খুঁজুন
                               
, ,
           

নাহিদ রানার চিকিৎসায় অস্ট্রেলিয়ায় তাসকিন

স্পোর্টস ডেস্ক
প্রকাশিত: শনিবার, ১ আগস্ট, ২০২৬, ৫:১৭ অপরাহ্ণ
নাহিদ রানার চিকিৎসায় অস্ট্রেলিয়ায় তাসকিন

ইনজুরির কারণে অস্ট্রেলিয়া সিরিজ থেকে ছিটকে গেছেন তরুণ পেসার নাহিদ রানা। তবে উন্নত চিকিৎসার জন্য অস্ট্রেলিয়ায় গেছেন এই টাইগার পেসার। তাঁর সঙ্গে রয়েছেন জাতীয় দলের আরেক পেসার তাসকিন আহমেদ।

অস্ট্রেলিয়া সিরিজের দলে থাকলেও চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে নাহিদ রানার সঙ্গে অস্ট্রেলিয়ায় গেছেন তাসকিন। চিকিৎসা শেষে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে দেওয়া এক পোস্টে নিজের শারীরিক অবস্থার উন্নতির আশা প্রকাশ করেন তিনি।

তাসকিন লিখেছেন, ‘আশা করি আমাদের শারীরিক অবস্থার আরও উন্নতি হবে এবং ইনশাআল্লাহ খুব শিগগিরই আমার ভাই নাহিদ রানার সঙ্গে আবার একসঙ্গে খেলতে পারবো।’

চিকিৎসাসেবার জন্য অস্ট্রেলিয়ার চিকিৎসক ড্রর মাওরকে বিশেষ ধন্যবাদ জানান তাসকিন। পাশাপাশি চিকিৎসা প্রক্রিয়ায় সহযোগিতা করার জন্য বাংলাদেশি সহকারী বাবু ভাইয়ের প্রতিও কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন এই ডানহাতি পেসার।

নাহিদ রানার দ্রুত সুস্থতা কামনা করছেন ভক্তরা। টাইগার শিবিরও আশা করছে, চিকিৎসা শেষে শিগগিরই মাঠে ফিরতে পারবেন এই উদীয়মান পেসার।

কালের আলো/এসএ 

সব উপজেলা হাসপাতাল ১০১ শয্যায় উন্নীত করা হবে: প্রতিমন্ত্রী

চট্টগ্রাম প্রতিবেদক
প্রকাশিত: শনিবার, ১ আগস্ট, ২০২৬, ৭:০৫ অপরাহ্ণ
সব উপজেলা হাসপাতাল ১০১ শয্যায় উন্নীত করা হবে: প্রতিমন্ত্রী

সরকার দেশের সব উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ১০১ শয্যায় উন্নীত করার মেগা প্রকল্প হাতে নিয়েছে বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী ড. এম এ মুহিত। হাসপাতালগুলোর আধুনিক ডিজাইন ও ফিজিবিলিটি স্টাডির কাজ দ্রুত এগিয়ে চলছে বলেও জানিয়েছেন তিনি।

শনিবার (১ অগাস্ট) দুপুরে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ (চমেক) মিলনায়তনে আয়োজিত এক মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এ তথ্য জানান স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী। সভায় আরও বক্তব্য দেন চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন।

স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘দেশের ৭৫ শতাংশ মানুষ গ্রামে বাস করেন এবং তাদের প্রাথমিক ভরসা এই উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সগুলো। আগে জেলা পর্যায়ে যে সেবাগুলো মিলত, তার সিংহভাগই এখন এই ১০১ শয্যার উপজেলা কমপ্লেক্সগুলোতে নিয়ে আসা হবে।’

এছাড়া আগামী পাঁচ বছরের মধ্যে স্বাস্থ্যখাতের বাজেট জিডিপির ১ শতাংশ থেকে বাড়িয়ে ৫ শতাংশে উন্নীত করার লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে বলেও জানান আন্তর্জাতিক জনস্বাস্থ্য ও চক্ষু বিশেষজ্ঞ ড. মুহিত।

তিনি বলেন, ‘শিশুদের বিশেষায়িত সেবার জন্য দেশের পাঁচটি শহরে পাঁচটি নতুন শিশু হাসপাতাল এবং নারী স্বাস্থ্যের জন্য পৃথক ইনস্টিটিউট গড়ে তোলার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এছাড়া নগর স্বাস্থ্যকে এখন সিটি করপোরেশন থেকে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের মূল কাঠামোর অধীনে এনে পুনর্গঠন করা হচ্ছে।’

বিগত সময়ের অনিয়ম তুলে ধরে স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘পরিকল্পনা ছাড়া শত কোটি টাকার যন্ত্রপাতি কেনা হয়েছে, যা বহু জায়গায় অব্যবহৃত পড়ে আছে। সমন্বিত পরিকল্পনার মাধ্যমে এই অপচয় বন্ধ করা হবে।’

চিকিৎসকদের নিরাপত্তার স্বার্থে প্রতিটি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে প্রাথমিক পদক্ষেপ হিসেবে ১০ জন করে আনসার বাহিনী মোতায়েন করা হয়েছে বলেও জানান তিনি।

কালের আলো/আরডি/এমডিএইচ

নির্ধারিত সময়ের মধ্যেই খাল খনন শেষ হবে: কৃষিমন্ত্রী

কুমিল্লা প্রতিবেদক
প্রকাশিত: শনিবার, ১ আগস্ট, ২০২৬, ৬:৫৬ অপরাহ্ণ
নির্ধারিত সময়ের মধ্যেই খাল খনন শেষ হবে: কৃষিমন্ত্রী

কৃষি ও মৎস্য-প্রাণিসম্পদমন্ত্রী মোহাম্মদ আমিন উর রশিদ ইয়াছিন বলেছেন, কৃষি মন্ত্রণালয়ের অধীন বাংলাদেশ কৃষি উন্নয়ন করপোরেশনের (বিএডিসি) চলমান খাল খনন কর্মসূচি আগামী বছর নির্ধারিত সময়ের মধ্যেই সম্পন্ন হবে। এ লক্ষ্যে সংশ্লিষ্ট সব বিভাগকে প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে এবং তারা নিজ নিজ দায়িত্ব পালনে কাজ করে যাচ্ছে।

শনিবার (১ আগস্ট) দুপুরে কুমিল্লা সার্কিট হাউসে কৃষি ও মৎস্য-প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের কুমিল্লা অঞ্চলের কর্মকর্তাদের সঙ্গে মতবিনিময় সভা শেষে সাংবাদিকদের তিনি এসব কথা বলেন।

মন্ত্রী বলেন, জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে বন্যা ও উপকূলীয় অঞ্চলের কৃষকদের ক্ষয়ক্ষতি কমাতে ১১৮টি নতুন জাতের ধানের বীজ সরবরাহের পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। প্রথম ধাপে ৩০ টন বীজ বিতরণ করা হবে। পাশাপাশি উপকূলীয় অঞ্চলের জন্য লবণাক্ততা সহনশীল নতুন জাতের ধান উদ্ভাবনের কাজও চলমান রয়েছে।

তিনি আরও বলেন, কৃষি বিজ্ঞানীরা এ বিষয়ে নিরলসভাবে গবেষণা ও উন্নয়ন কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছেন। ভবিষ্যতে আরও সহনশীল ও উচ্চ ফলনশীল ধানের জাত উদ্ভাবনের কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।

সভায় কুমিল্লার জেলা প্রশাসক রোজী আক্তারসহ কৃষি, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ বিভাগের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

কালের আলো/আরডি/এমডিএইচ

আগস্টজুড়ে অতিবৃষ্টির আভাস, রয়েছে বন্যার ঝুঁকিও

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: শনিবার, ১ আগস্ট, ২০২৬, ৬:৩৫ অপরাহ্ণ
আগস্টজুড়ে অতিবৃষ্টির আভাস, রয়েছে বন্যার ঝুঁকিও

বিদায়ী জুলাই মাসজুড়ে সারাদেশেই কম-বেশি বৃষ্টিপাত হয়েছে। আজ থেকে শুরু হওয়া আগস্ট জুড়েও দেশব্যাপী স্বাভাবিকের চেয়ে বেশি অর্থাৎ অতিবৃষ্টি হতে পারে। সেইসঙ্গে উত্তরাঞ্চল, সিলেট এবং ময়মনসিংহে বন্যার ঝুঁকিও রয়েছে।

শনিবার (১ আগস্ট) চলতি মাসের আবহাওয়া সম্পর্কে এমনই পূর্বাভাস জানিয়েছে বাংলাদেশ ওয়েদার অবজারভেশন টিম (বিডব্লিউওটি)।

সংস্থাটি আরও জানাচ্ছে, চলতি মাসে বঙ্গোপসাগরে দুই থেকে তিনটি মৌসুমি লঘুচাপ বা নিম্নচাপ সৃষ্টি হতে পারে।

পূর্বাভাসে বিডব্লিউওটি জানায়, মাসের প্রথম সপ্তাহে রংপুর, ময়মনসিংহ ও সিলেট বিভাগে ভারী থেকে অতিভারী বৃষ্টিপাত হতে পারে। এতে নদ-নদীর পানি বৃদ্ধি পেয়ে নিচু এলাকা প্লাবিত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। তবে এ সময়ে সমুদ্র তুলনামূলক শান্ত থাকতে পারে।

দ্বিতীয় সপ্তাহে খুলনা, বরিশাল, চট্টগ্রাম ও ঢাকা বিভাগে মাঝারি থেকে ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। এসময় বঙ্গোপসাগরে একটি মৌসুমি লঘুচাপ বা নিম্নচাপ সৃষ্টি হতে পারে। এর প্রভাবে উত্তর বঙ্গোপসাগর উত্তাল হয়ে সমুদ্রবন্দরে সতর্ক সংকেত জারির প্রয়োজন হতে পারে। পাশাপাশি পার্বত্য চট্টগ্রামে পাহাড় ধস এবং উত্তরাঞ্চলে বন্যার ঝুঁকি বাড়তে পারে।

মাসের তৃতীয় ও চতুর্থ সপ্তাহেও দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে বৃষ্টিপাত অব্যাহত থাকতে পারে। সিলেট, ময়মনসিংহ, ঢাকা, চট্টগ্রাম ও রংপুর বিভাগে ভারী বৃষ্টির কারণে একাধিক নদ-নদীর পানি বিপৎসীমা অতিক্রম করতে পারে বলে পূর্বাভাসে উল্লেখ করা হয়েছে।

মাসের শেষ সপ্তাহে দক্ষিণ ও পূর্বাঞ্চলেও বৃষ্টির প্রবণতা বজায় থাকতে পারে। একই সময়ে বঙ্গোপসাগরে নতুন একটি লঘুচাপ সৃষ্টি হওয়ার সম্ভাবনাও রয়েছে।

পূর্বাভাসে আরও বলা হয়েছে, আগস্টে বড় ধরনের কোনো ঘূর্ণিঝড় বা তাপপ্রবাহের আশঙ্কা নেই। তবে বৃষ্টির বিরতিতে আর্দ্রতাজনিত ভ্যাপসা গরম অনুভূত হতে পারে।

এছাড়া আগস্টের ১৪ তারিখে পূর্ণগ্রাস সূর্যগ্রহণ এবং ২৮ আগস্ট চন্দ্রগ্রহণ ঘটলেও এর কোনোটিই বাংলাদেশ থেকে দেখা যাবে না।

এর আগে বিদায়ী জুলাই মাসজুড়ে দেশের প্রায় সব জেলাতেই কখনো মাঝারী আবার কখনো ভারী বৃষ্টিপাত হয়। এতে চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, বান্দরবান, সিলেট, হবিগঞ্জ ও মৌলভীবাজারসহ কয়েক জেলায় নদ-নদীর পানি বেড়ে নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হয়।

এর ফলে পানবন্দি হয়ে পড়ে হাজার হাজার পরিবার। নষ্ট হয়ে যায় অসংখ্য জমির ফসল। পাশাপাশি চট্টগ্রাম, কক্সবাজার এবং নোয়াখালী রোহিঙ্গা ক্যাম্পে পাহাড় ধসে এবং পানিতে ডুবে শিশুসহ উল্লেখযোগ্য হারে মানুষ প্রাণ হারান।

কালের আলো/আরডি/এমডিএইচ