খুঁজুন
                               
বুধবার, ১০ জুন, ২০২৬, ২৭ জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩
           

অতিরিক্ত চিনি খেলে কি ক্ষত নিরাময় ধীর হয়ে যায়?

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: বুধবার, ১০ জুন, ২০২৬, ১১:৩৮ পূর্বাহ্ণ
অতিরিক্ত চিনি খেলে কি ক্ষত নিরাময় ধীর হয়ে যায়?

আপনি হয়তো অনেককে বলতে শুনেছেন, “চিনি খাওয়া কমিয়ে দিন, এতে আপনার ক্ষত দ্রুত সেরে উঠবে”। কিন্তু এর মধ্যে কি কোনো সত্যতা আছে? বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এর মধ্যে বেশ খানিকটা সত্যতা রয়েছে।

ক্ষত নিরাময়ের পথে বাধা হয়ে দাঁড়ানোর মতো একমাত্র কারণ চিনি নয়, কিন্তু যেহেতু রক্তে শর্করার মাত্রা ক্রমাগত বেড়ে গেলে তা ক্ষত নিরাময়কে বিলম্বিত করতে পারে, তাই এটি একটি কারণ হতে পারে।

অতিরিক্ত চিনি গ্রহণ ক্ষত নিরাময়কে ধীর করে দিতে পারে, বিশেষ করে যদি তা বেশি পরিমাণে খাওয়া হয় বা রক্তে শর্করার মাত্রা সঠিকভাবে নিয়ন্ত্রণ করা না হয়।

ক্ষত নিরাময় কীভাবে কাজ করে?

ক্ষত নিরাময় কোনো সহজ প্রক্রিয়া নয়। এটি বেশ কয়েকটি বিষয়ের সম্মিলিত ক্রিয়ার ওপর নির্ভর করে। সেগুলো হলো কার্যকরী রোগ প্রতিরোধ ব্যবস্থা, ভালো রক্ত ​​সরবরাহ এবং টিস্যু পুনর্গঠনের জন্য পর্যাপ্ত পুষ্টি। যখন এই বিষয়গুলোর কোনো একটিতে ব্যাঘাত ঘটে, তখন নিরাময় প্রক্রিয়া ধীর হয়ে যায়। অতিরিক্ত চিনি গ্রহণ এমন একটি বিষয় যা এই ভারসাম্য নষ্ট করতে পারে।

শরীরের নিরাময় ক্ষমতার ওপর চিনির প্রভাব

অতিরিক্ত চিনি খেলে শরীরে দীর্ঘস্থায়ী প্রদাহের মাত্রা বাড়তে পারে। এই প্রদাহ যখন দীর্ঘস্থায়ী হয়, তখন তা সক্রিয়ভাবে টিস্যু মেরামতের কাজে বাধা দেয়। এটি এমন একটি চক্র তৈরি করে যা থেকে শরীরের পক্ষে নিজে থেকে বেরিয়ে আসা কঠিন।

যখন রক্তে শর্করার মাত্রা দীর্ঘ সময় ধরে বেশি থাকে, যেমনটা ডায়াবেটিস বা প্রি-ডায়াবেটিসে আক্রান্ত ব্যক্তিদের ক্ষেত্রে দেখা যায়, তখন এটি ধীরে ধীরে রক্তনালীগুলোকে ক্ষতিগ্রস্ত করতে পারে। এটি শরীরের যে অংশগুলো মেরামত করা হচ্ছে সেখানে পর্যাপ্ত অক্সিজেন এবং প্রয়োজনীয় পুষ্টি বহন করার জন্য রক্তনালীগুলোর ক্ষমতা কমিয়ে দেয়, ফলে ক্ষত নিরাময় প্রক্রিয়া ধীর হয়ে যায়। কিন্তু এটাই সব নয়। রক্তে শর্করার মাত্রা বেড়ে গেলে শ্বেত রক্তকণিকাও দুর্বল হয়ে পড়ে, যে কোষগুলোর ওপর শরীর সংক্রমণের বিরুদ্ধে লড়াই করার জন্য নির্ভর করে। এর ফলস্বরূপ ক্ষত শুকাতে বেশি সময় লাগে, সংক্রমণের ঝুঁকি বেড়ে যায় এবং জটিলতা দেখা দেওয়ার সম্ভাবনা বৃদ্ধি পায়।

বার্নস অ্যান্ড ট্রমা (Burns & Trauma) জার্নালে প্রকাশিত একটি ২০২৫ সালের পর্যালোচনায় দেখা গেছে যে, ক্ষত নিরাময়ের প্রতিটি পর্যায়ে গ্লুকোজ একটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। শরীর রোগ প্রতিরোধকারী কোষগুলোকে শক্তি জোগাতে, নতুন টিস্যু তৈরি করতে এবং ক্ষতিগ্রস্ত ত্বক মেরামত করতে গ্লুকোজ ব্যবহার করে।

কিন্তু যখন গ্লুকোজ বিপাকে সমস্যা হয়, যেমনটা ডায়াবেটিসে হয়ে থাকে, তখন এটি দীর্ঘস্থায়ী প্রদাহ এবং অক্সিডেটিভ স্ট্রেস সৃষ্টি করে। এটি নিরাময় প্রক্রিয়াকে ধীর করে দেয় এবং সংক্রমণ বা অঙ্গহানির মতো গুরুতর জটিলতার ঝুঁকি বাড়িয়ে তোলে।

এখানেই প্রেক্ষাপটটি গুরুত্বপূর্ণ। ফল, শাক-সবজি এবং দুগ্ধজাত পণ্যে থাকা চিনি আর ক্যান্ডি ও সফট ড্রিংকসে থাকা চিনি এক নয়। প্রাকৃতিক চিনির উৎসগুলো সর্বোত্তম স্বাস্থ্যের জন্য অপরিহার্য গুরুত্বপূর্ণ ভিটামিন, খনিজ এবং অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট সরবরাহ করতে ব্যবহৃত হয়।

ক্ষত দ্রুত নিরাময়ে আপনার যা খাওয়া উচিত

যদি আপনার কোনো দীর্ঘস্থায়ী ক্ষত, আঘাত বা কোনো অস্ত্রোপচার হয়ে থাকে, তবে সঠিক টিস্যু মেরামতের জন্য প্রোটিন, গোটা শস্যের ভিটামিন ও খনিজ নিয়মিত খাবারের তালিকায় রাখতে হবে।

এছাড়া শস্যদানা, ফল ও শাক-সবজি খেতে হবে। প্রচুর তরল পান করতে হবে। সুষম খাদ্য গ্রহণের মাধ্যমে রক্তে শর্করার স্বাস্থ্যকর মাত্রা বজায় রাখতে হবে।

কালের আলো/এএইচ/এমএসআইপি

রাজশাহীতে পরিবহন ব্যবস্থায় শৃঙ্খলা আনতে মালিক সমিতির সঙ্গে আরএমপি’র মতবিনিময়

রাজশাহী প্রতিবেদক
প্রকাশিত: বুধবার, ১০ জুন, ২০২৬, ৬:৩৪ অপরাহ্ণ
রাজশাহীতে পরিবহন ব্যবস্থায় শৃঙ্খলা আনতে মালিক সমিতির সঙ্গে আরএমপি’র মতবিনিময়

রাজশাহী মহানগরীর পরিবহন ব্যবস্থায় শৃঙ্খলা প্রতিষ্ঠা, জনদুর্ভোগ লাঘব এবং সেবার মানোন্নয়নের লক্ষ্যে অ্যাম্বুলেন্স, সিএনজি, কার-মাইক্রো, হিউম্যান হলার, মিশুক ও লেগুনা মালিক সমিতির প্রতিনিধিদের সঙ্গে মতবিনিময় সভা করেছে রাজশাহী মেট্রোপলিটন পুলিশ (আরএমপি)।

সম্প্রতি আরএমপি সদর দপ্তরের সভাকক্ষে অনুষ্ঠিত এ সভায় সভাপতিত্ব করেন আরএমপির পুলিশ কমিশনার মোহাম্মদ ফয়েজুল কবির।

সভায় মালিক সমিতির প্রতিনিধিরা অধিযাচনকৃত যানবাহনের চালকদের বিশ্রামের ব্যবস্থা, জ্বালানি ব্যয় বৃদ্ধি এবং পরিবহন খাত সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন সমস্যা ও দাবি কমিশনারের সামনে তুলে ধরেন।

জবাবে পুলিশ কমিশনার মোহাম্মদ ফয়েজুল কবির বলেন, পুলিশ নির্ধারিত নীতিমালা ও বিধিবিধানের আওতায় পরিচালিত হয়। ফলে সব বিষয়ে তাৎক্ষণিক সিদ্ধান্ত গ্রহণ সম্ভব নয়। তবে উত্থাপিত বিষয়গুলো সংশ্লিষ্ট অংশীজনদের সঙ্গে আলোচনা করে গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করা হবে এবং যৌক্তিক সমাধানের লক্ষ্যে প্রয়োজনীয় উদ্যোগ গ্রহণের চেষ্টা করা হবে।

তিনি বলেন, যত্রতত্র যানবাহনের স্ট্যান্ড স্থাপন করে সড়কে যানজট সৃষ্টি করা যাবে না। জনসাধারণের চলাচলে বিঘ্ন ঘটে এমন কার্যক্রম পরিহার করে সুশৃঙ্খল পরিবহন ব্যবস্থা গড়ে তুলতে সবাইকে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করতে হবে।

সভায় অ্যাম্বুলেন্স মালিকদের নির্ধারিত ভাড়ার অতিরিক্ত ভাড়া আদায় না করার আহ্বান জানিয়ে পুলিশ কমিশনার বলেন, রোগী ও তাদের স্বজনদের যেন কোনো ধরনের হয়রানি বা অতিরিক্ত আর্থিক চাপের মুখোমুখি হতে না হয়, সে বিষয়ে সংশ্লিষ্ট সবাইকে সচেতন থাকতে হবে।

মতবিনিময় সভায় রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের সামনে সিটি কর্পোরেশনের সহযোগিতায় দুটি সেবাকাউন্টার স্থাপনের উদ্যোগ নিয়েও আলোচনা হয়। প্রস্তাবিত কাউন্টার দু’টির একটিতে অ্যাম্বুলেন্স মালিক সমিতির প্রতিনিধি এবং অন্যটিতে পুলিশ সদস্য দায়িত্ব পালন করবেন।

পুলিশ কমিশনার আশা প্রকাশ করেন, এ উদ্যোগ বাস্তবায়িত হলে রোগী ও তাদের স্বজনরা নির্ধারিত ভাড়ায়, স্বচ্ছ ও হয়রানিমুক্ত পরিবেশে সহজেই অ্যাম্বুলেন্স সেবা গ্রহণ করতে পারবেন।

গৌরহাঙ্গা রেলগেটকে মহানগরীর অন্যতম যানজটপ্রবণ এলাকা উল্লেখ করে তিনি বলেন, এ এলাকায় যানবাহন চলাচলে শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনতে এবং ট্রাফিক ব্যবস্থাপনাকে আরও কার্যকর করতে সিএনজি স্ট্যান্ড পরিচালনাকারী প্রতিনিধিদের সক্রিয় ভূমিকা পালন করতে হবে। তিনি সিএনজি মালিক পক্ষকে নির্ধারিত পোশাকধারী স্বেচ্ছাসেবক প্রতিনিধি নিয়োগের আহ্বান জানান, যারা ট্রাফিক পুলিশের সহায়ক হিসেবে কাজ করবেন।

তিনি আরও বলেন, এ উদ্যোগ বাস্তবায়িত হলে সিএনজি চলাচল আরও সুশৃঙ্খল হবে এবং যানজট নিরসনের পাশাপাশি সার্বিক ট্রাফিক ব্যবস্থাপনাও কার্যকর হবে।

সভায় উপস্থিত মালিক সমিতির প্রতিনিধিরা জনস্বার্থে গৃহীত এসব সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নে রাজশাহী মেট্রোপলিটন পুলিশকে সার্বিক সহযোগিতার আশ্বাস দেন।

এ সময় আরএমপি’র অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (অ্যাডমিনিস্ট্রেশন অ্যান্ড ফিন্যান্স), অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (ক্রাইম, চলতি দায়িত্ব), উপ-পুলিশ কমিশনার (ফোর্স), উপ-পুলিশ কমিশনার (সিটিএসবি), আরএমপি’র মুখপাত্র ও উপ-পুলিশ কমিশনার (ক্রাইম ও সিটিটিসি)সহ অন্যান্য ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

কালের আলো/এএইচ/এমএসআইপি 

৩০ বছর পর কবর থেকে তোলা হবে সালমান শাহ’র লাশ

বিনোদন ডেস্ক
প্রকাশিত: বুধবার, ১০ জুন, ২০২৬, ৬:৩৩ অপরাহ্ণ
৩০ বছর পর কবর থেকে তোলা হবে সালমান শাহ’র লাশ

বাংলাদেশের জনপ্রিয় চিত্রনায়ক সালমান শাহর (চৌধুরী মোহাম্মদ শাহরিয়ার ইমন) মৃত্যুর রহস্য উদঘাটনের লক্ষ্যে তার লাশ কবর থেকে উত্তোলনের অনুমতি দিয়েছেন আদালত। নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের উপস্থিতিতে লাশ উত্তোলন, সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরি এবং ময়নাতদন্ত সম্পন্ন করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

বাংলাদেশ সংবাদ সংস্থা (বাসস) সূত্র জানিয়েছে, ঢাকা মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট জুয়েল রানার আদালত গত ২৪ মে এ আদেশ দেন। মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তার আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে এই সিদ্ধান্ত আসে বলে জানা গেছে।

এর আগে চলতি বছরের ২০ মে সিআইডির পরিদর্শক জিয়াউল মোর্শেদ আদালতে আবেদন করেন। তিনি আবেদনপত্রে উল্লেখ করেন, হত্যার প্রকৃত কারণ উদঘাটনের স্বার্থে সালমান শাহ’র মরদেহ পুনরায় পরীক্ষা করা প্রয়োজন। আদালত আবেদন মঞ্জুর করার পর প্রয়োজনীয় প্রশাসনিক কার্যক্রম শেষে লাশ উত্তোলন ও ময়নাতদন্ত প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা হবে বলে জানান।

মামলার নথি অনুযায়ী, ১৯৯৬ সালের ৬ সেপ্টেম্বর সকালে সালমান শাহকে নিউ ইস্কাটন রোডের বাসায় অসুস্থ অবস্থায় পাওয়া গেলে তাকে দ্রুত হাসপাতালে নেওয়া হয়। পরে চিকিৎসকরা তাকে মৃত ঘোষণা করেন। ওই সময় রমনা থানায় একটি অপমৃত্যু মামলা করা হয় এবং সিলেটের শাহজালাল (রহ.) মাজার প্রাঙ্গণে তার মরদেহ দাফন করা হয়।

পরে দীর্ঘ তদন্ত ও আইনি প্রক্রিয়ার পর ২০২৪ সালের ২১ অক্টোবর সালমান শাহ’র মামা মো. আলমগীর রমনা থানায় হত্যা মামলা করেন। মামলায় দণ্ডবিধির ৩০২/৩৪ ধারায় একাধিক ব্যক্তিকে আসামি করা হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছেন তার স্ত্রী সামীরা হক, শিল্পপতি ও প্রযোজক আজিজ মোহাম্মদ ভাইসহ আরও অনেকে।

এর আগে ২০ অক্টোবর ঢাকার ষষ্ঠ অতিরিক্ত মহানগর দায়রা জজ আদালত মামলাটি অপমৃত্যু থেকে পরিবর্তন করে হত্যা মামলা হিসেবে গ্রহণের নির্দেশ দেন।

মামলার অভিযোগে বলা হয়, সালমান শাহ’র মৃত্যু ঘিরে সন্দেহজনক পরিস্থিতি, শারীরিক আঘাতের চিহ্ন এবং ঘটনাস্থলের নানা অসঙ্গতি তদন্তের প্রয়োজনীয়তা তৈরি করেছে। তাই মৃত্যুর প্রকৃত কারণ নিশ্চিত করতে পুনরায় ময়নাতদন্তের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

উল্লেখ্য, ১৯৯৬ সালে সালমান শাহ’র মৃত্যুর পর থেকেই বিষয়টি নিয়ে নানা বিতর্ক ও সন্দেহ জনমনে বিদ্যমান রয়েছে। আদালতের নতুন এই নির্দেশে মামলাটি আবারও আলোচনায় এসেছে এবং চলচ্চিত্র অঙ্গনে নতুন করে চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।

কালের আলো/আরডি/এমডিএইচ

ইপিআই কর্মসূচির জন্য ৪১২ কোটি টাকার টিকা কিনবে সরকার

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: বুধবার, ১০ জুন, ২০২৬, ৬:২৫ অপরাহ্ণ
ইপিআই কর্মসূচির জন্য ৪১২ কোটি টাকার টিকা কিনবে সরকার

জাতীয় সম্প্রসারিত টিকাদান কর্মসূচি (ইপিআই) বাস্তবায়নে প্রয়োজনীয় টিকা সংগ্রহে ৪১২ কোটি ৭১ লাখ টাকার একটি ক্রয় প্রস্তাব অনুমোদন দিয়েছে সরকারি ক্রয়সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটি।

বুধবার (১০ জুন) বাংলাদেশ সচিবালয়ে অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সরকারি ক্রয়সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটির ২৬তম বৈঠকে এ অনুমোদন দেওয়া হয়।

সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানান, ২০২৫-২৬ অর্থবছরে ইপিআই কর্মসূচির আওতায় প্রয়োজনীয় টিকা সংগ্রহের জন্য স্বাস্থ্যসেবা বিভাগ প্রস্তাবটি উত্থাপন করে। সরাসরি ক্রয় পদ্ধতির (ডিপিএম) মাধ্যমে এসব টিকা সংগ্রহ করা হবে।

প্রস্তাব অনুযায়ী, জাতিসংঘ শিশু তহবিল (ইউনিসেফ) একই সঙ্গে ক্রয়কারী সংস্থা ও সরবরাহকারী হিসেবে দায়িত্ব পালন করবে।

কর্মকর্তারা বলেন, সময়মতো টিকার সরবরাহ নিশ্চিত করা এবং দেশব্যাপী টিকাদান কার্যক্রম নির্বিঘ্ন রাখতে এ ক্রয় অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এর মাধ্যমে জাতীয় টিকাদান কর্মসূচির ধারাবাহিকতা বজায় রাখা সহজ হবে।

কর্মকর্তারা জানান, শিশুদের সংক্রামক ও প্রতিরোধযোগ্য রোগ থেকে সুরক্ষা দিতে ইপিআই দীর্ঘদিন ধরে দেশের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ জনস্বাস্থ্য কর্মসূচি হিসেবে কাজ করছে। টিকার নিরাপত্তা ও পর্যাপ্ত মজুত নিশ্চিত করতেও এই উদ্যোগ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

কালের আলো/এসআর/এএএন