খুঁজুন
                               
, ,
           

বিদ্যুৎ বিল কমাতে ফ্রিজ ব্যবহারে সতর্কতা

লাইফস্টাইল ডেস্ক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৩:২৯ অপরাহ্ণ
বিদ্যুৎ বিল কমাতে ফ্রিজ ব্যবহারে সতর্কতা

গৃহস্থালির বিদ্যুৎ খরচের একটি বড় অংশ আসে ফ্রিজ থেকে। কারণ অন্যান্য অনেক বৈদ্যুতিক যন্ত্রের মতো প্রয়োজন অনুযায়ী ফ্রিজ চালু বা বন্ধ করা হয় না; খাবার সংরক্ষণের জন্য এটি সাধারণত ২৪ ঘণ্টাই বিদ্যুৎ সংযোগে থাকে। ফলে ব্যবহারের ক্ষেত্রে ছোটখাটো কিছু ভুলও দীর্ঘমেয়াদে বিদ্যুৎ খরচ বাড়াতে পারে।

অনেকের ধারণা, পুরোনো ফ্রিজই শুধু বেশি বিদ্যুৎ খরচ করে। বাস্তবে ফ্রিজের বয়সের পাশাপাশি এর ব্যবহার, অবস্থান, রক্ষণাবেক্ষণ এবং ভেতরে খাবার রাখার ধরনও বিদ্যুৎ ব্যবহারে প্রভাব ফেলতে পারে। কিছু সহজ অভ্যাস পরিবর্তন করে ফ্রিজের কর্মক্ষমতা ঠিক রাখার পাশাপাশি অপ্রয়োজনীয় বিদ্যুৎ খরচ কমানো সম্ভব।

ফ্রিজের ভেতর পরিকল্পনা করে সাজান

ফ্রিজে প্রয়োজনীয় খাবার ও পণ্যগুলো পরিকল্পনা করে সাজিয়ে রাখা ভালো। কোন জিনিস কোথায় রাখা আছে তা জানা থাকলে প্রয়োজনীয় খাবার বের করতে দরজা দীর্ঘ সময় খোলা রাখতে হয় না।

ফ্রিজের দরজা যত বেশি সময় খোলা থাকে, তত বেশি ঠান্ডা বাতাস বাইরে বেরিয়ে যায়। ফলে ভেতরের তাপমাত্রা স্বাভাবিক পর্যায়ে আনতে কুলিং সিস্টেমকে অতিরিক্ত কাজ করতে হতে পারে।

ফ্রিজ একেবারে খালি রাখবেন না

একেবারে খালি ফ্রিজের তুলনায় মাঝারি পরিমাণ খাবার থাকা ফ্রিজ তাপমাত্রা ধরে রাখতে তুলনামূলকভাবে কার্যকর হতে পারে। তবে অতিরিক্ত খাবার দিয়ে ফ্রিজ গাদাগাদি করে রাখাও ঠিক নয়।

ফ্রিজের ভেতরে বাতাস চলাচলের জন্য প্রয়োজনীয় জায়গা রাখতে হবে। খাবার এমনভাবে সাজাতে হবে, যাতে ঠান্ডা বাতাস সহজে সব জায়গায় পৌঁছাতে পারে।

নন-ফ্রস্ট ফ্রিজে নিয়মিত ডিফ্রস্ট করুন

যেসব ফ্রিজে স্বয়ংক্রিয় ডিফ্রস্ট বা নন-ফ্রস্ট প্রযুক্তি নেই, সেগুলোর ফ্রিজারে অতিরিক্ত বরফ জমতে পারে। বরফের স্তর বেশি জমে গেলে ফ্রিজের কার্যক্ষমতা কমতে পারে এবং কুলিং সিস্টেমকে বেশি কাজ করতে হতে পারে।

তাই প্রয়োজন অনুযায়ী ফ্রিজার পরিষ্কার করে অতিরিক্ত বরফ সরিয়ে ফেলা উচিত।

ভেন্ট বন্ধ করবেন না

ফ্রিজের ভেতরে ঠান্ডা বাতাস চলাচলের জন্য নির্দিষ্ট ভেন্ট বা পথ থাকে। খাবার দিয়ে এসব জায়গা ঢেকে দিলে ঠান্ডা বাতাস সমানভাবে ছড়িয়ে পড়তে পারে না।

ফলে কুলিং সিস্টেমের ওপর অতিরিক্ত চাপ পড়তে পারে। তাই খাবার রাখার সময় ভেন্ট ও বাতাস চলাচলের পথ খোলা রাখা জরুরি।

বিদ্যুৎ চলে গেলে দরজা খুলবেন না

লোডশেডিং বা হঠাৎ বিদ্যুৎ চলে গেলে অপ্রয়োজনে ফ্রিজের দরজা খোলা উচিত নয়। দরজা বন্ধ থাকলে ভেতরের ঠান্ডা তাপমাত্রা তুলনামূলকভাবে দীর্ঘ সময় ধরে রাখা যায়।

বারবার দরজা খুললে ঠান্ডা বাতাস বের হয়ে যায় এবং বিদ্যুৎ ফিরে আসার পর ফ্রিজকে আবার প্রয়োজনীয় তাপমাত্রায় পৌঁছাতে বেশি কাজ করতে হতে পারে।

ফ্রিজের চারপাশে জায়গা রাখুন

ফ্রিজ দেয়াল বা আসবাবপত্রের সঙ্গে একেবারে লাগিয়ে রাখা উচিত নয়। ফ্রিজের পেছন ও চারপাশে পর্যাপ্ত জায়গা থাকলে তাপ বের হওয়ার সুযোগ তৈরি হয়।

অন্যদিকে একেবারে ঘেঁষে রাখলে তাপ অপসারণে সমস্যা হতে পারে এবং ফ্রিজের কুলিং সিস্টেমের ওপর চাপ বাড়তে পারে। তাই প্রস্তুতকারকের নির্দেশনা অনুযায়ী ফ্রিজের চারপাশে প্রয়োজনীয় ফাঁকা জায়গা রাখা ভালো।

পরিবারের প্রয়োজন অনুযায়ী ফ্রিজ কিনুন

পরিবারে সদস্যসংখ্যা ও প্রয়োজনের তুলনায় অস্বাভাবিক বড় ফ্রিজ ব্যবহার করলে অপ্রয়োজনীয় বিদ্যুৎ খরচ হতে পারে। তাই নতুন ফ্রিজ কেনার সময় শুধু আকার বা ডিজাইন নয়, পরিবারের প্রয়োজন এবং যন্ত্রটির বিদ্যুৎ ব্যবহারের দক্ষতাও বিবেচনা করা উচিত।

বিশেষ করে পুরোনো ফ্রিজে যদি ঘন ঘন সমস্যা দেখা দেয় বা সেটির কর্মক্ষমতা উল্লেখযোগ্যভাবে কমে যায়, তাহলে আধুনিক ও বিদ্যুৎ-সাশ্রয়ী মডেলে পরিবর্তনের বিষয়টি বিবেচনা করা যেতে পারে।

ছোট অভ্যাসেই হতে পারে সাশ্রয়

ফ্রিজ যেহেতু দিনের ২৪ ঘণ্টাই চালু থাকে, তাই এর ব্যবহার ও রক্ষণাবেক্ষণে সামান্য সচেতনতাও দীর্ঘমেয়াদে পার্থক্য তৈরি করতে পারে। শুধু ফ্রিজ নয়, ঘরের অন্যান্য বৈদ্যুতিক যন্ত্র ব্যবহারের ক্ষেত্রেও অপ্রয়োজনীয় বিদ্যুৎ অপচয় এড়িয়ে চলা জরুরি।

ফ্রিজের দরজা অযথা খোলা না রাখা, ভেতরে বাতাস চলাচলের সুযোগ রাখা, প্রয়োজন অনুযায়ী পরিষ্কার করা এবং যন্ত্রটির চারপাশে পর্যাপ্ত জায়গা রাখার মতো সহজ অভ্যাস ফ্রিজের কর্মক্ষমতা বজায় রাখতে সহায়তা করতে পারে।

সঠিক ব্যবহার ও নিয়মিত রক্ষণাবেক্ষণের মাধ্যমে একদিকে যেমন অপ্রয়োজনীয় বিদ্যুৎ খরচ কমানোর সুযোগ তৈরি হয়, অন্যদিকে ফ্রিজের কর্মক্ষমতাও দীর্ঘদিন ভালো রাখা সম্ভব।

কালের আলো/এসএ

বিশ্ব র‍্যাঙ্কিংয়ে ঢাবি-বুয়েটের জায়গা ১২০০-এর পর

শিক্ষা ডেস্ক
প্রকাশিত: বুধবার, ৩০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৬:৫৬ অপরাহ্ণ
বিশ্ব র‍্যাঙ্কিংয়ে ঢাবি-বুয়েটের জায়গা ১২০০-এর পর

যুক্তরাজ্যভিত্তিক শিক্ষা সাময়িকী টাইমস হায়ার এডুকেশন (THE) প্রকাশ করেছে ‘ওয়ার্ল্ড ইউনিভার্সিটি র‍্যাঙ্কিং ২০২৭’। বুধবার (৩০ সেপ্টেম্বর) প্রকাশিত এবারের তালিকায় বিশ্বের ১১৮টি দেশ ও অঞ্চলের ২ হাজার ২৯৭টি বিশ্ববিদ্যালয় স্থান পেয়েছে।

বাংলাদেশ থেকে এবার মোট ২৫টি বিশ্ববিদ্যালয় মূল র‍্যাঙ্কিংয়ে জায়গা পেয়েছে। এর মধ্যে দেশের শীর্ষস্থানীয় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় (ঢাবি) ও বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয় (বুয়েট) ৮০১-১০০০ ব্যান্ডে নেই। দুটিই ১০০১-১২০০ ব্যান্ডে রয়েছে।

৮০১-১০০০ ব্যান্ডে চার বিশ্ববিদ্যালয়

বাংলাদেশের বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর মধ্যে ৮০১ থেকে ১০০০ ব্যান্ডে যৌথভাবে রয়েছে চারটি প্রতিষ্ঠান—আমেরিকান ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি-বাংলাদেশ (এআইইউবি), ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি (ডিআইইউ), জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় (জাবি) ও নর্থ সাউথ ইউনিভার্সিটি (এনএসইউ)।

এর পরের ১০০১-১২০০ ব্যান্ডে রয়েছে বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়, বুয়েট, ব্র্যাক ইউনিভার্সিটি, গাজীপুর কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়, আইইউবিএটি, যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এবং রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়।

THE-এর পৃথক বিশ্ববিদ্যালয় পেজেও ২০২৭ সালের র‍্যাঙ্কিংয়ে প্রতিষ্ঠানগুলোর ব্যান্ড দেখানো হয়েছে। উদাহরণ হিসেবে ইউনাইটেড ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি ১২০১-১৪০০ ব্যান্ডে রয়েছে।

১২০০-এর পর আরও ১৩ বিশ্ববিদ্যালয়

১২০১ থেকে ১৪০০ ব্যান্ডে রয়েছে বাংলাদেশ মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়, মাওলানা ভাসানী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় এবং ইউনাইটেড ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি।

১৪০১ থেকে ১৬০০ ব্যান্ডে রয়েছে চট্টগ্রাম প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, ইনডিপেনডেন্ট ইউনিভার্সিটি বাংলাদেশ, আন্তর্জাতিক ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় চট্টগ্রাম, খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়, নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, রাজশাহী প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় এবং চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়।

এ ছাড়া ১৮০১ থেকে ২০০০ ব্যান্ডে রয়েছে ইস্ট ওয়েস্ট ইউনিভার্সিটি ও মিলিটারি ইনস্টিটিউট অব সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজি।

১০টি বিশ্ববিদ্যালয় ‘রিপোর্টার’ তালিকায়

র‍্যাঙ্কিংয়ে অংশ নিলেও মূল র‍্যাঙ্ক পাওয়ার প্রয়োজনীয় শর্ত পূরণ না করায় বাংলাদেশের আরও ১০টি বিশ্ববিদ্যালয় মূল তালিকায় র‍্যাঙ্ক পায়নি। এসব প্রতিষ্ঠানের মধ্যে রয়েছে এশিয়ান ইউনিভার্সিটি ফর উইমেন, চট্টগ্রাম ভেটেরিনারি ও অ্যানিম্যাল সায়েন্সেস বিশ্ববিদ্যালয়, ঢাকা ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি, গ্রিন ইউনিভার্সিটি অব বাংলাদেশ, শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়, স্টেট ইউনিভার্সিটি অব বাংলাদেশ, ইউনিভার্সিটি অব লিবারেল আর্টস বাংলাদেশ, উত্তরা ইউনিভার্সিটি, বরেন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয় ও ওয়ার্ল্ড ইউনিভার্সিটি অব বাংলাদেশ।

THE-এর পদ্ধতিতে প্রয়োজনীয় মানদণ্ড পূরণ না করা প্রতিষ্ঠানগুলোকে মূল র‍্যাঙ্কিংয়ের বাইরে ‘রিপোর্টার’ হিসেবে তালিকাভুক্ত করা হতে পারে।

যে সূচকে মূল্যায়ন

টাইমস হায়ার এডুকেশনের ওয়ার্ল্ড ইউনিভার্সিটি র‍্যাঙ্কিংয়ে শিক্ষাদান, গবেষণার পরিবেশ, গবেষণার মান, শিল্পখাতের সঙ্গে সংযোগ এবং আন্তর্জাতিক সম্ভাবনাসহ বিভিন্ন সূচক বিবেচনা করা হয়। ২০২৭ সালের সংস্করণে নতুন ও আরও বিস্তারিত র‍্যাঙ্কিং ব্যান্ড ব্যবহার করা হয়েছে।

এবারের বৈশ্বিক তালিকায় যুক্তরাজ্যের অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয় টানা ১১তমবারের মতো প্রথম অবস্থান ধরে রেখেছে। দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছে যুক্তরাষ্ট্রের এমআইটি।

কালের আলো/এসএ

কানাডা থেকে ফেরত ৩৪০ বাংলাদেশি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
প্রকাশিত: বুধবার, ৩০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৬:৪৬ অপরাহ্ণ
কানাডা থেকে ফেরত ৩৪০ বাংলাদেশি

চলতি বছরের প্রথম আট মাসে কানাডা থেকে ৩৪০ জন বাংলাদেশি নাগরিককে নিজ দেশে ফেরত পাঠানো হয়েছে। একই সময়ে আরও ১ হাজার ৩৬৮ জন বাংলাদেশি নাগরিককে কানাডা থেকে অপসারণের চূড়ান্ত প্রক্রিয়ার মধ্যে রাখা হয়েছে।

কানাডা বর্ডার সার্ভিসেস এজেন্সি (সিবিএসএ)-এর ৩১ আগস্ট ২০২৬ পর্যন্ত প্রকাশিত পরিসংখ্যানের বরাত দিয়ে এ তথ্য জানা গেছে।

ফেরত পাঠানোর তালিকায় শীর্ষে ভারত

সিবিএসএর তথ্য অনুযায়ী, ৩১ আগস্ট পর্যন্ত চলতি বছরে কানাডা থেকে বিশ্বের বিভিন্ন দেশের মোট ১৪ হাজার ৮৯৭ জন বিদেশি নাগরিককে ফেরত পাঠানো হয়েছে। দেশভিত্তিক তালিকায় সবচেয়ে বেশি নাগরিক ফেরত পাঠানো হয়েছে ভারতের—৪ হাজার ২২৭ জন।

দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছে মেক্সিকো। দেশটির ২ হাজার ২৮২ জন নাগরিককে কানাডা থেকে ফেরত পাঠানো হয়েছে। এ ছাড়া যুক্তরাষ্ট্রের ৬০১ জন, কলম্বিয়ার ৫৮০ জন, হাইতির ৫৩৫ জন এবং রোমানিয়ার ৪৩৩ জন নাগরিককে ফেরত পাঠানো হয়েছে।

প্রথম ছয় মাসে ২২৭ জন বাংলাদেশিকে ফেরত পাঠানোর তথ্য ছিল। তখন দেশভিত্তিক হিসাবে বাংলাদেশ সপ্তম অবস্থানে ছিল। আগস্ট শেষে বাংলাদেশি নাগরিক ফেরত পাঠানোর সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৩৪০ জনে।

আরও ১ হাজার ৩৬৮ বাংলাদেশি অপসারণ প্রক্রিয়ায়

কানাডা থেকে অপসারণের প্রক্রিয়ায় থাকা বিদেশি নাগরিকদের তালিকাতেও রয়েছে উল্লেখযোগ্য সংখ্যক বাংলাদেশি। ৩১ আগস্ট পর্যন্ত মোট ৪৯ হাজার ৫৩৬ জন বিদেশি নাগরিক অপসারণ প্রক্রিয়ায় ছিলেন।

এ তালিকায় ভারতের নাগরিক ১০ হাজার ২৯৫ জন এবং মেক্সিকোর ৬ হাজার ১০২ জন। বাংলাদেশি নাগরিক রয়েছেন ১ হাজার ৩৬৮ জন, যা দেশভিত্তিক তালিকায় অষ্টম অবস্থান।

সিবিএসএর ব্যাখ্যা অনুযায়ী, কানাডায় যাদের অপসারণের আদেশ দেওয়া হয়েছে, তাদের ক্ষেত্রে আইনি প্রক্রিয়া শেষ হওয়ার পর অপসারণ কার্যকর করা হয়। বিভিন্ন ধরনের রিমুভাল অর্ডারের মধ্যে ডিপোর্টেশন, ডিপারচার ও এক্সক্লুশন অর্ডার রয়েছে।

অভিবাসন আইন ভঙ্গ প্রধান কারণ

সিবিএসএর পরিসংখ্যান অনুযায়ী, কানাডা থেকে বিদেশি নাগরিকদের অপসারণের ক্ষেত্রে অভিবাসন আইন না মানার বিষয়টি অন্যতম প্রধান কারণ। আশ্রয়ের আবেদন করেছিলেন—এমন ১২ হাজার ৫ জনকে সংশ্লিষ্ট প্রক্রিয়ার মাধ্যমে নিজ দেশে ফেরত পাঠানো হয়েছে।

এ ছাড়া আশ্রয়প্রার্থী নন, এমন আরও ১ হাজার ৭৯৪ জনের ক্ষেত্রেও অভিবাসনসংক্রান্ত আইন ভঙ্গকে অপসারণের কারণ হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে।

অন্যদিকে অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডের কারণে ৮৯৭ জন এবং ভুল বা বিভ্রান্তিকর তথ্য দেওয়ার কারণে ৮৮ জনকে কানাডা থেকে অপসারণ করা হয়েছে।

কানাডা সরকার জানিয়েছে, দেশটির সীমান্ত ও অভিবাসন ব্যবস্থাপনায় যাদের কানাডায় থাকার আইনগত অধিকার নেই, তাদের অপসারণ কার্যক্রম জোরদার করা হচ্ছে। ২০২৫ সালে সিবিএসএ ২২ হাজার ৫০০-এর বেশি অযোগ্য বা অননুমোদিত বিদেশি নাগরিককে কানাডা থেকে অপসারণ করেছিল।

কালের আলো/এসএ

ফার্নেস অয়েলের দাম বাড়িয়ে প্রজ্ঞাপন, কার্যকর রাত ১২টা থেকে

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: বুধবার, ৩০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৬:৪৬ অপরাহ্ণ
ফার্নেস অয়েলের দাম বাড়িয়ে প্রজ্ঞাপন, কার্যকর রাত ১২টা থেকে

বিদ্যুৎকেন্দ্র ও ভারী শিল্পে ব্যবহৃত জ্বালানি ফার্নেস অয়েলের দাম লিটারে ১১ টাকা ৯২ পয়সা বাড়িয়েছে বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন (বিইআরসি)। নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, ফার্নেস অয়েলের দাম নির্ধারণ করা হয়েছে লিটারপ্রতি ১০৮ টাকা ৭৮ পয়সা।

বুধবার (৩০ সেপ্টেম্বর) বিকেলে এক বিজ্ঞপ্তিতে ফার্নেস অয়েলের নতুন দাম পুনর্নির্ধারণের বিষয়টি জানিয়েছে বিইআরসি।

বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, অক্টোবর মাসের জন্য ফার্নেস অয়েলের নতুন মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে। নতুন দাম ৩০ সেপ্টেম্বর দিবাগত রাত ১২টা থেকে কার্যকর হবে।

এর আগে ফার্নেস অয়েলের দাম ছিল লিটারপ্রতি ৯৬ টাকা ৮৬ পয়সা। নতুন দাম কার্যকর হলে প্রতি লিটারে ১১ টাকা ৯২ পয়সা বেড়ে তা ১০৮ টাকা ৭৮ পয়সায় দাঁড়াবে।

কালের আলো/ডিএইচ/এমএসআইপি