খুঁজুন
                               
বুধবার, ২৭ মে, ২০২৬, ১৩ জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩
           

এনসিপির ভবিষ্যত নিয়ে প্রশ্ন

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: সোমবার, ২৯ ডিসেম্বর, ২০২৫, ২:১৭ অপরাহ্ণ
এনসিপির ভবিষ্যত নিয়ে প্রশ্ন

কালের আলো রিপোর্ট:

জামায়াতে ইসলামীর সঙ্গে নির্বাচনী সমঝোতা বা জোটের পর ভাঙনের ঝাপটার মুখে পড়েছে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)। দলটির ভবিষ্যত রাজনীতি নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে জনমনে। অবশ্য এই জোট নিয়ে রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা ভালো মন্দ দুটোই দেখছেন।

নির্বাচনি বৈতরণী পার হতে আর ‘বৃহত্তর ঐক্যের’ প্রয়োজনবোধ এবং বিচার ও আধিপত্যবাদবিরোধী আন্দোলনে এক থাকাই জামায়াতের সঙ্গে জোটে যাওয়ার কারণ বলে জানিয়েছেন এনসিপির আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম।

জানা যায়, তফসিল ঘোষণার দিন থেকে সাবেকের কাতারে নাম লেখানো উপদেষ্টা মাহফুজ রোববার রাতে ঘোষণা দিয়েছেন, তিনি ‘এই এনসিপির’ অংশ হচ্ছেন না। তাঁর এনসিপিতে যোগ না দেওয়ার ঘোষণা বড় খবর হয়ে আলোচনায় এসেছে। এর আগে একই কারণ দেখিয়ে এনসিপি থেকে পদত্যাগ করেন দলটির পরিচিত মুখ হয়ে ওঠা তাসনিম জারা। শনিবার দলের জ্যেষ্ঠ যুগ্ম সদস্য সচিব জারার সরে দাঁড়ানোর ধাক্কার পরদিনই রোববার যুগ্ম আহ্বায়ক তাজনূভা জাবিন পদত্যাগের ঘোষণা দেন। নির্বাচন না করার কথাও বলেন তিনি। আরও কয়েকজন কেন্দ্রীয় নেতা পদত্যাগ করবেন বলেও গুঞ্জন আছে।

রাজনীতিতে ‘নতুন বন্দোবস্ত’ আনার অঙ্গীকার নিয়ে আত্মপ্রকাশ করা এনসিপি এর আগে ৩০০ আসনে প্রার্থী দিয়ে জয়ী হয়ে সরকার গঠনের দাবি করে আসছিল। শেষমেষ জামায়াতসহ ধর্মভিত্তিক দলের সঙ্গে নির্বাচনি জোট বাধার বিষয়টি তাদের রাজনীতিতে টিকে থাকার ভবিষ্যত নিয়ে রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মনে প্রশ্নের জন্ম দিয়েছে।

রাজনৈতিক বিশ্লেষক আসিফ মোহাম্মদ সাহান মনে করছেন জামায়াতের সঙ্গে জোটে যাওয়া এনসিপির জন্য রাজনৈতিকভাবে সুবিধার হবে না। তিনি বলেন, ‘এটাতে এনসিপির কোন লাভ হয়নি। অপরদিকে জামায়াতে ইসলামী এর থেকে ভালো নির্বাচনি সহযোগী পাবে না। এবং এনসিপি বড় কিছু হারাবে।’

বিএনপি-জামায়াতের পর এনসিপি ইতোমধ্যে ‘বড় দলের তকমা’ পেয়েছে মন্তব্য করে নির্বাচন বিশ্লেষক আব্দুল আলীম বলেন, সেক্ষেত্রে জোট করলেও নিজেদের প্রতীকে ভোট করা উচিত।

তার ভাষ্য, ‘এনসিপি এখন বাংলাদেশের তৃতীয় বৃহত্তম দল বলা যায়- তাদের ক্ষেত্রে যেটা আমার বিশ্লেষণ যে দলটা মাত্র শুরু হয়েছে, মাত্র গঠন করা হয়েছে। এই দলটা যারা গঠন করেছে তারা সবাই জুলাই বিপ্লবের নেতৃত্বে ছিল।

তিনি বলেন, ‘ছোট ছোট পলিটিক্যাল পার্টি মার্জ হয়ে গেল বড় দলের সঙ্গে; তারা মূলত শুধু নির্বাচনে জেতার জন্যই পলিটিক্স করে এবং বড় দলকে ব্যবহার করতে চায় তার প্রমাণটা কিন্তু এবার হয়ে গেল। তারা তাদের প্রতীককে, দলের নিবন্ধন, তাদের আইডিওলজি এটাকে জনগণের কাছে নিয়ে যেতে ব্যর্থ হয়ে গেছে; যে কারণে তারা এই কাজ করেছে।’

জোট গঠন হলেও এটি এনসিপির আদর্শ হারাবে না বলে তুলে ধরে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক কাজী মোহাম্মদ মাহবুবুর রহমান বলেন, জোটে যাওয়াটা আদর্শের বিষয় না, এটা রাজনৈতিক সুবিধা-অসুবিধা পাওয়ার বিষয়। আগের যেসব রাজনৈতিক দল জোট করেছে, তাদের আদর্শের কি পরিবর্তন হয়েছে, না হয়নি।’

কালের আলো/এমএএইচ/এইচএন

সিনেমাপ্রেমীদের জন্য সুখবর দিলেন বিজয়

বিনোদন ডেস্ক
প্রকাশিত: বুধবার, ২৭ মে, ২০২৬, ১২:১৮ অপরাহ্ণ
সিনেমাপ্রেমীদের জন্য সুখবর দিলেন বিজয়

দক্ষিণী তারকা থালাপতি বিজয় এবার সিনেমাপ্রেমীদের জন্য নিয়ে এলেন সুখবর। তামিল সিনেমা ইন্ডাস্ট্রির অনুরোধে রাজ্যের সব প্রেক্ষাগৃহে নতুন মুক্তিপ্রাপ্ত সিনেমার জন্য প্রতিদিন পাঁচটি করে শো চালুর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

সম্প্রতি তামিল সিনেমা ইন্ডাস্ট্রির বিশিষ্ট ব্যক্তিদের সঙ্গে বৈঠকে বসেন বিজয়। সেখানে নতুন সিনেমার প্রচার ও ব্যবসা বাড়ানোর স্বার্থে প্রেক্ষাগৃহে দৈনিক শোর সংখ্যা বাড়ানোর প্রস্তাব দেওয়া হয়। পরে সেই প্রস্তাবে সম্মতি জানান তিনি।

বিষয়টি নিয়ে মুখ্যমন্ত্রীর পক্ষ থেকে সাংবাদিকদের আনুষ্ঠানিকভাবে জানানো হয়েছে। পাশাপাশি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও প্রকাশ করা হয় নতুন এই নির্দেশনার কথা।

এর আগে তামিলনাড়ু সিনেমা (রেগুলেশন) বিধিমালা, ১৯৫৭ অনুযায়ী নতুন সিনেমার জন্য দিনে চারটি শো প্রদর্শনের অনুমতি ছিল। শুধুমাত্র সরকারি ছুটি, স্থানীয় উৎসব কিংবা বিশেষ দিনে প্রশাসনের অনুমতি নিয়ে অতিরিক্ত একটি শো চালানো যেত।

তবে নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, এখন থেকে নতুন মুক্তিপ্রাপ্ত সিনেমার ক্ষেত্রে প্রথম সাত দিন প্রতিদিন পাঁচটি করে শো চালানো যাবে। এছাড়া সিনেমা মুক্তির প্রথম সপ্তাহ, সরকারি ছুটি, স্থানীয় উৎসব এবং শনি-রোববার বাড়তি শোর জন্য আর আলাদা অনুমতির প্রয়োজন হবে না।

তামিল সিনেমা ইন্ডাস্ট্রির সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, এই উদ্যোগ সিনেমার ব্যবসা বাড়ানোর পাশাপাশি দর্শকদের জন্যও ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে। ফলে বিজয়ের এই সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানিয়েছেন নির্মাতা, প্রযোজক ও প্রেক্ষাগৃহ মালিকরা।

কালের আলো/এম/এএইচ

আদ-দ্বীন হাসপাতালে একসঙ্গে ৬ শিশুর মৃত্যুর অভিযোগ

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: বুধবার, ২৭ মে, ২০২৬, ১২:১৪ অপরাহ্ণ
আদ-দ্বীন হাসপাতালে একসঙ্গে ৬ শিশুর মৃত্যুর অভিযোগ

রাজধানীর মগবাজারে অবস্থিত আদ-দ্বীন মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের নবজাতক ওয়ার্ডে ছয় শিশুর মৃত্যুর অভিযোগ উঠেছে। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে গেছে পুলিশ।

বুধবার (২৭ মে) সকালে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) রমনা বিভাগের উপ-পুলিশ (ডিসি) শেখ জাহিদুল ইসলাম এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

তিনি বলেন, আদ-দ্বীন মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ছয় শিশুর মৃত্যুর খবর পেয়ে আমরা ঘটনাস্থলে এসেছি।

মৃত্যুর খবর নিশ্চিত করেছেন রমনা থানার ওসিও রাহাৎ খানও। ওসি বলেন, ভোরের দিকে শিশুগুলোর মৃত্যু হয়েছে। খবর পেয়ে আমরা হাসপাতালে এসেছি।

শীতাতপ নিয়ন্ত্রণ যন্ত্রের (এসি) গ্যাস লিকেজ থেকে এই প্রাণহানির ঘটনা ঘটেছে বলে শিশুদের স্বজনরা অভিযোগ করলেও পুলিশের পক্ষ থেকে তা নিশ্চিত করা হয়নি।

তবে মগবাজার আদ-দ্বীন মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মানবসম্পদ ও গণসংযোগ বিভাগের পরিচালক তারিকুল ইসলাম মুকুল জানান এসি বন্ধ রাখায় সাফোকেশনে ছয় শিশুর মৃত্যু হয়েছে।

গণমাধ্যমকে তারিকুল ইসলাম বলেন, ‘গতকাল দিবাগত রাতের শেষ ভাগে শিশু ওয়ার্ডে ভর্তি থাকা বাচ্চাদের আত্মীয়-স্বজনদের অভিযোগের কারণে এসি বন্ধ রাখা হয়। এরপর দুঃখজনকভাবে সাফোকেশনে ছয় শিশুর মৃত্যু হয়। এই ঘটনায় হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ অভ্যন্তরীণভাবে উচ্চ পর্যায়ের কমিটি গঠন করেছে।

মর্মান্তিক এই ঘটনায় শোক ও দুঃখ প্রকাশ করে তারিকুল ইসলাম মুকুল বলেন, এই ঘটনায় কেউ সরাসরি দায়ী হলে তার বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে। পুলিশ ও সরকারের অন্যান্য বিভাগও ঘটনাটির তদন্ত করেছে।

কালের আলো/এসআর/এএএন 

ফুটবল বিশ্বকাপ ২০২৬

আর বাকি ১৫ দিন: ড্রিবলিংয়ের ওকোচার অবিশ্বাস্য রেকর্ড

স্পোর্টস ডেস্ক
প্রকাশিত: বুধবার, ২৭ মে, ২০২৬, ১২:১১ অপরাহ্ণ
আর বাকি ১৫ দিন: ড্রিবলিংয়ের ওকোচার অবিশ্বাস্য রেকর্ড

ফিফা বিশ্বকাপ শুরু হতে আর মাত্র ১৫ দিন বাকি। এই কাউন্টডাউনকে সামনে রেখে প্রতিদিন ফুটবল ইতিহাসের সেরা সব রেকর্ড নিয়ে বিশেষ পরিসংখ্যান প্রকাশ করছে ফিফা। ফিফার আজকের পাতায় উঠে এসেছে নাইজেরিয়ান ফুটবল জাদুকর জে জে ওকোচার এক অবিশ্বাস্য রেকর্ড।

বিশ্বকাপের ইতিহাসে একটি একক ম্যাচে সবচেয়ে বেশি সফল ড্রিবলিং বা টেক-অন করার বিশ্বরেকর্ডটি এককভাবে ধরে ওকোচা। ১৯৯৪ সালের মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র বিশ্বকাপের ম্যাচে রক্ষণভাগের বিশ্বসেরা দল ইতালির বিপক্ষে এই অনন্য কীর্তি গড়েছিলেন তিনি।

সেদিন ইতালির রক্ষণভাগের মহাতারকা পাওলো মালদিনি, আলেসান্দ্রো কোস্তাকুর্তা কিংবা দেমেত্রিও আলবার্টিনিদের মতো বিশ্বসেরা ডিফেন্ডারদের বোকা বানিয়ে পুরো ম্যাচে রেকর্ড ১৫টি সফল ড্রিবলিং করেছিলেন ওকোচা। বিশ্বকাপের মঞ্চে এক ম্যাচে এত বেশি ড্রিবলিং করতে পারেননি আর কোনো ফুটবলার।

একক ম্যাচে ওকোচা শীর্ষে থাকলেও সামগ্রিকভাবে বিশ্বকাপের ইতিহাসে সবচেয়ে বেশি ড্রিবলিং করার রেকর্ডটি আধুনিক ফুটবলের মহাজাদুকর লিওনেল মেসির দখলে। কাতার বিশ্বকাপজয়ী এই আর্জেন্টাইন অধিনায়ক বিশ্বকাপের ইতিহাসে সর্বোচ্চ ১২৫টি সফল ড্রিবলিং সম্পন্ন করেছেন।

অন্যদিকে, বিশ্বকাপের একটি নির্দিষ্ট সংস্করণে বা এক আসরে সবচেয়ে বেশি ড্রিবলিং করার রেকর্ডটি ফুটবলের ঈশ্বর ডিয়েগো ম্যারাডোনার। ১৯৮৬ সালের মেক্সিকো বিশ্বকাপে আর্জেন্টিনাকে একক নৈপুণ্যে চ্যাম্পিয়ন করার পথে পুরো টুর্নামেন্টে রেকর্ড ৫৩টি সফল ড্রিবলিং করেছিলেন এই কিংবদন্তি।

কালের আলো/এম/এএইচ