খুঁজুন
                               
শুক্রবার, ১৭ এপ্রিল, ২০২৬, ৪ বৈশাখ, ১৪৩৩
           

আত্মত্যাগের স্বর্ণোজ্জ্বল পদচিহ্ন নান্দনিক নির্মাণশৈলীর ‘শহিদ আহনাফ মেমোরিয়াল’

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: রবিবার, ২৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৪, ৯:৩৮ অপরাহ্ণ
আত্মত্যাগের স্বর্ণোজ্জ্বল পদচিহ্ন নান্দনিক নির্মাণশৈলীর ‘শহিদ আহনাফ মেমোরিয়াল’

এম.আব্দুল্লাহ আল মামুন খান, অ্যাকটিং এডিটর:

ছাত্র-জনতার রক্তঝরা গণঅভ্যুত্থানের সফল সমাপ্তি দেখা হয়ে ওঠেনি বুলেটবিদ্ধ শহীদ শাফিক উদ্দিন আহম্মেদ আহনাফের। বিজয়ে উদিত সূর্যের কয়েক ঘণ্টা আগে চিরতরে নিভে যায় তাঁর জীবন বাতি। রাজধানীর বিএএফ শাহীন কলেজের মেধাবী ছাত্র ১৭ বছর বয়সী এই তরুণের তারুণ্যে পদার্পণ করার স্বর্ণালি সময়টা আস্বাদন করা হয়নি মোটেও। কিন্তু তাকে ভুলেনি রক্তের দামে কেনা দ্বিতীয় স্বাধীনতা উদযাপন করা বাংলাদেশ। তাঁর স্বপ্ন, দর্শন, আত্মত্যাগকে চির অম্লান করে রাখতে তাঁর স্মৃতিঘেরা কলেজ প্রাঙ্গণে নির্মিত হয়েছে- ‘শহিদ আহনাফ মেমোরিয়াল’।

বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে শহিদ হওয়ার আগে আহনাফ প্রায় সময়েই পরিবারকে বলতো সে এমন কিছু করবে যেন সবাই তাকে নিয়ে গর্ব করে। তাকে নিয়ে এখন সত্যিই গর্বিত পরিবারের সদস্যরা! তবে তাঁর মৃত্যুর মধ্য দিয়ে এভাবে গর্বিত হতে চাননি তাঁরা। তবুও নিজের আত্মজের জন্য কলেজ কর্তৃপক্ষের এমন সম্মান স্বভাবতই আপ্লুত করেছে বাবা নাসির উদ্দিন আহমেদ ও মা সাফাত সিদ্দিকীকে।

রবিবার (২৯ সেপ্টেম্বর) রাজধানীর বিএএফ শাহীন কলেজে শহিদ শাফিক উদ্দিন আহম্মেদ আহনাফের স্বদেশের রূপান্তরে তুমুল সাহসিকতা, অশ্রু আর রক্তভেজা অমিত গৌরবের অধ্যায়কে চির জাগরূক করে রাখতে বাংলাদেশ বিমান বাহিনী প্রধান এয়ার চীফ মার্শাল হাসান মাহমুদ খাঁন যখন ‘শহিদ আহনাফ মেমোরিয়াল’ উদ্বোধন করছিলেন ঠিক সেই মুহুর্তটিতে সম্ভবত তাঁর বাবা-মা’র হৃদয়ের অলিন্দে হাহাকার করে ওঠে বৈষম্যবিহীন রাষ্ট্র বিনির্মাণে পথপ্রদর্শক সন্তানের মায়াবি স্মৃতির মোহনা।

বাংলাদেশ বিমান বাহিনী প্রধান এয়ার চীফ মার্শাল হাসান মাহমুদ খাঁন বলেন, ‘শহিদ আহনাফ আহম্মেদ একজন অকুতোভয় বীর। ছাত্র আন্দোলনে অন্যায়ের প্রতিবাদ করতে গিয়ে সে অন্যদের ন্যায় নেমে আসে রাজপথে এবং করে সর্বোচ্চ আত্মত্যাগ। ভবিষ্যতে তার এই আত্মত্যাগ সকল শিক্ষার্থীদের অন্যায়ের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করার প্রেরণা যোগাবে।’

জানা যায়, শহিদ আহনাফের অমর কীর্তির বহুমাত্রিক মূল্যায়নের কার্যকর উদ্যোগ গ্রহণ করে বিএএফ শাহীন কলেজ পরিচালনা পর্ষদ। কলেজ প্রাঙ্গণে নির্মিত হয়েছে নান্দনিক নির্মাণশৈলীর ‘শহিদ আহনাফ মেমোরিয়াল’। দেশপ্রেমের দৃপ্ত অঙ্গীকারে স্বর্ণোজ্জ্বল পদচিহ্ন আঁকা আহনাফের স্মৃতির চিরন্তন দ্যুতি ছড়ানো আত্মোপলব্ধির, আত্মজাগরণের—মধ্যাহ্ন সূর্যের মতো মানস পরিবেশকে বিমুক্ত করে ‘না ভোলা বাণীর ঘন যামিনীর মাঝে’ এর মতোই অরুণরাঙা সুপ্রভাতের মতোই বিএএফ শাহীন কলেজ কর্তৃপক্ষ আহনাফের মৃত্যু দিবসকে ‘আহনাফ দিবস’ হিসেবে প্রতি বছর কলেজে উদযাপনের সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছে।

শুধু তাই নয়, ছোট ভাই ইফতেখার উদ্দিন আহমেদ’র মাঝেই যেন সবাই খুঁজে ফিরেন ছাত্র-জনতার রক্তস্নাত অভ্যুত্থানে প্রাণ হারানো অকুতোভয় আহনাফকে। মানবিকতার অতলান্তিক গভীরতায় তাঁর ছোট ভাইকে বিএএফ শাহীন কলেজে বিনা বেতনে পড়াশুনার বন্দোবস্ত করা হয়েছে। এরই ধারাবাহিকতায় ইফতেখার উদ্দিন আহমেদকে ৬ষ্ঠ শ্রেণিতে ভর্তি করা হয়েছে। অনুষ্ঠানে কলেজ পরিচালনা পর্ষদের সভাপতি, বিমান বাহিনীর ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা, শহিদ আহনাফের বাবা-মা, ছোট ভাই এবং শিক্ষক ও শিক্ষার্থীরা উপস্থিত ছিলেন।

জুলাইয়ে জোয়ার ওঠা শিক্ষার্থীদের কোটা সংস্কার আন্দোলন একপর্যায়ে পরিণত হয় বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে। শত শত প্রাণের বিনিময়ে আন্দোলন বিজয়ের বরমাল্য নিয়ে আসে। এই আন্দোলনে সোচ্চার থেকে গত ৪ আগস্ট রাজধানীর মিরপুর ১০ নম্বরে বুলেট ঝাঁঝরা করে দেয় কিশোর আহনাফের স্বপ্নভরা বুক। বুক তাঁর যেন বাংলাদেশের হৃদয়! ২০২৫ সালে তাঁর এইচএসসি পরীক্ষা দেওয়ার কথা ছিল। আন্দোলন শেষে রাজধানীর বিএফ শাহীন কলেজে আহনাফের সকল সহপাঠী ক্লাসে-পরীক্ষার টেবিলে ফিরলেও ফেরেনি আন্দোলনে বুলেটবিদ্ধ হয়ে প্রাণ হারানো আহনাফ। তাঁর টেবিলটা আজও ফাঁকা। ‘তারে স্মরণ করে কিছুদিন আগে সবাই সাজায় ফুলের ডালা’। এই হৃদয়ের মালায় সবাই গেঁথে রেখেছে অদম্য আহনাফের নাম।

কালের আলো/এমএএএমকে

সংরক্ষিত নারী আসনে বিএনপির মনোনয়নপ্রত্যাশীদের সাক্ষাৎ শুরু শুক্রবার

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১৬ এপ্রিল, ২০২৬, ১১:১০ অপরাহ্ণ
সংরক্ষিত নারী আসনে বিএনপির মনোনয়নপ্রত্যাশীদের সাক্ষাৎ শুরু শুক্রবার

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের সংরক্ষিত নারী আসনে বিএনপির মনোনয়নপ্রত্যাশীদের সাক্ষাৎকার আগামীকাল শুক্রবার থেকে শুরু হচ্ছে। বৃহস্পতিবার (১৬ এপ্রিল) বিকেলে রাজধানীর নয়াপল্টনে দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে এ তথ্য জানান বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী।

রিজভী বলেন, শুক্রবার পাঁচটি বিভাগের মনোনয়নপ্রত্যাশীদের সাক্ষাৎকার নেওয়া হবে। পরদিন শনিবারও দলীয় ফরম গ্রহণকারীদের সাক্ষাৎকার অনুষ্ঠিত হবে। নির্ধারিত সূচি অনুযায়ী, শুক্রবার রংপুর, রাজশাহী, বরিশাল, ফরিদপুর ও খুলনা বিভাগের প্রার্থীদের সাক্ষাৎকার নেওয়া হবে। শনিবার চট্টগ্রাম, সিলেট, কুমিল্লা, ঢাকা ও ময়মনসিংহ বিভাগের প্রার্থীদের সাক্ষাৎকার বিকেল তিনটায় অনুষ্ঠিত হবে।

তিনি আরও জানান, সাক্ষাৎকার কার্যক্রমে বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান সভাপতিত্ব করবেন। মনোনয়ন প্রক্রিয়ায় অতীতে নির্যাতনের শিকার, মিথ্যা মামলার আসামি এবং রাজনৈতিকভাবে সক্রিয় নারী নেত্রীদের অগ্রাধিকার দেওয়া হবে। পাশাপাশি শিক্ষাগত যোগ্যতা ও যোগাযোগ দক্ষতাও বিবেচনায় রাখা হবে।

দলীয় সূত্র জানায়, সংরক্ষিত নারী আসনের জন্য মোট ১ হাজার ২৫টি ফরম বিক্রি হয়েছে। প্রতিটি ফরমের মূল্য ছিল ২ হাজার টাকা। ফরম জমা দেওয়ার সময় প্রত্যেক প্রার্থীকে ৫০ হাজার টাকা জামানত দিতে হয়েছে।

নির্বাচন কমিশনের তফসিল অনুযায়ী, সংরক্ষিত নারী আসনে মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ার শেষ তারিখ ২১ এপ্রিল। যাচাই-বাছাই হবে ২২ ও ২৩ এপ্রিল। আপিল গ্রহণ করা হবে ২৬ এপ্রিল এবং নিষ্পত্তি হবে ২৭ ও ২৮ এপ্রিল। প্রার্থিতা প্রত্যাহারের শেষ সময় ২৯ এপ্রিল এবং ৩০ এপ্রিল প্রতীক বরাদ্দ দেওয়া হবে। ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে আগামী ১২ মে।

জাতীয় সংসদের ৩৫০টি আসনের মধ্যে নারীদের জন্য সংরক্ষিত আসন রয়েছে ৫০টি। দলীয় বণ্টন অনুযায়ী বিএনপি জোটের জন্য ৩৬টি, জামায়াতে ইসলামীসহ তাদের জোটের জন্য ১৩টি এবং স্বতন্ত্রদের জন্য একটি আসন নির্ধারিত রয়েছে।

কালের আলো/আরডি/এমডিএইচ

আর্মি স্পোর্টস কমপ্লেক্সের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করলেন সেনাপ্রধান

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১৬ এপ্রিল, ২০২৬, ১১:০৯ অপরাহ্ণ
আর্মি স্পোর্টস কমপ্লেক্সের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করলেন সেনাপ্রধান

বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর আর্মি স্পোর্টস কমপ্লেক্সের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেছেন সেনাপ্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান। গতকাল বুধবার (১৫ এপ্রিল) বাংলাদেশ আর্মি স্টেডিয়াম সংলগ্ন এলাকায় নির্মিতব্য এই স্পোর্টস কমপ্লেক্সের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করা হয়।

আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তরের (আইএসপিআর) এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য জানানো হয়।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান, এমপি-এর ‘সবার জন্য ক্রীড়া’ এই অন্তর্ভুক্তিমূলক ও সুদূরপ্রসারী বিশেষ পরিকল্পনাকে সামনে রেখে দেশের ক্রীড়া উন্নয়নে কার্যকর অবদান রাখার লক্ষ্যে যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের সার্বিক সহযোগিতায় একটি আধুনিক ও সমন্বিত ক্রীড়া অবকাঠামো হিসেবে আর্মি স্পোর্টস কমপ্লেক্স নির্মাণের উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে।

এই কমপ্লেক্সে আন্তর্জাতিক মানের দুটি ইনডোর স্টেডিয়াম, একটি স্পোর্টস একাডেমি এবং জিমনেসিয়ামসহ উন্নত স্পোর্টস সায়েন্স সুবিধা অন্তর্ভুক্ত থাকবে। এতে ফিজিওলজি, বায়োমেকানিক্স, নিউট্রিশন ও স্পোর্টস মেডিসিন সংক্রান্ত বিশেষায়িত সেকশন স্থাপন করা হবে। এর ফলে দেশের বিভিন্ন পর্যায়ের খেলোয়াড়গণ আধুনিক প্রশিক্ষণ ও গবেষণাভিত্তিক সুবিধা গ্রহণের সুযোগ পাবে। বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর উদ্যোগে নির্মিতব্য এ ধরনের আধুনিক ক্রীড়া অবকাঠামো দেশের ক্রীড়াক্ষেত্রে যুগান্তকারী ভূমিকা রাখবে বলে আশা করা যায়।

ভিত্তিপ্রস্তর অনুষ্ঠানে সেনাবাহিনীর ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ, সেনাবাহিনী ও বিভিন্ন জাতীয় দলের খেলোয়াড়বৃন্দ এবং অন্যান্য আমন্ত্রিত অতিথিরা উপস্থিত ছিলেন।

কালের আলো/এম/এএইচ

সরকারের সমালোচনা করে ঢাবি ছাত্রদল নেতার পদত্যাগ

কালের আলো ডেস্ক
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১৬ এপ্রিল, ২০২৬, ১১:০৫ অপরাহ্ণ
সরকারের সমালোচনা করে ঢাবি ছাত্রদল নেতার পদত্যাগ

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে সরকারের সমালোচনা করে পদত্যাগ করেছেন ছাত্রদলের ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় (ঢাবি) শাখার যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক শেখ শোভন।

বৃহস্পতিবার (১৬ এপ্রিল) এক ফেসবুক পোস্টে পদত্যাগের ঘোষণা দেন তিনি।

সেখানে তিনি লিখেন, রাষ্ট্র আজ এক গভীর সংকটের ক্রান্তিলগ্নে দাঁড়িয়ে। সাম্যবাদী বিপ্লবের মহান আদর্শকে ধারণ করে ছাত্র–জনতা–সিপাহীর ঐক্যবদ্ধ শক্তিতে ২১ দিনের পাল্টাপাল্টি প্রতিরোধ যুদ্ধের মাধ্যমে অর্জিত ৫ আগস্ট, তার চেতনা আজ উপেক্ষিত, তার অঙ্গীকার পদদলিত। ব্যক্তি ও গোষ্ঠীস্বার্থের অন্ধ প্রতিযোগিতা এবং বিশ্বাসঘাতকতার কালো ছায়ায় সহস্র শহীদের আত্মত্যাগ আজও ন্যায্য মর্যাদা পায়নি, এ জাতির জন্য এক গভীর লজ্জা ও বেদনার ইতিহাস।

পোস্টে তিনি উল্লেখ করেন, সেই দুর্দিনে আমরা মাথা নত করিনি। মহান আল্লাহর ওপর অটল ভরসা ও অদম্য সাহসে আমরা অন্যায়ের বিরুদ্ধে বুক চিতিয়ে দাঁড়িয়েছিলাম বলেই জাতি রক্ষা পেয়েছিল ধ্বংসের দ্বারপ্রান্ত থেকে। নতুবা প্রিয় মাতৃভূমি বাংলাদেশ পরিণত হতো এক রক্তাক্ত বিপর্যয়ের প্রান্তরে। অথচ আজও একটি আধুনিক, ন্যায়ভিত্তিক ও মানবিক রাষ্ট্র বিনির্মাণের স্বপ্ন অপূর্ণ রয়ে গেছে, এ এক নির্মম বাস্তবতা।

তিনি আরও লিখেন, চলমান জাতীয় দুর্যোগের প্রেক্ষাপট মোকাবিলায় সম্পূর্ণভাবে কপটতার আশ্রয় নেওয়া দুর্বল সরকার ও দলের (বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল) প্রতি সমর্থন প্রত্যাহার করে সরে দাঁড়ানোর সিদ্ধান্ত ঘোষণা করছি। আমার এক দশকের সংগ্রাম ও আত্মত্যাগ কোনো প্রাপ্তির প্রত্যাশায় ছিল না; বরং তা ছিল আল্লাহর সন্তষ্টি অর্জন ও গণমানুষের আত্মমর্যাদা রক্ষার লড়াই অতপর; নিপীড়িত দেশমাতা মরহুমা বেগম জিয়ার প্রতি নৈতিক দায়বদ্ধতার বহিঃপ্রকাশ। কিন্তু বর্তমানে দলটির নীতি ও কার্যক্রমের সঙ্গে একজন আদর্শনিষ্ঠ মানুষ হিসেবে আমার পথচলা আর সম্ভব নয়।

ফেসবুক পোস্টে তিনি বলেন, স্মরণ রাখা আবশ্যক—রাষ্ট্রই সর্বোচ্চ, দল তার একটি উপাদান মাত্র। রাষ্ট্রের স্বার্থ, ন্যায় ও সার্বভৌমত্বের প্রশ্নে কোনো আপস চলতে পারে না, হবেও না। অতএব, জাতির স্বাধীনতা, মর্যাদা ও ন্যায়ের প্রশ্নে যদি পুনরায় সংগ্রাম অনিবার্য হয়, তবে দেশমাতৃকার সম্মান রক্ষায় সর্বোচ্চ ত্যাগ স্বীকারে আমরা প্রস্তুত থাকবো। অন্যায়ের সামনে নতজানু নয়, প্রয়োজনে শাহাদাতই হবে আমাদের চূড়ান্ত অঙ্গীকার। বাংলাদেশ চিরজীবী হউক।

কালের আলো/আরডি/এমডিএইচ