খুঁজুন
                               
, ,
           

কাতারে বাংলাদেশি কর্মীদের কর্মসংস্থান বাড়ানোর বিষয়ে আলোচনা

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: বুধবার, ১৯ আগস্ট, ২০২৬, ১২:২৫ অপরাহ্ণ
কাতারে বাংলাদেশি কর্মীদের কর্মসংস্থান বাড়ানোর বিষয়ে আলোচনা

শ্রম সহযোগিতা ও প্রবাসী বাংলাদেশি কর্মীদের কল্যাণে কাতারের সঙ্গে সহযোগিতা আরও জোরদারের বিষয়ে আলোচনা হয়েছে। এ বিষয়ে কাতারের শ্রমমন্ত্রী আলী বিন সাঈদ বিন সামিখ আল মাররির সঙ্গে বৈঠক করেছেন বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমান।

বুধবার (১৯ আগস্ট) পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে।

বৈঠকে বাংলাদেশ ও কাতারের পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়। এর মধ্যে বিশেষ গুরুত্ব পায় শ্রম সহযোগিতা, কাতারে কর্মরত প্রবাসী বাংলাদেশিদের কল্যাণ ও সুরক্ষা এবং দক্ষ ও আধা-দক্ষ বাংলাদেশি কর্মীদের জন্য আরও বেশি কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি।

বৈঠকে কাতারের শ্রমমন্ত্রী দেশটির অর্থনীতি ও উন্নয়নে বাংলাদেশি কর্মীদের গুরুত্বপূর্ণ অবদানের প্রশংসা করেন।

এ সময় উভয় পক্ষ বাংলাদেশ ও কাতারের মধ্যে শ্রম ও জনশক্তি খাতে বিদ্যমান সহযোগিতা আরও সম্প্রসারণ ও জোরদারের বিষয়ে নিজেদের অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেন।

কালের আলো/এএএন/এমএসআইপি

ভোটার ঠিকানা পরিবর্তন কার্যক্রম চালু করল ইসি

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: বুধবার, ২৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৭:৫৫ অপরাহ্ণ
ভোটার ঠিকানা পরিবর্তন কার্যক্রম চালু করল ইসি

নভেম্বর মাসে স্থানীয় সরকার নির্বাচন আয়োজনের পরিকল্পনা নিয়ে গত ১০ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত ভোটার স্থানান্তর কার্যক্রম বন্ধ রেখেছিল নির্বাচন কমিশন (ইসি)। তবে স্থানীয় সরকার নির্বাচন পিছিয়ে যাওয়ায় ফের এ কার্যক্রম চালু করার সিদ্ধান্ত দিয়েছে সংস্থাটি।

বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) ইসির সিনিয়র সহকারী সচিব মো. নাসির উদ্দিন চৌধুরী স্বাক্ষরিত এ-সংক্রান্ত চিঠি থেকে এসব তথ্য জানা যায়।

এতে বলা হয়েছে, আবাসস্থল পরিবর্তনের কারণে ভোটার স্থানান্তর-সংক্রান্ত আবেদন গত ১০ সেপ্টেম্বরের মধ্যে নিষ্পত্তির জন্য গত ২ সেপ্টেম্বর চিঠির মাধ্যমে মাঠপর্যায়ে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছিল। মাঠপর্যায়ের কার্যালয়ে ভোটার স্থানান্তর কার্যক্রম পুনরায় চালু করার জন্য নির্বাচন কমিশন সিদ্ধান্ত দিয়েছে।

এতে আরও বলা হয়েছে, মাঠপর্যায়ের কার্যালয়ে পূর্বের ন্যায় ভোটার স্থানান্তরের আবেদন গ্রহণ, যাচাই-বাছাই করে ইস্যু ও নিষ্পত্তি করতে হবে।

কালের আলো/আরডি/এমডিএইচ

এআই খাতে নারীর অংশগ্রহণ মাত্র ২২ শতাংশ, নেতৃত্বে আরও কম

তথ্যপ্রযুক্তি ডেস্ক
প্রকাশিত: বুধবার, ২৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৭:৫৩ অপরাহ্ণ
এআই খাতে নারীর অংশগ্রহণ মাত্র ২২ শতাংশ, নেতৃত্বে আরও কম

কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) প্রযুক্তি বিশ্বজুড়ে অর্থনীতি ও সমাজে দ্রুত পরিবর্তন আনলেও এ খাতে নারীদের অংশগ্রহণ ও নেতৃত্ব নিয়ে উদ্বেগ বাড়ছে। জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদে প্রকাশিত ইউএন উইমেনের সাম্প্রতিক এক প্রতিবেদনে এআই খাতে লিঙ্গবৈষম্যের চিত্র তুলে ধরা হয়েছে।

প্রতিবেদন অনুযায়ী, এআই খাতে কর্মরত পেশাজীবীদের মাত্র ২২ শতাংশ নারী। নীতিনির্ধারণী ও শীর্ষ নেতৃত্বের পর্যায়ে নারীদের অংশগ্রহণ আরও কম—১৪ শতাংশেরও নিচে।

এআই ব্যবহারে পিছিয়ে নারী

শুধু কর্মসংস্থান বা নেতৃত্ব নয়, জেনারেটিভ এআই ব্যবহারের ক্ষেত্রেও নারী ও পুরুষের মধ্যে ব্যবধান রয়েছে। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, পুরুষদের তুলনায় নারীরা জেনারেটিভ এআই টুল ব্যবহারে প্রায় ২০ শতাংশ পিছিয়ে।

ইউএন উইমেনের নীতি ও কর্মসূচি বিভাগের পরিচালক সারাহ হেন্ড্রিক্স বলেন, বিশ্বের অর্ধেক জনগোষ্ঠীর প্রতিভা বাদ দিয়ে এআইয়ের ভবিষ্যৎ তৈরি করা সম্ভব নয়।

তাঁর মতে, এআইয়ের বিকাশে নারীদের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করা না হলে বিদ্যমান বৈষম্য ভবিষ্যতে আরও স্থায়ী হতে পারে। কর্মক্ষেত্র ও গবেষণায় নারীদের পিছিয়ে পড়া সামাজিক ও অর্থনৈতিক ভারসাম্যেও প্রভাব ফেলছে।

এআইয়ের অপব্যবহারে বাড়ছে সাইবার সহিংসতা

এআইয়ের অপব্যবহার নারীদের জন্য অনলাইন নিরাপত্তার নতুন ঝুঁকিও তৈরি করছে। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, মানবাধিকারকর্মী ও নারী সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে অনলাইন সহিংসতার প্রায় চারটির মধ্যে একটিতে এআই প্রযুক্তির অপব্যবহারের নজির রয়েছে।

ডিপফেক, ভুয়া ছবি বা ভিডিও তৈরি এবং অন্যান্য এআই-নির্ভর অপব্যবহারের কারণে বিশেষ করে জনপরিসরে সক্রিয় নারীরা নতুন ধরনের হয়রানি ও নিরাপত্তাঝুঁকির মুখে পড়ছেন।

নারীপ্রধান পেশায় ঝুঁকি বেশি

আন্তর্জাতিক শ্রম সংস্থার (আইএলও) তথ্য অনুযায়ী, পুরুষপ্রধান পেশার তুলনায় নারীপ্রধান পেশাগুলো জেনারেটিভ এআইয়ের প্রভাবে প্রায় দ্বিগুণ ঝুঁকিতে রয়েছে।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, প্রযুক্তির ভুল ব্যবহার সমাজে বিদ্যমান লিঙ্গবৈষম্য ও কাঠামোগত বৈষম্যকে আরও শক্তিশালী করতে পারে। এর প্রভাব কর্মসংস্থান থেকে শুরু করে নিরাপত্তা ও জনজীবনে নারীদের অংশগ্রহণ পর্যন্ত বিস্তৃত হতে পারে।

সমান অংশীদারত্বের আহ্বান

এআই প্রযুক্তির বিকাশে নারীদের সমান অংশীদারত্ব নিশ্চিত করার পাশাপাশি প্রযুক্তির অপব্যবহার ঠেকাতে আইনি সুরক্ষা জোরদারের আহ্বান জানিয়েছে ইউএন উইমেন।

সংস্থাটি বলেছে, এআই ব্যবহারের ক্ষেত্রে নিরাপত্তা ও জবাবদিহি নিশ্চিত করতে আন্তর্জাতিক পর্যায়ে কার্যকর নীতিমালা প্রয়োজন। একই সঙ্গে প্রযুক্তির বিকাশ ও নিয়ন্ত্রণের প্রক্রিয়ায় নারীদের অর্থবহ অংশগ্রহণ নিশ্চিত করার ওপরও গুরুত্ব দিয়েছে সংস্থাটি।

সূত্র: ইউএন উইমেন

কালের আলো/এসএ

ডলার ছাড়াই টাকায় আমদানি-রফতানির সুযোগ দিল বাংলাদেশ ব্যাংক

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: বুধবার, ২৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৭:৪৩ অপরাহ্ণ
ডলার ছাড়াই টাকায় আমদানি-রফতানির সুযোগ দিল বাংলাদেশ ব্যাংক

ডলার বা অন্য কোনো বৈদেশিক মুদ্রা ব্যবহার ছাড়াই টাকায় আমদানি-রফতানি বাণিজ্যের অর্থ নিষ্পত্তির সুযোগ দিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক।

বিদেশি ব্যাংকের নামে পরিচালিত নন-রেসিডেন্ট টাকা বা ভোস্ট্রো হিসাবের মাধ্যমে এখন আমদানি-রফতানি লেনদেনের অর্থ টাকায় পরিশোধ করা যাবে। বৈদেশিক বাণিজ্যে ডলারের ওপর নির্ভরতা কমাতেই এ ব্যবস্থা চালু করা হয়েছে।

বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) এ বিষয়ে নতুন নির্দেশনা জারি করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক।

এর ফলে আমদানিকারকের কাছ থেকে পাওয়া টাকা সংশ্লিষ্ট ভোস্ট্রো হিসাবে জমা হবে এবং পরে ওই হিসাব থেকে বাংলাদেশের রফতানিকারকের অনুকূলে অর্থ পরিশোধ করা যাবে।

নতুন ব্যবস্থায় এলসি, চুক্তি ও ইনভয়েস আগের মতোই অনুমোদিত বৈদেশিক মুদ্রায় সম্পাদন করতে হবে। তবে প্রচলিত বিনিময় হার অনুযায়ী ওই অর্থ টাকায় রূপান্তর করে আমদানি-রফতানি লেনদেন নিষ্পত্তি করা যাবে।

বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্দেশনা অনুযায়ী, টাকায় রফতানি আয় গ্রহণকারী রফতানিকারকরা বৈদেশিক মুদ্রা সংরক্ষণ করতে পারবেন। সংরক্ষিত এসব অর্থ কাঁচামাল আমদানি, রফতানি উন্নয়ন তহবিল (ইডিএফ) ঋণ পরিশোধসহ অনুমোদিত বৈদেশিক মুদ্রার দায় পরিশোধে ব্যবহার করা যাবে।

ভোস্ট্রো হিসাবে জমা থাকা অতিরিক্ত অর্থও বিভিন্ন অনুমোদিত খাতে ব্যবহারের সুযোগ রাখা হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে সরাসরি বৈদেশিক বিনিয়োগ (এফডিআই), বৈদেশিক পোর্টফোলিও বিনিয়োগ, বিকল্প বিনিয়োগ তহবিল এবং ওপেন-অ্যান্ড মিউচুয়াল ফান্ডে বিনিয়োগ। প্রয়োজনীয় অনুমোদন সাপেক্ষে বাংলাদেশি প্রতিষ্ঠানকে ঋণ দেওয়ার ক্ষেত্রেও এসব অর্থ ব্যবহার করা যাবে।

এদিকে একই দিনে পৃথক নির্দেশনায় এক্সচেঞ্জ হাউস ও আন্তর্জাতিক মানি ট্রান্সফার অপারেটরদের (আইএমটিও) মাধ্যমে আসা বৈদেশিক মুদ্রার রেমিট্যান্স প্রাইভেট ফরেন কারেন্সি (পিএফসি) ও নন-রেসিডেন্ট ফরেন কারেন্সি ডিপোজিট (এনএফসিডি) হিসাবে জমা দেওয়ার সুযোগ দিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক।

তবে এসব লেনদেনে গ্রাহকের পরিচিতি যাচাই (কেওয়াইসি), অর্থপাচার প্রতিরোধ ও সন্ত্রাসে অর্থায়ন প্রতিরোধ (এএমএল/সিএফটি) এবং বাংলাদেশ ব্যাংকের বিদ্যমান বৈদেশিক মুদ্রা-সংক্রান্ত বিধিমালা ও রিপোর্টিংয়ের শর্ত যথাযথভাবে পরিপালন করতে হবে।

কালের আলো/আরডি/এমডিএইচ