খুঁজুন
                               
, ,
           

প্রধানমন্ত্রীর প্রতিরক্ষা উপদেষ্টার সঙ্গে চীনের রাষ্ট্রদূতের সাক্ষাৎ

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৬:২৩ অপরাহ্ণ
প্রধানমন্ত্রীর প্রতিরক্ষা উপদেষ্টার সঙ্গে চীনের রাষ্ট্রদূতের সাক্ষাৎ

প্রধানমন্ত্রীর প্রতিরক্ষা উপদেষ্টা ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) ড. এ কে এম শামছুল ইসলামের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন বাংলাদেশে নিযুক্ত চীনের রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েন।

বৃহস্পতিবার (৩ সেপ্টেম্বর) ঢাকা সেনানিবাসে সশস্ত্র বাহিনী বিভাগে প্রতিরক্ষা উপদেষ্টার কার্যালয়ে এই সাক্ষাৎ অনুষ্ঠিত হয়।

সাক্ষাৎকালে বাংলাদেশ ও চীনের মধ্যে বিদ্যমান সামরিক ও প্রতিরক্ষা সহযোগিতা আরও বেগবান ও সুদৃঢ় করার বিষয়ে উভয় পক্ষ মতামত ব্যক্ত করেন। বিশেষ করে উভয় দেশের সশস্ত্র বাহিনীর সদস্যদের উন্নত পেশাগত প্রশিক্ষণ, সামরিক শিক্ষা বিনিময় এবং প্রযুক্তিগত সক্ষমতা বাড়ানোর বিষয়ে ফলপ্রসূ আলোচনা হয়।

আধুনিক সামরিক চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় দুই দেশের পারস্পরিক অভিজ্ঞতা বিনিময় ও প্রশিক্ষণ সহযোগিতা বৃদ্ধি দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ককে আরও এক ধাপ এগিয়ে নিয়ে যাবে বলে বৈঠকে উভয়ে আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

প্রধানমন্ত্রীর প্রতিরক্ষা উপদেষ্টা দুই দেশের দীর্ঘদিনের ঐতিহাসিক বন্ধুত্ব, কৌশলগত অংশীদারিত্ব এবং উন্নয়ন অগ্রযাত্রায় চীনের সহযোগিতার কথা স্মরণ করেন এবং ভবিষ্যতে চীনের সহযোগিতা আরও বৃদ্ধি পাবে বলে আশা প্রকাশ করেন।

বৈঠককালে চীনের রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশের প্রতিরক্ষা খাতের আধুনিকায়নে দেশটির অব্যাহত সমর্থনের প্রতিশ্রুতি পুনর্ব্যক্ত করেন।

উভয় পক্ষ ভবিষ্যতে দুই দেশের বিদ্যমান বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক ও পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট প্রতিরক্ষা সহযোগিতা আরও নতুন উচ্চতায় নিয়ে যাওয়ার দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।

কালের আলো/এম/এএইচ

ফেসবুকজুড়ে ‘মাফিয়া ডন’, কেন এত জনপ্রিয় এআই ড্রামাটি?

বিনোদন প্রতিবেদক
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৫:১১ অপরাহ্ণ
ফেসবুকজুড়ে ‘মাফিয়া ডন’, কেন এত জনপ্রিয় এআই ড্রামাটি?

ফেসবুক খুললেই সামনে আসছে একের পর এক রিল। কয়েক সেকেন্ডের একটি দৃশ্য শেষ হতেই মনে হচ্ছে—পরের পর্বে কী হলো? সেই কৌতূহলেই আবার খুঁজে দেখা হচ্ছে পরের ভিডিও।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এভাবেই আলোচনায় উঠে এসেছে এআই-নির্ভর স্বল্পদৈর্ঘ্য ড্রামা ‘দ্য মাফিয়া ডন হায়ার্ড মি অ্যাজ হিজ ওয়াইফ’। বিশেষ করে নারী দর্শকদের মধ্যে সিরিজটির জনপ্রিয়তা চোখে পড়ার মতো।

মাফিয়া ডন, চুক্তির বিয়ে, প্রত্যাখ্যাত নারী ও এক ছোট শিশুকে ঘিরে তৈরি হয়েছে ড্রামাটির গল্প। কেন্দ্রীয় চরিত্র নোরা।

স্বামী তাকে ছেড়ে দেওয়ার পর কাজের সন্ধানে রাস্তায় ঘুরতে ঘুরতে একদিন একটি বিজ্ঞাপন দেখতে পান নোরা। বিজ্ঞাপনে প্রয়োজন একজন স্টেপমাদার। ঠিকানা অনুযায়ী সেখানে গিয়ে তিনি পৌঁছান বিশাল এক প্রাসাদে।

সেখানেই নোরা জানতে পারেন, বাড়িটির মালিক লুকা একজন মাফিয়া ডন। তার ছোট ছেলে লিওর দেখাশোনার জন্যই একজন নারী খুঁজছেন তিনি।

তবে কাজটি মোটেও সহজ নয়। লিও প্রায় খাওয়া-দাওয়া ও ঘুম ছেড়ে দিয়েছে। নোরার ইন্টারভিউয়ের শর্তও অদ্ভুত—তিনি যদি শিশুটিকে অন্তত এক চামচ খাবার খাওয়াতে পারেন, তাহলেই চাকরি নিশ্চিত।

কিন্তু নোরা এক চামচ নয়, পুরো প্লেট খাবার খাইয়ে দেন লিওকে। শুধু তা-ই নয়, সেদিন রাতে দীর্ঘ সময় পর শিশুটিও শান্তিতে ঘুমায়।

এতেই লুকার নজরে পড়ে যান নোরা। ছেলের জন্য তাকে প্রয়োজনীয় মনে হওয়ায় লুকা নোরাকে বাড়তি টাকা, গাড়ি এবং বেশি বেতন দেওয়ার প্রস্তাব দেন। একপর্যায়ে দেন বিয়ের প্রস্তাবও।

নোরা অবশ্য শুরুতে রাজি ছিলেন না। তার কাছে বিষয়টি ছিল শুধুই চাকরি। কিন্তু লুকার যুক্তি ছিল, লিওর একজন মায়ের প্রয়োজন। নোরা যেন শুধু শিশুটির দেখাশোনার দায়িত্বে থাকা একজন কর্মী না হয়ে তার জীবনে মায়ের জায়গাটিও নিতে পারেন।

শেষ পর্যন্ত চুক্তির বিয়েতে রাজি হন নোরা।

শুরুতে নোরা ও লুকার সম্পর্ক ছিল প্রয়োজনের। নোরার প্রয়োজন ছিল কাজ, আর লুকার প্রয়োজন ছিল ছেলের জন্য একজন যত্নশীল মানুষ।

কিন্তু সময়ের সঙ্গে সেই হিসাব বদলে যেতে থাকে।

লিও খুব দ্রুত নোরার সঙ্গে গভীরভাবে জড়িয়ে পড়ে। তার উপস্থিতিতে শিশুটির আচরণেও পরিবর্তন আসে। ধীরে ধীরে নোরাও লিওকে নিজের সন্তানের মতো ভালোবাসতে শুরু করেন।

শিশুটির সঙ্গে নোরার এই সম্পর্কই ধীরে ধীরে তাকে ও লুকাকে কাছাকাছি নিয়ে আসে।

লুকার চরিত্রের আরেকটি দিকও সামনে আসে। বাইরে থেকে তিনি কঠোর ও ভয়ংকর মাফিয়া ডন। কিন্তু ছেলের ক্ষেত্রে তিনি সম্পূর্ণ ভিন্ন—আবেগপ্রবণ ও দায়িত্বশীল একজন বাবা।

একপর্যায়ে নোরার প্রতিও তার দৃষ্টিভঙ্গি বদলে যায়। চুক্তির ভিত্তিতে শুরু হওয়া সম্পর্ক ধীরে ধীরে পরিণত হয় ভালোবাসায়।

ড্রামাটিতে শুধু প্রেমের গল্প নয়, নোরার ব্যক্তিগত পরিবর্তনও গুরুত্বপূর্ণ হয়ে ওঠে।

নিজের অবয়বের কারণে স্বামীর কাছ থেকে প্রত্যাখ্যাত হওয়ার পর নোরার আত্মবিশ্বাস অনেকটাই ভেঙে যায়। কিন্তু লিওর জীবনে নিজের প্রয়োজনীয়তা এবং লুকার আচরণ ধীরে ধীরে তাকে নিজের মূল্য বুঝতে সাহায্য করে।

যে নারীকে একসময় তার স্বামী মূল্যহীন করে দিয়েছিল, সেই নোরাই পরে হয়ে ওঠেন একটি শিশুর সবচেয়ে প্রয়োজনীয় মানুষ এবং একজন মাফিয়া ডনের ভালোবাসার মানুষ।

এই পরিবর্তনের গল্পই সিরিজটিকে শুধু মাফিয়া-রোমান্সের মধ্যে আটকে রাখেনি। এর সঙ্গে যুক্ত হয়েছে পরিবার, মাতৃত্ব, আত্মবিশ্বাস এবং নতুন করে ভালোবাসা পাওয়ার অনুভূতি।

গল্পে দর্শকদের পরিচিত বেশ কিছু জনপ্রিয় উপাদান একসঙ্গে রয়েছে—মাফিয়া ডন, চুক্তির বিয়ে, প্রেম, শিশু, পারিবারিক আবেগ এবং প্রত্যাখ্যাত নারী থেকে আত্মবিশ্বাসী হয়ে ওঠার গল্প।

এর সঙ্গে যুক্ত হয়েছে এআই-নির্ভর নির্মাণ। ফলে প্রচলিত নাটক বা ওয়েব সিরিজের বাইরে এটি দর্শকদের জন্য তৈরি করছে ভিন্ন ধরনের অভিজ্ঞতা।

ছোট ছোট পর্ব ও রিলভিত্তিক উপস্থাপনাও ড্রামাটিকে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দ্রুত ছড়িয়ে পড়তে সাহায্য করছে। একটি দৃশ্য শেষ হওয়ার পর পরবর্তী পর্ব দেখার কৌতূহল দর্শকদের আটকে রাখছে।

অর্থাৎ, গল্পের পাশাপাশি উপস্থাপনার ধরনও এর জনপ্রিয়তার অন্যতম কারণ।

ড্রামাটির জনপ্রিয়তার পেছনে মাফিয়া ডন, চুক্তির বিয়ে, শিশু ও প্রেমের মতো উপাদান থাকলেও নারী দর্শকদের কাছে পুরুষ চরিত্রগুলোর উপস্থাপনাও গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠতে পারে।

এ ধরনের গল্পে পুরুষ চরিত্রগুলো সাধারণত ক্ষমতাবান ও ধনী হওয়ার পাশাপাশি সঙ্গীর প্রতি যত্নশীল, দায়িত্বশীল ও বিশ্বস্ত হিসেবে দেখানো হয়। তারা সঙ্গীর কথা শোনে, প্রয়োজনের সময় পাশে থাকে এবং সম্পর্ককে গুরুত্ব দেয়।

ফলে আকর্ষণ শুধু অর্থ, ক্ষমতা বা বাহ্যিক সৌন্দর্যে সীমাবদ্ধ থাকে না। যত্ন, সম্মান, সততা ও নিরাপত্তার অনুভূতিও গল্পের গুরুত্বপূর্ণ অংশ হয়ে ওঠে।

তাই কোনো নারী দর্শক এমন চরিত্র পছন্দ করলেই যে বাস্তবে একজন মাফিয়া ডন চান, বিষয়টি এমন নয়। বরং কল্পনার এই চরিত্রগুলোর মধ্যে থাকা কিছু গুণই তাদের কাছে আকর্ষণীয় হতে পারে।

এআই-নির্ভর এসব নাটকের গল্প বাস্তবতার চেয়ে অনেকটাই কল্পনানির্ভর। তবু এর জনপ্রিয়তা একটি বিষয় স্পষ্ট করে—গল্প যতই জাঁকজমকপূর্ণ হোক, দর্শকের কাছে ভালোবাসা, যত্ন, সম্মান ও নির্ভরযোগ্যতার মতো বিষয়গুলো এখনো বেশ শক্তিশালী আকর্ষণ তৈরি করে।

কালের আলো/এসএ

নারীর সমঅধিকার নিশ্চিত করতে সরকার কাজ করছে: শামা ওবায়েদ

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৫:১০ অপরাহ্ণ
নারীর সমঅধিকার নিশ্চিত করতে সরকার কাজ করছে: শামা ওবায়েদ

ধর্ম, বর্ণ ও জাতি কোনো কিছুই নারীর সমঅধিকার পাওয়ার ক্ষেত্রে প্রতিবন্ধকতা হওয়া উচিত নয়। নারীর পূর্ণ সমতা ও অধিকার নিশ্চিত করতে সরকার কাজ করছে বলে জানিয়েছেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলাম।

বৃহস্পতিবার (৩ সেপ্টেম্বর) আন্তর্জাতিক সিডও দিবস-২০২৬ উপলক্ষে রাজধানীর সিরডাপ মিলনায়তনে বাংলাদেশ মহিলা পরিষদ আয়োজিত মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

শামা ওবায়েদ বলেন, নারীর ক্ষমতায়নের বিষয়টি শুধু অর্থনৈতিক সক্ষমতার মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়। নিরাপদ চলাচল, নিরাপদ জীবনযাপন এবং অন্যায়ের শিকার হলে দ্রুত ন্যায়বিচার নিশ্চিত করাও নারীর ক্ষমতায়নের গুরুত্বপূর্ণ অংশ। নারীর উন্নয়ন তখনই সম্ভব, যখন তিনি নিরাপদে চলাচল ও জীবনযাপন করতে পারবেন।

তিনি বলেন, বাংলাদেশের নারীরা শিক্ষা, স্বাস্থ্য, প্রশাসন, রাজনীতি, ব্যবসা-বাণিজ্য, বিজ্ঞান, প্রযুক্তি, ক্রীড়া ও সংস্কৃতিসহ প্রায় সব ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখছেন। বিশেষ করে পোশাকশিল্পে কর্মরত লাখ লাখ নারী দেশের অর্থনীতি ও রপ্তানি আয় বৃদ্ধিতে ভূমিকা রাখছেন। নারী কূটনীতিকরাও দেশে-বিদেশে গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করছেন।

গ্রামীণ নারীদের অর্থনৈতিক ক্ষমতায়নের বিষয়ে পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী বলেন, কৃষিকাজ ও গৃহস্থালি কাজসহ পরিবারের জন্য নারীরা অনেক অবদান রাখলেও তাঁদের হাতে সরাসরি অর্থনৈতিক ক্ষমতা থাকে না। ফ্যামিলি কার্ডের মাধ্যমে কোনো মধ্যস্থতাকারী ছাড়াই সরাসরি নারীর হাতে সরকারি সহায়তা পৌঁছে দেওয়ার চেষ্টা করা হচ্ছে। এর মাধ্যমে নারীরা পরিবারের প্রয়োজনীয় ব্যয় মেটানোর পাশাপাশি সংকটের সময় অর্থ ব্যবহার করতে পারবেন।

নারীর নিরাপত্তার বিষয়ে তিনি বলেন, নারীদের জন্য আলাদা বাস চালুর উদ্যোগ নিয়ে সমালোচনা হলেও এ ধরনের উদ্যোগ শুরু করা প্রয়োজন। কারণ নারীর উন্নয়ন নিশ্চিত করতে হলে তাঁর নিরাপদ চলাচল ও জীবনযাপনের পরিবেশ তৈরি করতে হবে।

নারী ও শিশুর প্রতি যৌন সহিংসতার বিরুদ্ধে সরকারের অবস্থান তুলে ধরে শামা ওবায়েদ বলেন, সম্প্রতি শিশু রামিসার ধর্ষণ ও হত্যা মামলায় ১৯ দিনের মধ্যে রায় দেওয়া হয়েছে। চট্টগ্রামে চার বছর বয়সী এক শিশুকে ধর্ষণের মামলাতেও আট কর্মদিবসে বিচারকার্য সম্পন্ন হয়েছে। তবে লক্ষ্য শুধু আলোচিত কয়েকটি মামলার দ্রুত বিচার নয়, প্রতিটি নারী ও শিশুর জন্য দ্রুত, নিরপেক্ষ ও কার্যকর বিচার নিশ্চিত করা।

রাজনীতিতে নারীর অংশগ্রহণ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, সরাসরি নির্বাচনের মাধ্যমে সংসদে নারীদের অংশগ্রহণ এবং সিদ্ধান্ত গ্রহণের জায়গায় যোগ্যতা অনুযায়ী নারীদের স্থান দেওয়ার ক্ষেত্রে বাংলাদেশ এখনো পিছিয়ে আছে। এ ক্ষেত্রে রাজনৈতিক সদিচ্ছার প্রয়োজন রয়েছে। তবে বিষয়টি শুধু রাষ্ট্র বা সরকারের একার পক্ষে সমাধান করা সম্ভব নয়। এর জন্য সামাজিক পরিবর্তনও প্রয়োজন।

সিডও সনদ বাস্তবায়ন প্রসঙ্গে শামা ওবায়েদ বলেন, সিডও সনদের প্রতি বাংলাদেশের দীর্ঘদিনের অঙ্গীকার রয়েছে। বাংলাদেশ নিয়মিত সিডও কমিটির কাছে বাস্তবায়নের অগ্রগতির বিষয়ে রাষ্ট্রীয় প্রতিবেদন দিয়ে আসছে। আগামী বছর বাংলাদেশের রাষ্ট্রীয় প্রতিবেদন পর্যালোচনা হবে। সেখানে দেশের অর্জন তুলে ধরার পাশাপাশি ভবিষ্যতের করণীয় নির্ধারণের সুযোগ তৈরি হবে।

তিনি আরও বলেন, সিডও শ্যাডো রিপোর্ট প্রণয়নের উদ্যোগকে সরকার গুরুত্বের সঙ্গে দেখে। রাষ্ট্রীয় প্রতিবেদনের পাশাপাশি নাগরিক সমাজের স্বাধীন ও গঠনমূলক মূল্যায়ন সরকারের অর্জন ও ঘাটতি বুঝতে সহায়তা করবে। সরকার ও নাগরিক সমাজের ভারসাম্যপূর্ণ ও অংশীদারত্বমূলক প্রচেষ্টা সিডও সনদ বাস্তবায়নকে আরও শক্তিশালী করবে।

সম্পত্তিতে নারীর সমঅধিকার প্রসঙ্গে পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী বলেন, ধর্ম, বর্ণ ও জাতি কোনো কিছুই নারীর সমঅধিকার পাওয়ার ক্ষেত্রে প্রতিবন্ধকতা হওয়া উচিত নয়। মহিলা পরিষদের দাবিগুলো তিনি সরকারের কাছে তুলে ধরবেন। একই সঙ্গে নারী সংসদ সদস্যদের সঙ্গে মহিলা পরিষদকে আলোচনা করার পরামর্শ দেন তিনি। এ বিষয়ে নারী ও শিশুবিষয়ক মন্ত্রণালয় এবং সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়সহ সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের সঙ্গেও আলোচনা করার কথা জানান তিনি।

বাংলাদেশ মহিলা পরিষদের সভাপতি ডা. ফওজিয়া মোসলেমের সভাপতিত্বে সভায় সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগের সম্মানীয় ফেলো ও এসডিজি বাস্তবায়নে নাগরিক প্ল্যাটফর্মের আহ্বায়ক ড. দেবপ্রিয় ভট্টাচার্য, উইমেন ফর উইমেনের সভাপতি ও দীপ্ত ফাউন্ডেশনের নির্বাহী পরিচালক জাকিয়া কে হাসান, বাংলাদেশ জাতীয় মহিলা আইনজীবী সমিতির উপদেষ্টা অ্যাডভোকেট সালমা আলীসহ বিভিন্ন সংগঠনের প্রতিনিধিরা বক্তব্য দেন।

কালের আলো/আরডি/এমডিএইচ

দেশে ফিরে নিজ দফতরে মির্জা আব্বাস

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৫:০৭ অপরাহ্ণ
দেশে ফিরে নিজ দফতরে মির্জা আব্বাস

গুরুতর অসুস্থতা নিয়ে সিঙ্গাপুর ও মালয়েশিয়ায় চিকিৎসা শেষে দেশে ফিরে কাজে যোগ দিয়েছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ও প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা মির্জা আব্বাস। তিনি সংসদ অধিবেশনেও যোগ দেবেন।

আগেদিন রাতে দেশে ফিরে বৃহস্পতিবার (৩ সেপ্টেম্বর) জাতীয় সংসদে নিজ দফতরে আসেন তিনি।

বিএনপির মিডিয়া সেলের সদস্য শায়রুল কবির খান জানিয়েছেন, বৃহস্পতিবার দুপুরে মির্জা আব্বাস জাতীয় সংসদ তার নিজ অফিসে প্রথম দিনের মতো দাফতরিক কাজ করেন। পরে অধিবেশনে যোগ দেবেন।

এরআগে সিঙ্গাপুর-মালয়েশিয়ায় চিকিৎসা শেষে প্রায় সাড়ে পাঁচ মাস পর বুধবার (২ সেপ্টেম্বর) রাত সাড়ে ৯টার দিকে দেশে আসেন মির্জা আব্বাস। সঙ্গে তার স্ত্রী আফরোজা আব্বাসও দেশে আসেন।

গত ১১ মার্চ ইফতারে পানি পান করার সময় হঠাৎ জ্ঞান হারিয়ে হাসপাতালে ভর্তি হন মির্জা আব্বাস। পরে ১৫ মার্চ শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে তাকে ঢাকা থেকে এয়ার অ্যাম্বুলেন্সে করে সিঙ্গাপুরে নেওয়া হয়। সেখানে চিকিৎসার পর তাকে মালয়েশিয়ায় চিকিৎসার জন্য নেওয়া হয়।

উল্লেখ্য, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ঢাকা-৮ আসন থেকে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন বিএনপির জ্যেষ্ঠ নেতা মির্জা আব্বাস। তিনি বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্যের পাশাপাশি প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক উপদেষ্টার দায়িত্বও পালন করছেন।

কালের আলো/আরডি/এমডিএইচ