোনো দলের মুখোমুখি হতে হবে না পর্তুগালকে।

তবে নিজ নিজ গ্রুপে দুই দলই রানার্সআপ হলে আরও নাটকীয় ব্যাপার হবে। এক্ষেত্রে শেষ ষোলোতেই দেখা হতে পারে তাদের। অবশ্য তাতে শেষ ষোলোতে দুই দলকেই কঠিন প্রতিপক্ষের মুখোমুখি হতে হবে। আর্জেন্টিনার সামনে পড়তে পারে স্পেন, পর্তুগালের প্রতিপক্ষ হতে পারে ক্রোয়েশিয়া।

মেসি-রোনালদোর মহাকাব্যিক ফাইনাল হওয়ার সম্ভাবনাও আছে। সেক্ষেত্রে এক দলকে হতে হবে গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন, আরেক দল রানার্সআপ। তারপর দুই দলই সব বাধা আর চ্যালেঞ্জ উতরে যেতে পারলে শিরোপা নির্ধারণী মঞ্চে মুখোমুখি দাঁড়াবেন সময়ের অন্যতম সেরা দুই তারকা।

কালের আলো/জেএন/এমএসআইপি 

স্থানীয় সরকার নির্বাচন আ. লীগ নেতাকর্মীদের নির্বাচনের সুযোগ রেখে আচরণ বিধি খসড়া চূড়ান্ত

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১১ জুন, ২০২৬, ১:৩৭ পূর্বাহ্ণ
স্থানীয় সরকার নির্বাচন আ. লীগ নেতাকর্মীদের নির্বাচনের সুযোগ রেখে আচরণ বিধি খসড়া চূড়ান্ত

মতামতের জন্য রাজনৈতিক দলের কাছে পাঠানো হয়েছে

স্থানীয় সরকার নির্বাচনে কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের অংশগ্রহণ ঠেকাতে নতুন বিধি যুক্তের উদ্যোগ থেকে সরে এসেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে প্রার্থীদের অঙ্গীকার দেওয়ার যে বিধান যুক্তের প্রস্তাব করেছিলেন ইসির কর্মকর্তারা, সেটি বাদ দিয়েই এ নির্বাচনের আচরণ বিধিমালার খসড়া অনুমোদন দিয়েছে কমিশন।

একইভাবে পৌরসভা, উপজেলা পরিষদ, সিটি কর্পোরেশন ও জেলা পরিষদ নির্বাচনের আচরণ বিধিমালার খসড়াও অনুমোদন করেছে ইসি। বুধবার এসব নির্বাচনের আচরণ বিধিমালার খসড়া রাজনৈতিক দলগুলোর কাছে মতামত দেওয়ার জন্য পাঠানো হয়েছে। আগামী ৩০ জুনের মধ্যে মতামত পাঠাতে অনুরোধ জানিয়েছে ইসি। সংশ্লিষ্ট সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

আরও জানা গেছে, জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের অংশগ্রহণ ঠেকাতে গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ (আরপিও), নির্বাচন পরিচালনা বিধিমালা এবং আচরণ বিধিমালায় সংশোধনী আনে ইসি। ওই নির্বাচনের আচরণ বিধিমালায় রাজনৈতিক দল ও প্রার্থীকে অঙ্গীকারনামায় সই করার বিধান যুক্ত করা হয়।

একইভাবে ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনের আচরণ বিধিমালার খসড়াতেও অঙ্গীকারনামায় সই করার বিধান যুক্তের প্রস্তাব করা হয়। এ নিয়ে গণমাধ্যমে সংবাদ প্রকাশের পর ইসি ওই অঙ্গীকারনামা যুক্তের উদ্যোগ থেকে সরে এসেছে। এরফলে আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা নির্বাচনে অংশ নিতে পারবে। ইসির কর্মর্তারা জানান, স্থানীয় সরকার নির্দলীয় প্রতীকে অনুষ্ঠিত হবে। নির্দলীয় নির্বাচন বিবেচনায় আচরণ বিধিমালায় অঙ্গীকার যুক্ত করেনি ইসি।

জানা গেছে, খসড়া আচরণ বিধিমালায় নির্বাচনে পোষ্টার ব্যবহার নিষিদ্ধ করা হয়েছে। বিলবোর্ড, ব্যানার, ফেস্টুন ও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে নির্বাচনী প্রচার চালাতে পারবেন প্রার্থীরা। ক্যারাভ্যান বা ভ্রাম্যমান বাহনে প্রচার চালানোর সুযোগ দেওয়া হয়েছে।

নির্বাচনে দুপুর ১২টা থেকে সূর্যাস্ত পর্যন্ত মাইক ব্যবহার করে প্রচার চালানোর কথা বলা হয়েছে। আচরণ বিধিমালায় প্রার্থিতা বাতিলের বিধান যুক্ত করা হয়েছে। জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আদলে একই পদ্ধতিতে স্থানীয় সরকার নির্বাচনে আচরণ বিধিমালা লংঘনের দায়ে প্রার্থিতা বাতিল করতে পারবে ইসি।

কালের আলো/এএইচ/এমএসআইপি