খুঁজুন
                               
মঙ্গলবার, ১৪ এপ্রিল, ২০২৬, ১ বৈশাখ, ১৪৩৩
           

ঘুরে দাঁড়িয়েছে ডিইডব্লিউ, আরও আধুনিক ও যুগোপযোগী করতে নৌবাহিনী প্রধানের নির্দেশে পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: শনিবার, ২ নভেম্বর, ২০২৪, ১০:৩৬ অপরাহ্ণ
ঘুরে দাঁড়িয়েছে ডিইডব্লিউ, আরও আধুনিক ও যুগোপযোগী করতে নৌবাহিনী প্রধানের নির্দেশে পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা

বিশেষ সংবাদদাতা, কালের আলো:

নানা কারণে ২০০২ সালে বন্ধ হয়ে গিয়েছিল দেশের প্রথম ডকইয়ার্ড, নারায়ণগঞ্জের ডকইয়ার্ড অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং ওয়ার্কস লিমিটেড (ডিইডব্লিউ)। ২০০৬ সালে বাংলাদেশ নৌবাহিনী দায়িত্ব নেওয়ার মাত্র ১৮ বছরে দেশের সবচেয়ে লাভজনক ডকইয়ার্ডগুলোর একটিতে পরিণত হয়েছে এটি। ভারতীয় উপমহাদেশে জাহাজ নির্মাণশিল্পের অন্যতম প্রাচীন এই প্রতিষ্ঠানটিকে আরও আধুনিক ও যুগোপযোগী করতে এবার গ্রহণ করা হয়েছে পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা (২০২৪-২০২৮)। ডিইডব্লিউ এর চেয়ারম্যান নৌবাহিনী প্রধান এডমিরাল এম নাজমুল হাসান এর নির্দেশে গ্রহণ করা এই পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা বাস্তবায়িত হলে ডকইয়ার্ড এন্ড ইঞ্জিনিয়ারিং ওয়ার্কস্ লিমিটেড একটি ডিজিটাল ও অটোমেশন সুবিধা সম্পন্ন অত্যাধুনিক ও ‘গ্রীন’ শিপইয়ার্ডে রূপান্তরিত হবে।

শনিবার (২ নভেম্বর) নারায়ণগঞ্জের ডকইয়ার্ড অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং ওয়ার্কস লিমিটেড (ডিইডব্লিউ) এর ‘বোর্ড অব ডিরেক্টর’দের (বিওডি) ৫৫তম সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন নৌবাহিনী প্রধান এডমিরাল এম নাজমুল হাসান। এই পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা প্রনয়ণের ফলে দেশীয় প্রযুক্তি এবং জনশক্তি ব্যবহারের মধ্যমে আন্তর্জাতিক মানের জাহাজ নির্মাণ শিল্পে বাংলাদেশ আরও এক ধাপ এগিয়ে যাবে বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।

জানা যায়, প্রাচ্যের ডান্ডিখ্যাত নারায়ণগঞ্জের বাণিজ্যিক ঐতিহ্যের সঙ্গে ডিইডব্লিউ’র ঐতিহাসিক সম্পর্ক রয়েছে। ১৯২২ সালে ব্রিটিশ সরকার নারায়ণগঞ্জের সোনাকান্দা এলাকায় শীতলক্ষ্যা নদীতীরে ডকইয়ার্ডটি গড়ে তোলে। শুরুতে নামকরণ হয় নারায়ণগঞ্জ ডকইয়ার্ড। স্থানীয়ভাবে সোনাকান্দা ডকইয়ার্ড নামে পরিচিত। ১৯৫৬ সালে ডকইয়ার্ডটির নাম পাল্টে ডকইয়ার্ড অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ার ওয়ার্কস লিমিটেড করা হয়। বাংলাদেশের সবচেয়ে পুরোনো এই ডকইয়ার্ড ২০২২ সালে শতবর্ষপূর্তি উদযাপন করে। ‘নিরাপত্তাই প্রথম’ স্লোগান নিয়ে কাজ করা ডিইডব্লিউ আন্তর্জাতিক মান রক্ষা করে সব ধরনের নৌযান তৈরি করছে। নারায়ণগঞ্জের ইতিহাস বইয়ের তথ্যমতে, ‘স্বাধীনতা-পরবর্তী সময়ে কুয়েতে চারটি মালবাহী জাহাজ রপ্তানির মধ্য দিয়ে নারায়ণগঞ্জ থেকে জাহাজ রপ্তানি শুরু করেছিল শতবর্ষী ডিইডব্লিউ।’

আন্ত:বাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তর (আইএসপিআর) জানায়, বাংলাদেশের সবচেয়ে প্রাচীন জাহাজ নির্মাণ এই কোম্পানিটি স্বাধীনতার পর ১৯৮৯ সালে আধুনিকায়ন করা হয়। কিন্তু নানাবিধ কারণে সরকারি প্রতিষ্ঠানটির উন্নয়ন বাধাপ্রাপ্ত হয়। ফলে ২০০২ সালে এটি বন্ধ করে দেওয়া হয়। পরবর্তীতে ২০০৬ সালে বাংলাদেশ নৌবাহিনীকে ডকইয়ার্ডটি পরিচালনার দায়িত্ব দেওয়া হয়। বাংলাদেশ নৌবাহিনীর দক্ষ নেতৃত্বে প্রতিষ্ঠানটি ধীরে ধীরে অলাভজনক অবস্থা থেকে বর্তমানে দেশের একটি অন্যতম লাভজনক প্রতিষ্ঠানে পরিণত হয়েছে।

সূত্র জানায়, করোনা মহামারিতে পুরো জাহাজ নির্মাণশিল্প যেখানে মুখ থুবড়ে পড়ে তখন ডিইডব্লিউ ২০১৯-২০ অর্থবছরে আয় করে ১ হাজার ৬১১ কোটি টাকা। আর এসবই সম্ভব হয়েছে নৌবাহিনীর দক্ষ ব্যবস্থাপনার বদৌলতেই। কাজের মানের কারণে প্রতিষ্ঠানটি আইএসও সনদসহ আন্তর্জাতিক একাধিক সনদ অর্জন করেছে। প্রতিষ্ঠানের গতানুগতিক লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ না করে নৌবাহিনী প্রধান এডমিরাল এম নাজমুল হাসান এর নির্দেশে বাস্তবসম্মত এবং চ্যালেঞ্জিং লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করে স্থাপনা ও শ্রমিকের সর্বোত্তম ব্যবহার নিশ্চিত করেছে। একসময়ে ধ্বংসপ্রাপ্ত এই ডকইয়ার্ডটি বাংলাদেশ নৌবাহিনীর অধীনে পরিচালিত হওয়ার পর থেকে পুরোপুরি ঘুরে দাঁড়িয়ে চমক তৈরি করেছে।

আন্ত:বাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তর (আইএসপিআর) জানায়, শনিবার (২ নভেম্বর) নারায়ণগঞ্জের ডকইয়ার্ড অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং ওয়ার্কস লিমিটেড (ডিইডব্লিউ) এর ‘বোর্ড অব ডিরেক্টর’দের (বিওডি) ৫৫তম সভায় বিওডি’র সভাপতি সহকারী নৌবাহিনী প্রধান (ম্যাটেরিয়াল) রিয়ার এডমিরাল খন্দকার আক্তার হোসেন এবং সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। সভায় প্রতিষ্ঠানটির পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা (২০২৪-২০২৮) গৃহীত হয়েছে। ইয়ার্ডের আগামী ৫ বছরের উন্নয়ন পরিকল্পনায় গৃহীত পদক্ষেপগুলো হচ্ছে- অপারেশনাল সক্ষমতা বৃদ্ধি, মেরামত ও রক্ষণাবেক্ষণ, অবকাঠামোগত উন্নয়ন, মানবসম্পদ উন্নয়ন, অত্যাধুনিক শিপইয়ার্ডে রূপান্তর, ব্যবসা সম্প্রসারণ সংক্রান্ত পরিকল্পনা, গ্রীণ শিপইয়ার্ড বিনির্মাণ, ব্যয় হ্রাসের পরিকল্পনা, টেকনোলজি ট্রান্সফারের পরিকল্পনা এবং বাজেট পর্যালোচনা ও পরিকল্পনা বাস্তবায়ন।

কালের আলো/এমএএএম

দেশের সংস্কৃতিতে নব দিগন্তের সূচনা হবে : প্রতিমন্ত্রী খৈয়ম

রাজবাড়ী প্রতিবেদক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১৪ এপ্রিল, ২০২৬, ১২:২৩ অপরাহ্ণ
দেশের সংস্কৃতিতে নব দিগন্তের সূচনা হবে : প্রতিমন্ত্রী খৈয়ম

সংস্কৃতি প্রতিমন্ত্রী আলী নেওয়াজ মাহমুদ খৈয়ম বলেছেন, বাংলাদেশের সাহিত্য, সভ্যতা ও সংস্কৃতিতে একটা নব দিগন্তের সূচনা হবে। আমাদের সংস্কৃতি মন্ত্রণালয় থেকে আমরা গোটা বাংলাদেশের সংস্কৃতি অঙ্গনকে অনেক বেশি বেগবান করে তোলার জন্য কাজ করছি।

মঙ্গলবার (১৪ এপ্রিল) সকাল সাড়ে ১০টায় শহরের আজাদী ময়দানের মুক্তমঞ্চে বৈশাখ উদযাপন পর্ষদ আয়োজিত বর্ষবরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

আলী নেওয়াজ মাহমুদ খৈয়ম বলেন, আমাদের অনেক বেশি উন্নত ও সুস্থ সংস্কৃতিক ধারা গড়ে তুলতে হবে। একটা অসুস্থ সংস্কৃতির ধারা চলছে গোটা বাংলাদেশ ধরে। এখান থেকে আমাদের অবশ্যই বের করে নিয়ে আসতে হবে বাঙালির ঐতিহ্য, সভ্যতা ও সংস্কৃতিকে। বাঙালির এই ঐতিহ্য, সভ্যতা ও সংস্কৃতিকে সুস্থ ও সাবলীল ধারায় ফিরিয়ে আনার জন্য আমাদের মন্ত্রণালয় কাজ করছে। আমরা আগামী বছর ইনশাআল্লাহ অন্যরকম একটা পহেলা বৈশাখ পালন করবো। প্রতি বছরই রাজবাড়ীতে সংস্কৃতিক কার্যক্রম অব্যহত থাকবে, আমরা সেই চেষ্টা করবো।

এর আগে বেলুন উড়িয়ে বর্ষবরণ উদযাপন অনুষ্ঠানের উদ্বোধন করেন সংস্কৃতি প্রতিমন্ত্রী আলী নেওয়াজ মাহমুদ খৈয়ম।

জানা গেছে, দ্বিতীয়বারের মতো রাজবাড়ীর ৪২টি সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠন একত্র হয়ে বৈশাখ উদযাপনের আয়োজন করেছে। জাতীয় সংগীতের মাধ্যমে অনুষ্ঠানের সূচনা করে তারা। পরে নববর্ষের গান হয়। গান, কবিতা আবৃত্তি, নৃত্য নাটিকা, আদিবাসী সংস্কৃতিবিষয়ক অনুষ্ঠানসহ দিনব্যাপী নানা আয়োজন রয়েছে।

কালের আলো/এসএকে

টাঙ্গাইলে কৃষক কার্ডের উদ্বোধনী মঞ্চে প্রধানমন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১৪ এপ্রিল, ২০২৬, ১১:৫৮ পূর্বাহ্ণ
টাঙ্গাইলে কৃষক কার্ডের উদ্বোধনী মঞ্চে প্রধানমন্ত্রী

কৃষক কার্ডের উদ্বোধনের জন্য টাঙ্গাইল পৌঁছেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। মঙ্গলবার (১৪ এপ্রিল) সড়কপথে তিনি শহীদ মারুফ স্টেডিয়ামে পৌঁছান। পরে সকাল ১১টা ২২ মিনিটে তিনি কৃষক কার্ড বিতরণের মঞ্চে ওঠেন।

কিছুক্ষণের মধ্যেই প্রধানমন্ত্রী কৃষক কার্ডের উদ্বোধন করবেন। এসময় ১৫ জনকে কৃষককে নিজ হাতে প্রধানমন্ত্রী কৃষি কার্ড বিতরণ করবেন ও গাছের চারা তুলে দিবেন।

এসময় প্রধানমন্ত্রী ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে আরো ৯টি উপজেলায় কৃষক কার্ডের উদ্বোধন করবেন৷

কৃষি, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী মোহাম্মদ আমিন উর রশিদের সভাপতিত্বে বিশেষ অতিথি ছিলেন- মৎস ও প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী সুলতানা সালাউদ্দিন টুকু।

প্রথম পর্যায়ে টাঙ্গাইল সদর উপজেলায় ১ হাজার ৪৫৩ জন কৃষক এই কার্ডের সুবিধা পাবেন।

এই কার্ডের মাধ্যমে বছরে আড়াই হাজার টাকা, কৃষকদের পরিচিতি, ভর্তুকি, ঋণ, বীজ ও সারসহ ১০ ধরনের সুবিধা পাবেন কৃষকরা। এর ফলে কৃষি সহায়তা বিতরণে মধ্যস্বত্বভোগীদের দৌরাত্ম্য কমবে এবং প্রকৃত কৃষকদের কাছে সরাসরি সরকারি সুবিধা পৌঁছানো নিশ্চিত হবে।

এদিকে প্রধানমন্ত্রীর আগমন উপলক্ষে বিএনপির নেতাকর্মীদের মধ্যে বইছে উৎসবের আমেজ বইছে। এছাড়াও কৃষকরাও আনন্দিত। অপরদিকে প্রধানমন্ত্রীর আগমন উপলক্ষে শহীদ মারুফ স্টেডিয়ামে মঞ্চ প্রস্তুত ও স্টেডিয়ামে সৌন্দর্যসহ বিভিন্ন সংস্কার করা হয়েছে।

কালের আলো/এসআর/এএএন

অভিনেত্রীর বাড়িতে বোমা মারার হুমকি!

বিনোদন ডেস্ক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১৪ এপ্রিল, ২০২৬, ১১:৪৫ পূর্বাহ্ণ
অভিনেত্রীর বাড়িতে বোমা মারার হুমকি!

দক্ষিণ ভারতীয় জনপ্রিয় অভিনেত্রী তৃষা কৃষ্ণানের চেন্নাইয়ের বাসভবনে বোমা হামলার হুমকি দেওয়া হয়েছে। সোমবার (১৩ এপ্রিল) সকাল সাড়ে ৯টার দিকে তামিলনাড়ু পুলিশের কন্ট্রোল রুমে আসা একের পর এক ইমেইল বার্তায় এই হুমকি দেওয়া হয়।

ইমেইলগুলোতে দাবি করা হয়, অভিনেত্রীর বাড়িতে শক্তিশালী বোমা রাখা হয়েছে এবং যেকোনো সময় তা বিস্ফোরিত হতে পারে। খবরটি জানাজানি হওয়ার পর তৃষার ভক্ত ও স্থানীয়দের মধ্যে চরম আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে।

পরিস্থিতির গুরুত্ব বিবেচনা করে দ্রুত তৃষার চেন্নাইয়ের বাড়িতে পৌঁছায় পুলিশ ও বোম ডিসপোজাল স্কোয়াডের (বিডিডিএস) একটি বিশেষ দল। সঙ্গে নেওয়া হয় স্নিফার ডগ।

পুরো বাড়ি এবং এর আশপাশ এলাকায় কয়েক ঘণ্টা ধরে তল্লাশি চালায় নিরাপত্তা বাহিনী। তবে দীর্ঘক্ষণ তল্লাশির পর সেখানে কোনো সন্দেহজনক বস্তু বা বিস্ফোরক পাওয়া যায়নি। শেষ পর্যন্ত পুলিশ নিশ্চিত করে যে, এটি একটি ভুয়া হুমকি বা ‘হকস’ কল ছিল।

তৃষার ক্ষেত্রে এমন ঘটনা এবারই প্রথম নয়। পুলিশ রেকর্ডে দেখা গেছে, ২০২৫ সালের ২ অক্টোবর রাতেও ঠিক একইভাবে অভিনেত্রীর বাড়িতে বোমা হামলার হুমকি দেওয়া হয়েছিল। সে সময় তল্লাশিতে কিছুই পাওয়া যায়নি।

একই অভিনেত্রীকে বারবার কেন লক্ষ্যবস্তু করা হচ্ছে, তা নিয়ে উদ্বিগ্ন খোদ পুলিশ প্রশাসনও। কে বা কারা এই ইমেইল পাঠাচ্ছে, তাদের শনাক্ত করতে সাইবার ক্রাইম বিভাগ তদন্ত শুরু করেছে।

হুমকি এবং আতঙ্ক একদিকে থাকলেও তৃষা বর্তমানে তার ক্যারিয়ারের সুবর্ণ সময় পার করছেন। মেগাস্টার চিরঞ্জীবীর বিপরীতে ‘বিশ্বম্ভরা’ সিনেমা নিয়ে ব্যস্ত সময় কাটাচ্ছেন তিনি। বড় বাজেটের এই ফ্যান্টাসি থ্রিলার ছবিটি নিয়ে দর্শকদের মাঝে রয়েছে প্রবল আগ্রহ।

কালের আলো/এসএকে