খুঁজুন
                               
, ,
           

এইচএসসি পরীক্ষার প্রথম দুই দিনে কেন্দুয়ায় ১১৫ পরীক্ষার্থী অনুপস্থিত

কেন্দুয়া ( নেএকোনা) প্রতিবেদক
প্রকাশিত: রবিবার, ৫ জুলাই, ২০২৬, ৬:৫০ অপরাহ্ণ
এইচএসসি পরীক্ষার প্রথম দুই দিনে কেন্দুয়ায়  ১১৫ পরীক্ষার্থী অনুপস্থিত

নেত্রকোণার কেন্দুয়া উপজেলায় ২০২৬ সালের এইচএসসি, আলিম ও এইচএসসি (বিএমটি) পরীক্ষার প্রথম দুই দিনে মোট ১১৫ জন পরীক্ষার্থী অনুপস্থিত ছিলেউপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিস সূত্রে জানা গেছে, ২ জুলাই অনুষ্ঠিত বাংলা প্রথমপত্র পরীক্ষায় এইচএসসিতে ৩৩ জন, আলিমে ৬ জন এবং এইচএসসি (বিপরীক্ষায় ১৫ জন পরীক্ষার্থী অনুপস্থিত ছিলেন। এদিন মোট অনুপস্থিতির সংখ্যা ছিল ৫৪ জন।

এছাড়া ৪ জুলাই অনুষ্ঠিত বাংলা দ্বিতীয়পত্র পরীক্ষায় এইচএসসিতে ৩৬ জন, আলিমে ৬ জন এবং এইচএসসি (বিএমটি) পরীক্ষায় ১৯ জন পরীক্ষার্থী অনুপস্থিত ছিলেন। এদিন মোট অনুপস্থিতির সংখ্যা ছিল ৬১ জন।

প্রথম দুই দিনে মোট ১১৫ জন পরীক্ষার্থীর অনুপস্থিতির বিষয়ে জানতে চাইলে উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা (অতিরিক্ত দায়িত্ব) মো. শফিকুল বারী বলেন, বর্তমান পরীক্ষা ব্যবস্থায় কঠোর নজরদারি এবং নিয়মকানুন কঠোরভাবে অনুসরণ করায় শিক্ষার্থীদের উপস্থিতির হার আগের তুলনায় কিছুটা কমেছে।

কেন্দুয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. রিফাতুল ইসলাম বলেন, বর্তমানে পরীক্ষা কেন্দ্রগুলোতে কঠোরভাবে নকলমুক্ত পরিবেশ নিশ্চিত করা হচ্ছে। প্রতিটি কেন্দ্রে সিসিটিভির মাধ্যমে নজরদারি রয়েছে। ফলে আগের মতো অনিয়মের সুযোগ না থাকায় কিছু পরীক্ষার্থী অনুপস্থিত থাকছে। শিক্ষার্থীদের নিয়মিত অধ্যয়ন ও প্রস্তুতির মাধ্যমে পরীক্ষায় অংশগ্রহণের আহ্বান জানান তিনি।

উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিস সূত্রে আরও জানা যায়, চলতি বছরের এইচএসসি, আলিম ও এইচএসসি (বিএমটি) পরীক্ষায় কেন্দুয়া উপজেলায় মোট পরীক্ষার্থী ২ হাজার ৮৭৭ জন। এর মধ্যে এইচএসসিতে ১ হাজার ৬৭৭ জন, আলিমে ১৪৬ জন এবং এইচএসসি (বিএমটি) পরীক্ষায় ১ হাজার ৫৪ জন অংশ নিচ্ছেন।

কালের আলো/এএইচ/এমএসআইপি 

হালান্ডের গোলে এগিয়ে গেল নরওয়ে

স্পোর্টস ডেস্ক
প্রকাশিত: সোমবার, ৬ জুলাই, ২০২৬, ৩:৫০ পূর্বাহ্ণ
হালান্ডের গোলে এগিয়ে গেল নরওয়ে

প্রথমার্ধ গোলশূন্যতে শেষ হওয়ার পর দ্বিতীয়ার্ধে আক্রমণের ধার বাড়িয়ে দেয় ব্রাজিল। কিন্তু গোলের সুবর্ণ সুযোগ পেয়েও লিড নিতে পারেনি সেলেসাও। এদিকে ম্যাচের ৭৯তম মিনিটে ব্রাজিলের জালে এক গোল দিয়ে বসেন আর্লিং হালান্ড। তাতেই এগিয়ে গেল নরওয়ে।

যুক্তরাষ্ট্রের নিউজার্সি স্টেডিয়ামে কোয়ার্টার ফাইনালে উঠার লড়াইয়ে মুখোমুখি হয়েছে ব্রাজিল-নরওয়ে। ম্যাচের শুরু থেকেই ছিল টানটান উত্তেজনা। ম্যাচের শুরুতেই ব্রাজিলের মনে ভয় ধরিয়ে দিয়েছিল ইউরোপের দলটি।

ম্যাচের চতুর্থ মিনিটেই ব্রাজিলের জালে বলও পাঠিয়ে দিয়েছিল নরওয়ে। সঙ্গে সঙ্গে স্তব্ধ হয়ে গিয়েছিল পুরো স্টেডিয়াম। কিন্তু অফসাইডের কারণে গোলটি বাতিল করেন রেফালি। তাতেই যেন প্রাণ ফিরে পায় ব্রাজিলিয়ান সমর্থকরা। আলিসনকে ফাঁকি দিয়ে অফসাইডে দেওয়া গোলটি ছিল প্যাটট্রিক বার্গের।

এদিকে ম্যাচের দশম মিনিটে লিড নিতে পারতো নরওয়ে। ডি-বক্সের ভেতরে ম্যাথিউস কুনহাকে ফাউল করেন নরওয়ের এক ডিফেন্ডার। ভিএআরের মাধ্যমে ফাউল ঘোষণা করে পেনাল্টি দেন রেফারি। পেনাল্টি কিক নিতে আসেন ব্রুনো গুইমারেস। তার নেওয়া শটটি বীরত্ব দেখিয়ে ঠেকিয়ে দেন নরওয়ের গোলরক্ষক ওরইয়ান নাইল্যান্ড।

পেনাল্টি মিসের ধাক্কা সামলে প্রথমার্ধের শেষদিকে ম্যাথিউস কুনহা এবং মার্তিনেল্লি দূরপাল্লার শটে গোল করার চেষ্টা করলেও নরওয়ের ডিফেন্ডাররা তা প্রতিহত করেন। ফলে আক্রমণের পর আক্রমণ করেও গোলহীনভাবেই বিরতিতে যেতে হয় লাতিন আমেরিকার দলটিকে।

দ্বিতীয়ার্ধের শুরুতেই একাদশে দুটি পরিবর্তন আনে নরওয়ে। মাঠে নামেন অস্কার বব ও আন্দ্রেয়াস শেলদেরুপ।

এদিকে ম্যাচের ৫৮তম মিনিটে কুনহা পরবির্তে এন্দ্রিককে মাঠে নামান কার্লো আনচেলত্তি। মাঠে নামার প্রথম মিনিটেই গোলে এক সুবর্ণ সুযোগ মিস করেন এই উদীয়মান ব্রাজিলিয়ান তারকা।

বামপ্রান্ত থেকে আক্রমণে আসা ভিনিসিয়ুস এক দুর্দান্ত পাস দেন এন্দ্রিক করে। বল নিয়ে নরওয়ের বক্সের ভেতরে ঢুকে যান তিনি। সামনে ছিলেন কেবল গোলরক্ষক। টোকা দিয়ে বল জালে জড়াতে চেয়েছিলেন তিনি। কিন্তু বলটি চলে যায় গোলবার পাশ দিয়ে।

৬২তম মিনিটে বক্সের খানিক বাইরে থেকে দুর্দান্ত এক শট নিয়েছিলেন রায়ান। এবারও নরওয়ের ত্রাতা হয়ে উঠেন গোলরক্ষক নাইল্যান্ড। এক মিনিট পরেই দুর্দান্ত এক সুযোগ নষ্ট করেন গুইমারেস।

ম্যাচের ৬৭তম মিনিটে আসে সেই মাহেদ্রক্ষণ। না, কোনো গোল হয়নি। এসময় বদলি খেলোয়াড় হিসেবে মাঠে নামেন ব্রাজিলের সর্বকালের সর্বোচ্চ গোলদাতা নেইমার জুনিয়র। তার সঙ্গে দানিলোকেও মাঠে নামান কোচ আনচেলত্তি।

কালের আলো/জেএন/এমএসআইপি 

দেশে ফিরে বীরোচিত সংবর্ধনা পেলেন কেপ ভার্দের ফুটবলাররা

স্পোর্টস ডেস্ক
প্রকাশিত: সোমবার, ৬ জুলাই, ২০২৬, ৩:০৪ পূর্বাহ্ণ
দেশে ফিরে বীরোচিত সংবর্ধনা পেলেন কেপ ভার্দের ফুটবলাররা

ফিফা বিশ্বকাপে নিজেদের প্রথম অংশগ্রহণেই বিশ্ববাসীকে তাক লাগিয়ে দিয়ে দেশে ফিরে বীরোচিত সংবর্ধনা পেলেন কেপ ভার্দের ফুটবল দল। রবিবার দেশটির রাজধানী প্রেইয়াতে বিমান থেকে নামার পর আবেগে আপ্লুত সমর্থকরা তাদের প্রিয় ব্লু শার্কস ফুটবলারদের রাজকীয় অভ্যর্থনা জানায়।

বিশ্বচ্যাম্পিয়ন আর্জেন্টিনার বিরুদ্ধে মাঠের শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত লড়াই করে টাইব্রেকারের মাত্র ১০ মিনিট আগে হেরে টুর্নামেন্ট থেকে বিদায় নিলেও দেশের মানুষের কাছে তারা এখন একেকজন জাতীয় বীর।

রবিবার প্রেইয়া বিমানবন্দরের চারপাশ রূপ নিয়েছিল এক টুকরো উৎসবে। ড্রামের আওয়াজ, নাচ, স্লোগান আর জাতীয় পতাকা হাতে হাজারো মানুষের ভিড় বিমানবন্দর এলাকাকে একটি কার্নিভালে পরিণত করে।

পুরো টুর্নামেন্টে দুর্দান্ত পারফর্ম করে বিশ্বজুড়ে কোটি ভক্তের মন জয় করা অভিজ্ঞ গোলরক্ষক ভোজিনহা বলেন, ‘আমাদের দেশের মানুষের মাঝে এভাবে ফিরে আসতে পারাটা সত্যিই এক অসাধারণ মুহূর্ত। আমরা আরও বড় কিছুর আশা নিয়ে গিয়েছিলাম, পরের রাউন্ডে যেতে পারিনি ঠিকই, তবে এখন আমরা মানুষের সঙ্গে এই বিশেষ অর্জনটি উদযাপন করতে চাই।’

বিশ্বকাপের ইতিহাসে দ্বিতীয় ক্ষুদ্রতম দেশ হিসেবে অংশ নেওয়া কেপ ভার্দে এবারই প্রথম বিশ্বমঞ্চে খেলার সুযোগ পায়। তারা গ্রুপ পর্বেই স্পেন ও উরুগুয়েকে রুখে দিয়ে ইতিহাস গড়েছিল।

এই অবিশ্বাস্য উদযাপনের আনন্দ আরও দ্বিগুণ হয়ে গেছে। কারণ এদিন কেপ ভার্দের জাতীয় স্বাধীনতা দিবস ছিল। পর্তুগিজ উপনিবেশ থেকে মুক্ত হওয়ার ৫১তম বার্ষিকীতেই ফুটবলারদের এই ঐতিহাসিক সাফল্য পুরো দ্বীপরাষ্ট্র জুড়েই যেন উৎসবের রঙ ছড়িয়ে দিয়েছে।

কালের আলো/জেএন/এমএসআইপি 

হট্টগোলে পণ্ড যুবদলের জরুরি সভা

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: সোমবার, ৬ জুলাই, ২০২৬, ১:৩৮ পূর্বাহ্ণ
হট্টগোলে পণ্ড যুবদলের জরুরি সভা

জাতীয়তাবাদী যুবদলের জরুরি সভায় হট্টগোলের ঘটনা ঘটেছে। সদ্যঘোষিত নির্বাহী কমিটিতে নিষ্ক্রিয় ও বিতর্কিতদের নিয়ে সংবাদ প্রকাশের বিষয়ে আলোচনা করতে গিয়ে তর্ক-বির্তকে জড়িয়ে পড়েন সংগঠনটির সভাপতি আব্দুল মোনায়েম মুন্না ও সাধারণ সম্পাদক নুরুল ইসলাম নয়ন। পরে স্থগিত করা হয় জরুরি সভা।

রোববার (৫ জুলাই) বিকালে রাজধানীর নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের চতুর্থ তলায় এ ঘটনা ঘটে।

বৈঠকে অংশ নেওয়া একাধিক সূত্র জানিয়েছে, সদ্য ঘোষিত ১৫১ সদস্যের কমিটিতে বিতর্কিতদের দায় একজন আরেকজনের ওপর চাপানোর চেষ্টা করলে পরিস্থিতি ঘোলাটে হয়ে ওঠে। এ নিয়ে চরম হট্টগোল সৃষ্টি হয়। একপর্যায়ে সভাপতি আবদুল মোনায়েম মুন্না ও সাধারণ সম্পাদক নুরুল ইসলাম নয়নও নিজেদের মধ্যে বাকবিতণ্ডায় জড়িয়ে পড়েন। তাদের কথাবার্তা ‘তুই-তুকারির’ পর্যায়ে চলে যায়।

যুবদলের একজন যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক জানান, নতুন কমিটির বিতর্কিত ও দীর্ঘদিন ধরে সংগঠনে নিস্ক্রিয় থাকা সহ-সভাপতি ফিরোজ আবদুল্লাহর অতীত রাজনৈতিক পরিচয় জানতে চান যুবদলের সভাপতি মুন্না। এ থেকে ঘটনার সূত্রপাত। পালটা সাধারণ সম্পাদক নয়নও নিষ্ক্রিয় মো. কামরুজ্জামান, শামসুজ্জোহা সুমন ও মনিরুল ইসলাম সোহাগের বিগত আন্দোলনে ভূমিকা সম্পর্কে প্রশ্ন তোলেন।

সূত্র জানায়, কমিটির মান ও মর্যাদা নষ্ট হওয়ার জন্য সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক গ্রুপ একে-অপরকে দোষারোপ করতে থাকে। সদ্যঘোষিত কমিটির সহ-সভাপতি মাহমুদুস সালেহীন, আরেক সহ-সভাপতি জিয়াউর রহমান জিয়াকে কক্সবাজারে যথাযথ সন্মান না দেওয়ার বিষয়টি মিটিংয়ে উপস্থাপন করেন। এ সময় মাহমুদুস সালেহীন রাজনীতি না করে পদ পাওয়ার বিষয়ে বেশ কয়েকজন মন্তব্য করেন।

অন্যদিকে, সাধারণ সম্পাদক নুরুল ইসলাম নয়ন সহ-সভাপতি ফিরোজ আবদুল্লাহকে সতর্ক করে বলেন, ‘তুমি সভাপতির স্বাক্ষরে সহ-সভাপতি হয়েছ’। এমন সময় ফিরোজ আব্দুল্লাহ মিটিং থেকে বের হয়ে যান। পরে উত্তেজনা আরও চরম মাত্রায় পৌঁছালে মিটিং স্থগিত করা হয়।

কালের আলো/এএন/এমএসআইপি