খুঁজুন
                               
, ,
           

চট্টলায় নতুন অধ্যায়ের সূত্রপাত করলেন সেনাপ্রধান, যুক্ত হলো দু’টি বিশেষায়িত হেলিকপ্টার

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: সোমবার, ১১ অক্টোবর, ২০২১, ৭:১৬ অপরাহ্ণ
চট্টলায় নতুন অধ্যায়ের সূত্রপাত করলেন সেনাপ্রধান, যুক্ত হলো দু’টি বিশেষায়িত হেলিকপ্টার

বিশেষ সংবাদদাতা, কালের আলো :

দেশের উত্তরে অবস্থিত সীমান্তবর্তী জেলা লালমনিরহাটের পর এবার বন্দরনগরী চট্টগ্রামে যাত্রা শুরু করলো ‘আর্মি এভিয়েশন ফরোয়ার্ড বেস’। কৌশলগতভাবে আলাদা গুরুত্ব বহন করা বীর চট্টলার মাটিতে এই ফরোয়ার্ড বেস স্থাপনের মধ্যে দিয়ে দীর্ঘ প্রতীক্ষার অবসান ঘটলো।

যুক্তরাষ্ট্র থেকে কেনা দু’টি বিশেষায়িত বেল ফোর জিরো সেভেন জিএক্সআই হেলিকপ্টার সেখানে সংযোজনের মাধ্যমে সূত্রপাত হলো নতুন এক অধ্যায়ের। পাশাপাশি সক্ষমতা বৃদ্ধিতেও আরও একধাপ এগিয়ে গেলো আর্মি এভিয়েশন গ্রুপ।

উচ্ছ্বাস আর আনন্দমুখরতায় সোমবার (১১ অক্টোবর) সকালে চট্টগ্রামের শাহ আমানত বিমানবন্দর এলাকায় সুইচ বাটন চেপে এবং লাল ফিতা কেটে আর্মি এভিয়েশন ফরোয়ার্ড বেস ও অত্যাধুনিক বেল ফোর জিরো সেভেন জিএক্সআই হেলিকপ্টারের উদ্বোধন করেন বাংলাদেশ সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল ড.এস এম শফিউদ্দিন আহমেদ।

এরই মধ্যে দিয়ে ঐতিহাসিক মাহেন্দ্রক্ষণের স্বাক্ষী হলেন তিন বাহিনীর উর্ধ্বতন সামরিক কর্মকর্তা থেকে শুরু করে চট্টগ্রামের গণমাধ্যমের কর্মীরাও।

সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, নানা কারণেই বৃহত্তর চট্টগ্রামের ভূকৌশলগত গুরুত্ব রয়েছে। তিন পার্বত্য জেলায় সন্ত্রাস দমনের সঙ্গে সঙ্গে দুর্গম অঞ্চলে শান্তি শৃঙ্খলা বজায় রাখা, সেখানে বসবাসরত জনসাধারণের আর্থ-সামাজিক ব্যবস্থার উন্নয়নের লক্ষে নিয়মিতভাবেই বিভিন্ন উন্নয়নমুখী কার্যক্রম পরিচালিত করে আসছে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী।

এই অঞ্চলের মানুষের চিকিৎসা সেবা প্রদানেও তাদের রয়েছে অনন্য ভূমিকা। কিন্তু এখানে ছিল না কোন এভিয়েশন বেস এবং বিশেষায়িত হেলিকপ্টার। এই বিষয়টিকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়েই চট্টগ্রামের পতেঙ্গায় এবার ‘আর্মি এভিয়েশন ফরোয়ার্ড বেস’ স্থাপন করেছেন সেনাপ্রধান জেনারেল শফিউদ্দিন।

একই সূত্র জানায়, ২০৩০ সালের মধ্যে ফোর্সেস গোল অর্জনের অংশ হিসেবেই আধুনিক এই দু’টি হেলিকপ্টার কেনা এবং ফরোয়ার্ড এভিয়েশন বেস স্থাপন করা হয়েছে। এর আগে গত বছরের ৩ মার্চ দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চলে সেনা সদস্যেদের সহায়তা প্রদানে লালমনিরহাট আর্মি এভিয়েশন ফরোয়ার্ড বেস’র পথচলা শুরু হয়।লালমনিরহাট সেনানিবাসে উদ্বোধন করা হয় আর্মি এভিয়েশন স্কুলের নবনির্মিত হ্যাঙ্গার কমপ্লেক্স।

নবীন বৈমানিকদের প্রশিক্ষণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা
চট্টগ্রামে আনন্দঘন পরিবেশে এই অনুষ্ঠানে সেনাপ্রধান জেনারেল ড.এস এম শফিউদ্দিন আহমেদ বলেন, ‘সম্পদের সীমাবদ্ধতা সত্ত্বেও আর্মি এভিয়েশন’র আধুনিকায়নের কাজ এগিয়ে চলেছে। এরই ধারাবাহিকতায় মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র থেকে সংগ্রহ করা হয়েছে দু’টি অত্যাধুনিক বেল ফোর জিরো সেভেন জিএক্সআই হেলিকপ্টার।

এ দু’টি হেলিকপ্টার নবীন বৈমানিকদের প্রশিক্ষণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে। একই সঙ্গে আকাশ থেকে ভূমিতে অনুসন্ধান, পর্যবেক্ষণেও কাজ করবে।’

দেশের দক্ষিণাচল, সেন্টমার্টিন দ্বীপসহ পার্বত্য অঞ্চলের গুরুত্বের কথা উল্লেখ করে তিনি আরও বলেন, ‘দুর্যোগ মোকাবেলা, চিকিৎসা সহায়তা, আভিযানিক ও প্রশাসনিক কাজ, পার্বত্য অঞ্চলে রসদ সরবরাহসহ গুরুত্বপূর্ণ কাজ এখন থেকে চট্টগ্রাম আর্মি এভিয়েশন বেস থেকে পরিচালনা করা সম্ভব হবে।’

প্রধানমন্ত্রী’র প্রতি আন্তরিক কৃতজ্ঞতা
সেনাপ্রধান জেনারেল এস এম শফিউদ্দিন আহমেদ প্রধান অতিথির বক্তব্যে বলেন, ‘আমাদের জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ‘সোনার বাংলা’ গড়ে তোলার পাশাপাশি একটি আধুনিক ও যুগোপযুগী সেনাবাহিনী গঠনের স্বপ্ন দেখেছিলেন।

মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা তাঁর সুযোগ্য ও গতিশীল নেতৃত্ব এবং আন্তরিকতায় জাতির পিতার স্বপ্ন বাস্তবায়ন করে চলেছেন।’

প্রধানমন্ত্রী’র প্রতি আন্তরিক কৃতজ্ঞতা ও ধন্যবাদ জ্ঞাপন করে তিনি বলেন, ‘মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর ঐকান্তিক উদ্যোগের কারণেই চট্টগ্রামের শাহ আমানত বিমানবন্দরে আর্মি এভিয়েশন ফরওয়ার্ড বেস নির্মান এবং অত্যাধুনিক প্রযুক্তি সম্পন্ন দু’টি বেল ফোর জিরো সেভেন জিএক্সআই হেলিকপ্টার আর্মি এভিয়েশন গ্রুপের বহরে অন্তর্ভূক্তি সম্ভব হয়েছে।’

বিমান অপারেশন খরচও উল্লেখযোগ্যহারে কমবে
আর্মি এভিয়েশনের গ্রুপ কমান্ডার মেজর জেনারেল আলমগীর হোসেন বলেন, ‘এতোদিন তেজগাঁও বিমানবন্দর থেকে ১০ পদাতিক ডিভিশন এবং পার্বত্য চট্টগ্রামের দুর্গম এলাকায় জরুরি সহায়তা পৌঁছানো আর্মি এভিয়েশনের জন্য একটি সময় সাধ্য বিষয় ছিল।

কিন্তু চট্টগ্রামে ‘আর্মি এভিয়েশন ফরোয়ার্ড বেস’ স্থাপনের মাধ্যমে একদিকে যেমন আমাদের সময় কমে আসবে তেমিন বিমান অপারেশন খরচও উল্লেখযোগ্যহারে কমে আসবে।’

সময়ের সঙ্গে তাল মিলিয়েই এগোচ্ছে আর্মি এভিয়েশন
সরকারপ্রধান শেখ হাসিনার দূরদর্শী নেতৃত্বে ফোর্সেস গোল ২০৩০ বাস্তবায়নের মাধ্যমে যুযোপযোগী সামরিক সক্ষমতা অর্জন করছে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী, বেশ গুরুত্বের সঙ্গেই এই কথা বলে আসছেন সেনাপ্রধান জেনারেল এস এম শফিউদ্দিন আহমেদ।

আর্মি এভিয়েশন গ্রুপ বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর একটি বিশেষায়িত প্রতিষ্ঠান। প্রতিষ্ঠানটির মূল লক্ষ্য সেনাবাহিনীর আভিযানিক কার্যক্রমে প্রত্যক্ষভাবে বিমান সহায়তা প্রদান করা। ফলশ্রুতিতে আধুনিক সেনাবাহিনীর সঙ্গে মিল রেখে আর্মি এভিয়েশনে সংযোজিত হচ্ছে আধুনিক হেলিকপ্টার ও সামরিক বিমান।

এদিন দু’টি বেল ৪৭০ জিএক্সআই হেলিকপ্টার সংযোজনের আগে ২০১৯ সালের ১২ ডিসেম্বর বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর বিমান বহরে সংযোজিত হয় ৪ টি ডায়মন্ড ডিএ৪০এনজি প্রশিক্ষণ বিমান।

এছাড়া আর্মি এভিয়েশন গ্রুপের বিমান বহরে রয়েছে সেসনা-১৫২ এ্যারোব্যাট, সেসনা গ্রান্ড ক্যারাভান সিই-২০৮বি বিমান, বেল-২০৬ এল ৪ হেলিকপ্টার, ইউরোকপ্টার ডফিন এএস ৩৬৫ এন৩+, এমআই ১৭১ এস এইচ হেলিকপ্টার এবং কাসা সি-২৯৫ ডব্লিউ বিমান।

কালের আলো/জিকেএম/এমএএএমকে

রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে ভোটগ্রহণ শেষ, চলছে গণনা

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২০ আগস্ট, ২০২৬, ৫:২৭ অপরাহ্ণ
রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে ভোটগ্রহণ শেষ, চলছে গণনা

দেশের ২৩তম রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের ভোটগ্রহণ সম্পন্ন হয়েছে। এখন চলছে ভোট গণনা।

বৃহস্পতিবার (২০ আগস্ট) জাতীয় সংসদের অধিবেশন কক্ষে দুপুর ২টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত ভোটগ্রহণ হয়। তবে তাৎক্ষণিক এই নির্বাচনের কত ভোট কাস্ট হয়েছে তা জানা যায়নি।

নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন ক্ষমতাসীন দল বিএনপির মনোনীত প্রার্থী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর ও জামায়াত নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় জোটের প্রার্থী লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টির (এলডিপি) চেয়ারম্যান কর্নেল (অব.) কর্নেল অলি আহমদ।

এরআগে দুপুর ২টায় রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের ভোটগ্রহণ শুরু হয়। শুরুতেই প্রধান নির্বাচনি কর্তা ও প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এ এম এম নাসির উদ্দিন সংসদ সদস্যদের ভোট দেওয়ার নিয়ম জানিয়ে দেন।

প্রথমে ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি হাফিজ উদ্দিন আহমদ বীর বিক্রম, জাতীয় সংসদের ভারপ্রাপ্ত স্পিকার ব্যারিস্টার কায়সার কামাল, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ও রাষ্ট্রপতি পদে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী দলটির সদ্য সাবেক মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর ভোট দেন। এরপর সংসদ সদস্যরা একের পর এক ভোট দেন।

প্রধান নির্বাচনি কর্তা ও সিইসি নাসির উদ্দিন আগেই জানিয়েছেন, রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে ভোটার সংখ্যা হচ্ছে ৩৪৯ জন। ভোটগ্রহণ শেষে কোন প্রার্থী কতটি ভোট পেলেন, কতটি ভোট বাতিল বা নষ্ট হলো, এ বিষয়ে বিস্তারিত জানানো হবে।

তিনি বলেন, ‘যিনি বিজয়ী হবেন বা যিনি সংখ্যাগরিষ্ঠ ভোট পাবেন, রাষ্ট্রপতি হিসেবে তার নাম ঘোষণা করা হবে। এরপর গেজেট প্রকাশ করা হবে।’

দীর্ঘ প্রায় ৩৫ বছর পর দ্বিতীয়বারের মতো দেশের রাষ্ট্রপতি নির্বাচন হচ্ছে। নির্বাচনে বিজয়ী হতে প্রয়োজন হবে ১৭৫ ভোট।

তবে সংবিধানের ৭০ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী সংসদ সদস্যদের দলীয় সিদ্ধান্তের বিপক্ষে ভোট দেওয়ার সুযোগ না থাকায় বিএনপি মনোনীত প্রার্থী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের বিজয় প্রায় নিশ্চিত। তিনি নির্বাচিত হলে দেশের ২৩তম রাষ্ট্রপতি হবেন।

গত ২৪ জুলাই দেশের ২২তম রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন অসুস্থতার কারণ দেখিয়ে পদত্যাগ করেন। এরপর ৬ আগস্ট শূন্য পদে রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করে নির্বাচন কমিশন।

কালের আলো/আরডি/এমডিএইচ

হাদি হত্যা মামলায় পুনঃতদন্ত প্রতিবেদন দিতে আরও সময় পেল সিআইডি

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২০ আগস্ট, ২০২৬, ৫:১৫ অপরাহ্ণ
হাদি হত্যা মামলায় পুনঃতদন্ত প্রতিবেদন দিতে আরও সময় পেল সিআইডি

ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র শরিফ ওসমান হাদি হত্যা মামলার অধিকতর তদন্ত শেষ হয়নি এখনো। ফলে পুনঃতদন্তের প্রতিবেদন দাখিলের তারিখ আবারও পিছিয়ে আগামী ২৭ সেপ্টেম্বর নতুন দিন ধার্য করেছেন আদালত।

বৃহস্পতিবার (২০ আগস্ট) ঢাকার অতিরিক্ত চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট জশিতা ইসলামের আদালত এ আদেশ দেন।

আদালত সূত্রে জানা গেছে, বৃহস্পতিবার মামলাটির অধিকতর তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের দিন ছিল। তবে তদন্তকারী কর্মকর্তা ও পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগের (সিআইডি) সহকারী পুলিশ সুপার আবদুল কাদির ভূঞা নির্ধারিত দিনে প্রতিবেদন জমা দিতে পারেননি। এ কারণে আদালত নতুন তারিখ নির্ধারণ করা হয়েছে।

এর আগে গত ১৫ জানুয়ারি মামলার বাদী ও ইনকিলাব মঞ্চের সদস্যসচিব আবদুল্লাহ আল জাবের গোয়েন্দা পুলিশের দেওয়া অভিযোগপত্রে অসন্তোষ জানিয়ে আদালতে নারাজি আবেদন করেন। আদালত সেই আবেদন মঞ্জুর করে মামলাটি অধিকতর তদন্তের জন্য পুনরায় তদন্তের নির্দেশ দেন।

মামলার অভিযোগপত্রে বলা হয়েছিল, রাজনৈতিক প্রতিহিংসার জেরে শরিফ ওসমান হাদিকে হত্যা করা হয়। একই সঙ্গে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন বাধাগ্রস্ত করা এবং ভোটারদের মধ্যে আতঙ্ক সৃষ্টি করাও হত্যাকাণ্ডের অন্যতম উদ্দেশ্য ছিল বলে তদন্তে উঠে আসে।

মামলার এজাহার অনুযায়ী, গত বছরের ১২ ডিসেম্বর মতিঝিলে নির্বাচনি প্রচারণা শেষে সোহরাওয়ার্দী উদ্যানের দিকে যাচ্ছিলেন হাদি। দুপুর ২টা ২০ মিনিটের দিকে পল্টন মডেল থানার বক্স কালভার্ট এলাকায় তাকে বহনকারী অটোরিকশা পৌঁছালে মোটরসাইকেলে থাকা দুর্বৃত্তরা তার মাথা লক্ষ্য করে গুলি করে পালিয়ে যায়।

গুরুতর আহত অবস্থায় প্রথমে তাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হয়। অস্ত্রোপচারের পর উন্নত চিকিৎসার জন্য এভারকেয়ার হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়। পরে গত বছরের ১৫ ডিসেম্বর তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য সিঙ্গাপুরে নেওয়া হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ১৮ ডিসেম্বর মারা যান তিনি।

হাদিকে গুলি করার ঘটনায় ১৪ ডিসেম্বর পল্টন থানায় হত্যাচেষ্টা মামলা করেন ইনকিলাব মঞ্চের সদস্যসচিব আবদুল্লাহ আল জাবের। পরে হাদির মৃত্যুর পর মামলাটি হত্যা মামলায় রূপ নেয়।

গত ৬ জানুয়ারি মামলাটিতে ১৭ জনকে অভিযুক্ত করে অভিযোগপত্র দেয় গোয়েন্দা পুলিশ। অভিযোগপত্রে প্রধান অভিযুক্ত হিসেবে ফয়সাল করিম মাসুদসহ সাবেক ওয়ার্ড কাউন্সিলর তাইজুল ইসলাম চৌধুরী বাপ্পীসহ অন্যদের নাম উল্লেখ করা হয়।

তবে বাদীর নারাজি আবেদনের পর আদালতের নির্দেশে মামলাটির পুনঃতদন্ত শুরু হয়। সেই তদন্তের প্রতিবেদন দাখিলের জন্য এবার আগামী ২৭ সেপ্টেম্বর দিন ধার্য করা হয়েছে।

কালের আলো/আরডি/এমডিএইচ

বিএসটিআইয়ের অনুমোদন নেই, রাজশাহীতে দুই প্রতিষ্ঠানকে জরিমানা

রাজশাহী প্রতিবেদক
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২০ আগস্ট, ২০২৬, ৫:০৪ অপরাহ্ণ
বিএসটিআইয়ের অনুমোদন নেই, রাজশাহীতে দুই প্রতিষ্ঠানকে জরিমানা

রাজশাহী মহানগরীতে বাংলাদেশ স্ট্যান্ডার্ডস অ্যান্ড টেস্টিং ইনস্টিটিউশনের (বিএসটিআই) অনুমোদন ও ছাড়পত্রবিহীন কসমেটিকস বিক্রির দায়ে দুটি প্রতিষ্ঠানকে মোট ১ লাখ টাকা জরিমানা করা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে বিএসটিআই বিভাগীয় কার্যালয়, রাজশাহীর উদ্যোগে নগরীর নিউ মার্কেট সংলগ্ন থিম ওমর প্লাজায় ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করা হয়। অভিযানে ‘কুইন্স পার্ক’ ও ‘কেসি বাজার’ নামের দুটি প্রতিষ্ঠানে বিএসটিআইয়ের ছাড়পত্রবিহীন বিভিন্ন কসমেটিকস পণ্য বিক্রি ও বিতরণের প্রমাণ পাওয়া যায়।

অভিযানে শ্যাম্পু, সাবান, লিপস্টিক, স্কিন লোশন, স্কিন ক্রিম ও স্কিন পাউডারসহ বিভিন্ন পণ্য বিক্রির দায়ে প্রতিষ্ঠান দুটিকে ৫০ হাজার টাকা করে মোট ১ লাখ টাকা জরিমানা করা হয়।

নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও সহকারী কমিশনার (ভূমি) মো. রাহাতুল করিম মিজানের নেতৃত্বে পরিচালিত মোবাইল কোর্টে প্রসিকিউটর হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন বিএসটিআই রাজশাহী বিভাগীয় কার্যালয়ের সার্টিফিকেশন মার্কস উইংয়ের কর্মকর্তা প্রকৌশলী জুনায়েদ আহমেদ। এ সময় রাজশাহী মেট্রোপলিটন পুলিশের সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।

বিএসটিআই জানিয়েছে, জনস্বার্থে ভেজাল ও নকল পণ্য প্রতিরোধ এবং মানসম্মত পণ্যের সরবরাহ নিশ্চিত করতে এ ধরনের অভিযান নিয়মিতভাবে অব্যাহত থাকবে।

কালের আলো/এএইচ/এমএসআইপি