খুঁজুন
                               
, ,
           

চাকরি নেই, তবু রোজ দাঁড়ান সড়কে—একনজর দেখবেন প্রধানমন্ত্রীকে

বিশেষ সংবাদদাতা, কালের আলো:
প্রকাশিত: সোমবার, ৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ২:১০ অপরাহ্ণ
চাকরি নেই, তবু রোজ দাঁড়ান সড়কে—একনজর দেখবেন প্রধানমন্ত্রীকে

সকাল নয়টা বাজলেই লোকটি এসে দাঁড়ান রাজধানীর রমনার সেই সড়কের পাশে। গায়ে নিরাপত্তাপ্রহরীর পোশাক। হাতে ধানের শীষ। চোখ তাঁর সড়কের দিকে। একসময় এই জায়গাটিই ছিল তাঁর কর্মস্থল। এখন সেখানে তাঁর কোনো চাকরি নেই। প্রায় এক মাস আগে বন্ধ হয়ে গেছে পাশের এটিএম বুথটি। চলে গেছে তাঁর কাজও। কিন্তু জায়গাটি ছাড়েননি তিনি। প্রতিদিনের মতো এখনো আসেন। কারণ, এই সড়ক দিয়েই যাতায়াত করেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

  • হাতে ধানের শীষ, গায়ে পুরোনো নিরাপত্তার পোশাক
  • জীবনের টানাপোড়েনের মাঝেও প্রধানমন্ত্রীর জন্য প্রতিদিনের অপেক্ষা

প্রধানমন্ত্রীর গাড়িবহর আসার আগ পর্যন্ত অপেক্ষা করেন আবদুস সালাম। গাড়ি সামনে দিয়ে চলে গেলে তিনি সালাম জানান। কখনো প্রধানমন্ত্রীর দিক থেকে হাত নাড়ার সাড়া আসে। কখনো হয়তো শুধু এক ঝলক চোখে পড়ে। তারপর গাড়িবহর চলে যায়। আর তাঁর সকালও যেন পূর্ণ হয়। ষাটোর্ধ্ব এই মানুষের কাছে সেই কয়েক সেকেন্ডের দেখাই অনেক।

কর্মস্থল হারিয়েও হারাননি সকাল
রাজধানীর মানিকনগরে ভাড়া বাসায় স্ত্রী ও সন্তানদের নিয়ে থাকেন আবদুস সালাম। মেয়ে বিয়ে দিয়েছেন। ছেলে এখনো বেকার। ফলে বয়স বাড়লেও সংসারের দায় থেকে অবসর নেওয়ার সুযোগ হয়নি তাঁর। জীবনের বড় একটা সময় কেটেছে গাড়ির স্টিয়ারিংয়ে। প্রায় ২৫ বছর দূরপাল্লার পরিবহনের চালক ছিলেন। কয়েক বছর আগে স্ট্রোকে আক্রান্ত হয়ে থমকে যায় তাঁর কর্মজীবন। প্রায় তিন বছর বাড়িতেই ছিলেন। পরে কিছুটা সুস্থ হয়ে আবার কাজে ফেরেন—এবার ব্যাংকের এটিএম বুথের নিরাপত্তাপ্রহরী হিসেবে। সেই চাকরিটিও টিকল না। কিন্তু চাকরি হারানোর পর যে মানুষটির প্রতিদিনের গন্তব্য বদলে যাওয়ার কথা, তাঁর সকালটি বদলায়নি। আগের মতোই পোশাক পরেন। ব্যাগে ধানের শীষ নেন। তারপর চলে আসেন সেই পুরোনো কর্মস্থলের কাছে। কাজ নেই, আয় নেই—তবু এই অভ্যাসে কোনো ছেদ নেই।

অপেক্ষার মধ্যে রাজনীতি, রাজনীতির মধ্যে আবেগ
আবদুস সালামের এই অপেক্ষাকে শুধু রাজনৈতিক আনুগত্য দিয়ে ব্যাখ্যা করলে গল্পটির বড় অংশই বাদ পড়ে যায়। এখানে রাজনীতির সঙ্গে মিশে আছে ব্যক্তিগত আবেগ, বিশ্বাস আর এক ধরনের আত্মিক প্রশান্তি। প্রধানমন্ত্রীকে তিনি কাছে গিয়ে দেখেন না। কথা বলার সুযোগও নেই। গাড়ি থামে না। দূরত্ব থেকেই তাঁর শুভেচ্ছা পৌঁছে দেন। তবু সেই দূরত্ব যেন তাঁর অনুভূতিতে কোনো বাধা তৈরি করেনি।প্রধানমন্ত্রীর গাড়ি দেখা তাঁর কাছে দিনের একটি নির্দিষ্ট ঘটনা। গাড়ি না গেলে তাঁর মধ্যে থেকে যায় আফসোস। আর গাড়ি এলে, সালামের জবাব মিললে বা অন্তত একবার চোখে পড়লে, সেই মুহূর্তটিই হয়ে ওঠে আনন্দের।

একদিনের একটি ঘটনা তাঁর মনে বিশেষভাবে গেঁথে আছে। প্রধানমন্ত্রী প্রথমবার এই পথ দিয়ে যাওয়ার সময় তিনি ধানের শীষ হাতে দৌড়ে গিয়ে দাঁড়িয়েছিলেন। গাড়ি থেকে হাত নাড়ার ইশারা পেয়েছিলেন। সেই ক্ষণিকের প্রতিক্রিয়াই তাঁর কাছে বড় পাওয়া হয়ে আছে। প্রধানমন্ত্রীর জন্য হয়তো সেটি ছিল চলন্ত গাড়ি থেকে দেওয়া একটি স্বাভাবিক শুভেচ্ছা। কিন্তু আবদুস সালামের কাছে তা ছিল নিজের ভালোবাসা পৌঁছে যাওয়ার প্রমাণ।

গাড়ি চলে যায়, অপেক্ষা থেকে যায়
রমনার ওই জায়গার চায়ের দোকানদারও এখন তাঁকে চেনেন। প্রতিদিন আসেন, দাঁড়ান, প্রধানমন্ত্রী এলে সালাম দেন, তারপর চলে যান। দৃশ্যটি তাঁর কাছে এখন আর নতুন নয়।প্রধানমন্ত্রীর প্রেস উইংয়ের ভাষ্য অনুযায়ী, আবদুস সালামের মতো আরও অনেকে নিয়মিত সড়কের পাশে দাঁড়িয়ে প্রধানমন্ত্রীর গাড়ি যাওয়ার অপেক্ষা করেন। কেউ হাত নাড়েন, কেউ চোখের ইশারায় শুভেচ্ছা জানান। গাড়ি থামে না, কথাও হয় না। তবু মানুষের এই ক্ষণিকের যোগাযোগে তৈরি হয়েছে এক ধরনের ব্যক্তিগত সম্পর্কের অনুভূতি।আবদুস সালামের গল্পে সেই অনুভূতিই সবচেয়ে স্পষ্ট।

জীবনের কঠিন হিসাবেও আনন্দ
একজন মানুষের জীবনে চাকরি হারানো মানে শুধু একটি কর্মসংস্থান হারানো নয়। তার সঙ্গে জড়িয়ে থাকে সংসারের অনিশ্চয়তা, সন্তানের ভবিষ্যৎ, নিজের চিকিৎসা ও আগামী দিনের চিন্তা।আবদুস সালামের জীবনেও সেই হিসাব আছে।কিন্তু সেই কঠিন হিসাবের বাইরে তিনি নিজের জন্য একটি ছোট্ট আনন্দের জায়গা রেখে দিয়েছেন। প্রতিদিন সকালে সেই জায়গাটিতে এসে দাঁড়ান। পুরোনো পোশাক পরেন। হাতে নেন ধানের শীষ। অপেক্ষা করেন।প্রধানমন্ত্রীর গাড়ি আসে। কয়েক সেকেন্ডের জন্য চোখের সামনে দিয়ে চলে যায়। তিনি সালাম জানান।তারপর আবার ফিরে যান নিজের অনিশ্চিত জীবনে। পরদিন সকাল হলে আবার আসেন। চাকরি হারিয়েছেন আবদুস সালাম, কিন্তু হারাননি অপেক্ষা। কারণ তাঁর কাছে প্রধানমন্ত্রীকে একনজর দেখা শুধু একটি মুহূর্ত নয়—এটি তাঁর দিনের সেই ছোট্ট শান্তি, যা কোনো চাকরি হারানোর সঙ্গে হারিয়ে যায়নি।

কালের আলো/এম/এএইচ

আখতারুজ্জামানকাণ্ড নিয়ে মন্ত্রীর অভিযোগ, ‘ইচ্ছাকৃতভাবে বিশৃঙ্খলা’

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: শনিবার, ৩ অক্টোবর, ২০২৬, ১২:০৯ অপরাহ্ণ
আখতারুজ্জামানকাণ্ড নিয়ে মন্ত্রীর অভিযোগ, ‘ইচ্ছাকৃতভাবে বিশৃঙ্খলা’

হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে জামায়াত নেতা ও সাবেক সংসদ সদস্য মেজর (অব.) মোহাম্মদ আখতারুজ্জামান রঞ্জনের ঘটনাকে ‘মব ও ইচ্ছাকৃত বিশৃঙ্খলা’ বলে মন্তব্য করেছেন বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটনমন্ত্রী এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত।

শুক্রবার (২ অক্টোবর) রাতে আকস্মিকভাবে বিমানবন্দর পরিদর্শনে গিয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ মন্তব্য করেন।

বিমানমন্ত্রী বলেন, বিমানবন্দরের দায়িত্বে থাকা ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা ও নির্বাহী পরিচালককে ডেকে রূঢ় আচরণ এবং মারধরের ঘটনা ঘটেছে। এসব ঘটনা অনভিপ্রেত এবং ইচ্ছাকৃত বলে মন্তব্য করেন তিনি।

বিমানবন্দরে যাত্রীদের ভোগান্তি প্রসঙ্গে মন্ত্রী বলেন, দীর্ঘদিন ধরেই বিভিন্ন ধরনের ভোগান্তি ছিল। বিশেষ করে হজ বা ওমরাহ শেষে ফেরার সময় জমজমের পানি সরবরাহের ক্ষেত্রে কিছুটা সময় লাগতে পারে। লাগেজ দ্রুত পাওয়া গেলেও জমজমের পানি অনেক সময় পরে দেওয়া হয় বলে উল্লেখ করেন তিনি।

মন্ত্রী বলেন, এ ধরনের পরিস্থিতিতে যাত্রীদের কিছুটা ধৈর্য ধরতে হয়। তবে কেউ যদি ইচ্ছাকৃতভাবে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করতে চান, সেটি গ্রহণযোগ্য নয়।

তিনি আরও অভিযোগ করেন, একটি পক্ষ সরকারের স্বাভাবিক কার্যক্রমকে অস্থির করার চেষ্টা করছে। সরকারি কাজে বাধা সৃষ্টি এবং কর্মকর্তাদের কাজ না করার বিষয়টি তুলে ধরে সরকারের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করার চেষ্টা করা হচ্ছে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

বিমানবন্দরে ট্রলি ও কাস্টমসের বিষয়েও কথা বলেন মন্ত্রী। তার ভাষ্য, কয়েকটি ফ্লাইট একই সময়ে অবতরণ করলে সব যাত্রীর জন্য ট্রলি আনতে কিছুটা সময় লাগতে পারে। এ ছাড়া যাত্রীদের নির্ধারিত কাস্টমস ক্লিয়ারেন্স পথ ব্যবহার করার কথাও বলেন তিনি।

এর আগে বৃহস্পতিবার সকালে সৌদি আরব থেকে ওমরাহ শেষে ঢাকায় ফেরার পর জমজমের পানি না পাওয়াকে কেন্দ্র করে শাহজালাল বিমানবন্দরে হট্টগোলের ঘটনা ঘটে। এ সময় জামায়াত নেতা ও কিশোরগঞ্জ-২ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য অবসরপ্রাপ্ত মেজর আখতারুজ্জামান রঞ্জন বিমানবন্দরের নির্বাহী পরিচালক এস এম রাগীব সামাদকে ডেকে রূঢ় আচরণ করেন বলে অভিযোগ ওঠে।

কালের আলো/ডিএইচ/এমএসআইপি 

ভিসা সাক্ষাৎকারে মিথ্যা তথ্য দিলে স্থায়ী নিষেধাজ্ঞার সতর্কতা

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: শনিবার, ৩ অক্টোবর, ২০২৬, ১২:০৫ অপরাহ্ণ
ভিসা সাক্ষাৎকারে মিথ্যা তথ্য দিলে স্থায়ী নিষেধাজ্ঞার সতর্কতা

যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা পেতে সাক্ষাৎকারের সময় কোনো ধরনের মিথ্যা বা বিভ্রান্তিকর তথ্য না দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছে ঢাকায় মার্কিন দূতাবাস। আবেদনকারীর অতীতের অভিবাসন আইন লঙ্ঘনের তথ্য কনস্যুলার কর্মকর্তাদের জানা থাকতে পারে উল্লেখ করে দূতাবাস সতর্ক করেছে, অসত্য তথ্য দিলে ভবিষ্যতে যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশের ক্ষেত্রে স্থায়ী নিষেধাজ্ঞার মুখে পড়তে হতে পারে।

শনিবার (৩ অক্টোবর) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক ভিসাসংক্রান্ত সতর্কবার্তায় এ তথ্য জানায় মার্কিন দূতাবাস।

সতর্কবার্তায় বলা হয়, ভিসা সাক্ষাৎকারের সময় কনস্যুলার কর্মকর্তারা আবেদনকারীর অতীতের যেকোনো অভিবাসন-সংক্রান্ত আইন লঙ্ঘনের বিষয়ে অবগত থাকতে পারেন। তাই সাক্ষাৎকারে কোনো তথ্য গোপন না করে সঠিক ও সম্পূর্ণ তথ্য দেওয়ার জন্য আবেদনকারীদের প্রতি আহ্বান জানানো হয়েছে।

দূতাবাস আরও জানায়, কোনো আবেদনকারী মিথ্যা তথ্য দিলে বা জাল নথিপত্র উপস্থাপন করলে তার ভিসা আবেদন বাতিল হতে পারে। একই সঙ্গে ভবিষ্যতে যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশের ক্ষেত্রেও দীর্ঘমেয়াদি বা স্থায়ী নিষেধাজ্ঞার মুখে পড়ার ঝুঁকি রয়েছে।

এ কারণে ভিসা আবেদন ও সাক্ষাৎকারের সময় আবেদনকারীদের সব তথ্য সঠিকভাবে উপস্থাপন এবং কোনো ধরনের বিভ্রান্তিকর তথ্য বা জাল কাগজপত্র ব্যবহার থেকে বিরত থাকার পরামর্শ দিয়েছে মার্কিন দূতাবাস।

কালের আলো/ডিএইচ/এমএসআইপি 

ইয়েমেনে ৪৭৪ সামরিক অভিযান, হুথিদের দেড় হাজারের বেশি হতাহত

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
প্রকাশিত: শনিবার, ৩ অক্টোবর, ২০২৬, ১১:৫৮ পূর্বাহ্ণ
ইয়েমেনে ৪৭৪ সামরিক অভিযান, হুথিদের দেড় হাজারের বেশি হতাহত

ইয়েমেনের বিভিন্ন সামরিক ফ্রন্টে সরকারি বাহিনীর অভিযান জোরদারের মধ্যে গত ২৪ ঘণ্টায় অন্তত ১ হাজার ৫৪০ জন হুথি যোদ্ধা হতাহত হয়েছে বলে দাবি করেছে দেশটির সেনাবাহিনী। একই সময়ে হুথিদের একাধিক হামলা প্রতিহত করার কথাও জানিয়েছে তারা।

আনাদোলু এজেন্সির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, শুক্রবার (২ অক্টোবর) সেনাসূত্র জানায়, গত এক দিনে হুথিদের বিভিন্ন অবস্থান, কমান্ড সেন্টার ও শক্তিবৃদ্ধির লক্ষ্যবস্তুতে মোট ৪৭৪টি সামরিক অভিযান চালানো হয়েছে।

ইয়েমেনি সেনাবাহিনীর মুখপাত্র মেজর আব্দুল্লাহ আল-নাজিলি জানান, বিমান, ড্রোন, আর্টিলারি ও রকেট লঞ্চারের সমন্বয়ে এসব অভিযান পরিচালনা করা হয়। দক্ষিণাঞ্চলীয় হারাদ ও উপকূলীয় অঞ্চল থেকে শুরু করে মারিব, সানা, সাদা ও অন্যান্য ফ্রন্টেও সামরিক তৎপরতা চালানো হয়। তবে কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ তাইজ অঞ্চল ছিল অভিযানের অন্যতম প্রধান কেন্দ্র।

সেনাবাহিনীর দাবি, সবচেয়ে বেশি হতাহতের ঘটনা ঘটেছে তাইজ ফ্রন্টে। এ ছাড়া অভিযানে হুথিদের ২১৬টি সামরিক যান ও সরঞ্জাম ধ্বংস অথবা মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এর ফলে তাইজে হুথি বাহিনীর অগ্রগতি ঠেকানো সম্ভব হয়েছে বলে দাবি করেছে সরকারি বাহিনী।

এদিকে সানা ও সাদায় কয়েকটি ‘উচ্চমূল্যের লক্ষ্যবস্তুতে’ বিমান হামলা চালানোর কথাও জানিয়েছে ইয়েমেনি সেনাবাহিনী।

এর আগে গত বুধবার সেনাবাহিনী জানিয়েছিল, তিনটি ফ্রন্টে হুথি যোদ্ধা ও সামরিক সরঞ্জাম লক্ষ্য করে ৪৬৮টি অভিযান পরিচালনা করা হয়েছে। ওই অভিযানে শত শত হুথি সদস্য হতাহত হওয়ার দাবিও করা হয়েছিল।

ইয়েমেনে দীর্ঘদিন ধরে ক্ষমতার নিয়ন্ত্রণ, আঞ্চলিক প্রভাব এবং লোহিত সাগরের কৌশলগত জলপথকে কেন্দ্র করে সংঘাত চলছে। ইরান-সমর্থিত হুথি বিদ্রোহী ও সৌদি-সমর্থিত সরকারি বাহিনীর লড়াইয়ে দেশটিতে দীর্ঘস্থায়ী মানবিক সংকট তৈরি হয়েছে।

২০২২ সালের যুদ্ধবিরতির পর চলতি বছরের জুলাই থেকে দেশটিতে আবারও সামরিক উত্তেজনা বাড়তে থাকে। বর্তমানে তাইজসহ বিভিন্ন এলাকায় তীব্র সংঘর্ষের মধ্য দিয়ে পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে উঠেছে।

কালের আলো/ডিএইচ/এমএসআইপি