খুঁজুন
                               
, ,
           

বিশ্ববাজারে তেলের দাম কমলে সমন্বয় করবে সরকার

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৬ অক্টোবর, ২০২৬, ১:৫৫ অপরাহ্ণ
বিশ্ববাজারে তেলের দাম কমলে সমন্বয় করবে সরকার

বিশ্ববাজারে জ্বালানি তেলের দাম কমে তা দীর্ঘমেয়াদে স্থিতিশীল থাকলে দেশের বাজারেও দাম কমানোর বিষয়ে সরকার প্রয়োজনীয় সমন্বয় করবে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও সম্প্রচারবিষয়ক উপদেষ্টা ডা. জাহেদ উর রহমান।

মঙ্গলবার (৬ অক্টোবর) তথ্য অধিদপ্তরের সম্মেলন কক্ষে সরকারের বিভিন্ন কার্যক্রমের অগ্রগতি নিয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।

জাহেদ উর রহমান বলেন, বিশ্ববাজারে তেলের দাম আগের তুলনায় কিছুটা কমেছে। তবে বর্তমানে যে দাম রয়েছে, তা দীর্ঘমেয়াদে স্থিতিশীল থাকবে কি না, তা এখনই নিশ্চিত করে বলা কঠিন।

তিনি বলেন, দেশে জ্বালানি তেলের দাম বাড়ানোর সময়ও বিশ্ববাজারে দাম সাময়িকভাবে কমেছিল। কিন্তু কয়েক দিনের মধ্যেই আবার তা বেড়ে ১০৬ থেকে ১০৭ ডলারে উঠেছিল। বর্তমানে আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের দাম আবার ১০০ ডলারের নিচে নেমেছে।

বিশ্ববাজারে তেলের দাম কমার পেছনে বিভিন্ন কারণ রয়েছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, ইউরোপের কয়েকটি দেশ কৌশলগত মজুত থেকে তেল বাজারে ছাড়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এর প্রভাবেও দাম কমেছে। তবে মধ্যপ্রাচ্যের পরিস্থিতি এখনও পুরোপুরি স্থিতিশীল হয়নি।

তিনি বলেন, তেলের দাম ৮৯ ডলারে নেমেছে বলেই এটি স্থায়ীভাবে থাকবে—এমনটা এখনই ধরে নেওয়া যায় না। তবে বিশ্ববাজারে তেলের দাম কম পর্যায়ে স্থিতিশীল হলে দেশের বাজারেও সরকার অবশ্যই দাম সমন্বয় করবে।

জ্বালানি তেলের মূল্যবৃদ্ধির প্রভাব অর্থনীতি ও সাধারণ মানুষের ওপর পড়ে উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা বলেন, জ্বালানির দাম বাড়লে মূল্যস্ফীতি বাড়ে এবং বিনিয়োগ কমে যায়। বিনিয়োগ কমলে কর্মসংস্থানও কমে আসে। এতে মানুষের চাকরি হারানোর ঝুঁকি বাড়ে এবং নতুন কর্মসংস্থান সৃষ্টির সুযোগও কমে যায়।

জাহেদ উর রহমান বলেন, এ পরিস্থিতি সরকারের জন্য ভালো কিছু নয়। সরকার বিষয়টি নিয়ে সংবেদনশীল। বিশ্ববাজারে তেলের দামের বর্তমান পরিস্থিতি বিবেচনা করে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হবে।

তিনি আবারও বলেন, আন্তর্জাতিক বাজারে জ্বালানি তেলের দাম কম পর্যায়ে স্থিতিশীল হলে দেশের বাজারেও দাম কমানোর বিষয়ে সরকার প্রয়োজনীয় সমন্বয় করবে।

কালের আলো/ডিএইচ/এমএসআইপি 

হামের উপসর্গে আরও ৬ শিশুর মৃত্যু, আক্রান্ত ১ হাজার ৩৯০

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: বুধবার, ৭ অক্টোবর, ২০২৬, ৪:৪১ অপরাহ্ণ
হামের উপসর্গে আরও ৬ শিশুর মৃত্যু, আক্রান্ত ১ হাজার ৩৯০

দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় হামের উপসর্গে আরও ছয় শিশুর মৃত্যু হয়েছে। একই সময়ে হামের উপসর্গ নিয়ে আক্রান্ত হয়েছে ১ হাজার ৩৯০ শিশু। এ ছাড়া ১০২ শিশুর শরীরে নিশ্চিতভাবে হাম শনাক্ত হয়েছে।

বুধবার (৭ অক্টোবর) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হামবিষয়ক নিয়মিত প্রতিবেদনে এসব তথ্য জানানো হয়েছে।

প্রতিবেদনে বলা হয়, গত ২৪ ঘণ্টায় ঢাকা বিভাগে হামের উপসর্গ নিয়ে দুজন এবং নিশ্চিত হামে দুজনের মৃত্যু হয়েছে। এ ছাড়া চট্টগ্রামে একজন ও সিলেটে একজন মারা গেছে।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, গত ১৫ মার্চ থেকে দেশে হাম ও হামের উপসর্গে মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১ হাজার ১৪০ জনে। এর মধ্যে নিশ্চিত হামে ১০৪ জন এবং হামের উপসর্গ নিয়ে ১ হাজার ৩৬ জনের মৃত্যু হয়েছে।

প্রতিবেদনে আরও জানানো হয়, গত ২৪ ঘণ্টায় ১ হাজার ২৮০ জনের শরীরে হামের উপসর্গ পাওয়া গেছে। এ নিয়ে দেশে সন্দেহভাজন সংক্রমণের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ২ লাখ ২ হাজার ২৯৩ জনে।

এ ছাড়া গত ২৪ ঘণ্টায় নিশ্চিত হামে আক্রান্ত হয়েছেন ১১০ জন। এ নিয়ে এখন পর্যন্ত দেশে নিশ্চিত হামে আক্রান্তের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ২২ হাজার ২০ জনে।

সরকারি হিসাব অনুযায়ী, গত ১৫ মার্চ থেকে এখন পর্যন্ত হামের উপসর্গ ও নিশ্চিত হাম মিলিয়ে মোট আক্রান্তের সংখ্যা ২ লাখ ২২ হাজার ৩১৩ জন।

কালের আলো/এএইচ/এমএসআইপি 

শাপলা চত্বর মামলা: ট্রাইব্যুনালে হাজির লতিফ সিদ্দিকী-দীপু মনিসহ ১১ জন

আদালত প্রতিবেদক
প্রকাশিত: বুধবার, ৭ অক্টোবর, ২০২৬, ৪:৩২ অপরাহ্ণ
শাপলা চত্বর মামলা: ট্রাইব্যুনালে হাজির লতিফ সিদ্দিকী-দীপু মনিসহ ১১ জন

রাজধানীর মতিঝিলের শাপলা চত্বরে ২০১৩ সালের ৫ মে হেফাজতে ইসলামের সমাবেশকে কেন্দ্র করে করা মামলায় সাবেক মন্ত্রী আবদুল লতিফ সিদ্দিকী, দীপু মনিসহ ১১ আসামিকে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে হাজির করা হয়েছে।

বুধবার (৭ অক্টোবর) আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২-এ শেখ হাসিনাসহ ৪১ আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠনের শুনানি হওয়ার কথা রয়েছে।

ট্রাইব্যুনালে হাজির করা ১১ আসামির মধ্যে রয়েছেন তৎকালীন তথ্যমন্ত্রী হাসানুল হক ইনু, স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামসুল হক টুকু, তৎকালীন খাদ্যমন্ত্রী ড. আব্দুর রাজ্জাক, তৎকালীন শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি, সাবেক মন্ত্রী আবদুল লতিফ সিদ্দিকী, সাবেক আইজিপি এ কে এম শহীদুল হক, বরখাস্ত মেজর জেনারেল জিয়াউল আহসান, সাবেক ডিআইজি আব্দুল জলিল মণ্ডল, ঘাতক দালাল নির্মূল কমিটির সভাপতি শাহরিয়ার কবির, ৭১ টিভির ব্যবস্থাপনা পরিচালক মোজাম্মেল হক বাবু ও ফারজানা রুপা।

মামলায় মোট ৪১ আসামির মধ্যে শেখ হাসিনাসহ ৩০ জন পলাতক রয়েছেন। পলাতক আসামিদের মধ্যে আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য শেখ ফজলুল করিম সেলিম, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহবুব-উল আলম হানিফ, বাহাউদ্দিন নাছিম ও জাহাঙ্গীর কবির নানক, সাবেক মন্ত্রী হাছান মাহমুদ, মৃণাল কান্তি দাস ও মোফাজ্জল হোসেন চৌধুরী মায়াসহ সাবেক সরকারি কর্মকর্তা ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কয়েকজন কর্মকর্তা রয়েছেন।

এ ছাড়া পলাতক আসামিদের তালিকায় সাবেক আইজিপি ড. মোহাম্মদ জাবেদ পাটোয়ারী ও বেনজীর আহমেদ, সাবেক সেনাপ্রধান আজিজ আহমেদ, তৎকালীন র‍্যাব মহাপরিচালক মো. মোখলেছুর রহমান, সাবেক ডিআইজি হারুন-অর-রশীদ, ডিআইজি বিপ্লব কুমার সরকার ও সৈয়দ নুরুল ইসলামসহ আরও অনেকে রয়েছেন।

বুধবারের শুনানিতে ট্রাইব্যুনাল অভিযোগপত্রের ভিত্তিতে আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠনের বিষয়ে শুনানি করবেন।

কালের আলো/এএইচ/এমএসআইপি 

বিপ্লব ও সংহতি দিবসে ছুটি ঘোষণা করে প্রজ্ঞাপন

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: বুধবার, ৭ অক্টোবর, ২০২৬, ৪:০৯ অপরাহ্ণ
বিপ্লব ও সংহতি দিবসে ছুটি ঘোষণা করে প্রজ্ঞাপন

জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে প্রতি বছর ৭ নভেম্বর সাধারণ ছুটি ঘোষণা করেছে সরকার। এ বিষয়ে প্রজ্ঞাপন জারি করেছে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়।

বুধবার (৭ অক্টোবর) জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের বিধি-৬ শাখা থেকে এ সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়।

প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, গত ৫ অক্টোবর অনুষ্ঠিত মন্ত্রিসভার বৈঠকের সিদ্ধান্তের পরিপ্রেক্ষিতে প্রতি বছর ৭ নভেম্বর ‘জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস’ উপলক্ষে সাধারণ ছুটি ঘোষণা করা হলো।

অ্যালোকেশন অব বিজনেস অ্যামাং দ্য ডিফারেন্ট মিনিস্ট্রিজ অ্যান্ড ডিভিশনস (শিডিউল ওয়ান অব দ্য রুলস অব বিজনেস, ১৯৯৬)-এর জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের অংশের ৩৭ নম্বর ক্রমিকের ক্ষমতাবলে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

এর মাধ্যমে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস ৭ নভেম্বরকে প্রতি বছর সাধারণ ছুটির দিন হিসেবে ঘোষণা করা হলো।

কালের আলো/ডিএইচ/এমএসআইপি