খুঁজুন
                               
, ,
           

তারেক রহমানের কণ্ঠে মার্টিন লুথারের সেই ঐতিহাসিক উক্তি

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: শুক্রবার, ২৬ ডিসেম্বর, ২০২৫, ১২:৪৮ পূর্বাহ্ণ
তারেক রহমানের কণ্ঠে মার্টিন লুথারের সেই ঐতিহাসিক উক্তি

আব্দুল্লাহ আল নোমান/দেলোয়ার হোসেন, কালের আলো:

বিশ্ববিখ্যাত কৃষ্ণাঙ্গ নেতা মার্টিন লুথার কিং জুনিয়র। ঠিক যেন ফিরে এলেন রাজধানীর পূর্বাচলে ‘৩৬ জুলাই এক্সপ্রেসওয়েতে’ আয়োজিত বিএনপি’র ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবসের সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে। তাকে কণ্ঠে ধারণ করলেন দেশের এই কাণ্ডারি। বর্ণবাদবিরোধী আমেরিকান নেতা মার্টিন লুথার এর বিখ্যাত উক্তি ‘আই হ্যাভ এ ড্রিম’-এর কথা উচ্চারণ করেন। বৃহস্পতিবার (২৫ ডিসেম্বর) প্রায় ১৭ বছর পর নিজ দেশের মাটিতে পা রেখে তারেক রহমান ঐতিহাসিক জনসমুদ্রের মঞ্চে বললেন, ‘মার্টিন লুথার কিংয়ের একটা স্বপ্ন ছিল, তিনি বলেছিলেন- ‘আই হ্যাভ অ্যা ড্রিম।’ তেমনি বাংলাদেশের মানুষের জন্য আমার একটা পরিকল্পনা আছে- ‘আই হ্যাভ অ্যা প্ল্যান..।’

বিএনপি’র এই সর্বোচ্চ নেতার এমন বক্তব্যের পর জনমনে ব্যাপক কৌতূহল তৈরি হয়। সবাই গুগল সার্চ ইঞ্জিনে খুঁজতে থাকেন মার্টিন লুথার কিংকে। ১৯৬৩ সালের ২৮ আগস্ট ওয়াশিংটন ডিসিতে এক বিশাল সমাবেশে মার্টিন লুথার কিং তার ঐতিহাসিক ভাষণে বলেছিলেন- ‘আই হ্যাভ এ ড্রিম’। সেদিন তিনি বলেছিলেন, ‘আমার একটি স্বপ্ন আছে যে, একদিন এই জাতি জেগে উঠবে এবং মানুষের সমঅধিকার নিশ্চিত করবে। আমার স্বপ্ন আছে যে, আমার চার সন্তান একদিন এমন এক দেশে বাস করবে যেখানে তাদের গায়ের রঙ দিয়ে নয়, বরং তাদের চরিত্রের গুণাবলি দিয়ে বিচার করা হবে।’

শান্তি ও অধিকার আদায়ের এক কিংবদন্তি মার্টিন লুথার কিং জুনিয়র। ছিলেন একজন আমেরিকান ব্যাপটিস্ট ধর্মযাজক এবং নাগরিক অধিকার আন্দোলনের প্রধান নেতা। ১৯২৯ সালের ১৫ জানুয়ারি যুক্তরাষ্ট্রের আটলান্টার এক পাদ্রি পরিবারে তিনি জন্মগ্রহণ করেন। যুক্তরাষ্ট্রে যখন বর্ণবৈষম্য চরম পর্যায়ে ছিল এবং কৃষ্ণাঙ্গদের ওপর দমন-পীড়ন চলত, তখন তিনি অধিকারহীন মানুষের কণ্ঠস্বর হয়ে দাঁড়িয়েছিলেন। ওয়াশিংটন ডিসিতে তাঁর সেদিনের ভাষণ সারা বিশ্বের মুক্তিকামী মানুষের চেতনাকে দারুণভাবে নাড়া দিয়েছিল। তিনি বিশ্বাস করতেন অহিংস আন্দোলনে। তিনি কোনো প্রকার সহিংসতা ছাড়াই কৃষ্ণাঙ্গদের ভোটাধিকার এবং সামাজিক মর্যাদা আদায়ের লড়াই চালিয়ে গেছেন। এই অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ ১৯৬৪ সালে মাত্র ৩৫ বছর বয়সে তিনি শান্তিতে নোবেল পুরস্কার লাভ করেন। সে সময় তিনি ছিলেন সর্বকনিষ্ঠ নোবেলজয়ী। ১৯৬৮ সালের ৪ এপ্রিল মেমফিস শহরের একটি হোটেলের ব্যালকনিতে দাঁড়িয়ে থাকা অবস্থায় তিনি আততায়ীর গুলিতে নিহত হন।

মার্টিন লুথার কিংয়ের সেই বিখ্যাত ডায়ালগ দেশের মাটি স্পর্শ করে উচ্চারণ করলেন রাজনীতির স্বপ্নপুরুষ তারেক রহমান। গণসংবর্ধনা অনুষ্ঠানে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান বলেন, ‘ভাই-বোনেরা, মার্টিন লুথার কিংয়ের নাম শুনেছেন না আপনারা? নাম শুনেছেন তো? মার্টিন লুথার কিং-এর একটি বিখ্যাত ডায়লগ আছে- ‘আই হ্যাভ অ্যা ড্রিম’। আজ এই বাংলাদেশের মাটিতে দাঁড়িয়ে আপনাদের সবার সামনে আমি বলতে চাই, বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের একজন সদস্য হিসেবে আপনাদের সামনে আমি বলতে চাই- ‘আই হ্যাভ অ্যা প্ল্যান’ ফর দ্য পিপল অব মাই কান্ট্রি, ফর মাই কান্ট্রি (দেশের মানুষের জন্য, দেশের জন্য আমার একটি পরিকল্পনা আছে)। আজ এই পরিকল্পনা দেশের মানুষের স্বার্থে, দেশের উন্নয়নের জন্য, দেশের মানুষের ভাগ্যের পরিবর্তনের জন্য।’ বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান আরও বলেন, যদি সেই প্ল্যান, সেই কার্যক্রম, সেই পরিকল্পনাকে বাস্তবায়ন করতে হয়- প্রিয় ভাই-বোনেরা, এই জনসমুদ্রে যত মানুষ উপস্থিত আছেন এবং সারা বাংলাদেশে গণতন্ত্রের পক্ষে যত মানুষ আছেন, প্রত্যেকটি মানুষের সহযোগিতা আমার লাগবে। প্রত্যেকটি মানুষের সহযোগিতা আমাদের লাগবে। আপনারা যদি আমাদের পাশে থাকেন, আপনারা যদি আমাদেরকে সহযোগিতা করেন, ইনশাআল্লাহ আমরা ‘আই হ্যাভ এ প্ল্যান’ বাস্তবায়ন করতে সক্ষম হব।

কালের আলো/এমএএইচ/এইচএন

 

মিরপুরে স্বেচ্ছাসেবক দল নেতাকে গুলি, হাতেনাতে গ্রেপ্তার সন্ত্রাসী

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: বুধবার, ৮ জুলাই, ২০২৬, ১:৩৬ পূর্বাহ্ণ
মিরপুরে স্বেচ্ছাসেবক দল নেতাকে গুলি, হাতেনাতে গ্রেপ্তার সন্ত্রাসী

রাজধানীর মিরপুরে স্বেচ্ছাসেবক দলের এক নেতাকে গুলি করে আহত করার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় অভিযান চালিয়ে অস্ত্র ও গুলিসহ অভিযুক্ত একজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

সোমবার (৭জুলাই) রাত সোয়া ৯ টার দিকে মিরপুর-১০ নম্বরের ফলপট্টি-সংলগ্ন চৌরঙ্গী মার্কেটের দক্ষিণ পাশের একটি গলিতে এ ঘটনা ঘটে। গুলিবিদ্ধ সাইফুল ইসলাম সিজু (৪০) মিরপুর থানা স্বেচ্ছাসেবক দলের যুগ্ম আহ্বায়ক। তিনি বর্তমানে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।

তাকে হাসপাতালে নিয়ে আসা প্রতিবেশী সাইদুল জানান, রাতে মুন্সি বাড়ি রোডে সাইফুল ইসলাম সিজু তার নিজ অফিসের সামনে দাঁড়িয়ে ছিলেন। এ সময় হঠাৎ জাকির হোসেনের শান্তর (২৭) নেতৃত্বে ৩/৫জন এলোপাতাড়ি গুলি করে। এতে সাইফুলের কোমরে এবং দুই পায়ে গুলি লাগে।

সিজু গুলিবিদ্ধ হয়ে মাটিতে লুটিয়ে পড়েন। ​গোলাগুলির শব্দে এলাকায় তীব্র আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে এবং পথচারীরা দিকবিদিক ছুটোছুটি করতে থাকেন। তবে ঘটনার পরপরই পালিয়ে যাওয়ার সময় স্থানীয় কিছু জনতা ধাওয়া করে এক যুবককে একটি আগ্নেয়াস্ত্রসহ আটক করে। পরবর্তীতে তাকে মিরপুর থানা পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়।

পুলিশের ভাষ্য, পূর্বশত্রুতার জেরে শান্ত ভূঁইয়া নামে এক ব্যক্তি বিদেশি আগ্নেয়াস্ত্র দিয়ে সাইফুল ইসলাম সিজুকে লক্ষ্য করে গুলি করেন। ঘটনার পরপরই পুলিশ ঘটনাস্থল ও আশপাশের এলাকায় অভিযান চালিয়ে শান্ত ভূঁইয়াকে গ্রেপ্তার করে। তার কাছ থেকে একটি বিদেশি রিভলভার ও চার রাউন্ড তাজা গুলি উদ্ধার করা হয়েছে।

মিরপুর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো হাফিজুর রহমান বলেন, ঘটনার পরপরই অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তার কাছ থেকে একটি বিদেশি রিভলভার ও চার রাউন্ড তাজা গুলি উদ্ধার করা হয়েছে। এ ঘটনায় আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন।

পুলিশ জানিয়েছে, ঘটনার পর এলাকায় অতিরিক্ত সতর্কতা নেওয়া হয়েছে। বর্তমানে ঘটনাস্থল ও আশপাশের এলাকার আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে।

কালের আলো/ডিএইচ/এমএসআইপি 

দুই গোল পিছিয়ে থেকেও শেষ সময়ে জয় পেল আর্জেন্টিনা

স্পোর্টস ডেস্ক
প্রকাশিত: বুধবার, ৮ জুলাই, ২০২৬, ১:২০ পূর্বাহ্ণ
দুই গোল পিছিয়ে থেকেও শেষ সময়ে জয় পেল আর্জেন্টিনা

দুই গোলে পিছিয়ে পড়েও শেষ পর্যন্ত নাটকীয় জয় তুলে নিয়েছে আর্জেন্টিনা। মিশরের বিপক্ষে ৩-২ গোলের জয়ে বিশ্বকাপের কোয়ার্টার ফাইনালে (শেষ আট) জায়গা করে নিয়েছে বর্তমান বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা।

ম্যাচের শুরুটা ছিল মিশরের পক্ষে। প্রথমার্ধেই ইয়াসির ইব্রাহিমের হেডে এগিয়ে যায় তারা। এরপর মোস্তফা জিকো ব্যবধান দ্বিগুণ করলে বড় অঘটনের স্বপ্ন দেখতে শুরু করে মিশর।

তবে পিছিয়ে পড়ে হাল ছাড়েনি আর্জেন্টিনা। দ্বিতীয়ার্ধে আক্রমণের ধার বাড়িয়ে প্রথমে ক্রিশ্চিয়ান রোমেরোর গোলে ব্যবধান কমায় তারা। এরপর দলের প্রাণভোমরা লিওনেল মেসি গোল করে ম্যাচে সমতা ফেরান।

এর আগে পেনাল্টি থেকে গোল করতে ব্যর্থ হলেও মেসি শেষ পর্যন্ত নিজের অষ্টম গোল তুলে নেন। এই গোলের মাধ্যমে গোল্ডেন বুটের দৌড়েও নিজের অবস্থান শক্ত করেন আর্জেন্টাইন অধিনায়ক।

নির্ধারিত সময়ের পর যোগ করা সময়ে আসে ম্যাচের সবচেয়ে নাটকীয় মুহূর্ত। লাউতারো মার্টিনেজের দুর্দান্ত ক্রস থেকে এনজো ফার্নান্দেজ হেডে বল জালে পাঠিয়ে আর্জেন্টিনাকে ৩-২ ব্যবধানে এগিয়ে দেন।

গোলের আগে ফাউলের অভিযোগ তুলে ভিএআরের কাছে আবেদন করে মিশর। কিন্তু পর্যালোচনার পর গোল বহাল রাখেন কর্মকর্তারা। প্রতিবাদের কারণে মিশরের কোচিং স্টাফের এক সদস্য লাল কার্ড দেখেন।

শেষ পর্যন্ত আর কোনো গোল না হওয়ায় অবিশ্বাস্য এক প্রত্যাবর্তনের সাক্ষী হয় বিশ্বকাপ। ০-২ গোলে পিছিয়ে থেকেও জয় তুলে নিয়ে শিরোপা ধরে রাখার পথে আরও এক ধাপ এগিয়ে গেল আর্জেন্টিনা।

কালের আলো/এএইচ/এমএসআইপি 

মেসির পেনাল্টি মিসে পিছিয়ে থেকে প্রথমার্ধে আর্জেন্টিনা

স্পোর্টস ডেস্ক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৭ জুলাই, ২০২৬, ১০:৫৯ অপরাহ্ণ
মেসির পেনাল্টি মিসে পিছিয়ে থেকে প্রথমার্ধে আর্জেন্টিনা

চলতি আসরে প্রথমবার আর্জেন্টিনা পিছিয়ে থেকে প্রথমার্ধ শেষ করল। শুরুতেই তারা গোল হজম করে। পেনাল্টি মিস করার কারণে গোল শোধ দিতে পারেনি তারা। মিশর ১-০ গোলে এগিয়ে থেকে দ্বিতীয়ার্ধে খেলা শুরু করবে।

শুরুতেই আর্জেন্টিনার জাল কাঁপায় মিশর। ১৫ মিনিটে বিশ্ব চ্যাম্পিয়নরা ১-০ গোলে পিছিয়ে পড়ে।

মিশরীয় ডিফেন্ডার ইয়াসির ইব্রাহিম ডি-বক্সের মাঝখান থেকে দুর্দান্ত এক হেড করেন। বলটিকে পোস্টের ডানদিকের নিচের কোণ দিয়ে জালের ভেতরে পাঠান তিনি। কর্নার থেকে উড়ে আসা বলে ক্রস বাড়িয়ে এই গোলটিতে অ্যাসিস্ট করেন মারওয়ান আতিয়া।

১৫ মিনিটে গোল খাওয়ার পর পাঁচ মিনিটের ব্যবধানে গোল শোধ দেওয়ার সুযোগ পেয়েছিল আর্জেন্টিনা। কিন্তু পেনাল্টি থেকে গোল করতে পারেননি মেসি।

তাগলিয়াফিকো মিশরের বক্সের মধ্যে ফাউলের শিকার হন। ২১ মিনিটে মেসি পেনাল্টি কিক নেন। তার বাম পায়ের শট বাঁ দিকে ডাইভ দিয়ে ফিরিয়ে দেন মোস্তফা শোবেইর।

বিশ্বকাপে নেওয়া মোট ৮টি পেনাল্টির মধ্যে ৪টিই মিস করলেন মেসি। চলতি বিশ্বকাপে এটি তার দ্বিতীয় পেনাল্টি মিস। এর আগে অস্ট্রিয়ার বিপক্ষে গ্রুপ পর্বের ম্যাচে পেনাল্টি গোল করতে পারেননি তিনি।

মেসি শটটি গোলরক্ষকের বাঁ দিক ঘেঁষে নিলেও তাতে যথেষ্ট গতি ছিল না। মিশরের গোলরক্ষক মোস্তফা সঠিক উচ্চতায় থাকা বলটিকে দারুণভাবে প্রতিহত করেন।

গোলরক্ষক মোস্তফার জন্যও এটি এই টুর্নামেন্টের দ্বিতীয় পেনাল্টি সেভ। এর আগে গ্রুপ পর্বে ইরানের তারেমির পেনাল্টিও তিনি একইভাবে আটকে দিয়েছিলেন।

২৮ মিনিটে আরেকবার আর্জেন্টিনাকে ফিরিয়ে দেন মোস্তফা। রদ্রিগো ডি পলের ক্রসে ম্যাক অ্যালিস্টারের হেড ডানদিকে ঝুঁকে রুখে দেন তিনি।

১০ মিনিট পর মেসির বাঁ পায়ের শট গোলবারের অনেক উপর দিয়ে যায়। পরের মিনিটেই তাগলিয়াফিকোর কাটব্যাক থেকে বল পেয়ে আলভারেজ শট নেন। বাঁ দিকে ঝাঁপিয়ে পড়ে বল রুখে দেন মোস্তফা।

কালের আলো/জেএন/এমএসআইপি