খুঁজুন
                               
, ,
           

শিশুর মধ্যে ইতিবাচক মানসিকতা গড়বেন যেভাবে

লাইফস্টাইল ডেস্ক
প্রকাশিত: রবিবার, ১১ অক্টোবর, ২০২৬, ৫:১১ অপরাহ্ণ
শিশুর মধ্যে ইতিবাচক মানসিকতা গড়বেন যেভাবে

শিশুর বেড়ে ওঠার সঙ্গে সঙ্গে তার চিন্তাভাবনা, আচরণ ও শেখার ধরনেও পরিবর্তন আসে। তবে বয়স বাড়লেই একটি শিশু আত্মবিশ্বাসী, দক্ষ ও বিচক্ষণ হয়ে উঠবে, এমন নয়। তার মানসিক বিকাশে পরিবারের পরিবেশ, অভিভাবকের আচরণ এবং শেখার অভিজ্ঞতা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। ছোটবেলা থেকেই ইতিবাচক মানসিকতা গড়ে তুলতে পারলে শিশু নতুন কিছু শিখতে, চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করতে এবং ব্যর্থতা থেকে শিক্ষা নিতে উৎসাহিত হয়।

মনোবিজ্ঞানে এ ধরনের দৃষ্টিভঙ্গিকে বলা হয় ‘গ্রোথ মাইন্ডসেট’ বা বিকাশমুখী মানসিকতা। এই ধারণা অনুযায়ী, নিয়মিত অনুশীলন, প্রচেষ্টা ও অভিজ্ঞতার মাধ্যমে মানুষের দক্ষতা বাড়তে পারে। ফলে কোনো কাজে ব্যর্থ হলে শিশুর মনে এই ধারণা তৈরি করা জরুরি যে, এখনো কাজটি করতে না পারা মানেই ভবিষ্যতেও তা শেখা সম্ভব নয়—এমন নয়।

চ্যালেঞ্জ গ্রহণ করতে শেখান

শিশুরা কোনো কাজে ব্যর্থ হলে অনেক সময় হতাশ হয়ে পড়ে। কেউ কেউ মনে করে, সে হয়তো কাজটি পারবে না। এমন পরিস্থিতিতে বকাঝকা না করে তাকে বোঝাতে হবে, প্রথমবার সফল না হওয়া শেখার স্বাভাবিক অংশ।

ভারতের সংবাদমাধ্যম টাইমস অব ইন্ডিয়া–তে প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে ম্যাকুন্স প্লে স্কুলের সহপ্রতিষ্ঠাতা ও শিক্ষাবিদ বিজয় কুমার আগারওয়াল শিশুদের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা এবং ব্যর্থতা থেকে শিক্ষা নিতে শেখানোর ওপর গুরুত্ব দিয়েছেন।

শিশুর বয়স ও সামর্থ্য অনুযায়ী বাস্তবসম্মত লক্ষ্য নির্ধারণ করা যেতে পারে। পাশাপাশি অভিভাবকেরা নিজেরা ভুল করলে কীভাবে তা সংশোধন করেন, সেই উদাহরণও শিশুর সামনে তুলে ধরতে পারেন। এতে শিশু বুঝবে, ভুল হওয়া স্বাভাবিক এবং চেষ্টা চালিয়ে গেলে উন্নতি সম্ভব।

স্থির ও বিকাশমুখী মানসিকতার পার্থক্য বোঝান

স্থির মানসিকতার শিশু মনে করতে পারে, কোনো বিষয়ে তার দক্ষতা কম বলে সে কখনোই সেটিতে ভালো করতে পারবে না। অন্যদিকে বিকাশমুখী মানসিকতার শিশু বিশ্বাস করে, অনুশীলন ও চেষ্টা দিয়ে নিজের দক্ষতা বাড়ানো সম্ভব।

যেমন, গণিতের কোনো অঙ্ক না পারলে শিশুকে ‘তুমি অঙ্কে দুর্বল’ বলার পরিবর্তে বলা যেতে পারে, ‘তুমি এখনো অঙ্কটি বুঝতে পারোনি, চলো আরেকবার চেষ্টা করি।’ এ ধরনের কথায় শিশুর শেখার আগ্রহ বজায় রাখতে সাহায্য করতে পারে।

শুধু ফল নয়, প্রচেষ্টারও প্রশংসা করুন

শিশু ভালো ফল করলে তাকে উৎসাহ দেওয়া জরুরি। তবে শুধু নম্বর বা সাফল্যের প্রশংসা না করে তার চেষ্টা, ধৈর্য, মনোযোগ ও উন্নতির দিকগুলোকেও গুরুত্ব দিতে হবে।

অনেক চেষ্টা করেও পরীক্ষায় প্রত্যাশিত নম্বর না পেলে শিশুকে হতাশ না করে বোঝানো যেতে পারে, কোথায় আরও অনুশীলন প্রয়োজন এবং পরেরবার কীভাবে প্রস্তুতি নিলে ভালো করা সম্ভব।

প্রশংসা হতে হবে বাস্তবসম্মত ও নির্দিষ্ট। যেমন, ‘তুমি কঠিন অঙ্কটি সমাধানের জন্য বারবার চেষ্টা করেছ’—এভাবে বললে শিশু বুঝতে পারে, কোন প্রচেষ্টাগুলো তাকে উন্নতির দিকে নিয়ে যাচ্ছে।

ব্যর্থতাকে শেখার সুযোগ হিসেবে দেখান

শিশুর ভুল বা ব্যর্থতার সময় অভিভাবকের প্রতিক্রিয়া তার আত্মবিশ্বাসে প্রভাব ফেলতে পারে। ভুলের জন্য অপমান করা কিংবা অন্য শিশুর সঙ্গে তুলনা করার পরিবর্তে কোথায় সমস্যা হয়েছে, তা বুঝতে সাহায্য করা উচিত।

কোনো কাজে ব্যর্থ হলে শিশুর সঙ্গে আলোচনা করুন—কেন এমন হলো, কী শেখা গেল এবং পরেরবার কীভাবে ভিন্নভাবে চেষ্টা করা যায়। প্রয়োজনে কাজটিকে ছোট ছোট ধাপে ভাগ করে দিন, যাতে শেখার প্রক্রিয়াটি সহজ হয়।

এতে শিশু বুঝতে শিখবে, ব্যর্থতা তার যোগ্যতার চূড়ান্ত প্রমাণ নয়; বরং কৌশল পরিবর্তন ও দক্ষতা বাড়ানোর একটি সুযোগ।

নতুন কিছু শেখার আগ্রহ তৈরি করুন

বিকাশমুখী মানসিকতা গড়ে তুলতে শিশুকে নতুন অভিজ্ঞতার সঙ্গে পরিচিত করানো দরকার। ছবি আঁকা, গল্পের বই পড়া, খেলাধুলা, ধাঁধা সমাধান কিংবা নতুন কোনো দক্ষতা শেখার সুযোগ তৈরি করা যেতে পারে।

কোনো কাজ শুরুতে কঠিন মনে হলেও শিশুকে ধীরে ধীরে চেষ্টা করতে উৎসাহিত করুন। তবে তার আগ্রহ, বয়স ও সামর্থ্য বিবেচনায় নিতে হবে। অতিরিক্ত চাপ দিয়ে কোনো কিছু শেখানোর চেষ্টা করলে উল্টো অনীহা তৈরি হতে পারে।

নতুন কিছু শেখার সময় ভুল করা স্বাভাবিক—এই ধারণা শিশুর মধ্যে তৈরি হলে অপরিচিত কাজের ভয় কমতে পারে। একই সঙ্গে সে নিজের আগ্রহ ও সক্ষমতা আবিষ্কারের সুযোগ পায়।

অভিভাবকের আচরণই হতে পারে উদাহরণ

শিশুরা শুধু উপদেশ শুনে শেখে না, বড়দের আচরণ দেখেও অনেক কিছু আয়ত্ত করে। তাই অভিভাবকদের নিজেদের ভুল স্বীকার করা, নতুন কিছু শেখা এবং কঠিন পরিস্থিতিতে ধৈর্য ধরে চেষ্টা চালিয়ে যাওয়ার অভ্যাস গড়ে তোলা প্রয়োজন।

কোনো কাজ কঠিন মনে হলে সেটি এড়িয়ে না গিয়ে কীভাবে সমাধান করা যায়, তা শিশুর সামনে আলোচনা করুন। এতে সে বুঝবে, শেখার সুযোগ সব সময় থাকে এবং দক্ষতা বাড়ানোর জন্য চেষ্টা চালিয়ে যাওয়া গুরুত্বপূর্ণ।

পরিবর্তনে সময় দিন

শিশুর মানসিকতা এক দিনে বদলে যায় না। নিয়মিত উৎসাহ, ধৈর্য, বাস্তবসম্মত প্রত্যাশা এবং নিরাপদ পারিবারিক পরিবেশের মাধ্যমে ধীরে ধীরে তার মধ্যে বিকাশমুখী দৃষ্টিভঙ্গি গড়ে তোলা সম্ভব।

শিশুকে সব সময় সফল হওয়ার চাপ না দিয়ে চেষ্টা করার সুযোগ দিন। ভুল করলে তাকে ছোট না করে শেখার পথ দেখান। মনে রাখতে হবে, কোনো কিছু এখনো না পারা মানেই এই নয় যে, সে কখনোই তা শিখতে পারবে না। এই বিশ্বাস শিশুর আত্মবিশ্বাস, শেখার আগ্রহ এবং চ্যালেঞ্জ মোকাবিলার সক্ষমতা বিকাশে সহায়ক হতে পারে।

কালের আলো/এসএ

কলকাতা থেকে আসা যাত্রীর ব্যাগে মিলল পৌনে তিন কোটি টাকার অলংকার

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: রবিবার, ১১ অক্টোবর, ২০২৬, ৬:১৭ অপরাহ্ণ
কলকাতা থেকে আসা যাত্রীর ব্যাগে মিলল পৌনে তিন কোটি টাকার অলংকার

রাজধানীর হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে প্রায় ২ কোটি ৭০ লাখ টাকা মূল্যের ডায়মন্ড, প্লাটিনাম ও স্বর্ণালংকারসহ বিভিন্ন মূল্যবান পণ্য জব্দ করেছে ঢাকা কাস্টমস হাউসের প্রিভেন্টিভ টিম। এ ঘটনায় এক যাত্রীর বিরুদ্ধে ফৌজদারি মামলা করা হয়েছে।

রোববার (১১ অক্টোবর) জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

এনবিআরের জনসংযোগ কর্মকর্তা মো. আল আমিন শেখ জানান, শনিবার (১০ অক্টোবর) রাত সাড়ে ৮টার দিকে কলকাতা থেকে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের বিজি-৩৯৬ ফ্লাইটটি শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করে। স্বর্ণ চোরাচালানের গোপন তথ্যের ভিত্তিতে ঢাকা কাস্টমস হাউসের প্রিভেন্টিভ টিম ও বিমানবন্দরে দায়িত্ব পালনরত কর্মকর্তারা নজরদারি শুরু করেন।

এ সময় মো. জনি রহমান নামের এক যাত্রী ইমিগ্রেশন সম্পন্ন করে ব্যাগেজ ঘোষণা ছাড়াই গ্রিন চ্যানেল অতিক্রমের চেষ্টা করেন। তার ব্যাগ স্ক্যান করার সময় আচারের বয়ামের ভেতরে ধাতব পদার্থের উপস্থিতি শনাক্ত হয়। পরে ব্যাগ তল্লাশি করে বিপুল পরিমাণ ডায়মন্ডখচিত স্বর্ণালংকার, প্লাটিনামের আংটি ও বিভিন্ন মূল্যবান পাথর পাওয়া যায়।

জব্দ করা পণ্যের মধ্যে রয়েছে ডায়মন্ডখচিত ১৮ ক্যারেটের সোনার ৩৮৯টি আংটি, যার ওজন ৪৭৮ গ্রাম। এ ছাড়া ডায়মন্ডখচিত প্লাটিনামের ১৫১টি আংটি, সাদা সোনার তিনটি আংটি, রুপার দুটি আংটি, পাঁচটি সোনার লকেট, একটি সোনার চেইন এবং ৪৭২টি সোনার নাকফুল জব্দ করা হয়েছে।

এ ছাড়া ছোট-বড় মিলিয়ে ৪৫ ক্যারেটের ডায়মন্ড পাথর, পোখরাজ, রুবি ও অন্যান্য মূল্যবান পাথরসহ মোট ৭২০টি পাথর এবং ২৩টি জুয়েলারি সার্টিফিকেট কার্ড পাওয়া যায়।

কাস্টমস কর্তৃপক্ষের তথ্যমতে, জব্দ করা পণ্যের আনুমানিক বাজারমূল্য ২ কোটি ৭০ লাখ টাকা। ব্যাগেজ ঘোষণা না দিয়ে এসব পণ্য আনার কারণে সেগুলো জব্দ করা হয়েছে।

এ ঘটনায় সংশ্লিষ্ট থানায় ওই যাত্রীর বিরুদ্ধে ঢাকা কাস্টমস হাউসের প্রিভেন্টিভ টিম ফৌজদারি মামলা করেছে।

কালের আলো/ডিএইচ/এমএসআইপি 

নিউইয়র্কে শাকিবের সঙ্গে দীঘির ছবি ভাইরাল

বিনোদন ডেস্ক
প্রকাশিত: রবিবার, ১১ অক্টোবর, ২০২৬, ৬:০১ অপরাহ্ণ
নিউইয়র্কে শাকিবের সঙ্গে দীঘির ছবি ভাইরাল
ঢাকাই সিনেমার জনপ্রিয় অভিনেতা শাকিব খান ও অভিনেত্রী প্রার্থনা ফারদিন দীঘির একটি ছবি ঘিরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তৈরি হয়েছে আলোচনা। যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্কে একটি অনুষ্ঠানে দীর্ঘদিনের সহশিল্পী শাকিবের সঙ্গে দেখা হয়েছে দীঘির। সেই মুহূর্তের ছবি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রকাশ করার পর স্মৃতিচারণে মেতেছেন ভক্তরা।

শাকিব খান ও দীঘিকে একসঙ্গে দেখে অনেকের মনে পড়েছে ২০০৬ সালের জনপ্রিয় চলচ্চিত্র ‘চাচ্চু’র কথা। সেই সিনেমায় শিশুশিল্পী হিসেবে অভিনয় করে দর্শকের ভালোবাসা পেয়েছিলেন দীঘি। সময়ের ব্যবধানে ছোট্ট জুঁই এখন বড় হয়েছেন, নিজেও প্রতিষ্ঠিত হয়েছেন অভিনয়শিল্পী হিসেবে।

নিউইয়র্কে একই অনুষ্ঠানে শাকিব-দীঘি

শনিবার (১০ অক্টোবর) যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্কে অনুষ্ঠিত হয় ঢালিউড অ্যাওয়ার্ডস। অনুষ্ঠানে অংশ নিতে সেখানে গিয়েছিলেন শাকিব খান ও দীঘি। সেখানেই তাদের দেখা হয় এবং একসঙ্গে ছবি তোলেন তারা।

দীঘির প্রকাশ করা ছবিতে শাকিব খানকে কালো শার্ট, ব্লেজার ও সানগ্লাসে দেখা গেছে। অন্যদিকে দীঘির পরনে ছিল নীল ও সোনালি নকশার পোশাক। ছবির ক্যাপশনে শাকিবকে ‘মেগাস্টার’ বলে উল্লেখ করেছেন দীঘি।

ছবিটি প্রকাশের পরপরই ভক্তদের মধ্যে প্রতিক্রিয়া দেখা যায়। কেউ পুরোনো দিনের সিনেমার স্মৃতি সামনে এনেছেন, কেউ আবার শাকিব ও দীঘিকে নতুন কোনো চলচ্চিত্রে একসঙ্গে দেখার আগ্রহ প্রকাশ করেছেন।

‘চাচ্চু’ সিনেমায় ছোট্ট জুঁইয়ের চরিত্রে দীঘি

পরিচালক এফ আই মানিকের ‘চাচ্চু’ মুক্তি পেয়েছিল ২০০৬ সালে। ব্যবসাসফল এই চলচ্চিত্রে শাকিব খানের ভাইয়ের মেয়ে জুঁই চরিত্রে অভিনয় করেছিলেন দীঘি। শিশুশিল্পী হিসেবে তার অভিনয় দর্শকের নজর কাড়ে এবং তাকে ব্যাপক পরিচিতি এনে দেয়।

সিনেমাটিতে শাকিব খানের পাশাপাশি অভিনয় করেছিলেন অপু বিশ্বাস ও ডিপজলসহ অন্য শিল্পীরা। চলচ্চিত্রটি সংশ্লিষ্ট শিল্পীদের ক্যারিয়ারের স্মরণীয় কাজগুলোর একটি হিসেবেও পরিচিত।

শিশুশিল্পী হিসেবে দীঘির জনপ্রিয়তার পেছনে ‘চাচ্চু’র ভূমিকা ছিল উল্লেখযোগ্য। পরবর্তী সময়ে শাকিব খানের সঙ্গে ‘দাদীমা’, ‘চাচ্চু আমার চাচ্চু’, ‘১ টাকার বউ’ ও ‘তোর কারণে বেঁচে আছি’র মতো চলচ্চিত্রেও তাকে দেখা গেছে।

ভক্তদের স্মৃতিতে পুরোনো জুটি

শাকিব ও দীঘির সাম্প্রতিক ছবিটি ঘিরে ভক্তদের প্রতিক্রিয়ায় উঠে এসেছে শৈশবের সিনেমার স্মৃতি। কেউ মজা করে দীঘির সঙ্গে শাকিবের সম্পর্ককে ‘চাচা-ভাতিজি’র পর্দার পরিচয়ের সঙ্গে মিলিয়েছেন। আবার কেউ তাদের নতুন করে পর্দায় একসঙ্গে দেখার প্রত্যাশা জানিয়েছেন।

একসময় শিশুশিল্পী দীঘিকে শাকিব খানের সঙ্গে পর্দায় দেখে অভ্যস্ত ছিলেন দর্শক। এখন দুজনই নিজ নিজ অবস্থানে পরিচিত মুখ। তাই নিউইয়র্কের অনুষ্ঠানে তাদের একসঙ্গে দেখা শুধু একটি ছবি প্রকাশের ঘটনা নয়, বরং পুরোনো ঢালিউডের স্মৃতি ফিরিয়ে আনার উপলক্ষও হয়ে উঠেছে।

কালের আলো/এসএ

দেশে ডেঙ্গুতে মৃতের সংখ্যা ৩০০ ছাড়াল, হাসপাতালে ভর্তি ২১৯৩

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: রবিবার, ১১ অক্টোবর, ২০২৬, ৫:৪৫ অপরাহ্ণ
দেশে ডেঙ্গুতে মৃতের সংখ্যা ৩০০ ছাড়াল, হাসপাতালে ভর্তি ২১৯৩

দেশে ডেঙ্গুতে মৃত্যুর সংখ্যা ৩০০ ছাড়িয়েছে। গত ২৪ ঘণ্টায় এডিস মশাবাহিত রোগটিতে আক্রান্ত হয়ে আরও চারজনের মৃত্যু হয়েছে। এ নিয়ে চলতি বছরের ১১ অক্টোবর পর্যন্ত ডেঙ্গুতে মোট ৩০৩ জনের মৃত্যু হয়েছে।

রোববার (১১ অক্টোবর) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হেলথ ইমার্জেন্সি অপারেশন সেন্টার ও কন্ট্রোলরুমের প্রকাশিত ডেঙ্গুবিষয়ক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, গত ২৪ ঘণ্টায় সারা দেশে ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন ২ হাজার ১৯৩ জন। তাঁদের মধ্যে বরিশাল বিভাগে ২৩৬ জন, চট্টগ্রাম বিভাগে ২৯৩ জন, ঢাকা বিভাগের সিটি করপোরেশনের বাইরের এলাকায় ৫৩০ জন, ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনে ২৫০ জন এবং ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনে ২৫০ জন রয়েছেন।

এ ছাড়া খুলনা বিভাগে ৩০৪ জন, ময়মনসিংহ বিভাগে ৭০ জন, রাজশাহী বিভাগে ১৬০ জন, রংপুর বিভাগে ৮৪ জন এবং সিলেট বিভাগে ১৬ জন ডেঙ্গু আক্রান্ত রোগী হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য বলছে, চলতি বছরের ১১ অক্টোবর পর্যন্ত দেশে ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন মোট ৯৯ হাজার ২৭৫ জন। তাঁদের মধ্যে চিকিৎসা শেষে সুস্থ হয়ে হাসপাতাল থেকে ছাড়পত্র পেয়েছেন ৯২ হাজার ৮০৩ জন।

গত ২৪ ঘণ্টায় সুস্থ হয়ে হাসপাতাল ছেড়েছেন আরও ১ হাজার ৭৯৬ জন।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের পরিসংখ্যান অনুযায়ী, গত বছর অর্থাৎ ২০২৫ সালে দেশে ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছিলেন ১ লাখ ২ হাজার ৮৬১ জন। ওই বছর এ রোগে মৃত্যু হয়েছিল ৪১৩ জনের।

এর আগের বছর, ২০২৪ সালে ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছিলেন ১ লাখ ১ হাজার ২১৪ জন। সে বছর মারা যান ৫৭৫ জন।

আর ২০২৩ সালে ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছিলেন ৩ লাখ ২১ হাজার ১৭৯ জন। ওই বছর রোগটিতে মৃত্যু হয়েছিল ১ হাজার ৭০৫ জনের।

চলতি বছরেও ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি ও মৃত্যুর ঘটনা অব্যাহত রয়েছে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সর্বশেষ হিসাব অনুযায়ী, ১১ অক্টোবর পর্যন্ত এ রোগে মৃত্যুর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৩০৩ জনে।

কালের আলো/এএইচ/এমএসআইপি