খুঁজুন
                               
, ,
           

২৮ বছর পর বিশ্বকাপে ভারতীয় আম্পায়ার ছাড়াই হকি

স্পোর্টস ডেস্ক
প্রকাশিত: রবিবার, ৯ আগস্ট, ২০২৬, ৩:৪৯ অপরাহ্ণ
২৮ বছর পর বিশ্বকাপে ভারতীয় আম্পায়ার ছাড়াই হকি

প্রায় তিন দশক পর বিরল এক অভিজ্ঞতার মুখোমুখি হতে যাচ্ছে ভারতীয় হকি। দীর্ঘ ২৮ বছর পর প্রথমবারের মতো কোনো ভারতীয় আম্পায়ার ছাড়াই অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে হকি বিশ্বকাপ।

সবশেষ ১৯৯৮ সালে নেদারল্যান্ডসে অনুষ্ঠিত বিশ্বকাপে কোনো ভারতীয় আম্পায়ার ম্যাচ পরিচালনার দায়িত্বে ছিলেন না। এবারও নেদারল্যান্ডসের আয়োজনে অনুষ্ঠিত বিশ্বকাপে নেই ভারতের কোনো আম্পায়ার।

আগামী ১৪ আগস্ট নেদারল্যান্ডস ও বেলজিয়ামের যৌথ আয়োজনে শুরু হবে হকি বিশ্বকাপের ১৬তম আসর। টুর্নামেন্টের ‘ডি’ পুলে পাকিস্তান, ইংল্যান্ড ও ওয়েলসের সঙ্গে খেলবে ভারত। ১৫ আগস্ট ওয়েলসের বিপক্ষে ম্যাচ দিয়ে বিশ্বকাপ অভিযান শুরু করবে তারা।

হকির পরিসংখ্যান অনুযায়ী, ১৯৯০ থেকে ২০২৩ সাল পর্যন্ত অনুষ্ঠিত প্রায় প্রতিটি বিশ্বকাপেই অন্তত একজন ভারতীয় আম্পায়ার ছিলেন। একমাত্র ব্যতিক্রম ছিল ১৯৯৮ সালের আসর।

বিশ্বকাপের ইতিহাসে মাত্র চারজন ভারতীয় আম্পায়ার ম্যাচ পরিচালনার সুযোগ পেয়েছেন। তাঁরা হলেন অমরজিত সিং বাওয়া, তারলক সিং ভুলার, সতীন্দর শর্মা ও রঘু প্রসাদ।

অমরজিত সিং বাওয়া ১৯৯০ সালের বিশ্বকাপে আম্পায়ারিং করেন। এরপর ১৯৯৪ সালে দায়িত্ব পালন করেন তারলক সিং ভুলার। সতীন্দর শর্মা ২০০২, ২০০৬ ও ২০১০ সালের বিশ্বকাপে আম্পায়ার ছিলেন। আর রঘু প্রসাদ ২০১০, ২০১৪, ২০১৮ ও ২০২৩ সালের বিশ্বকাপে ম্যাচ পরিচালনা করেন।

ভারতীয় আম্পায়ারিংয়ের সবচেয়ে উজ্জ্বল নামগুলোর একটি রঘু প্রসাদ। এশিয়ার প্রথম আম্পায়ার হিসেবে ২০০টি আন্তর্জাতিক হকি ম্যাচ পরিচালনার কৃতিত্ব রয়েছে তাঁর। দীর্ঘ ও বর্ণাঢ্য ক্যারিয়ারের পর গত বছর বাঁশি তুলে রাখেন তিনি।

রঘু প্রসাদের অবসরের পর ভারতীয় হকির আম্পায়ারিংয়ে বড় ধরনের শূন্যতা তৈরি হয়েছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, আন্তর্জাতিক মানের দক্ষ ও আন্তর্জাতিক প্যানেলভুক্ত আম্পায়ারের ঘাটতিই এবার বিশ্বকাপের আম্পায়ারিং প্যানেলে ভারতের প্রতিনিধিত্ব না থাকার অন্যতম কারণ।

আন্তর্জাতিক হকি ফেডারেশন (এফআইএইচ) ঘোষিত ১৬ সদস্যের আম্পায়ারিং প্যানেলে ইউরোপীয় আম্পায়ারদের প্রাধান্য রয়েছে। সেখানে কোনো ভারতীয় আম্পায়ারের নাম না থাকায় দীর্ঘদিনের ধারাবাহিকতায় ছেদ পড়েছে।

ভারতের জন্য বিষয়টি আরও হতাশার, কারণ ১৯৯৮ সালের পর এবারই প্রথম বিশ্বকাপের মতো বড় মঞ্চে দেশটির কোনো আম্পায়ার ম্যাচ পরিচালনার দায়িত্ব পাচ্ছেন না।

একদিকে বিশ্বকাপে খেলোয়াড় হিসেবে ভারতের অংশগ্রহণ থাকছে, অন্যদিকে আম্পায়ারিংয়ে থাকছে না কোনো প্রতিনিধিত্ব। ফলে ১৪ আগস্ট থেকে শুরু হতে যাওয়া বিশ্বকাপে ভারতীয় হকির জন্য এটি হতে যাচ্ছে এক বিরল ও হতাশাজনক অধ্যায়।

কালের আলো/এসএ

যুক্তরাষ্ট্র আমাদের ঘনিষ্ঠ ও জরুরি বন্ধু: তথ্যমন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: সোমবার, ১০ আগস্ট, ২০২৬, ৭:২২ অপরাহ্ণ
যুক্তরাষ্ট্র আমাদের ঘনিষ্ঠ ও জরুরি বন্ধু: তথ্যমন্ত্রী

তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন বলেছেন, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র বাস্তবিক অর্থেই আমাদের সবচেয়ে ঘনিষ্ঠ এবং জরুরি বন্ধু ও মিত্র।

সোমবার (১০ আগস্ট) বেলা ১১টায় বরিশালের গৌরনদী ক্যাথলিক চার্চে আয়োজিত আন্তঃধর্মীয় সংলাপ অনুষ্ঠানে বাংলাদেশে নিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট ক্রিস্টেনসেনের উপস্থিতিতে তিনি এ কথা বলেন।

তথ্যমন্ত্রী বলেন, আমাদের এই এলাকার একটি বিশেষ বৈশিষ্ট্য হচ্ছে, আমরা বিভিন্ন ধর্মের মানুষের আবাস এলাকা হিসেবে একইসঙ্গে বসবাস করছি। আমাদের মধ্যে সামাজিক ও ধর্মীয় সম্প্রীতি দীর্ঘদিন ধরে আমরা চর্চা করছি এবং বহন করছি, যা আজকের এই আন্তঃধর্মীয় সংলাপ অনুষ্ঠানের মাধ্যমে নতুন করে প্রতিফলিত হয়েছে।

তিনি আরও বলেন, আমরা জানি, আমাদের দেশ তুলনামূলকভাবে একটি অর্থনৈতিক সংগ্রামের মধ্য দিয়ে যেতে হচ্ছে, মার্কিন সরকারের তুলনায়। আমাদের এই অর্থনৈতিক সংগ্রামকে একটি সমৃদ্ধিশালী অর্থনীতিতে যদি আমরা নিতে চাই, তাহলে আমাদের সামাজিক ও রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা দরকার।

সেই কারণে আমাদের দেশের সব বাসিন্দাদের মধ্যে একটি সামাজিক সম্প্রীতির সম্পর্ক দরকার। ফলে এটা কেবলমাত্র সুখ-শান্তির ব্যাপার নয়, এটা দেশের অর্থনীতির সমৃদ্ধিরও বিষয়।

আমরা যদি অর্থনৈতিক সমৃদ্ধি করতে না পারি, তাহলে আমাদের নাগরিকদের অর্থনীতিকে শক্তিশালী করতে পারব না।

তথ্যমন্ত্রী বলেন, আমাদের দেশের গার্মেন্টস শ্রমিকরা যে পণ্য উৎপাদন করে, সেটা আমরা বিদেশে রপ্তানি করে বৈদেশিক মুদ্রা অর্জন করি। এর মধ্যে সবচেয়ে বেশি বৈদেশিক মুদ্রা অর্জন করি একক দেশ হিসেবে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র থেকে।

আমাদের দেশের অনেক অভিবাসীও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে কাজ করেন এবং সেখান থেকে তারা প্রচুর পরিমাণে রেমিট্যান্স দেশে পাঠান। ফলে গার্মেন্টস রপ্তানির প্রধান কেন্দ্রবিন্দু এবং মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র থেকে বাংলাদেশি অভিবাসীদের পাঠানো রেমিট্যান্স আমাদের অর্থনীতির একটি গুরুত্বপূর্ণ স্তম্ভ।

একইসঙ্গে আমাদের দেশে যে ফরেন ডাইরেক্ট ইনভেস্টমেন্ট (এফডিআই), সেক্ষেত্রেও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র হচ্ছে সবার আগে। তারা আমাদের দেশে সবচেয়ে বেশি টাকা বিনিয়োগ করেছে। ফলে এই বিনিয়োগের টাকাও আমাদের দেশের অর্থনীতির প্রক্রিয়াতে একটি গুরুত্বপূর্ণ সম্পদ। সেই বিবেচনায় মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র বাস্তবিক অর্থেই আমাদের সবচেয়ে ঘনিষ্ঠ এবং জরুরি বন্ধু ও মিত্র। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন মার্কিন রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট ক্রিস্টেনসেন।

ঘণ্টাব্যাপী চলা সংলাপে চার্চের ফাদার লিটন ফ্রান্সিস গোমেজের সভাপতিত্বে এবং উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. ইব্রাহীমের সঞ্চালনায় আরও বক্তব্য দেন উপজেলা বিএনপির সদস্য সচিব জহির সাজ্জাদ হান্নান, বশির আহম্মেদ পান্না, ধর্মীয় নেতা মাওলানা আসাদুজ্জামান, যতীন্দ্রনাথ মিস্ত্রী ও ফাদার মাইকেল দেউরি।

সংলাপ শেষে দুপুরে তথ্যমন্ত্রীর গৌরনদী উপজেলার সরিকলস্থ বাসভবনে মধ্যাহ্নভোজে অংশ নেন মার্কিন রাষ্ট্রদূত। রাষ্ট্রদূত সস্ত্রীক গৌরনদীতে আসায় এলাকাবাসীর পক্ষ থেকে কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন তথ্যমন্ত্রী।

সংলাপ শেষে গৌরনদী উপজেলার সরিকল এলাকায় তথ্যমন্ত্রীর বাসভবনে মধ্যাহ্নভোজে অংশ নেন মার্কিন রাষ্ট্রদূত ও তার স্ত্রী। রাষ্ট্রদূতের গৌরনদী সফরে আসায় এলাকাবাসীর পক্ষ থেকে কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন তথ্যমন্ত্রী।

কালের আলো/জেএন/এমএসআইপি

সৌদি আরবে অগ্নিকাণ্ডে ১৬ বাংলাদেশির মৃত্যুতে প্রধানমন্ত্রীর শোক

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: সোমবার, ১০ আগস্ট, ২০২৬, ৭:১৬ অপরাহ্ণ
সৌদি আরবে অগ্নিকাণ্ডে ১৬ বাংলাদেশির মৃত্যুতে প্রধানমন্ত্রীর শোক

সৌদি আরবের রাজধানী রিয়াদে একটি কারখানায় অগ্নিকাণ্ডে ১৬ জন বাংলাদেশি নাগরিকের মর্মান্তিক মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

সোমবার (১০ আগস্ট) এক শোক বার্তায় প্রধানমন্ত্রী শোকসন্তপ্ত পরিবারগুলোর প্রতি গভীর সমবেদনা জানান এবং তাদের প্রয়োজনীয় সব ধরনের সহায়তা দেওয়ার আশ্বাস দেন।

প্রধানমন্ত্রীর প্রেস সচিব সালেহ শিবলী জানান, প্রধানমন্ত্রী এ বিষয়ে সার্বক্ষণিক খোঁজখবর নিচ্ছেন। পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়, প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয় এবং রিয়াদে বাংলাদেশ মিশনকে সমন্বিত উদ্যোগের মাধ্যমে নিহতদের মরদেহ দেশে ফিরিয়ে আনার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

তিনি জানান, প্রধানমন্ত্রী সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়গুলোকে দ্রুততম সময়ে নিহতদের মরদেহ দেশে ফিরিয়ে আনার জন্য সমন্বিত পদক্ষেপ নেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন। এ লক্ষ্যে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় থেকে প্রয়োজনীয় সব ধরনের সহযোগিতা দেওয়া হবে।

উল্লেখ্য, রোববার (৯ আগস্ট) রিয়াদে একটি সোফা তৈরির কারখানায় ভয়াবহ আগুনে ১৬ জন বাংলাদেশি প্রাণ হারান। সূত্র: বাসস।

কালের আলো/এসএকে

সড়ক দুর্ঘটনায় আহত এ আর রহমানের ছেলে

বিনোদন ডেস্ক
প্রকাশিত: সোমবার, ১০ আগস্ট, ২০২৬, ৭:১৩ অপরাহ্ণ
সড়ক দুর্ঘটনায় আহত এ আর রহমানের ছেলে

সড়ক দুর্ঘটনায় আহত হয়েছেন অস্কারজয়ী সুরকার ও সংগীত পরিচালক এ আর রহমানের ছেলে আমিন। তবে তার আঘাত গুরুতর নয়। প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে হাসপাতাল থেকে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে তাকে।

ভারতীয় সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদন অনুযায়ী, রোববার সন্ধ্যায় কাঠিপাড়া ফ্লাইওভারের কাছে দুর্ঘটনার কবলে পড়ে আমিনের গাড়ি। কোয়েম্বাটোরের দিকে যাওয়ার পথে বিপরীত দিক থেকে আসা একটি গাড়ির সঙ্গে তার পোর্শে গাড়ির সংঘর্ষ হয়।

পুলিশের প্রাথমিক তদন্তে জানা গেছে, একটি ওয়াগনার আর পাশের রাস্তা থেকে মূল সড়কে ওঠার সময় আমিনের গাড়িতে ধাক্কা দেয়। দুর্ঘটনার সময় গাড়িতে আমিনের এক বন্ধুও ছিলেন। সংঘর্ষে দুজনই সামান্য আহত হন।

দুর্ঘটনার পর আমিন ও তার বন্ধুকে কাবেরী হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানে প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে দুজনকেই ছেড়ে দেওয়া হয়। পরে তারা বাড়ি ফিরে যান।

অন্যদিকে ওয়াগনার আর গাড়িতে থাকা ব্যক্তিকেও দুর্ঘটনার পর একটি সুপার স্পেশালিটি হাসপাতালে নেওয়া হয়। প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে তাকেও ছেড়ে দেওয়া হয়েছে বলে জানা গেছে।

ঘটনাটি তদন্ত করছে পুলিশ। দুর্ঘটনার কারণ খতিয়ে দেখতে দুর্ঘটনাকবলিত দুটি গাড়িই আদিয়ার ট্রাফিক ইনভেস্টিগেশন উইংয়ের পুলিশ জব্দ করেছে। এ ঘটনায় একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে। দুর্ঘটনাটি কীভাবে ঘটেছে, তা জানতে তদন্ত চালিয়ে যাচ্ছেন সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা।

এদিকে এ আর রহমানের ছেলে হিসেবে পরিচিতির বাইরে গিয়ে সংগীতজগতে নিজের আলাদা পরিচয় তৈরি করতে কাজ করছেন আমিন। ২০১৫ সালে মণিরত্নমের একটি দক্ষিণী সিনেমার গানে প্লেব্যাক গায়ক হিসেবে তার অভিষেক হয়।

এরপর বিভিন্ন ভাষা ও ঘরানার সংগীতে নিজের প্রতিভার স্বাক্ষর রেখেছেন আমিন। বাবার আন্তর্জাতিক কনসার্ট সফরেও নিয়মিত মঞ্চে পারফর্ম করেন তিনি। সম্প্রতি রাম চরণ অভিনীত ‘পেড্ডি’ সিনেমার একটি গানের তামিল সংস্করণেও কণ্ঠ দিয়েছেন আমিন। পাশাপাশি বিভিন্ন মিউজিক অ্যালবামেও তার কণ্ঠ প্রশংসিত হয়েছে।

কালের আলো/এসএ