খুঁজুন
                               
, ,
           

গুলশানে নিষিদ্ধ আ. লীগের মিছিলে অংশ নেওয়া ৩২ জন গ্রেপ্তার

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: শনিবার, ১২ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১২:১৩ অপরাহ্ণ
গুলশানে নিষিদ্ধ আ. লীগের মিছিলে অংশ নেওয়া ৩২ জন গ্রেপ্তার

রাজধানীর গুলশানে কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের ঝটিকা মিছিলে অংশগ্রহণের অভিযোগে ৩২ জনকে গ্রেপ্তার করেছে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ (ডিএমপি)।

শনিবার (১২ সেপ্টেম্বর) সকালে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ডিএমপির মিডিয়া অ্যান্ড পাবলিক রিলেশন্স বিভাগের উপ-পুলিশ কমিশনার (ডিসি) মো. আকতার হোসেন।

তিনি জানান, শুক্রবার রাজধানীর গুলশান এলাকায় নিষিদ্ধ সংগঠনের মিছিলে সরাসরি অংশগ্রহণকারী ৩২ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

কালের আলো/এএইচ/এমএসআইপি

চিকিৎসায় আস্থার সংকটে বিদেশমুখী রোগীর ঢল

কালের আলো রিপোর্ট:
প্রকাশিত: শনিবার, ১২ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১২:৩৩ অপরাহ্ণ
চিকিৎসায় আস্থার সংকটে বিদেশমুখী রোগীর ঢল

চিকিৎসার জন্য বিদেশে যাওয়া একসময় ছিল সামর্থ্যবানদের বিষয়। এখন সেই প্রবণতা ছড়িয়ে পড়েছে মধ্যবিত্তের মধ্যেও, এমনকি নিম্ন-মধ্যবিত্ত পরিবারের কেউ কেউ জটিল রোগের চিকিৎসায় দেশের বাইরে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নিচ্ছেন। গুরুতর অসুস্থতার খবর পেলে অনেকে দ্বিতীয় মতামত, উন্নত রোগ নির্ণয় কিংবা অস্ত্রোপচারের নিশ্চয়তার জন্য পাড়ি দিচ্ছেন বিদেশে। সঙ্গে যাচ্ছে পরিবারের সঞ্চয়, কখনো ধার করা অর্থ; আর দেশের বাইরে চলে যাচ্ছে বিপুল বৈদেশিক মুদ্রা।

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান সম্প্রতি ঢাকা মেডিকেল কলেজের এক অনুষ্ঠানে জানিয়েছেন, চিকিৎসার জন্য প্রতিবছর বাংলাদেশ থেকে প্রায় ৫ বিলিয়ন ডলার বা বাংলাদেশি মুদ্রায় প্রায় ৬২ হাজার কোটি টাকা বিদেশে চলে যাচ্ছে। চিকিৎসক ও স্বাস্থ্যকর্মীদের আন্তরিক, মানবিক আচরণ এবং সঠিক চিকিৎসার মাধ্যমে দেশের স্বাস্থ্যসেবার ওপর মানুষের আস্থা ফিরিয়ে আনার ওপর গুরুত্ব দিয়েছেন তিনি। প্রধানমন্ত্রীর এই বক্তব্যের তাৎপর্য শুধু অর্থের অঙ্কে নয়। বিদেশে চিকিৎসা নিতে যাওয়া মানুষের সিদ্ধান্তের সঙ্গে দেশের স্বাস্থ্যব্যবস্থার সক্ষমতা এবং মানুষের আস্থার বিষয়টিও জড়িয়ে আছে।

বিদেশযাত্রার একাধিক কারণ
ভারত, নেপাল, থাইল্যান্ড, সিঙ্গাপুর, চীন, মালয়েশিয়া, জাপান, দক্ষিণ কোরিয়া, কাতার, সংযুক্ত আরব আমিরাত, সৌদি আরব, যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য ও অস্ট্রেলিয়াসহ বিভিন্ন দেশে যাচ্ছেন বাংলাদেশি রোগীরা। বিদেশে যাওয়ার পেছনে অবশ্য একাধিক কারণ রয়েছে। বিশেষায়িত চিকিৎসা, উন্নত প্রযুক্তি কিংবা নির্দিষ্ট রোগে অভিজ্ঞ চিকিৎসকের পরামর্শের জন্যও মানুষ বিদেশে যান। কিন্তু দেশের চিকিৎসাব্যবস্থায় আস্থার সংকট যদি সেই সিদ্ধান্তকে প্রভাবিত করে, তখন বিষয়টি স্বাস্থ্য খাতের জন্য গুরুত্বপূর্ণ হয়ে ওঠে।

জটিল রোগেই বিদেশমুখিতা বেশি
বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব ডেভেলপমেন্ট স্টাডিজের গবেষণায় বিদেশে চিকিৎসা নিতে যাওয়া রোগীদের রোগভিত্তিক একটি চিত্র পাওয়া যায়। এর মধ্যে হৃদরোগের চিকিৎসায় যাচ্ছেন ১৭ শতাংশ রোগী। কিডনি রোগে ১৪ দশমিক ৫ শতাংশ, অর্থোপেডিক সার্জারিতে ১১ দশমিক ৫ শতাংশ এবং লিভার ও ক্যানসারের চিকিৎসায় ১১ শতাংশ করে রোগী বিদেশে যাচ্ছেন।

এ ছাড়া নিউরোলজি, গ্যাস্ট্রোএন্টারোলজি, ইউরোলজি, নাক-কান-গলা, জেনারেল সার্জারি, গাইনোকলজি, চোখ ও দাঁতের চিকিৎসাতেও রোগীরা দেশের বাইরে যাচ্ছেন। তালিকাটি গুরুত্বপূর্ণ। কারণ এসবের বড় একটি অংশ এমন রোগ, যেখানে দ্রুত ও নির্ভুল রোগ নির্ণয় এবং বিশেষায়িত চিকিৎসা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। ফলে রোগীর মনে সামান্য অনিশ্চয়তা তৈরি হলেও তাঁরা তুলনামূলক বেশি খরচের বিনিময়ে বিদেশে চিকিৎসার নিশ্চয়তা খোঁজেন।

চিকিৎসার ব্যয়ের চাপও বড় বাস্তবতা
বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব ডেভেলপমেন্ট স্টাডিজের ৫ মে প্রকাশিত গবেষণা অনুযায়ী, দেশের ২২ শতাংশ মানুষের প্রতি মাসে স্বাস্থ্যসেবার প্রয়োজন হয়। অথচ স্বাস্থ্যসেবার মোট ব্যয়ের ৭৯ শতাংশই মানুষকে নিজ পকেট থেকে বহন করতে হচ্ছে। গবেষকেরা বর্তমান স্বাস্থ্যব্যবস্থাকে ‘পশ্চাদ্গামী’ হিসেবে আখ্যায়িত করেছেন। ফলে দেশে চিকিৎসা করাতেও পরিবারের ওপর বড় আর্থিক চাপ তৈরি হচ্ছে। বিদেশে গেলে এর সঙ্গে যুক্ত হয় বিমানভাড়া, ভিসা, থাকা-খাওয়া, যাতায়াত ও সঙ্গীর ব্যয়। তবু অনেকে এই অতিরিক্ত ব্যয় মেনে নিচ্ছেন। এর পেছনে চিকিৎসার পাশাপাশি নিশ্চিততার প্রত্যাশাও কাজ করছে।

বাংলাদেশ প্রাইভেট মেডিকেল কলেজ অ্যাসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক ডা. মো. মোয়াজ্জেম হোসাইন জানিয়েছেন, দেশে চিকিৎসাসেবায় কিছু উন্নতি হলেও অব্যবস্থাপনা ও মানসম্পন্ন চিকিৎসার ঘাটতি রয়েছে। বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর জরিপের উদ্ধৃতি দিয়ে তিনি জানান, ২০১৮-১৯ অর্থবছরে পর্যটক ভিসায় বিদেশে গিয়ে চিকিৎসা ব্যয়ের পরিমাণ ছিল প্রায় ১০ হাজার কোটি টাকা। প্রকৃত ব্যয় আরও বেশি হতে পারে।

স্বাস্থ্য খাতে আরও দৃশ্যমান অগ্রগতির প্রত্যাশা
বিদেশে চিকিৎসা নেওয়ার প্রবণতা আগের তুলনায় বেড়েছে—এমন নির্ভরযোগ্য তথ্য সরকারের কাছে নেই বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী ডা. এমএ মুহিত। তিনি বলেন, দীর্ঘদিনের অব্যবস্থাপনা ও দুর্নীতির কারণে দেশের স্বাস্থ্যব্যবস্থার ওপর মানুষের আস্থা কমে গিয়েছিল। তবে বর্তমান সরকার পরিস্থিতির উন্নয়নে কাজ করছে এবং ধীরে ধীরে মানুষের আস্থা ফিরছে। আগামী কয়েক মাসে স্বাস্থ্য খাতে আরও দৃশ্যমান অগ্রগতির প্রত্যাশাও জানিয়েছেন তিনি। প্রতিমন্ত্রীর বক্তব্যের একটি গুরুত্বপূর্ণ দিক হলো, স্বাস্থ্য খাতের উন্নয়নকে ধারাবাহিক প্রক্রিয়া হিসেবে দেখা। বিদেশে চিকিৎসার প্রবণতা নিয়ে সুনির্দিষ্ট চিত্র পেতে হলে রোগীর গন্তব্য, রোগের ধরন ও ব্যয়ের বিষয়ে নিয়মিত তথ্য সংগ্রহও জরুরি। এতে কোথায় দেশের সক্ষমতা বাড়ানো প্রয়োজন, কোন চিকিৎসায় বিশেষ বিনিয়োগ দরকার এবং কোন সেবাকে আরও সহজলভ্য করা উচিত—তা নির্ধারণ করা সহজ হবে।

জবাবদিহি নিশ্চিত করা জরুরি
স্বাস্থ্য খাতে বাংলাদেশের অন্যতম বড় চ্যালেঞ্জ কম বরাদ্দ। জিডিপির তুলনায় স্বাস্থ্য খাতে বরাদ্দ ১ শতাংশেরও কম। তবে অর্থ বরাদ্দ বাড়ানোর পাশাপাশি সেই অর্থের কার্যকর ব্যবহার, দক্ষ জনবল, আধুনিক চিকিৎসা সরঞ্জাম, রোগ নির্ণয়ের সক্ষমতা এবং হাসপাতাল ব্যবস্থাপনায় জবাবদিহি নিশ্চিত করাও জরুরি। বিপিএমসিএর সাবেক সভাপতি এম এ মুবিন খান জটিল রোগ নির্ণয়ের সক্ষমতা বাড়াতে আধুনিক চিকিৎসা সরঞ্জামের জোগানের ওপর গুরুত্ব দিয়েছেন। এর সঙ্গে সমান গুরুত্ব পাচ্ছে চিকিৎসক-রোগীর সম্পর্ক।

প্রধানমন্ত্রী চিকিৎসকদের সময়নিষ্ঠা, দায়িত্ববোধ এবং রোগীর প্রতি আন্তরিক ও মানবিক আচরণের ওপর জোর দিয়েছেন। কারণ একজন রোগীর কাছে চিকিৎসার মান শুধু ওষুধ, পরীক্ষা বা অস্ত্রোপচারের মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়। চিকিৎসক তাঁর কথা শুনছেন কি না, রোগের অবস্থা বুঝিয়ে বলছেন কি না এবং চিকিৎসার পুরো প্রক্রিয়ায় তিনি নিরাপদ বোধ করছেন কি না—এসবও আস্থার অংশ।

পাঁচ জায়গায় উন্নতি হলে শক্ত হবে আস্থার ভিত
বিদেশে চিকিৎসা নেওয়া পুরোপুরি বন্ধ করা সম্ভব নয়, প্রয়োজনও নেই। বিশেষায়িত চিকিৎসার প্রয়োজন হলে রোগী বিদেশে যাবেন। কিন্তু দেশের ভেতরে যে চিকিৎসা দেওয়া সম্ভব, সেটির জন্যও যদি মানুষ বিদেশকে বেশি নির্ভরযোগ্য মনে করেন, তাহলে সেই আস্থার জায়গাটি শক্তিশালী করাই হবে স্বাস্থ্য খাতের অন্যতম বড় অগ্রাধিকার। প্রধানমন্ত্রীর দেওয়া প্রায় ৬২ হাজার কোটি টাকার হিসাব সেই অগ্রাধিকারের গুরুত্ব স্পষ্ট করেছে। এই অর্থের প্রবাহ কমাতে হলে বিদেশমুখী মানুষকে নিরুৎসাহিত করার চেয়ে দেশের চিকিৎসার সক্ষমতা বাড়ানো বেশি কার্যকর। সঠিক রোগ নির্ণয়, দক্ষ চিকিৎসা, আধুনিক প্রযুক্তি, স্বচ্ছ ব্যয় এবং রোগীর প্রতি মানবিক আচরণ—এই পাঁচ জায়গায় উন্নতি হলে আস্থার ভিতও শক্ত হবে।

কালের আলো/এম/এএইচ

ডেঙ্গু প্রতিরোধে তরুণদের সপ্তাহে এক ঘণ্টা সময় দেওয়ার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: শনিবার, ১২ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১২:১৮ অপরাহ্ণ
ডেঙ্গু প্রতিরোধে তরুণদের সপ্তাহে এক ঘণ্টা সময় দেওয়ার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর

ডেঙ্গু প্রতিরোধ ও পরিচ্ছন্ন বাংলাদেশ গড়তে তরুণ সমাজকে এগিয়ে আসার আহ্বান জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। তিনি বলেছেন, নিজেদের বাসাবাড়ি, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও কর্মস্থলের আশপাশ পরিষ্কার রাখতে তরুণদের সপ্তাহে অন্তত এক ঘণ্টা সময় দিতে হবে।

শনিবার (১২ সেপ্টেম্বর) সকালে জাতীয় সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজায় ‘দেশব্যাপী ডেঙ্গু প্রতিরোধ ও পরিচ্ছন্নতা অভিযান ২০২৬’-এর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ আহ্বান জানান।

অনুষ্ঠানস্থল থেকে অনলাইনে দেশের বিভিন্ন জেলার স্কাউটস, বিএনসিসি, গার্লস গাইড, রেড ক্রিসেন্টসহ বিভিন্ন স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনের লাখ লাখ তরুণের সঙ্গে যুক্ত হন প্রধানমন্ত্রী।

তরুণদের শক্তির কথা তুলে ধরে তারেক রহমান বলেন, বাংলাদেশে স্কাউটসের সংখ্যা প্রায় ২৩ লাখ এবং বিএনসিসির সদস্য প্রায় ২২ হাজার। এ ছাড়া হাইস্কুল থেকে বিশ্ববিদ্যালয় পর্যন্ত প্রায় দেড় কোটি এবং প্রাথমিক পর্যায়ে আড়াই কোটি শিক্ষার্থী রয়েছে। এত বিশাল সংখ্যক মানুষ দেশ পুনর্গঠনে এগিয়ে এলে কেউ বাংলাদেশকে ঠেকিয়ে রাখতে পারবে না।

তিনি বলেন, একটি দেশের বড় একটি তরুণ সমাজ যদি পরিবর্তনের জন্য কাজ করতে চায়, তাহলে সেই পরিবর্তন সম্ভব। ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট তরুণ সমাজ তাদের পরিবর্তনের সক্ষমতা বিশ্বকে দেখিয়েছে বলেও উল্লেখ করেন তিনি।

দেশব্যাপী পরিচ্ছন্নতা অভিযানের লক্ষ্য তুলে ধরে প্রধানমন্ত্রী বলেন, আগামী তিন মাস ডেঙ্গু সমস্যার সমাধানে কাজ করা হবে। শতভাগ সফলতা সম্ভব না হলেও অন্তত ৮০ শতাংশ সফলতা অর্জন করা সম্ভব বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।

ডেঙ্গু সাধারণত ভাঙাচোরা পাত্র, প্লাস্টিকের সামগ্রী ও জমে থাকা পানিতে জন্ম নেয় উল্লেখ করে তিনি বলেন, সবাই মিলে এসব জায়গা পরিষ্কার করলে ডেঙ্গুর প্রকোপ কমানো সম্ভব।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, কাজটি খুব কঠিন নয়। প্রত্যেকে সপ্তাহে এক ঘণ্টা নিজের বাসা, স্কুল, কলেজ বা প্রতিষ্ঠানের আশপাশ পরিষ্কার করলে দ্রুত পরিস্থিতির পরিবর্তন আনা সম্ভব। একই সঙ্গে রাস্তাঘাটে যত্রতত্র ময়লা ফেলা থেকে মানুষকে বিরত রাখতে সচেতনতা তৈরির আহ্বান জানান তিনি।

ময়লা-আবর্জনা থেকে রোগজীবাণু ছড়িয়ে নিজেরাই ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারেন—এ বিষয়ে সবাইকে সতর্ক করে প্রধানমন্ত্রী ‘পরিচ্ছন্ন পরিবার, পরিচ্ছন্ন সমাজ এবং পরিচ্ছন্ন বাংলাদেশ’ গড়ার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন। পরে উপস্থিত তরুণদের পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রমে অংশ নেওয়ার শপথ পাঠ করান তিনি।

কালের আলো/এএইচ/এমএসআইপি 

ব্রিকসের ১৮তম শীর্ষ সম্মেলন শুরু হচ্ছে আজ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
প্রকাশিত: শনিবার, ১২ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১২:০৯ অপরাহ্ণ
ব্রিকসের ১৮তম শীর্ষ সম্মেলন শুরু হচ্ছে আজ

উন্নয়নশীল অর্থনীতির জোট ব্রিকসের বহুল প্রতীক্ষিত ১৮তম শীর্ষ সম্মেলন শনিবার (১২ সেপ্টেম্বর) ভারতের রাজধানী নয়াদিল্লিতে শুরু হচ্ছে। সম্মেলন ঘিরে নেওয়া হয়েছে ব্যাপক নিরাপত্তাব্যবস্থা।

একইসঙ্গে চলছে শেষ মুহূর্তের প্রস্তুতি।
বিশ্বনেতাদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে নয়াদিল্লির গুরুত্বপূর্ণ এলাকা ও ভিভিআইপি রুটগুলোতে বাড়ানো হয়েছে নজরদারি।

আইনশৃঙ্খলা বাহিনী স্থাপন করেছে উচ্চপ্রযুক্তির ডেডিকেটেড কন্ট্রোল রুম। সেখান থেকে সার্বক্ষণিকভাবে বিশ্বনেতাদের মোটরকেডের গতিবিধি ও রাজধানীর সামগ্রিক পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে।
সম্মেলনে যোগ দিতে শুক্রবার (১১ সেপ্টেম্বর) রাতেই নয়াদিল্লিতে পৌঁছেছেন রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন। চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং, ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ানসহ দক্ষিণ আফ্রিকা ও ইন্দোনেশিয়ার রাষ্ট্রপ্রধানরাও সরাসরি সম্মেলনে অংশ নিচ্ছেন।

মধ্যপ্রাচ্যে চলমান তীব্র সামরিক সংঘাত এবং বৈশ্বিক জ্বালানি সংকটের প্রেক্ষাপটে এবারের ব্রিকস সম্মেলনকে বিশেষ তাৎপর্যপূর্ণ হিসেবে দেখা হচ্ছে। সম্মেলনে সদস্য দেশগুলোর মধ্যে অর্থনৈতিক সহযোগিতা আরও জোরদার করা এবং আন্তর্জাতিক বাণিজ্যে বিকল্প মুদ্রার ব্যবহার বাড়ানোর উদ্যোগ নিয়ে আলোচনা হতে পারে।

এর পাশাপাশি মধ্যপ্রাচ্যের চলমান সংকট, আঞ্চলিক নিরাপত্তা ও পরিবর্তনশীল ভূরাজনৈতিক পরিস্থিতিও এবারের শীর্ষ বৈঠকের গুরুত্বপূর্ণ আলোচ্যসূচি হয়ে উঠতে পারে।

বিশ্ব অর্থনীতি ও আন্তর্জাতিক রাজনীতিতে ব্রিকসের প্রভাব বাড়ার প্রেক্ষাপটে এবারের সম্মেলনের দিকে বিশেষ নজর রয়েছে আন্তর্জাতিক মহলের।

কালের আলো/এএইচ/এমএসআইপি