খুঁজুন
                               
, ,
           

কে সাংবাদিক আর কে ফার্মাসিস্ট বোঝা মুশকিল: ড. দেবপ্রিয়

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৬, ৪:৫৭ অপরাহ্ণ
কে সাংবাদিক আর কে ফার্মাসিস্ট বোঝা মুশকিল: ড. দেবপ্রিয়

সাংবাদিকতার পেশাগত পরিচয় নিয়ে বিভ্রান্তি তৈরি হচ্ছে- এমন মন্তব্য করে এসডিজি বাস্তবায়নে নাগরিক প্ল্যাটফর্মের আহ্বায়ক এবং সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগের (সিপিডি) সম্মানীয় ফেলো ড. দেবপ্রিয় ভট্টাচার্য বলেছেন, বর্তমানে কে প্রকৃত সাংবাদিক আর কে অন্য পেশার মানুষ হয়েও সাংবাদিক পরিচয়ে কাজ করছেন, তা বুঝা কঠিন হয়ে পড়েছে।

বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) রাজধানীর ইআরএফ কার্যালয়ে ‘নাগরিক প্ল্যাটফর্ম ও ইআরএফ-এর সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর এবং বাংলাদেশ রিফর্ম ট্র্যাকার ও গণমাধ্যমের প্রাসঙ্গিকতা’ শীর্ষক অনুষ্ঠানে তিনি এমন মন্তব্য করেন। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন।

ড. দেবপ্রিয় ভট্টাচার্য বলেন, কে প্রকৃত সাংবাদিক আর কে সাংবাদিক নন-এই প্রশ্নটি এখনো বিতর্কিত। অনেক ক্ষেত্রে দেখা যায়, কেউ ওষুধের দোকান পরিচালনা করেন, পাশাপাশি সময় পেলে কোচিং করান, আবার তিনিই সাংবাদিক পরিচয়ে কাজ করছেন। এতে সাংবাদিকতার পেশাগত পরিচয় নিয়ে বিভ্রান্তি তৈরি হচ্ছে।

সাংবাদিকদের উদ্দেশে সিপিডির সম্মানীয় ফেলো বলেন, সাংবাদিকতার ক্ষেত্রে দলীয় অবস্থান থেকে দূরে থেকে মূল্যবোধ ও পেশাগত নীতির ভিত্তিতে কথা বলা উচিত। গবেষণা, গণমাধ্যম, সংবাদপত্র, নাটক এবং সংস্কৃতির মতো বিভিন্ন মাধ্যমের মাধ্যমে সত্য ও তথ্যভিত্তিক বার্তা তুলে ধরা জরুরি।

অনুষ্ঠানে তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন বলেন, ডিজিটাল সিকিউরিটি অ্যাক্ট পুনর্মূল্যায়নের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

তিনি বলেন, সবার জন্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করার বিষয়ে সরকার প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। পাশাপাশি, মিডিয়া রিফর্ম কমিশনকে যুক্তরাজ্যের অফকম মডেলের আদলে পুনর্গঠনের বিষয়টি বিবেচনা করা হচ্ছে।

তথ্যমন্ত্রী আরো বলেন, সাংবাদিকদের ওপর হত্যা, মিথ্যা মামলা, গুমসহ যেসব নির্যাতন ঘটে, সেগুলোর ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে একটি সুনির্দিষ্ট কাঠামোর মধ্যে আনার উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।

কালের আলো/এসআর/এএএন

জাহাজে হামলার জেরে ইরানে নতুন মার্কিন হামলা, হরমুজ বন্ধের ঘোষণা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
প্রকাশিত: রবিবার, ১২ জুলাই, ২০২৬, ১০:২২ পূর্বাহ্ণ
জাহাজে হামলার জেরে ইরানে নতুন মার্কিন হামলা, হরমুজ বন্ধের ঘোষণা

হরমুজ প্রণালিতে একটি বাণিজ্যিক জাহাজে হামলার ঘটনাকে কেন্দ্র করে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে উত্তেজনা আরও বেড়েছে। জাহাজে হামলার জবাবে ইরানে নতুন করে হামলা চালানোর দাবি করেছে যুক্তরাষ্ট্র। অন্যদিকে পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত হরমুজ প্রণালি বন্ধ রাখার ঘোষণা দিয়েছে ইরান।

যুক্তরাষ্ট্রের সেন্ট্রাল কমান্ড (সেন্টকম) জানিয়েছে, ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পস (আইআরজিসি) একটি সাইপ্রাসের পতাকাবাহী জাহাজে হামলা চালানোর পর তারা চলতি সপ্তাহে তৃতীয় দফা হামলা পরিচালনা করেছে।

অন্যদিকে ইরানের রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম জানিয়েছে, পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত হরমুজ প্রণালি বন্ধ থাকবে। আইআরজিসির দাবি, নির্ধারিত নৌপথ ছেড়ে যাওয়া এবং জাহাজের ট্র্যাকিং ব্যবস্থা বন্ধ করে দেওয়ায় সেটিকে লক্ষ্য করে হামলা চালানো হয়।

সেন্টকমের ভাষ্য অনুযায়ী, এমভি জিএফএস গ্যালাক্সি নামে জাহাজটির ইঞ্জিন কক্ষে ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে। এ কারণে সেটি আর যাত্রা চালিয়ে যেতে পারেনি। জাহাজের একজন বেসামরিক নাবিক নিখোঁজ রয়েছেন।

যুক্তরাজ্যের ইউকে মেরিটাইম ট্রেড অপারেশনস (ইউকেএমটিও) জানিয়েছে, সামরিক কর্তৃপক্ষ তাদের জানিয়েছে যে জাহাজের নাবিকেরা জাহাজ ত্যাগ করে একটি লাইফবোটে আশ্রয় নিয়েছেন।

এক্সে দেওয়া এক বিবৃতিতে সেন্টকম বলেছে, বাণিজ্যিক জাহাজে আগের হামলার পরও সমঝোতা স্মারক মেনে চলার সুযোগ দেওয়া হলেও ইরান তা কাজে লাগায়নি। মার্কিন প্রতিরক্ষামন্ত্রী পিট হেগসেথ সেই বিবৃতি শেয়ার করে লেখেন, ‘ইরান ভুল সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এখন তাদের তার মূল্য দিতে হবে।’

এর আগে রোববার ইরানের রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম জানায়, অনুমোদিত নৌপথের বাইরে চলাচলের চেষ্টা করা একটি জাহাজের দিকে নৌবাহিনীর ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্র ছোড়ার পর হরমুজ প্রণালি বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে।

আইআরজিসির দাবি, বারবার সতর্ক করার পরও নির্দেশ না মানায় সতর্কতামূলক গুলি চালিয়ে জাহাজটিকে থামানো হয়। একই সঙ্গে তারা হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেছে, প্রণালি বন্ধকে কেন্দ্র করে যুক্তরাষ্ট্র কোনো সামরিক পদক্ষেপ নিলে তার কঠোর জবাব দেওয়া হবে এবং এ অঞ্চলে যুক্তরাষ্ট্রের ঘাঁটিগুলোও লক্ষ্যবস্তুতে পরিণত হবে।

সপ্তাহের শুরুতে ওমানের জলসীমা দিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের সুপারিশ করা নৌপথে চলার সময় তিনটি বাণিজ্যিক ট্যাংকারে হামলার ঘটনা ঘটে। ইরান বরাবরই দাবি করে আসছে, তাদের জলসীমার বিকল্প পথই একমাত্র নিরাপদ রুট।

ইরানি কর্মকর্তাদের দাবি, ওই ঘটনার পর যুক্তরাষ্ট্রের হামলায় ১৭ জন নিহত এবং ১১৫ জন আহত হন। এর জবাবে উপসাগরীয় অঞ্চলে যুক্তরাষ্ট্রের মিত্রদের লক্ষ্য করে হামলা চালায় ইরান।

এসব ঘটনার পর উত্তেজনা আরও বেড়ে যায়। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেন, ইরানের সাম্প্রতিক হামলার ফলে যুদ্ধবিরতি কার্যত ভেঙে গেছে। তবে তিনি একই সঙ্গে বলেন, মধ্যস্থতাকারীদের মাধ্যমে আলোচনা চালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা অব্যাহত রয়েছে। অন্যদিকে ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচি যুক্তরাষ্ট্রের বিরুদ্ধে যুদ্ধবিরতি লঙ্ঘনের অভিযোগ তোলেন।

মার্কিন গণমাধ্যমের খবরে বলা হয়েছে, ইরান যুক্তরাষ্ট্রকে জানিয়েছে যে ট্যাংকারে হামলার ঘটনাগুলো ভুলবশত ঘটেছে এবং এর জন্য একটি নিয়ন্ত্রণহীন অভ্যন্তরীণ গোষ্ঠীকে দায়ী করেছে।

মার্কিন কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, মধ্যস্থতাকারীদের মাধ্যমে তারা ইরানকে হরমুজ প্রণালি আন্তর্জাতিক নৌযানের জন্য উন্মুক্ত রয়েছে—এ মর্মে প্রকাশ্যে ঘোষণা দেওয়া এবং বাণিজ্যিক জাহাজে হামলা বন্ধের আহ্বান জানিয়েছেন। সূত্র: বিবিসি।

কালের আলো/এসআর/এএএন

মধ্যপ্রাচ্যের মার্কিন বিমানঘাঁটিতে ইরানের একের পর এক হামলা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
প্রকাশিত: রবিবার, ১২ জুলাই, ২০২৬, ১০:১৭ পূর্বাহ্ণ
মধ্যপ্রাচ্যের মার্কিন বিমানঘাঁটিতে ইরানের একের পর এক হামলা

মধ্যপ্রাচ্যে অবস্থিত মার্কিন বিমানঘাঁটিগুলোতে একের পর এক হামলা চালিয়েছে ইরান। দেশটি জানিয়েছে, জর্ডানের প্রিন্স হাসান বিমানঘাঁটি ও কাতারের আল উদেইদ বিমানঘাঁটিকে লক্ষ্য করে হামলা চালানো হয়েছে।

দেশটির ইসলামী বিপ্লবী গার্ড বাহিনী (আইআরজিসি) এ হামলার দাবি করেছে। রোববার (১২ জুলাই) কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরার এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

আইআরজিসি জানিয়েছে, জর্ডানের প্রিন্স হাসান বিমানঘাঁটিতে অবস্থিত মার্কিন সামরিক স্থাপনাকে লক্ষ্য করে একাধিক ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করা হয়েছে।

রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যম আইআরআইবিতে প্রচারিত এক বিবৃতিতে বলা হয়েছে, ইরানের মহাকাশ বাহিনী ঘাঁটিটির একটি কমান্ড অ্যান্ড কন্ট্রোল সেন্টার এবং এমকিউ-৯ ড্রোন রাখার হ্যাঙ্গারগুলো ধ্বংস করে দিয়েছে।

আইআরজিসির আরেক বিবৃতিতে বলা হয়েছে, কাতারের আল উদেইদ বিমানঘাঁটিতে হামলা চালানো হয়েছে। এ সময় ঘাঁটিটিতে থাকা একটি যুদ্ধবিমান রক্ষণাবেক্ষণ ও মেরামত কেন্দ্র এবং একটি কমান্ড অ্যান্ড কন্ট্রোল সেন্টার ধ্বংস করা হয়েছে।

এর আগে কাতারের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, দেশটির ভূখণ্ডকে লক্ষ্য করে ছোড়া ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিহত করা হয়েছে।

উল্লেখ্য, যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের সংঘাত উপসাগরীয় অঞ্চলকে অস্থিতিশীল করে তুলেছে। অন্যদিকে, হরমুজ প্রণালিতে ইরানের কার্যকর অবরোধের কারণে জ্বালানির দাম আকাশচুম্বী হয়েছে। এতে বিশ্বব্যাপী মুদ্রাস্ফীতির চাপ বেড়েছে। নভেম্বরের আগাম নির্বাচনের আগে এ পরিস্থিতি মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের জন্য সংবেদনশীল হয়ে উঠেছে।

ইরান বলেছে, বেশ কয়েকটি জাহাজ একটি ‘অননুমোদিত পথে’ নৌপথ অতিক্রমের চেষ্টা করেছিল। তাদের গতিপথ পরিবর্তনের জন্য বার্তা দেওয়া হলেও তারা তা উপেক্ষা করেছে।

আইআরজিসি জানিয়েছে, অঞ্চলে মার্কিন হস্তক্ষেপ শেষ না হওয়া পর্যন্ত হরমুজ প্রণালি বন্ধ থাকবে।

মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ড জানিয়েছে, আইআরজিসির বিবৃতির প্রায় এক ঘণ্টা পর শনিবার স্থানীয় সময় সন্ধ্যা ৭টা ১৫ মিনিটে তারা হামলা শুরু করে। ইরান তাদের বিবৃতিতে বলেছিল, কন্টেইনার জাহাজে হামলার জেরে যুক্তরাষ্ট্র কোনো পদক্ষেপ নিলে মধ্যপ্রাচ্যে ‘শত্রুদের নতুন ঘাঁটি’ লক্ষ্যবস্তু করা হবে।

সেন্ট্রাল কমান্ড জানিয়েছে, প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের নির্দেশেই এই হামলা চালানো হয়েছে। তবে এ বিষয়ে মন্তব্যের অনুরোধে হোয়াইট হাউস তাৎক্ষণিকভাবে কোনো সাড়া দেয়নি।

সূত্র: আল জাজিরা

কালের আলো/জেএন/এমএসআইপি 

১০ জনের সুইজারল্যান্ডকে হারিয়ে বিশ্বকাপের সেমিতে আর্জেন্টিনা

স্পোর্টস ডেস্ক
প্রকাশিত: রবিবার, ১২ জুলাই, ২০২৬, ৯:৫৬ পূর্বাহ্ণ
১০ জনের সুইজারল্যান্ডকে হারিয়ে বিশ্বকাপের সেমিতে আর্জেন্টিনা

চলতি বিশ্বকাপে শেষ কোয়ার্টার ফাইনালে সুইজারল্যান্ডের বিপক্ষে মাঠে নেমেছিল আর্জেন্টিনা। এই ম্যাচে সুইসদের ৩-১ গোলের ব্যবধানে হারিয়ে সেমিফাইনালের টিকিট নিশ্চিত করেছে বর্তমান চ্যাম্পিয়নরা।

রোববার (১২ জুলাই) কানসাস সিটিতে সুইজারল্যান্ডের বিপক্ষে নবম মিনিটে কর্নার পায় আর্জেন্টিনা। একেবারে মাপা শট নেন মেসি। বেশ লম্বা সুইস ডিফেন্ডারকে এড়িয়ে গোল পেতে হলে অনেকদূর লাফিয়ে উঠতে হতো অ্যালিস্টারকে।

তবে তার সামনে থাকা ম্যানুয়েল আকানজির লাফিয়ে বল না পাওয়ার সুযোগটা কাজে আসে আর্জেন্টিনার। দ্বিতীয় বার ঘেষে প্রবেশ করা বলে গোলরক্ষক গ্রেগর কোবেলের তাকিয়ে দেখা ছাড়া কিছুই করার ছিল না। এতে ১-০ গোলে এগিয়ে থেকে বিরতিতে গিয়েছিল আর্জেন্টিনা।

দ্বিতীয়ার্ধে মাঠে নেমে গোল পরিশোধ করার জন্য মরিয়া হয়ে ওঠে সুইসরা। তবে গোলের জন্য তাদের অপেক্ষা করতে হয় ২০ মিনিট। ৬৭ মিনিটে এনদোয়ে বাঁ দিকে রদ্রিগেজের সঙ্গে চমৎকার এক ওয়ান-টু পাস খেলেন। ফিরতি পাসটি নিয়ন্ত্রণে নিয়ে এনদোয়ে কাছের পোস্ট দিয়ে মার্টিনেজকে পরাস্ত করেন। কোণাকুনি শটে বলটি দূরের পোস্টে গিয়ে জড়ায়।

এতে সমতা ফেরে সুইজারল্যান্ড। ৫ মিনিট পর তারা ১০ জনের দলে পরিণত হলো। ৭২ মিনিটে তাদের ফরোয়ার্ড এম্বোলো দ্বিতীয় হলুদ কার্ড দেখেছেন। ৬৯ মিনিটে রেফারি প্রাথমিকভাবে এম্বোলোকে ফাউল করার কারণে পারেদেসকে হলুদ কার্ড দেখান।

তবে ভিএআরে দেখা যায় দুজনের মধ্যে কোনো সংস্পর্শ হয়নি। ফাউলের অভিনয় করার কারণে দ্বিতীয় হলুদ কার্ড দেখেন সুইস ফরোয়ার্ড। লাল কার্ড দেখে মাঠ ছাড়তে হয় এম্বোলোকে। জয়সূচক গোলের খোঁজে মরিয়া হয়ে ওঠে আর্জেন্টিনা। ৯০ মিনিটে নিকো গঞ্জালেজ একটি ক্রস রুখে দিয়ে বাঁ প্রান্ত থেকে স্লাইড করেন। গোলমুখের সামনে বল উড়ে যায়। ম্যাক অ্যালিস্টারের হেড গোলবারের ওপর দিয়ে যায়।

যোগ করা সময়ে বক্সের বাইরে বল পান মে সি। ডানদিকে কাট করে তিনি দূরের পোস্ট দিয়ে শট নেন। কিন্তু বিপজ্জনকভাবে বল বাঁক খেয়ে পোস্টের পাশ দিয়ে মাঠের বাইরে যায়।

শেষ মুহূর্তে মেসির কর্নার থেকে জটলার ভেতরে বল পায় আর্জেন্টিনা। কিন্তু লিসান্দ্রো মার্টিনেজের অ্যাক্রোবেটিক কিক কোবেল সহজেই আটকে দেন। এতে ম্যাচ গড়ায় অতিরিক্ত সময়ে।

অতিরিক্ত সময় শেষ হওয়ার ঠিক আগ মুহূর্তে আর্জেন্টিনা দ্বিতীয় গোলের দেখা পায়। হুলিয়ান আলভারেজের দর্শনীয় গোলে ২-১ এ এগিয়ে গেল তারা। ১১২ মিনিটে বক্সের বাইরে বেশ দূর থেকে তার বাঁকানো শট দূরের পোস্টের কোণা দিয়ে জালে জড়ায়। শেষ দিকে ব্যবধান ৩-১ করেন লাউতারো মার্টিনেজ।

কালের আলো/এসএকে