খুঁজুন
                               
, ,
           

বেগুনি শাড়িতে পূর্ণিমার মায়াবী রূপ, মুগ্ধ ভক্তরা

বিনোদন ডেস্ক
প্রকাশিত: রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১১:২৮ পূর্বাহ্ণ
বেগুনি শাড়িতে পূর্ণিমার মায়াবী রূপ, মুগ্ধ ভক্তরা

শাড়ির আঁচলে বাঙালিয়ানার ছোঁয়া, চোখেমুখে আত্মবিশ্বাস আর ঠোঁটে মায়াবী হাসি—এভাবেই যেন নতুন করে মুগ্ধতা ছড়ালেন ঢালিউডের জনপ্রিয় অভিনেত্রী পূর্ণিমা। বেগুনি শাড়িতে নিজের কয়েকটি ছবি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রকাশ করতেই মুহূর্তেই সেগুলো নজর কেড়েছে ভক্তদের। ঐতিহ্যবাহী সাজে পূর্ণিমার স্বাভাবিক সৌন্দর্য আর আত্মবিশ্বাসী উপস্থিতি যেন ছবিগুলোকে দিয়েছে আলাদা এক আবহ।

বেগুনি শাড়িতে অন্যরকম পূর্ণিমা

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রকাশ করা ছবিগুলোতে বেগুনি রঙের শাড়িতে দেখা গেছে পূর্ণিমাকে। শাড়ির সঙ্গে মানানসই সাজ, পরিপাটি চুল আর মায়াবী হাসিতে ক্যামেরার সামনে ধরা দিয়েছেন তিনি।

সাজে খুব বেশি চাকচিক্য না থাকলেও পুরো লুকেই ছিল আভিজাত্যের ছাপ। বাঙালি ঐতিহ্যের সঙ্গে আধুনিকতার সুন্দর মেলবন্ধনে নিজেকে উপস্থাপন করেছেন এই অভিনেত্রী। আর তার আত্মবিশ্বাসী অভিব্যক্তিই যেন পুরো সাজের সৌন্দর্যকে আরও বাড়িয়ে দিয়েছে।

ছবিগুলোতে কখনো ক্যামেরার দিকে তাকিয়ে, আবার কখনো ভিন্ন ভঙ্গিতে পোজ দিতে দেখা গেছে পূর্ণিমাকে। প্রতিটি ছবিতেই তার উপস্থিতিতে ফুটে উঠেছে সাবলীলতা ও স্বাভাবিক সৌন্দর্য।

ছবি>সংগৃহীত

ক্যাপশনে আত্মবিশ্বাসের কথা

শুধু ছবি দিয়েই থেমে থাকেননি পূর্ণিমা। ছবিগুলোর সঙ্গে নিজের ভাবনাও তুলে ধরেছেন তিনি।

ক্যাপশনে অভিনেত্রী লিখেছেন, ‘ঐতিহ্যের সঙ্গে যখন আত্মবিশ্বাসের মিলন ঘটে, তখনই জাদু তৈরি হয়।’

পূর্ণিমার এই কথার সঙ্গে যেন তার ছবির পুরো আবহটাই মিলে গেছে। ঐতিহ্যবাহী শাড়িকে নিজের আত্মবিশ্বাসের সঙ্গে মিলিয়ে যে সৌন্দর্য তৈরি করা যায়, ছবিগুলোতে সেটিই তুলে ধরেছেন তিনি।

ভক্তদের চোখে মুগ্ধতা

ছবিগুলো প্রকাশের পর থেকেই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে পূর্ণিমাকে নিয়ে শুরু হয়েছে প্রশংসা। ভক্তদের অনেকেই তার সৌন্দর্য ও শাড়ির সাজের প্রশংসা করেছেন।

কারও চোখে তিনি হয়ে উঠেছেন আরও বেশি মায়াবী, আবার কেউ প্রশংসা করেছেন তার আত্মবিশ্বাসী উপস্থিতির। সব মিলিয়ে নতুন ছবিগুলো প্রকাশের পর ভক্তদের মাঝে বেশ সাড়া ফেলেছে।

পূর্ণিমার ক্ষেত্রে এমনটা অবশ্য নতুন নয়। পর্দায় দীর্ঘদিন ধরে দর্শকদের মুগ্ধ করে আসা এই অভিনেত্রী সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নতুন কোনো ছবি প্রকাশ করলেই ভক্তদের আগ্রহ তৈরি হয়। এবারও তার ব্যতিক্রম হয়নি।

ছবি>সংগৃহীত

শাড়িতেই বাঙালিয়ানার সৌন্দর্য

শাড়ি বাঙালি নারীর অন্যতম ঐতিহ্যবাহী পোশাক। আর সেই শাড়িতেই পূর্ণিমার এবারের উপস্থিতি যেন আরও বেশি করে তুলে ধরেছে বাঙালিয়ানার সৌন্দর্য।

বেগুনি রঙের শাড়ির সঙ্গে তার সাজ ছিল পরিমিত ও রুচিশীল। চুলের স্টাইল থেকে শুরু করে মুখের অভিব্যক্তি—সবকিছুতেই ছিল সামঞ্জস্য। ফলে পুরো লুকটিতে একদিকে যেমন ঐতিহ্যের ছোঁয়া রয়েছে, অন্যদিকে তেমনি রয়েছে আধুনিকতার আবহ।

পূর্ণিমার ভক্তদের কাছে এই লুকের আরেকটি বিশেষত্ব হলো তার স্বাভাবিক ভঙ্গি। অতিরিক্ত সাজ বা কৃত্রিমতার বদলে নিজের ব্যক্তিত্বকেই সামনে রেখেছেন তিনি।

ছবি>সংগৃহীত

পর্দার বাইরে নিয়মিত পূর্ণিমা

চলচ্চিত্রে দীর্ঘ সময় ধরে অভিনয় করে দর্শকদের ভালোবাসা পেয়েছেন পূর্ণিমা। ক্যারিয়ারে নানা চরিত্রে অভিনয় করে নিজের জায়গা তৈরি করেছেন তিনি। অভিনয়ের পাশাপাশি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও নিয়মিত নিজের বিভিন্ন মুহূর্ত ভক্তদের সঙ্গে ভাগ করে নেন।

কখনো শাড়িতে, কখনো আধুনিক পোশাকে আবার কখনো পারিবারিক কিংবা ব্যক্তিগত কোনো মুহূর্তের ছবি প্রকাশ করেন এই অভিনেত্রী। তার প্রতিটি পোস্টেই ভক্তদের আগ্রহ দেখা যায়।

নতুন প্রজন্মের দর্শকদের কাছেও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের মাধ্যমে নিজের উপস্থিতি ধরে রেখেছেন পূর্ণিমা। ফলে অভিনয়ের বাইরে তার ফ্যাশন ও সাজ-পোশাক নিয়েও প্রায়ই আলোচনা হয়।

মায়াবী হাসিই যেন আলাদা আকর্ষণ

পূর্ণিমার এবারের ছবিগুলোতে সবচেয়ে বেশি নজর কেড়েছে তার হাসি। মিষ্টি ও স্বাভাবিক হাসিতে ক্যামেরার সামনে ধরা দিয়েছেন তিনি। সেই সঙ্গে চোখেমুখের আত্মবিশ্বাসী অভিব্যক্তি ছবিগুলোকে করেছে আরও প্রাণবন্ত।

বেগুনি শাড়ির গাঢ় রঙের সঙ্গে তার হাসির মায়াবী আবহ তৈরি করেছে দারুণ এক বৈপরীত্য। ফলে প্রতিটি ছবিতেই আলাদা করে চোখ আটকে যাচ্ছে।

তার ভক্তদের অনেকেই মনে করছেন, সময়ের সঙ্গে পূর্ণিমার সৌন্দর্যে যেন আরও পরিণত আকর্ষণ যোগ হয়েছে। বয়স কিংবা সময় কোনো কিছুই তার ব্যক্তিত্বের মায়া কমাতে পারেনি—বরং আত্মবিশ্বাসের সঙ্গে নিজেকে উপস্থাপনের ক্ষমতা তাকে আরও আলাদা করে তুলেছে।

ছবি>সংগৃহীত

ঐতিহ্য আর আত্মবিশ্বাসের গল্প

পূর্ণিমার এবারের ছবি শুধু শাড়িতে সাজের কিছু মুহূর্ত নয়, বরং তার নিজের ভাষায় ঐতিহ্য ও আত্মবিশ্বাসের এক সুন্দর মেলবন্ধন। বাঙালি পোশাকের চিরন্তন সৌন্দর্যের সঙ্গে নিজের ব্যক্তিত্বকে মিলিয়ে যে লুক তৈরি করেছেন, সেটিই নজর কেড়েছে ভক্তদের।

একজন তারকার সৌন্দর্য শুধু পোশাক বা সাজে নয়, আত্মবিশ্বাসী উপস্থিতিতেও প্রকাশ পায়। পূর্ণিমার এবারের ছবিগুলোতে সেই বিষয়টিই যেন স্পষ্ট হয়ে উঠেছে।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রকাশের পর তাই ছবিগুলো নিয়ে ভক্তদের আগ্রহও কমছে না। প্রশংসা আর ভালোবাসায় ভরে উঠছে মন্তব্যের ঘর।

সব মিলিয়ে বেগুনি শাড়িতে পূর্ণিমার এবারের উপস্থিতি আবারও প্রমাণ করল—সাদামাটা ঐতিহ্যবাহী সাজেও কীভাবে নিজের ব্যক্তিত্ব ও আত্মবিশ্বাস দিয়ে আলাদা করে মুগ্ধতা ছড়ানো যায়। আর সেই মুগ্ধতাতেই আবারও ভক্তদের নজরের কেন্দ্রে ঢালিউডের এই জনপ্রিয় অভিনেত্রী।

কালের আলো/জেএন

একদিনে ডেঙ্গুতে ৮ মৃত্যু, হাসপাতালে ভর্তি ২০৩৬

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: সোমবার, ২৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৬:৫৬ অপরাহ্ণ
একদিনে ডেঙ্গুতে ৮ মৃত্যু, হাসপাতালে ভর্তি ২০৩৬

দেশে ডেঙ্গুর প্রকোপ বেড়েই চলেছে। গত ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে আরও আটজনের মৃত্যু হয়েছে। একই সময়ে সারা দেশের বিভিন্ন হাসপাতালে নতুন করে ভর্তি হয়েছেন ২ হাজার ৩৬ জন।

সোমবার (২৮ সেপ্টেম্বর) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হেলথ ইমার্জেন্সি অপারেশন সেন্টার ও কন্ট্রোলরুম থেকে পাঠানো ডেঙ্গুবিষয়ক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, গত ২৪ ঘণ্টায় হাসপাতালে ভর্তি হওয়া রোগীদের মধ্যে বরিশাল বিভাগে ২৫৪ জন, চট্টগ্রামে ৩২৩, ঢাকা বিভাগের সিটি করপোরেশনের বাইরে ৪৩২, ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনে ২০৬ এবং ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনে ১৬৯ জন রয়েছেন।

এ ছাড়া খুলনা বিভাগে ২৬৭ জন, ময়মনসিংহে ১১৫, রাজশাহীতে ১৯৭, রংপুরে ৬২ এবং সিলেট বিভাগে ১১ জন ডেঙ্গু রোগী হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন।

চলতি বছরের ২৮ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত দেশে ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন মোট ৭৫ হাজার ৭৩০ জন। এর মধ্যে চিকিৎসা নিয়ে সুস্থ হয়ে ছাড়পত্র পেয়েছেন ৭০ হাজার ২৫৮ জন। গত ২৪ ঘণ্টায়ই হাসপাতাল থেকে ছাড়পত্র পেয়েছেন ২ হাজার ৬৪ জন।

এদিকে, চলতি বছরে ডেঙ্গুতে এ পর্যন্ত মোট ২৩৩ জনের মৃত্যু হয়েছে।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের পরিসংখ্যান অনুযায়ী, ২০২৫ সালে দেশে ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছিলেন ১ লাখ ২ হাজার ৮৬১ জন এবং মৃত্যু হয়েছিল ৪১৩ জনের। ২০২৪ সালে আক্রান্তের সংখ্যা ছিল ১ লাখ ১ হাজার ২১৪ জন, মৃত্যু হয় ৫৭৫ জনের।

এর আগে ২০২৩ সালে ডেঙ্গুর ভয়াবহ প্রকোপ দেখা যায়। ওই বছর হাসপাতালে ভর্তি হয়েছিলেন ৩ লাখ ২১ হাজার ১৭৯ জন এবং ডেঙ্গুতে মৃত্যু হয়েছিল ১ হাজার ৭০৫ জনের।

কালের আলো/ডিএইচ/এমএসআইপি 

বোরকা পরে ভূমি অফিসে গেলেন ঢাকার ডিসি, নিলেন সেবার খোঁজ

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: সোমবার, ২৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৬:৪৪ অপরাহ্ণ
বোরকা পরে ভূমি অফিসে গেলেন ঢাকার ডিসি, নিলেন সেবার খোঁজ

ভূমি অফিসে সাধারণ মানুষ কীভাবে সেবা পাচ্ছেন, সেবা নিতে গিয়ে কোনো ধরনের হয়রানি বা ভোগান্তির শিকার হচ্ছেন কি না—তা সরেজমিনে জানতে সাধারণ সেবাগ্রহীতার বেশে ভূমি অফিস পরিদর্শন করেছেন ঢাকা জেলা প্রশাসক (ডিসি) ফরিদা খানম।

সোমবার (২৮ সেপ্টেম্বর) বোরকা পরে পরিচয় গোপন রেখে উত্তরখান ইউনিয়ন ভূমি অফিসে যান তিনি। সেখানে সাধারণ নাগরিকের মতো ভূমিসেবা নেওয়ার পাশাপাশি সেবা নিতে আসা মানুষের সঙ্গে কথা বলেন জেলা প্রশাসক।

এ সময় তিনি জানতে চান, ভূমিসেবা নিতে গিয়ে কেউ হয়রানি, ভোগান্তি, অতিরিক্ত অর্থ দাবি কিংবা অন্য কোনো সমস্যার মুখোমুখি হচ্ছেন কি না। একই সঙ্গে ভূমি অফিসের সার্বিক কার্যক্রম, সেবার পরিবেশ এবং কর্মকর্তা-কর্মচারীদের আচরণও পর্যবেক্ষণ করেন তিনি।

পরিদর্শন শেষে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের সাধারণ মানুষকে দ্রুত, সহজ, স্বচ্ছ ও হয়রানিমুক্ত ভূমিসেবা নিশ্চিত করার নির্দেশ দেন জেলা প্রশাসক।

ফরিদা খানম বলেন, তিনি নিয়মিত আনুষ্ঠানিকভাবে ভূমি অফিসগুলো পরিদর্শন করেন। তবে আনুষ্ঠানিক পরিদর্শনের সময় অনেক ক্ষেত্রে সেবার প্রকৃত চিত্র পুরোপুরি জানা সম্ভব হয় না। সাধারণ মানুষ ভূমিসেবা নিতে গিয়ে বাস্তবে কী ধরনের অভিজ্ঞতার মুখোমুখি হচ্ছেন, তা জানতেই সাধারণ সেবাগ্রহীতার পরিচয়ে তিনি সেখানে গিয়েছেন।

তিনি আরও বলেন, ভূমিসেবা মানুষের দোরগোড়ায় পৌঁছে দেওয়া এবং সেবাগ্রহীতারা যাতে কোনো ধরনের হয়রানি বা ভোগান্তির শিকার না হন, তা নিশ্চিত করা প্রশাসনের দায়িত্ব। এ ধরনের সরেজমিন পর্যবেক্ষণের মাধ্যমে সেবার বাস্তব চিত্র জানা যায় এবং প্রয়োজন অনুযায়ী দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া সম্ভব।

জেলা প্রশাসন সূত্র জানিয়েছে, সাধারণ মানুষের জন্য ভূমিসেবা আরও সহজ, স্বচ্ছ ও জনবান্ধব করতে ভূমি অফিসগুলোর কার্যক্রম নিয়মিত তদারকি করা হচ্ছে। আনুষ্ঠানিক পরিদর্শনের পাশাপাশি মাঠপর্যায়ে সেবার প্রকৃত চিত্র জানতে আকস্মিক ও সরেজমিন পর্যবেক্ষণেও গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।

কালের আলো/ডিএইচ/এমএসআইপি 

রাড্ডা স্বাস্থ্যকেন্দ্র পরিদর্শনে জামায়াত আমির, ৫০ লাখ টাকা অনুদান ঘোষণা

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: সোমবার, ২৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৬:৩৪ অপরাহ্ণ
রাড্ডা স্বাস্থ্যকেন্দ্র পরিদর্শনে জামায়াত আমির, ৫০ লাখ টাকা অনুদান ঘোষণা

রাজধানীর মিরপুরে হামলা ও ভাঙচুরে ক্ষতিগ্রস্ত রাড্ডা এমসিএইচ-এফপি সেন্টার পুনরায় চালু করতে ৫০ লাখ টাকা অনুদান দেওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন জামায়াতে ইসলামীর আমির ও বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান।

সোমবার (২৮ সেপ্টেম্বর) বিকেলে ক্ষতিগ্রস্ত স্বাস্থ্যকেন্দ্রটি পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ ঘোষণা দেন।

ডা. শফিকুর রহমান বলেন, অনুদানের অর্থ দিয়ে ক্ষতিগ্রস্ত স্থাপনা কিছুটা সচল করার পাশাপাশি প্রয়োজনীয় কিছু যন্ত্রপাতি কেনা হবে। এর মাধ্যমে মা ও শিশুদের স্বাস্থ্যসেবা পুনরায় চালু করা সম্ভব হবে। এ বিষয়ে ট্রাস্টি বোর্ডের সঙ্গে আলোচনা করে পরবর্তী পদক্ষেপ নেওয়া হবে বলেও জানান তিনি।

জামায়াত আমির দাবি করেন, হামলার সময় পুলিশের উপস্থিতি ছিল এবং কয়েক ঘণ্টা ধরে ২০০ থেকে ২৫০ জন ব্যক্তি সেখানে ভাঙচুর চালিয়েছে। তার অভিযোগ, রাজনৈতিক প্রভাবশালী ব্যক্তি ও গডফাদারদের আশ্রয়-প্রশ্রয় ছাড়া এ ধরনের ঘটনা ঘটানো সম্ভব নয়।

তিনি বলেন, প্রায় ৫০ বছর ধরে প্রতিষ্ঠানটি এলাকার দরিদ্র মানুষ, শিশু ও সন্তানসম্ভবা নারীদের স্বাস্থ্যসেবা এবং টিকাদান কর্মসূচি দিয়ে আসছিল। ভাঙচুরের কারণে এখন সেটি সেবা দেওয়ার উপযোগী নেই।

আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়েও উদ্বেগ প্রকাশ করেন ডা. শফিকুর রহমান। তিনি বলেন, অপরাধের সঙ্গে যে দলের লোকজনই জড়িত থাকুক, তাদের আইনের আওতায় এনে শাস্তি নিশ্চিত করতে হবে।

ঘটনাটির সঙ্গে বিরোধী দলের কোনো সদস্য জড়িত থাকলে তাকেও আইনের আওতায় আনার আহ্বান জানান তিনি। এমনকি তিনি নিজে জড়িত থাকলেও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে ব্যবস্থা নেওয়ার কথা বলেন।

তিনি আরও বলেন, রাড্ডা এমসিএইচ-এফপি সেন্টারের মতো জনসেবামূলক প্রতিষ্ঠানে হামলার ঘটনায় দ্রুত তদন্ত করে দায়ীদের শনাক্ত ও শাস্তির ব্যবস্থা করা প্রয়োজন।

কালের আলো/ডিএইচ/এমএসআইপি