খুঁজুন
                               
, ,
           

মিয়ারচরে নদীভাঙন রোধে সর্বোচ্চ সুরক্ষা দেওয়া হবে: জহির উদ্দিন স্বপন

বরিশাল সংবাদদাতা
প্রকাশিত: শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৫:১০ অপরাহ্ণ
মিয়ারচরে নদীভাঙন রোধে সর্বোচ্চ সুরক্ষা দেওয়া হবে: জহির উদ্দিন স্বপন

বরিশালের গৌরনদী উপজেলার আড়িয়াল খাঁ নদীর তীরবর্তী মিয়ারচর এলাকায় নদীভাঙন রোধে সর্বোচ্চ সুরক্ষা দেওয়ার আশ্বাস দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক উপদেষ্টা জহির উদ্দিন স্বপন।

শনিবার (২৬ সেপ্টেম্বর) সকালে তিনি গৌরনদীর মিয়ারচর নদীভাঙনকবলিত এলাকা পরিদর্শন করেন। পরে বেলা ১১টার দিকে মিয়ারচর লঞ্চঘাট এলাকায় নদী তীর প্রতিরক্ষা কাজের উদ্বোধন করেন তিনি।

এ সময় স্থানীয় বাসিন্দাদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় জহির উদ্দিন স্বপন বলেন, নদীভাঙনের হাত থেকে মিয়ারচরবাসীকে রক্ষায় সরকারের পক্ষ থেকে সর্বোচ্চ সুরক্ষা নিশ্চিত করা হবে। ভাঙন প্রতিরোধে প্রয়োজনীয় সব ধরনের ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাসও দেন তিনি।

এর আগে ও পরে তিনি পালরদী নদীর বোরাদী গরঙ্গল, মোল্লারখাল ও মাহিলাড়া ইউনিয়নের দক্ষিণ বিল্বগ্রামসহ বিভিন্ন ভাঙনকবলিত এলাকা পরিদর্শন করেন। এসব এলাকায়ও নদীভাঙন রোধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস দেন তিনি।

পরিদর্শন ও তীর প্রতিরক্ষা কাজের উদ্বোধনকালে উপস্থিত ছিলেন গৌরনদী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মোহাম্মদ ইব্রাহীম, বরিশাল পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী জাবেদ ইকবাল, উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক সৈয়দ সরোয়ার আলম বিপ্লব, সদস্য সচিব শরীফ জহির সাজ্জাদ হান্নান, সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক বদিউজ্জামান মিন্টু, পৌর বিএনপির আহ্বায়ক জাকির হোসেন শরীফ, সদস্য সচিব সফিকুর রহমান শরীফ স্বপনসহ স্থানীয় বিএনপির নেতারা।

কালের আলো/এমএসআইপি 

এআই চ্যাটবট দিয়ে ১২ হাজার মাইক্রোসফট অ্যাকাউন্টে সাইবার হামলা

তথ্যপ্রযুক্তি ডেস্ক
প্রকাশিত: শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৭:২৮ অপরাহ্ণ
এআই চ্যাটবট দিয়ে ১২ হাজার মাইক্রোসফট অ্যাকাউন্টে সাইবার হামলা

কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) চ্যাটবট ব্যবহার করে বিভিন্ন দেশের ১০ হাজারের বেশি প্রতিষ্ঠানে ব্যবহৃত ১২ হাজারের বেশি মাইক্রোসফট অ্যাকাউন্টে সাইবার হামলার ঘটনা শনাক্ত করেছে মাইক্রোসফট। প্রতিষ্ঠানটির দাবি, ‘ইভিলটোকেনস’ নামের একটি প্ল্যাটফর্মের এআই চ্যাটবট ব্যবহার করে কয়েক মাস ধরে এসব অ্যাকাউন্টে হামলা চালানো হয়েছে।

মাইক্রোসফটের তথ্যমতে, গোপনে অ্যাকাউন্টে প্রবেশের পর ব্যবহারকারীদের ই-মেইল বিশ্লেষণ করত প্ল্যাটফর্মটি। সেখান থেকে গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি ও যোগাযোগের তথ্য সংগ্রহ করে পরে প্রতারণামূলক বার্তা তৈরিতে সহায়তা করত এআই চ্যাটবট।

কীভাবে কাজ করত ইভিলটোকেনস

গত ফেব্রুয়ারিতে টেলিগ্রামের একটি চ্যানেলে প্রথম ‘ইভিলটোকেনস’-এর সন্ধান পাওয়া যায়। এই সেবা ব্যবহারের জন্য শুরুতে ১ হাজার ৫০০ ডলার এবং পরবর্তী সময়ে প্রতি মাসে ৫০০ ডলার করে নেওয়া হতো বলে জানিয়েছে মাইক্রোসফট।

প্রতিষ্ঠানটির মতে, ইভিলটোকেনস শুধু অ্যাকাউন্টে অনুপ্রবেশের একটি টুল ছিল না; বরং এটি একটি সমন্বিত সেবা হিসেবে কাজ করত। এর মাধ্যমে ই-মেইল অ্যাকাউন্টে প্রবেশ থেকে শুরু করে প্রতারণার মাধ্যমে অর্থ সংগ্রহ পর্যন্ত বিভিন্ন কাজ পরিচালনা করা সম্ভব ছিল।

কোনো অ্যাকাউন্টে প্রবেশের পর প্ল্যাটফর্মটি ভুক্তভোগীর ইনবক্সে থাকা ই-মেইল বিশ্লেষণ করে গুরুত্বপূর্ণ যোগাযোগ, ব্যক্তিগত সম্পর্ক এবং সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের সম্পর্কে তথ্য শনাক্ত করতে পারত।

এরপর সংগৃহীত তথ্যের ভিত্তিতে প্রতারণার কৌশল নির্ধারণ এবং ভুক্তভোগীর পরিচিত বা বিশ্বস্ত ব্যক্তির পরিচয়ে ই-মেইল তৈরিতে সহায়তা করত এআই চ্যাটবটটি।

লক্ষ্য নির্ধারণেও এআই

মাইক্রোসফট জানিয়েছে, এই ঘটনায় এআইকে শুধু প্রতারণামূলক বার্তা লেখার কাজে ব্যবহার করা হয়নি। কোন ব্যক্তিকে লক্ষ্যবস্তু করা হবে, কীভাবে ভুয়া পরিচয় তৈরি করা হবে এবং ভুক্তভোগীর সঙ্গে থাকা সম্পর্ক কীভাবে কাজে লাগানো হবে—এসব ক্ষেত্রেও এআই ব্যবহার করা হয়েছে।

ফলে প্রচলিত স্বয়ংক্রিয় সাইবার হামলার তুলনায় প্রতারণার কৌশল আরও ব্যক্তিকেন্দ্রিক ও বিশ্বাসযোগ্য করে তোলার সুযোগ তৈরি হয়েছিল বলে মাইক্রোসফটের বিশ্লেষণে উঠে এসেছে।

যেসব দেশে বেশি হামলা

মাইক্রোসফটের তথ্যমতে, ইভিলটোকেনসের মাধ্যমে সবচেয়ে বেশি আক্রান্ত হয়েছে যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা, যুক্তরাজ্য, অস্ট্রেলিয়া, ভারত ও ফ্রান্সের প্রতিষ্ঠান।

সব মিলিয়ে বিভিন্ন দেশের ১০ হাজারের বেশি প্রতিষ্ঠানে ব্যবহৃত ১২ হাজারের বেশি মাইক্রোসফট অ্যাকাউন্টে হামলার ঘটনা শনাক্ত করা হয়েছে বলে জানিয়েছে প্রতিষ্ঠানটি।

অকার্যকর করা হয়েছে ২০০টির বেশি ডোমেইন

ইভিলটোকেনসের কার্যক্রম বন্ধ করতে প্রায় ৫০টি ওয়েবসাইট অকার্যকর করা হয়েছে বলে জানিয়েছে মাইক্রোসফট। একই সঙ্গে এর সহায়ক অবকাঠামোর সঙ্গে যুক্ত আরও ১৫০টির বেশি ডোমেইন নিষ্ক্রিয় করা হয়েছে।

এতে প্ল্যাটফর্মটির সাইবার অপরাধমূলক কার্যক্রম পরিচালনার অবকাঠামোতে বড় ধরনের বাধা তৈরি হয়েছে বলে জানিয়েছে প্রতিষ্ঠানটি।

এদিকে যুক্তরাজ্যে ইভিলটোকেনসের কথিত কার্যক্রমের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট অপরাধের সন্দেহে দুই ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করেছে দেশটির মেট্রোপলিটন পুলিশের সাইবার অপরাধবিষয়ক দল।

এ ঘটনায় সাইবার অপরাধে এআইয়ের ব্যবহার নিয়ে নতুন করে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। বিশেষ করে ই-মেইলের মতো ব্যক্তিগত তথ্য বিশ্লেষণ করে লক্ষ্য নির্ধারণ, পরিচিত ব্যক্তির পরিচয়ে প্রতারণামূলক বার্তা তৈরি এবং সামাজিক সম্পর্ককে কাজে লাগানোর মতো কাজে এআই ব্যবহারের বিষয়টি সাইবার নিরাপত্তার জন্য নতুন চ্যালেঞ্জ হিসেবে সামনে এসেছে।

সূত্র: টাইমস অব ইন্ডিয়া

কালের আলো/এসএ

শিক্ষক-শিক্ষার্থী ও কর্মচারীদের বিশেষ অনুদান, আবেদন ১৫ অক্টোবর পর্যন্ত

শিক্ষা ডেস্ক
প্রকাশিত: শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৭:১৮ অপরাহ্ণ
শিক্ষক-শিক্ষার্থী ও কর্মচারীদের বিশেষ অনুদান, আবেদন ১৫ অক্টোবর পর্যন্ত

সরকারি ও বেসরকারি সাধারণ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষক-শিক্ষার্থী ও কর্মচারীদের বিশেষ অনুদান দেবে সরকার। এ অনুদানের জন্য আগ্রহীদের আগামী ১৫ অক্টোবর ২০২৬-এর মধ্যে আবেদন করতে হবে।

বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের পুনর্বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, কোনো আবেদনকারী আগে অনলাইনে আবেদন করে থাকলে তাঁকে আবার ম্যানুয়াল পদ্ধতিতে আবেদন করতে হবে না। একই ব্যক্তি দুই পদ্ধতিতে আবেদন করলে তাঁর দুটি আবেদনই বাতিল বলে গণ্য হবে।

এর আগে বিশেষ অনুদানের অর্থ বিতরণের জন্য ১৫ ফেব্রুয়ারি থেকে ১৬ এপ্রিল পর্যন্ত মাইগভ প্ল্যাটফর্মে অনলাইনে আবেদন নেওয়া হয়েছিল। তবে নির্ধারিতসংখ্যক যোগ্য আবেদনকারী না পাওয়া এবং প্রত্যন্ত, দুর্গম, উপকূলীয়, চরাঞ্চল ও হাওর এলাকার অনেক সম্ভাব্য প্রার্থীর অনলাইনে আবেদনের সুযোগ সীমিত থাকায় এবার নতুন করে ম্যানুয়াল আবেদন নেওয়া হচ্ছে।

যেসব ক্ষেত্রে অনুদান দেওয়া হবে

বেসরকারি সাধারণ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের মেরামত ও সংস্কার, আসবাবপত্র ও শিক্ষা উপকরণ সংগ্রহ, খেলাধুলার সরঞ্জাম কেনা, প্রতিষ্ঠানকে প্রতিবন্ধীবান্ধব করা এবং পাঠাগার উন্নয়নের জন্য অনুদান দেওয়া হবে।

এ ছাড়া বেসরকারি সাধারণ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষক-কর্মচারীদের দুরারোগ্য ব্যাধি ও দৈব দুর্ঘটনাজনিত কারণে আর্থিক সহায়তা দেওয়া হবে।

সরকারি ও বেসরকারি সাধারণ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ষষ্ঠ শ্রেণি থেকে স্নাতক ও স্নাতকোত্তর পর্যায়ের শিক্ষার্থীরাও এ অনুদানের জন্য আবেদন করতে পারবেন।

দুরারোগ্য ব্যাধি ও দৈব দুর্ঘটনায় আক্রান্ত, দুস্থ, মেধাবী, এতিম, অদম্য মেধাবী ও দরিদ্র শিক্ষার্থীদের অগ্রাধিকার দেওয়া হবে। একই সঙ্গে প্রতিবন্ধী, তৃতীয় লিঙ্গ, অসহায় ও অনগ্রসর সম্প্রদায়ের শিক্ষার্থীরাও অগ্রাধিকার পাবেন। উপকূলীয়, চরাঞ্চল, হাওর ও প্রত্যন্ত এলাকার শিক্ষার্থীদের ক্ষেত্রেও অগ্রাধিকার থাকবে।

যেভাবে আবেদন করতে হবে

শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের অনুকূলে অনুদান পেতে নিজ নিজ প্রতিষ্ঠানের প্রধান বা প্রধান শিক্ষক কর্তৃক নির্ধারিত ফরমে আবেদন করতে হবে।

মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক পর্যায়ের শিক্ষক-কর্মচারী এবং শিক্ষার্থীদের সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানপ্রধান, প্রধান শিক্ষক বা অধ্যক্ষের মাধ্যমে আবেদন করতে হবে। আর স্নাতক বা সমমান এবং স্নাতকোত্তর পর্যায়ের শিক্ষার্থীদের সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের প্রধান, অধ্যক্ষ বা রেজিস্ট্রারের মাধ্যমে নির্ধারিত ফরমে আবেদন করতে হবে।

প্রতিষ্ঠানপ্রধান, অধ্যক্ষ, প্রধান শিক্ষক বা রেজিস্ট্রার আবেদন গ্রহণ করে প্রাথমিক যাচাই শেষে সেগুলো একত্র করবেন। পরে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে সংশ্লিষ্ট জেলা প্রশাসকের কাছে পাঠাতে হবে।

অনলাইন ও ম্যানুয়াল পদ্ধতিতে একই আবেদন যাতে দুইবার সুপারিশপ্রাপ্ত না হয়, সে বিষয়েও নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। এ জন্য জেলা কমিটির মাধ্যমে আগে পাঠানো অনলাইন আবেদনভিত্তিক সুপারিশের তালিকা এবং নতুন করে ম্যানুয়াল পদ্ধতিতে পাওয়া তালিকা সমন্বয় করে একটি পূর্ণাঙ্গ তালিকা তৈরি করতে হবে।

আবেদনের শেষ সময় ১৫ অক্টোবর

প্রতিষ্ঠানপ্রধান, অধ্যক্ষ, প্রধান শিক্ষক বা রেজিস্ট্রারের মাধ্যমে পাওয়া আবেদন জেলা কমিটি যাচাই করে সুপারিশ করবে। সেই সুপারিশকৃত তালিকা আগামী ১৫ অক্টোবর বিকেল ৪টার মধ্যে সচিব, মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগ, শিক্ষা মন্ত্রণালয় বরাবর পৌঁছাতে হবে।

নির্ধারিত সময়ের পর পাওয়া কোনো আবেদন বিবেচনা করা হবে না।

নির্ধারিত আবেদন ফরম মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের ওয়েবসাইটের পাশাপাশি সংশ্লিষ্ট জেলা প্রশাসকের কার্যালয়, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কার্যালয়, জেলা শিক্ষা অফিস এবং উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তার কার্যালয়ের ওয়েবসাইটে পাওয়া যাবে।

রয়েছে একাধিক শর্ত

কোনো আবেদনকারী আগে অনলাইনে আবেদন করে থাকলে নতুন করে ম্যানুয়াল পদ্ধতিতে আবেদন করতে পারবেন না। দুই পদ্ধতিতে আবেদন করলে উভয় আবেদন বাতিল হবে।

শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও শিক্ষক-কর্মচারীরা চাকরিজীবনে সর্বোচ্চ দুইবার এ সুবিধা নিতে পারবেন। শিক্ষার্থীরা তাঁদের শিক্ষাজীবনে প্রতি তিন বছর পরপর এ অনুদানের জন্য আবেদন করতে পারবেন।

একই সময়ে অন্য কোনো সরকারি অনুদানপ্রাপ্ত ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠান এ আবেদনের জন্য যোগ্য বিবেচিত হবে না। তবে শিক্ষার্থীদের ক্ষেত্রে সরকার প্রদত্ত সাধারণ উপবৃত্তি ও মেধাবৃত্তি এ শর্তের আওতামুক্ত থাকবে।

যেসব প্রতিষ্ঠানে শিক্ষা প্রকৌশল অধিদপ্তর বা অন্য কোনো সংস্থার মাধ্যমে নির্মাণ, সংস্কার বা রক্ষণাবেক্ষণসংক্রান্ত কার্যক্রম চলছে অথবা সংশ্লিষ্ট অর্থবছরে এ ধরনের প্রকল্প সমাপ্ত বা চলমান রয়েছে, সেসব প্রতিষ্ঠানের আবেদন বিবেচনা করা হবে না।

ব্যাংক হিসাব থাকতে হবে

অনলাইনে আবেদনকারী ও ম্যানুয়াল পদ্ধতিতে আবেদনকারী—উভয় ক্ষেত্রেই শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, শিক্ষক-কর্মচারী ও শিক্ষার্থীদের ব্যাংক হিসাবে অনুদানের অর্থ দেওয়া হবে।

অপ্রাপ্তবয়স্ক শিক্ষার্থীর জাতীয় পরিচয়পত্র না থাকলে তাঁর বাবা বা মায়ের সঙ্গে যৌথ নামে যেকোনো তফসিলি ব্যাংকে ব্যাংক হিসাব থাকতে হবে। প্রাপ্তবয়স্ক শিক্ষার্থীদের নিজ নামে ব্যাংক হিসাব থাকা বাধ্যতামূলক।

ভুল তথ্য দিলে আবেদন বাতিল

অসম্পূর্ণ, ত্রুটিপূর্ণ, ভুল তথ্যসংবলিত কিংবা প্রয়োজনীয় কাগজপত্র ছাড়া আবেদন সরাসরি বাতিল বলে গণ্য হবে।

তবে আবেদন বা কোনো সুপারিশকে অনুদানের অর্থ পাওয়ার অধিকার হিসেবে বিবেচনা করা হবে না। অনুদান দেওয়ার বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সিদ্ধান্তই চূড়ান্ত বলে গণ্য হবে।

ফলে আবেদনকারীদের নির্ধারিত ফরমে সঠিক তথ্য ও প্রয়োজনীয় কাগজপত্রসহ আবেদন করার পাশাপাশি আগে অনলাইনে আবেদন করা হয়েছে কি না, সেটিও নিশ্চিত হওয়ার পর আবেদন করার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

কালের আলো/এসএ

জাবির উপাচার্য পদে রদবদল, নতুন দায়িত্বে নূরুল ইসলাম

শিক্ষা ডেস্ক
প্রকাশিত: শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৭:১২ অপরাহ্ণ
জাবির উপাচার্য পদে রদবদল, নতুন দায়িত্বে নূরুল ইসলাম

জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের (জাবি) উপাচার্য অধ্যাপক মোহাম্মদ কামরুল আহসানকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে। তাঁর স্থলে বিশ্ববিদ্যালয়ের ভূগোল ও পরিবেশ বিভাগের অধ্যাপক মো. নূরুল ইসলামকে নতুন উপাচার্য হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। শনিবার (২৬ সেপ্টেম্বর) শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের পৃথক প্রজ্ঞাপনে এ তথ্য জানানো হয়।

প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, রাষ্ট্রপতি ও চ্যান্সেলরের অনুমোদনক্রমে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় আদেশ, ১৯৭৩-এর ১১(২) ধারা অনুযায়ী অধ্যাপক কামরুল আহসানকে উপাচার্য পদ থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে। তবে তাঁকে বিশ্ববিদ্যালয়ের দর্শন বিভাগের অধ্যাপক হিসেবে তাঁর মূল পদে যোগদানের অনুমতি দেওয়া হয়েছে।

অন্যদিকে, একই আদেশের ১১(১) ধারা অনুযায়ী অধ্যাপক মো. নূরুল ইসলামকে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য পদে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। এর আগে তিনি ঢাকা সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটির উপাচার্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করছিলেন। নতুন দায়িত্ব পাওয়ার পর তাঁকে ওই পদ থেকেও অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে।

নিয়োগের শর্ত অনুযায়ী, যোগদানের তারিখ থেকে চার বছর অথবা তাঁর অবসর গ্রহণের তারিখ—যেটি আগে হবে—পর্যন্ত নূরুল ইসলাম জাবির উপাচার্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন। এ সময় তিনি বর্তমান পদের সমপরিমাণ বেতন-ভাতা এবং বিধি অনুযায়ী অন্যান্য সুবিধা পাবেন।

প্রজ্ঞাপনে আরও বলা হয়েছে, বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা হিসেবে উপাচার্যকে সার্বক্ষণিকভাবে ক্যাম্পাসে অবস্থান করতে হবে। রাষ্ট্রপতি ও চ্যান্সেলর প্রয়োজন মনে করলে যেকোনো সময় এ নিয়োগ বাতিল করতে পারবেন।

অধ্যাপক নূরুল ইসলাম জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের ভূগোল ও পরিবেশ বিভাগের শিক্ষক। এর আগে তিনি জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের সহ-উপাচার্য এবং ঢাকা সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটির উপাচার্যের দায়িত্ব পালন করেন।

অধ্যাপক কামরুল আহসান ২০২৪ সালের সেপ্টেম্বর মাসে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য হিসেবে নিয়োগ পেয়েছিলেন। এবার তাঁকে অব্যাহতি দিয়ে নতুন উপাচার্য নিয়োগের মধ্য দিয়ে বিশ্ববিদ্যালয়টির প্রশাসনে পরিবর্তন আনা হলো।

কালের আলো/এসএ