খুঁজুন
                               
বুধবার, ১৭ জুন, ২০২৬, ৩ আষাঢ়, ১৪৩৩
           

জুনে আরও ৪ কার্গো এলএনজি কিনবে সরকার

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: বুধবার, ১৭ জুন, ২০২৬, ১১:৫৩ পূর্বাহ্ণ
জুনে আরও ৪ কার্গো এলএনজি কিনবে সরকার

চলতি জুন মাসে সরকার আরও চার কার্গো তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস (এলএনজি) আমদানি করবে, যাতে মোট গ্যাসের পরিমাণ প্রায় ১ কোটি ২৮ লাখ এমএমবিটিইউ।

এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন বাংলাদেশ তেল, গ্যাস ও খনিজ সম্পদ করপোরেশনের (পেট্রোবাংলা) পরিচালক এ কে এম মিজানুর রহমান।

তিনি জানান, ‘গ্যাস সরবরাহ ব্যবস্থা স্থিতিশীল রাখতে স্পট মার্কেট ও স্বল্পমেয়াদি চুক্তির আওতায় ১ কোটি ৬০ লাখ এমএমবিটিইউ গ্যাসবাহী পাঁচটি এলএনজি কার্গো ইতোমধ্যে দেশে পৌঁছেছে।’

মিজানুর রহমান আরও বলেন, ‘জুন মাসের চাহিদা পূরণের লক্ষ্যে সরকার মোট ৯ কার্গো এলএনজি আমদানির পরিকল্পনা নিয়েছে, যার মধ্যে সোমবার (১৫ জুন) পর্যন্ত পাঁচ কার্গো দেশে পৌঁছেছে।’

পেট্রোবাংলার তথ্য অনুযায়ী, জুন মাসের জন্য ক্রয়কৃত ৯ কার্গো এলএনজির মধ্যে পাঁচটি স্পট মার্কেট ও স্বল্পমেয়াদি চুক্তির আওতায় সংগ্রহ করা হয়েছে, বাকি চার কার্গো স্পট মার্কেট থেকে আনা হবে।

এর আগে গত মে মাসে বাংলাদেশ দীর্ঘমেয়াদি ও স্বল্পমেয়াদি চুক্তি এবং স্পট মার্কেটের মাধ্যমে মোট ১১ কার্গো এলএনজি আমদানি করে, যাতে গ্যাসের পরিমাণ প্রায় ৩ কোটি ৫২ লাখ এমএমবিটিইউ।

মিজানুর রহমান বলেন, দেশের ক্রমবর্ধমান জ্বালানি চাহিদা মেটাতে বাংলাদেশ দীর্ঘমেয়াদি, স্বল্পমেয়াদি চুক্তি এবং স্পট মার্কেট সব উৎস থেকেই নিয়মিত এলএনজি আমদানি করছে। গড়ে প্রতিটি এলএনজি কার্গোতে প্রায় ৩২ লাখ এমএমবিটিইউ গ্যাস থাকে।

রূপান্তরিত প্রাকৃতিক গ্যাস কোম্পানি লিমিটেডের (আরপিজিসিএল) তথ্য অনুযায়ী, কাতারভিত্তিক কাতার এনার্জি এবং ওমান সরকারের জ্বালানি ও পণ্য বাণিজ্য প্রতিষ্ঠান ওকিউ ট্রেডিং দীর্ঘমেয়াদি চুক্তির আওতায় বাংলাদেশে এলএনজি সরবরাহ করে থাকে।

এছাড়া সংযুক্ত আরব আমিরাতভিত্তিক ওকিউ ট্রেডিং স্বল্পমেয়াদি চুক্তির আওতায়ও বাংলাদেশকে এলএনজি সরবরাহ করছে। প্রতি মাসে সরকারি ক্রয়সংক্রান্ত কমিটির অনুমোদন সাপেক্ষে সরকার স্পট মার্কেট থেকেও এলএনজি কার্গো সংগ্রহ

কালের আলো/ডিএইচ/এমএসআইপি 

জোর করে মুসলিমদের বাংলাদেশে ঠেলে দিচ্ছে ভারত: হিউম্যান রাইটস ওয়াচ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
প্রকাশিত: বুধবার, ১৭ জুন, ২০২৬, ১২:৫৪ অপরাহ্ণ
জোর করে মুসলিমদের বাংলাদেশে ঠেলে দিচ্ছে ভারত: হিউম্যান রাইটস ওয়াচ

ভারতের পশ্চিমবঙ্গে বসবাসকারী বাঙালিদের, বিশেষ করে মুসলিম সম্প্রদায়ের মানুষদের, আইনি প্রক্রিয়া অনুসরণ না করেই জোরপূর্বক বাংলাদেশে পাঠিয়ে দেওয়া হচ্ছে বলে জানিয়েছে আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থা হিউম্যান রাইটস ওয়াচ।

মঙ্গলবার (১৬ জুন) প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে সংস্থাটি জানায়, ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী (বিএসএফ) সীমান্তে বসবাসকারী বহু মানুষকে বাংলাদেশে ঠেলে দেওয়ার চেষ্টা করছে।

অন্যদিকে বাংলাদেশ বর্ডার গার্ড (বিজিবি) এসব ব্যক্তিকে যথাযথ যাচাই ছাড়া প্রবেশ করতে না দেওয়ায় অনেক পরিবার দুই দেশের সীমান্তের মধ্যবর্তী ‘জিরো লাইনে’ আটকা পড়ে যাচ্ছে।

বিজিবির তথ্য অনুযায়ী, ২০২৬ সালের ১ জুন থেকে এখন পর্যন্ত বিএসএফের অন্তত ২১টি ‘পুশইন’ প্রচেষ্টা প্রতিহত করা হয়েছে। এসব ঘটনায় শিশুসহ ২০০ জনেরও বেশি মানুষ বাংলাদেশে ঢুকিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করা হয়েছিল।

পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী দাবি করেছেন, তার সরকারের ‘ডিটেক্ট, ডিলিট অ্যান্ড ডিপোর্ট’ নীতির আওতায় শত শত ‘বাংলাদেশি অনুপ্রবেশকারীকে’ আটক করা হয়েছে এবং প্রায় পাঁচ হাজার মানুষকে ‘ফিরিয়ে দেওয়া হয়েছে’।

হিউম্যান রাইটস ওয়াচের এশিয়া বিভাগের উপপরিচালক মীনাক্ষী গাঙ্গুলী বলেন, ‘ভারতীয় কর্তৃপক্ষ পরিবারগুলোকে নির্মমভাবে বাংলাদেশে ঠেলে দিচ্ছে অথবা সীমান্তে আটকে রাখছে, যা তাদের মৌলিক মানবাধিকার লঙ্ঘন করছে। সরকারকে অবৈধ বহিষ্কার বন্ধ করতে হবে এবং নাগরিকত্ব যাচাইয়ে বাংলাদেশের সঙ্গে সমন্বয় করতে হবে।’

সংস্থাটি জানায়, তারা এমন নয়জন প্রত্যক্ষদর্শীর সঙ্গে কথা বলেছে যারা দেখেছেন, রাতের আঁধারে বিএসএফ বিভিন্ন দলকে সীমান্তে নিয়ে গিয়ে কাঁটাতারের ফাঁক দিয়ে বাংলাদেশের দিকে ঠেলে দিচ্ছে। কয়েকটি ঘটনায় বিজিবি প্রবেশে বাধা দিলে বিএসএফ পরে তাদের ভারতে ফিরিয়ে নেয়।

বাংলাদেশের পঞ্চগড় জেলায় ৫ জুন শিশুসহ ১০ জনকে বাংলাদেশে ঠেলে দেওয়ার চেষ্টা করলে ৭৫ ঘণ্টার অচলাবস্থা তৈরি হয় বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।

স্থানীয় বাসিন্দা রুবেল হোসেন বলেন, ‘তারা প্রায় ৫০ ফুট বাংলাদেশের ভেতরে ঢুকে পড়েছিল। পরে বিজিবি এসে তাদের থামায়। এরপর তারা সীমান্তের মাঝামাঝি এলাকায় অবস্থান নেয়।’

তিনি জানান, প্রথম রাতে প্রবল বৃষ্টি ও বজ্রপাতের মধ্যে তারা খোলা আকাশের নিচে ছিল। দ্বিতীয় দিনে বিএসএফ কিছু শুকনো খাবার দেয়। কয়েক দফা পতাকা বৈঠক ব্যর্থ হওয়ার পর বিএসএফ তাদের আবার ভারতীয় ভূখণ্ডে ফিরিয়ে নেয়।

৬ জুন ভোরে দুইটি বাঙালি মুসলিম পরিবারের ছয় সদস্যকে ঠাকুরগাঁও সীমান্তে ঠেলে দেওয়ার চেষ্টা করা হয়। বিজিবি তাদের বাংলাদেশে প্রবেশে বাধা দিলে এবং বিএসএফ ভারতে ফিরতে না দিলে তারা দীর্ঘ সময় সীমান্তে আটকা পড়ে থাকে। পরে তাদের ফিরিয়ে নেওয়া হয়।

এছাড়া ৮ জুন ঠাকুরগাঁওয়ের জিরো লাইনে প্রায় ৪৮ ঘণ্টা আটকে থাকার পর এক গর্ভবতী নারী ও তার সন্তানসহ ১১ জনকে বিএসএফ ফেরত নিয়ে যায় বলে জানিয়েছে বিজিবি।

প্রতিবেদনে বলা হয়, পশ্চিমবঙ্গে মার্চ মাসের নির্বাচনের আগে ভোটার তালিকা সংশোধনের সময় দ্রুত ও বিতর্কিত প্রক্রিয়ায় ৯০ লাখেরও বেশি নাম বাদ দেওয়া হয়।

এতে আটক ও বহিষ্কারের আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। এর আগে আসামে ২০১৯ সালের নাগরিকত্ব যাচাই প্রক্রিয়ায় ১৯ লাখের বেশি মানুষ রাষ্ট্রহীন হওয়ার ঝুঁকিতে পড়েছিল।

আসামের মুখ্যমন্ত্রী হিমন্ত বিশ্ব শর্মা বারবার বাংলা ভাষাভাষী মুসলমানদের ‘অবৈধ অভিবাসী’ বলে আখ্যা দিয়েছেন। সম্প্রতি তিনি দাবি করেন, সীমান্তের কাছে নিয়ে গিয়ে অনেককে সরাসরি সীমান্ত পার করে দেওয়া হয়েছে।

পঞ্চগড় সদর ইউনিয়নের এক জনপ্রতিনিধি হাসিবুর ইসলাম জানান, তিনি পশ্চিমবঙ্গের শিলিগুড়ির একটি পরিবারের সঙ্গে কথা বলেছেন, যাদের আধার কার্ড ছিল।

কিন্তু ভোটার তালিকা থেকে নাম বাদ পড়ার পর পুলিশ তাদের আটক করে বিএসএফের হাতে তুলে দেয়। পরে তাদের বাংলাদেশে ঠেলে দেওয়ার চেষ্টা করা হয়।

হিউম্যান রাইটস ওয়াচ বলেছে, কেউ যদি স্বেচ্ছায় নিজ দেশে ফিরতে চান, তা আন্তর্জাতিক মানবাধিকার আইনের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ। তবে জোরপূর্বক বহিষ্কার বা চাপ সৃষ্টি করে প্রত্যাবাসন সম্পূর্ণ অগ্রহণযোগ্য।

সংস্থাটির দাবি, পশ্চিমবঙ্গে শত শত সন্দেহভাজন বাংলাদেশি অভিবাসীকে আটক কেন্দ্রে রাখা হয়েছে। তাদের অধিকাংশই মুসলিম, যদিও কিছু হিন্দুও রয়েছেন।

অনেকের ক্ষেত্রে ভোটার তালিকা থেকে নাম বাদ পড়াই গ্রেফতার ও আটকের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে।

বাংলাদেশ সরকার ইতোমধ্যে জানিয়েছে, আইনি প্রক্রিয়া অনুসরণ ছাড়া সীমান্তে ঠেলে দেওয়া কাউকে গ্রহণ করা হবে না। নাগরিকত্ব যাচাই ও প্রচলিত প্রত্যাবাসন প্রক্রিয়া মেনেই যেকোনো প্রত্যাবর্তন হতে হবে।

হিউম্যান রাইটস ওয়াচ বলেছে, আন্তর্জাতিক মানবাধিকার আইন অনুযায়ী ভারত প্রত্যেক ব্যক্তির অধিকার সুরক্ষায় বাধ্য। যথাযথ আইনি প্রক্রিয়া ছাড়া কাউকে আটক বা বহিষ্কার করা মৌলিক মানবাধিকারের লঙ্ঘন।

খাদ্য, পানি, আশ্রয় ও চিকিৎসা ছাড়া সীমান্তে আটকে রাখা নিষ্ঠুর ও অমানবিক আচরণের শামিল হতে পারে।

মীনাক্ষী গাঙ্গুলী বলেন, কোনো মানুষের নাগরিকত্ব যাই হোক না কেন তাকে দুই দেশের সশস্ত্র সীমান্তরক্ষী বাহিনীর মাঝখানে খোলা মাঠে রাত কাটাতে বাধ্য করা উচিত নয়।

ভারতকে এসব নির্মম বহিষ্কার বন্ধ করতে হবে এবং উভয় দেশকে নিশ্চিত করতে হবে যে সীমান্ত ব্যবস্থাপনা কখনোই মানুষের মৌলিক মর্যাদার বিনিময়ে পরিচালিত হবে না।

কালের আলো/এসআর/এএএন

যেভাবে ফাঁস হয় পরীমনি–সাকলায়েনের ভিডিও

বিনোদন ডেস্ক
প্রকাশিত: বুধবার, ১৭ জুন, ২০২৬, ১১:৪৭ পূর্বাহ্ণ
যেভাবে ফাঁস হয় পরীমনি–সাকলায়েনের ভিডিও

সম্প্রতি চিত্রনায়িকা পরীমনি ও পুলিশ কর্মকর্তা গোলাম সাকলায়েনের ভিডিও ফাঁসের বিষয়টি আবারও আলোচনায় এসেছে। আলোচিত এ ঘটনার জেরে বর্তমানে ঝিনাইদহ ইন-সার্ভিস ট্রেনিং সেন্টারের অতিরিক্ত পুলিশ সুপারকে বাধ্যতামূলক অবসরে পাঠানোর চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, বাধ্যতামূলক অবসরের জন্য প্রস্তুত প্রজ্ঞাপনের সারসংক্ষেপে ইতোমধ্যে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদের স্বাক্ষর সম্পন্ন হয়েছে। এখন সেটি প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় হয়ে রাষ্ট্রপতির দপ্তরে পাঠানো হবে। পরে রাষ্ট্রপতির আদেশে এ সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি করা হবে।

মন্ত্রণালয়ের এ সিদ্ধান্তের পর নতুন করে প্রশ্ন উঠেছে পরীমনি ও সাকলায়েনের সম্পর্ক এবং ভিডিওটি কীভাবে ফাঁস হয়েছিল তা নিয়ে।

জানা যায়, একটি ইউটিউব চ্যানেলে প্রথম ভিডিওটি আপলোড করা হয়। অল্প সময়ের মধ্যেই সেটি ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়ে এবং দ্রুত ভাইরাল হয়ে যায়। এরপরই বিষয়টি নিয়ে শুরু হয় ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনা।

ভিডিওটি কীভাবে ছড়িয়েছে, তা নিয়ে সে সময় আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর মধ্যেও প্রশ্ন দেখা দেয়।

যে ইউটিউব চ্যানেল থেকে ভিডিওটি প্রথম প্রকাশ করা হয়েছিল, সেখানে ক্যাপশনে লেখা ছিল—‘পরীমনি ও পুলিশ কর্মকর্তা সাকলায়েনের গোপন ভিডিও’।

তৎকালীন বিভিন্ন সূত্র দাবি করে, ঈদের পর কোনো এক সময় পুলিশ কর্মকর্তা সাকলায়েনের বাসায় ভিডিওটি ধারণ করা হয়। সে সময় সেখানে পরীমনি, তার কস্টিউম ডিজাইনার জিমি এবং গাড়িচালক উপস্থিত ছিলেন। ধারণা করা হয়, জিমিই ভিডিওটি ধারণ করেন। তবে এ দাবির সত্যতা নিশ্চিত হওয়া যায়নি।

সেসময় ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশের এক কর্মকর্তা জানান, ভিডিওটি পুলিশের হাতে আসার কথা নয়। যিনি এটি ফাঁস করেছেন, তিনি উভয় পক্ষের পরিচিত কেউ হতে পারেন।

কালের আলো/এএন/এমএসআইপি 

সন্ধ্যার মধ্যে দেশের ৮ অঞ্চলে ঝড়ের আভাস

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: বুধবার, ১৭ জুন, ২০২৬, ১১:৪৭ পূর্বাহ্ণ
সন্ধ্যার মধ্যে দেশের ৮ অঞ্চলে ঝড়ের আভাস

সন্ধ্যার মধ্যে দেশের ৮ অঞ্চলে বজ্রসহ ঝড়ের আভাস দিয়েছে বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তর। এসব অঞ্চলের নদীবন্দরগুলোকে সতর্ক সংকেত দেখাতে বলেছে সংস্থাটি।

বুধবার (১৭ জুন) বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তরের সহকারী আবহাওয়াবিদ কাজী জেবুন্নেসার সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত দেশের অভ্যন্তরীণ নদীবন্দরগুলোর জন্য দেওয়া পূর্বাভাসে এ তথ্য জানানো হয়।

আবহাওয়া অফিস জানায়, আজ সন্ধ্যা ৬টার মধ্যে ময়মনসিংহ, বরিশাল, পটুয়াখালী, কুমিল্লা, নোয়াখালী, চট্টগ্রাম, কক্সবাজার এবং সিলেট অঞ্চলের উপর দিয়ে দক্ষিণ/দক্ষিণ-পূর্ব দিক থেকে ঘণ্টায় ৪৫-৬০ কিলোমিটার বেগে অস্থায়ীভাবে দমকা/ঝোড়ো হাওয়াসহ বৃষ্টি/বজ্রবৃষ্টি হতে পারে। এসব এলাকার নদীবন্দরকে ১ নম্বর সতর্ক সংকেত দেখাতে বলা হয়েছে।

কালের আলো/এসএকে