খুঁজুন
                               
, ,
           

কাতারে বাংলাদেশি কর্মীদের কর্মসংস্থান বাড়ানোর বিষয়ে আলোচনা

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: বুধবার, ১৯ আগস্ট, ২০২৬, ১২:২৫ অপরাহ্ণ
কাতারে বাংলাদেশি কর্মীদের কর্মসংস্থান বাড়ানোর বিষয়ে আলোচনা

শ্রম সহযোগিতা ও প্রবাসী বাংলাদেশি কর্মীদের কল্যাণে কাতারের সঙ্গে সহযোগিতা আরও জোরদারের বিষয়ে আলোচনা হয়েছে। এ বিষয়ে কাতারের শ্রমমন্ত্রী আলী বিন সাঈদ বিন সামিখ আল মাররির সঙ্গে বৈঠক করেছেন বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমান।

বুধবার (১৯ আগস্ট) পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে।

বৈঠকে বাংলাদেশ ও কাতারের পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়। এর মধ্যে বিশেষ গুরুত্ব পায় শ্রম সহযোগিতা, কাতারে কর্মরত প্রবাসী বাংলাদেশিদের কল্যাণ ও সুরক্ষা এবং দক্ষ ও আধা-দক্ষ বাংলাদেশি কর্মীদের জন্য আরও বেশি কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি।

বৈঠকে কাতারের শ্রমমন্ত্রী দেশটির অর্থনীতি ও উন্নয়নে বাংলাদেশি কর্মীদের গুরুত্বপূর্ণ অবদানের প্রশংসা করেন।

এ সময় উভয় পক্ষ বাংলাদেশ ও কাতারের মধ্যে শ্রম ও জনশক্তি খাতে বিদ্যমান সহযোগিতা আরও সম্প্রসারণ ও জোরদারের বিষয়ে নিজেদের অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেন।

কালের আলো/এএএন/এমএসআইপি

যুক্তরাষ্ট্রে স্কুলে এআই ব্যবহারে শিক্ষার্থীদের নীতিমালা, ৮২-১৬ ভোটে পাস ‘স্টুডেন্টস ফার্স্ট অ্যাক্ট’

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
প্রকাশিত: বুধবার, ১৯ আগস্ট, ২০২৬, ১:১৬ অপরাহ্ণ
যুক্তরাষ্ট্রে স্কুলে এআই ব্যবহারে শিক্ষার্থীদের নীতিমালা, ৮২-১৬ ভোটে পাস ‘স্টুডেন্টস ফার্স্ট অ্যাক্ট’

স্কুলশিক্ষার্থীদের কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) ব্যবহারের বিষয়ে যুক্তরাষ্ট্রে এখনো জাতীয় পর্যায়ে নির্দিষ্ট কোনো নীতিমালা নেই। এমন পরিস্থিতিতে ৫০টি অঙ্গরাজ্যের ৯৮ জন কিশোর-কিশোরী একত্র হয়ে স্কুলে এআই ব্যবহারের জন্য একটি নীতিমালা তৈরি করেছে।

জুলাইয়ের শেষ সপ্তাহে যুক্তরাষ্ট্রের সিনেটের এডওয়ার্ড এম কেনেডি ইনস্টিটিউটে আয়োজিত এক কর্মসূচিতে শিক্ষার্থীরা এ নিয়ে বিতর্ক করে। অংশগ্রহণকারীদের বেশির ভাগই উচ্চমাধ্যমিকের একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণির শিক্ষার্থী।

আলোচনার পর শিক্ষার্থীদের তৈরি ‘স্টুডেন্টস ফার্স্ট অ্যাক্ট’ ৮২-১৬ ভোটে পাস হয়। এটি অবশ্য যুক্তরাষ্ট্রের প্রকৃত আইন নয়। তবে দেশটির প্রায় ১০ হাজার স্কুলনেতার প্রতিনিধিত্বকারী সংগঠন এএএসএ বিলটির সুপারিশগুলো তাদের সদস্যদের কাছে পাঠানোর পরিকল্পনা করেছে।

প্রস্তাবিত নীতিমালায় বলা হয়েছে, এআই ব্যবহারের কারণে যেন শিক্ষার্থীদের নিজস্ব চিন্তা ও শেখার দক্ষতা ক্ষতিগ্রস্ত না হয়, সে জন্য স্পষ্ট সীমারেখা থাকা প্রয়োজন।

গ্রেড দেওয়া পরীক্ষায় এআই ব্যবহার নিষিদ্ধ করার প্রস্তাব করা হয়েছে। তবে অষ্টম শ্রেণি পার হওয়ার পর শিক্ষার্থীরা সম্পাদনা, ধারণা তৈরি ও পড়াশোনায় সহায়তার জন্য এআই ব্যবহার করতে পারবে। সরাসরি এআই দিয়ে লেখা তৈরি করার অনুমতি থাকবে না।

এআই ব্যবহারের অনুমতি থাকলে শিক্ষার্থীদের কোথায় এবং কীভাবে এআই ব্যবহার করেছে, তা উল্লেখ করতে হবে। একই সঙ্গে মৌখিক পরীক্ষা, হাতে লেখা পরীক্ষা বা আলোচনার মাধ্যমে শিক্ষার্থী বিষয়টি সত্যিই বুঝেছে কি না, তা যাচাইয়ের প্রস্তাব রাখা হয়েছে।

শিক্ষার্থীদের কাজে এআই ব্যবহারের সন্দেহ হলে শুধু এআই শনাক্তকারী সফটওয়্যারের ফলাফলের ভিত্তিতে ব্যবস্থা না নেওয়ার প্রস্তাব করা হয়েছে।

নীতিমালা অনুযায়ী, এমন অভিযোগ অন্তত দুজন স্কুল কর্মকর্তা পর্যালোচনা করবেন। শিক্ষার্থীদের যুক্তি, এআই শনাক্তকারী সফটওয়্যার সব সময় নির্ভুল নয়। তাই শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়ার আগে মানুষের মাধ্যমে বিষয়টি যাচাই করা প্রয়োজন।

শ্রেণিকক্ষে ডিজিটাল ডিভাইস ব্যবহারের শুরু থেকেই শিক্ষার্থীদের এআই সম্পর্কে মৌলিক শিক্ষা দেওয়ার প্রস্তাবও করেছে তারা।

এর মধ্যে এআইয়ের মাধ্যমে ছড়ানো ভুল তথ্য, পক্ষপাত, চৌর্যবৃত্তি, ব্যক্তিগত তথ্যের গোপনীয়তা, একাডেমিক কাজে এআই ব্যবহারের নিয়ম এবং পরিবেশের ওপর এআইয়ের প্রভাব সম্পর্কে শিক্ষার্থীদের সচেতন করার বিষয়গুলো রয়েছে।

শিক্ষকদের পাঠ পরিকল্পনা, অনুশীলনী তৈরি, শিক্ষার্থীদের ফিডব্যাক দেওয়া এবং পাঠদানের মান উন্নয়নে এআই ব্যবহারের অনুমতি দেওয়ার প্রস্তাব করা হয়েছে।

তবে প্রতি সেমিস্টারে শিক্ষকদের লিখিতভাবে জানাতে হবে, কোন কাজে এআই ব্যবহার করা যাবে এবং কোন কাজে তা ব্যবহার করা যাবে না।

স্কুলের এআই চ্যাটবটের মাধ্যমে কোনো শিক্ষার্থী মানসিক সংকটের কথা জানালে কী করা হবে, তা নিয়েও শিক্ষার্থীদের মধ্যে আলোচনা হয়।

শেষ পর্যন্ত তাঁরা একমত হন, এমন পরিস্থিতিতে চ্যাটবটের নিজে থেকে পরামর্শ না দিয়ে স্কুলের দায়িত্বশীল কর্মকর্তাকে সতর্ক করা উচিত। অর্থাৎ সংকটের ক্ষেত্রে মানুষের হস্তক্ষেপকেই অগ্রাধিকার দেওয়া হয়েছে।

অনুষ্ঠানের আয়োজকদের একজন এবং ডে অব এআইয়ের নির্বাহী পরিচালক জেফ্রি রাইলি বলেন, বড়রা এআই নিয়ে ঐকমত্যে পৌঁছাতে পারেননি। তাই এবার শিক্ষার্থীদেরই নেতৃত্ব দেওয়ার সুযোগ দেওয়া হয়েছে।

শিক্ষার্থীদের এই উদ্যোগের লক্ষ্য শুধু স্কুলে এআই ব্যবহারের নিয়ম তৈরি করা নয়। এআইয়ের যুগে শিক্ষার্থীদের কীভাবে শেখানো হবে এবং ভবিষ্যৎ কর্মক্ষেত্রের জন্য তাঁদের কীভাবে প্রস্তুত করা হবে—সেই বড় প্রশ্নগুলোর উত্তর খোঁজাও এর উদ্দেশ্য।

তথ্যসূত্র: এনপিআর

কালের আলো/এসএ

কলকাতায় আগুন: কি বলছেন আতঙ্কিত ৩ বাংলাদেশি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
প্রকাশিত: বুধবার, ১৯ আগস্ট, ২০২৬, ১:১১ অপরাহ্ণ
কলকাতায় আগুন: কি বলছেন আতঙ্কিত ৩ বাংলাদেশি

কলকাতার নিউ মার্কেট এলাকায় মির্জা গালিব স্ট্রিটের একটি হোটেলে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে অন্তত ৯ জনের মৃত্যু হয়েছে। নিহতদের মধ্যে ছয়জন পুরুষ, দুজন নারী ও একটি শিশু রয়েছে।

ভারতীয় সংবাদমাধ্যমগুলোর সর্বশেষ প্রতিবেদনে নিহতদের মধ্যে বাংলাদেশি নাগরিকও থাকার কথা বলা হয়েছে। আহত হয়েছেন আরও ছয়জন।

বুধবার (১৯ আগস্ট) ভোররাতে কলকাতার মির্জা গালিব স্ট্রিটের একটি পাঁচতলা ভবনে এ অগ্নিকাণ্ড ঘটে। ভবনটিতে একাধিক হোটেল ছিল।

আগুন লাগার পর ঘন ধোঁয়ায় ভবনের ভেতর ভয়াবহ পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। অনেকেই ঘুমের মধ্যে আটকা পড়েন।

দমকলকর্মীরা অচেতন অবস্থায় কয়েকজনকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিলে চিকিৎসকেরা তাদের মৃত ঘোষণা করেন।

ভারতীয় সংবাদমাধ্যমের খবর অনুযায়ী, রাত প্রায় পৌনে ২টার দিকে আগুনের সূত্রপাত হয়। দমকলের পাঁচটি ইঞ্জিন ঘটনাস্থলে গিয়ে কয়েক ঘণ্টার চেষ্টায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে। ভবনটির সরু সিঁড়ি ও ঘন ধোঁয়ার কারণে উদ্ধারকাজ ব্যাহত হয়। প্রাথমিকভাবে আগুনের কারণ হিসেবে বৈদ্যুতিক শর্ট সার্কিটের আশঙ্কা করা হচ্ছে। তবে ফরেনসিক পরীক্ষার পরই প্রকৃত কারণ নিশ্চিত হবে।

‘দরজা খুলতেই ঘরে ধোঁয়া ঢুকে পড়ে’

অগ্নিকাণ্ড থেকে প্রাণে বেঁচে যাওয়া বাংলাদেশি নাগরিকদের কয়েকজনের মুখে উঠে এসেছে ভয়াবহ সেই রাতের অভিজ্ঞতা।

ঢাকার বাসিন্দা মহম্মদ আসাফুল জামাল কলকাতায় গিয়েছিলেন ব্যবসার কাজে। তার সঙ্গে ছিলেন ভাই। শনিবার থেকে তারা মির্জা গালিব স্ট্রিটের ওই ভবনের চতুর্থ তলার একটি হোটেলে অবস্থান করছিলেন। মঙ্গলবার রাতে খাওয়াদাওয়া শেষে ঘুমিয়ে পড়েছিলেন দুই ভাই।

রাত তখন ২টা বাজতে চলেছে। হঠাৎ চিৎকার-চেঁচামেচিতে ঘুম ভেঙে যায় জামালের। জানালা খুলে দেখেন, নিচে থাকা লোকজন চিৎকার করে বলছেন-আগুন লেগেছে।

ভাইকে নিয়ে দ্রুত বের হওয়ার চেষ্টা করেন তিনি। কিন্তু দরজা খোলার সঙ্গে সঙ্গে ঘরে ঢুকে পড়ে ঘন ধোঁয়া। নিচে নামার সুযোগ না থাকায় কোনোভাবে ধোঁয়ার মধ্য দিয়ে তাঁরা ছাদে উঠে যান।

আসাফুল বলেন, চতুর্থ তলায় থাকা আরও ২০ থেকে ২৫ জনের সঙ্গে তারা ছাদে আশ্রয় নেন। সবাই গিয়ে দাঁড়ান পানির ট্যাংকের কাছে। কোন দিক থেকে আগুন ছড়িয়ে পড়বে, তা বুঝতে পারছিলেন না তারা। আগুনের শিখা দেখা দিলে ট্যাংকের পানি দিয়ে তা নেভানোর চেষ্টা করবেন-এমন সিদ্ধান্তও নিয়েছিলেন সবাই।

‘মনে হয়েছিল, মরেই যাব’

একই ভবনের চতুর্থ তলায় ছিলেন ঢাকার আরেক বাসিন্দা মহম্মদ নাজমুল সরকার। হৃদ্‌রোগের চিকিৎসা করাতে কলকাতায় গিয়েছিলেন তিনি।

নাজমুল বলেন, একসময় তার মনে হয়েছিল, হয়তো আর বাঁচবেন না। ধোঁয়ার কারণে শ্বাস নিতে পারছিলেন না। চারপাশ এতটাই অন্ধকার হয়ে গিয়েছিল যে এক হাত দূরের জিনিসও দেখা যাচ্ছিল না।

হোটেলের কর্মীরা সবাইকে ওপরে উঠতে বলছিলেন। কিন্তু ওপরে ওঠার পথ ছিল খুবই সরু। একজনের পর একজন করে উঠতে হচ্ছিল। ছিল লোহার সিঁড়ি। নিচে নামার কোনো পরিস্থিতি ছিল না।

গেট খোলার সঙ্গে সঙ্গেই ঘরে ধোঁয়া ঢুকে পড়ছিল। পরে মোবাইলের টর্চ জ্বালিয়ে কোনো রকমে ওপরে উঠে প্রাণে বাঁচেন নাজমুল।

সন্তান নিয়ে ছিলেন কৌসর, পাসপোর্ট আনতে আবার ঢোকেন

বাংলাদেশ থেকে সন্তানকে নিয়ে সপরিবার কলকাতায় গিয়েছিলেন কৌসর হোসেন। তাঁরা একই ভবনের নিচতলার অন্য একটি হোটেলে ছিলেন।

আগুন লাগার বিষয়টি প্রথমে তারা বুঝতেই পারেননি। সবাই তখন ঘুমিয়ে ছিলেন। পরে হোটেলের কর্মীরা দরজায় ধাক্কা দিয়ে তাদের ঘুম থেকে তোলেন। এরপর হুড়োহুড়ি করে পরিবারের সদস্যদের নিয়ে হোটেল থেকে বেরিয়ে আসেন কৌসর।

কিন্তু বাইরে এসে তার মনে পড়ে, ঘরেই রয়ে গেছে পরিবারের পাসপোর্ট। পরে ঝুঁকি নিয়ে আবার হোটেলে ঢুকে সেগুলো নিয়ে আসেন তিনি।

নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিয়ে প্রশ্ন

অগ্নিকাণ্ডের পর হোটেলটির অগ্নিনিরাপত্তা ব্যবস্থা নিয়ে গুরুতর প্রশ্ন উঠেছে। বেঁচে যাওয়া আবাসিকদের অভিযোগ, ভবনটিতে পর্যাপ্ত অগ্নিনির্বাপণ ব্যবস্থা ছিল না। জরুরি বের হওয়ার আলাদা পথও ছিল না। সরু সিঁড়িই ছিল ভবন থেকে বের হওয়ার প্রধান পথ।

ভারতীয় সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ভবনটিতে একাধিক হোটেল চলছিল এবং অগ্নিনিরাপত্তা ও নির্মাণবিধি মানা হয়েছিল কি না, তা নিয়ে তদন্ত শুরু হয়েছে। পশ্চিমবঙ্গের দমকলমন্ত্রীও ভবনটির নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন। মৃত্যুর কারণ ধোঁয়ায় শ্বাসরোধ হয়ে থাকতে পারে বলেও তিনি জানিয়েছেন।

পুলিশ ও ফরেনসিক দল ঘটনাস্থলে তদন্ত শুরু করেছে। আগুনের প্রকৃত কারণ, ভবনের নিরাপত্তাব্যবস্থা এবং হোটেল পরিচালনার অনুমোদনসহ বিভিন্ন বিষয় খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

কালের আলো/এসকে/এমএসআইপি

ব্রাজিলকে হারিয়ে টানা তৃতীয়বার ফুটসাল চ্যাম্পিয়ন আর্জেন্টিনা

স্পোর্টস ডেস্ক
প্রকাশিত: বুধবার, ১৯ আগস্ট, ২০২৬, ১২:৫৮ অপরাহ্ণ
ব্রাজিলকে হারিয়ে টানা তৃতীয়বার ফুটসাল চ্যাম্পিয়ন আর্জেন্টিনা

দক্ষিণ আমেরিকার অনূর্ধ্ব-১৭ ফুটসালে আবারও শ্রেষ্ঠত্বের মুকুট পরল আর্জেন্টিনা। রোমাঞ্চকর ফাইনালে চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী ব্রাজিলকে ২-১ গোলে হারিয়ে কোপা আমেরিকা অনূর্ধ্ব-১৭ ফুটসাল চ্যাম্পিয়নশিপের শিরোপা জিতেছে আলবিসেলেস্তেরা।

এই জয়ের ফলে টানা তৃতীয়বার মহাদেশীয় এই প্রতিযোগিতার চ্যাম্পিয়ন হলো আর্জেন্টিনা।

প্যারাগুয়ের লুকের কনমেবল সুমা কমপ্লেক্সে অনুষ্ঠিত ফাইনালে শুরু থেকেই দুই দলের মধ্যে ছিল তীব্র প্রতিদ্বন্দ্বিতা। নির্ধারিত ৪০ মিনিটে ম্যাচের নিষ্পত্তি না হওয়ায় শেষ পর্যন্ত অতিরিক্ত সময়ে গড়ায় লড়াই।

ম্যাচের শুরু থেকেই আক্রমণাত্মক ফুটসাল খেলতে থাকে আর্জেন্টিনা। ৮ মিনিটে টমাস বারিউস গোল করে আলবিসেলেস্তেদের এগিয়ে দেন ১-০ ব্যবধানে।

গোল খেয়ে সমতায় ফেরার জন্য মরিয়া হয়ে ওঠে ব্রাজিল। একের পর এক আক্রমণ চালালেও প্রথমার্ধে আর্জেন্টিনার রক্ষণ ভাঙতে পারেনি সেলেসাওরা।

বিরতির পর আরও আক্রমণাত্মক হয়ে মাঠে নামে ব্রাজিল। দ্বিতীয়ার্ধের ষষ্ঠ মিনিটেই আসে কাঙ্ক্ষিত গোল। লুকা গোল করে ম্যাচে সমতা ফেরান।

এরপর ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ নিতে দুই দলই মরিয়া হয়ে ওঠে। আক্রমণ-পাল্টা আক্রমণে জমে ওঠে ফাইনাল। কিন্তু নির্ধারিত সময়ে আর কোনো গোল না হওয়ায় শিরোপা নির্ধারণের জন্য অতিরিক্ত সময়ের প্রয়োজন হয়।

অতিরিক্ত সময়েও উত্তেজনা কমেনি। শেষ পর্যন্ত অতিরিক্ত সময়ের চতুর্থ মিনিটে আর্জেন্টিনার হয়ে জয়সূচক গোল করেন লরেঞ্জো সামপ্রেদ।

তাঁর সেই গোলেই ২-১ ব্যবধানে জয় নিশ্চিত করে আর্জেন্টিনা। একই সঙ্গে ব্রাজিলকে হারিয়ে টানা তৃতীয়বারের মতো দক্ষিণ আমেরিকার অনূর্ধ্ব-১৭ ফুটসাল চ্যাম্পিয়নশিপের শিরোপা ঘরে তোলে তারা।

কালের আলো/এসএ