খুঁজুন
                               
বৃহস্পতিবার, ১৮ জুন, ২০২৬, ৪ আষাঢ়, ১৪৩৩
           

আগামী দিনে ফল হবে বাংলাদেশের শক্তিশালী রফতানি পণ্য: কৃষিমন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১৮ জুন, ২০২৬, ১২:০৫ অপরাহ্ণ
আগামী দিনে ফল হবে বাংলাদেশের শক্তিশালী রফতানি পণ্য: কৃষিমন্ত্রী

দেশে ফল উৎপাদনে উল্লেখযোগ্য অগ্রগতির ধারাবাহিকতা বজায় থাকলে আগামী দিনে ফল বাংলাদেশের অন্যতম শক্তিশালী রফতানি পণ্যে পরিণত হবে বলে আশা প্রকাশ করেছেন কৃষি এবং মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী মোহাম্মদ আমিন উর রশিদ।

বৃহস্পতিবার (১৮ জুন) সকালে রাজধানীর ফার্মগেটে কৃষিবিদ ইনস্টিটিউশন বাংলাদেশ (কেআইবি) চত্বরে জাতীয় ফল মেলার উদ্বোধন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

মন্ত্রী বলেন, ‘বর্তমানে দেশের অভ্যন্তরীণ চাহিদা পূরণে সক্ষমতা বাড়ছে, আমদানি কমছে এবং ইতোমধ্যে আম, আনারস ও কাঁঠাল রফতানিও শুরু হয়েছে। খুব শিগগিরই ড্রাগন ফলসহ আরও বিভিন্ন ফল বিদেশে রফতানির সুযোগ তৈরি হবে।’

কৃষিমন্ত্রী বলেন, ‘সরকারের লক্ষ্য হলো দেশের মানুষের ফলের চাহিদা পূরণ করে উদ্বৃত্ত উৎপাদন বিদেশে রফতানি করা। জাতীয় ফল মেলা এ ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে। প্রতিবছর আয়োজিত এ মেলা দেশে ফল উৎপাদনে এক ধরনের বিপ্লব ঘটিয়েছে। এ মেলায় দেশীয় বিলুপ্তপ্রায় নানা জাতের ফলের পাশাপাশি আগে আমদানিনির্ভর বিদেশি ফলের সফল উৎপাদনের চিত্রও উঠে এসেছে।’

তিনি বলেন, ‘কয়েক বছর আগেও বাংলাদেশে ড্রাগন ফল আমদানি করতে হতো। এখন দেশের কৃষকেরা এমন মানসম্পন্ন ও সুস্বাদু ড্রাগন ফল উৎপাদন করছেন, যা বিদেশি ফলের চেয়েও স্বাদে ভালো। এ কারণে ভবিষ্যতে ড্রাগন ফলও রফতানি করা সম্ভব হবে বলে সরকার আশাবাদী।’

মন্ত্রী আরও বলেন, ‘শুধু তাজা ফল নয়, ফলভিত্তিক প্রক্রিয়াজাত পণ্যের বাজারও দ্রুত সম্প্রসারিত হচ্ছে। কাঁঠাল দিয়ে পিঠা, সিঙ্গারা, চমচম, কাবাবসহ নানা ধরনের খাদ্যপণ্য তৈরি হচ্ছে, যা পুষ্টিগুণে সমৃদ্ধ। বিশ্বের কয়েকটি দেশ বাংলাদেশ থেকে কাঁঠাল নিয়ে এসব পণ্য উৎপাদনের আগ্রহ দেখিয়েছে। একই সঙ্গে দেশের ক্ষুদ্র উদ্যোক্তারাও এ ধরনের পণ্য তৈরিতে এগিয়ে আসছেন।’

তিনি জানান, ইতোমধ্যে বাংলাদেশ থেকে আম, আনারস ও কাঁঠাল রফতানি শুরু হয়েছে। চলতি বছরে কাঁঠাল রফতানি আরও বাড়বে বলে আশা করা হচ্ছে। এ লক্ষ্যে চীনের সঙ্গে একটি চুক্তির উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। তিনি বলেন, আগামী দিনে ফল বাংলাদেশের অন্যতম শক্তিশালী রফতানি পণ্যে পরিণত হবে।

রফতানি সম্প্রসারণে কৃষি মন্ত্রণালয় কৃষকদের উৎপাদনে উৎসাহিত করার পাশাপাশি ক্রেতা ও রফতানিকারকদের মধ্যে সংযোগ তৈরির কাজ করছে বলেও জানান তিনি। ভবিষ্যতে দেশে যেমন ফল মেলার আয়োজন অব্যাহত থাকবে, তেমনি বিদেশেও বাংলাদেশি ফলের প্রচার ও বাজার সম্প্রসারণে আন্তর্জাতিক ফল মেলার আয়োজনের পরিকল্পনা রয়েছে বলে জানান মন্ত্রী।

কৃষি বাজেট নিয়ে এক প্রশ্নের জবাবে মোহাম্মদ আমিন উর রশিদ বলেন, ‘অনেকেই মনে করছেন কৃষি বাজেট কমেছে, কিন্তু বাস্তবে তা নয়। গত অর্থবছরের তুলনায় কৃষি বাজেট ১০ শতাংশ বেড়েছে এবং উন্নয়ন বাজেট বেড়েছে ৫৯ শতাংশ। অতীতের যেকোনো সময়ের তুলনায় এবার কৃষি খাতে সর্বোচ্চ বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। কারণ সরকারের মূল পরিকল্পনার কেন্দ্রবিন্দুতেই রয়েছে কৃষি ও খাদ্য নিরাপত্তা।’

কালের আলো/এসআর/এএএন

ঢাকায় আ.লীগের ঝটিকা মিছিল, ককটেল বিস্ফোরণ

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১৮ জুন, ২০২৬, ৩:০৬ অপরাহ্ণ
ঢাকায় আ.লীগের ঝটিকা মিছিল, ককটেল বিস্ফোরণ

Oplus_131072

সাবেক অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মোহাম্মদ ইউনূস ও সাবেক স্বাস্থ্য উপদেষ্টা নুরজাহান বেগমের শাস্তির দাবিতে ঢাকায় মিছিল বের করেছে কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ ও দলটির অঙ্গ সংগঠনের নেতাকর্মীরা। সেই ঝটিকা মিছিল থেকে তিন-চারটি ককটেল বিস্ফোরণ ঘটানো হয়।

বৃহস্পতিবার (১৮ জুন) সকাল ৯টার দিকে রাজধানীর মহাখালী বাস টার্মিনালের মূল সড়কে এ মিছিল বের করা হয়। মিছিল থেকে এক নারীসহ দুজনকে আটক করার কথা জানিয়েছে তেজগাঁও শিল্পাঞ্চল থানা পুলিশ।

আটকরা হলেন- মিজানুর রহমান হাওলাদার (৪০), শামীম আরা বেবি (৫০) ও শামীম হোসেন (৪৮)।

শিল্পাঞ্চল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মুহাম্মদ মাহবুবুর রহমান বলেন, সকাল সোয়া ৯টার দিকে তিন-চার‍টি ককটেল বিস্ফোরণ ঘটানো হয়েছে।

কারা ককটেল বিস্ফোরণ ঘটিয়েছে এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ ও দলটির অঙ্গ সংগঠনের লোকজন এটি ঘটিয়েছে। যারা ঘটিয়েছে তাদের মধ্য থেকে তিনজনকে আটক করা হয়েছে।

গুলশান ট্রাফিক পুলিশের সদস্যরা বলেন, প্রগতিশীল নাগরিক সমাজ ব্যানারে আনুমানিক ১০ থেকে ১৫ জন জড়ো হওয়ার চেষ্টা করেন। তাদের হাতে নিষিদ্ধ ঘোষিত একটি সংগঠনের প্ল্যাকার্ডও ছিল। তারা ‘প্রতিরোধযোগ্য হাম রোগে নিষ্পাপ সম্ভাবনাময় শিশুদের মৃত্যুর জন্য দায়ী ইউনূস-নূরজাহানদের বিচার এবং মৃত শিশুদের পরিবারকে ক্ষতিপূরণ দেওয়ার’ দাবিতে মানববন্ধন কর্মসূচি পালনের উদ্দেশে সেখানে অবস্থান নেওয়ার চেষ্টা করেন। পরে হাতবোমার বিস্ফোরণ ঘটায় আওয়ামী লীগ ও অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীরা।

মিছিলকারীরা ‘জয় বাংলা’ ও ‘শেখ হাসিনার ভয় নাই রাজপথ ছাড়ি নাই’—এমন স্লোগান দেন। একই সঙ্গে ব্যানার ও ফেস্টুনে শেখ মুজিবুর রহমান ও শেখ হাসিনার ছবি দেখা গেছে। মিছিল শেষ করে যাওয়ার সময় ককটেলগুলোর বিস্ফোরণ ঘটানো হয়।

তবে এ বিষয়ে ডিএমপির তেজগাঁও শিল্পাঞ্চল জোনের অতিরিক্ত উপ-পুলিশ কমিশনার (এডিসি) আব্দুল্লাহ আল ইমরান বলেন, আটকদের জিজ্ঞাসাবাদ চলছে। সুনির্দিষ্ট রাজনৈতিক দলের কোনো কর্মসূচির তথ্য আমাদের কাছে ছিল না। ব্যানারেও একটু ডিফরেন্ট শব্দ লেখা। ব্যানারে সাবেক অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ও স্বাস্থ্য উপদেষ্টাকে নিয়ে হামের টিকার বিষয়ে লেখা ছিল। আমরা তদন্ত করছি।

কালের আলো/এসএকে

স্ত্রীর আত্মহত্যা, আদালতে আত্মসমর্পণ করলেন অভিনেতা আলভী

বিনোদন ডেস্ক
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১৮ জুন, ২০২৬, ২:৫৮ অপরাহ্ণ
স্ত্রীর আত্মহত্যা, আদালতে আত্মসমর্পণ করলেন অভিনেতা আলভী

স্ত্রী ইভনাথ খান ইকরার আত্মহত্যার ঘটনায় রাজধানীর পল্লবী থানায় হওয়া মামলায় আদালতে আত্মসমর্পণ করে জামিন চেয়েছেন অভিনেতা জাহের আলভী।

বৃহস্পতিবার (১৮ জুন) ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট কামাল উদ্দীনের আদালতে শুনানির কথা রয়েছে।

গত ২৮ ফেব্রুয়ারি দুপুরে রাজধানীর মিরপুর ডিওএইচএস এলাকার একটি বাসা থেকে ইকরার ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। সে সময় ইকরার স্বামী অভিনেতা জাহের আলভী ছিলেন নেপালে। স্ত্রীর মৃত্যু খবরা জানিয়ে অভিনেতা লিখেছিলেন ‘আজ দুপুরে মিরপুর ডিওএইচএস-এর বাসায় আমার স্ত্রী ইকরা আত্মহত্যা করেছে। আমি নেপালে শুটিংরত ছিলাম । খবরটা শোনার পর থেকে কথা বলার মতো অবস্থায় নেই। আমি বুঝতে পারছি না আমাদের সন্তান আর আমার কথা না ভেবে সে কেন এভাবে চলে গেল।’

এ ঘটনায় ১ মার্চ আলভীকে প্রধান আসামি করে একটি মামলা করেন নিহত ইকরার বাবা। মেয়েকে প্ররোচিত করে মৃত্যুর মুখে ঠেলে দেওয়ার অভিযোগ এনেছেন তিনি। মামলায় আলভীর মা এবং পরকীয়া প্রেমিকা তিথিকেও আসামি করা হয়। উল্লেখ্য,গত ৪ জুন জাহের আলভীর মা নাসরিন সুলতানা শিউলি আত্মসমর্পণ করে জামিন পেয়েছেন।

২০১০ সালের ৯ নভেম্বর ভালোবেসে বিয়ে করেছিলেন অভিনেতা আলভী ও ইকরা। দীর্ঘ ১৪ বছর গোপন থাকার পর ২০২৪ সালে তাঁদের বিয়ের বিষয়টি প্রকাশ্যে আসে। তাঁদের সংসারে একটি পুত্রসন্তান রয়েছে।

কালের আলো/আরডি/এমডিএইচ

বিএমএতে দ্বিতীয় বাংলাদেশ ব্যাটালিয়নের কার্যক্রম শুরুর ঘোষণা সেনাপ্রধানের  

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১৮ জুন, ২০২৬, ২:৫১ অপরাহ্ণ
বিএমএতে দ্বিতীয় বাংলাদেশ ব্যাটালিয়নের কার্যক্রম শুরুর ঘোষণা সেনাপ্রধানের  

৯০তম বিএমএ দীর্ঘমেয়াদি কোর্সের কুচকাওয়াজ ও বিশেষ প্যারেড অনুষ্ঠানে সেনাপ্রধান

বাংলাদেশ মিলিটারি একাডেমির (বিএমএ) নবীন অফিসার ক্যাডেটদের প্রশিক্ষণ সমাপনী কুচকাওয়াজ ও বিশেষ প্যারেড অনুষ্ঠিত হয়েছে। দীর্ঘ দুই বছরের কঠোর ও চ্যালেঞ্জিং প্রশিক্ষণ শেষে দেশ-বিদেশের নবীন ক্যাডেটরা বাংলাদেশ সেনাবাহিনীতে আনুষ্ঠানিকভাবে কমিশন লাভ করেছেন। বৃহস্পতিবার (১৮ জুন) ৯০তম বিএমএ দীর্ঘমেয়াদি কোর্সের এই প্যারেড অনুষ্ঠিত হয়।

এতে সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান বর্তমান পরিবর্তিত বিশ্ব পরিস্থিতির সঙ্গে তাল মিলিয়ে সেনাবাহিনীর আধুনিকায়নে গৃহীত বিভিন্ন বাস্তবমুখী উন্নয়নমূলক পরিকল্পনার কথা তুলে ধরেন।

ক্যাডেটদের প্রশিক্ষণের মানোন্নয়ন, আধুনিক সুযোগ-সুবিধা নিশ্চিতকরণ এবং যুগোপযোগী প্রশিক্ষণের ধারাবাহিকতা রক্ষায় একাডেমিতে আনুষ্ঠানিকভাবে দ্বিতীয় বাংলাদেশ ব্যাটলিয়নের কার্যক্রম উদ্বোধন করার কথা জানানো হয়। সেনাপ্রধান আশা প্রকাশ করে বলেন, “প্রিয় মাতৃভূমির স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব অক্ষুণ্ণ রাখার প্রত্যয়ে এবং আধুনিক যুদ্ধক্ষেত্রের চ্যালেঞ্জ মোকাবেলায় দক্ষ ও যোগ্য নেতৃত্ব তৈরিতে এই দ্বিতীয় ব্যাটালিয়ন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে।”

বক্তব্য প্রদানকালে সেনাপ্রধান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের পক্ষ থেকে নবীন অফিসার এবং উপস্থিত সবাইকে বিশেষ সালাম ও আন্তরিক অভিনন্দন জ্ঞাপন করেন।

দেশ রক্ষায় নিয়োজিত নবীন অফিসারদের উদ্দেশ্যে সেনাপ্রধান বলেন, “তোমাদের কাছে আমার প্রত্যাশা নেতৃত্বের সর্বোচ্চ গুণাবলী যেমন— সততা, সত্যবাদিতা কর্তব্য নিষ্ঠা ও কঠোর পরিশ্রম দ্বারা সেনাবাহিনীর ওপর অর্জিত সকল দায়িত্ব তোমরা সর্বোচ্চ আন্তরিকতা ও পেশাদারত্বের সঙ্গে পালন করবে।

তোমাদেরকে যেকোনও ধরনের চ্যালেঞ্জ গ্রহণের জন্য সর্বদা প্রস্তুত থাকতে হবে। সামরিক চেতনা ও মূল্যবোধকে সমুন্নত রাখতে এবং যেকোনও সিদ্ধান্ত গ্রহণের ক্ষেত্রে দেশপ্রেমকে সর্বাধিক গুরুত্ব দিতে হবে। তোমাদেরকে সাহসিকতার সঙ্গে সকল পরিস্থিতি মোকাবেলা করতে হবে। তোমরা প্রতিনিয়ত নিজেদের সক্ষমতাকে বাড়াতে সচেষ্ট থাকবে।

সেনাবাহিনীর দীর্ঘদিনের ঐতিহ্য, সুনিয়ন্ত্রিত জীবনযাপন পদ্ধতি মনে প্রাণে গ্রহণ করবে এবং সর্বদা নিজেদেরকে শারীরিক ও মানসিকভাবে প্রস্তুত রাখবে। মনে রাখবে তোমাদের উপর অর্পিত হবে সেনাবাহিনীর ভবিষ্যৎ নেতৃত্বের গুরু দায়িত্ব।”

তিনি ক্যাডেটদের সেনাবাহিনীর মূলমন্ত্র— ‘সমরে আমরা, শান্তিতে আমরা, সর্বত্র আমরা দেশের তরে’— এই আদর্শে উজ্জীবিত হয়ে মাতৃভূমির স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষাকে জীবনের প্রথম ও প্রধান ব্রত হিসেবে গ্রহণ করার নির্দেশ দেন।

অনুষ্ঠানে বাংলাদেশ ছাড়াও বিদেশী ক্যাডেটদের অসামান্য সাফল্যের প্রশংসা করা হয়। প্রধান অতিথি বলেন, বিদেশী ক্যাডেটরা নিজ নিজ দেশে ফিরে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর ‘শুভেচ্ছা দূত’ হিসেবে কাজ করবেন।

পাশাপাশি ভারত, পাকিস্তান, শ্রীলঙ্কা, জিম্বাবুয়ে এবং জাম্বিয়া থেকে আগত উচ্চপদস্থ প্রতিনিধিদলকে ধন্যবাদ জানিয়ে বলা হয়, তাদের এই উপস্থিতি আমাদের সশস্ত্র বাহিনীগুলোর মধ্যকার পারস্পরিক বন্ধুত্ব ও দৃঢ় সংহতির প্রতীক।

চমৎকার প্যারেড প্রদর্শনের জন্য সেনাপ্রধান ক্যাডেট ও বিএমএ’র সংশ্লিষ্ট সব কর্মকর্তা-কর্মচারীকে ধন্যবাদ জানান। অনুষ্ঠানে প্রশিক্ষণে অনন্য শ্রেষ্ঠত্ব অর্জনের জন্য বিশেষ পুরষ্কার তুলে দেওয়া হয়।

সোর্ড অব অনার ও সেনাবাহিনী প্রধান স্বর্ণপদক লাভ করেন ব্যাটালিয়ন সিনিয়র আন্ডার অফিসার খাইরুল এবং বিএমএ ট্রফি অব এক্সিলেন্স অর্জন করেন তানজানিয়ার ক্যাডেট সার্জেন্ট আবু বকর।

সবশেষে নবীন অফিসারদের গর্বিত পিতা-মাতা, অভিভাবক এবং উপস্থিত অতিথিবৃন্দের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়ে এবং সবার সুখ ও গৌরবময় ভবিষ্যৎ কামনা করেন সেনাপ্রধান।

কালের আলো/এএইচ/এমএসআইপি