খুঁজুন
                               
, ,
           

মার্কিন ফার্স্ট লেডির আমন্ত্রণে ওয়াশিংটনে ভাষণ দিলেন ডা. জুবাইদা রহমান

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: বুধবার, ২৫ মার্চ, ২০২৬, ২:৩৭ অপরাহ্ণ
মার্কিন ফার্স্ট লেডির আমন্ত্রণে ওয়াশিংটনে ভাষণ দিলেন ডা. জুবাইদা রহমান

মার্কিন ফার্স্ট লেডি মেলানিয়া ট্রাম্পের আমন্ত্রণ ও হোয়াইট হাইসের উদ্যোগে ফস্টারিং দ্য ফিউচার টুগেদার গ্লোবাল কলিউশন সামিটে যোগ দিয়ে উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে ভাষণ দিয়েছেন বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের স্ত্রী ডা. জুবাইদা রহমান।

যুক্তরাষ্ট্রের রাজধানী ওয়াশিংটন ডিসিতে পররাষ্ট্র দপ্তরের আয়োজিত শীর্ষ এই সম্মেলনে ডা. জুবাইদা রহমান বলেন, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা এআই-এর দায়িত্বশীল ব্যবহারের মাধ্যমে শিক্ষা ব্যবস্থায় আমূল পরিবর্তন আনা সম্ভব। এজন্য বাংলাদেশকে সহায়তা দিতে উন্নত বিশ্বের কাছে আহ্বান জানান।

তিনি বলেন, বিভিন্ন উদ্ভাবনী প্রযুক্তি ও স্বাস্থ্যসেবা শিশুদের দোরগোড়ায় পৌঁছে দিতে সরকার কাজ করছে। মঙ্গলবার (২৪ মার্চ) দুদিনব্যাপী সম্মেলনের উদ্বোধন করেন ফার্স্ট লেডি মেলানিয়া ট্রাম্প।

ডা. জুবাইদা রহমান বলেন, ঐতিহাসিক ‘ফস্টারিং দ্য ফিউচার টুগেদার গ্লোবাল কোয়ালিশন সামিট’-এ আপনাদের সবার সাথে যোগ দিতে পারা আমার জন্য অত্যন্ত সম্মানের। বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে আমাদের শিশুদের সম্ভাবনা এবং প্রতিটি জাতির আগামীর অঙ্গীকারের মতো মহৎ উদ্দেশ্যে আমাদের একত্রিত করার জন্য আমি ফার্স্ট লেডিকে আন্তরিক ধন্যবাদ জানাই।

তিনি বলেন, আমরা বিশ্বাস করি, প্রতিটি দেশের ভবিষ্যৎ লেখা হয় সেই দেশের শিশুদের জীবনের পাতায়। আজ আমরা তাদের যে শিক্ষা প্রদান করি এবং যে মূল্যবোধে তাদের বড় করি, তার মাধ্যমেই তারা আগামীদিনের জাতি গঠন করে।

তিনি আরও বলেন, একজন চিকিৎসক হিসেবে আমি প্রতিটি শিশুর জন্য মানসম্মত স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করতে গভীরভাবে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। আমি কেবল চিকিৎসার ওপর নয়, বরং জীবনের প্রাথমিক পর্যায় থেকে রোগ প্রতিরোধের ওপরও গুরুত্ব দিচ্ছি। ফ্যামিলি কার্ড ও কৃষক কার্ডে আর্থিক সুবিধার মাধ্যমে পরিবারকে শক্তিশালী এবং শিশুদের নিরাপদ পরিবেশে বেড়ে ওঠা নিশ্চিত করছে।

ডা. জুবাইদা বলেন, শহর ও গ্রামের বৈষম্য দূর করতে প্রযুক্তি, বিশেষ করে ‘এড-টেক’ (Ed-tech) কেন্দ্রীয় ভূমিকা পালন করছে। একইসঙ্গে, আমরা এই প্রযুক্তিগুলোর নিরাপদ এবং নৈতিক ব্যবহার নিশ্চিত করতে অঙ্গীকারবদ্ধ, যাতে শিশুরা একটি নিরাপদ ও সহায়ক পরিবেশে বেড়ে উঠতে পারে।

তিনি বলেন, নারীর ক্ষমতায়নে বাংলাদেশের একটি শক্তিশালী উত্তরাধিকার রয়েছে। সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া মানবাধিকার সমুন্নত করেছেন এবং দ্বাদশ শ্রেণি পর্যন্ত মেয়েদের অবৈতনিক শিক্ষা চালু করেছিলেন। আমাদের সরকার নারীদের জন্য স্নাতকোত্তর পর্যায় পর্যন্ত বিনামূল্যে শিক্ষা নিশ্চিত করতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।

কালের আলো/এসএকে

রূপপুরের জ্বালানি নিয়ে বিমান রওনা, ঢাকায় পৌঁছাবে রাতে

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: শুক্রবার, ২ অক্টোবর, ২০২৬, ৫:০৭ অপরাহ্ণ
রূপপুরের জ্বালানি নিয়ে বিমান রওনা, ঢাকায় পৌঁছাবে রাতে

রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের জন্য প্রয়োজনীয় জ্বালানি নিয়ে একটি বিমান ঢাকার উদ্দেশে রওনা দিয়েছে। শুক্রবার (২ অক্টোবর) বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিমন্ত্রী ফকির মাহবুব আনাম জানিয়েছেন, বিমানটি রাত সাড়ে ১১টার দিকে ঢাকায় পৌঁছানোর কথা রয়েছে।

মন্ত্রী জানান, রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের জ্বালানি পরিবহনকারী বিমানটি ইতোমধ্যে যাত্রা শুরু করেছে। নির্ধারিত সময় অনুযায়ী এটি রাত সাড়ে ১১টার দিকে ঢাকায় অবতরণ করবে।

রূপপুর প্রকল্পের জ্বালানি দেশে পৌঁছানো নিয়ে কয়েক দিন ধরে আলোচনা চলছিল। জ্বালানি পৌঁছানোর পর প্রকল্পের পরবর্তী কার্যক্রম আরও এগিয়ে নেওয়ার সুযোগ তৈরি হবে বলে সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন।

বিমানটি নিরাপদে ঢাকায় পৌঁছানোর পর জ্বালানি হস্তান্তরের প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা হবে। এরপর এ বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য জানানো হবে বলে জানা গেছে।

কালের আলো/ডিএইচ/এমএসআইপি 

জ্বালানি তেলের প্রভাবে বাড়ছে নিত্যপণ্যের দাম

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: শুক্রবার, ২ অক্টোবর, ২০২৬, ৪:৫৬ অপরাহ্ণ
জ্বালানি তেলের প্রভাবে বাড়ছে নিত্যপণ্যের দাম

বাজারে সবজি ও ইলিশের সরবরাহ বাড়লেও দাম কমেনি। বরং জ্বালানি তেলের দাম বৃদ্ধির প্রভাবে রাজধানীর বিভিন্ন বাজারে সপ্তাহের ব্যবধানে অধিকাংশ সবজির দাম কেজিতে ১০ থেকে ২০ টাকা পর্যন্ত বেড়েছে। একই সঙ্গে বেড়েছে মুরগির দামও।

শুক্রবার (২ অক্টোবর) রাজধানীর শেওড়াপাড়া, তালতলা ও আগারগাঁও বাজার ঘুরে এমন চিত্র দেখা গেছে।

বাজারে পটল, ঢ্যাঁড়শ ও চিচিঙ্গা কেজিতে ২০ টাকা বেড়ে ৭০ থেকে ৮০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। বেগুন ৮০ থেকে ১৪০ টাকা, কাঁচা মরিচ ১২০ থেকে ১৪০, টমেটো ও গাজর ১০০ থেকে ১২০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। পেঁপে ২০ টাকা, আলু ৩০ টাকা এবং পেঁয়াজ ৫ টাকা বেড়ে যথাক্রমে বাজারে বিক্রি হচ্ছে।

শীতকালীন সবজির মধ্যে শিম ২০০ থেকে ২২০ টাকা কেজি, ফুলকপি ৬০ থেকে ৮০ টাকা এবং বাঁধাকপি ৮০ টাকা পিস দরে বিক্রি হচ্ছে। তবে মুলার দাম কেজিতে ১০ টাকা কমে ৫০ টাকায় নেমেছে।

মুরগির বাজারেও দাম বেড়েছে। সোনালি কক কেজিতে ২০ টাকা বেড়ে ৩২০ টাকা এবং ব্রয়লার ১০ টাকা বেড়ে ১৮০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। সোনালি হাইব্রিড ২৯০, লাল লেয়ার ৩৬০ এবং দেশি মুরগি ৬৭০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।

এদিকে বাজারে ইলিশের সরবরাহ ভালো থাকলেও দাম কমেনি। ৩০০ গ্রাম ওজনের ইলিশ ৯০০ থেকে ১ হাজার টাকা, ৫০০ থেকে ৭০০ গ্রামের ইলিশ ১ হাজার ৪০০ থেকে ১ হাজার ৬০০ টাকা এবং ১ কেজি ওজনের ইলিশ ১ হাজার ৮০০ থেকে ২ হাজার টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে।

ব্যবসায়ীদের ভাষ্য, ইলিশের সরবরাহ বাড়লেও জ্বালানি তেলের দাম বৃদ্ধির কারণে পরিবহন ব্যয় বেড়েছে। এর প্রভাব পড়েছে মাছের দামে।

বাজারে গরুর মাংস ৭৮০ থেকে ৮০০ টাকা এবং খাসির মাংস ১ হাজার ৩০০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। পাশাপাশি বিভিন্ন ধরনের মাছ ও ডিমও আগের তুলনায় বাড়তি দামে বিক্রি হচ্ছে।

কালের আলো/এএইচ/এমএসআইপি 

১৩ কোটি নাম বাদ, ফের ভোটার তালিকায় তোলার উদ্যোগ ভারতের

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
প্রকাশিত: শুক্রবার, ২ অক্টোবর, ২০২৬, ৪:৩৩ অপরাহ্ণ
১৩ কোটি নাম বাদ, ফের ভোটার তালিকায় তোলার উদ্যোগ ভারতের

ভারতের ভোটার তালিকা সংশোধনকে ঘিরে বিতর্কের মধ্যেই বাদ পড়া যোগ্য ভোটারদের ফের তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করতে বিশেষ অভিযান শুরু করেছে দেশটির নির্বাচন কমিশন (ইসি)। ইতোমধ্যে ২০টি রাজ্য ও কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলে এ কার্যক্রম চালানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

কমিশনের এই সিদ্ধান্ত এসেছে বিশেষ নিবিড় সংশোধন বা এসআইআর (Special Intensive Revision) প্রক্রিয়ায় বিপুলসংখ্যক নাম বাদ পড়া নিয়ে রাজনৈতিক দল ও নাগরিক সমাজের সমালোচনার মধ্যে। কমিশন জানিয়েছে, এসআইআরের পর কোনো বৈধ ভোটারের নাম বাদ পড়ে থাকলে তা শনাক্ত করে আবার ভোটার তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করা হবে। পাশাপাশি নতুন ও প্রথমবার ভোট দিতে যাওয়া নাগরিকদের নামও তালিকায় তোলা হবে।

বাড়ি বাড়ি গিয়ে বাদ পড়া ভোটার খুঁজবে কর্মকর্তারা

নির্বাচন কমিশনের নির্দেশনা অনুযায়ী, যেসব রাজ্যে এসআইআর শেষ হয়েছে, সেখানে আগের ও পরের ভোটার তালিকা মিলিয়ে দেখা হবে। কারা বাদ পড়েছেন, সেই তালিকা তৈরি করে যাচাই করা হবে তাঁদের নাম কেন বাদ গেছে।

জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা (ডিইও), ইলেকটোরাল রেজিস্ট্রেশন অফিসার (ইআরও) এবং বুথ লেভেল অফিসারদের (বিএলও) এ কাজে যুক্ত করা হয়েছে। কোনো বৈধ ভোটারের নাম বাদ পড়েছে বলে শনাক্ত হলে প্রয়োজনে তার বাড়িতে গিয়ে ফর্ম ৬ পূরণে সহায়তা করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

এসআইআরে ১৩ কোটির বেশি নাম বাদ

নির্বাচন কমিশনের এসআইআর প্রক্রিয়া নিয়ে সবচেয়ে বড় বিতর্ক তৈরি হয়েছে বিপুলসংখ্যক ভোটারের নাম খসড়া তালিকা থেকে বাদ পড়াকে কেন্দ্র করে। বিভিন্ন প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ৩০টি রাজ্য ও কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলের খসড়া ভোটার তালিকা থেকে ১৩ কোটির বেশি নাম বাদ গেছে।

কমিশনের ব্যাখ্যা অনুযায়ী, বাদ পড়া ব্যক্তিদের মধ্যে মৃত ব্যক্তি, স্থায়ীভাবে অন্যত্র চলে যাওয়া ভোটার, একাধিক জায়গায় নাম থাকা ব্যক্তি এবং অন্যান্য কারণে অযোগ্য হিসেবে চিহ্নিত ভোটার রয়েছেন। তবে বিরোধী দলগুলোর অভিযোগ, এই প্রক্রিয়ায় বৈধ ভোটারদের নামও বাদ পড়েছে।

দুই নির্বাচন কমিশনারের আপত্তি নিয়ে বিতর্ক

এসআইআর প্রক্রিয়ার পাশাপাশি নির্বাচন কমিশনের অভ্যন্তরীণ সিদ্ধান্ত নিয়েও বিতর্ক তৈরি হয়েছে। ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস-এর এক অনুসন্ধানী প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, নির্বাচন কমিশনার সুখবীর সিং সান্ধু ও বিবেক যোশি গত ১০ মাসে অন্তত ১৪ বার কমিশনের বিভিন্ন সিদ্ধান্ত নিয়ে আনুষ্ঠানিক আপত্তি জানিয়েছিলেন।

প্রতিবেদনটিতে ভোটারদের নাম যুক্ত বা বাদ দেওয়া এবং নির্বাচন কমিশনের ডিজিটাল ব্যবস্থাপনা-সংক্রান্ত বিভিন্ন সিদ্ধান্ত নিয়ে তাঁদের আপত্তির কথা তুলে ধরা হয়েছে।

জ্ঞানেশ কুমারকে ঘিরে বিরোধীদের অভিযোগ

ভারতের মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের বিরুদ্ধে বিরোধী দলগুলো পক্ষপাতিত্বের অভিযোগ তুলেছে। তাদের দাবি, এসআইআর প্রক্রিয়ার মাধ্যমে এমনভাবে ভোটার তালিকা পরিবর্তন করা হয়েছে, যাতে ক্ষমতাসীন বিজেপি রাজনৈতিকভাবে সুবিধা পেতে পারে।

তবে এটি বিরোধী দলগুলোর অভিযোগ। নির্বাচন কমিশন এসব অভিযোগ অস্বীকার করে জানিয়েছে, ভোটার তালিকার নির্ভুলতা নিশ্চিত করা এবং অযোগ্য বা একই ব্যক্তির একাধিক নামসহ বিভিন্ন অসঙ্গতি দূর করাই এসআইআরের উদ্দেশ্য। জ্ঞানেশ কুমারও তার বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগ প্রত্যাখ্যান করেছেন।

কেন নতুন করে নাম যুক্ত করার উদ্যোগ

এসআইআরের পর বৈধ ভোটার বাদ পড়ার অভিযোগ সামনে আসার পরই নির্বাচন কমিশন এখন বাদ পড়া ভোটারদের শনাক্ত করার ওপর জোর দিচ্ছে।

কমিশনের নতুন নির্দেশনায় শুধু যেসব ভোটার নিজেরা আবেদন করবেন, তাঁদের ওপর নির্ভর না করে কর্মকর্তাদেরও আগের ও বর্তমান তালিকা মিলিয়ে সম্ভাব্য বাদ পড়া বৈধ ভোটারদের খুঁজে বের করতে বলা হয়েছে।

অর্থাৎ, কারও নাম বাদ পড়লেও তিনি আবেদন না করলে বিষয়টি অদেখা থাকবে না—এমন একটি যাচাই প্রক্রিয়া চালানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

ভোটার তালিকা নিয়ে রাজনৈতিক চাপ বাড়ছে

এসআইআরকে কেন্দ্র করে ভারতের বিভিন্ন রাজ্যে বিরোধী দলগুলোর প্রতিবাদ অব্যাহত রয়েছে। কংগ্রেসসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক দল মুখ্য নির্বাচন কমিশনারের পদত্যাগের দাবিও তুলেছে। একই সঙ্গে নাগরিক সমাজের বিভিন্ন অংশ থেকেও ভোটার তালিকা সংশোধন প্রক্রিয়ার স্বচ্ছতা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।

তবে নির্বাচন কমিশনের নতুন বিশেষ অভিযানের মাধ্যমে বাদ পড়া বৈধ ভোটারদের কতজনকে ফের তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করা হবে, তা এখনো স্পষ্ট নয়। কমিশনের যাচাই ও পরবর্তী হালনাগাদ প্রক্রিয়ার পরই এ বিষয়ে বিস্তারিত চিত্র পাওয়া যাবে।

কালের আলো/এসএ