খুঁজুন
                               
মঙ্গলবার, ১৪ এপ্রিল, ২০২৬, ১ বৈশাখ, ১৪৩৩
           

প্রটোকলের চিরায়ত প্রথা ভেঙে লাশ দাফনে নেটিজেনদের প্রশংসায় তথ্য প্রতিমন্ত্রী

বিশেষ সংবাদদাতা/ময়মনসিংহ প্রতিবেদক
প্রকাশিত: শনিবার, ২৮ মার্চ, ২০২৬, ৯:৪৬ অপরাহ্ণ
প্রটোকলের চিরায়ত প্রথা ভেঙে লাশ দাফনে নেটিজেনদের প্রশংসায় তথ্য প্রতিমন্ত্রী

তিনি সরকারের প্রতিমন্ত্রী। রাষ্ট্রীয় প্রটোকল তার জন্য স্বাভাবিক। কিন্তু তার রাজনৈতিক জীবন ছকে বাঁধা নয় মোটেও। সবার উর্ধ্বে দায়িত্ব ও মানবিকতাকে স্থান দিয়ে মন্ত্রীত্বের পুরাতন সব রীতি ভেঙে দিয়েছেন। চলাফেরায় নিরাপত্তার কড়াকড়ি নেই। একেবারেই ‘মাটির মানুষ’ হিসেবে মানুষের কাছাকাছি তিনি। প্রটোকলের চিরায়ত প্রথা ভেঙে এবার এক অনন্য মানবিক নজির স্থাপন করলেন তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী ইয়াসের খান চৌধুরী।

ময়মনসিংহ-৯ (নান্দাইল) আসনের এই সংসদ সদস্য শুক্রবার (২৭ মার্চ) উপজেলার ১২ নম্বর জাহাঙ্গীরপুর ইউনিয়নে দুটি উন্নয়নমূলক কাজের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন ও উদ্বোধন শেষে উপজেলা সদরে ফিরছিলেন। হঠাৎ তাঁর নজরে আসে স্থানীয় এক সড়কের পাশেই একটি কবরস্থানে এক ব্যক্তির মরদেহ দাফনের চিত্র। প্রতিমন্ত্রী গাড়ি থামিয়ে নিজেই ছুটে গেলেন। ওই ব্যক্তির শেষ বিদায়ে নেমে গেলেন তাকে কবরে শায়িত করতে। সেই ব্যক্তির স্বজনদের পাশাপাশি সাধারণ মানুষও প্রতিমন্ত্রীর এই মানবিকতা ও উদারতা অপার বিস্ময়ে উপভোগ করলেন। মুহুর্তেই সেই ছবি ছড়িয়ে পড়লো সোশ্যাল হ্যাণ্ডেলে। নেটিজেনরা সরকারের একজন প্রতিমন্ত্রীর এমন অনন্য মানবিকবোধ নিয়ে মেতে উঠলেন প্রশংসায়। কেউ কেউ বলছেন, ‘প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের মতোই তার এই প্রতিমন্ত্রীও অতি সাধারণ। যোগ্য ব্যক্তিই ক্যাবিনেটে স্থান পেয়েছে।’

ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শী নান্দাইল উপজেলা বিএনপির সদস্য সচিব মো. এনামুল কাদির বলেন, ‘সরকারি প্রটোকল উপেক্ষা করে গাড়ি থেকে নেমে সোজা কবরস্থানে চলে যান প্রতিমন্ত্রী। কোনো দ্বিধা বা সংকোচ না করে তিনি নিজেই কবরে নেমে পড়েন। মরদেহ খাটিয়া থেকে নামিয়ে কবরে শায়িত করার কাজে সরাসরি শরিক হন। একজন প্রতিমন্ত্রীকে এভাবে সাধারণ মানুষের পাশে দাঁড়িয়ে দাফন কাজে অংশ নিতে দেখে সবাই অভিভূত। অতীতেও কোন মন্ত্রী প্রতিমন্ত্রীকে এভাবে দেখেনি মানুষ।’

উপজেলা বিএনপির জ্যেষ্ঠ যুগ্ম আহ্বায়ক মিজানুর রহমান লিটন বলেন, ‘একজন প্রতিমন্ত্রী এভাবে সাধারণ মানুষের লাশের খাটিয়া ধরবেন, কবরে নেমে দাফন করবেন, এটা কখনও ভাবতে পারেনি নান্দাইলের মানুষ। জনতার নেতা হিসেবে সাধারণ মানুষের প্রতি তার এই শ্রদ্ধা-ভালোবাসা আমাদের কাছে এক বিমুগ্ধ বিস্ময়।’

স্থানীয়রা জানায়, দাফন শেষে মরহুমের আত্মার মাগফিরাত কামনায় উপস্থিত সবার সঙ্গে মোনাজাতে অংশ নেন প্রতিমন্ত্রী। এরপর তিনি পুনরায় তাঁর গন্তব্যের উদ্দেশ্যে রওনা হন।

জাহাঙ্গীরপুর ইউনিয়নের স্থানীয়রা বলছেন, দেশের রাজনীতি কলুষিত হলেও এখনো অনেক রাজনীতিকের ভেতরে দয়া-মায়া, ভালোবাসা ও সহমর্মিতা আছে। মনুষ্যত্ববোধ যে টিকে আছে তার বড় এক উদাহরণ প্রতিমন্ত্রী ইয়াসের খান চৌধুরী। রাজনৈতিক নেতৃত্বের দৃষ্টিভঙ্গি পরিবর্তনে এই মানবিকবোধ নতুন প্রজন্মের কাছে অনুকরণীয় হয়ে থাকবে।

কালের আলো/এমএএএমকে

শাড়ি-রঙিন চুড়িতে বৈশাখী সাজে মিম

বিনোদন ডেস্ক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১৪ এপ্রিল, ২০২৬, ১২:২৯ অপরাহ্ণ
শাড়ি-রঙিন চুড়িতে বৈশাখী সাজে মিম

ঢাকায় সিনেমার চিত্রনায়িকা বিদ্যা সিনহা মিম। ২০০৭ সালে লাক্স-চ্যানেল আই সুপারস্টার প্রতিযোগিতায় বিজয়ী হয়ে বিনোদন জগতে পা রাখেন তিনি। এরপর আর পেছনে ফিরে তাকাতে হয়নি। একের পর এক সিনেমা, ওয়েব সিরিজ, টেলিফিল্ম, বিজ্ঞাপনে কাজ করে গেছেন।

অভিনয়ের পাশাপাশি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমেও বেশ সরব। এবার বাংলা নববর্ষের শুভেচ্ছা জানিয়ে একগুচ্ছ ছবি ভক্ত-অনুরাগীদের মাঝে শেয়ার করেছেন। শাড়িতে ঐতিহ্যবাহী বৈশাখী সাজে করা ফটোশুট ইতোমধ্যেই সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে নজর কেড়েছে।

শেয়ার করা ছবিতে দেখা যায়, হালকা গোলাপি আভাযুক্ত শাড়ির সঙ্গে গাঢ় রঙের ব্লাউজে ধরা দিয়েছেন মিম। ছবি শেয়ার করে নববর্ষের শুভেচ্ছা জানিয়ে ক্যাপশনে লিখেছেন, ‘শুভ নববর্ষ নতুন বছর, নতুন স্বপ্ন, নতুন শুরু।’ সঙ্গে জুড়ে দিয়েছেন ভালোবাসার ইমোজি।

পাড়ের লাল আভা এবং হাতে রঙিন চুড়ির সমন্বয় তার লুকে এনেছে উৎসবের আবহ। খোলা চুল, কপালে ছোট লাল টিপ আর সোনালি গয়নায় ফুটে উঠেছে বাংলাদেশি নারীর চিরচেনা ঐতিহ্যবাহী সৌন্দর্য।

এদিকে কমেন্ট বক্সে নেটিজেনরা নববর্ষের শুভেচ্ছা জানিয়ে মিমের রূপের বেশ প্রশংসা করেছেন। একজন নেটিজেন লিখেছেন, ‘এসো হে বৈশাখ, এসো এসো! সবাইকে ১৪৩৩ বঙ্গাব্দের অনেক অনেক শুভেচ্ছা।’ আরেকজন লিখেছেন, ‘শুভ নববর্ষ, নতুন বছরের অনেক অনেক শুভেচ্ছা।’

কালের আলো/এসএকে

দেশের সংস্কৃতিতে নব দিগন্তের সূচনা হবে : প্রতিমন্ত্রী খৈয়ম

রাজবাড়ী প্রতিবেদক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১৪ এপ্রিল, ২০২৬, ১২:২৩ অপরাহ্ণ
দেশের সংস্কৃতিতে নব দিগন্তের সূচনা হবে : প্রতিমন্ত্রী খৈয়ম

সংস্কৃতি প্রতিমন্ত্রী আলী নেওয়াজ মাহমুদ খৈয়ম বলেছেন, বাংলাদেশের সাহিত্য, সভ্যতা ও সংস্কৃতিতে একটা নব দিগন্তের সূচনা হবে। আমাদের সংস্কৃতি মন্ত্রণালয় থেকে আমরা গোটা বাংলাদেশের সংস্কৃতি অঙ্গনকে অনেক বেশি বেগবান করে তোলার জন্য কাজ করছি।

মঙ্গলবার (১৪ এপ্রিল) সকাল সাড়ে ১০টায় শহরের আজাদী ময়দানের মুক্তমঞ্চে বৈশাখ উদযাপন পর্ষদ আয়োজিত বর্ষবরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

আলী নেওয়াজ মাহমুদ খৈয়ম বলেন, আমাদের অনেক বেশি উন্নত ও সুস্থ সংস্কৃতিক ধারা গড়ে তুলতে হবে। একটা অসুস্থ সংস্কৃতির ধারা চলছে গোটা বাংলাদেশ ধরে। এখান থেকে আমাদের অবশ্যই বের করে নিয়ে আসতে হবে বাঙালির ঐতিহ্য, সভ্যতা ও সংস্কৃতিকে। বাঙালির এই ঐতিহ্য, সভ্যতা ও সংস্কৃতিকে সুস্থ ও সাবলীল ধারায় ফিরিয়ে আনার জন্য আমাদের মন্ত্রণালয় কাজ করছে। আমরা আগামী বছর ইনশাআল্লাহ অন্যরকম একটা পহেলা বৈশাখ পালন করবো। প্রতি বছরই রাজবাড়ীতে সংস্কৃতিক কার্যক্রম অব্যহত থাকবে, আমরা সেই চেষ্টা করবো।

এর আগে বেলুন উড়িয়ে বর্ষবরণ উদযাপন অনুষ্ঠানের উদ্বোধন করেন সংস্কৃতি প্রতিমন্ত্রী আলী নেওয়াজ মাহমুদ খৈয়ম।

জানা গেছে, দ্বিতীয়বারের মতো রাজবাড়ীর ৪২টি সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠন একত্র হয়ে বৈশাখ উদযাপনের আয়োজন করেছে। জাতীয় সংগীতের মাধ্যমে অনুষ্ঠানের সূচনা করে তারা। পরে নববর্ষের গান হয়। গান, কবিতা আবৃত্তি, নৃত্য নাটিকা, আদিবাসী সংস্কৃতিবিষয়ক অনুষ্ঠানসহ দিনব্যাপী নানা আয়োজন রয়েছে।

কালের আলো/এসএকে

টাঙ্গাইলে কৃষক কার্ডের উদ্বোধনী মঞ্চে প্রধানমন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১৪ এপ্রিল, ২০২৬, ১১:৫৮ পূর্বাহ্ণ
টাঙ্গাইলে কৃষক কার্ডের উদ্বোধনী মঞ্চে প্রধানমন্ত্রী

কৃষক কার্ডের উদ্বোধনের জন্য টাঙ্গাইল পৌঁছেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। মঙ্গলবার (১৪ এপ্রিল) সড়কপথে তিনি শহীদ মারুফ স্টেডিয়ামে পৌঁছান। পরে সকাল ১১টা ২২ মিনিটে তিনি কৃষক কার্ড বিতরণের মঞ্চে ওঠেন।

কিছুক্ষণের মধ্যেই প্রধানমন্ত্রী কৃষক কার্ডের উদ্বোধন করবেন। এসময় ১৫ জনকে কৃষককে নিজ হাতে প্রধানমন্ত্রী কৃষি কার্ড বিতরণ করবেন ও গাছের চারা তুলে দিবেন।

এসময় প্রধানমন্ত্রী ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে আরো ৯টি উপজেলায় কৃষক কার্ডের উদ্বোধন করবেন৷

কৃষি, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী মোহাম্মদ আমিন উর রশিদের সভাপতিত্বে বিশেষ অতিথি ছিলেন- মৎস ও প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী সুলতানা সালাউদ্দিন টুকু।

প্রথম পর্যায়ে টাঙ্গাইল সদর উপজেলায় ১ হাজার ৪৫৩ জন কৃষক এই কার্ডের সুবিধা পাবেন।

এই কার্ডের মাধ্যমে বছরে আড়াই হাজার টাকা, কৃষকদের পরিচিতি, ভর্তুকি, ঋণ, বীজ ও সারসহ ১০ ধরনের সুবিধা পাবেন কৃষকরা। এর ফলে কৃষি সহায়তা বিতরণে মধ্যস্বত্বভোগীদের দৌরাত্ম্য কমবে এবং প্রকৃত কৃষকদের কাছে সরাসরি সরকারি সুবিধা পৌঁছানো নিশ্চিত হবে।

এদিকে প্রধানমন্ত্রীর আগমন উপলক্ষে বিএনপির নেতাকর্মীদের মধ্যে বইছে উৎসবের আমেজ বইছে। এছাড়াও কৃষকরাও আনন্দিত। অপরদিকে প্রধানমন্ত্রীর আগমন উপলক্ষে শহীদ মারুফ স্টেডিয়ামে মঞ্চ প্রস্তুত ও স্টেডিয়ামে সৌন্দর্যসহ বিভিন্ন সংস্কার করা হয়েছে।

কালের আলো/এসআর/এএএন