খুঁজুন
                               
বৃহস্পতিবার, ১৮ জুন, ২০২৬, ৪ আষাঢ়, ১৪৩৩
           

বাবার স্মৃতিবিজড়িত ‘পাতলী খাল’ পুনঃখনন উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী

কক্সবাজার প্রতিবেদক
প্রকাশিত: শনিবার, ১৩ জুন, ২০২৬, ১১:৫৪ পূর্বাহ্ণ
বাবার স্মৃতিবিজড়িত ‘পাতলী খাল’ পুনঃখনন উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী

কক্সবাজারে এসে শুরুতেই বাবা শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের স্মৃতিবিজড়িত পাতলী খাল পুনঃখনন কাজের উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান।

শনিবার (১৩ জুন) ঢাকা থেকে বেসরকারি বিমান ইউএস-বাংলা প্লেনে করে দুই যুগ পর কক্সবাজারে এলেন তিনি।

সফরের সূচনাতেই প্রধানমন্ত্রী তার বাবা শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের স্মৃতিবিজড়িত ঐতিহাসিক পাতলী খালের পুনঃখনন কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন। এ উপলক্ষে সকাল থেকেই কক্সবাজারের পিএমখালী এলাকায় উৎসবমুখর পরিবেশ বিরাজ করছে।

বৃষ্টি উপেক্ষা করে কক্সবাজার বিমানবন্দর থেকে পাতলী খাল পর্যন্ত রাস্তার দুই পাশে হাজার হাজার নেতাকর্মীরা বিভিন্ন ব্যানার, ফেস্টুন, প্লাকার্ড হাতে নিয়ে প্রিয় নেতাকে বরণ করে শুভেচ্ছা জানান। ১৯৭৭ সালে শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান গ্রামীণ অর্থনীতি ও সেচ ব্যবস্থার আমূল পরিবর্তনের লক্ষ্যে দেশব্যাপী যে ঐতিহাসিক খাল খনন কর্মসূচি চালু করেছিলেন।

পিএমখালীর এই পাতলী খালটি তারই অন্যতম সাক্ষী, ১৯৭৯ সালের নভেম্বর মাসে শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান এই খাল খননের উদ্বোধন অনুষ্ঠানে এসেছিলেন। কক্সবাজারের এই স্থানীয় উদ্যোগের পাশাপাশি সরকারি মহাপরিকল্পনার অংশ হিসেবে পানিসম্পদ মন্ত্রণালয়, স্থানীয় সরকার বিভাগ ও কৃষি মন্ত্রণালয় যৌথভাবে আগামী ৫ বছরে সারা দেশে ২০ হাজার কিলোমিটার খাল খননের একটি বৃহৎ জাতীয় কর্মসূচি বাস্তবায়ন করছে।

যার প্রথম দফায় চলতি বছরের জুন পর্যন্ত ১ হাজার ২০৪ কিলোমিটার খাল খননের লক্ষ্যমাত্রা নিয়ে কাজ এগিয়ে চলছে। পানিসম্পদ মন্ত্রণালয় থেকে জানানো হয়েছে, শুধু খাল খননই নয়, পরিবেশ রক্ষায় খালের পাড় সংরক্ষণ, বৃক্ষরোপণ এবং অবৈধ দখল উচ্ছেদেও কঠোর নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

জানা যায়-একই দিন দুপুর ১২টায় চকরিয়ার ডুলাহাজারা সাফারি পার্কে দেশব্যাপী ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির উদ্বোধন করবেন। পাশাপাশি পার্কটি পরিদর্শনেরও কথা রয়েছে তার।

দুপুর ১টায় পেকুয়া উপজেলায় জুলাই গণঅভ্যুত্থানের প্রথম শহীদ মো. ওয়াসিমের কবর জিয়ারত করবেন প্রধানমন্ত্রী। এ সময় তিনি শহীদ পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে সাক্ষাৎ ও মতবিনিময় করবেন।

পরে দুপুর ২টায় নবগঠিত মাতামুহুরী উপজেলা ও পেকুয়া পৌরসভার ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করবেন। বিকেল সাড়ে ৪টায় চকরিয়া পৌর বাস টার্মিনাল এলাকায় আয়োজিত রাজনৈতিক জনসভায় যোগ দেওয়ার কথা রয়েছে তার।

জনসভা শেষে কক্সবাজার-টেকনাফ মেরিন ড্রাইভ সড়ক ও সমুদ্রসৈকত পরিদর্শন করবেন প্রধানমন্ত্রী। রাত ৮টায় কক্সবাজার শহরের লং বিচ হোটেলে আয়োজিত সুধী সমাবেশে অংশ নিয়ে স্থানীয় বিশিষ্টজনদের সঙ্গে মতবিনিময় করবেন। দিনব্যাপী কর্মসূচি শেষে রাত ১০টায় একটি ফ্লাইটে ঢাকার উদ্দেশে কক্সবাজার ত্যাগ করার কথা রয়েছে প্রধানমন্ত্রীর।

কালের আলো/এসআর/এএএন

ঢাকায় আ.লীগের ঝটিকা মিছিল, ককটেল বিস্ফোরণ

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১৮ জুন, ২০২৬, ৩:০৬ অপরাহ্ণ
ঢাকায় আ.লীগের ঝটিকা মিছিল, ককটেল বিস্ফোরণ

Oplus_131072

সাবেক অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মোহাম্মদ ইউনূস ও সাবেক স্বাস্থ্য উপদেষ্টা নুরজাহান বেগমের শাস্তির দাবিতে ঢাকায় মিছিল বের করেছে কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ ও দলটির অঙ্গ সংগঠনের নেতাকর্মীরা। সেই ঝটিকা মিছিল থেকে তিন-চারটি ককটেল বিস্ফোরণ ঘটানো হয়।

বৃহস্পতিবার (১৮ জুন) সকাল ৯টার দিকে রাজধানীর মহাখালী বাস টার্মিনালের মূল সড়কে এ মিছিল বের করা হয়। মিছিল থেকে এক নারীসহ দুজনকে আটক করার কথা জানিয়েছে তেজগাঁও শিল্পাঞ্চল থানা পুলিশ।

আটকরা হলেন- মিজানুর রহমান হাওলাদার (৪০), শামীম আরা বেবি (৫০) ও শামীম হোসেন (৪৮)।

শিল্পাঞ্চল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মুহাম্মদ মাহবুবুর রহমান বলেন, সকাল সোয়া ৯টার দিকে তিন-চার‍টি ককটেল বিস্ফোরণ ঘটানো হয়েছে।

কারা ককটেল বিস্ফোরণ ঘটিয়েছে এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ ও দলটির অঙ্গ সংগঠনের লোকজন এটি ঘটিয়েছে। যারা ঘটিয়েছে তাদের মধ্য থেকে তিনজনকে আটক করা হয়েছে।

গুলশান ট্রাফিক পুলিশের সদস্যরা বলেন, প্রগতিশীল নাগরিক সমাজ ব্যানারে আনুমানিক ১০ থেকে ১৫ জন জড়ো হওয়ার চেষ্টা করেন। তাদের হাতে নিষিদ্ধ ঘোষিত একটি সংগঠনের প্ল্যাকার্ডও ছিল। তারা ‘প্রতিরোধযোগ্য হাম রোগে নিষ্পাপ সম্ভাবনাময় শিশুদের মৃত্যুর জন্য দায়ী ইউনূস-নূরজাহানদের বিচার এবং মৃত শিশুদের পরিবারকে ক্ষতিপূরণ দেওয়ার’ দাবিতে মানববন্ধন কর্মসূচি পালনের উদ্দেশে সেখানে অবস্থান নেওয়ার চেষ্টা করেন। পরে হাতবোমার বিস্ফোরণ ঘটায় আওয়ামী লীগ ও অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীরা।

মিছিলকারীরা ‘জয় বাংলা’ ও ‘শেখ হাসিনার ভয় নাই রাজপথ ছাড়ি নাই’—এমন স্লোগান দেন। একই সঙ্গে ব্যানার ও ফেস্টুনে শেখ মুজিবুর রহমান ও শেখ হাসিনার ছবি দেখা গেছে। মিছিল শেষ করে যাওয়ার সময় ককটেলগুলোর বিস্ফোরণ ঘটানো হয়।

তবে এ বিষয়ে ডিএমপির তেজগাঁও শিল্পাঞ্চল জোনের অতিরিক্ত উপ-পুলিশ কমিশনার (এডিসি) আব্দুল্লাহ আল ইমরান বলেন, আটকদের জিজ্ঞাসাবাদ চলছে। সুনির্দিষ্ট রাজনৈতিক দলের কোনো কর্মসূচির তথ্য আমাদের কাছে ছিল না। ব্যানারেও একটু ডিফরেন্ট শব্দ লেখা। ব্যানারে সাবেক অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ও স্বাস্থ্য উপদেষ্টাকে নিয়ে হামের টিকার বিষয়ে লেখা ছিল। আমরা তদন্ত করছি।

কালের আলো/এসএকে

স্ত্রীর আত্মহত্যা, আদালতে আত্মসমর্পণ করলেন অভিনেতা আলভী

বিনোদন ডেস্ক
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১৮ জুন, ২০২৬, ২:৫৮ অপরাহ্ণ
স্ত্রীর আত্মহত্যা, আদালতে আত্মসমর্পণ করলেন অভিনেতা আলভী

স্ত্রী ইভনাথ খান ইকরার আত্মহত্যার ঘটনায় রাজধানীর পল্লবী থানায় হওয়া মামলায় আদালতে আত্মসমর্পণ করে জামিন চেয়েছেন অভিনেতা জাহের আলভী।

বৃহস্পতিবার (১৮ জুন) ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট কামাল উদ্দীনের আদালতে শুনানির কথা রয়েছে।

গত ২৮ ফেব্রুয়ারি দুপুরে রাজধানীর মিরপুর ডিওএইচএস এলাকার একটি বাসা থেকে ইকরার ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। সে সময় ইকরার স্বামী অভিনেতা জাহের আলভী ছিলেন নেপালে। স্ত্রীর মৃত্যু খবরা জানিয়ে অভিনেতা লিখেছিলেন ‘আজ দুপুরে মিরপুর ডিওএইচএস-এর বাসায় আমার স্ত্রী ইকরা আত্মহত্যা করেছে। আমি নেপালে শুটিংরত ছিলাম । খবরটা শোনার পর থেকে কথা বলার মতো অবস্থায় নেই। আমি বুঝতে পারছি না আমাদের সন্তান আর আমার কথা না ভেবে সে কেন এভাবে চলে গেল।’

এ ঘটনায় ১ মার্চ আলভীকে প্রধান আসামি করে একটি মামলা করেন নিহত ইকরার বাবা। মেয়েকে প্ররোচিত করে মৃত্যুর মুখে ঠেলে দেওয়ার অভিযোগ এনেছেন তিনি। মামলায় আলভীর মা এবং পরকীয়া প্রেমিকা তিথিকেও আসামি করা হয়। উল্লেখ্য,গত ৪ জুন জাহের আলভীর মা নাসরিন সুলতানা শিউলি আত্মসমর্পণ করে জামিন পেয়েছেন।

২০১০ সালের ৯ নভেম্বর ভালোবেসে বিয়ে করেছিলেন অভিনেতা আলভী ও ইকরা। দীর্ঘ ১৪ বছর গোপন থাকার পর ২০২৪ সালে তাঁদের বিয়ের বিষয়টি প্রকাশ্যে আসে। তাঁদের সংসারে একটি পুত্রসন্তান রয়েছে।

কালের আলো/আরডি/এমডিএইচ

বিএমএতে দ্বিতীয় বাংলাদেশ ব্যাটালিয়নের কার্যক্রম শুরুর ঘোষণা সেনাপ্রধানের  

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১৮ জুন, ২০২৬, ২:৫১ অপরাহ্ণ
বিএমএতে দ্বিতীয় বাংলাদেশ ব্যাটালিয়নের কার্যক্রম শুরুর ঘোষণা সেনাপ্রধানের  

৯০তম বিএমএ দীর্ঘমেয়াদি কোর্সের কুচকাওয়াজ ও বিশেষ প্যারেড অনুষ্ঠানে সেনাপ্রধান

বাংলাদেশ মিলিটারি একাডেমির (বিএমএ) নবীন অফিসার ক্যাডেটদের প্রশিক্ষণ সমাপনী কুচকাওয়াজ ও বিশেষ প্যারেড অনুষ্ঠিত হয়েছে। দীর্ঘ দুই বছরের কঠোর ও চ্যালেঞ্জিং প্রশিক্ষণ শেষে দেশ-বিদেশের নবীন ক্যাডেটরা বাংলাদেশ সেনাবাহিনীতে আনুষ্ঠানিকভাবে কমিশন লাভ করেছেন। বৃহস্পতিবার (১৮ জুন) ৯০তম বিএমএ দীর্ঘমেয়াদি কোর্সের এই প্যারেড অনুষ্ঠিত হয়।

এতে সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান বর্তমান পরিবর্তিত বিশ্ব পরিস্থিতির সঙ্গে তাল মিলিয়ে সেনাবাহিনীর আধুনিকায়নে গৃহীত বিভিন্ন বাস্তবমুখী উন্নয়নমূলক পরিকল্পনার কথা তুলে ধরেন।

ক্যাডেটদের প্রশিক্ষণের মানোন্নয়ন, আধুনিক সুযোগ-সুবিধা নিশ্চিতকরণ এবং যুগোপযোগী প্রশিক্ষণের ধারাবাহিকতা রক্ষায় একাডেমিতে আনুষ্ঠানিকভাবে দ্বিতীয় বাংলাদেশ ব্যাটলিয়নের কার্যক্রম উদ্বোধন করার কথা জানানো হয়। সেনাপ্রধান আশা প্রকাশ করে বলেন, “প্রিয় মাতৃভূমির স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব অক্ষুণ্ণ রাখার প্রত্যয়ে এবং আধুনিক যুদ্ধক্ষেত্রের চ্যালেঞ্জ মোকাবেলায় দক্ষ ও যোগ্য নেতৃত্ব তৈরিতে এই দ্বিতীয় ব্যাটালিয়ন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে।”

বক্তব্য প্রদানকালে সেনাপ্রধান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের পক্ষ থেকে নবীন অফিসার এবং উপস্থিত সবাইকে বিশেষ সালাম ও আন্তরিক অভিনন্দন জ্ঞাপন করেন।

দেশ রক্ষায় নিয়োজিত নবীন অফিসারদের উদ্দেশ্যে সেনাপ্রধান বলেন, “তোমাদের কাছে আমার প্রত্যাশা নেতৃত্বের সর্বোচ্চ গুণাবলী যেমন— সততা, সত্যবাদিতা কর্তব্য নিষ্ঠা ও কঠোর পরিশ্রম দ্বারা সেনাবাহিনীর ওপর অর্জিত সকল দায়িত্ব তোমরা সর্বোচ্চ আন্তরিকতা ও পেশাদারত্বের সঙ্গে পালন করবে।

তোমাদেরকে যেকোনও ধরনের চ্যালেঞ্জ গ্রহণের জন্য সর্বদা প্রস্তুত থাকতে হবে। সামরিক চেতনা ও মূল্যবোধকে সমুন্নত রাখতে এবং যেকোনও সিদ্ধান্ত গ্রহণের ক্ষেত্রে দেশপ্রেমকে সর্বাধিক গুরুত্ব দিতে হবে। তোমাদেরকে সাহসিকতার সঙ্গে সকল পরিস্থিতি মোকাবেলা করতে হবে। তোমরা প্রতিনিয়ত নিজেদের সক্ষমতাকে বাড়াতে সচেষ্ট থাকবে।

সেনাবাহিনীর দীর্ঘদিনের ঐতিহ্য, সুনিয়ন্ত্রিত জীবনযাপন পদ্ধতি মনে প্রাণে গ্রহণ করবে এবং সর্বদা নিজেদেরকে শারীরিক ও মানসিকভাবে প্রস্তুত রাখবে। মনে রাখবে তোমাদের উপর অর্পিত হবে সেনাবাহিনীর ভবিষ্যৎ নেতৃত্বের গুরু দায়িত্ব।”

তিনি ক্যাডেটদের সেনাবাহিনীর মূলমন্ত্র— ‘সমরে আমরা, শান্তিতে আমরা, সর্বত্র আমরা দেশের তরে’— এই আদর্শে উজ্জীবিত হয়ে মাতৃভূমির স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষাকে জীবনের প্রথম ও প্রধান ব্রত হিসেবে গ্রহণ করার নির্দেশ দেন।

অনুষ্ঠানে বাংলাদেশ ছাড়াও বিদেশী ক্যাডেটদের অসামান্য সাফল্যের প্রশংসা করা হয়। প্রধান অতিথি বলেন, বিদেশী ক্যাডেটরা নিজ নিজ দেশে ফিরে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর ‘শুভেচ্ছা দূত’ হিসেবে কাজ করবেন।

পাশাপাশি ভারত, পাকিস্তান, শ্রীলঙ্কা, জিম্বাবুয়ে এবং জাম্বিয়া থেকে আগত উচ্চপদস্থ প্রতিনিধিদলকে ধন্যবাদ জানিয়ে বলা হয়, তাদের এই উপস্থিতি আমাদের সশস্ত্র বাহিনীগুলোর মধ্যকার পারস্পরিক বন্ধুত্ব ও দৃঢ় সংহতির প্রতীক।

চমৎকার প্যারেড প্রদর্শনের জন্য সেনাপ্রধান ক্যাডেট ও বিএমএ’র সংশ্লিষ্ট সব কর্মকর্তা-কর্মচারীকে ধন্যবাদ জানান। অনুষ্ঠানে প্রশিক্ষণে অনন্য শ্রেষ্ঠত্ব অর্জনের জন্য বিশেষ পুরষ্কার তুলে দেওয়া হয়।

সোর্ড অব অনার ও সেনাবাহিনী প্রধান স্বর্ণপদক লাভ করেন ব্যাটালিয়ন সিনিয়র আন্ডার অফিসার খাইরুল এবং বিএমএ ট্রফি অব এক্সিলেন্স অর্জন করেন তানজানিয়ার ক্যাডেট সার্জেন্ট আবু বকর।

সবশেষে নবীন অফিসারদের গর্বিত পিতা-মাতা, অভিভাবক এবং উপস্থিত অতিথিবৃন্দের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়ে এবং সবার সুখ ও গৌরবময় ভবিষ্যৎ কামনা করেন সেনাপ্রধান।

কালের আলো/এএইচ/এমএসআইপি