খুঁজুন
                               
, ,
           

গ্রামেই কর্মসংস্থান তৈরির পরিকল্পনা সরকারের

কালের আলো রিপোর্ট:
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১০ মার্চ, ২০২৬, ১১:৪৮ পূর্বাহ্ণ
গ্রামেই কর্মসংস্থান তৈরির পরিকল্পনা সরকারের

দেশের বিপুলসংখ্যক বেকার যুবককে দক্ষ মানবসম্পদে রূপান্তর করতে চায় সরকার। এজন্য আত্মকর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরি করতে উপজেলা পর্যায়ে প্রশিক্ষণ কার্যক্রম জোরদার করার উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে। এর ফলে গ্রামেই কর্মসংস্থান তৈরি করা হবে। যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের অধীন যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরের আওতায় আগামী তিন বছরে তিন লাখ ৬৬ হাজারের বেশি যুবক-যুব মহিলাকে প্রশিক্ষণ দেওয়া হবে। খবর সংশ্লিষ্ট সূত্রের।

জানা যায়, ইতোমধ্যেই পরিকল্পনা কমিশনের আর্থ-সামাজিক অবকাঠামো বিভাগের অধীনে এটি প্রস্তাব করা হয়েছে। প্রকল্পের মোট ব্যয় ধরা হয়েছে ২৭৪ কোটি ৯৯ লাখ টাকা। পুরোপুরি সরকারি অর্থায়নে বাস্তবায়িত হবে এই প্রকল্প। প্রকল্পটি দেশের ৬৪টি জেলার সব উপজেলায় বাস্তবায়ন করা হবে। এতে ১০টি মেট্রোপলিটন ইউনিট থানাও অন্তর্ভুক্ত হবে। সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানান, এর আগে প্রথম পর্যায়ে দেশের ৫৭টি জেলার ৪৪২টি উপজেলায় এই কর্মসূচি বাস্তবায়িত হয়েছিল। এ ছাড়া উত্তরাঞ্চলের সাতটি জেলার ৪৭টি উপজেলায় আরেকটি প্রকল্পের মাধ্যমে একই ধরনের কার্যক্রম পরিচালিত হয়। আগের প্রকল্পগুলোর মেয়াদ শেষ হওয়ায় এবার সারা দেশের সব উপজেলা অন্তর্ভুক্ত করে দ্বিতীয় পর্যায়ের এই প্রকল্প নেওয়া হয়েছে।

প্রকল্পের মূল লক্ষ্য হিসেবে বলা হয়েছে- স্থানীয় চাহিদার ভিত্তিতে দক্ষতা উন্নয়ন প্রশিক্ষণ দিয়ে বেকার যুবকদের কর্মসংস্থানের উপযোগী করে গড়ে তোলা। এর মাধ্যমে দেশে বেকারত্ব ও দারিদ্র্য হ্রাস, নতুন উদ্যোক্তা সৃষ্টি এবং গ্রামীণ অর্থনীতিকে আরো গতিশীল করা। পাশাপাশি যুবকদের নিজ নিজ এলাকায় কৃষিভিত্তিক খামার গড়ে তুলে শহরমুখী প্রবণতা কমিয়ে গ্রামেই আত্মকর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরি করা।

প্রকল্পের আওতায় স্বল্পমেয়াদি বিভিন্ন ট্রেডে প্রশিক্ষণ দেওয়া হবে। স্থানীয় চাহিদা অনুযায়ী ১৪ ও ২১ দিন মেয়াদি প্রশিক্ষণ কোর্স চালু থাকবে। প্রতিটি সমতল উপজেলায় বছরে গড়ে ২৫০ জন এবং হাওর, উপকূলীয় ও পাহাড়ি উপজেলায় প্রায় ১৬০ জন বেকার যুবক ও যুবমহিলাকে প্রশিক্ষণ দেওয়া হবে। প্রতি ব্যাচে সমতল অঞ্চলে ২৫ জন এবং হাওর ও পার্বত্য এলাকায় ২০ জন প্রশিক্ষণার্থী অংশ নিতে পারবেন।

প্রশিক্ষণ কোর্সে অংশগ্রহণের জন্য আবেদনকারীর ন্যূনতম শিক্ষাগত যোগ্যতা পঞ্চম শ্রেণি পাস এবং বয়স ১৮ থেকে ৩৫ বছর নির্ধারণ করা হয়েছে। তবে বিশেষ ক্ষেত্রে ৪৫ বছর পর্যন্ত বয়স বিবেচনা করা হবে। বিধবা, স্বামী পরিত্যক্তা নারী, দলিত জনগোষ্ঠী, চা-শ্রমিক, হিজড়া সম্প্রদায়, প্রতিবন্ধী এবং ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর নারীদের প্রশিক্ষণে অগ্রাধিকার দেওয়ার নীতিও রাখা হয়েছে। প্রশিক্ষণার্থীদের উৎসাহিত করতে প্রকল্পে বিভিন্ন প্রণোদনার ব্যবস্থাও রাখা হয়েছে। প্রশিক্ষণকালীন প্রতিদিন ১৫০ টাকা হারে প্রশিক্ষণ ভাতা এবং ৫০ টাকা আপ্যায়ন ভাতা দেওয়া হবে। প্রশিক্ষণের সময় বিনামূল্যে প্রশিক্ষণ মডিউল সরবরাহ করা হবে এবং অডিও-ভিডিওভিত্তিক প্রশিক্ষণসামগ্রী ব্যবহারের মাধ্যমে কোর্সগুলোকে আরো আকর্ষণীয় করে তোলা হবে।

প্রকল্প বাস্তবায়নে উপজেলা যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবেন। প্রশিক্ষণ আয়োজন, প্রশিক্ষণার্থী নির্বাচন, কোর্স পরিচালনা এবং প্রশিক্ষণপ্রাপ্তদের তথ্য সংরক্ষণসহ পুরো কার্যক্রম তাঁর নেতৃত্বে পরিচালিত হবে। জেলা পর্যায়ে উপপরিচালক ও সহকারী পরিচালকরা এই কার্যক্রম তদারকি করবেন। এ ছাড়া মন্ত্রণালয় পর্যায়ে একটি স্টিয়ারিং কমিটি এবং অধিদপ্তর পর্যায়ে একটি প্রকল্প বাস্তবায়ন কমিটি গঠন করে নিয়মিত সভার মাধ্যমে প্রকল্পের অগ্রগতি পর্যালোচনা করা হবে।

কালের আলো/এসএম/এএএন

প্রতি ৯ সেকেন্ডে একটি মাদারবোর্ড, দিনে তৈরি ২ লাখ স্মার্টফোন

তথ্যপ্রযুক্তি ডেস্ক
প্রকাশিত: বুধবার, ২৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৬:৫৭ অপরাহ্ণ
প্রতি ৯ সেকেন্ডে একটি মাদারবোর্ড, দিনে তৈরি ২ লাখ স্মার্টফোন

সকাল সকাল পৌঁছে যাওয়া গেল চীনের ডুনডুয়াংয়ে স্মার্টফোন নির্মাতা ভিভোর কারখানায়। বিশাল এই কারখানায় রয়েছে বড় তিনটি ভবন। কর্মীদের থাকার জন্য আছে বেশ কয়েকটি বহুতল ডরমিটরি।

গবেষণা ও উন্নয়নের (আরঅ্যান্ডডি) জন্য তৈরি ভবনটির আয়তন প্রায় ১০ লাখ বর্গমিটার। একসময় এটিই ছিল ভিভোর সদর দপ্তর। আর স্মার্টফোন উৎপাদনের কাজ মূলত দুটি ভবনে পরিচালিত হয়।

এই কারখানা থেকেই প্রতি মাসে প্রায় ৬০ লাখ স্মার্টফোন উৎপাদন করা হয়। অর্থাৎ দিনে গড়ে প্রায় ২ লাখ ফোন।

৩০ উৎপাদন লাইনে তৈরি ফোন

বাংলাদেশ, মিসর ও পাকিস্তানের সাংবাদিক এবং প্রযুক্তিবিষয়ক ইউটিউবারদের একটি দলকে কারখানাটি ঘুরিয়ে দেখান ভিভোর কর্মী ওউ কি।

তিনি জানান, কারখানায় মূলত সারফেস মাউন্ট টেকনোলজি (এসএমটি) ব্যবহার করে উৎপাদন করা হয়। স্মার্টফোন তৈরির জন্য এখানে রয়েছে ৩০টি প্রোডাকশন লাইন।

কারখানাটির উৎপাদন প্রক্রিয়ায় পরিবেশগত বিষয়গুলোও গুরুত্ব দিয়ে দেখা হয়। পুরো কারখানা এলাকাজুড়েই রয়েছে সবুজায়নের ব্যবস্থা।

৯ সেকেন্ডে তৈরি মাদারবোর্ড

স্মার্টফোন তৈরির প্রক্রিয়া শুরু হয় মাদারবোর্ড তৈরির মাধ্যমে। এখানে প্রতি ৯ সেকেন্ডে একটি মাদারবোর্ড তৈরি হয়ে যায়।

এরপর শুরু হয় বিভিন্ন যন্ত্রাংশ সংযোজনের কাজ। এ জন্য রয়েছে ১০টি অ্যাসেম্বলি লাইন। ধাপে ধাপে ফোনে যুক্ত করা হয় প্রসেসর, ক্যামেরা, স্পিকারসহ বিভিন্ন যন্ত্রাংশ। একই সঙ্গে ফোনে ইনস্টল করা হয় সফটওয়্যার।

এরপর ফোন যায় চূড়ান্ত পরীক্ষা-নিরীক্ষার ধাপে। ফোনের পর্দা চূড়ান্ত করার প্রক্রিয়ায় সময় লাগে মাত্র তিন সেকেন্ড।

মানুষের তদারকি, কাজ করে যন্ত্র

ভিভোর এই কারখানার উৎপাদনপ্রক্রিয়ার বড় অংশই স্বয়ংক্রিয়। বিভিন্ন যন্ত্র নিজে থেকেই নির্দিষ্ট কাজ সম্পন্ন করে। তবে পুরো প্রক্রিয়ায় মানুষের তদারকি রয়েছে।

ভিভোর জন্য ব্যবহৃত স্মার্টফোন তৈরির যন্ত্রগুলো তৈরি করেছে আইকিউও। ফলে উৎপাদনের বিভিন্ন ধাপে প্রযুক্তিনির্ভর স্বয়ংক্রিয় ব্যবস্থার ব্যবহার দেখা যায়।

বিশ্বের বিভিন্ন দেশে ভিভোর কারখানা

চীনে ডুনডুয়াংয়ের এই কারখানা ছাড়াও ভিভোর আরও একটি কারখানা রয়েছে। এর বাইরে ব্রাজিল, ভারত, তুরস্ক, মিসর, বাংলাদেশ, ইন্দোনেশিয়া ও পাকিস্তানেও ভিভোর কারখানা রয়েছে।

বিশাল উৎপাদন সক্ষমতা, স্বয়ংক্রিয় প্রযুক্তি এবং একাধিক দেশে কারখানা স্থাপনের মাধ্যমে বিশ্বজুড়ে স্মার্টফোন উৎপাদন ও সরবরাহব্যবস্থা পরিচালনা করছে প্রতিষ্ঠানটি।

কালের আলো/এসএ

নয় গানে কাজী শুভর একক ডিজিটাল অ্যালবাম ‘কেউ বুঝলো না’

বিনোদন প্রতিবেদক
প্রকাশিত: বুধবার, ২৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৬:৪৪ অপরাহ্ণ
নয় গানে কাজী শুভর একক ডিজিটাল অ্যালবাম ‘কেউ বুঝলো না’

অডিও প্রযোজনার প্রচলিত বাজার যখন ধীরে ধীরে সংগীত থেকে সরে নাটক, ওয়েব কনটেন্ট ও দৃশ্যনির্ভর বিনোদনের দিকে ঝুঁকছে, তখন বাংলা গানের প্রতি দায়বদ্ধতা থেকে নতুন উদ্যোগ নিয়েছে ধ্রুব মিউজিক স্টেশন (ডিএমএস)।

বাংলা গানের ভুবনকে আরও সমৃদ্ধ করার প্রত্যয়ে প্রতিষ্ঠানটি বিভিন্ন শিল্পীকে নিয়ে শুরু করেছে একক গানের ডিজিটাল অ্যালবাম প্রকাশের উদ্যোগ। সেই ধারাবাহিকতার প্রথম আয়োজন হিসেবে শিগগিরই প্রকাশ পাচ্ছে জনপ্রিয় কণ্ঠশিল্পী কাজী শুভর একক ডিজিটাল অ্যালবাম ‘কেউ বুঝলো না’।

নয় গানে ভিন্ন স্বাদের আয়োজন

নয়টি গান দিয়ে সাজানো হয়েছে অ্যালবামটি। এতে শ্রোতাদের ভিন্ন স্বাদের গান উপহার দেওয়ার চেষ্টা করেছেন কাজী শুভ।

অ্যালবামের গান লিখেছেন তরুণ মুন্সী, প্রয়াত পাগল হাসান, এ মিজান, জিসান খান শুভ, সলাহউদ্দিন সাগর, হুমায়ুন কবির, আরিফ হোসেন বাবু, আলামিন সরকার ও হানিফ খান।

গানগুলোর সুর করেছেন তরুণ মুন্সী, প্রয়াত পাগল হাসান, কাজী শুভ, জিসান খান শুভ, হুমায়ুন কবির, আলামিন সরকার, আহমেদ সজীব, আদিব কবির ও হানিফ খান। সংগীতায়োজন করেছেন রাফি মোহাম্মদ, আহমেদ সজীব ও আদিব কবীর।

অ্যালবামের একটি গানে কাজী শুভর সঙ্গে দ্বৈত কণ্ঠ দিয়েছেন বাঁধন সরকার পূজা।

দীর্ঘ বিরতির পর একক অ্যালবাম

দীর্ঘ বিরতির পর একক অ্যালবাম প্রকাশের খবরে উচ্ছ্বসিত কাজী শুভ। অ্যালবামটি নিয়ে তিনি বলেন, ‘দীর্ঘ বছর পর আবার আমার একক অ্যালবাম প্রকাশ পাচ্ছে, বিষয়টি অত্যন্ত আনন্দের। অডিওর এই খারাপ সময়ে ধ্রুব দা যে ঝুঁকিটা নিয়েছেন, তার জন্য দাদার প্রতি অশেষ কৃতজ্ঞতা ও ধন্যবাদ।’

তিনি আরও বলেন, অ্যালবামের নয়টি গানই নয় রকমভাবে করার চেষ্টা করেছেন। শ্রোতারা গানগুলো পছন্দ করবেন বলেও আশা প্রকাশ করেন তিনি।

বাংলা গান নিয়ে ডিএমএসের নতুন ভাবনা

বাংলা সংগীতাঙ্গনের প্রতি দায়বদ্ধতা ও ভালোবাসা থেকেই এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন ধ্রুব মিউজিক স্টেশনের কর্ণধার ও সংগীতশিল্পী ধ্রুব গুহ।

তিনি বলেন, ‘বাংলা গানকে বিশ্বময় ছড়িয়ে দেওয়ার লক্ষ্যে কাজ করে যাচ্ছে ডিএমএস।’ তার মতে, শ্রুতির জগত যখন দৃশ্যনির্ভর বিনোদনের কাছে জায়গা হারাচ্ছে, তখন বাংলা গানের স্বকীয়তা ও ঐতিহ্য নতুন প্রজন্মের শ্রোতাদের কাছে পৌঁছে দিতে এই উদ্যোগ ভূমিকা রাখবে।

ডিএমএস সূত্রে জানা গেছে, শিগগিরই ইউটিউব, স্পটিফাইসহ দেশি-বিদেশি বিভিন্ন মিউজিক প্ল্যাটফর্মে একযোগে প্রকাশ করা হবে ‘কেউ বুঝলো না’ অ্যালবামটি।

কালের আলো/এসএ

রামপুরা খালের ওপর আফতাবনগর-বনশ্রী ফুটওভার ব্রিজ উদ্বোধন

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: বুধবার, ২৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৬:৪২ অপরাহ্ণ
রামপুরা খালের ওপর আফতাবনগর-বনশ্রী ফুটওভার ব্রিজ উদ্বোধন

ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের (ডিএনসিসি) অর্থায়নে রামপুরা খালের ওপর নির্মিত আফতাবনগর-বনশ্রী সংযোগকারী ফুটওভার ব্রিজের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করা হয়েছে। নতুন এই সংযোগের ফলে দুই এলাকার বাসিন্দাদের যাতায়াতে ৩০ থেকে ৪০ মিনিট সময় সাশ্রয় হবে বলে জানিয়েছে ডিএনসিসি।

বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) আফতাবনগরে ব্রিজটির উদ্বোধন করেন ডিএনসিসির প্রশাসক মো. শফিকুল ইসলাম খান মিল্টন।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে ডিএনসিসি প্রশাসক বলেন, আফতাবনগর ও বনশ্রী আবাসিক এলাকার বাসিন্দাদের দীর্ঘদিনের দাবি ছিল দুই এলাকার মধ্যে সরাসরি সংযোগ স্থাপন। ফুটওভার ব্রিজটি চালু হওয়ায় এখন যাতায়াতে প্রায় ৩০ থেকে ৪০ মিনিট সময় সাশ্রয় হবে। এতে নগরবাসীর মূল্যবান সময় বাঁচবে।

তিনি জানান, শুধু এই ফুটওভার ব্রিজ নয়, এর পাশাপাশি আরও দুটি স্টিল ব্রিজ নির্মাণের কাজ চলমান রয়েছে। এসব ব্রিজ দিয়ে ভারী যানবাহন চলাচল করতে পারবে।

ডিএনসিসি প্রশাসক বলেন, ভবিষ্যতে এমআরটি নির্মাণের কাজ শুরু হলে প্রধান সড়কগুলোর ওপর চাপ কমাতে এসব ব্রিজ বাইপাস রুট হিসেবে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। এর মাধ্যমে যানজট নিরসনেও সহায়তা পাওয়া যাবে।

সিটি করপোরেশনের উদ্যোগে এবং বাংলাদেশ নৌবাহিনীর সার্বিক তত্ত্বাবধানে ফুটওভার ব্রিজ নির্মাণ প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করা হয়েছে।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে ডিএনসিসির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মীর খায়েরুল আলম, প্রধান প্রকৌশলী ব্রিগেডিয়ার জেনারেল রাকিবুল হাসান, প্রধান বর্জ্য ব্যবস্থাপনা কর্মকর্তা কমোডর হুমায়ুন কবির, প্রধান স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ব্রিগেডিয়ার জেনারেল ইমরুল কায়েস, অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী খন্দকার মাহবুব হোসেনসহ বাংলাদেশ নৌবাহিনীর ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা ও স্থানীয় সোসাইটির নেতারা উপস্থিত ছিলেন।

কালের আলো/এমএসআইপি