খুঁজুন
                               
, ,
           

মিসরে মাদক মামলায় জনপ্রিয় নারী টিভি উপস্থাপকসহ ১২ জনের মৃত্যুদণ্ড

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
প্রকাশিত: রবিবার, ৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৪:২০ অপরাহ্ণ
মিসরে মাদক মামলায় জনপ্রিয় নারী টিভি উপস্থাপকসহ ১২ জনের মৃত্যুদণ্ড

মাদকদ্রব্য তৈরি ও পাচারের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট মামলায় মিসরের একটি আদালত দেশটির জনপ্রিয় নারী টেলিভিশন উপস্থাপক সারাহ খলিফাসহ ১২ জনকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন। শনিবার দেশটির সরকারি গণমাধ্যমের প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

৩৯ বছর বয়সী সারাহ খলিফা ‘মিশন ইমপসিবল’ নামের একটি টেলিভিশন অনুষ্ঠান উপস্থাপনার মাধ্যমে পরিচিতি পান। অনুষ্ঠানটিতে নিরাপত্তা ও অপরাধসংক্রান্ত বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা করা হতো।

সরকার-সংশ্লিষ্ট পত্রিকা আল-আহরামের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, মাদক তৈরিতে ব্যবহৃত উপকরণ সংগ্রহ এবং সেগুলো পাচারের উদ্দেশ্যে একটি সংঘবদ্ধ অপরাধী চক্র গঠন, পাশাপাশি লাইসেন্সবিহীন আগ্নেয়াস্ত্র ও গোলাবারুদ রাখার অভিযোগে কায়রোর একটি আদালত সারাহ খলিফা ও অপর ১১ আসামিকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন।

রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন আখবার এল-ইয়োমের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, আসামিদের বিরুদ্ধে পাচারের উদ্দেশ্যে সিনথেটিক মাদক তৈরি এবং বিদেশ থেকে মাদক তৈরির উপকরণ আমদানির অভিযোগ আনা হয়েছে।

আল-আহরামের তথ্য অনুযায়ী, অভিযানে ৭৫০ কেজির বেশি মাদকদ্রব্য ও মাদক তৈরির কাঁচামাল জব্দ করা হয়েছে। এ ছাড়া মাদক তৈরির পরীক্ষাগার হিসেবে ব্যবহৃত দুটি অ্যাপার্টমেন্ট এবং লাইসেন্সবিহীন আগ্নেয়াস্ত্র ও গোলাবারুদও উদ্ধার করা হয়েছে।

রায় ঘোষণার আগে আদালত মিসরের গ্র্যান্ড মুফতির কাছে ফতোয়া বা ধর্মীয় মতামত চেয়েছিলেন। মৃত্যুদণ্ডের মামলায় দেশটির আইনে এটি একটি বাধ্যতামূলক প্রক্রিয়া। তবে রায়ের বিরুদ্ধে আসামিদের আপিলের সুযোগ রয়েছে।

সারাহ খলিফার একটি কসমেটিক সার্জারি ক্লিনিকও রয়েছে। পাশাপাশি বিভিন্ন পার্টি ও অনুষ্ঠানের আয়োজন করা একটি প্রযোজনা প্রতিষ্ঠানের মালিক তিনি।

এদিকে অন্য একটি মামলায় সারাহ খলিফা ও কয়েকজন আসামিকে পাঁচ বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। ওই মামলায় এক তরুণকে অপহরণ ও মারধরের অভিযোগ আনা হয়েছিল।

মিসরে পরিকল্পিত হত্যাকাণ্ড, সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড, ধর্ষণসহ কয়েক ধরনের অপরাধ এবং মাদক পাচারের ক্ষেত্রে মৃত্যুদণ্ডের বিধান রয়েছে।

মিসরীয় কমিশন ফর রাইটস অ্যান্ড ফ্রিডমসের তথ্য অনুযায়ী, ২০২৫ সালে দেশটিতে ৫৪১ জনকে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

কালের আলো/এসএ

সালমানের মৃত্যুর খবর শুনে এফডিসিতে কান্নায় ভেঙে পড়েছিলেন মৌসুমী

বিনোদন প্রতিবেদক
প্রকাশিত: রবিবার, ৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৪:৪৫ অপরাহ্ণ
সালমানের মৃত্যুর খবর শুনে এফডিসিতে কান্নায় ভেঙে পড়েছিলেন মৌসুমী

১৯৯৬ সালের ৬ সেপ্টেম্বর। ঢাকার এফডিসিতে ‘সুখের ঘরে দুখের আগুন’ সিনেমার শুটিং করছিলেন চিত্রনায়িকা মৌসুমী। হঠাৎ এক প্রোডাকশন বয়ের কাছ থেকে খবর পান, চিত্রনায়ক সালমান শাহ মারা গেছেন। আকস্মিক সেই সংবাদ প্রথমে বিশ্বাসই করতে পারেননি তিনি।

খবরটি সত্য কি না, তা নিশ্চিত হতে নিজের গাড়ি দিয়ে পরিচালক মুশফিকুর রহমান গুলজারকে সালমান শাহর ইস্কাটনের বাসায় পাঠান মৌসুমী। পরে গুলজার ফিরে এসে যখন মৃত্যুর খবর নিশ্চিত করেন, তখন কান্নায় ভেঙে পড়েন নব্বই দশকের জনপ্রিয় এই অভিনেত্রী।

সালমান শাহর মৃত্যুর ৩০ বছর পূর্ণ হয়েছে। ১৯৯৬ সালের ওই দিনে রাজধানীর ইস্কাটনের নিজ বাসায় তাঁর মৃত্যু হয়। তাঁর মৃত্যু নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে নানা আলোচনা ও আইনি প্রক্রিয়া চলছে। ফলে মৃত্যুর কারণ বা প্রকৃতি নিয়ে কোনো সিদ্ধান্তমূলক মন্তব্য না করেই সেদিনের স্মৃতি জানিয়েছেন পরিচালক গুলজার।

গুলজার নিজের ফেসবুক পোস্টে জানান, সেদিন এফডিসির কড়ইতলায় বস্তির একটি সেট তৈরি করে ‘সুখের ঘরে দুখের আগুন’ সিনেমার শুটিং করছিলেন তিনি। ছবিটির পরিচালক ও প্রযোজকও ছিলেন গুলজার।

অন্যদিকে এফডিসির ৩ নম্বর ফ্লোরের মেকআপ রুমে শুটিংয়ের জন্য অপেক্ষা করছিলেন মৌসুমী। ঠিক তখনই একজন প্রোডাকশন বয় এসে সালমান শাহর মৃত্যুর খবর দেন।

খবরটি শুনে মৌসুমী ও গুলজার দুজনেই হতবাক হয়ে যান। বিষয়টি নিশ্চিত হতে মৌসুমী তাঁর নিজের গাড়ি গুলজারকে দিয়ে সালমানের ইস্কাটনের বাসায় পাঠান।

গুলজারের বর্ণনা অনুযায়ী, সেখানে গিয়ে দারোয়ানদের কাছ থেকে তিনি জানতে পারেন, সালমান শাহকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হয়েছে। এরপর তিনি হাসপাতালে ছুটে যান এবং সেখানে সালমানের মৃত্যুর খবর নিশ্চিত করেন।

এফডিসিতে ফিরে এসে মৌসুমীকে সেই মর্মান্তিক খবর জানান গুলজার। খবরটি শুনে কান্নায় ভেঙে পড়েন মৌসুমী। উপস্থিত অনেকেই তাঁকে সান্ত্বনা দেওয়ার চেষ্টা করেন।

সেদিনের পরিস্থিতি মৌসুমীর জন্য আরও কঠিন ছিল। তিনি তখন পাঁচ মাসের অন্তঃসত্ত্বা ছিলেন। তাঁর গর্ভে ছিল সন্তান ফারদিন।

সালমান শাহর মৃত্যুর খবর পেয়ে এফডিসিতে ছুটে আসেন মৌসুমীর স্বামী চিত্রনায়ক ওমর সানী। বিকেলের দিকে সালমানের মরদেহ এফডিসিতে আনা হলে গুলজার ও ওমর সানী কান্নায় ভেঙে পড়া মৌসুমীকে তাঁর মরদেহের কাছে নিয়ে যান।

সেদিনের সেই স্মৃতি তিন দশক পরও ঢাকাই চলচ্চিত্রের অন্যতম আলোচিত অধ্যায় হয়ে আছে।

সালমান শাহ ও মৌসুমীর সম্পর্কের শুরু চলচ্চিত্রে অভিষেকের সময় থেকেই। ১৯৯৩ সালে সোহানুর রহমান সোহান পরিচালিত ‘কেয়ামত থেকে কেয়ামত’ সিনেমার মাধ্যমে বড় পর্দায় অভিষেক হয় দুজনেরই।

২৫ মার্চ মুক্তি পাওয়া সিনেমাটি দর্শকদের মধ্যে ব্যাপক সাড়া ফেলে। প্রথম সিনেমাতেই জনপ্রিয় হয়ে ওঠে সালমান-মৌসুমী জুটি।

এরপর তাঁরা একসঙ্গে অভিনয় করেন ‘অন্তরে অন্তরে’, ‘স্নেহ’ ও ‘দেনমোহর’ সিনেমায়। পরবর্তী সময়ে শাবনূরের সঙ্গে সালমান শাহর জুটি ব্যাপক জনপ্রিয়তা পায়। ফলে মৌসুমীর সঙ্গে আর নতুন কোনো সিনেমায় দেখা যায়নি তাঁকে।

তবে অল্প সময়ের সেই পথচলায় সালমান শাহ ও মৌসুমীর পর্দার জুটি যেমন দর্শকদের মনে জায়গা করে নিয়েছিল, তেমনি ব্যক্তিগত সম্পর্কের স্মৃতিও আজও ধরে রেখেছেন সহকর্মীরা। সালমান শাহর মৃত্যুর ৩০ বছর পর তাঁর স্মৃতিচারণ করতে গিয়ে মৌসুমীর সেই কান্নার দিনটিও তাই ফিরে আসে বারবার।

কালের আলো/এসএ

আগ্নেয়গিরির ছাইয়ে ইন্দোনেশিয়ায় ৩০১ ফ্লাইট বাতিল

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
প্রকাশিত: রবিবার, ৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৪:৩২ অপরাহ্ণ
আগ্নেয়গিরির ছাইয়ে ইন্দোনেশিয়ায় ৩০১ ফ্লাইট বাতিল

আগ্নেয়গিরির অগ্ন্যুৎপাতের কারণে ইন্দোনেশিয়ার প্রধান আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর সুকর্ণ-হাত্তাসহ পাঁচটি বিমানবন্দরে ৩০১টি ফ্লাইট স্থগিত করা হয়েছে। আনাক ক্রাকাতোয়া আগ্নেয়গিরির ছাই জাকার্তার কাছের আকাশসীমায় ছড়িয়ে পড়ায় রোববার এসব ফ্লাইট স্থগিত করা হয়। এতে ২২ হাজারের বেশি যাত্রী ভোগান্তিতে পড়েছেন।

কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, স্থানীয় সময় রোববার সকালে সুকর্ণ-হাত্তা আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের কাছের আকাশসীমায় আগ্নেয়গিরির ছাই শনাক্ত হওয়ার পর ফ্লাইট চলাচল বন্ধ করা হয়। বাতিল হওয়া ফ্লাইটগুলোর মধ্যে ৫৮টি আন্তর্জাতিক রুটের।

দেশটির পরিবহন মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, এ ঘটনায় সিঙ্গাপুর থেকে আসা-যাওয়া করা ফ্লাইট সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এ ছাড়া দোহা, সিডনি ও কুয়ালালামপুরসহ বিভিন্ন আন্তর্জাতিক রুটের ফ্লাইটও স্থগিতের কারণে প্রভাবিত হয়েছে।

আনাক ক্রাকাতোয়া থেকে শুক্রবার গভীর রাতে অগ্ন্যুৎপাত শুরু হয়। এরপর সেখানে একটানা ভূকম্পন, লাভার ফোয়ারা ও বিকট শব্দ শোনা যায়। রোববার ভোরেও আগ্নেয়গিরিটি থেকে আরও দুটি অগ্ন্যুৎপাত হয়েছে বলে জানিয়েছে কর্তৃপক্ষ।

জাভা ও সুমাত্রা দ্বীপের মধ্যবর্তী সুন্দা প্রণালিতে অবস্থিত আনাক ক্রাকাতোয়া। সাম্প্রতিক অগ্ন্যুৎপাতের পরও কোনো সুনামি সতর্কতা জারি করা হয়নি।

আগ্নেয়গিরির ছাই ছড়িয়ে পড়ায় স্বাস্থ্যঝুঁকির কথা জানিয়েছে ইন্দোনেশিয়ার কর্তৃপক্ষ। ক্ষতিগ্রস্ত এলাকার বাসিন্দাদের ঘরের ভেতরে থাকার পরামর্শ দিয়েছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী। শ্বাসতন্ত্র, চোখ ও ত্বক সুরক্ষায় মাস্ক ব্যবহারের আহ্বানও জানানো হয়েছে।

স্থানীয় সংবাদপত্র কমপাসের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ছাইয়ের কারণে চোখে জ্বালাপোড়ার অভিযোগ ওঠায় কয়েকটি স্কুল শনিবার তাদের কার্যক্রম বাতিল করেছে। কয়েকজন জেলেও চোখে ব্যথা ও জ্বালাপোড়ার কথা জানিয়ে সাগরে মাছ ধরতে যাওয়া বাতিল করেছেন।

স্থানীয় বাসিন্দা আলদি চান্দ্রা প্রায়োগি কমপাসকে জানান, শুক্রবার সন্ধ্যা থেকে তাঁর মনে হচ্ছিল চোখের মধ্যে যেন ছোট ছোট বালুর কণা ঢুকে আছে। চোখের জ্বালাপোড়া কমাতে তাঁকে চোখের ড্রপ ব্যবহার করতে হচ্ছে। ছাইয়ের আস্তরণ এত ঘন যে বাড়ির উঠান তাঁকে কয়েক মিনিট পরপর পরিষ্কার করতে হচ্ছে বলেও জানান তিনি।

আনাক ক্রাকাতোয়া নামের অর্থ ‘ক্রাকাতোয়ার সন্তান’। ১৮৮৩ সালের ভয়াবহ ক্রাকাতোয়া অগ্ন্যুৎপাতের পর তৈরি হওয়া আগ্নেয়গিরির জ্বালামুখে এটি গড়ে ওঠে। গত শতকের শুরুর দিকে সমুদ্র থেকে জেগে ওঠার পর থেকে আগ্নেয়গিরিটি বিভিন্ন সময়ে সক্রিয় হয়েছে।

২০১৮ সালের ডিসেম্বরে আনাক ক্রাকাতোয়ার একটি বড় অংশ ধসে পড়ে। এর ফলে সৃষ্ট সুনামিতে ৪০০ জনের বেশি মানুষ নিহত হন। জাভা ও সুমাত্রার উপকূলীয় এলাকায় বহু মানুষ আহত ও বাস্তুচ্যুত হন।

ইন্দোনেশিয়া প্রশান্ত মহাসাগরীয় ‘রিং অব ফায়ার’-এ অবস্থিত। এ অঞ্চলে ভূমিকম্প ও আগ্নেয়গিরির অগ্ন্যুৎপাতের প্রবণতা তুলনামূলক বেশি। ফলে দেশটিতে প্রায়ই এ ধরনের প্রাকৃতিক দুর্যোগ দেখা যায়।

কালের আলো/এসএ

মালয়েশিয়ার কাছে হেরে জুনিয়র এশিয়া কাপে বাংলাদেশের টানা দ্বিতীয় হার

স্পোর্টস ডেস্ক
প্রকাশিত: রবিবার, ৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৪:১১ অপরাহ্ণ
মালয়েশিয়ার কাছে হেরে জুনিয়র এশিয়া কাপে বাংলাদেশের টানা দ্বিতীয় হার

জুনিয়র এশিয়া কাপে টানা দ্বিতীয় ম্যাচে হেরেছে বাংলাদেশ অনূর্ধ্ব-২০ পুরুষ হকি দল। প্রথম ম্যাচে চীনের কাছে ৩-২ গোলে হারের পর রোববার মালয়েশিয়ার কাছে ৪-২ গোলে হেরেছে তারা।

চীনের মোকি ট্রেনিং গ্রাউন্ডে অনুষ্ঠিত ম্যাচের প্রথম কোয়ার্টারে কোনো দলই গোল করতে পারেনি। দ্বিতীয় কোয়ার্টারে ২১ থেকে ২৩ মিনিটের মধ্যে দুটি গোল হজম করে বাংলাদেশ।

তবে ২৪ মিনিটে আবদুল্লাহ গোল করে ব্যবধান কমালে ম্যাচে ফেরার আশা জাগে বাংলাদেশের। তৃতীয় কোয়ার্টারে মেহেদী হাসানের ফিল্ড গোলে সেই আশা আরও জোরালো হয়। তাঁর গোলে ২-২ সমতায় ফেরে বাংলাদেশ।

কিন্তু শেষ কোয়ার্টারে আর সেই ধারাবাহিকতা ধরে রাখতে পারেনি বাংলাদেশ। ৪৮ ও ৫১ মিনিটে পরপর দুটি গোল করে মালয়েশিয়ার জয় নিশ্চিত করেন সুজাইনি ফাহমি। শেষ পর্যন্ত আর ম্যাচে ফিরতে পারেনি বাংলাদেশের যুবারা।

টানা দুই ম্যাচ হেরে ‘বি’ গ্রুপে এখন কঠিন অবস্থায় রয়েছে বাংলাদেশ। আগামী মঙ্গলবার নিজেদের তৃতীয় ম্যাচে কাজাখস্তানের মুখোমুখি হবে তারা।

এ নিয়ে নবমবারের মতো জুনিয়র এশিয়া কাপে খেলছে বাংলাদেশ। টুর্নামেন্টে বাংলাদেশের সর্বোচ্চ সাফল্য ১৯৯৬ সালে সেমিফাইনালে খেলা।

এবারের ১০ দলের আসরে ‘এ’ গ্রুপে রয়েছে বর্তমান চ্যাম্পিয়ন ভারত। ‘বি’ গ্রুপে বাংলাদেশের সঙ্গে রয়েছে পাকিস্তান, চীন, মালয়েশিয়া ও কাজাখস্তান।

কালের আলো/এসএ