খুঁজুন
                               
, ,
           

ইনফান্তিনোর সমর্থন প্রত্যাহার করেছে নিউজিল্যান্ড ফুটবল

স্পোর্টস ডেস্ক
প্রকাশিত: শুক্রবার, ১৪ আগস্ট, ২০২৬, ১:২৯ অপরাহ্ণ
ইনফান্তিনোর সমর্থন প্রত্যাহার করেছে নিউজিল্যান্ড ফুটবল

ফিফা সভাপতি জিয়ান্নি ইনফান্তিনোর প্রতি সমর্থন প্রত্যাহার করেছে নিউজিল্যান্ড ফুটবল। একই সঙ্গে বিশ্বকাপের একটি অংশ বিক্রির বাতিল হয়ে যাওয়া বিনিয়োগ পরিকল্পনা নিয়ে স্বাধীন তদন্তের দাবি জানিয়েছে দেশটির ফুটবল নিয়ন্ত্রক সংস্থা।

শুক্রবার এক বিবৃতিতে নিউজিল্যান্ড ফুটবল বলেছে, ফিফার কিছু সিদ্ধান্ত ও কর্মকাণ্ডের কারণে আন্তর্জাতিক ফুটবলে আস্থার সংকট ও বিভাজন তৈরি হয়েছে। এ পরিস্থিতিতে আস্থা ও বিশ্বাস পুনরুদ্ধারে স্বাধীন পর্যালোচনা প্রয়োজন।

সংস্থাটি আরও বলেছে, আন্তর্জাতিক ফুটবলের প্রশাসনের ওপর আস্থা বজায় রাখতে সুশাসন, জবাবদিহি ও স্বচ্ছতা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। ফিফার সব সদস্য অ্যাসোসিয়েশনের জন্য আরও শক্তিশালী সুশাসন, জবাবদিহি ও স্বচ্ছতার পক্ষে অবস্থান নেওয়ার সুযোগ তৈরি হয়েছে।

ইনফান্তিনোর নেতৃত্ব নিয়ে এমন অবস্থানের আগে চলতি সপ্তাহেই ফিফার তিন প্রভাবশালী কনফেডারেশন—ইউরোপের উয়েফা, উত্তর ও মধ্য আমেরিকার কনক্যাকাফ এবং এশিয়ান ফুটবল কনফেডারেশন (এএফসি)—এক যৌথ খোলাচিঠিতে ফিফা সভাপতির বিরুদ্ধে আস্থাভঙ্গের অভিযোগ তোলে। তাঁদের বক্তব্যে ইনফান্তিনোর বিরুদ্ধে ‘প্রতারণার মাধ্যমে’ আস্থা নষ্ট করার অভিযোগও উঠে আসে।

আগামী মার্চে ফিফা সভাপতি হিসেবে পুনর্নির্বাচনের আগে এসব কনফেডারেশন ইনফান্তিনোর পদত্যাগ চাইছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

নিউজিল্যান্ড ফুটবল হলো ইনফান্তিনোর প্রতি প্রকাশ্যে সমর্থন প্রত্যাহার করা সর্বশেষ ফিফা সদস্য। এর আগে নরওয়ে ফুটবল ফেডারেশনও তাঁকে পদত্যাগের আহ্বান জানিয়েছিল।

বুধবার আঞ্চলিক সংস্থা ওশেনিয়া ফুটবল কনফেডারেশনের (ওএফসি) বৈঠকের পর নিউজিল্যান্ড ফুটবল নিজেদের অবস্থান স্পষ্ট করে। তবে ওএফসি সরাসরি ইনফান্তিনোর পদত্যাগ দাবি করেনি। বরং বিশ্বকাপের বিতর্কিত বিনিয়োগ পরিকল্পনা স্থগিত রাখার সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানিয়েছে তারা।

ওএফসি বলেছে, সুশাসন, স্বচ্ছতা এবং প্রতিষ্ঠিত প্রাতিষ্ঠানিক প্রক্রিয়ার প্রতি সম্মান ফুটবলের কার্যকর প্রশাসন ও টেকসই উন্নয়নের জন্য মৌলিক বিষয়।

অন্যদিকে ইনফান্তিনো ও ফিফাকে দুর্বল করার চেষ্টা চলছে—এমন অভিযোগ তুলে সমালোচনার জবাব দিয়েছে বিশ্ব ফুটবলের নিয়ন্ত্রক সংস্থাটি।

এর মধ্যেই ইনফান্তিনোর প্রতি নিজেদের ‘পূর্ণ সমর্থন’ ও ‘আস্থা’ প্রকাশ করেছেন ছয়টি আরব ফুটবল ফেডারেশনের প্রধান। ২০৩০ বিশ্বকাপের অন্যতম আয়োজক মরক্কোর পাশাপাশি কাতার, মিসর, মৌরিতানিয়া, লেবানন ও সুদানও ফিফা সভাপতির প্রতি সমর্থন জানিয়েছে।

ফলে ইনফান্তিনোর নেতৃত্ব নিয়ে ফিফার সদস্য দেশ ও আঞ্চলিক কনফেডারেশনগুলোর মধ্যে মতবিরোধ এখন আরও প্রকাশ্য হয়ে উঠেছে। একদিকে ইউরোপ, এশিয়া ও উত্তর ও মধ্য আমেরিকার প্রভাবশালী কনফেডারেশনগুলোর সমালোচনা, অন্যদিকে আরব দেশগুলোর সমর্থন—সব মিলিয়ে আগামী মার্চের ফিফা সভাপতি নির্বাচন সামনে রেখে বিশ্ব ফুটবলের প্রশাসনে নতুন করে উত্তেজনা তৈরি হয়েছে।

কালের আলো/এসএ

সত্যিই রয়েছে ‘মুসাফির ক্যাফে’! কীভাবে যাবেন, কত খরচ জেনে নিন

ট্রাভেল ডেস্ক
প্রকাশিত: শুক্রবার, ১৪ আগস্ট, ২০২৬, ২:১৯ অপরাহ্ণ
সত্যিই রয়েছে ‘মুসাফির ক্যাফে’! কীভাবে যাবেন, কত খরচ জেনে নিন

নেটফ্লিক্সে মুক্তির পর থেকেই দর্শকদের মধ্যে আলোচনায় রয়েছে ওয়েব সিরিজ ‘মুসাফির ক্যাফে’। গল্প ও অভিনয়ের পাশাপাশি সিরিজে দেখানো পাহাড়ঘেরা মনোরম ক্যাফেটিও নজর কেড়েছে দর্শকদের। সিরিজটি দেখার পর অনেকেই বাস্তবে সেই জায়গায় গিয়ে এক রাত কাটানোর পরিকল্পনা করছেন। ফলে অনলাইনে বেড়েছে এর অবস্থান ও থাকার খরচ নিয়ে আগ্রহ।

তবে সিরিজে ‘মুসাফির ক্যাফে’ নামে দেখানো জায়গাটি আসলে কোনো ক্যাফে নয়। এটি ভারতের উত্তরাখণ্ডের মুসৌরিতে অবস্থিত ঐতিহ্যবাহী ঝাড়িপানি ক্যাসেল, বর্তমানে যা একটি হেরিটেজ বুটিক হোমস্টে হিসেবে পরিচালিত হচ্ছে।

দুন উপত্যকার পাশে পাহাড়ঘেরা পরিবেশ, কাঠ ও কাচের নান্দনিক স্থাপত্য এবং প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের কারণে জায়গাটি আগে থেকেই পর্যটকদের কাছে আকর্ষণীয়। সিরিজে প্রদর্শনের পর সেটি পেয়েছে নতুন পরিচিতি।

ঝাড়িপানি ক্যাসেল নির্মিত হয় ১৯৩২ সালে। একসময় এটি ব্রিটিশ সেনা কর্মকর্তাদের গেস্ট হাউস হিসেবে ব্যবহৃত হতো। পরবর্তী সময়ে পাটিয়ালা রাজপরিবারের গ্রীষ্মকালীন আবাস হিসেবেও ভবনটির ব্যবহার ছিল।

বর্তমানে বহরি পরিবারের তত্ত্বাবধানে এটি বিলাসবহুল হোমস্টেতে রূপ নিয়েছে। পুরোনো স্থাপত্যের বৈশিষ্ট্য ধরে রাখার পাশাপাশি এখানে যুক্ত হয়েছে আধুনিক সুযোগ-সুবিধা।

হোমস্টেটিতে রয়েছে বিভিন্ন ধরনের থাকার ব্যবস্থা। এর মধ্যে লগ হাট, ডিলাক্স লগ হাট, ভ্যালি ভিউ ডিলাক্স, স্যুট ও জাকুজি স্যুট উল্লেখযোগ্য। বিশেষ করে কাঠের তৈরি লগ হাটে থাকার অভিজ্ঞতা অনেকটা পাহাড়ি কটেজে থাকার মতো।

কক্ষের ধরন ও মৌসুম অনুযায়ী থাকার খরচ পরিবর্তিত হয়। সাধারণ কক্ষের ভাড়া প্রায় ৬ হাজার ৪০০ টাকা থেকে শুরু হতে পারে। লগ হাটের ভাড়া প্রায় ৪ হাজার ৬০০ থেকে ৮ হাজার ৫০০ টাকা পর্যন্ত হতে পারে।

ডিলাক্স লগ হাটে এক রাতের জন্য খরচ হতে পারে ১০ থেকে ১৫ হাজার টাকা। আর ভ্যালি ভিউ ডিলাক্স কিংবা জাকুজি স্যুটের মতো প্রিমিয়াম কক্ষের ভাড়া ২০ থেকে ২৬ হাজার টাকা বা তারও বেশি হতে পারে। সপ্তাহান্ত ও পর্যটন মৌসুমে ভাড়া আরও বাড়তে পারে।

এদিকে ‘মুসাফির ক্যাফে’ নামে বাস্তবেও একটি ক্যাফে রয়েছে ভারতের হিমাচল প্রদেশের বীর এলাকায়। ২০১৭ সালে গৌরব কুশওহা এটি প্রতিষ্ঠা করেন। তবে নেটফ্লিক্স সিরিজের শুটিং সেখানে হয়নি।

সিরিজে দেখা ক্যাফের অধিকাংশ দৃশ্য ধারণ করা হয়েছে মুসৌরির ঝাড়িপানি ক্যাসেলেই।

সিরিজ-সিনেমায় দেখা লোকেশন বাস্তবে ঘুরে দেখার প্রবণতাকে বলা হয় ‘সেট-জেটিং’। ‘মুসাফির ক্যাফে’ সেই প্রবণতার নতুন উদাহরণ হয়ে উঠেছে। পাহাড়, কুয়াশা, কাঠের কটেজ আর নিরিবিলি পরিবেশের টানে এখন দর্শকদের অনেকেই ছুটতে চাইছেন মুসৌরির এই ঐতিহাসিক হোমস্টের দিকে।

কালের আলো/এসএ

দক্ষিণ সুদান-আবেইয়ে শান্তিরক্ষা মিশন পরিদর্শন শেষে দেশে ফিরলেন সেনা প্রধান

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: শুক্রবার, ১৪ আগস্ট, ২০২৬, ২:১৮ অপরাহ্ণ
দক্ষিণ সুদান-আবেইয়ে শান্তিরক্ষা মিশন পরিদর্শন শেষে দেশে ফিরলেন সেনা প্রধান

পাঁচ দিনের সরকারি সফরে ইউনাইটেড নেশনস মিশন ইন সাউথ সুদান এবং ইউনাইটেড নেশনস ইন্টারিম সিকিউরিটি ফোর্স ফর আবেই পরিদর্শন শেষে দেশে ফিরেছেন সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান।

শুক্রবার (১৪ আগস্ট) আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তর (আইএসপিআর) এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ কথা জানান।

আইএসপিআর জানায়, সফরকালে সেনাবাহিনী প্রধান দক্ষিণ সুদানে মোতায়েনরত বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর ইঞ্জিনিয়ার কোম্পানি, পদাতিক ব্যাটালিয়ন ও বাংলাদেশ নৌবাহিনীর ফোর্স মেরিন ইউনিট এবং আবেই-তে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর পদাতিক ব্যাটালিয়ন পরিদর্শন করেন। উভয় মিশন এলাকায় সেনাবাহিনী প্রধান বাংলাদেশী শান্তিরক্ষীদের সর্বোচ্চ সতর্কতা বজায় রেখে পেশাদারিত্ব, শৃঙ্খলা ও নিষ্ঠার সঙ্গে দায়িত্ব পালনের বিষয়ে দিকনির্দেশনা প্রদান করেন।

এ ছাড়া তিনি ইউনাইটেড নেশনস মিশন ইন সাউথ সুদান এবং ইউনাইটেড নেশনস ইন্টারিম সিকিউরিটি ফোর্স ফর আবেই মিশনে নিয়োজিত বাংলাদেশী স্টাফ অফিসার, অবজারভার এবং কন্টিনজেন্ট সদস্যদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন এবং তাদের কার্যক্রম ও মিশনের সার্বিক পরিস্থিতি সম্পর্কে অবহিত হন।

সফরের অংশ হিসেবে সেনাবাহিনী প্রধানইউনাইটেড নেশনস মিশন ইন সাউথ সুদান-এর ফোর্স কমান্ডার মেজর জেনারেল জুহুই উ এবং  ইউনাইটেড নেশনস ইন্টারিম সিকিউরিটি ফোর্স ফর আবেই-এর ফোর্স কমান্ডার লেফটেন্যান্ট জেনারেল গনেশ কুমার শ্রেষ্ঠার সঙ্গে পৃথকভাবে সাক্ষাৎ ও মতবিনিময় করেন।

এ ছাড়া, তিনি আবেই-তে মিশন লিডারশিপ টিম এবং সুদান ও দক্ষিণ সুদানের ন্যাশনাল মনিটরগণের সঙ্গেও সাক্ষাৎ করেন। এ সকল সাক্ষাতে মিশনের সার্বিক কার্যক্রম, নিরাপত্তা পরিস্থিতি এবং আভিযানিক চ্যালেঞ্জসহ বিভিন্ন বিষয়ে আলোচনা হয়।

পরবর্তীতে সেনাবাহিনী প্রধান দক্ষিণ সুদানের প্রতিরক্ষা মন্ত্রী কোল থন বলক এবং প্রতিরক্ষা বাহিনী প্রধান জেনারেল সানটিনো দেং ওলের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ ও মতবিনিময় করেন। এ সময় দক্ষিণ সুদান প্রতিরক্ষা বাহিনীর পক্ষ থেকে সেনাবাহিনী প্রধান কে গার্ড অব অনার প্রদান করা হয়।

সেনাবাহিনী প্রধানের এ সফর বাংলাদেশি শান্তিরক্ষীদের মনোবল বৃদ্ধির পাশাপাশি সংশ্লিষ্ট দেশ ও জাতিসংঘের সঙ্গে বাংলাদেশের পারস্পরিক সম্পর্ক ও সহযোগিতা আরও সুদৃঢ় করবে, এবং বাংলাদেশের জন্য শান্তিরক্ষা কার্যক্রমের পরিধি সম্প্রসারণে সহায়ক ভূমিকা পালন করবে বলে আশা করছেন সংশ্লিষ্টরা।

কালের আলো/এম/এএইচ

৭ সহকারী পুলিশ কমিশনারসহ ৫৬ কর্মকর্তাকে বাধ্যতামূলক অবসর

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: শুক্রবার, ১৪ আগস্ট, ২০২৬, ২:১৪ অপরাহ্ণ
৭ সহকারী পুলিশ কমিশনারসহ ৫৬ কর্মকর্তাকে বাধ্যতামূলক অবসর

সাত সহকারী পুলিশ কমিশনার ও ৪৯ পুলিশ পরিদর্শকসহ ৫৬ জনকে চাকরি থেকে বাধ্যতামূলক অবসরে পাঠিয়ে প্রজ্ঞাপন জারি করেছে সরকার।

বৃহস্পতিবার (১৩ আগস্ট) স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জননিরাপত্তা বিভাগের পুলিশ-১ শাখা থেকে জারি করা পৃথক দুটি প্রজ্ঞাপনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

সরকারি চাকরি আইন, ২০১৮-এর ৪৫ ধারায় দেয়া ক্ষমতাবলে এসব কর্মকর্তাকে অবসরে পাঠানো হয়েছে। প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, জনস্বার্থে জারি করা এই আদেশ অবিলম্বে কার্যকর হবে। অবসরপ্রাপ্ত কর্মকর্তারা প্রচলিত বিধি অনুযায়ী অবসরজনিত সব সুবিধা পাবেন।

স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের প্রজ্ঞাপনের তথ্য অনুযায়ী, অবসরে পাঠানো ৪৯ পুলিশ পরিদর্শক পুলিশের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ ইউনিট ও কর্মস্থলে দায়িত্ব পালন করছিলেন। তাদের মধ্যে বিভিন্ন জেলা পুলিশ, ঢাকা মহানগর পুলিশ (ডিএমপি), অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি), পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই), বিশেষ শাখা (এসবি) এবং রেলওয়ে পুলিশে কর্মরত কর্মকর্তাও রয়েছেন।

অন্যদিকে, সহকারী পুলিশ সুপার পদপর্যায়ের সাত কর্মকর্তাকেও একই আইনের আওতায় জনস্বার্থে অবসরে পাঠানো হয়েছে। তারা হলেন- নুরে আলম সিদ্দিকী, মো. নূরুল মোতাকিন, কাজী ওয়ায়েজ আলী, মো. সৈয়দুজ্জামান, মো. গোলাম কিবরিয়া, মো. রবিউল ইসলাম ও মোহাম্মদ মিজানুর রহমান।

কালের আলো/এসএকে