খুঁজুন
                               
, ,
           

মাঠপর্যায়ে ব্যবহার হচ্ছে না বডি ওর্ন ক্যামেরা

বিশেষ সংবাদদাতা, কালের আলো:
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১১ জুন, ২০২৬, ১০:২৫ পূর্বাহ্ণ
মাঠপর্যায়ে ব্যবহার হচ্ছে না বডি ওর্ন ক্যামেরা

সারা দেশে পুলিশের ইউনিটগুলোতে ২৫ হাজার বডি ওর্ন ক্যামেরা রয়েছে। যদিও এসবের ব্যবহার হচ্ছে না বললেই চলে। অপারেশনাল কাজে ক্যামেরা ব্যবহারে স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করছেন না সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারাও। সদর দপ্তর থেকে অভিযান ও মোবাইল ডিউটিতে বডি ওর্ন ক্যামেরা ব্যবহারের নির্দেশনা থাকলেও গা ছাড়াভাব ইউনিটগুলোর।

এদিকে, পুলিশ সদস্যদের নিয়মিত পিটি-প্যারেডে অংশগ্রহণের তথ্য প্রেরণ এবং বডি ওর্ন  ক্যামেরার ব্যবহারের নির্দেশনা রয়েছে। বডি ওর্ন  ক্যামেরা পিটি-প্যারেডে ব্যবহার করলে অডিও-ভিডিও সংরক্ষণের পাশাপাশি পিটি-প্যারেড চলাকালীন পুলিশ সদর দপ্তর থেকে ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা মনিটরিং সেন্টারের মাধ্যমে সরাসরি মনিটর করতে পারবেন। প্রয়োজনে তাৎক্ষণিক নির্দেশনা দিতে পারবেন।

নির্দেশনায় বলা হয়, পিটি-প্যারেড চলাকালে সংশ্লিষ্ট ইউনিটের রিজার্ভ ইন্সপেক্টর (আরআই) পুলিশ পরিদর্শক (সশস্ত্র), এসআই (সশস্ত্র) কর্তৃক বডি ওর্ন  ক্যামেরা ব্যবহারের প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে। এ ছাড়া বডি ওর্ন  ক্যামেরা বরাদ্দকরণের ক্ষেত্রে নির্দেশনা অনুসরণ এবং ক্যামেরা ব্যবহারসংক্রান্ত তথ্য সদর দপ্তরে পাঠানোর নির্দেশ দেওয়া হয়।

ওই চিঠিতে সব জেলা ও মেট্রোপলিটনে বরাদ্দকৃত ক্যামেরা থেকে পুলিশ লাইন্সের আরআইয়ের অনুকূলে একটি করে বডি ওর্ন  ক্যামেরা বরাদ্দের ব্যবস্থা গ্রহণ করতে বলা হয়েছে। রেঞ্জ রিজার্ভ ফোর্সের (আরআরএফ) ক্ষেত্রে জেলায় বরাদ্দকৃত ক্যামেরা থেকে সমন্বয়ের মাধ্যমে আরআই ও আরআরএফের অনুকূলে একটি করে বডি ওর্ন  ক্যামেরা (সিমসহ) বরাদ্দের ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন। বডি ওর্ন  ক্যামেরা যাতে কোনো ক্ষতি না হয়, সে দিকে সর্বোচ্চ সতর্কতা অবলম্বন করতে হবে। দায়িত্বে অবহেলার কারণে বডি ওর্ন ক্যামেরা হারানো কিংবা কোনো ক্ষতি হলে দায়দায়িত্ব ব্যবহারকারীর ওপর বর্তাবে।

একাধিক পুলিশ সুপারের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, গত কয়েক দিন থেকেই বডি ওর্ন ক্যামেরা ব্যবহার হচ্ছে পিটি-প্যারেডে। তবে ক্যামেরা অপারেটিংয়ের কোনো নির্দেশনা দেওয়া হয়নি। সাধারণত জেলা, মহানগর পুলিশ, পুলিশ ট্রেনিং সেন্টার (পিটিসি), রেঞ্জ রিজার্ভ ফোর্স (আরআরএফ) আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়নের (এপিবিএিন) মতো বিশেষায়িত ইউনিটের রিজার্ভ ফোর্স ভোর ৬টা থেকে ৮টা পর্যন্ত পিটি-প্যারেড (শারীরিক কসরত) করেন। এতে ফোর্সের শারীরিক সক্ষমতা বৃদ্ধি করে।

পুলিশ সদর দপ্তরের এক ঊধ্বর্তন পুলিশ কর্মকর্তা বলেন, সারা দেশের সব থানায় ৫০টির অধিক ক্যামেরা দেওয়া হয়েছে, যা ইতিমধ্যে অপারেশনে ব্যবহৃত হচ্ছে। ক্যামেরার ব্যাটারি ৬ ঘণ্টা সাপোর্ট দেবে। এ জন্য প্রতি সদস্যের কাছে একাধিক ব্যাকআপ ব্যাটারি দেওয়া হয়েছে। একটি ক্যামেরা ২৪-৪৮ ঘণ্টা পর্যন্ত লাইভে রেখে দেখা হয়েছে। ছোটখাটো যেসব সমস্যা ধরা পড়েছে, সেসব সমাধান করা হচ্ছে।

কালের আলো/এম/এএইচ

পরিবেশ মন্ত্রণালয়ের ভারপ্রাপ্ত সচিব হলেন ড. ফাহমিদা খানম

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৭ জুলাই, ২০২৬, ২:০২ পূর্বাহ্ণ
পরিবেশ মন্ত্রণালয়ের ভারপ্রাপ্ত সচিব হলেন ড. ফাহমিদা খানম

পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব ড. ফাহমিদা খানমকে মন্ত্রণালয়টির ভারপ্রাপ্ত সচিব হিসেবে দায়িত্ব দিয়েছে সরকার।

একইসঙ্গে বর্তমান সচিব মোহা. রায়হান কাওছারকে ওই পদ থেকে প্রত্যাহার করে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ে সংযুক্ত করা হয়েছে।

সোমবার(৬ জুলাই)  এ সংক্রান্ত পৃথক দুটি প্রজ্ঞাপন জারি করেছে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়।

ড. ফাহমিদা খানম বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিস (প্রশাসন) ক্যাডারের একজন জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা। কর্মজীবনে তিনি পরিবেশ, বন, জলবায়ু পরিবর্তন, টেকসই উন্নয়ন এবং প্রাকৃতিক সম্পদ ব্যবস্থাপনা–সংক্রান্ত বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব সফলভাবে পালন করেছেন।

এর আগে তিনি জাতীয় পরিবেশ ও জলবায়ু পরিবর্তন ইনস্টিটিউটের (ন্যাকসিআই) নির্বাহী পরিচালক (অতিরিক্ত সচিব) হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। পাশাপাশি বাংলাদেশ বনশিল্প উন্নয়ন করপোরেশনের চেয়ারম্যান হিসেবেও দায়িত্বে ছিলেন তিনি।

কালের আলো/জেএন/এমএসআইপি 

বান্দরবানের সব পর্যটনকেন্দ্র ভ্রমণে নিষেধাজ্ঞা

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৭ জুলাই, ২০২৬, ১:৫৬ পূর্বাহ্ণ
বান্দরবানের সব পর্যটনকেন্দ্র ভ্রমণে নিষেধাজ্ঞা

অব্যাহত ভারী বৃষ্টিপাত এবং সম্ভাব্য প্রাকৃতিক দুর্যোগের আশঙ্কায় আগামী ১০ জুলাই পর্যন্ত বান্দরবান জেলার সব পর্যটনকেন্দ্র বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছে জেলা প্রশাসন। একই সময়ের জন্য জেলার সব ঝরনা, পাহাড়ি ট্রেইল, নদীপথ, দুর্গম ও ঝুঁকিপূর্ণ এলাকায় পর্যটক, ট্যুর অপারেটর এবং সাধারণ মানুষের প্রবেশ ও ভ্রমণও নিষিদ্ধ করা হয়েছে।

সোমবার (৬ জুলাই) রাত ১০টার দিকে জেলা প্রশাসনের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে প্রকাশিত জেলা প্রশাসক মো. সানিউল ফেরদৌস স্বাক্ষরিত এক গণবিজ্ঞপ্তিতে এ সিদ্ধান্তের কথা জানানো হয়।

গণবিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, টানা ভারী বর্ষণের কারণে জেলার বিভিন্ন এলাকার যোগাযোগব্যবস্থা ঝুঁকির মুখে পড়েছে। বিদ্যমান আবহাওয়া পরিস্থিতি এবং সম্ভাব্য দুর্ঘটনার বিষয়টি বিবেচনায় নিয়ে পর্যটক ও সাধারণ মানুষের জানমালের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে আগামী ১০ জুলাই (শুক্রবার) পর্যন্ত জেলার সব পর্যটনকেন্দ্র বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

বিজ্ঞপ্তিতে আরও উল্লেখ করা হয়, এ সময় জেলার সব পর্যটনকেন্দ্রের পাশাপাশি ঝরনা, পাহাড়ি ট্রেইল, নদীপথ, দুর্গম এলাকা ও অন্যান্য ঝুঁকিপূর্ণ স্থানে পর্যটক, ট্যুর অপারেটর এবং সর্বসাধারণের ভ্রমণ সম্পূর্ণভাবে নিষিদ্ধ থাকবে।

জেলা প্রশাসন সংশ্লিষ্ট সবাইকে এ নির্দেশনা কঠোরভাবে মেনে চলার পাশাপাশি প্রয়োজনীয় সতর্কতা অবলম্বনের আহ্বান জানিয়েছে।

কালের আলো/এএইচ/এমএসআইপি

বরগুনায় বিদ্যুৎকেন্দ্রে আগুন বন্ধ থাকতে পারে বিদ্যুৎ সরবরাহ

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৭ জুলাই, ২০২৬, ১:৪৪ পূর্বাহ্ণ
বরগুনায় বিদ্যুৎকেন্দ্রে আগুন বন্ধ থাকতে পারে বিদ্যুৎ সরবরাহ

সোমবার (৬ জুলাই) রাত সাড়ে ১০ টার দিকে বরগুনা সদর উপজেলার ২ নম্বর গৌরীচন্না ইউনিয়নের খেজুরতালা নামক এলকার গ্রিড সবস্টেশনে এ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে।

পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির বরগুনা জোনাল অফিস ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গৌরীচন্না ইউনিয়নের খেজুরতলা এলাকার গ্রিড সাবস্টেশনটির মাধ্যমে বরগুনা সদর উপজেলায় পল্লী বিদ্যুত সঞ্চালন ও বিতরণের নিয়ন্ত্রণ করা হয়।

রাতে হঠাৎ করে ওই সাবস্টেশনটির ভেতরে একটি বিকট শব্দ হয়। এর পরপরই স্টেশনটির ৬ নম্বর ফিডারে আগুন লেগে যায়। আগুনের স্থায়িত্ব মাত্র ১ থেকে ২ মিনিট হলেও স্টেশনের ভিতরে থাকা অন্য ফিডার, বিভিন্ন তারের সংযোগ পুড়ে যাওয়াসহ কিছু যন্ত্রাংশ ক্ষতিগ্রস্ত হয়। তবে এ ঘটনায় বড় কোনো দুর্ঘটনা না ঘটলেও বরগুনা সদর উপজেলার ১০টি ইউনিয়নের ৬৭ হাজার গ্রাহক এখন বিদ্যুৎ বিচ্ছিন্ন অবস্থায় রয়েছেন।

এ বিষয়ে পটুয়াখালী পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির বরগুনা জোনাল অফিসের ডিজিএম মোহাম্মদ নাজমুল হাসান বলেন, রাতে অফিসেই ছিলাম। হঠাৎ করে বিকট একটা শব্দ হয়ে বিদ্যুৎ বন্ধ হয়ে যায়। পরে ঘটনাস্থলে এসে দেখি ১১ কেভি এসিআর বিস্ফোরণ হয়ে বিদ্যুৎ সঞ্চালন বন্ধ হয়ে গেছে। এ ছাড়াও অনেক তার ও যন্ত্রাংশ পুড়ে গেছে।

আমরা কাজ শুরু করেছি এবং সকল যন্ত্রাংশ পরীক্ষা করছি। তবে যে যন্ত্রাংশটি পুড়েগেছে তা পটুয়াখালী থেকে নিয়ে আসতে হবে। আমাদের চেষ্টা  অব্যাহত রয়েছে। রাতের মধ্যে বিদ্যুৎ সঞ্চালন চালু করতে না পারলেও আগামীকাল সকালের মধ্যে চালু করার সর্বোচ্চ চেষ্টা করব।

কী কারণে এ ঘটনা ঘটেছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, অভ্যান্তরীন ত্রুটির কারণে এ ঘটনা ঘটতে পারে। তবে এখন পর্যন্ত নিশ্চিতভাবে বোঝা যাচ্ছে না কেনো এ ঘটনা ঘটেছে৷

কালের আলো/এএইচ/এমএসআইপি