খুঁজুন
                               
, ,
           

ওষুধ খেলেই ঘুম, ওজন বৃদ্ধি? মানসিক চিকিৎসা নিয়ে যত ভুল ধারণা

লাইফস্টাইল ডেস্ক
প্রকাশিত: রবিবার, ১১ অক্টোবর, ২০২৬, ৪:২৩ অপরাহ্ণ
ওষুধ খেলেই ঘুম, ওজন বৃদ্ধি? মানসিক চিকিৎসা নিয়ে যত ভুল ধারণা

মানসিক রোগের চিকিৎসা নিয়ে সমাজে এখনো নানা ভুল ধারণা প্রচলিত রয়েছে। অনেকের ধারণা, মানসিক রোগের ওষুধ একবার শুরু করলে আর বন্ধ করা যায় না। কেউ মনে করেন, এসব ওষুধ খেলে সারা দিন ঘুম পায়, শরীর দুর্বল হয়ে পড়ে কিংবা ওজন বেড়ে যায়। আবার অনেকে বিশ্বাস করেন, মানসিক রোগ কখনো পুরোপুরি ভালো হয় না। এসব ধারণার কারণে অনেকেই প্রয়োজনীয় চিকিৎসা নিতে দ্বিধা করেন, কেউ কেউ আবার চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়াই ওষুধ বন্ধ করে দেন।

১. ওষুধ শুরু করলে আর বন্ধ করা যায় না

মানসিক রোগের ওষুধ কত দিন খেতে হবে, তা নির্ভর করে রোগের ধরন, তীব্রতা এবং পুনরায় অসুস্থ হওয়ার ঝুঁকির ওপর। সব রোগীকেই সারা জীবন ওষুধ খেতে হয়—এ ধারণা সঠিক নয়।

বিশেষজ্ঞের মতে, রোগী সুস্থ ও স্থিতিশীল হওয়ার পর চিকিৎসকের পরামর্শে ধীরে ধীরে ওষুধ বন্ধ করা যেতে পারে। গুরুতর বিষণ্নতার ক্ষেত্রে ছয় মাস থেকে দুই বছর পর্যন্ত ওষুধ চালিয়ে যাওয়ার প্রয়োজন হতে পারে। অবসেসিভ-কমপালসিভ ডিসঅর্ডার বা ওসিডির লক্ষণ নিয়ন্ত্রণে আসার পরও নির্দিষ্ট সময় ওষুধ চালিয়ে যেতে হয়। অন্যদিকে, দীর্ঘস্থায়ী সিজোফ্রেনিয়ার ক্ষেত্রে অনেক রোগীর দীর্ঘমেয়াদি, এমনকি জীবনব্যাপী চিকিৎসার প্রয়োজন হতে পারে।

তাই রোগের লক্ষণ কমে গেলেও নিজের সিদ্ধান্তে ওষুধ বন্ধ করা উচিত নয়। কখন ও কীভাবে ওষুধ বন্ধ করতে হবে, তা চিকিৎসকই নির্ধারণ করবেন।

২. ওষুধ খেলে সারা দিন ঘুম পায়, শরীর দুর্বল হয়ে পড়ে

মানসিক রোগের কিছু ওষুধের পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া হিসেবে ঘুম ঘুম ভাব বা ঝিমুনি দেখা দিতে পারে। তবে সব ওষুধে এমন সমস্যা হয় না, আবার সবার ক্ষেত্রেও একই ধরনের পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া দেখা যায় না। ওষুধ খাওয়ার পর অতিরিক্ত ঘুম, দুর্বলতা কিংবা অন্য কোনো অস্বস্তি হলে চিকিৎসককে জানানো প্রয়োজন। প্রয়োজন অনুযায়ী ওষুধের মাত্রা, খাওয়ার সময় কিংবা ওষুধের ধরন পরিবর্তন করা যেতে পারে। পার্শ্বপ্রতিক্রিয়ার আশঙ্কায় চিকিৎসা বন্ধ করে দেওয়া ঠিক নয়। বরং চিকিৎসকের সঙ্গে আলোচনা করে নিরাপদ সমাধান খুঁজে নেওয়াই ভালো।

৩. মানসিক রোগের ওষুধ খেলে ওজন বাড়ে, অলসতা আসে

মানসিক রোগের কিছু ওষুধ ক্ষুধা বাড়াতে পারে। বিশেষ করে নির্দিষ্ট কিছু অ্যান্টিসাইকোটিক ওষুধের কারণে কারও কারও ওজন বৃদ্ধি পেতে পারে। তবে সব মানসিক রোগের ওষুধে ওজন বাড়ে না। ওজন বাড়ার আশঙ্কা থাকলে চিকিৎসার শুরু থেকেই খাদ্যাভ্যাস, শারীরিক পরিশ্রম ও ওজনের দিকে নজর রাখা যেতে পারে। প্রয়োজন হলে চিকিৎসকের সঙ্গে আলোচনা করে বিকল্প ওষুধ বা চিকিৎসাপদ্ধতি বিবেচনা করা সম্ভব। ওজন বৃদ্ধির ভয় থেকে নিজে নিজে ওষুধ বন্ধ করলে রোগের লক্ষণ ফিরে আসতে পারে। তাই পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া নিয়ন্ত্রণের পাশাপাশি মানসিক স্বাস্থ্যের চিকিৎসাও নিয়মিত চালিয়ে যাওয়া জরুরি।

৪. কাউন্সেলিং বা থেরাপিই যথেষ্ট, ওষুধের প্রয়োজন নেই

মানসিক রোগের চিকিৎসা সবার জন্য এক রকম নয়। রোগের ধরন, তীব্রতা, ব্যক্তির পরিস্থিতি এবং চিকিৎসায় সাড়া দেওয়ার ওপর নির্ভর করে ওষুধ, কাউন্সেলিং কিংবা সাইকোথেরাপি এককভাবে অথবা সমন্বিতভাবে ব্যবহার করা হয়। সিজোফ্রেনিয়া, বাইপোলার ডিজঅর্ডার, গুরুতর বিষণ্নতা এবং কিছু ক্ষেত্রে ওসিডি, এডিএইচডি ও উদ্বেগজনিত সমস্যার চিকিৎসায় ওষুধ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে। আবার সম্পর্কের জটিলতা, আচরণগত সমস্যা, নির্দিষ্ট কিছু ভয় বা মৃদু বিষণ্নতার ক্ষেত্রে কাউন্সেলিং ও সাইকোথেরাপি বিশেষভাবে সহায়ক হতে পারে। অনেক ক্ষেত্রে ওষুধ ও সাইকোথেরাপি একসঙ্গে ব্যবহার করলে ভালো ফল পাওয়া যায়। কোন পদ্ধতি উপযুক্ত, তা নির্ধারণের জন্য প্রয়োজন সঠিক রোগনির্ণয় ও বিশেষজ্ঞের পরামর্শ।

৫. মানসিক রোগ কখনো ভালো হয় না

মানসিক রোগ নিয়ে এটি অন্যতম ক্ষতিকর ভুল ধারণা। বাস্তবে অনেক মানসিক রোগের কার্যকর চিকিৎসা রয়েছে। সঠিক রোগনির্ণয়, উপযুক্ত চিকিৎসা, নিয়মিত ফলোআপ এবং প্রয়োজন অনুযায়ী জীবনযাত্রায় পরিবর্তনের মাধ্যমে বহু রোগী সুস্থ হয়ে স্বাভাবিক জীবনযাপন করতে পারেন। চিকিৎসার পাশাপাশি পর্যাপ্ত ঘুম, স্বাস্থ্যকর জীবনযাপন, নেশাজাতীয় দ্রব্য থেকে দূরে থাকা এবং পরিবারের সহায়তা সুস্থতার পথে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে। তবে রোগের ধরন ও তীব্রতা অনুযায়ী চিকিৎসার সময়কাল এবং ফলাফল ভিন্ন হতে পারে। মানসিক অসুস্থতা লুকিয়ে রাখা কিংবা চিকিৎসা এড়িয়ে চলার পরিবর্তে সময়মতো বিশেষজ্ঞের সাহায্য নেওয়া জরুরি। একই সঙ্গে রোগীকে দোষারোপ না করে তাঁর প্রতি সহানুভূতিশীল আচরণ করা প্রয়োজন।

চিকিৎসকের পরামর্শই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ

মানসিক রোগের ওষুধ সম্পর্কে ভুল ধারণা দূর করা এবং প্রয়োজনীয় চিকিৎসা গ্রহণে মানুষকে উৎসাহিত করা জরুরি। ওষুধের পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া দেখা দিলে চিকিৎসকের সঙ্গে কথা বলতে হবে। নিজের সিদ্ধান্তে ওষুধ বন্ধ করা, মাত্রা কমানো কিংবা অন্যের পরামর্শে ওষুধ পরিবর্তন করা ঝুঁকিপূর্ণ হতে পারে।

সঠিক রোগনির্ণয়, উপযুক্ত চিকিৎসা ও নিয়মিত ফলোআপের মাধ্যমে মানসিক রোগ মোকাবিলা করা সম্ভব। মানসিক স্বাস্থ্যও শারীরিক স্বাস্থ্যের মতোই গুরুত্বপূর্ণ—তাই এ বিষয়ে সচেতনতা বাড়ানো প্রয়োজন।

লেখকঃ ডা. হেলাল উদ্দিন

কালের আলো/এসএ

কলকাতা থেকে আসা যাত্রীর ব্যাগে মিলল পৌনে তিন কোটি টাকার অলংকার

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: রবিবার, ১১ অক্টোবর, ২০২৬, ৬:১৭ অপরাহ্ণ
কলকাতা থেকে আসা যাত্রীর ব্যাগে মিলল পৌনে তিন কোটি টাকার অলংকার

রাজধানীর হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে প্রায় ২ কোটি ৭০ লাখ টাকা মূল্যের ডায়মন্ড, প্লাটিনাম ও স্বর্ণালংকারসহ বিভিন্ন মূল্যবান পণ্য জব্দ করেছে ঢাকা কাস্টমস হাউসের প্রিভেন্টিভ টিম। এ ঘটনায় এক যাত্রীর বিরুদ্ধে ফৌজদারি মামলা করা হয়েছে।

রোববার (১১ অক্টোবর) জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

এনবিআরের জনসংযোগ কর্মকর্তা মো. আল আমিন শেখ জানান, শনিবার (১০ অক্টোবর) রাত সাড়ে ৮টার দিকে কলকাতা থেকে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের বিজি-৩৯৬ ফ্লাইটটি শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করে। স্বর্ণ চোরাচালানের গোপন তথ্যের ভিত্তিতে ঢাকা কাস্টমস হাউসের প্রিভেন্টিভ টিম ও বিমানবন্দরে দায়িত্ব পালনরত কর্মকর্তারা নজরদারি শুরু করেন।

এ সময় মো. জনি রহমান নামের এক যাত্রী ইমিগ্রেশন সম্পন্ন করে ব্যাগেজ ঘোষণা ছাড়াই গ্রিন চ্যানেল অতিক্রমের চেষ্টা করেন। তার ব্যাগ স্ক্যান করার সময় আচারের বয়ামের ভেতরে ধাতব পদার্থের উপস্থিতি শনাক্ত হয়। পরে ব্যাগ তল্লাশি করে বিপুল পরিমাণ ডায়মন্ডখচিত স্বর্ণালংকার, প্লাটিনামের আংটি ও বিভিন্ন মূল্যবান পাথর পাওয়া যায়।

জব্দ করা পণ্যের মধ্যে রয়েছে ডায়মন্ডখচিত ১৮ ক্যারেটের সোনার ৩৮৯টি আংটি, যার ওজন ৪৭৮ গ্রাম। এ ছাড়া ডায়মন্ডখচিত প্লাটিনামের ১৫১টি আংটি, সাদা সোনার তিনটি আংটি, রুপার দুটি আংটি, পাঁচটি সোনার লকেট, একটি সোনার চেইন এবং ৪৭২টি সোনার নাকফুল জব্দ করা হয়েছে।

এ ছাড়া ছোট-বড় মিলিয়ে ৪৫ ক্যারেটের ডায়মন্ড পাথর, পোখরাজ, রুবি ও অন্যান্য মূল্যবান পাথরসহ মোট ৭২০টি পাথর এবং ২৩টি জুয়েলারি সার্টিফিকেট কার্ড পাওয়া যায়।

কাস্টমস কর্তৃপক্ষের তথ্যমতে, জব্দ করা পণ্যের আনুমানিক বাজারমূল্য ২ কোটি ৭০ লাখ টাকা। ব্যাগেজ ঘোষণা না দিয়ে এসব পণ্য আনার কারণে সেগুলো জব্দ করা হয়েছে।

এ ঘটনায় সংশ্লিষ্ট থানায় ওই যাত্রীর বিরুদ্ধে ঢাকা কাস্টমস হাউসের প্রিভেন্টিভ টিম ফৌজদারি মামলা করেছে।

কালের আলো/ডিএইচ/এমএসআইপি 

নিউইয়র্কে শাকিবের সঙ্গে দীঘির ছবি ভাইরাল

বিনোদন ডেস্ক
প্রকাশিত: রবিবার, ১১ অক্টোবর, ২০২৬, ৬:০১ অপরাহ্ণ
নিউইয়র্কে শাকিবের সঙ্গে দীঘির ছবি ভাইরাল
ঢাকাই সিনেমার জনপ্রিয় অভিনেতা শাকিব খান ও অভিনেত্রী প্রার্থনা ফারদিন দীঘির একটি ছবি ঘিরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তৈরি হয়েছে আলোচনা। যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্কে একটি অনুষ্ঠানে দীর্ঘদিনের সহশিল্পী শাকিবের সঙ্গে দেখা হয়েছে দীঘির। সেই মুহূর্তের ছবি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রকাশ করার পর স্মৃতিচারণে মেতেছেন ভক্তরা।

শাকিব খান ও দীঘিকে একসঙ্গে দেখে অনেকের মনে পড়েছে ২০০৬ সালের জনপ্রিয় চলচ্চিত্র ‘চাচ্চু’র কথা। সেই সিনেমায় শিশুশিল্পী হিসেবে অভিনয় করে দর্শকের ভালোবাসা পেয়েছিলেন দীঘি। সময়ের ব্যবধানে ছোট্ট জুঁই এখন বড় হয়েছেন, নিজেও প্রতিষ্ঠিত হয়েছেন অভিনয়শিল্পী হিসেবে।

নিউইয়র্কে একই অনুষ্ঠানে শাকিব-দীঘি

শনিবার (১০ অক্টোবর) যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্কে অনুষ্ঠিত হয় ঢালিউড অ্যাওয়ার্ডস। অনুষ্ঠানে অংশ নিতে সেখানে গিয়েছিলেন শাকিব খান ও দীঘি। সেখানেই তাদের দেখা হয় এবং একসঙ্গে ছবি তোলেন তারা।

দীঘির প্রকাশ করা ছবিতে শাকিব খানকে কালো শার্ট, ব্লেজার ও সানগ্লাসে দেখা গেছে। অন্যদিকে দীঘির পরনে ছিল নীল ও সোনালি নকশার পোশাক। ছবির ক্যাপশনে শাকিবকে ‘মেগাস্টার’ বলে উল্লেখ করেছেন দীঘি।

ছবিটি প্রকাশের পরপরই ভক্তদের মধ্যে প্রতিক্রিয়া দেখা যায়। কেউ পুরোনো দিনের সিনেমার স্মৃতি সামনে এনেছেন, কেউ আবার শাকিব ও দীঘিকে নতুন কোনো চলচ্চিত্রে একসঙ্গে দেখার আগ্রহ প্রকাশ করেছেন।

‘চাচ্চু’ সিনেমায় ছোট্ট জুঁইয়ের চরিত্রে দীঘি

পরিচালক এফ আই মানিকের ‘চাচ্চু’ মুক্তি পেয়েছিল ২০০৬ সালে। ব্যবসাসফল এই চলচ্চিত্রে শাকিব খানের ভাইয়ের মেয়ে জুঁই চরিত্রে অভিনয় করেছিলেন দীঘি। শিশুশিল্পী হিসেবে তার অভিনয় দর্শকের নজর কাড়ে এবং তাকে ব্যাপক পরিচিতি এনে দেয়।

সিনেমাটিতে শাকিব খানের পাশাপাশি অভিনয় করেছিলেন অপু বিশ্বাস ও ডিপজলসহ অন্য শিল্পীরা। চলচ্চিত্রটি সংশ্লিষ্ট শিল্পীদের ক্যারিয়ারের স্মরণীয় কাজগুলোর একটি হিসেবেও পরিচিত।

শিশুশিল্পী হিসেবে দীঘির জনপ্রিয়তার পেছনে ‘চাচ্চু’র ভূমিকা ছিল উল্লেখযোগ্য। পরবর্তী সময়ে শাকিব খানের সঙ্গে ‘দাদীমা’, ‘চাচ্চু আমার চাচ্চু’, ‘১ টাকার বউ’ ও ‘তোর কারণে বেঁচে আছি’র মতো চলচ্চিত্রেও তাকে দেখা গেছে।

ভক্তদের স্মৃতিতে পুরোনো জুটি

শাকিব ও দীঘির সাম্প্রতিক ছবিটি ঘিরে ভক্তদের প্রতিক্রিয়ায় উঠে এসেছে শৈশবের সিনেমার স্মৃতি। কেউ মজা করে দীঘির সঙ্গে শাকিবের সম্পর্ককে ‘চাচা-ভাতিজি’র পর্দার পরিচয়ের সঙ্গে মিলিয়েছেন। আবার কেউ তাদের নতুন করে পর্দায় একসঙ্গে দেখার প্রত্যাশা জানিয়েছেন।

একসময় শিশুশিল্পী দীঘিকে শাকিব খানের সঙ্গে পর্দায় দেখে অভ্যস্ত ছিলেন দর্শক। এখন দুজনই নিজ নিজ অবস্থানে পরিচিত মুখ। তাই নিউইয়র্কের অনুষ্ঠানে তাদের একসঙ্গে দেখা শুধু একটি ছবি প্রকাশের ঘটনা নয়, বরং পুরোনো ঢালিউডের স্মৃতি ফিরিয়ে আনার উপলক্ষও হয়ে উঠেছে।

কালের আলো/এসএ

দেশে ডেঙ্গুতে মৃতের সংখ্যা ৩০০ ছাড়াল, হাসপাতালে ভর্তি ২১৯৩

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: রবিবার, ১১ অক্টোবর, ২০২৬, ৫:৪৫ অপরাহ্ণ
দেশে ডেঙ্গুতে মৃতের সংখ্যা ৩০০ ছাড়াল, হাসপাতালে ভর্তি ২১৯৩

দেশে ডেঙ্গুতে মৃত্যুর সংখ্যা ৩০০ ছাড়িয়েছে। গত ২৪ ঘণ্টায় এডিস মশাবাহিত রোগটিতে আক্রান্ত হয়ে আরও চারজনের মৃত্যু হয়েছে। এ নিয়ে চলতি বছরের ১১ অক্টোবর পর্যন্ত ডেঙ্গুতে মোট ৩০৩ জনের মৃত্যু হয়েছে।

রোববার (১১ অক্টোবর) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হেলথ ইমার্জেন্সি অপারেশন সেন্টার ও কন্ট্রোলরুমের প্রকাশিত ডেঙ্গুবিষয়ক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, গত ২৪ ঘণ্টায় সারা দেশে ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন ২ হাজার ১৯৩ জন। তাঁদের মধ্যে বরিশাল বিভাগে ২৩৬ জন, চট্টগ্রাম বিভাগে ২৯৩ জন, ঢাকা বিভাগের সিটি করপোরেশনের বাইরের এলাকায় ৫৩০ জন, ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনে ২৫০ জন এবং ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনে ২৫০ জন রয়েছেন।

এ ছাড়া খুলনা বিভাগে ৩০৪ জন, ময়মনসিংহ বিভাগে ৭০ জন, রাজশাহী বিভাগে ১৬০ জন, রংপুর বিভাগে ৮৪ জন এবং সিলেট বিভাগে ১৬ জন ডেঙ্গু আক্রান্ত রোগী হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য বলছে, চলতি বছরের ১১ অক্টোবর পর্যন্ত দেশে ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন মোট ৯৯ হাজার ২৭৫ জন। তাঁদের মধ্যে চিকিৎসা শেষে সুস্থ হয়ে হাসপাতাল থেকে ছাড়পত্র পেয়েছেন ৯২ হাজার ৮০৩ জন।

গত ২৪ ঘণ্টায় সুস্থ হয়ে হাসপাতাল ছেড়েছেন আরও ১ হাজার ৭৯৬ জন।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের পরিসংখ্যান অনুযায়ী, গত বছর অর্থাৎ ২০২৫ সালে দেশে ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছিলেন ১ লাখ ২ হাজার ৮৬১ জন। ওই বছর এ রোগে মৃত্যু হয়েছিল ৪১৩ জনের।

এর আগের বছর, ২০২৪ সালে ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছিলেন ১ লাখ ১ হাজার ২১৪ জন। সে বছর মারা যান ৫৭৫ জন।

আর ২০২৩ সালে ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছিলেন ৩ লাখ ২১ হাজার ১৭৯ জন। ওই বছর রোগটিতে মৃত্যু হয়েছিল ১ হাজার ৭০৫ জনের।

চলতি বছরেও ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি ও মৃত্যুর ঘটনা অব্যাহত রয়েছে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সর্বশেষ হিসাব অনুযায়ী, ১১ অক্টোবর পর্যন্ত এ রোগে মৃত্যুর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৩০৩ জনে।

কালের আলো/এএইচ/এমএসআইপি