খুঁজুন
                               
, ,
           

বিএফ‌টিআই ও আই‌সি‌ডি‌টির মধ্যে সমঝোতা স্মারক সই

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: শুক্রবার, ২৭ মার্চ, ২০২৬, ৩:২৪ অপরাহ্ণ
বিএফ‌টিআই ও আই‌সি‌ডি‌টির মধ্যে সমঝোতা স্মারক সই

বাণিজ্য ও বিনিয়োগ ক্ষেত্রে পারস্পরিক সহযোগিতা জোরদার এবং আন্তর্জাতিক অঙ্গনে বাংলাদেশের বাণিজ্যিক অবস্থান আরও সংহত করার লক্ষ্যে একটি সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) সই করেছে বাংলাদেশ ফরেন ট্রেড ইনস্টিটিউট (বিএফটিআই) ও ইসলামিক সেন্টার ফর ডেভেলপমেন্ট অব ট্রেড (আইসিডিটি)।

এই চুক্তির ফলে ওআইসিভুক্ত দেশগুলোর সঙ্গে বাংলাদেশের বাণিজ্যিক ও কৌশলগত সম্পর্ক নতুন উচ্চতায় পৌঁছাবে বলে আশা করা হচ্ছে।

স্থানীয় সময় বৃহস্পতিবার (২৬ মার্চ) মরক্কোর কাসাব্লাঙ্কায় আইসিডিটি কার্যালয়ে এক অনুষ্ঠানের মাধ্যমে এই সমঝোতা স্মারক সই হয়।

অনুষ্ঠানে বাংলাদেশের পক্ষে ওআইসিতে নিযুক্ত রাষ্ট্রদূত ও স্থায়ী প্রতিনিধি এমজেএইচ জাবেদ এবং আইসিডিটির মহাপরিচালক লতিফা এলবুয়াবদেল্লাউই নিজ নিজ প্রতিষ্ঠানের পক্ষে সমঝোতা স্মারকে স্বাক্ষর করেন।

এসময় মরক্কোয় নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত সাদিয়া ফয়জুন্নেসা এবং আইসিডিটির ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

স্বাক্ষর অনুষ্ঠানের পূর্ববর্তী আলোচনায় বাংলাদেশ প্রতিনিধিদল জানায়, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে বর্তমান সরকারের অন্যতম অগ্রাধিকার হলো বাণিজ্য সম্প্রসারণ ও বিনিয়োগ আকর্ষণ। আন্তর্জাতিক অঙ্গনে বাংলাদেশকে একটি শক্তিশালী বাণিজ্যিক রাষ্ট্র হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করতে সরকার তার অংশীদার দেশসমূহকে সর্বাত্মক সহযোগিতা প্রদানে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। পাশাপাশি আইসিডিটির গবেষণা ও নীতিনির্ধারণমূলক কার্যক্রমে বাংলাদেশের বিভিন্ন অর্থনৈতিক খাত ও উপখাত অন্তর্ভুক্ত করারও আহ্বান জানানো হয়।

বাংলাদেশ প্রতিনিধিদল আইসিডিটির সঙ্গে এই উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়ে উল্লেখ করে যে, এর মাধ্যমে দুই প্রতিষ্ঠানের মধ্যে ধারণা, বিশেষজ্ঞ ও প্রাতিষ্ঠানিক সহযোগিতার নতুন দিগন্ত উন্মোচিত হবে। উভয় পক্ষই আশাবাদ ব্যক্ত করে যে, এর ফলে দক্ষ বাংলাদেশি পেশাজীবীরা আইসিডিটির বিভিন্ন কার্যক্রমে সরাসরি অবদান রাখার সুযোগ পাবেন।

আইসিডিটির মহাপরিচালক লতিফা এলবুয়াবদেল্লাউই বাংলাদেশ সরকারের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে বলেন, বাংলাদেশ ওআইসির বিভিন্ন অঙ্গসংস্থায় নিয়মিত অবদান রাখছে এবং সংস্থাটির বিভিন্ন ফোরামে অত্যন্ত সক্রিয় ভূমিকা পালন করছে। তিনি এই সমঝোতা স্মারককে একটি ‘ঐতিহাসিক পদক্ষেপ’ হিসেবে অভিহিত করেন এবং সংশ্লিষ্ট সব পক্ষকে ধন্যবাদ জানান।

তিনি আরও জানান, বাংলাদেশের ধারাবাহিক অঙ্গীকারের স্বীকৃতিস্বরূপ আইসিডিটি বাংলাদেশকে বিভিন্ন বাণিজ্য উন্নয়ন কার্যক্রমে একটি ‘পাইলট দেশ’ হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করার বিষয়টি বিবেচনা করছে। এ প্রেক্ষিতে ঢাকাকে একটি আঞ্চলিক হাব হিসেবে গড়ে তোলার সম্ভাবনাও পর্যালোচনায় রয়েছে। এ ছাড়া ২০২৬-২৭ মেয়াদের জন্য একটি বাণিজ্য ও বিনিয়োগ কর্মসূচি প্রণয়নের উদ্যোগ নেওয়া হবে, যাতে ব্র্যান্ডিং, প্রদর্শনী, কর্মশালা, বাণিজ্য আলোচনা এবং সক্ষমতা উন্নয়ন কার্যক্রম অন্তর্ভুক্ত থাকবে।

উভয় পক্ষ আশা প্রকাশ করে যে, প্রাথমিকভাবে দুই বছরের জন্য কার্যকর এই সমঝোতা স্মারক ভবিষ্যতে পারস্পরিক সম্মতির ভিত্তিতে আরও সম্প্রসারিত করা যাবে।

উল্লেখ্য, ১৯৮৪ সালে ইসলামি সহযোগিতা সংস্থার (ওআইসি) একটি অঙ্গপ্রতিষ্ঠান হিসেবে প্রতিষ্ঠিত আইসিডিটি সদস্যভুক্ত দেশগুলোর মধ্যে বাণিজ্য ও বিনিয়োগ উন্নয়নে কাজ করে আসছে।

কালের আলো/আরডি/এমডিএইচ

ঢাকার ঐতিহ্য ফিরিয়ে আনার অঙ্গীকারে প্রচারণা শুরু আসিফ মাহমুদের

কালের আলো ডেস্ক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২৮ জুলাই, ২০২৬, ৯:২৭ পূর্বাহ্ণ
ঢাকার ঐতিহ্য ফিরিয়ে আনার অঙ্গীকারে প্রচারণা শুরু আসিফ মাহমুদের

আসন্ন ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন (ডিএসসিসি) নির্বাচন সামনে রেখে প্রচারণা শুরু করেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখপাত্র আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া। প্রচারণার শুরুতেই তিনি রাজধানী ঢাকার ঐতিহাসিক পরিচয়, ঐতিহ্য ও নগরীর স্বকীয়তা পুনরুদ্ধারের অঙ্গীকার করেছেন।

সোমবার (২৭ জুলাই) রাত ৯টার দিকে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে দেওয়া এক পোস্টে তিনি বলেন, অনেকেই ঢাকাকে সিঙ্গাপুর, ব্যাংকক বা লন্ডনের আদলে গড়ে তোলার কথা বলেন। কিন্তু ঢাকা নিজেই বিশ্বের বহু ঐতিহাসিক নগরীর চেয়ে প্রাচীন ও সমৃদ্ধ ঐতিহ্যের শহর।

পোস্টে তিনি লিখেছেন, ঢাকার ইতিহাস ও ঐতিহ্যকে যথাযথভাবে তুলে ধরতে না পারা দেশের নীতিনির্ধারকদের দীর্ঘদিনের ব্যর্থতা। তাঁর ভাষ্য, একসময় ঢাকা ছিল দক্ষিণ এশিয়ার অন্যতম প্রাণকেন্দ্র এবং উর্বর বদ্বীপভূমির একটি সমৃদ্ধ নগর।

আসিফ মাহমুদ বলেন, ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য রাজধানীকে আরও বাসযোগ্য করে গড়ে তোলার পাশাপাশি বিশ্বের ঐতিহ্যবাহী শহরগুলোর মধ্যে অন্যতম হিসেবে ঢাকাকে পূর্ণ মর্যাদায় উপস্থাপন করতে চান তিনি।

আসন্ন সিটি করপোরেশন নির্বাচনকে সামনে রেখে বিভিন্ন সম্ভাব্য প্রার্থীর পক্ষ থেকে নগর ব্যবস্থাপনা, যানজট, জলাবদ্ধতা ও নাগরিক সেবার পাশাপাশি রাজধানীর পরিচয় ও ভবিষ্যৎ নিয়ে নতুন নতুন রাজনৈতিক বার্তা সামনে আসছে। সেই ধারাবাহিকতায় ঢাকার হারানো গৌরব পুনরুদ্ধারের বিষয়টিকে প্রচারণার সূচনাতেই গুরুত্ব দিলেন আসিফ মাহমুদ।

কালের আলো/আরডি/এমডিএইচ

আলোচনা ব্যর্থ হলে ইরানে ফের কঠোর হামলার হুমকি ট্রাম্পের

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২৮ জুলাই, ২০২৬, ৯:১২ পূর্বাহ্ণ
আলোচনা ব্যর্থ হলে ইরানে ফের কঠোর হামলার হুমকি ট্রাম্পের

ইরানের সঙ্গে শুরু হওয়া নতুন আলোচনা ব্যর্থ হলে ফের কঠোর হামলা চালানো হবে বলে হুমকি দিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। সোমবার (২৭ জুলাই) মিশিগানে যাওয়ার পথে এই হুমকি দেন তিনি।

এদিকে, ট্রাম্প দাবি করেছেন ইরানের সঙ্গে ভালো ও গভীর আলোচনা চলছে। কিন্তু ইরান পাল্টা দাবি করেছে, মধ্যস্থতাকারীদের মাধ্যমে বার্তা আদান-প্রদান চললেও বর্তমানে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সরাসরি কোনো আলোচনা হচ্ছে না।

চলতি ২০২৬ সালের ২৮ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যৌথ হামলার মধ্য দিয়ে নতুন করে ইরান যুদ্ধ শুরু হয়। এরপর জুনে যুদ্ধবিরতি ও সমঝোতা হলেও, হরমুজ প্রণালিতে তেল ট্যাংকার হামলা ও সৃষ্ট উত্তেজনার জেরে গত জুলাইয়ের শুরুতে যুদ্ধবিরতি ভেঙে যায় এবং ১৩ জুলাই থেকে মার্কিন বাহিনী আবারও নতুন করে বিমান হামলা ও সামরিক পদক্ষেপ শুরু করে।

টানা ১৩ রাত হামলার পর গত শুক্রবার থেকে যুক্তরাষ্ট্র অভিযান স্থগিত করে। টানা চার দিনের মতো সোমবারও (২৭ জুলাই) মার্কিন হামলা স্থগিত ছিল। যুক্তরাষ্ট্রের বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমের খবরে বলা হয়েছে, অস্ত্র ও সামরিক সরঞ্জামের ঘাটতির কারণে হামলা স্থগিত রাখা হয়েছে। তবে ডোনাল্ড ট্রাম্প এ দাবি নাকচ করে দিয়ে বলেছেন, মধ্যস্থতাকারী দেশগুলোর অনুরোধেই তিনি হামলা স্থগিত করেছেন।

সিএনএনের খবরে বলা হয়েছে, শুক্রবার (২৭ সোমবার) হোয়াইট হাউজে এক বৈঠকে মার্কিন জয়েন্ট চিফস অব স্টাফের চেয়ারম্যান জেনারেল ড্যান কেইন যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক গোলাবারুদের মজুত ও অন্যান্য সম্ভাব্য নেতিবাচক পরিণতি নিয়ে তার উদ্বেগ তুলে ধরেন। এ বৈঠকে ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্সও উপস্থিতি ছিলেন। তারা দুজনই নতুন হামলা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করার পর ইরানে হামলা স্থগিত করার সিদ্ধান্ত নেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।

এদিকে, যুক্তরাষ্ট্র হামলা বন্ধ হওয়ায় ইরানও পাল্টা হামলা স্থগিত রেখেছে। তেহরান দাবি করেছে, হরমুজ প্রণালির নিয়ন্ত্রণ এখনো তাদের হাতে রয়েছে। ওমানের সঙ্গে মিলে নৌযান চলাচলের নতুন ব্যবস্থা তৈরির কাজ চলছে, যার সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের কোনো সম্পর্ক নেই।

সূত্র: রয়টার্স

কালের আলো/আরডি/এমডিএইচ

দেশের ৯ অঞ্চলের নদীবন্দরে ১ নম্বর সতর্ক সংকেত

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২৮ জুলাই, ২০২৬, ৮:২১ পূর্বাহ্ণ
দেশের ৯ অঞ্চলের নদীবন্দরে ১ নম্বর সতর্ক সংকেত

ঝড়-বৃষ্টির আশঙ্কায় দেশের ৯টি অভ্যন্তরীণ নদীবন্দরগুলোর জন্য ১ নম্বর সতর্ক সংকেত দেখাতে বলেছে বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তর।

মঙ্গলবার (২৮ জুলাই) সকাল ৫টা থেকে দুপুর ১টা পর্যন্ত দেশের অভ্যন্তরীণ নদীবন্দরগুলোর জন্য দেওয়া পূর্বাভাসে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

আবহাওয়া অধিদপ্তরের ঝড় সতর্কীকরণ কেন্দ্র জানিয়েছে, খুলনা, বরিশাল, পটুয়াখালী, নোয়াখালী, কুমিল্লা, চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, ময়মনসিংহ ও সিলেট অঞ্চলের ওপর দিয়ে দক্ষিণ বা দক্ষিণ-পূর্ব দিক থেকে ঘণ্টায় ৪৫ থেকে ৬০ কিলোমিটার বেগে অস্থায়ীভাবে দমকা অথবা ঝড়ো হাওয়াসহ বৃষ্টি কিংবা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। এ কারণে এসব এলাকার নদীবন্দরগুলোকে ১ নম্বর (পুনঃ) সতর্ক সংকেত দেখাতে বলা হয়েছে।

এদিকে গতকাল রাতে প্রকাশিত আবহাওয়া অধিদপ্তরের সারাদেশের সম্ভাব্য পূর্বাভাসেও আজ বৃষ্টিপাতের প্রবণতা অব্যাহত থাকার কথা বলা হয়েছে। আজ সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত পূর্বাভাসে বলা হয়, রাজশাহী, খুলনা, বরিশাল, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের অধিকাংশ জায়গায় এবং রংপুর, ঢাকা ও ময়মনসিংহ বিভাগের অনেক জায়গায় অস্থায়ীভাবে দমকা হাওয়াসহ হালকা থেকে মাঝারি ধরনের বৃষ্টি অথবা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে।

একই সঙ্গে দেশের কোথাও কোথাও মাঝারি ধরনের ভারী থেকে ভারী বর্ষণ হতে পারে বলেও জানিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর।

পূর্বাভাসে আরও বলা হয়েছে, সারাদেশে দিনের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে, তবে রাতের তাপমাত্রা সামান্য কমতে পারে।

কালের আলো/জেএন/এমএসআইপি