খুঁজুন
                               
, ,
           

সরকার জনগনের অধিকার রক্ষায় ব্যর্থ হলে জনগণ জবাব দেবে: মীর আহমদ বিন কাসেম

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: সোমবার, ৩১ আগস্ট, ২০২৬, ৬:৫৫ অপরাহ্ণ
সরকার জনগনের অধিকার রক্ষায় ব্যর্থ হলে জনগণ জবাব দেবে: মীর আহমদ বিন কাসেম

রাষ্ট্রীয় গুমের শিকার ও ঢাকা-১৪ আসনের সংসদ সদস্য মীর আহমদ বিন কাসেম বলেছেন, ‘আমি ব্যক্তিগতভাবে বিশ্বাস করি, আপনি ভালো কিছু করতে চান। কিন্তু যে কলঙ্কজনক একটি আইন বাস্তবায়ন হতে চলেছে, সেটি যখন জনগণের অধিকার রক্ষা করতে ব্যর্থ হবে, জনগণ এর জবাব দেবে। তখন এর দায় আপনাকেও বহন করতে হবে।’

সোমবার (৩১ আগস্ট) ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আরসি মজুমদার মিলনায়তনে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু) আয়োজিত আন্তর্জাতিক গুম প্রতিরোধ দিবসের আলোচনা সভায় ‘শুনতে কি পাও’ শীর্ষক অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।

মীর আহমদ বিন কাসেম বলেন, ‘গুমের শিকার ও নিখোঁজ স্বজনদের পরিবারের অধিকার আদায়ে সবাইকে কথা বলে যেতে হবে। যারা এখনো তাদের প্রিয়জনকে ফিরে পাননি, হয়তো তাদের অপেক্ষার আলো নিভে গেছে; কিন্তু মনের ভেতরের হাহাকার কোনোদিন যাবে না। আমাদের বলতে থাকতেই হবে। আমরা যদি আমাদের আওয়াজ যথেষ্ট জোরালো করতে পারি, হয়তো আমাদের সন্তানেরা এমন একটি বাংলাদেশ পাবে, যেখানে তারা মনের ভাব প্রকাশ করতে পারবে, কিন্তু গুমের ভয় ও আতঙ্কে থাকতে হবে না।’

তিনি বলেন, ‘আমরা যদি সঠিকভাবে আমাদের অধিকার আদায়ের জন্য চেষ্টা করতে পারি, হয়তো আমাদের সন্তানরা এমন একটি বাংলাদেশ পাবে, যেখানে মানুষের অধিকার হবে এই বাংলার মাটিতে সবচেয়ে পবিত্র জিনিস।’

মানবাধিকার প্রতিষ্ঠায় বিশ্বের বিভিন্ন দেশের উদাহরণ তুলে ধরে তিনি বলেন, উন্নত দেশগুলোতে মানবাধিকার আজ যে অবস্থানে রয়েছে, তা একদিনে অর্জিত হয়নি। শত শত বছরের ত্যাগ, তিতিক্ষা, আন্দোলন, ঘাম ও রক্তের বিনিময়ে সেখানে মানবাধিকার একটি মর্যাদাপূর্ণ অবস্থান তৈরি করেছে।

তিনি আরও বলেন, বাংলাদেশের স্বাধীনতার ৫৪ বছর পার হলেও প্রতিষ্ঠানগুলোকে এখনো শক্তিশালী করার সুযোগ রয়েছে। প্রতিটি চেষ্টা, বক্তব্য ও কাজ তিলে তিলে এমন একটি কাঠামো তৈরি করবে, যেখানে বাংলাদেশের সন্তানরা নিরাপদে বসবাস করতে পারবে।

তরুণদের দেশত্যাগের প্রবণতার প্রসঙ্গে মীর আহমদ বিন কাসেম বলেন, আন্তর্জাতিক অভিবাসন সংস্থার একটি জরিপে ১৭ থেকে ৩০ বছর বয়সি তরুণদের মধ্যে স্থায়ীভাবে দেশত্যাগের আকাঙ্ক্ষার কথা উঠে এসেছে। এ জন্য তরুণদের দোষ দেওয়া যায় না। কারণ, যারা জনগণের সেবায় ছিলেন, তারা তরুণদের সামনে দেশ নিয়ে স্বপ্ন দেখাতে ব্যর্থ হয়েছেন।

বর্তমান সরকারের প্রতি দৃষ্টি আকর্ষণ করে তিনি বলেন, শহীদের কবর, সন্তানহারা মায়ের চোখের পানি এবং অসংখ্য মানুষের পুঞ্জীভূত ক্ষোভের বিস্ফোরণের ফলেই আজকের পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে। ইতিহাস থেকে শিক্ষা না নিলে জনগণের আকাঙ্ক্ষাকে প্রত্যাখ্যান করা এবং জনগণের প্রত্যাশার সঙ্গে প্রতারণা করার পরিণতি আবারও সামনে আসবে।

প্রস্তাবিত মানবাধিকার কমিশন আইন প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘আমি একজন ভিক্টিম হিসেবে এই প্রতিষ্ঠানের ওপর আস্থা রাখতে পারছি না। এমন একটি কমিশন বাস্তবে কার্যকর না হয়ে শুধু কাগজে-কলমে থেকে যাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।’

বিন কাসেম বলেন, এখনো আইনটি সংসদে পাস হয়নি। তাই শেষবারের মতো চেষ্টা করার সুযোগ রয়েছে। দেশের বিভিন্ন এলাকায় মানুষকে এ বিষয়ে আওয়াজ তোলার আহ্বান জানান তিনি।

তিনি বলেন, ‘আমি অন্তত একজন ভিক্টিম ও জনগণের প্রতিনিধি হিসেবে যেখানে সুযোগ পেয়েছি, কথা বলে গেছি। সংসদে কথা বলেছি এবং বলব। একদিন যদি আইনটি পাস হয়ে যায়, তখন অন্তত নিজের বিবেকের কাছে এই সান্ত্বনা থাকবে যে আমরা সর্বোচ্চ চেষ্টা করেছি।’

জুলাই আন্দোলনের প্রসঙ্গ টেনে বিন কাসেম বলেন, জুলাই বিপ্লব মানুষকে আবার স্বপ্ন দেখতে শিখিয়েছে। নেতৃত্ব ব্যর্থ হলে এবং প্রতিষ্ঠানগুলো জনগণের অধিকার রক্ষায় দায়িত্ব পালনে ব্যর্থ হলে জনগণের জোয়ারই আবার বাংলাদেশকে ঘুরে দাঁড়ানোর পথ দেখাবে।

তিনি বলেন, ‘হয়তো এমন রক্তক্ষয় হোক—আল্লাহ আমাদের সেদিন থেকে রক্ষা করুন। তবে ইতিহাস আমাদের শিক্ষা দেয়, নিরাশ হওয়া যাবে না। আমি আশাবাদী, বাংলাদেশ ঘুরে দাঁড়াবে।’

কাসেম আরও বলেন, ‘আমার সন্তান এমন একটি বাংলাদেশ পাবে, যেখানে তার অধিকার কেউ ছিনিয়ে নিতে পারবে না। তার পেছনে যত বড় রাজনৈতিক দলই থাকুক, যত শক্তিশালী পরাশক্তিই তাকে সহায়তা করুক এই বাংলার মাটিতে বাংলার মানুষের অধিকারই হবে সবচেয়ে পবিত্র জিনিস।’

কালের আলো/আরডি/এমডিএইচ

বেপরোয়া গতিতে পদ্মা সেতুর ঢালে উল্টে গেল বাস, আহত ৮

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: সোমবার, ৩১ আগস্ট, ২০২৬, ৭:৪৫ অপরাহ্ণ
বেপরোয়া গতিতে পদ্মা সেতুর ঢালে উল্টে গেল বাস, আহত ৮

মুন্সিগঞ্জের লৌহজংয়ে পদ্মা সেতুর মাওয়া প্রান্তের ঢালে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে নিউ গ্রীন লাইন এক্সপ্রেসের একটি যাত্রীবাহী বাস উল্টে আটজন আহত হয়েছেন।

সোমবার (৩১ আগস্ট) দুপুর সাড়ে ১টার দিকে এ দুর্ঘটনা ঘটে। আহতদের উদ্ধার করে শ্রীনগর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে পাঠানো হয়েছে।

মুন্সিগঞ্জ ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের উপসহকারী পরিচালক মুহাম্মদ সফিকুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

ফায়ার সার্ভিস জানায়, মাগুরা থেকে ঢাকাগামী নিউ গ্রীন লাইন এক্সপ্রেসের বাসটি পদ্মা সেতুর ঢালে ওঠার সময় নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে সড়কের রেলিংয়ে ধাক্কা দেয়। পরে বাসটি উল্টে সড়কের পাশে পড়ে যায়।

খবর পেয়ে শ্রীনগর ফায়ার স্টেশনের দুটি উদ্ধারকারী দল ঘটনাস্থলে গিয়ে বাসের ভেতর থেকে আহত যাত্রীদের উদ্ধার করে। পরে ফায়ার সার্ভিসের অ্যাম্বুলেন্সে তাদের শ্রীনগর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে পাঠানো হয়।

আহতদের মধ্যে রয়েছেন মাগুরা সদর এলাকার সাইফুল্লাহ (৮০) ও লুৎফর (৬৩), চুয়াডাঙ্গার আলমডাঙ্গার রেবেকা খাতুন (৪০), দামুড়হুদার নূর ইসলাম (৪৬) ও রশিদা (৪০), মাগুরার মোহাম্মদপুরের ফাতেমা (৭), শ্রীপুরের সাইফ (২৩) এবং ফরিদপুরের মধুখালীর আরাফাত (১৩)।

ফায়ার সার্ভিস কর্মকর্তা সফিকুল ইসলাম জানান, প্রাথমিকভাবে বাসটির বেপরোয়া গতির কারণে দুর্ঘটনা ঘটেছে বলে জানা গেছে। তবে দুর্ঘটনার প্রকৃত কারণ ও বাসটির গতিবেগসহ বিস্তারিত বিষয় সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ তদন্ত করে দেখছে।

দুর্ঘটনার পর বাসটি সড়কের পাশে উল্টে পড়ে থাকায় ওই এলাকায় কিছু সময় যান চলাচলে ধীরগতি সৃষ্টি হয়। দুর্ঘটনার একটি সিসিটিভি ফুটেজও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে।

কালের আলো/এসকে/এমএসআইপি

অবশেষে আমানত ফেরত পাচ্ছেন সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংকের গ্রাহকরা

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: সোমবার, ৩১ আগস্ট, ২০২৬, ৭:২৬ অপরাহ্ণ
অবশেষে আমানত ফেরত পাচ্ছেন সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংকের গ্রাহকরা

সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংকের ব্যক্তি হিসাবের গ্রাহকদের আমানতের মূল টাকা ফেরত দেওয়ার কার্যক্রম আগামী ৭ সেপ্টেম্বর থেকে শুরু হচ্ছে। প্রাথমিকভাবে গ্রাহকেরা তাদের হিসাবের জমা মূল অর্থ এককালীন উত্তোলন বা নগদায়ন করতে পারবেন। তবে এ অর্থের বিপরীতে কোনো মুনাফা দেওয়া হবে না।

এ জন্য আগামী ১ সেপ্টেম্বর থেকে ব্যাংকের শাখা ও উপশাখায় আবেদন গ্রহণ করা হবে। ব্যাংকটির প্রধান কার্যালয় থেকে জারি করা বিশেষ নির্দেশনায় প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি নিতে সংশ্লিষ্ট বিভাগ, জোন ও শাখা ব্যবস্থাপকদের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

বাংলাদেশ ব্যাংকের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী ১ সেপ্টেম্বর থেকে ব্যক্তি হিসাবে স্বাভাবিক লেনদেন পুনরায় চালুর কথা রয়েছে। তবে নগদ অর্থের চাহিদা, বাংলাদেশ ব্যাংক থেকে নগদ সরবরাহ নিশ্চিত করা এবং নিরাপদ ক্যাশ ব্যবস্থাপনার প্রস্তুতির কারণে আমানতের টাকা ফেরত দেওয়ার কার্যক্রম ৭ সেপ্টেম্বর থেকে পূর্ণমাত্রায় শুরু করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

ব্যাংকের আল-ওয়াদিয়া চলতি হিসাব, মুদারাবা সঞ্চয়ী হিসাব এবং বিভিন্ন মেয়াদি আমানত—যেমন এমটিডিআর ও ডিপিএস—থেকে গ্রাহকেরা মূল টাকা উত্তোলন করতে পারবেন। যারা হিসাব বন্ধ না করে চালু রাখবেন, তারা চুক্তি অনুযায়ী নির্ধারিত হারে মুনাফা পেতে থাকবেন।

গ্রাহকদের আস্থা পুনর্গঠনের লক্ষ্যে ১ সেপ্টেম্বরকে বিশেষ দিবস হিসেবে পালনের উদ্যোগ নিয়েছে ব্যাংক কর্তৃপক্ষ। এদিন শাখা-উপশাখাগুলো সাজানো, গ্রাহকদের ফুল বা উপহার দিয়ে অভ্যর্থনা এবং জ্যেষ্ঠ নাগরিক, নারী ও প্রতিবন্ধী গ্রাহকদের অগ্রাধিকার ভিত্তিতে সেবা দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

উল্লেখ্য, বিভিন্ন অনিয়ম ও জালিয়াতির কারণে দীর্ঘদিন আমানত ফেরত দিতে না পারা এক্সিম, সোশ্যাল ইসলামী, ফার্স্ট সিকিউরিটি ইসলামী, গ্লোবাল ইসলামী ও ইউনিয়ন ব্যাংক একীভূত হয়ে সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংক গঠন করে। পাঁচ ব্যাংকে প্রায় ৭৬ লাখ আমানতকারীর মোট ১ লাখ ৪২ হাজার কোটি টাকা জমা রয়েছে বলে জানানো হয়েছে।

কালের আলো/ডিএইচ/এমএসআইপি 

আইপিইউ মহাসচিবের সঙ্গে জামায়াত আমিরের সাক্ষাৎ

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: সোমবার, ৩১ আগস্ট, ২০২৬, ৭:২৪ অপরাহ্ণ
আইপিইউ মহাসচিবের সঙ্গে জামায়াত আমিরের সাক্ষাৎ

জাতীয় সংসদকে আরও কার্যকর এবং জাতীয় গুরুত্বপূর্ণ আলোচনা ও সংলাপের কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত করার বিষয়ে ইন্টার-পার্লামেন্টারি ইউনিয়নের (আইপিইউ) মহাসচিব আন্দা ফিলিপের সঙ্গে মতবিনিময় করেছেন বিরোধীদলীয় নেতা ও বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান।

সোমবার (৩১ আগস্ট) জাতীয় সংসদ ভবনে বিরোধীদলীয় নেতার কার্যালয়ে বাংলাদেশে সফররত আইপিইউ মহাসচিবের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাতে এসব বিষয়ে আলোচনা হয়। বৈঠকটি সৌহার্দ্যপূর্ণ ও আন্তরিক পরিবেশে অনুষ্ঠিত হয়। সাক্ষাৎকালে সংসদীয় গণতন্ত্র শক্তিশালী করতে বিরোধী দলের ভূমিকা এবং সংসদে সরকারি ও বিরোধী দলের সমতাভিত্তিক অংশগ্রহণের গুরুত্ব তুলে ধরেন ডা. শফিকুর রহমান।

বৈঠকে গুরুত্বপূর্ণ জাতীয় ও আন্তর্জাতিক ইস্যুতে সরকারি দল ও বিরোধী দলের সদস্যদের মধ্যে নিয়মিত আলাপ-আলোচনা ও সংলাপ অব্যাহত রাখার প্রয়োজনীয়তার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়। পাশাপাশি সংসদীয় কমিটিগুলোর কার্যকারিতা বাড়ানো এবং তরুণ সংসদ সদস্যদের অংশগ্রহণ বৃদ্ধির বিষয়েও আলোচনা হয়।

আইপিইউ মহাসচিব আন্দা ফিলিপ বাংলাদেশের সংসদীয় গণতন্ত্রের অগ্রযাত্রায় সংস্থাটির পক্ষ থেকে সার্বিক সহযোগিতা অব্যাহত রাখার আশ্বাস দেন। সাক্ষাৎ শেষে উভয় পক্ষ পারস্পরিক সহযোগিতা ও যোগাযোগ অব্যাহত রাখার আশাবাদ ব্যক্ত করে।

এ সময় আইপিইউ মহাসচিবের সঙ্গে সংস্থাটির প্রোগ্রাম অফিসার রবার্তো রদ্রিগুয়েজ ভ্যালেন্সিয়া এবং সিনিয়র এক্সপার্ট হেরিয়েনো এ এ্যাংগোরো উপস্থিত ছিলেন।

অন্যদিকে বিরোধীদলীয় নেতার সঙ্গে জাতীয় সংসদ সদস্য ব্যারিস্টার নাজিবুর রহমান মোমেন, বিরোধীদলীয় নেতার পররাষ্ট্র বিষয়ক উপদেষ্টা ব্যারিস্টার মীর আহমাদ বিন কাসেম আরমান এবং পররাষ্ট্র বিষয়ক উপদেষ্টা কমিটির সদস্য আলী আহমাদ মাবরুর উপস্থিত ছিলেন।

কালের আলো/আরডি/এমডিএইচ