খুঁজুন
                               
, ,
           

ঠাকুরগাঁও-১ উপনির্বাচনে মনোনয়নপত্র দাখিলের শেষ দিন রোববার

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ২:৪৫ অপরাহ্ণ
ঠাকুরগাঁও-১ উপনির্বাচনে মনোনয়নপত্র দাখিলের শেষ দিন রোববার

আগামী ২৯ অক্টোবর অনুষ্ঠেয় ঠাকুরগাঁও-১ আসনের উপনির্বাচনে মনোনয়নপত্র দাখিলের শেষ দিন ধার্য করা হয়েছে আগামীকাল রোববার (২৭ সেপ্টেম্বর) পর্যন্ত।

শনিবার (২৬ সেপ্টেম্বর) নির্বাচন কমিশন (ইসি) নির্বাচন শাখার কর্মকর্তারা এ বিষয়ে নিশ্চিত করেছেন।

এই উপনির্বাচনে রিটার্নিং কর্মকর্তা হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন ঠাকুরগাঁও জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা। সহকারী রিটার্নিং অফিসারের দায়িত্ব পালন করছেন অতিরিক্ত জেলা নির্বাচন অফিসার ঠাকুরগাঁও, উপজেলা নির্বাচন অফিসার রুহিয়া, উপজেলা নির্বাচন অফিসার ভুল্লিসহ মোট তিনজন।

উপনির্বাচনে পোস্টাল ব্যালটে ভোটদানে ইচ্ছুক সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারী ও নির্বাচনি দায়িত্বে নিয়োজিত ব্যক্তিরা আগামী ২৭ সেপ্টেম্বর থেকে নিবন্ধন করতে পারবেন বলে জানিয়েছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। পোস্টাল ব্যালটে ভোট দেওয়ার সুযোগ পাচ্ছেন প্রবাসীরাও। গত ২০ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত ভোটদানে ইচ্ছুক প্রবাসীরা নিবন্ধন করেছেন।

তফসিল অনুযায়ী, ২৭ সেপ্টেম্বর মনোনয়নপত্র দাখিলের শেষ দিন। বাছাইয়ের তারিখ ২৯ সেপ্টেম্বর। রিটার্নিং কর্মকর্তার সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে আপিল দায়ের ৩০ সেপ্টেম্বর থেকে ৪ অক্টোবর। আপিল নিষ্পত্তি ৬ অক্টোবর। প্রার্থীতা প্রত্যাহার ৭ অক্টোবর, প্রতীক বরাদ্দ ৮ অক্টেবর। আর ভোটগ্রহণ ২৯ অক্টোবর।

কালের আলো/আরডি/এমডিএইচ

বাড়ছে সনদ কমছে দক্ষতা

বিশেষ সংবাদদাতা, কালের আলো:
প্রকাশিত: রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৫:০৫ অপরাহ্ণ
বাড়ছে সনদ কমছে দক্ষতা

কলেজ-বিশ্ববিদ্যালয় থেকে প্রতিবছর বের হচ্ছে লাখো তরুণ। হাতে সনদ, সামনে চাকরির বাজার। কিন্তু কর্মক্ষেত্রে পা রাখতেই বড় ধাক্কা—ডিগ্রি আছে, দক্ষতা নেই। শিল্প-কারখানা, প্রযুক্তি, নির্মাণ কিংবা আন্তর্জাতিক শ্রমবাজার—সবখানেই কর্মীর চাহিদা বদলেছে। অথচ বাংলাদেশের শিক্ষাব্যবস্থা এখনও অনেকটাই আটকে আছে মুখস্থবিদ্যা, পরীক্ষা আর সার্টিফিকেটের বৃত্তে।

  • শিক্ষিত বেকারের মিছিল
  • কর্মমুখী দক্ষতার ঘাটতি
  • মুখস্থবিদ্যা ও সার্টিফিকেটনির্ভর ধারা
  • শিল্প-শিক্ষার সেতু গড়ার তাগিদ

ফলে একদিকে বাড়ছে শিক্ষিত বেকারের সংখ্যা, অন্যদিকে বিদেশে যাচ্ছেন বিপুলসংখ্যক অদক্ষ ও স্বল্প দক্ষ শ্রমিক। দেশের সবচেয়ে বড় সম্পদ তরুণ জনগোষ্ঠীই দক্ষতার ঘাটতিতে পরিণত হচ্ছে সম্ভাবনার বদলে বোঝায়।

ডিগ্রি আছে, কাজের দক্ষতা নেই
প্রাক-প্রাথমিক থেকে উচ্চশিক্ষা পর্যন্ত দেশে শিক্ষার্থীর সংখ্যা প্রায় সাড়ে চার কোটি। উচ্চশিক্ষায় রয়েছেন আনুমানিক ৫০ থেকে ৫৫ লাখ। এর মধ্যে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের অধিভুক্ত কলেজগুলোতেই পড়ছেন প্রায় ৩৫ থেকে ৪০ লাখ। সংখ্যার বিচারে উচ্চশিক্ষার বিস্তার বড় হলেও কর্মবাজারের সঙ্গে এর সংযোগ দুর্বল।

এইচএসসি ও সমমানের পর প্রতি বছর বিপুলসংখ্যক তরুণ নতুন করে চাকরির বাজারে ঢুকছেন। কিন্তু তাদের বড় অংশের হাতে নেই এমন কারিগরি বা ব্যবহারিক দক্ষতা, যা দিয়ে সরাসরি উৎপাদনশীল কাজে যুক্ত হওয়া যায়। ফলে শিক্ষার পরের ধাপ হয়ে উঠছে অপেক্ষা—চাকরির অপেক্ষা, প্রশিক্ষণের অপেক্ষা, কিংবা আবারও একটি সনদ অর্জনের চেষ্টা।

কারিগরি শিক্ষা এখনও প্রান্তে
দেশে কারিগরি শিক্ষায় অংশগ্রহণ ১৪ থেকে ১৮ শতাংশের মধ্যে বলে বিভিন্ন হিসাবে উঠে এসেছে। অথচ শিল্পায়ন ও কর্মসংস্থানের সঙ্গে তাল মিলিয়ে দক্ষ কর্মী তৈরিতে এ খাতের ভূমিকা সবচেয়ে বেশি।সমস্যা শুধু শিক্ষার্থীর সংখ্যা কম হওয়া নয়। সামাজিক মানসিকতাও বড় বাধা। অনেক পরিবার এখনও বিএ, এমএ বা বিশ্ববিদ্যালয়ের ডিগ্রিকেই সাফল্যের প্রধান মাপকাঠি মনে করে।

কারিগরি শিক্ষাকে তুলনামূলক কম মর্যাদার মনে করার প্রবণতায় শিক্ষার্থীদের বড় অংশ সাধারণ শিক্ষায় ঢুকে পড়ছে। পরে সেই ডিগ্রি নিয়েই তাদের ছুটতে হচ্ছে এমন চাকরির পেছনে, যেখানে নিয়োগদাতা প্রথমেই খুঁজছেন বাস্তব দক্ষতা।

শিল্প একদিকে, শিক্ষা আরেকদিকে
কর্মবাজার বদলে গেছে দ্রুত। কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, রোবটিক্স, অটোমেশন, সাইবার নিরাপত্তা ও আধুনিক উৎপাদন প্রযুক্তি এখন চাকরির ধরন পাল্টে দিচ্ছে। কিন্তু দেশের বহু শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে এখনও পুরোনো পাঠ্যক্রম, সীমিত ল্যাব এবং ব্যবহারিক প্রশিক্ষণের ঘাটতি রয়েছে।শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও শিল্পকারখানার মধ্যে যোগাযোগও দুর্বল।

ফলে একজন শিক্ষার্থী বছরের পর বছর তাত্ত্বিক জ্ঞান অর্জন করেও বাস্তব কর্মপরিবেশে প্রবেশের আগে প্রয়োজনীয় দক্ষতা অর্জনের সুযোগ পাচ্ছেন না। দক্ষ প্রশিক্ষকের অভাব পরিস্থিতিকে আরও জটিল করছে। অনেক প্রতিষ্ঠানে আধুনিক প্রযুক্তি সম্পর্কে পর্যাপ্ত জ্ঞানসম্পন্ন শিক্ষক নেই। কোথাও আবার পুরোনো যন্ত্রপাতি ও পুরোনো কোর্স দিয়েই প্রশিক্ষণ চলছে।

বিদেশেও কম মজুরির ফাঁদ
দেশের দুর্বল দক্ষতা উন্নয়নের সবচেয়ে দৃশ্যমান প্রতিফলন দেখা যায় বিদেশের শ্রমবাজারে। প্রতিবছর বিপুলসংখ্যক বাংলাদেশি কর্মী বিদেশে গেলেও বড় অংশ অদক্ষ বা স্বল্প দক্ষ শ্রমিক হিসেবে কাজ করেন। এর সরাসরি প্রভাব পড়ে আয়ে। কম দক্ষতার শ্রমিক কম মজুরির কাজে আটকে থাকেন। বিপরীতে দক্ষ টেকনিক্যাল কর্মীর মাসিক আয় অনেক ক্ষেত্রে এক লাখ থেকে তিন লাখ টাকা বা তারও বেশি হতে পারে। অর্থাৎ একই বিদেশযাত্রা একজনকে কম আয়ের শ্রমিক করে তুলছে, আবার অন্যজনকে উচ্চ আয়ের দক্ষ কর্মীতে পরিণত করছে—পার্থক্যটি মূলত দক্ষতার।

এশিয়া এগিয়েছে দক্ষতার হাত ধরে
জাপান, চীন, দক্ষিণ কোরিয়া ও সিঙ্গাপুরের অর্থনৈতিক রূপান্তরের পেছনে দক্ষ মানবসম্পদ তৈরির কৌশল গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে। এসব দেশে শিক্ষা ও শিল্পের মধ্যে দীর্ঘমেয়াদি যোগাযোগ গড়ে তোলা হয়েছে। শিল্পের চাহিদা অনুযায়ী প্রশিক্ষণ ও পাঠ্যক্রম তৈরি হয়েছে।চীনের উৎপাদনশিল্পের বিস্তারের সঙ্গে বড় কারিগরি শিক্ষা নেটওয়ার্ক গড়ে উঠেছে। দক্ষিণ কোরিয়া প্রযুক্তিগত শিক্ষাকে শিল্পায়নের সঙ্গে যুক্ত করে ইলেকট্রনিক্স ও সেমিকন্ডাক্টর খাত সম্প্রসারণ করেছে।

জাপানও শিক্ষা ও শিল্পের সমন্বিত প্রশিক্ষণ ব্যবস্থাকে গুরুত্ব দিয়েছে।বাংলাদেশের সামনে তাই প্রশ্নটি এখন আর শুধু ‘কতজন শিক্ষিত’—তা নয়। প্রশ্ন হলো, কতজনকে কাজে লাগানোর মতো দক্ষ করে তোলা যাচ্ছে।

উদ্ভাবনেও পিছিয়ে বাংলাদেশ
দক্ষতার ঘাটতির প্রভাব পড়ছে উদ্ভাবনেও। ২০২৪ সালের গ্লোবাল ইনোভেশন ইনডেক্সে ১৩৩ দেশের মধ্যে বাংলাদেশের অবস্থান ১০৬। একই সূচকে ভারত ৩৮তম, চীন ১১তম এবং সিঙ্গাপুর চতুর্থ। অর্থাৎ বড় তরুণ জনগোষ্ঠী থাকা সত্ত্বেও গবেষণা, প্রযুক্তি ও উদ্ভাবনে সেই জনশক্তিকে যথেষ্ট কার্যকরভাবে কাজে লাগানো যাচ্ছে না।

শিক্ষিত বেকারই বড় সতর্কবার্তা
বাংলাদেশের শ্রমবাজারের সবচেয়ে বড় বৈপরীত্য এখানেই—শিক্ষার বিস্তার বাড়ছে, কিন্তু শিক্ষার সঙ্গে কর্মসংস্থানের সেতু শক্তিশালী হচ্ছে না। রাশেদা কে চৌধুরীর মতে, বর্তমান শিক্ষাপদ্ধতি শিক্ষিত বেকার তৈরি করছে। কারিগরি শিক্ষায় গুরুত্ব বাড়লেও তা এখনও প্রয়োজনের তুলনায় কম। শিক্ষক সংকট, অবকাঠামোর দুর্বলতা এবং কম বরাদ্দও এ খাতের বড় সমস্যা।

সনদ নয়, দক্ষতার হিসাব
বাংলাদেশের সামনে এখন মূল চ্যালেঞ্জ তরুণ জনগোষ্ঠীকে শুধু শিক্ষিত করা নয়, তাদের উৎপাদনশীল করে তোলা। এজন্য প্রাথমিক স্তর থেকেই ব্যবহারিক শিক্ষা, মাধ্যমিক পর্যায়ে কারিগরি ও পেশাভিত্তিক দক্ষতার সুযোগ, উচ্চশিক্ষায় শিল্পের সঙ্গে অংশীদারত্ব এবং আধুনিক প্রযুক্তিনির্ভর প্রশিক্ষণ বাড়াতে হবে। শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের পাঠ্যক্রমে শিল্পের চাহিদা যুক্ত করা, প্রশিক্ষকদের দক্ষতা বাড়ানো এবং বিদেশগামী কর্মীদের বাজারভিত্তিক প্রশিক্ষণ নিশ্চিত করাও জরুরি। কারণ আগামী দিনের প্রতিযোগিতায় সনদের সংখ্যা নয়, কাজ করার সক্ষমতাই নির্ধারণ করবে একটি দেশের অর্থনৈতিক শক্তি।

বাংলাদেশের কোটি কোটি তরুণ সেই শক্তি হতে পারবেন কি না, তা নির্ভর করছে শিক্ষা শেষ হওয়ার পর তারা শুধু একটি কাগজ পান, নাকি হাতে তুলে নিতে পারেন একটি কার্যকর দক্ষতা—তার ওপর।

কালের আলো/টিই/এমকে

জ্বালানি সংকট কেটেছে, সরবরাহ এখন স্বাভাবিক: মন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৪:৪৪ অপরাহ্ণ
জ্বালানি সংকট কেটেছে, সরবরাহ এখন স্বাভাবিক: মন্ত্রী

জ্বালানি সরবরাহের ঘাটতি ও দুর্ঘটনার কারণে সাময়িক সংকট তৈরি হলেও বর্তমানে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়েছে বলে জানিয়েছেন বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদমন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু।

রোববার (২৭ সেপ্টেম্বর) দুপুরে সচিবালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ কথা বলেন।

মন্ত্রী বলেন, বর্তমানে দেশে জ্বালানি আনা সম্ভব হয়েছে এবং সরবরাহের শিডিউলও ঠিক করা হয়েছে। সামনে কোনো বড় ধরনের দুর্ঘটনা না ঘটলে বিদ্যুৎ ও জ্বালানি সরবরাহ স্বাভাবিক রাখা সম্ভব হবে।

জ্বালানি সংকটের কারণ ব্যাখ্যা করে ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু বলেন, ইরান-ইসরায়েল যুদ্ধের কারণে তেল ও গ্যাস সরবরাহের প্রধান কেন্দ্র মধ্যপ্রাচ্য ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। ফলে বিকল্প উৎস থেকে জ্বালানি সংগ্রহ করতে সময় লেগেছে। জ্বালানি কেনার পরও তা দেশে আনা সম্ভব হয়নি।

তিনি আরও বলেন, এর মধ্যে এলএনজির একটি টার্মিনালে আগুন লাগার ঘটনাও ঘটে। এসব দুর্যোগ ও জটিলতা কাটিয়ে বর্তমানে জ্বালানি সঠিকভাবে দেশে আসছে।

মন্ত্রী বলেন, জনগণের ভোগান্তি কমাতে সরকার বিকল্প উৎস খুঁজে বের করেছে এবং বেশি দাম দিয়েও গ্যাস আমদানি করা হয়েছে। সরকার ইচ্ছাকৃতভাবে এমন পরিস্থিতি তৈরি করেনি বলেও দাবি করেন তিনি।

এ ধরনের সাময়িক সংকট বিশ্বের বিভিন্ন স্থানেও তৈরি হয়েছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, জ্বালানি সরবরাহ স্বাভাবিক করতে সংশ্লিষ্টরা দলগতভাবে কাজ করেছেন। প্রধানমন্ত্রী নিজে বিষয়টিতে উদ্যোগ নেওয়ায় দ্রুত সমাধান সম্ভব হয়েছে বলেও জানান তিনি।

সামনে আর কোনো সমস্যা না হলে আগামী দিনগুলো স্বাভাবিকভাবে পরিচালনা করা সম্ভব হবে বলে আশা প্রকাশ করেন জ্বালানি মন্ত্রী। জনগণ যাতে কোনো ধরনের ভোগান্তিতে না পড়েন, সে বিষয়ে সরকার সচেষ্ট রয়েছে বলেও জানান তিনি।

কালের আলো/ডিএইচ/এমএসআইপি 

শাহবাগে প্রাথমিকের নিয়োগবঞ্চিতরা, সচিবালয়ে ৭ সদস্যের প্রতিনিধিদল

বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিবেদক
প্রকাশিত: রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৪:৩৭ অপরাহ্ণ
শাহবাগে প্রাথমিকের নিয়োগবঞ্চিতরা, সচিবালয়ে ৭ সদস্যের প্রতিনিধিদল

নিয়োগপত্রের দাবিতে রাজধানীর শাহবাগে অবস্থান কর্মসূচি পালন করছেন সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক পদে সুপারিশপ্রাপ্ত কিন্তু নিয়োগপত্র না পাওয়া প্রার্থীরা। তাদের সাত সদস্যের একটি প্রতিনিধিদল প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সঙ্গে সাক্ষাৎ করতে সচিবালয়ে গেছে।

রোববার (২৭ সেপ্টেম্বর) সকাল ১১টার পর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় গ্রন্থাগারের সামনে জড়ো হন আন্দোলনকারীরা। পরে মিছিল নিয়ে শাহবাগ থানার সামনে গিয়ে সড়কে অবস্থান নেন তারা।

‘সারা বাংলাদেশের নিয়োগপত্র বঞ্চিত শিক্ষকবৃন্দ’ ব্যানারে চলা এ কর্মসূচিতে আন্দোলনকারীরা শাহবাগ থানার সামনে টিএসসি অভিমুখী সড়কে মেট্রোরেলের নিচে অবস্থান করছেন। এতে ওই সড়কে যান চলাচল কিছুটা ধীরগতিতে চলছে।

আন্দোলনকারীরা জানান, প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সঙ্গে সাক্ষাতের জন্য সাত সদস্যের প্রতিনিধিদল সচিবালয়ে গেছে। প্রতিনিধিদল ফিরে না আসা পর্যন্ত তারা অবস্থান কর্মসূচি চালিয়ে যাবেন।

ভোলা থেকে আসা আন্দোলনকারী এস এম খোকন বলেন, প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা যোগাযোগ করায় তাদের আহ্বানে সাড়া দিয়ে কথা বলতে সাতজন প্রতিনিধি সচিবালয়ে গেছেন। প্রতিনিধিদল ফিরে না আসা পর্যন্ত আন্দোলন চলবে।

চাঁদপুরের মতলব দক্ষিণ উপজেলা থেকে আন্দোলনে যোগ দেওয়া সুপারিশপ্রাপ্ত রুবেল বলেন, গত ৮ ফেব্রুয়ারি তিনি সহকারী শিক্ষক হিসেবে সুপারিশপ্রাপ্ত হন। শিক্ষক পদে যোগদানের প্রত্যাশায় মার্চ ও এপ্রিলে ১৫তম গ্রেডের দুটি সরকারি চাকরির ভাইভাতেও অংশ নেননি। বাংলাদেশ ডাক বিভাগের একটি সরকারি চাকরিতেও যোগ দেননি। তবে দীর্ঘ সময় পরও তার নামে নিয়োগপত্র ইস্যু হয়নি বলে দাবি করেন তিনি।

রুবেল বলেন, তার ইউনিয়নে সহকারী শিক্ষক পদে সুপারিশপ্রাপ্ত পাঁচজনের মধ্যে চারজনই নিয়োগপত্র পাননি।

আন্দোলনকারীরা দ্রুত নিয়োগপত্র দেওয়ার দাবি জানিয়ে কর্মসূচি চালিয়ে যাওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন।

কালের আলো/ডিএইচ/এমএসআইপি